এই আর্টিকল #: 33456Coiled Presence******************* I am present,I remain present,I become present—The mastery of my presence—“Here and there,”In the shadows of all beings! I am a self loaded man,I appear—showing my face,For presence means exactly that.All unfolds, yet I am everywhere,Yet I have no deceitful trick,I cannot remain absent, my brother,From human to a visible deity, I thus transform! If you ask—where does this eminence originate?From mentalities thousands of years old.Does destiny alter this prominence?Astounded locals—In the continuous display of grandeur,One must certainly speak!No stream of learning remains,Yet all around, the moralists receive the just reward of presence. Presence means exactly that—Foolish chatter,Shame, ignorance,Yet ... ...
এই আর্টিকল #: 33453 সারসংক্ষেপ এই প্রবন্ধে ভারতীয় মহাকাব্য (রামায়ণ ও মহাভারত), বুদ্ধের চেতনা এবং গ্রিক মহাকাব্য (ইলিয়াড ও ওডিসি)-এর দেবতা-মানব সম্পর্কের পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ভারতের মহাকাব্যে মানুষ চরিত্রগুলো পরবর্তী সময়ে দেবতা হিসেবে পূজিত হয়েছে, এবং বুদ্ধের সময়ে মানুষের মধ্যে জাতপাত ও বৈষম্যের ঊর্ধ্বে ওঠার চেতনাও বিকশিত হয়েছে। কিন্তু রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যবস্থার কারণে গণতান্ত্রিক চেতনায় তা স্থায়ীভাবে প্রভাব ফেলতে পারেনি। অন্যদিকে গ্রিক মহাকাব্যে মানুষ ও দেবতার মধ্যে স্পষ্ট বিভাজন থাকার কারণে নাগরিক অংশগ্রহণ, প্রজাতন্ত্র ও গণতন্ত্র বিকশিত হয়েছে।---মূল শব্দ ভারতীয় মহাকাব্য, গ্রিক মহাকাব্য, দেবতা-মানব মেলবন্ধন, রামায়ণ, মহাভারত, বুদ্ধ, ইলিয়াড, ওডিসি, রাজনীতি, জাতপাত, গণতন্ত্র, সামাজিক বৈষম্য---ভূমিকা ভারতবর্ষ এক অতুলনীয় স্থলভাগ, যেখানে উর্বর মাটি, ... ...
এই আর্টিকল #: 33448(পরবর্তী অংশ) প্রবল অভিকর্ষ বলের কৃত্রিম বাস্তব ক্ষেত্রের মধ্যে রাজনৈতিক শক্তি তৈরি হয়। কৃষ্ণগহ্বরের মতোই অদৃশ্য কৃত্রিম বাস্তব ক্ষেত্রে স্থান ও কাল বেঁকে যায়। সার কথা: রাজনৈতিক প্রকোষ্ঠ এক প্রকার অদৃশ্য কৃত্রিম বাস্তব ক্ষেত্র।মানুষের চিন্তা, স্বাধীনতা, যুক্তিকে কৃষ্ণগহ্বরের অভিকর্ষের মতো টেনে নেয়।মানুষের চিন্তা স্প্যাগেটিফিকেশন হয় — একরৈখিক, নিঃসাড়, প্রশ্নহীন।ন্যারেটিভ আর বাইনারি এই ক্ষেত্রের শক্তি।নির্বাচনের মাধ্যমে পরিবর্তনও হলেও কৃত্রিম বাস্তব ক্ষেত্রের অভিকর্ষ বদলায় না।তাই সমাজে মৌলিক কোনো পরিবর্তন ঘটে না। অদৃশ্য কৃত্রিম বাস্তব ক্ষেত্রে “ক্ষমতা শুধু আসন দখলের জন্য লড়াই করে না, বরং মানুষের চেতনাকে কব্জা করে গহ্বরে রাখতে চায়, যাতে কেউ সেই অভিকর্ষ থেকে বেরিয়ে না আসতে পারে। স্থান ও কাল ... ...
