ধানসিড়ি নদীটির তীরে আবার ফিরে আসতে চান জীবনানন্দ দাশ। রাষ্ট্রদ্রোহী? গঙ্গা আমার মা, পদ্মা আমার মা -- গেয়েছেন ভূপেন হাজারিকা। রাষ্ট্রদ্রোহী? মোরা একই বৃন্তে দুটি কুসুম হিন্দু মুসলমান লিখেছেন নজরুল ইসলাম। রাষ্ট্রদ্রোহী? রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তো অবশ্যই রাষ্ট্রদ্রোহী। আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি--কেন লিখেছেন?. তাও সহ্য করা যায়? পাকিস্তানে গেছে সিন্ধু নদী। তার নাম আছে। সব জলের বাঁধ ভেঙে দেওয়ার জন্য 'মুক্তধারা' নামে নাটক লিখেছেন। জাতপাত কুসংস্কার ব্রাহ্মণ্যবাদের বিরুদ্ধে লেখা লিখেছেন। মন্দিরে শুয়োরের ঢোকা সমর্থন করে গল্প লিখেছেন। বামুন বাবার মুসলমান সন্তানকে স্বীকৃতি দেওয়ার গল্প প্রসব করেছেন। বিধবার বিয়ে দিয়েছেন। বকরিদে গোরু কুরবানি করতে দিয়েছেন নিজের জমিদারিতে। মুসলমান ছেলে সৈয়দ মুজতবা আলীকে শান্তিনিকেতনে পড়াশোনা করার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন অন্যদের আপত্তি অগ্রাহ্য করে। শান্তি ... ...
ভয় দেখানো নয়, দাদা সতর্কতা। একদল বলছেন, এতে কিছু হবে না। আদিবাসী দলিত সংখ্যালঘু এবং সব সমাজের মহিলাদের ক্ষতি হবে। দেখছি চারপাশে তথাকথিত ভদ্রলোকদের। শুনছি কথা। বলছেন, উদ্বাস্তু পরিবারের সন্তান বলছেন, পরে আসা উদ্বাস্তু নাকি বেআইনি বসবাসকারী। তাদের পূর্ব পুরুষদের সম্পর্কেও সেই সময় লোক একই কথা বলতেন।এঁরা সেকথা ভুলে গেছেন। তাঁদের পরে আসা উদ্বাস্তুদের ওপর খড়্গহস্ত। ব্রিটেনে ব্রেক্সিটের সময় একদল এশীয় পরে আসা এশীয়দের বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে সর্বনাশ ডেকেছে। আমেরিকাতেও এক ঘটনা। কোনওভাবে, ছলচাতুরি করে নাগরিক বনে যাওয়া অ-আমেরিকানরা ট্রাম্প কে ভোট দিয়েছিলেন। এখন ফল হাতে নাতে বাঙালি ঘটি বিদ্বেষ দেখেছি। স্তিমিত হয়ে গিয়েছিল। শুধু খেলার দিন জাগতো। কিন্তু ইদানীং কী কুৎসিত গালাগালি শুনি। পথে। ম্যাটাডোর থেকে। মা ... ...
নাগরিক সিনেমাটা ফিরে ফিরে আসছে এবছর চৌঠা নভেম্বরে কারণ ঋত্বিক ঘটকের জন্মশতবর্ষ এবং পশ্চিমবঙ্গে বিশেষ নিবিড় সংশোধন সূচনার দিন যা বৈধ-অবৈধ নির্ণয় করার নিমিত্ত বলবৎ হচ্ছে কিন্তু যোগ্য-অযোগ্য নির্ণয় করার জন্য না তাই সবাই জানে শিক্ষক প্যানেল বাতিল হয়েছে এবং এখনও যারা শিক্ষক আছেন তাদের কিছুদিনের জন্য পড়ানো ছেড়ে বিএলও হতে হচ্ছে আর যে কারণে স্বরূপনগর ও ঐ ধরনের জায়গা দিয়ে রাজশাহী, বাগেরহাট, নড়াইল, যশোর, খুলনা ফেরৎ যাচ্ছে ও যেতে চাইছে কেউ কেউ কিন্তু ওদিক দিয়ে চট্টগ্রাম যেতে পারছে না কেউই তাই তাদের যাওয়া অপ্রয়োজনীয় আবার লিস্ট থেকে তার আগেই বাদ পড়ছেন কেউ কেউ অতএব যার হাতে মরণ বাঁচন তার ... ...
(২৫) দেবপ্রভর ফোন এল রাত এগারোটা নাগাদ। --- ' ভেরি সরি মিস্টার গুপ্ত। আমার ফিরতে অনেক লেট হয়ে গেছে। একটু আগে বাড়ি ফিরেছি। বলুন বলুন স্যার... কোন আর্জেন্ট দরকার ছিল ? ' --- ' আর্জেন্ট কিনা বলতে পারব না, তবে দরকার একটু ছিল... ফোনে তো সব কথা বলা যায় না... ' --- ' হ্যাঁ সে তো নিশ্চয়ই। কিভাবে তাহলে... ' --- ' কাল সকাল দশটার মধ্যে আপনার বাড়ি যাব। অবশ্যই বাড়ি থাকবেন... ' কলতানের বলার ভঙ্গী দেখে দেবপ্রভ বেশ থতমত খেয়ে গেল। সে বলল, ' আচ্ছা ঠিক আছে। বলছেন যখন.... ' তারপর একটু থেমে বললেন, ' অমৃতাংশুর বাড়ির ... ...
মেয়েরা ক্রিকেট খেলে এটা তো ভাল কথা মেয়েরা সব করবে এইটাই সমানতা. এ যাবত সমস্ত ঠিক কিন্তু ধন্দ থাকেই ক্রিকেটের ব্যবসাটাতো মরদের আস্তানাতে। দেখলাম কাপ্তেনজির জয় শার পা ছোঁয়াতে দ্বিধাহীন কৃতজ্ঞতা; বিপদটা এখান থেকে; শেষ হবে যেমনটি হয় যতোটা খেলা থাকে তার বেশি বিক্কিরি হয়। কীই বা করবেন আর আগে তো বেঁচে থাকা ষাঁড়েরাই ব্রিজভুষন ষাঁড়েরাই দেশের পিতা। আমাদের স্বদেশ জুড়ে ধর্ষণের এতই ঘটা এই জয় আসুক নিয়ে সেই সব মেয়ের কথা। হবে না এটাও জানি কারণটা ভীষণ সোজা দেশপ্রেম টি টোয়েন্টি যেখানে পয়সা গোঁজা। © মণিপদ্ম দত্ত ... ...
ব্যাংকে গেছি একটা কাজে। প্রতিবেশী মানব বাবুর সঙ্গে দেখা। ছেলে ব্যাঙ্গালোরে থাকে। ছুটিতে এসেছে।আমরা গুড্ডু বলে ডাকি। আমি বললাম, কিরে গুড্ডু? অনেক দিন পর দেখলাম। কবে এলি? গুড্ডু বলল, এই তো লাস্ট ফ্রাইডে। ভালো আছ আংকল? আমি কিছু বলার আগেই মানববাবু বললেন, আমার ছেলেকে বোধহয় সারাজীবন বাইরেই কাটাতে হবে। এর জন্য দায়ী লাল ঝাণ্ডার রাজনীতি। মানববাবু বিজেপির ঘোরতর সমর্থক শুধু নন, ওঁর অফিসে বিজেপির ট্রেড ইউনিয়ন বি এম এসের নেতা বলে জানি।আমি বললাম, দেখুন পশ্চিমবঙ্গে তো কমপিউটার বিরোধী আন্দোলন হয়েছিল প্রধানত দুটি। একটি বীমাশিল্পে, কিন্তু সেটা ১৯৬৮ সালে আর সেটা এখনকার কমপিউটার নয়। আর দ্বিতীয়টা হয়েছিল আটের দশকের মধ্যভাগে ব্যাংকশিল্পে। কিন্তু কম্পিউটারের সার্বিক বিরোধিতা কোথাও ... ...
দোলাচলমুহাম্মদ ফজলুল হক সৃষ্টিলগ্ন থেকেই দ্বৈত চেতনার অধিকারী মানুষ। সময়ের প্রবাহে দ্বৈততা মসৃণ ও সূক্ষ্ম হয়েছে। একই সঙ্গে একাধিক চিন্তা করার ক্ষমতা থাকায় মানুষ অন্যসব প্রাণীর চেয়ে শক্তিশালী। অভিও তার ব্যতিক্রম নয়। এই মূহুর্তে সে শম্পার কাছে সমর্পিত অথচ ভাবছে চৈতীর কথা। এখন শম্পাকে শান্ত করলেও আগামীকাল চৈতীকে সমালাবে কিভাবে? সে অবাক হয় দীর্ঘদিন যাবত কত নিখুঁত ভাবে দুজনের সাথে সম্পর্ক রেখে চলছে। তাকে যদি একজনকে বেছে নিতে বলা হয় সে কাকে নিবে? শম্পা না চৈতী! সেকি দুজনকে ভালোবাসে। একই সময়ে কি দুজন ভালোবাসা সম্ভব। এই দ্বৈততা কি তার নিয়তি!নিরিবিলি শান্ত স্বভাবের শম্পা। কখনোই কাউকে অধিকার করতে চায় না। বিশ্বাসের প্রবনতা ... ...
