জিঙ্গল বেল ..... জিঙ্গল বেল ..... ঝিন ঝিন ঝিন ঝিন রঙ বেরঙের ক্যালিডোস্কোপ রশ্মি পাক খাচ্ছে ঝলমলে খুশি ছড়িয়ে। কাল পঁচিশে ডিসেম্বর। সিমোন বলল, ' প্রত্যেক ইয়ারে কলকাতা রেভেলরি আর ভাল লাগে না। সো ব্যানাল ..... শিট .... এনাফ ইজ এনাফ। চল এবার অন্য কোথাও যাই।' --- ' একজ্যাক্টলি .... কোথায় যাবি ? চল এবার সুন্দরবনে ঘুরে আসি। যাবি ? আমার কারে যাব ডায়রেক্ট... ওকে ? ', ইরাবান সিমোনের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে। --- ' ইয়েস .... ফ্যানট্যাস্টিক .... এক্সেলেন্ট আইডিয়া। বাট ... শুধু তুই আর আমি। নোবডি এলস্।' --- ' ওক্কে ওক্কে .... এগ্রি .... ' ইরাবান এক কথায় রাজি। ... ...
সকালের আলো,আধখানা পৃথিবী, মাঠঘাটআমার জানালা লাগোয়া দালানআলোর ভেতর ঢুকে পড়ে।ধানের পাতায় রোদ - স্মৃতিভার,জন্ম থেকে তিরিশ বছরআগুনে উনুনের ধোঁয়ার মত এখনধীরে ধীরে নিজের চেহারা ভুলে যায়।আমি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েশব্দ খুঁজি, স্মৃতির পাতায়হেঁটে আসা সেই সবযা কোনদিনতোমাকে বলা হয়ে উঠল না।মাটির নিচেজান্তব কামনা-বাসনা-পশুসময়ে ধীরে হাঁটে,যখন তখন উঠে এসে খেয়ে নিতে চায় কাঁচা ঘিলু,থালা সাজিয়ে এগিয়ে দিই,তাদের প্রতি আমার সহানুভুতি আছে।দিন এগোয়, গন্তব্য নয়,সন্ধ্যা সন্ধ্যা আলো।সারাদিনে কিছুই করা হল নাপাখিরা ফিরে এসেআমার আরেকটা ব্যর্থ দিন নিয়েউড়ে চলে যায়।আলোহীন,তোমার ভালোবাসার বাকি সব তরঙ্গ পথ,আলোর অভাবে উজ্জ্বল এখন,আরও নিস্তব্ধ,আরও ভাঙা, ভাঙা, অনিশ্চয় এখন। ... ...
কী বললি ? কী বললি ? এ-বছর জন্মদিনে চাইছিস আরাবল্লী ? বেশ, তবে তাই দেবো। একটা পাহাড়, এমন কী আর বিশাল ব্যাপার ? এর আগেও তো প্রতি জন্মদিনে দিয়েছি তোকে কত্তো কি…এয়ারপোর্ট রেইল ষ্টেশন বন্দর বনভূমি… মানুষ দিয়েছে তার ভর্তুকি। তাদের বৃষণ শুকিয়ে হয়েছে হত্তুকি। সে হোক। যতো সব সাধারণ লোক। ওরা কি তোর মতো নাকি ? তোর বায়না মেটাতে ওদের যথেচ্ছ দেবো ফাঁকি। জানি, ওরা আবার চ্যাঁচাবে। দেখাবে রোষ। দেখাক। ওটা ওদের ... ...
এখানে পিঞ্জর সিনেমায় সেই বেকার যুবকটিকে মনে পড়ছে? মফস্বল থেকে চাকরির খোঁজে কলকাতায় এসে যিনি অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত হয়ে পড়েছিলেন। ছবিটিতে অভিনয়ে উত্তমকুমারের সাথে পাল্লা দিয়েছিলেন। কিংবা রাতের রজনীগন্ধা ছবির কথাই ভাবুন। সেখানে বহুল আলোচিত এক মস্তানের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। পর্দায় যাঁর প্রথম উপস্থিতি নাগড়াই জুতো দেখানো দিয়ে শুরু হয়েছিল। বিচিত্র পোশাক আর গগলস সেই সময়ের বাংলা ছবির দর্শকের চোখ ধাঁধিয়ে দিয়েছিল। আবার কাঁচের স্বর্গ ছবিটিতে ... ...