প্রতিটি অনুষ্ঠানে একদম শেষের মুখে আসতেন। আমার চার ছেলে মেয়ে। আরও একটা দাও। প্রার্থনা। দিলাম তো। তিনজন এসেছিল। একজন আসতে পারেনি। শুয়ে আছে। তোমাকে দিলে তো বাকিরাও চাইবে। এমনিতেই পাড়ার লোক বলেন, তোমাদের নাকি বেশি দিই! প্রতিবার ঠিক জিতে ফিরতো মমতা। মমতা সিং। আমি বলতাম, পক্ষীমাতা। ছেলে মেয়ে অন্ত প্রাণ। চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকতো। সবাই চলে গেলে আলাদা করে দিতে বলতাম। আর শোনাতাম, একটু আগে আসতে পারো না! কখনও শুনতাম, কাজে গিয়েছিলাম। কখনও -- বাড়িতে ছিলাম না। একবার চড়ুইভাতি। বাস ছেড়ে চলে গেছে -- এক ঘণ্টা অপেক্ষার পর। আমি বের হবো। ছুটতে ছুটতে এসে হাজির চারজনকে নিয়ে। আমি নিজের গাড়ি ছেড়ে দিলাম। পাঁচজন। নাহলে যাবে কী করে? আপনি যাবেন কীসে? ... ...
অন্ধকার অভিকর্ষে মানব চেতনা (প্রথম পর্ব)—-------- শংকর ভট্টাচার্য্য এই আর্টিকল #: 33448 ভূমিকা:সামাজিক বাস্তবতা আসলে কৃত্রিম। এটি বস্তু বা প্রাকৃতিক সত্যের উপর নির্ভর করে না, বরং মানুষের পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া, ব্যাখ্যা, নিয়ম, সংস্কার, বিশ্বাস ও ক্ষমতার প্রভাব থেকে তৈরি হয়। ভালো-খারাপ, সভ্যতা-অসভ্যতা — এগুলো প্রাকৃতিক নয়, মানুষের তৈরি। কোনো সমাজে যা অশালীন, অন্য সমাজে তা স্বাভাবিক। পরিকল্পনাহীনতা, অপরিচ্ছন্নতা, অব্যবস্থাও সামাজিক বাস্তবতার অংশ, যা মানুষ স্বাভাবিক বলে মেনে চলে। শাসক, প্রভাবশালী মানুষ এবং সাধারণ মানুষ মিলে এই বাস্তবতা গড়ে তোলে, যা একবার তৈরি হলে অদৃশ্য শাসকের মতো কাজ করে। এই মিথস্ক্রিয়া সমাজের মধ্যে জাগতিক শক্তি রূপে প্রতিয়মান হয়। জাগতিক শক্তি বলতে এই আলোচনায় ... ...
এর আগের তিনটে কিস্তিতে আম্রিকার ইউক্রেন ও প্যালেস্টাইন ও ইরানের যুদ্ধ, ট্রাম্প সাহেবের ট্যারিফ যুদ্ধ, যুদ্ধ আর ধার নিয়ে দুকথা বলেছি l সেসব পর্বের লিংক এখানে আর এইখানে l সর্বশেষ কিস্তিতে নিক্সন আর তার ১৯৭১ সালের পনেরোই আগস্টের যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের যার ফলে ডলারের বিশ্ববিজয় শুরু হয় সেকথা বলেছি l এনিয়েই আরো সামান্য কিছু বলবার ইচ্ছা এই লেখাতে l ... ...
( ২২) রাত প্রায় এগারোটা বাজে। কলতান তমালের দেওয়া রিপোর্টগুলো খুলে বসল। ওয়াশরুম থেকে পাওয়া রক্ত, চুলের ডি এন এ মেলেনি। এটা অভিনব কোন ব্যাপার না, প্রত্যাশিতই ছিল কলতানের কাছে। চুলটা, ধরা যেতে পারে আততায়ীর। ইঞ্জেকশান সিরিঞ্জের নিডল থেকে টুসির পার্টিকল পাওয়া গেছে বলছে রিপোর্টে। ভাববার মতো বিষয়। আর যেটা এই মুহুর্তে কলতানের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেটা হল গলায় আঙুলের ছাপের রিপোর্ট এবং একটা তোয়ালে রুমালে লেগে থাকা ঘাম থেকে পাওয়া ডি এন এ মিলিয়ে দেখা। রক্তটা হয় ইলিনার কিংবা আততায়ীর। এটা জানতে পারলে কাজ প্রায় শেষ। রক্তটা ওখানে কী করে পড়ল সেটা পরে ভাবলেও চলবে। রক্তের ধরণ দেখে মনে হচ্ছে বমির সঙ্গে বেরিয়েছে, তমাল ঘোষের রিপোর্ট ... ...