কলকাতার কড়চা: সিনেমার শহরে বিশ্বের সফর পাতা ঝরার হেমন্তে ফিল্মোৎসব এসে গেল ফের। ৩১তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের বাদ্যি বেজে গেছে: ৬ নভেম্বর উদ্বোধন গুণিজনসমাগমে, অজয় করের সপ্তপদী ছবির আবেগমূর্ছনায়, সেটিই উদ্বোধনী ছবি কিনা! ৭-১৩ নভেম্বর চেনা ভিড় জমবে নন্দন-রবীন্দ্রসদন প্রাঙ্গণে, মোট ২১টি প্রেক্ষাগৃহে। ৩৯টা দেশের, মোট ২১৫টা ছবি থাকছে উৎসবে: ১৮টি ভারতীয় ও ৩০টি বিদেশি ভাষার! পুরোটা পড়ুন ... ...
(২৪) সকাল নটা নাগাদ কলতানের বাইক রওয়ানা দিল নিউ গড়িয়ার উদ্দেশ্যে। প্রায় সোয়া এক ঘন্টা পর ম্যাগনোলিয়া রেসিডেন্সির গেটের সামনে এসে থামল। সিকিউরিটি গার্ড এগিয়ে এল তার দিকে। এ সেই আগের দিনের মানুষটি নয়। তার বোধহয় এখন ডিউটির সময় নয়। হাসি হাসি মুখে বলল, ' কোথায় যাবেন ? ' --- ' এল টেন বাই ফাইভ, এল ব্লক... ' কলতান সরাসরি বলল যেটা আগের দিনের সিকিউরিটির কাছে শুনে গিয়েছিল। --- ' মানে, টেনথ ফ্লোর ? ' --- ' হ্যাঁ হ্যাঁ.... ' --- ' কি নাম আছে স্যার? ' --- ' বিক্রমজিৎ নিয়োগী, অশ্বিনী তেওয়ারি ... ' --- ' একটু দাঁড়ান স্যার... লগবুক দেখছি... ' সে কিয়স্কে ঢুকে জাবদা খাতা খুলে চোখ বোলাতে ... ...
আর্টিকল #: 33476নিকেশ | The Execution of Memories বাংলা: দেশটা ভাগ হয়েছিল —সাম্প্রদায়িক বিভেদ, হিংসা, আর রাজনীতির চাতুরীতে;সাধারণ মানুষের জীবন ভেসে গিয়েছিল ধ্বংসের স্রোতে।কত শিশু অনাথ হয়ে গিয়েছিল,কত স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে হারিয়েছিল,কত মানুষ জাত-বেজাতের জাঁতাকলে পড়েহারিয়ে ফেলেছিল তাদের আগের পরিচয়।কোথাও কোনও লেখাজোকা তথ্যই নেই কারও কাছে —শুধু ক্ষতবিক্ষত স্মৃতি,যা আজও ভুলে যায়নি কোনও মানুষ। এবার হচ্ছে সেই স্মৃতির নিকেশ,যারা কোনমতে বেঁচে ছিল, তাদের নিকেশ —তাদের অস্তিত্বের নিকেশ।তারা এখন বৃদ্ধ বা বৃদ্ধা,কলিজা দুই টুকরো হয়ে বিভক্ত দেশে,ক্ষত বয়ে বয়ে কাটিয়েছে জীবন। হৃদয়হীন একটুকরো কাগজে সইসাবুদেই দেশটা টুকরো করা হয়েছিল।লাখো লাখো মানুষ হারিয়েছিল আশ্রয়,নথিপত্রে তাদের পরিচয় হয়ে গিয়েছিল — উদ্বাস্তু। উদ্বাস্তু জীবন থেকে যাওবা কোনো মতে জোগাড় ... ...
আর্টিকল #: ৩৩৪৭৫
স্থানীয় সংবাদ নামে একটা সিনেমা আছে যেটা নন্দনে চলেছিল এখন ইউটিউবে আছে তাই সুবিধা হয়েছে কারণ বারবার দেখা যাবে কিন্তু দেখা আশানুরূপ ভাবে হয়ে উঠবে না যেহেতু তখন কিছু বাঙালি আধা-বাংলাদেশী অর্থাৎ বাঙাল ছিল এবং সিনেমা মাত্রেই উত্তম কুমারের কথা মাথায় আসে যে নেই বলে কি বাসনামুখ হবে তা স্তব্ধ অতএব আমার প্রতিবছর উত্তম কুমার লাগবে কারণ সেটি খুব দরকারী কেননা উত্তম কুমার মাত্রেই আমার সব্যসাচী মাথায় আসে তাই প্রতিবছর সব্যসাচী এবং আরো অসংখ্য ছদ্মনামে শিরোনাম লেখা হয় যা আমি খুব খাই সুতরাং এ বছর সব্যসাচী মুখার্জি অঙ্কে যুব বিভাগে রাষ্ট্রীয় বিজ্ঞান পুরস্কার অর্থাৎ ভাটনাগর পেলেন যাকে নিশ্চিত উত্তম কুমারের ... ...
১) পরিচয়পর্ব:''হাংরি মুভমেন্ট খায় নাকি মাথায় দেয়"। এই বাক্যটা থেকেই হাংরির সাথে আমার পরিচয় ঘটে সৃজিত মুখার্জি পরিচালিত '২২শে শ্রাবণ' ছবিতে। এরপর নানান ব্লগ আর পত্রপত্রিকার সহায়তায় এই মুভমেন্টের আদ্যোপান্ত জানতে পারি। এবং মলয় রায়চৌধুরী নামটার সাথেও আমার সেই স্টাডি থেকেই পরিচয়। হাংরি আন্দোলনকে আদতে বলা যায়, সিস্টেমের গালে কড়া একটা থাপ্পড়। ২) এক তেজী নক্ষত্র: ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসের ২৬ তারিখ রোজ বৃহস্পতিবার যেন নির্বিঘ্নে নিঃশব্দে বিদায় নিয়ে চলে গেছেন মলয় রায়চৌধুরী। ৮৪ তম জন্মবার্ষিকীর ঠিক ৩ দিন আগে। পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে তিনি অসীমের উদ্দেশ্যে যাত্রা করলেন। তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক এবং সব কিছু ছাপিয়ে হাংরিয়ালিস্ট ছিলেন। হাংরি আন্দোলনের ... ...
কল্পনা করুন ২০৫০ সালের আশেপাশের পৃথিবীর ছবি। শত্রুর মুখে ছাই দিয়ে (পড়ুন ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরি, মহামারী, যুদ্ধ, উল্কাপাত, আবহাওয়া পরিবর্তন - এই সব ছোটখাটো জিনিস অগ্রাহ্য করে) মনুষ্য প্রজাতি এখনো বহাল তবিয়তে টিকে আছে। আরে বাহ্, দেখুন, কতই না উন্নতি করেছে মানুষ! পৃথিবীর বুক খুঁড়ে খুঁড়ে ঝাঁঝরা করে এখন চাঁদ ছাড়িয়ে মঙ্গলে পা বাড়িয়েছে। মঙ্গলে মনুষ্য কলোনির শুভ মহরত আর বছর কয়েকের অপেক্ষা। কিন্তু, এত কিছুর পরও কি যেন নেই! জীবন কি এখন বড়ই মাপা চালে চলছে? কী খেতে হবে, কোথায় যেতে হবে, কাকে ভালোবাসতে ... ...
মীর টাকি মীর জবানকে -কথার মহিমাকে যদি কাব্যে এনে ফেলতে পারেন তবে পদাবলী মাধুর্য দিয়ে সমকালে রামপ্রসাদও তাই করলেন। বাল্মীকির 'মা নিষাদ' জবান যদি পেল্লায় রামায়ণ কাব্য বানানোর শুরুয়াত, তবে ফিরিঙ্গী অত্যাচারে মা মা ডাক ছাড়তে ছাড়তে লাখে লাখে মরতে থাকা লোকের জন্য নিজের বড় দুঃখে ওই সাধক কালী আর উমার গোটা ধারণায় কী একটা যেন করে দেন। ফলে ভয়ঙ্করী দেবী মূর্তি একেবারে ঘরের ভেতর, ঘরের মেয়ে হেন ঢুকে বসে থাকছে। সতেরোশো সত্তরের মন্বন্তরে সুবে বাংলার এক কোটি লোক মরে পড়ে পড়ে পচতে থাকে। সারা জাহান অন্ধকারের ভেতর সেঁধিয়েছে, সেই তখন তমসার দেবীদের বাংলার ঘরে ঘরে ... ...
পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যা বা ভোটার কি 'বাঙাল'দের জন্য শুধু বেড়েছে? এটা একটা কুপরিকল্পিত মিথ্যা প্রচার। বহু ডিগ্রিপ্রাপ্ত মানুষ সং... পরিবারের অপপ্রচারের ফাঁদে পা দিয়ে বলছেন এত ভোটার এল কোথায় থেকে?আপনি উবের ওলা ট্যাক্সি চাপলেই বুঝবেন কী কারণে পশ্চিমবঙ্গের ভোটার ও জনসংখ্যা বেড়েছে। চায়ের দোকান ইস্ত্রি দোকান ফুচকা দোকান রাস্তার ধারের দোকান? মালিক কারা? তাঁর ভাষা কি বাংলা? না হিন্দি? বাংলাদেশ থেকে হিন্দু উদ্বাস্তু এসেছেন সন্দেহ নেই। কিন্তু তাঁদের চেয়ে অনেক বেশি বিহার উত্তরপ্রদেশ গুজরাটের লোক। পুরাতন কাপড়ের বদলে বাসন বালতি দেওয়া ব্যবসায় ৮০% গুজরাটের মহিলা।বাংলাদেশ থেকে আসা মুসলিম এক শতাংশও হবেন না। রোহিঙ্গা দেখেছেন কজন? এত এত ক্যামেরা মোবাইল! একটাও ছবি ভিডিও নেই কেন? রোহিঙ্গা ভাষা সমেত? পূর্ব ... ...
ধরা যাক তুমি আছো যেমন ছিলে সেই সূর্যাস্তের সময় ধরা যাক তুমি আছো মিথ্যে জেনেও বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করে ধর্মীয় সংস্কার সব যা পেরিয়ে এসেছিলাম মৃত্যুর পরও মানুষের থাকা খুব দরকার ;ভগবান ভূত স্বর্গ নরক আর একটা নদীর ঘোলা জল তীব্র স্রোত ... বনের প্রান্তে রোদ উঠেছে, নতুন পলিমাটি, নদী আর অরণ্যের মাঝে মেঘ রোদ, তোমাকে বলার কথাগুলি, তোমার থেকে শোনার কথাগুলি আর সেই রাস্তাটি আমাদের ;সামুদ্রিক বাতাস হা হা করে হেসে ওঠে কী এক সর্বনেশে উদাসীন বাতাসে পাল তুলে আমাদের ছোট সংসারটি ভেসে যায় অতল সমুদ্রের দিকে ফেরার আর ফেরাবার চেষ্টা অনর্থক মনে হয় নিজেকে সর্বতোভাবে মিথ্যা মনে হয় | ... ...
(২৩) একদিন কেন, তিনদিন হয়ে গেল, তমাল কিছু জানাল না এখনও। এর মধ্যে কলতান কোন তাগাদা দেয়নি। সে জানে তমালের মধ্যে নিষ্ঠার অভাব নেই। কাজ শেষ হলে নিশ্চয়ই জানাতে দেরি করবে না। কলতান অপেক্ষা করে রইল। সূক্ষ্ম কাজে একটু সময় লাগতেই পারে। ইলিনার পোস্ট মর্টেমের সরকারি রিপোর্ট কতদিনে আসবে কে জানে। কলতান ভাবল, যদিও এটা সরাসরি জানার কোন উপায় নেই কারণ সরকারিভাবে এটা গোপনীয় তথ্য, তবে তদন্তের স্বার্থে খোঁজ নেওয়া যেতে পারে। সেটা নিশ্চয়ই অবৈধ এবং অসংগত হবে না। ইনকোয়েস্টের সময় দুজন ইনভেস্টিগেটিং অফিসার ছিলেন কুশল চ্যাটার্জী এবং অরবিন্দ সেনগুপ্ত। এর মধ্যে কুশলবাবুকেই বেশি নির্ভরযোগ্য সহযোগিতাপূর্ণ মনে হয়েছে কলতানের। কলতান একটা ফোন ... ...