এটা নিছকই একটা জোকস, এক বন্ধুদের আড্ডায় শুনেছিলাম। এর সাথে রাজনীতির কোন যোগ নেই। একজন মন্ত্রী তার অধঃস্তন অফিসারকে বল্ছিলেনঃ তোমার আইডিয়া টা ভেগু। যাকে বলছিলেন, তিনি একটু ঘাবড়ে গিয়ে বললেনঃ কথাটা স্যার ভেগ। মন্ত্রীও একটু ঘাবড়ে গিয়ে বললেনঃ সরি, ওটা স্লিপ অফ দি টাঙ্গু। অধঃস্তন অফিসার এবারে একটু সাহস পেলেন। মন্ত্রীরা সাধারনতঃ সরি টরির ধার ধারেন না। মন্ত্রীকে শুধরে দিয়ে বললেনঃ টাঙ্গু টা স্যার ভুল উচ্চারণ হয়ে গেল, সঠিক উচ্চারণ হল টাঙ্। এবার কিন্তু মন্ত্রী আর নিজেকে ধরে রাখতে পারলেন না। বিরক্তি সহকারে বলে উঠলেনঃ ডোন্ট আরগ। আমরা জোকস টা শুনে সেদিন খুব হেসেছিলাম। কিন্তু ভেবে দেখেলে এতে মন্ত্রীর ... ...
তখন তুমি টিভি দেখছিলে। আফিস থেকে ফিরে বড়জোর দু ঘন্টার বিশ্রাম। তারপরেই কর্মস্থল থেকে ল্যাপটপে ভরে আনা কাজের বোঁচকা খুলে বসতে হবে। বসের দেওয়া একটা আর্জেন্ট কাজের যতটা আজ রাতে পারা যায় এগিয়ে রাখতে হবে। ফোরটিন্থ ফ্লোরে অবস্থিত তোমার সুসজ্জিত ফ্ল্যাটের প্রশস্ত ড্রয়িং-কাম-ডাইনিং-এর সব জানালা দরজা বন্ধ। দিন তিনেক হল বেশ ঠান্ডা পড়েছে I একটু আগেই ঘরে ছিল তোমার স্ত্রী স্নিগ্ধা। একটা গেলাসে দ্য গ্লেন্লিভেট ১৮-এর অভিজাত দর্শন বোতল থেকে একটা লার্জ পেগ ... ...
মিশ্র সংস্কৃতির ঐতিহ্য: ১. তুলসীদাস 'রামচরিতমানস' লেখেন অবধি ভাষায়। ২. সংস্কৃত থেকে ভাবানুবাদ করায় মনুবাদী পণ্ডিতরা তাঁকে পতিত ঘোষণা করেন। ৩. প্রাণনাশের আশঙ্কা দেখা দেয়। তুলসীদাস মসজিদে আশ্রয় নেন। ৪. তুলসীদাসকে রক্ষা করার জন্য ১৪ জন মুঘল সৈনিক ভিখারি বেশে তাঁর পাশে থাকতেন। আকবরের নবরত্নের একজন বৈরাম খাঁর পুত্রর আদেশে। ৫. মুসলমানদের ওপর এত রাগ, মুসলমানরা না থাকলে 'রামচরিতমানস' পেতেন কোথায়? তুলসীদাস কি বেঁচে থাকতেন? রাম মন্দির ভেঙে বাবরি মসজিদ তৈরি হলে তুলসীদাস একবারও লিখতেন না? লিখেছেন? ৬. রামের অকালবোধনের কথা সংস্কৃত 'রামায়ণ' -এ নেই। সীতার লক্ষ্মণরেখাও নেই। আছে কৃত্তিবাসী রামায়ণে। ৭. কৃত্তিবাস ... ...