একসঙ্গে দুজন দুজনকে ফোঁটা দেয়। ভাই বোনকে। বোন ভাইকে। আগে পরে নয়। এটা সুন্দরবনে ছয় হাজার মানুষকে নিয়ে শুরু করি ২০০৯ এ।যমের প্রসঙ্গ আসে না। আমাদের ছড়াটি এইরকম: বোনকে দেয় ফোঁটা ভাইভাইকে দেয় বোনপ্রাণবিক ভালোবাসা থাকে যেন সারাজীবন
জ্যোতির্বিজ্ঞান এর নিরিখে সামাজিক অর্থনৈতিক রাজনৈতিক বাস্তবতা।----এই আর্টিকল #: ৩৩৪৩১ --প্রবন্ধের শিরোনাম ---ক্ষুধার্ত শক্তি: কৃত্রিম বাস্তবতা ক্ষেত্র এবং মনোযোগের কৃষ্ণগহ্বর --- সারাংশ এই গবেষণাপত্রটি কৃত্রিম বাস্তবতা ক্ষেত্র (ARF) এর একটি ধারণাগত কাঠামো তৈরি করে এবং এর সামাজিক-রাজনৈতিক তাৎপর্য ব্যাখ্যা করে। মানব সভ্যতা সর্বদা জ্ঞানের সাধনা দ্বারা চালিত হয়েছে, তবুও ক্ষমতার ক্ষুধা দ্বারা অবিরামভাবে সীমাবদ্ধ। এই গবেষণাপত্রটি অনুসন্ধান করে যে কীভাবে কৃত্রিম বাস্তবতা ক্ষেত্রগুলি - মতাদর্শ, কর্তৃত্ববাদী রাজনীতি এবং আখ্যান নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নির্মিত - মহাবিশ্বের কৃষ্ণগহ্বরের অনুরূপভাবে কাজ করে। ঠিক যেমন কৃষ্ণগহ্বরগুলি চারপাশের সমস্ত পদার্থ এবং আলো শোষণ করে, তেমনি এই ক্ষেত্রগুলি মানুষের চেতনা, আকাঙ্ক্ষা এবং সংস্থা শোষণ করে, একটি বিকৃত সামাজিক বাস্তবতা রেখে যায়। ... ...
খবরের কাগজ আর টি.ভি.তে বড়ো করে জানানো হলো, 'নির্দিষ্ট ডেসিবেলের উপরের মাত্রার শব্দবাজি ফাটানো নিষিদ্ধ। ধরতে পারলে মামারা পেটাবে, কয়েকদিন মামাবাড়ির আদরও হতে পারে। তাই তাই তাই, নিষিদ্ধ বাজি ফাটাতে নাই। ভাগ্নেরা সব সাবধান, (ভাইপোদের কথা বলা হচ্ছে না।)"অথচ শ্যামাপূজায় বাজি ফাটিয়ে আমোদ-আহ্লাদ করা হবে না তাই কি হয়? যে শ্যামাঙ্গী মাতা মহাকালের বুকে পা রেখে দাঁড়িয়েছেন আর হাতে ধরেছেন বরাভয়মুদ্রা, কাল স্তব্ধ যাঁর সামনে তাঁর পুজোতে অন্ধকার থেকে মুক্তির জন্য আলোর উৎসব করাই চলে, কিন্তু বেমক্কা শব্দ করার কী সম্পর্ক তা আমার বোধগম্য নয়। বাজি, শব্দবাজির তান্ডবে মানুষসহ অবলা পশুপাখিদের (মানুষও খুব সবল নয় ) বিপদে ফেলার কারণটাই বা কী? ... ...
