দ্বিতীয় দৃশ্যনিভাননীর বাড়ি। [ নিভাননী গান গাইছে। ঘরেতে ভ্রমর এলো গুনগুনিয়ে…। চুপি চুপি কাশীনাথের প্রবেশ। দরজায় নক করতে যাবে, এমন সময় পিছু থেকে পার্বতী পাঞ্জাবি ধরে টানে। কাশীনাথ ইশারাই তাকে চুপ করে আড়ালে দাঁড়াতে বলে। পার্বতী উপরে আসতে চায়। কাশীনাথ হাত তুলে তাকে থামায়। পার্বতী রাগে গজগজ করতে করতে নীচে নেমে যায়। কাশীনাথ মন দিয়ে গান শোনে তারপর দরজায় নক করে।] কাশী : নিভাদেবী, ও নিভাদেবী। নিভাননীদেবী বাড়ি আছেন ... ...
কৌন বনেগা ক্রোড়পতি একাঙ্ক নাটক রচনা – সাগরময় মণ্ডল [ লেখকের কথাঃসে দিন হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে গিয়ে রাস্তার মোড়ের কাছে একটা চায়ের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে আছি। একটা কথা কানে এলো। একজন লোক অন্য একজনকে দেখিয়ে তার বন্ধুকে বলছে যে লোকটাকে দেখ। ও আর ওর বৌ মিলে একটা চায়ের দোকান চালায়। টাকা পয়সা বেশ ভালোই কামায়। তবে ওর প্লাস পয়েন্ট হোল ওর এক প্রেমিকা আছে। সে কোটি টাকার মালিক। টাকার কথা এবং প্রেমের কথা দুটোই ওর বৌ জানে। তাই ওকে মানা করে না। অন্য মহিলার সঙ্গে প্রেম ... ...
কর্ণ এক অস্তিত্বের রথচক্র আলবার্ট সিরাজ ব্যানার্জি (একটি প্রাচীন স্মৃতির ঘূর্ণিপাকে, ধূলিধূসরিত মাঠের প্রান্তে দাঁড়িয়ে, আমি। রথচক্রের শব্দ এখনো কানে, কিন্তু তা দূরাগত পায়ের পাতার শব্দের মতো, কখনো আসে কখনো যায়। আকাশে চিলের ডাক। মনে পড়ে, স্বর্ণকবচের ভার, সেই অভিশাপ, যেন মাথার খুলির ভিতরে শঙ্খের ধ্বনি।)সূর্য। সর্বদা সূর্য। অস্ত যায় না, কখনো অস্ত যায় না, শুধু ঘুরে ফিরে আসে পুবে, পশ্চিমে, আবার পুবে, সময়ের কাঁটার মতো নয়, বরং একই জায়গায় স্থির এক তাপ, এক আলো, যা রেখে যায় ... ...
পর্ব-২আমার নামের অদ্ভুত্ব নিয়ে আমি প্রথম অবহিত হলাম কলেজের প্রথম দিনে। কলেজের প্রথম দিনে যে মেয়েটির সাথে পরিচয় হল তার নাম ঊর্মি। আমার নাম শুনে সে, সুচিত্রা সেনের মত হেসে বললঃ এ মা, তোর নাম ভুরভুরা ? তোকে তো সবাই খেপাবে। আমি বললাম, খেপাবে কেন ? ভুরভুরা তো আমার নাম। আমার স্কুলে, আমাদের পাড়ায় তো কেউ আমায় খেপায় না। ঊর্মিলা বলল, দেখ্ কলেজ তো অনেক বড় জায়গা। তারপর একটু ভেবে আমাকে ব্যাপারটা ভাল করে বোঝানোর জন্য বলল, স্কুল হল গিয়ে গ্রাম, আর কলেজ হল গিয়ে শহর। এখানে সব কিছু আধুনিক। তোর নামটা বড় ... ...
( ৩ ) নন্দনের কাছে পৌঁছে দেখল নানা রঙের গুলাল ফাগ পিচকিরি রঙের মহা হুল্লোড় চলছে। প্রায় পনের ষোল জন বাইশ চব্বিশ বছরের ছেলেমেয়ে হোলির রঙ উৎসবে মাতোয়ারা। দুনিয়া ভুলে মজে আছে রঙের উৎসবে। নানা রঙের আবীর উড়ছে হাওয়ায় চারপাশ রঙীন করে। রামশঙ্কর অভ্যাসবশত: ঝোলার মধ্যে আর একবার হাত দিল। একি ! হাতে পার্সের ছোঁয়াটা পেল না তো ....। রামশঙ্কর একটু ঘাবড়ে যায়। এমন তো হবার কথা নয়। রামশঙ্কর নন্দনের চত্বরে ঢুকে দাঁড়াল। ঝোলার ভেতর হাত ঢুকিয়ে হাতড়াতে ... ...
বাসার দরজা খোলা। লকটা শিকায় আটকে যাওয়ার চেষ্টা করা। ঠেলে দেওয়া। বের হওয়া। করিডোরের ফ্যান অফ থাকা। গুমোট গরম।লিফটে দাঁড়ানো। নিঃশব্দে নামা। চতুর্থ তলা থেকে প্রথম তলায়। মাঝখানে থামা না। লিফটের দেয়ালে স্ক্রিন। চলমান ছবি। একটি নতুন সাবস্ক্রিপশন সার্ভিসের বিজ্ঞাপন। "আপনার জীবনকে সাজান, মাসে মাত্র পাঁচশ টাকায়।" একজন মডেলের মুখ, অতিরিক্ত সাদা করা। হাসি দেখানো। দাঁতের মাড়ি পর্যন্ত দেখা যাওয়া। লিফটের অন্য যাত্রী-বুড়ো কাকু। চোখ স্ক্রিনের দিকে আটকে থাকা। দেখতে থাকা। কিছু না বলা। কিছু না ভাবা। শুধু দেখাই কাজ।রাস্তায় পা রাখা। গরম আস্ফাল্টের গন্ধ। গাড়ির ... ...
( ২ ) রামশঙ্করের মনটা আজ একদম ভাল নেই। বাদামী রঙের ভোলাভালা ভুলোটাকে কে বিষ খাইয়ে মেরে ফেলেছে। সকালবেলায় দেখল সজনেগাছের তলায় মরে পড়ে আছে। যন্ত্রণাকাতর মুখটা অসহায়ভাবে হাঁ করা। গ্যাঁজলা শুকিয়ে আছে চোয়ালের দুপাশে। পা চারটে টানটান হয়ে আছে। প্রাণটা বেরোবার আগে পর্যন্ত কত কষ্ট পেয়েছে ভেবে তার চোখে জল এসে গেল। সে রাস্তার ধারে উবু হয়ে বসে ভুলোর দিকে তাকিয়ে রইল। ..... খুব ন্যাওটা ছিল ..... কামারুল মোল্লার নামে কসম খেয়ে বলল — ভুলো তোকে ... ...
এই লেখাটির আর্টিকল নম্বর হল "21011" ম দিয়ে আর যাই করুন— সিপিএম-এর মধ্যে ‘ম’ রাখবেন না।‘ম’ রামে চলে গেছে। অন্যদিকে তাকালে দেখবেন—‘ম’ নেই মন্দিরে, নেই ধর্মেও। ‘ম’-রা সব মোদীতে, অমিতে, আর সীতারামনে! "মলয়" বাতাস বইছে ভারতবর্ষের রাজনীতিতে।। This poem uses the letter “M” as a metaphor for the migration of morality, media, and power in contemporary India. English Translation— Read carefully:Do anything you like with the letter M— but do not place M inside CPM. M has already migrated to Ram. Look around and you’ll notice ... ...
( ১ ) মসলন্দপুর থেকে ট্রেনে উঠল রামশঙ্কর। দুপুর দেড়টা বাজে। ডাউন ট্রেনে এই সময়ে ভিড় ভাট্টা বিশেষ থাকে না। রামশঙ্কর জানলার ধারেই জায়গা পেয়ে গেল। ট্রেন ছাড়ার পর একটা বিড়ি ধরাল। তার পাশের জায়গাটাও খালি আছে।কেউ এসে বসার আগেই বিড়িটা টেনে ফেলে দিতে হবে। ট্রেনে এখন বিড়ি ফোঁকা বারণ। ধরলে কেস খেতে হবে নিশ্চিত। কামরায় অবশ্য ধরার কেউ নেই। অনেক প্যাসেঞ্জারও অগ্নিশর্মা হয়ে ওঠে কামরায় বসে ধোঁয়া ছাড়লে। জানলা দিয়ে বাইরে ধোঁয়া ছাড়তে লাগল রামশঙ্কর। ট্রেন ছেড়ে দিয়েছে। রামশঙ্কর শেষ টান মেরে বিড়িটা ফেলে দিল। জানলা দিয়ে বাইরে ... ...
ধ্যানমগ্ন বলাকার ন্যায় ওরা অপেক্ষা করে শিকারের আমি ওদের ঘৃনা করি ওরা মুখোশের আড়ালে ভালবাসার অভিনয় করে প্রয়োজন ফুরালেই জীবন থেকে সরে যায় আমি এদের ঘৃনা করি এদের কাছে প্রেম ভালবাসা অতি তুচ্ছ ব্যাপার ওরা অভিনয় করে হৃদয়কে করে ক্ষতবিক্ষত, রক্তাক্ত ওরা বাস্তবে গরীবদের ঘৃনা করে মনে করে সমাজের ফেলে দেওয়া আবর্জনা আমি এদের কাছ থেকে মুক্তি চাই এরা এই দেশের রাজনীতিবিদ, এরা ... ...
বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকারের একটি রিপোর্ট নিয়ে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে, যেখানে দাবি করা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ৪১.৬% মহিলার বিয়ে ১৮ বছরের আগে হয়েছে। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে এই তথ্যের প্রকাশ এবং প্রচারের পেছনে যে সুগভীর রাজনৈতিক অভিসন্ধি ও তথ্যের কারচুপি রয়েছে, তা বলাই বাহুল্য। ১. তথ্যের কারচুপি ও সময়ের প্রহসন কেন্দ্রীয় সরকার যে তথ্যের (NFHS-5) দোহাই দিচ্ছে, তা মূলত ২০১৯ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে সংগৃহীত। লকডাউন এফেক্ট: করোনা মহামারীর সময় যখন স্কুল বন্ধ ছিল, তখন সারা ভারতেই বাল্যবিবাহের হার সাময়িকভাবে বেড়েছিল। সেই সময়কার ডেটাকে ২০২৬-এর উন্নয়নের মাপকাঠি হিসেবে ব্যবহার করা স্রেফ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। ভোটের প্রচার: নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গের মতো ... ...
দোকানের ভিতরে ঢোকার ঝোঁক সংবরণ করা। মালিকের দিকে শুধু তাকানো। একটা বুড়ো মানুষ। মোটা চশমার পিছনে চোখ, জলের মতো। তিনি জানেন। তিনি অনেক কিছু দেখেছেন। তিনি কিছু বলেন না। শুধু একটা ইঙ্গিত, একটা ম্লান হাসি: চুপ থাকা। মুখের ভাব বজায় রাখা। নিরাপদ থাকা।ফিরে যাওয়া বাসার দিকে। রাস্তায় মানুষের ভিড়। সবাই দ্রুত হাঁটছে। কেউ কারো দিকে তাকাচ্ছে না। সবাই নিজের গন্তব্যে। সবাই নিজের ফোনে।হঠাৎ একটা শিশুর কান্না শোনা। একটা মা শিশুটিকে কোলে নিয়ে আদর করছে। শিশুর মুখে আসল কান্না। আসল আবেগ। কোনো মুখোশ নেই। কোনো ভান নেই। শুধু বিশুদ্ধ পাওয়া না পাওয়ার হিসাব।দাঁড়িয়ে তাকিয়ে থাকা। মা নজর দেখে এক আমাকে। আবার ... ...
[এক]গুহ বাড়ির বৌরা যে খুব আরামেই থাকে একথা সব্বাই মানে। কত বড় বাড়ি, কত টাকাপয়সা। গুহদের বিশাল ব্যবসা। পুরো গুহ এন্ড সন্স ইন্ডাস্ট্রিজের মালিক তারা। রণজিত গুহ আর তার ছেলেরা এই ব্যবসা চালায়। এ বাড়িতে সবাই যে তাদের মেয়েদের বিয়ে দিতে চাইবে এ নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। নিজের একটি মাত্র মেয়ের জন্য এমন একটি বাড়িই তো সুমন্তবাবু চেয়েছিলেন। সুমন্ত বাবুর এক মেয়ে, এক ছেলে। ছেলে বড়, মেয়ে ছোট। ছেলের নাম রাতুল আর মেয়ের নাম রীমা। ছোট মেয়ে দেখতে সুন্দর, পড়াশোনাতেও বেশ ভালো। আগের বছর M.B.A. পাস করেছে। গোটা ইউনিভার্সিটির মধ্যে সবথেকে বেশি নাম্বার পেয়ে ফার্স্টক্লাস ফার্স্ট হয়েছিল সুমন্ত বাবুর ছোট ... ...
এপস্টিন ফাইলস থেকে নজর ঘোরানোর জন্যেই কি মাদুরোকে কিডন্যাপএই সপ্তাহে ট্রাম্প সাহেব ব্যাপক একটা কান্ড ঘটালেন ভেনেজুয়েলাতে। সেখানে চাভিস্তা সরকারের প্রধান নিকোলাস মাদুরো বহুদিন ধরেই আম্রিকার চোখের বালি, তো তাকে মাত্র দু ঘন্টার অপারেশনেই কিডন্যাপ করে একদম নিউ ইয়র্কের জেলে ঢুকিয়ে দিলেন। বলাই বাহুল্য মাদুরোর আর কোনোদিনই দেশে ফেরা হবেনা যেহেতু বাঘে ছুঁলে আঠারো ঘা আর আম্রিকা ছুঁলে কত ঘা সেটা বলার জন্য কেউই বেঁচে ফিরে আসেনি সে সাদ্দাম, গদ্দাফি, মিলোসেভিচ যেই হোক না কেন ! এবং শুধু মাদুরোকে উড়িয়েই ক্ষান্ত নয় ট্রাম্প, প্রকাশ্যে বুক ঠুকে বলেই দিলেন ভেনেজুয়েলার তেলের দখল এবার থেকে আম্রিকার এবং এজন্যই এই মাদুরো কিডন্যাপিং। সারা ... ...
আলোকবরণ চৌধুরী বিল্ডিং-এর পনেরতলার ছাদে উঠে চারিদিক দেখতে লাগলেন। অনেক দূর পর্যন্ত দেখা যায়। যেন সবুজ রঙের আলোয়ানে জড়ানো তলাটা। সবুজের ফাঁকে ফাঁকে নানারঙা নুড়ি পাথরের মতো উঁকি মারছে ঘরবাড়ি। আলোকবরণের বয়স এখন ছেচল্লিশ। রবসন কেমিক্যালস-এর সিইও। তিনদিন আগে জুরিখ থেকে ফিরেছে। এখানে ঝাড়খণ্ডের এই প্রোজেক্টটা সুপারভাইজ করতে আসতে হল। এসে এই পনেরতলা চারতারা হোটেলে উঠেছেন। স্যুট বুট ছাড়া হয় নি। ছাদের আলসে ধরে দাঁড়িয়ে দূরের নীলাভ ... ...
They shot me dead on the road to Rome'Cause to show them the Truth, I tried..They didn't even allow me to utter my last wordsThat "Truth Is A Multifaceted Lie..."
বাইরে থেকে গাড়ির হর্নের শব্দ আসা। স্ক্রলিং থামানো। জানালা দিয়ে উঁকি দেওয়া। নিচে একটা অ্যাম্বুলেন্স দ্রুত চলে যাওয়া। তার সাইরেনের শব্দ কানে বাজা। শহরের নিয়মিত সঙ্গীত।ফিরে এসে ফোনের স্ক্রিন দেখতে পাওয়া। নতুন নোটিফিকেশন। একটা শপিং অ্যাপ থেকে। "আপনার কার্টে থাকা আইটেমের দাম কমেছে! এখনই কিনুন!" হাসি পেতে চেষ্টা করা। পারা না। শুধু একটা ভারী নিঃশ্বাস ফেলা।টেবিলের উপর রাখা পুরোনো ডায়েরির দিকে তাকানো। কাগজের ডায়েরি। লাল মলাট। তাতে কিশোর বয়সের কবিতা লেখা। এখন সেসব পড়লে লজ্জা লাগে। কিন্তু সেসব সময়ে কথা বলতে ভয় পেতাম না। এখন কথা বলার আগে ভাবতে হয়।ডায়েরিটা হাতে নেওয়া। পাতা উল্টানো। একটা লাইন চোখে পড়া: "আমার মুখ ... ...
মনে পড়ছে ১৯৮২ সালে রিলিজ, শরৎ চন্দ্র রচিত প্রফুল্ল উপন্যাসের চলচ্চিত্র রূপ। যার প্রধান চরিত্র যোগেশ ঘোষ। সেই চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন দিলীপ রায়। অসাধারন বললেও কম বলা হবে। আশির দশকে তৈরি হওয়া ত্রিশ চল্লিশের দশকের গল্পের অসামান্য চিত্ররূপে দিলীপ রায় প্রাণ ঢালা অভিনয় করে বলা যায় মাত করে দিয়েছিলেন। সেটে আলো পড়েছে। ক্যামেরার চোখ অস্থির। গল্প এগোচ্ছে, সংলাপ চলছে, আবেগের ঢেউ ধাক্কা খাচ্ছে। অথচ ফ্রেমের এক কোণে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটি ... ...
প্রকাশিত হল উপন্যাস বিশেষজ্ঞ ড. পুরুষোত্তম সিংহের ‘সাম্প্রতিক বাংলা উপন্যাসের গতিপ্রকৃতি’ (২০০০-২০২৫) গ্রন্থটি। প্রকাশক : শহরতলি। কলকাতা বইমেলায় স্টল ১৯৭। পৃষ্ঠা সংখ্যা ৬৭২। মূল্য ৮০০ টাকা। আপনাকে দিতে হবে ৭০০ টাকা। যোগাযোগ : প্রকাশক : তন্ময় বসাক : ৯৮০০৮৭৭০৯৬ লেখক : পুরুষোত্তম সিংহ : ৮৭৫৯১০৪৪৬৭/৬২৯৭৪৫৮৫৯১ পাঠকের স্বার্থে আলোচিত ঔপন্যাসিক তালিকা দেওয়া হল। এর বাইরেও প্রসঙ্গক্রমে বহু ঔপন্যাসিক এসেছেন। যেমনভাবে আপনারা বিভিন্ন উপন্যাসের ইতিহাস গ্রন্থ পড়েছেন।অর্জুন বন্দ্যোপাধ্যায়। অনিতা অগ্নিহোত্রী। অভিজিৎ সেন। অভিজিৎ চৌধুরী। অনুপম মুখোপাধ্যায়। অমর মিত্র। অমিত মুখোপাধ্যায়। ... ...
আগুনের বলের মতো উলের গোলা গড়িয়ে যাচ্ছে রিখির কোল বেয়ে। হাউসকোটে ঢাকা দুরন্ত মনোরম শরীর। মসৃন ছিমছাম পায়ের পাতা। পেডিকিওর করা পায়ের নখ। সাজানো অশোক ফুলের মতো। রিখির গায়ে কেমন যেন মেঘ কিংবা কুয়াশার গন্ধ। কার্পেটের ওপর রিখির পায়ের কাছে বসে আছে শমিত আর অনুপ। রিখি যদিও সোয়েটার বুনে চলেছে একমনে, তবু এটা কিন্তু শীতকাল নয়। ভরা গ্রীষ্ম। বৈশাখ মাস। ঘরের ভিতরে এয়ারকন্ডিশানার আর বাইরে ঝুরু ঝুরু ফুরু ফুরু বাতাস। শমিত এবং অনুপ এরা কেউই কিন্তু রিখির সৌন্দর্যরসে আকৃষ্ট হয়ে এখানে আসেনি। কিংবা প্রেম নিবেদনের উদ্দেশ্যে তার পদতলে বসে নেই। তারা দুজনেই অত্যন্ত বাস্তব একটি চাহিদা নিয়ে রিখির কৃপাপ্রার্থী ... ...