উপসংহার কোটি কোটি নক্ষত্র আজ বুঝি চঞ্চল,তাদের সমাবেশে নিশিদিগন্ত উজ্জ্বলচাঁদের জ্যোৎস্নায় বালুচর আজ মুখরসমুদ্রের ঢেউগুলোও জমিয়েছে আনন্দ-আসর।আজ রাত্রি যেন চাইছে কিছু বলতেস্নিগ্ধ বাতাসের বারতা ছড়িয়ে পড়ে চারিপ্রান্তেপ্রকৃতিও আজ চেয়েছে উৎসুক-নয়ানেসাক্ষী হতে চায় এ মহামিলনের সন্ধিক্ষণে।দুইটি ক্লান্ত হৃদয় চলেছে দুইপথে ;ওদের গন্তব্য ওই সাগরের মিলনতটে।অবশেষে মিলে গেল সে দুটি প্রাণস্তব্ধ রাত্রি পেল এক সুর,মিলনের গান। গোধূলির রূপকথা দিনের শেষ সন্ধিক্ষণে সূর্যকিরণ আপনমনে ফিরে ফিরে চলে।তালের সারি বারে বারে বিষণ্ণ দুপুরে ... ...
চুপ করে থাকবে কেন? তোমার কাজ কবিতা লেখা। কবিতায় কথা বলো। কবিতায় কথা যদিও এক অন্য রকম কথা। কখনও কখনও সাধারণ কথা কবিতা হয়ে ওঠে। কখনও কবিতা একটা কথানির্ভর আয়না হয়। কবিতায় কবিতার সঙ্গে তোমার কথোপকথন হোক। কবিতায় তোমার নীরবতার ছবি আঁকার চেষ্টা করো। কবিতার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে তোমার হাহাকার। চুপ করে থাকবে কেন? : দেবতোষ মিত্র ... ...
১৬ই ডিসেম্বর। বাংলাদেশের বিজয় দিবস। ঠিক যেদিন ১৯৭১ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পন করতে বাধ্য হয়েছিল তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান অধিকৃত করে রাখা পাক সেনাবাহিনী। ক্যালেণ্ডারে কয়েক দশক পার করে ২০২৫’এর সেই ১৬ই ডিসেম্বর। পশ্চিমবঙ্গের মানুষের জন্য মাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষার রেজাল্ট প্রকাশিত হওয়ার মতো করে প্রকাশিত হয়ে গেল সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক ‘এসআরআই’-এর খসড়া তালিকা। আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে। খসড়া তালিকায় নিজেদের নাম দেখতে পেয়ে, আত্মীয়স্বজন পরিবারের বাকি সদস্যদের নাম আছে জানতে পরে সে’ কি আনন্দ আমাদের সকলের। আছে আছে আছে, নাম আছে। নাম বাদ যায়নি। বাদ যায়নি। তবে আর চিন্তা কি? কারা যেন ভয় দেখাচ্ছিল, এই সবই ঘুরপথে সেই কুখ্যাত ‘এনআরসি’ করারই ... ...
লেখাটির আর্টিকল নম্বর হল "21011" সৃষ্টির চোখ, মানুষের দেখার স্বাধীনতা ও জ্ঞানচক্ষু,—--- গাইয়া, পর্যবেক্ষণ ও ‘দৃশ্যমান সৃষ্টির’ ধারণা,বৈজ্ঞানিক কল্পনা ও দার্শনিক অনুসন্ধানলেখক: শঙ্কর ভট্টাচার্য (২৩/১২/২৫)সারসংক্ষেপএই প্রবন্ধে ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার গাইয়া মিশনকে কেবল একটি জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক জরিপ হিসেবে নয়, বরং জ্ঞানতাত্ত্বিক বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় হিসেবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। গাইয়া মিল্কি ওয়ের নক্ষত্রগুলির অবস্থান, গতি ও বৈশিষ্ট্যকে দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে একটি গতিশীল ও সম্পর্কভিত্তিক কাঠামোয় উপস্থাপন করে। কোয়ান্টাম তত্ত্ব ও সম্পর্কভিত্তিক অন্টোলজির আলোকে এই প্রবন্ধে যুক্তি দেওয়া হয়েছে যে বাস্তবতা শূন্যতা বা বিচ্ছিন্ন সত্তা থেকে নয়, বরং সম্পর্ক থেকেই উদ্ভূত। ‘দৃশ্যমান সৃষ্টি’ ধারণাটি এখানে একটি তাত্ত্বিক নির্মাণ হিসেবে প্রস্তাবিত হয়েছে, যা ইঙ্গিত করে ... ...
ঘুম ভেঙে দেখি বিছানায় চ্যাপ্টা চকচকে কালো একটা সাপ চমকে উঠে তাড়া দি, দ্রুত অদৃশ্য হয়ে যায় পাশের জানালা দিয়ে। সারা গায়ে হাতে পায়ে টিপে টুপে দেখি কোথাও কামড়েছে কিনা,সব সাপের কামড় সহজে বোঝা যায় না। এখন চেনা অনেক মানুষের মত,যাদের মনের অন্ধকার বুঝতে বুঝতে অনেক দেরি হয়ে যায়। তখন দিনের আলো কমে আসেসূর্য ডুবে যায়। তখন সারারাত জেগে থাকি স্বর্নাভ আলোর অপেক্ষা আমি ভোর,আর মাঝে মাঝে, সেইসব রাতে বিষদাঁত লুকিয়ে,উষ্ণ বিছানায় আতিথ্য নেয় সাপ। ... ...
একটা সমীক্ষায় দেখা গ্যাছে, মন্দিরে, বা ঠাকুরের সিংহাসনে প্রতিষ্ঠিত নাড়ূগোপাল রাধাকৃষ্ণ গণেশ শিব দুর্গা কালী ইত্যাদি প্রভৃতিরা যতটা ভয় ভক্তির ডিভিডেন্ড পায়, ক্যালেন্ডারের নাড়ুগোপাল রাধাকৃষ্ণ গণেশ শিব দুর্গা কালী ইত্যাদি প্রভৃতিরা ততটা পায় না। তদুপরি, ঐ শেষোক্তদের মেয়াদ চৈত্র, বা ডিসেম্বর পর্যন্ত। তারপর গারবেজ বিন-এ।।
একটা ঘোড়া।দাঁড়িয়ে আছে কংক্রিটের শহরে,একচিলতে ঘাসের মধ্যে।ওর সামনে ওর মৃত পূর্বপুরুষেরা,ওকে ধিক্কার দিচ্ছে,ও দেখতে পাচ্ছে তাদের, ওরা প্রাগৈতিহাসিক,বিরাট,পেশীবহুল, বীর্য্যবান,বীর।আজকের আমাদের ঘোড়াটি ওদের দেখে লজ্জা পাচ্ছে।ওরা স্বাধীন,আমাদের ঘোড়া নিজেকে বিক্রি করে দিয়েছে,দুমুঠো খাবারের জন্য।কিন্তু তবু আমাদের ঘোড়াটি মালিককে ছাড়তে চায় না,স্বাধীনতা চায়, বেইমান হতে চায় না। ওর ছেলেমেয়েও দাস হবে,কিন্তু তারা কোনো কাজে লাগবে না আর এ সভ্যতায়,ওদের বিকল্প আছে।ও একইসাথে পূর্বপুরুষ আর উত্তরপুরুষদের দিকে তাকিয়ে আছে,তবে এখানে একটা অমিল আছে,ও নিজের উত্তরপুরুষদের,সন্তানদের, অপত্যদের ঘৃণার দৃষ্টিতে দেখছে না,করুণা ঝরে পড়ছে ওর চোখ দিয়ে,নিজেকে ধিক্কার দিচ্ছে আমাদের ঘোড়া।ও খুব দূর্বল হয়ে পড়ছে,অশ্রুঝাপসা দৃষ্টিতে ওদের দেখছে,নিপীড়িত,অবহেলিত,ব্রাত্য পশুগুলো ওর আজকের দুর্বলতার ফল,দ্বিধার ফল।ও চাইলেই চক্র ... ...
