• টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। যে কোনো নতুন আলোচনা শুরু করার আগে পুরোনো লিস্টি ধরে একবার একই বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে কিনা দেখে নিলে ভালো হয়। পড়ুন, আর নতুন আলোচনা শুরু করার জন্য "নতুন আলোচনা" বোতামে ক্লিক করুন। দেখবেন বাংলা লেখার মতো নিজের মতামতকে জগৎসভায় ছড়িয়ে দেওয়াও জলের মতো সোজা।
  • বই কথা কও

    konfu
    বিভাগ : বই | ২১ মার্চ ২০১০ | ৪৪ বার পঠিত
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • konfu | 58.96.92.31 | ২১ মার্চ ২০১০ ১৭:১৫443122
  • এবার ঢাকায় অমর একুশে বইমেলায় গেলাম প্রায় বছর ছয়েক বাদে।
    এই ছয় বছর প্রবাসে বসে মেলার ছবি, খবর দেখে দেখে কাটিয়েছি। নতুন অনেক বই এসেছে, লোকে সেসব কিনেছে, এসব শুনে হিংসায় পেট জ্বলেছে।
    এবার তাই যখন আমি আর আমার বউ দুজনে দেশে যাবার বুদ্ধি করলাম, অনেক ভাবনা চিন্তা করে টিকেট কাটলাম এভাবে, যেন বইমেলার সময়টায় আমরা দেশে থাকতে পারি।
    সে বুদ্ধি কাজে দিয়েছে ভাল। আমরা ২য় দিন থেকেই মেলায় গিয়েছি প্রায় নিয়মিত, এবং দু'হাত ভরে প্রায় প্রাণপাত করে বই কিনেছি অনেক।

    সেদিন বসে বসে লিস্ট করলাম, যেগুলো নিয়ে আসতে পেরেছি মেলবোর্নে, সব মিলিয়ে একশ কুড়িটির মত বই।
    এই সুতোয় ঠিক করেছি সেই বইগুলো নিয়ে লিখবো। না, ঠিক রিভিউ নয়, বইগুলো সম্পর্কে অল্প দুচারটে তথ্য, আর কী ভেবে কেনা হলো- এরকম দু চারটে আজাইরা প্যাচাল আর কী!

    সব যে নতুন বই কিনেছি তাও নয়। অনেকগুলৈ ছিলো আগের পড়া, মনের ভেতর ভাল লাগা রয়ে গিয়েছিলো অনেক সেগুলো নিয়ে, প্রবাসে বসে হয়তো কোন কোন মুহুর্তে আচমকাই খুব করে মনে হয়েছে সেসব বইয়ের কথা, কিন্তু হাতের কাছে না থাকায় বুক ভরা হাহাকার নিয়েই রাতে ঘুমুতে গেছি, এরকম কিছু বইও কিনেছি এবারে। যেন দূরে দূরে নয়, আমার কাছেপিঠেই দুধে ভাতে থেকে যায় সে বই।
    নতুন অর্থ্যাৎ না পড়া বইয়ের তালিকাও বেশ লম্বা। এ তালিকায় একদম নতুন লেখকরাও আছেন, আবার পুরনো লেখকদের নতুন বইও আছে।
    নিয়মিত হয়তো লেখা হবে না, তবে সুযোগ পেলেই লিখে যাবো এখানে, আশা করি।
  • konfu | 58.96.92.31 | ২১ মার্চ ২০১০ ১৭:৫২443128
  • / আবুল হাসান কবিতা সমগ্র
    ভূমিকা- শামসুর রাহমান
    মূল্য- তিনশ' টাকা
    ISBN984-422-094-8
    বিদ্যাপ্রকাশ প্রকাশনী,
    বাংলাবাজার, ঢাকা- ১০০০।

