• টইপত্তর  অন্যান্য

  • টিভি সিরিয়াল: বিনোদন না চক্রান্ত?

    Ankur Chakraborty লেখকের গ্রাহক হোন
    অন্যান্য | ২১ আগস্ট ২০১৭ | ৭১১ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
আরও পড়ুন
কবিতা  - Suvankar Gain
আরও পড়ুন
মা  - Mousumi GhoshDas
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ankur Chakraborty | ২১ আগস্ট ২০১৭ ১৩:১৬368256
  • টিভি সিরিয়াল: বিনোদন না কি চক্রান্ত?
    - অঙ্কুর চক্রবর্তী
    ***
    ছেলেবেলায় ছিল সাদাকালো টিভিতে দেখা তেরো পার্বণ, বকুল বাসর,মহাভারত বা জঙ্গল বুক। কালের গর্ভে বিলীন হয়ে এলো রঙিন টিভি। এলো কার্টুন নেটওয়ার্ক,এলো স্টার মুভিজ,HBO এবং স্টার নেটওয়ার্ক এর খেলা ও বিনোদনের চ্যানেল
    কিন্তু সত্যিই কি বিনোদন? যদি বিনোদনই হয়,তাহলে তার মান কিভাবে তেরো পার্বণ থেকে রাশি তে নামে? তাহলে কিভাবে শান্তির নারীমুক্তির গল্প এসে ঠেকে সাস-বহু তরজায়?অথবা পেহেরদার পিয়া কি'র মত voyeurism বা নাগিন এর মত কুসংস্কার এর গুনগান গাওয়ায়?
    সত্যি বলছেন,বিনোদন?
    আমার মনে হয় না।
    ***
    একটু খেয়াল করে দেখুন,আশির শেষ দিকে টিভিতে ছিল মূলতঃ গঠনমূলক অনুষ্ঠান,যা বিনোদন,তথ্যসমৃদ্ধ এবং শিক্ষামূলক ছিল। মধ্য ও শেষ নব্বইতেও সেই ধরা বজায় ছিল। বাধ সাধল দু হাজার। এলো একটা কাপুর,বদলে গেল বিনোদনের রঙ। তেরো পর্বের সিরিয়ালগুলো আগেই বিদায় নিয়েছিল,এবার এলো বছরের পর বছর টিভি থেকে বিদায় নিতে না চাওয়া আবর্জনা। বছর দশেক আগেও স্টার মুভিজ,HBO বা পিক্স চ্যানেলে কত ভালো ভালো গল্প সমৃদ্ধ ফিল্ম দেখাতো,আর আজ দেখুন কেবল action এবং গোলাগুলি,ধ্বংস। এই দেখিয়ে কোন প্রজন্মের কাছে পৌঁছতে চাইছে চ্যানেল মালিকেরা?

    আমাদের প্রজন্ম এগুলো নিচ্ছে কি না জানা নেই,তবে পরবর্তী যুবা প্রজন্ম হলিউড বলতেই কেবল action genre বুঝতে শিখছে। এরা ফরেস্ট গাম্প বা গ্রীন মাইল না দেখে হলিউড মানেই কেবল বাড়ি ঘর ভেঙেও নায়কের অক্ষত শরীরে আমেরিকা রক্ষা করা চিনতে শিখছে।
    কার্টুন আমরাও দেখেছি (আমি নিজেই রীতিমত গ্রাফিক নভেল বানাই) কিন্তু কমিক বুক হিরোদের এভাবে অন্ধ অনুকরণ করতাম না। ইদানিং সেই প্রবণতা বেড়ে আমরা ছুটছি জাপানিজ মাঙ্গা,কমিকন ইত্যাদি পারভার্সনের দিকে।
    হিন্দি ফিল্মের কিছুটা উন্নতি হলেও সিরিয়াল গত সতেরো বছরে কয়েক যুগ পিছনে হেঁটে রোজই এক জিনিস গেলানোয় ব্যস্ত।
    ইদানিং সেইসব উত্তুরে আবর্জনা বাংলায় ঢালছে। যেখানে ভূতের গল্পই হোক,রবীন্দ্র সাহিত্যই হোক বা যে কোন সামাজিক বিষয়,সেই গিয়ে ঠেকছে শাশুড়ি বৌমার ঝগড়ায়। শিশুদের মধ্যে দিয়ে নেতিবাচকতা দেখানো,বাল্যবিবাহ কে গ্লোরীফাই করা,শাঁখা-সিঁদুর জাতীয় কুসংস্কারকে সংস্কারের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ বলে চালিয়ে এইসব তথাকথিত বাংলা চ্যানেলের অবাঙালি মালিকবর্গ কোনদিকে ঠেলে দিচ্ছে সভ্যতাকে?

    তাও,মানতাম যে এগুলো ক্ষতিকারক নয়,যদি না বেশিরভাগ মানুষ এগুলোকে বাতিল করত। কিন্তু এইসব আবর্জনা রোজ সন্ধ্যেবেলা গিলতে বসে বাড়ির মা,মাসি,পিসি,ঠাকুমা এরা। একটা সমাজের মহিলাদের যদি ক্রমাগত এটাই বোঝানো হয় যে কুসংস্কারই হচ্ছে সাফল্যের চাবিকাঠি এবং দাসত্ব গর্বের বিষয়,তাহলে তার প্রভাব পড়বে এদের হাতে গড়ে ওঠা পরবর্তী প্রজন্মের ওপর। একেই এই প্রজন্ম মগজ ধোলাই হয়ে নিজেকে ভুলে যাচ্ছে,এরপরের প্রজন্মের কাছে যদি এই প্রচেষ্টা(যা এতদিন সরকার বা টেলি মালিকরা করে আসছিল) তাদের মায়েদের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে তাহলে তো সমূহ বিপদ।

    এমনিতেই ভাষার বিবর্তন কম হচ্ছে,বরং চাপিয়ে দেয়া হিন্দিফাইড বাংলা বা বং কালচার এসে ঢুকছে এইদিকে। সিরিয়াল ও বিকৃত বিজ্ঞাপনী তর্জমায় বাংলা অভিধানে ঢুকেছে "উৎসব মানানো","কাশ","কেন কি","মজা চাখানো" ইত্যাদি বিজাতীয় শব্দগুচ্ছ। এরপরে যদি দেখেন ২০৩৫ সালে, আপনার পরের প্রজন্ম চাইছে সতীদাহ ফিরিয়ে আনতে,অথবা বাল্যবিবাহ সরকারী অনুমোদন পাচ্ছে,অথবা উত্তর ভারতীয় অনার কিলিং মাথা তুলছে বাঙালির মধ্যেও! আজকের মত এমন নিস্পৃহ থাকতে পারবেন তো?
    ওরা কিন্তু ইতিমধ্যেই ঘটি-বাঙাল ঝগড়া লাগিয়ে (যদিও সেটাকে দেখানো হচ্ছে বিনোদন রূপে) বাঙালিকে ভেঙে দেবে। এরপর ভাঙবে হাওড়ার ঘটি আর বাঁকুড়ার ঘটি বা বরিশালের বাঙাল আর চিটাগংয়ের বাঙালকে। খুব সুখপ্রদ হবে কি?

    কারা এভাবে বিভেদ সৃষ্টি করে নিজেদের আখের গুছিয়ে নিচ্ছে,এখনো বুঝছেন না?
    বয়কট করুন এইসব অনুষ্ঠানকে যেগুলো বিনোদনের নামে ধ্বংসের আর মগজ ধোলাইয়ের বিষ আমদানি করছে বাংলায়।
    ভেবে দেখুন,বাঙালি হয়েও আপনি টিভিতে ওপর বাংলার চ্যানেল দেখতে না পেলেও ওপার বাংলায় হিন্দি ও zee, জলসা জাতীয় আস্তাকুঁড় দিব্যি চলে।

    ওরা বোঝাতে চাইছে রাজনীতি মানেই কেবল ইউপি,বিহার,দিল্লী। তার বাইরের রাজনীতির খবর ফলাও করে কোনও চ্যানেলে পান? নিজেকে প্রশ্ন করুন যে আপনি যোগী,মোদী, কেজরিওয়াল কে এতভালো চিনলেও (নামে অবশ্যই) কেন পনিরসেলবান বা অচ্যুতানন্দ বা মানিক সরকার কে চেনেন না? কারন ওরা আপনাকে চিনতে দিতে চায় না।

    এই প্রসঙ্গেই শেষ করব যে সেদিন জনৈক বাঙালদেশী বন্ধু বলছিলেন যে পাকিস্তান বন্দুক দেখিয়ে বাঙালিকে দিয়ে উর্দু বলাতে পারলো না চব্বিশ বছরেও,কিন্তু ইন্ডিয়া কেবল টিভি দেখিয়েই হিন্দি শিখিয়ে নিলো।

    স্বার্থ টা কার?

    আমরা ইংরেজ সাম্রাজ্য থেকে বেরিয়ে আরেকটা সাম্রাজ্যে প্রবেশ করছি না তো?
  • a | 213.222.147.165 | ২১ আগস্ট ২০১৭ ১৪:১০368258
  • একটা কাপুরটা হেবি হয়েছে।
  • DP | 117.167.108.26 | ২১ আগস্ট ২০১৭ ১৫:৫১368259
  • দারুন লেখাটার শেষকালে এসে বাংলাদেশ, যড়যন্ত্র ইত্যাদী টেনে নিয়ে এসে পুরো ছড়িয়ে ফেললেন। এনিওয়ে প্রথম অংশের সাথে পুরোপুরি সহমত।
  • দেব | 135.22.193.149 | ২১ আগস্ট ২০১৭ ১৭:২৭368260
  • খাসা লিখেছেন। একটা সময় ছিল আমিও বুঝতাম না এই সিরিয়ালগুলোর জনপ্রিয়তা কেন। এখন মনে হয় এগুলো মেয়েদের জন্য ইমোশনাল পর্ন। সে বাংলায় হোক বা হিন্দিতে। যাকগে সে সপ্তাহান্তে পানু একটু লাগে। তবে হ্যাঁ এর ফলে সতীদাহ্প্রথা ফিরে এলে মুশকিল বৈকি।

    'কেন কি' টা হিন্দিফায়েড বাংলা নয় কিন্তু। বাংলাফায়েড হিন্দি।
  • শঙ্খ | 126.206.220.180 | ২১ আগস্ট ২০১৭ ২৩:৫১368261
  • "কার্টুন আমরাও দেখেছি (আমি নিজেই রীতিমত গ্রাফিক নভেল বানাই) কিন্তু কমিক বুক হিরোদের এভাবে অন্ধ অনুকরণ করতাম না। ইদানিং সেই প্রবণতা বেড়ে আমরা ছুটছি জাপানিজ মাঙ্গা,কমিকন ইত্যাদি পারভার্সনের দিকে।"

    কমিক বুক হিরোদের অন্ধ প্রবণতার কোনো উদাহরণ দেওয়া যাবে? আর জাপানিজ মাঙ্গা, কমিকন এইগুলো পারভারশান কেন? কয়েকটা উদাহরণ, বার্সার্ক, ওল্ড বয়, মনস্টার, ডেথ নোট এগুলো ভায়োলেন্ট হতে পারে, কিন্তু এরা তো বলেই দেয়, ম্যাচিওরড কনটেন্ট আছে। সে দেখতে গেলে তো কনটেম্পোরারি দা ওয়াকিং ডেড এও বেশ কিছু গ্রুসাম টরচার, কিলিং আছে, এইটা এই মুহূর্তে গ্রাফিক নভেল গুলোর মধ্যে আর্গুয়েবলি এক নম্বরে আছে। পারভারশান কেন? পারভারশান মনে করেন না এরকম কিছু উদাহরণ দিতে পারেন?

    আপনি গ্রাফিক নভেল বানান বলে লিখেছেন, তাই জানতে আগ্রহ হলো।
  • শঙ্খ | 126.206.220.180 | ২১ আগস্ট ২০১৭ ২৩:৫৩368262
  • 'অন্ধ অনুকরণের প্রবণতার' হবে। একটা শব্দ বাদ পড়ে গেছে।
  • Blank | 116.203.135.218 | ২২ আগস্ট ২০১৭ ০২:০০368263
  • শুধুমুদু গ্রাফিক নভেল লিখে নিজের প্রতিভা নষ্ট করছেন দাদা। ওটাকে ছেরে দিন না।
  • জামাইরাজা আর রাধায় শাশুড়ি গুল | 113.66.176.7 | ২৩ আগস্ট ২০১৭ ১১:৩৮368264
  • জামাইরাজা আর রাধায় শাশুড়ী গুলোর এরকম অদ্ভুত পোষাক কেন শাড়ীর সংগে কোমরবনধনী
  • Du | 182.58.105.214 | ২৪ আগস্ট ২০১৭ ২৩:০৯368265
  • সহমত। অবাস্তবতাকেই জীবন বলে ভাবছে যাদের ছোটবেলাতেই এইসবের খপ্পরে পড়ছে।
  • S | 126.206.220.208 | ২৫ আগস্ট ২০১৭ ০১:৪৬368257
  • বিদেশি চ্যানেল গুলো দেশে যেসব কন্টেন্ট দেখায়, সেগুলো অতি পুরোনো নয়তো বেশিরভাগই খারাপ। HBO তে একসময় সত্যিই ভালো সিনেমা দেখানো হতো - এখন রেয়ার।
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
    • কি, কেন, ইত্যাদি
    • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
    • আমাদের কথা
    • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
    • বুলবুলভাজা
    • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
    • হরিদাস পালেরা
    • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
    • টইপত্তর
    • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
    • ভাটিয়া৯
    • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
    যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
    মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


    পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভালবেসে মতামত দিন