জীবন শুরু হয়কোনো ব্যাখ্যা ছাড়া।ধানক্ষেতের ওপরহালকা কুয়াশা,শীতের সকালে সোনালী সবুজ মাঠলাজুক মুখে চেয়ে থাকে,রোদের জন্য অপেক্ষা করে।মাঠের মাঝে শান্ত পুকুর, কচুরিপানা ভাবনা হয়ে ভাসে,রোদ এসে পড়ে ধানের শীষে,পুকুরের জলেতালগাছের ঋজু ছায়া ক্রমশ লম্বা হয়ে পড়ে।কখন দুপুর হয়বোঝা যায় নাখোলা মাঠে খাঁ খাঁ করে রোদআমি ভাবি—থাকা মানে কি শুধু থাকা ...চেয়ে চেয়ে থাকা ?ছায়ারও কি ছায়া থাকে ?প্রশ্নগুলোকড়া রোদে শুকিয়ে খটখট করে, তেপান্তরের মাঠ পেরিয়ে পক্ষীরাজ ঘোড়া নেমে আসে এই বিস্তীর্ণ রোদের দেশে আসন্ন বিকেলে চেনা রাজকন্যা আর রাজপুত্রের খোঁজে |মাটির রাস্তা ধরে হেঁটেনরম শব্দে ধোঁয়াটে সন্ধ্যা আসে,হাটের মাঝেবুড়ো বটগাছের নীচেচায়ের দোকান থেকে ঘন সাদা ধোঁয়া ওঠে,আকাশ নরম, অন্ধকার হয়।অনবরত ডেকে ডেকেঝিঁঝিঁ পোকাবিশৃংখল জীবন সব স্তিমিত করে আনে।কানাকানি গল্পগুজব ফুরিয়ে ... ...
ছায়ানট .......... তুমি শাস্ত্র তুমি যজ্ঞশালা তুমি সংঘ তুমি বট তুমি জিদ তুমি কৃতিমালা তুমি মায়া ছায়ানট তুমি শুদ্ধ, শুচি অগ্নিস্নানে তুমি নিত্য অকপট তুমি সত্য আবহমানের তুমি মূর্ত ছায়ানট লালনকে মেরে যারা বীর যারা ধর্মীয় লম্পট তাদের সহিংস পৃথিবীর তুমি ত্রাণ ছায়ানট অভয়ের বাণী তুমি গেয়ে মুছে দাও হে সংকট লালনের যত ছেলে মেয়ে ফিরে পাক ছায়ানট ©উৎপল দাস ... ...
নয় : প্রতিবেশী ll সহেলি বন্দ্যোপাধ্যায় যে বাংলার লড়াই ছিল ভাষা যে বাংলায় এসেছিল বিজয় দিবস সেই বাংলাই জ্বলছে ধিকিধিকি মানুষ আজ হারিয়েছে আশা .. এক আশাতেই কত মানুষ বেঁচেছিল জাগিয়ে রেখে শুধু স্বপ্নগুলো স্বপ্নগুলো বাতাসে এলোমেলো উড়ে গেলো সব কিছুই যেনো পলকা.. বড্ড খেলো.. এখন শুধুই দগ্ধ লাশের গন্ধ কতো মানুষের যাত্রা বদল হলো.. “নমঃ নমঃ নমো বাঙলাদেশ মম”কবিতা গানে কতোবার জয়ধ্বনি I বাংলা অক্ষর মায়ের হাত ছেড়ে এখন কি শুধু বিষাদ রাত্রি গুনি? ছায়ানট এখন গভীর রাতের ছায়া সা থেকে সা তান গিয়েছে ছিঁড়ে মধ্যরাতের রাগিণী বেসুরো ঈশ্বর বা আল্লা কেউ কি ক্ষমা কর? দেওয়ালে ছেঁড়া কবির ছবিখানি এই বর্বরতার নীরব সাক্ষী জানি l হিন্দু বা মুসলিম কিছুতেই কিছু নয়.. সকল ধর্মের একটাই কথা হয়.. “আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি… ... ...