    -----------
    অল্প কিছুদিন আগে লেখা একটা ব্লগের অংশবিশেষ তুলে দিই বরং- //

    এই বুড়ো বয়সে প্রায় বালকবেলার মতই উল্লসিত হয়ে উঠেছি, যখন কাগজের প্যাকেট খুলে দেখি, সেখানে চুপটি করে আমার জন্যে বহুকাল ধরে অপেক্ষা করছেন আবুল হাসান।
    আমার শৈশব বা কৈশোর কেটেছে আবুলহাসানবিহীন, এবং আশ্চর্য হলো তাতে আমার কোন দু:খও নেই। প্রাপ্তবয়স্ক হবার আগে মদের পেয়ালা মুখে তোলা মানা, এটা কে না জানে? এই দুপুর-রাতে তাই মাঝারি স্বাস্থ্যের বইটার পাতা ওল্টাতে ওল্টাতে অজান্তেই কেমন নেশাতুর হয়ে পড়ি।
    মজার ব্যাপার হলো, আবুল হাসানের নাম প্রথম ভালভাবে শুনি মির্জাপুরের সাকেব ভাইয়ের কল্যাণে। তিনি তখন প্রবল বিক্রমে সামহোয়ারইনে ব্লগিং করেন, কিন্তু আসল নামে নয়। একটা অদ্ভুত নিকে- চামেলি হাতে নিম্নমানের মানুষ। এই লম্বা ও আজব নিকের খোঁজ নিতে গিয়ে প্রথম শুনলাম আবুল হাসানের নাম, তারপরে পড়া হলো তাঁর আশ্চর্য সব কবিতা।

    সাকেব ভাইই প্রথম কোট করেছিলেন, ঝিনুক নীরবে সহো, সহে যাও, ভিতরে বিষের বালি, মুখ বুজে মুক্তা ফলাও।
    তারপরে কোত্থেকে কেমন করে খুঁজে পাই সেই বিখ্যাত কবিতা, আসলে আমার বাবা ছিলেন নিম্নমানের মানুষ…। পড়ে টড়ে আমি বেমক্কা তব্দা খেয়ে বসে ছিলাম অনেকক্ষণ।

    এবার তাই দেশ থেকে বই আনাবার সুযোগ পেতেই লিস্টির একদম শুরুতে রেখেছিলাম আবুল হাসানের কবিতা সমগ্রের নাম।
    অবশেষে ঠিক যেন আকাশ থেকে টুপ করে আমার হাতে চলে এলো বইটা।

    এটা একটা আশ্চর্য বোধ, যেন তেপান্তরের মাঠের মধ্যিখানে কেউ হঠাৎ করে আমার হাতে কোন অমূল্য রত্নভান্ডার ধরিয়ে দিয়ে উধাও হয়ে গেছে, আমি পাতার পর পাতা মুগ্‌ধ চোখে পড়েই যাচ্ছি কেবল। সে এক পাথর আছে কেবলি লাবণ্য ধরে- এই কবিতার নামও- আবুল হাসান!

    আরেকটি কবিতা শুনিয়ে বিদায় নিই আপাতত-

    এ ভ্রমণ আর কিছু নয়, কেবল তোমার কাছে যাওয়া
    তোমার ওখানে যাবো, তোমার ভিতরে এক অসম্পূর্ণ যাতনা আছেন,
    তিনি যদি আমাকে বলেন, তুই শুদ্ধ হ' শুদ্ধ হবো
    কালিমা রাখবো না!

    এ ভ্রমণ আর কিছু নয়, কেবল তোমার কাছে যাওয়া
    তোমার ওখানে যাবো; তোমার পায়ের নীচে পাহাড় আছেন
    তিনি যদি আমাকে বলেন, তুই স্নান কর
    পাথর সরিয়ে আমি ঝর্ণার প্রথম জলে স্নান করবো
    কালিমা রাখবো না!

    এ ভ্রমণ আর কিছু নয়, কেবল তোমার কাছে যাওয়া
    এখন তোমার কাছে যাবো
    তোমার ভিতরে এক সাবলীল শুশ্রূষা আছেন
    তিনি যদি আমাকে বলেন, তুই ক্ষত মোছ আকাশে তাকা--
    আমি ক্ষত মুছে ফেলবো আকাশে তাকাবো
    আমি আঁধার রাখবো না!

    এ ভ্রমণ আর কিছু নয়, কেবল তোমার কাছে যাওয়া
    যে সকল মৌমাছি, নেবুফুল গাভীর দুধের সাদা
    হেলেঞ্চা শাকের ক্ষেত
    যে রাখাল আমি আজ কোথাও দেখি না-- তোমার চিবুকে
    তারা নিশ্চয়ই আছেন!

    তোমার চিবুকে সেই গাভীর দুধের শাদা, সুবর্ণ রাখাল
    তিনি যদি আমাকে বলেন, তুই কাছে আয় তৃণভূমি
    কাছে আয় পুরনো রাখাল!
    আমি কাছে যাবো আমি তোমার চিবুক ছোঁবো, কালিমা ছোঁবো না!