সতেরো বছরে পা২৩ অক্টোবর ২০২৫বিকেল চারটায়গ ণ বো ন ফোঁ টাসুবিধাবঞ্চিত শিশু কিশোর কিশোরীদের নিয়েআপনাকেও চাই। বোনকে ফোঁটা দেবেন ভাই। ভাইকে বোন। ভাষা ও চেতনা সমিতিঅনুষ্ঠান: ৩০ এ ক্যানাল ইস্ট রোডকলকাতা ৭০০০১১বাগমারি খাল ব্রিজের কাছে। পথনির্দেশ
প্রতিটি প্রযুক্তিরই তিনটি স্তর থাকে। পরিকাঠামো, মঞ্চ এবং বিন্যাস। সহজে বোঝাতে গেলে ইনফ্রা, প্ল্যাটফর্ম এবং অ্যাপ্লিকেশান। সবথেকে বেশি সময় এবং পরিশ্রম যায় পরিকাঠামো এবং মঞ্চ বানাতে। অথচ এই দুটি তৈরী হয়ে গেলে সবথেকে বেশি লাভ করে বিন্যাস। পার্সোনাল কম্পিউটার আসার আগে বহুবছর লেগেছিল পরিকাঠামোর চিপ বানাতে। তারপর মঞ্চের জন্য অপারেটিং সিস্টেম বানাতে। তারপর সফটওয়্যারের বিন্যাস। একইভাবে মোবাইল আসার জন্য অনেকবছর সেলুলার যোগাযোগের বা ছোট ক্যামেরা প্রযুক্তি, তারপর মোবাইলের অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে আইওএস বা এন্ড্রয়েড। শেষে প্লেস্টোর বা অ্যাপস্টোরের বিন্যাস। কৃবুতেও একই - বেশ কয়েক বছরের জিপিইউ চিপ ইত্যাদি। তারপর মঞ্চ হিসেবে মডেলগুলি। শেষে এখন বিন্যাস হিসেবে নানা অ্যাসিস্টেন্ট বা এজেন্ট। ... ...
( ২১)সাড়ে আটটা বাজে। আজ আকাশ সকাল থেকেই ময়লা। আলো চাপা পড়ে আছে নীচে। টিপটিপ করে বৃষ্টি পড়ছে থেকে থেকে। রাস্তায় অনেক গাড়ির হেডলাইট জ্বালা। কলতান জানলা দিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে মনে মনে সারাদিনের কর্মসূচী ঠিক করে নিচ্ছে।ঠিক করল, প্রথমে মনোজ সাহাকে একটা ফোন করা যাক।ওসি মনোজ সাহা ফোন তুলে বলল, ' হ্যাঁ বলুন মিস্টার গুপ্ত ... কী খবর ? অনেকদিন পর... ' --- ' হ্যাঁ একটু ব্যস্ত ছিলাম... '--- ' কেসটা নিয়ে ? '--- ' হ্যাঁ সে তো বটেই ... এখন এটাই তো আসল ইস্যু '--- ' কাজ এগোচ্ছে ? '--- ' এগোতে তো হবেই। থেমে থাকা আমার ডিক্সনারিতে নেই ... ...
রাজনৈতিক আন্দোলন করে যে দ্রুত দেশের স্বাধীনতা আদায় করা যাবে না, তা তদানীন্তন ভারতবাসী হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছিলেন। বিশেষ করে দেশের যুবক সম্প্রদায়। তারা যথেষ্টই দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল। রাজনৈতিক মঞ্চ তৈরীর আগে যেসব লড়াই চারিদিকে হচ্ছিল বিক্ষিপ্তভাবে, সেসব তো এক ছাতার তলায় এলো না। রাজনৈতিক মঞ্চ তৈরী হয়েছে ১৮৮৫ সালে। কিন্তু কই, কোনো সুফল আসছে না। লড়াই কোথায়? এতে কি কাজের কাজ হচ্ছে কিছু, না শুধুই রাজনীতি হচ্ছে? একই মঞ্চের তলায় লাখো লাখো লোক এনে মিলিতভাবে লড়াই করে ব্রিটিশদের উৎখাত করা। সেটা হচ্ছে কোথায়?অধিকাংশ যুবকের কিন্তু রাজনৈতিক আন্দোলনের ওপর বিশ্বাস হারানো শুরু হয়েছিল। বিশেষ করে বর্তমানের পশ্চিমবঙ্গ, বাংলাদেশ রাষ্ট্র, পাঞ্জাব ... ...
দলের বড় বড় নেতারা কাঁদা ছোড়াছুঁড়িতে ব্যস্তমাঝেমধ্যে নির্বাচনী চিৎকারদেশ শান্ত, সব চুপচাপ।চাঁদাবাজি করতে গিয়ে পাথর ছুঁড়ে মানুষ খুনওটা কিছুনা, বখরা নিয়ে গোলমালদেশ শান্ত, সব চুপচাপ।ধর্ষিতা বিচার চেয়েছিলোএখন সে ঘরছাড়া, নিখোঁজদেশ শান্ত, সব চুপচাপ।কোন এক নেতার দুই পা এর রগ কেটে দিয়েছেঅসহায় পরিবারের লোকেরাদেশ শান্ত, সব চুপচাপ।তোমরা ঘুমিয়ে পড়ঘুম থেকে জেগে দেখবেওরা তোমাদের দিয়ে গেছে স্বপ্নের এক খালি বাকসো। ❤️ যদি কোনো শ্রাবণ মেঘের দিনেআমাকে তোমার মনে পড়েএক কাপ চা, একটা কবিতার বই নিয়েজানালার পাশে বসোহয়তো আমি আসবো নাতবে আমার স্মৃতিরা আসবেতোমাকে নিয়ে যাবে অতীতেআসবে তোমার চোখে জলচোখের জলটা মুছে ফেলো নাগাল বেয়ে গড়িয়ে নামতে দিওপড়তে দিও তোমার কোলেএমনি করেই আমি থাকবোতোমার চোখের জল ... ...
( ২০) অশ্বিনী একটু থতমত খেয়ে কলতানের মুখের দিকে তাকিয়ে রইল। ----- ' আঁ... কী বললেন স্যার ? '----- ' বলছি যে ছাব্বিশে আগস্ট সন্ধেবেলায়, এই ধর... মোটামুটি ছটা থেকে আটটার মধ্যে তুমি কোথায় ছিলে ? একটু ভালো করে মনে করে দেখ তো... ' ----- ' ও বাবা, এ তো বহুৎ কঠিন সওয়াল করলেন স্যার। আমার ইয়াদ্দাজ যদি এত জোরদার হত তাহলে কি আমি এখানে কাজ করতাম ? আমি আর কোথায় থাকব... ওই লইয়ারের চেম্বারে ডিউটি করছিলাম নিশ্চয়ই... আর কোথায় যাব? ----- ' তাই ? ... ...
সুতরাং এটুকু বোঝা গেলো যে, ১৮৫৭ খ্রিষ্টাব্দের মহাবিদ্রোহের ব্যর্থতার পর শেষ মুঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরকে বার্মামুলুকে নির্বাসন দেওয়ার পর মুঘল-সাম্রাজ্যের নিভু-নিভু সূর্য অস্তমিত হলো। তবে ইতিপূর্বে ১৭০৭ খ্রিষ্টাব্দে ঔরঙ্গজেবের মৃত্যুর মাধ্যমেই একপ্রকার মুঘল সাম্রাজ্য শেষ হয়ে গিয়েছে বলে যে ঘোষণাটি করা হয়, তার নেপথ্যের কারণ অনুসন্ধানেই এই লেখাটির অবতারণা। পূর্ববর্তী পর্বগুলিতে দেখানো হয়েছে, বর্তমান নৈতিকতার সাপেক্ষে কীভাবে অতীত বিশ্লেষণের ধারা পরিবর্তিত হয়। তাই ব্যক্তিকেন্দ্রিক জাতীয়তাবাদ যখন বাদশাহকেই সাম্রাজ্যের একমাত্র রক্ষাকর্তা বলে দেখাতো, তখনকার আলোচনা হয়েছে। সঙ্গে এটাও দেখানো হয়েছে ... ...
সাইকেল যায় তার মতো যায় ফেরে ঘুমোয়... সাইকেল ওঠে, বড় জানাশোনা ছিল একদিন— আজসব ঘাম নেই, কিন্তু বারোমাসে নিন্দুকেরা আসে আর খুঁজে যায়– কোথায় তারারা খসে পড়ে।... তেরোদিনে জেনো, পদ্ম ফোটাব ঠিক তোমার কোলেই... কথা দিই। কথা রাখি। কথা ভুলি। তবু, জানা নেই, কীভাবে এগোতে হয় প্রাক্তন ঝেড়ে?