    (তোমার চিবুক ছোঁবো, কালিমা ছোঁবো না!- আবুল হাসান)
  • d | 115.117.243.10 | ২১ মার্চ ২০১০ ২২:৫৯443129
  • ২৮ কিলো বই == ১২০ টা বই তাহলে। :-) তা বেশ

    "সে এক । পাথর আছে কেবলই লাবণ্য ধরে' এই লাইনটা তাহলে আবুল হাসানের কবিতা। কার যেন সিগনেচারে লাইনটা দেখেই এত পছন্দ হয়েছিল ..... সময় পেলে পুরো কবিতা একটু "প্রিয় কবিতা' টইতে তুলে দিস না রে।

    লিখতে থাক, পড়তে থাকবো।
  • san | 115.117.249.138 | ২১ মার্চ ২০১০ ২৩:১২443130
  • 'এ ভ্রমণ আর কিছু নয়, কেবল তোমার কাছে যাওয়া' - এইটাও কারো সিগনেচারে দেখেছি তো। খুব ভাল লেগেছিল। কবিতার অংশ জানতাম না।

    আরো কিছু এমনি কবিতা দিয়ে যেও, সময় সুযোগ মত।
  • konfu | 58.96.92.31 | ২২ মার্চ ২০১০ ১২:৫৫443131
  • এইখানে কবিতা তুলে দেয়া ঠিক হচ্ছে না, তবু দিলাম আরও দুটো। :)
    ---------------------

    সে এক পাথর আছে কেবলি লাবণ্য ধরে, উঙ্কÄলতা ধরে আর্দ্র,
    মায়াবী করুণ

    এটা সেই পাথর নাকি? এটা তাই?
    এটা কি পাথর নাকি কোনো নদী? উপগ্রহ? কোনো রাজা?
    পৃথিবীর তিনভাগ জলের সমান কারো কান্না ভেজা চোখ?
    মহাকাশে ছড়ানো ছয়টি তারা? তীব্র তীক্‌ষ্‌ঞ তমোহর
    কী অর্থ বহন করে এইসব মিলিত অক্ষর?

    আমি বহুদিন একা একা প্রশ্ন করে দেখেছি নিজেকে,
    যারা খুব হৃদয়ের কাছাকাছি থাকে, যারা এ ঘরে ও ঘরে যায়
    সময়ের সাহসী সন্তান যারা সভ্যতার সুন্দর প্রহরী
    তারা কেউ কেউ আমাকে বলেছে-
    এটা তোর জন্মদাতা জনকের জীবনের রুগ্ন রূপান্তর,
    একটি নামের মধ্যে নিজেরি বিস্তার ধরে রাখা,
    তুই যার অনিচ্ছুক দাস!

    হয়তো যুদ্ধের নাম, জোৎস্নায় দুরন্ত চাঁদে ছুঁয়ে যাওয়া,
    নীল দীর্ঘশ্বাস কোনো মানুষের!
    সত্যিই কি মানুষের?

    তবে কি সে মানুষের সাথে সম্পর্কিত ছিল, কোনোদিন
    ভালোবেসেছিল সেও যুবতীর বামহাতে পাঁচটি আঙ্গুল?
    ভালোবেসেছিল ফুল, মোমবাতি, শিরস্ত্রাণ, আলোর ইশকুল?

    [আবুল হাসান/ রাজা যায় রাজা আসে / আবুল হাসান]
  • konfu | 58.96.92.31 | ২২ মার্চ ২০১০ ১২:৫৬443132
  • মনে আছে একবার বৃষ্টি নেমেছিলো?

    একবার ডাউন ট্রেনের মত বৃষ্টি এসে থেমেছিল
    আমাদের ইষ্টিশানে সারাদিন জল ডাকাতের মতো
    উত্‌পাত শুরু করে দিয়েছিল তারা,
    ছোটখাটো রাজনীতিকের মত পাড়ায় পাড়ায়
    জুড়ে দিয়েছিল অথই স্লোগান।

    তবু কেউ আমাদের কাঁদা ভেঙ্গে যায়নি মিটিংয়ে
    থিয়েটার পন্ড হলো এ বৃষ্টিতে সভা আর
    তাসের আড্ডার লোক ফিরে এলো ঘরে;
    ব্যবসার হলো ক্ষতি দারুণ দুর্দশা,

    সারাদিন অমুক নিপাত যাক, অমুক জিন্দাবাদ
    অমুকের ধ্বংস চাই বলে, আর হাবিজাবি হলো না পাড়াটা।

    ভদ্র শান্ত কেবল কয়েকটি গাছ বেফাঁস নারীর মত
    চুল ঝাড়লো আঙিনায় হঠাত বাতাসে আর
    পাশের বাড়িতে কোনো হারমোনিয়ামে শুধু উঠতি এক আগ্রহী গায়িকা
    স্বরচিত মেঘমালা গাইলো তিনবার !

    আর কটি চা'খোর মানুষ এলো
    রেনকোট গায়ে চেপে চায়ের দোকানে;
    তাদের স্বভাবসিদ্ধ গলা থেকে শোনা গেল:
    কি করি বলুন দেখি, দাঁত পড়ে যাচ্ছে, তবু মাইনেটা বাড়ছেনা,
    ডাক্তারের কাছে যাই তবু শুধু বাড়ছেই ক্রমাগত বাড়ছেই
    হৃদরোগ, চোখের অসুখ !

    একজন বেরসিক তার মধ্যে বলে উঠলো:
    বৃষ্টি মানে বুঝলেন তো, অযথাই যানবাহন পয়সা খরচ !

    একজন বাতের রোগী গলা কাশলো:
    ওহে ছোকরা, নুন চায়ে লেবুর টুকরোটা একটু বড়ো করে দিও।

    তাদের বিভিন্ন সব জীবনের খুটিনাটি দু:খবোধ সমস্যায় তবু
    সেদিন বৃষ্টিতে কিছু আসে যায়নি আমাদের
    কেননা সেদিন সারাদিন বৃষ্টি পড়েছিলো,
    সারাদিন আকাশের অন্ধকার বর্ষনের সানুনয় অনুরোধে
    আমাদের পাশাপাশি শুয়ে থাকতে হয়েছিলো সারাদিন

    আমাদের হৃদয়ে অক্ষরভরা উপন্যাস পড়তে হয়েছিলো।

    (বৃষ্টি চিহ্নিত ভালবাসা- আবুল হাসান)
  • vikram | 193.120.76.238 | ২২ মার্চ ২০১০ ১৫:০৭443133
  • জিও কনফু। এগুলি জিও।

  • SS | 131.193.196.148 | ২২ মার্চ ২০১০ ২২:৪২443134
  • বইগুলোর ছবি দেখেছি, একরাশ হিংসে নিয়ে :))
  • Tim | 71.62.121.158 | ২৩ মার্চ ২০১০ ০৮:৪৭443135
  • কনফু যথারীতি সাবলীল। এই টইটাও দুধেভাতে থাক।
  • kanti | 125.20.14.39 | ২১ এপ্রিল ২০১০ ১০:৫৯443123
  • ড: মনি ভৌমিকের লেখা " কোড নেম গড " বইটা কেউ পড়েছেন? তা হলে
    সে বিষয়ে কিছু লিখুন। বিষয়-বস্তু ও আপনার মতামত।
  • sinfaut | 203.91.193.7 | ২১ এপ্রিল ২০১০ ১১:৩৩443124
  • কী অসম্ভব ভালো কবিতা গুলো। অনেক অনেক ধন্যবাদ কন্‌ফু।

    শুধু একটা প্রশ্ন:

    "তবু কেউ আমাদের কাঁদা ভেঙ্গে যায়নি মিটিংয়ে"

    এই লাইনটা বুঝতে পারলাম না। কেউ হেল্পান।
  • rabaahuta | 203.99.212.53 | ২১ এপ্রিল ২০১০ ১১:৪০443125
  • এটা আসলে 'কাদা' হবে- খুব সম্ভবত।
    (বাংলাদেশ বা পূর্ববঙ্গের লোকেরা চন্দ্রবিন্দুকে যথেচ্ছ ফেলে ছড়িয়ে ব্যাবহার করি - আর্ষ প্রয়োগ বলে ধরা যেতে পারে!)
  • . | 125.18.104.1 | ২১ এপ্রিল ২০১০ ১২:০৬443126
  • মনে হচ্ছে "কাদা"ই হবে। তবে "তবু কেউ কাঁদা ভেঙে যায় নি মিটিঙে"- সরেস হবে। অন্য কোনো কবিতায়।
  • konfu | 58.96.92.31 | ২১ এপ্রিল ২০১০ ১৯:৫৬443127
  • 'কাঁদা ভেঙ্গে'- না। এটা টাইপো। পুরো লাইনেই ভুল আছে, আসলে লাইনটা হবে এরকম-
    ' তবু কেউ আমাদের কাদা ভেঙে যাইনি মিটিং-এ"
    [ আমি বাংলাদেশেরই লোক, যদিও খুব বেশি চন্দ্রবিন্দু প্রীতি নেই, কবিরও ছিলো না মনে হয়। যম্ভবত এই কবিতাটি যিনি অনলাইনের জন্যে টাইপ করেছিলেন, তার ছিলো। :-) ]
  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত