এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • হেদুয়ার ধারে - ১৪৯

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৭ জুন ২০২৪ | ১৮৩ বার পঠিত
  • ১৪৯
    নিউ মার্কেট থানার ওসি রঞ্জিত ঘোষের বয়স বাহান্ন তিপ্পান্ন বছর হবে। তার উল্টোদিকের চেয়ারে নন্দলাল বসে আছে। দুপুর দুটো বাজে।
    রঞ্জিতবাবু বললেন, ' চা খাবে নাকি ? '
    নন্দলাল পরিবেশগত প্রভাবে ডাকাবুকো প্রকৃতির।
    সে মনে মনে তৈরিই ছিল পুলিশ সংক্রান্ত ব্যাপারে।
    কিন্তু মনের তলায় একটা সিরসিরানি ছিলই। পুলিশকে বিশ্বাস কিছু নেই ... '
    সে একটু থতমত খেয়ে গেল। দ্রুত সামলে নিল অবশ্য।
    ---- ' অ্যাঁ ... কি ... চা ? তা, হলে খারাপ হয় না ... '
    ওসি সাহেব চা আর বিস্কুট বলে দিলেন।
    ঘরে একজন লোক মাঝে মাঝে যাতায়াত করছে।
    এসে ওদিকের আলমারি থেকে হয় কিছু কাগজপত্র বার করে নিয়ে যাচ্ছে কিংবা কিছু কাগজপত্র রেখে যাচ্ছে।
    রঞ্জিতবাবু তার টেবিলের দিকে তাকিয়ে একটা কাঁচের পেপারওয়েট উল্টোদিক করে ঘোরাতে ঘোরাতে বললেন, ' কেসটা এ থানার জুরিসডিকশানে পড়ে না। তবু এখানে ঠেলা হল কেন কে জানে। এটা বিডন স্ট্রিট থানার কেস। নিশ্চয়ই এর পিছনে কারো হাত আছে। সে নিশ্চয়ই চাইছে কাছাকাছি থানায় কেসটা রেজিস্টার্ড না হয়। তবে যেখান থেকেই চাপ আসুক আমি কিন্তু আইনের বাইরে যাব না ... '
    নন্দ কথাটার কোন উত্তর দিল না। পুলিশের সব কথার উত্তর দিতে নেই এটা সে জানে। ব্যাটা কোন মতলবে এসব আওড়াচ্ছে কে জানে।
    রঞ্জিতবাবু পেপারওয়েট ঘোরানো থামিয়ে চেয়ারে হেলান দিলেন। কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার হল তিনি নন্দকে জিজ্ঞাসাবাদ করার বদলে নিজেই তার হয়ে বয়ান দিতে লাগলেন।
    ---- ' সোনা মারিককে তো তুমি বছর পাঁচেক ধরে চেন। ওটা তার আগে খিদিরপুর ডকে মাল তুলত। বর্ন ক্রিমিনাল। বুঝতে দেরি হয়নি ফ্লেশ ট্রেডে হিউজ টাকা .... ফ্লেশ ট্রেড বোঝ তো ? '
    ---- ' সোনাগাছিতেই আমার জন্ম স্যার ... '
    ---- 'ও হ্যাঁ ... তাও তো বটে ... মার কাছে মাসির গল্প করছি। আমহার্স্ট স্ট্রিট থানার ওসি বিকাশ ঘোষদস্তিদারকে চেন ? '
    ---- ' না স্যার ... '
    ---- ' যাই হোক, সে একটু আগে আমায় ফোন করেছিল ... '
    ---- ' ও ... কেন স্যার ? '
    ---- ' না, মানে ... তেমন কিছু না ... এই কথাবার্তা হল আর কি ... '
    নন্দ আর কিছু জানতে চাইল না। পুলিশের সঙ্গে যত কম কথা বলা যায় ততই ভাল। ব্যাটার মনে কি আছে কে জানে।
    সেই লোকটা আবার একবার ঘরে ঢুকে দুটো ফাইল রেখে গেল। এইসময়ে দু কাপ চা এবং দুটো করে বিস্কুট রেখে গেল একজন।
    রঞ্জিত ঘোষ আবার নিজস্ব বয়ান দিতে লাগলেন,
    ' মারিকের নামে ডক থানায় অনেক কেস আছে, কিন্তু কেউ ছুঁতে পারেনি। বখরাটা ঠিকমতো পৌঁছে দিতে পারলে আর ছোঁয় কার সাধ্যি। আমাদের পুলিশ না বলে পাপেট, মানে হাতে নাচানো পুতুল বলাই ভাল। খুব দুঃখ হয় ... কিন্তু কি করা যাবে ... চাকরিটাই এমন ... যাক সে কথা, যেটা বলছিলাম... ফ্লেশ ট্রেডে হিউজ প্রফিট দেখে সোনা মারিক তো এই লাইনটা ধরে নিল। ট্রাফিকিং-এর মেয়ে অল্পবয়সী হলে মেয়ে পিছু পাঁচ হাজার টাকা প্রফিট। দশটা মেয়ে ঠিক ঠিক জায়গায় পাঠাতে পারলে দিনে পঞ্চাশ হাজার টাকা প্রফিট। খরচ খরচা, পুলিশকে খাওয়ানো, এইসব বাদ দিয়ে অন্তত তিরিশ হাজার টাকা পকেটে ঢোকে। সোনা কারও ওপর নির্ভর না করে নিজেই চ্যানেল তৈরি করে নিল। মেয়ে তোলা থেকে ডেলিভারি পর্যন্ত পাকা লাইন ফিট করে নিল কিছু কিছু টাকা দিয়ে লোক পুষে। বর্ন ক্রিমিনালরা এসব খুব তাড়াতাড়ি পারে ... '
    রঞ্জিতবাবু চায়ে চুমুক দিলেন।
    বললেন, ' আ... আঃ ... বলরাম চা টা কিন্তু দারুণ করে। ওনার দেখাদেখি নন্দও বিস্কুটে কামড় দিয়ে চায়ে একটা চুমুক দিল।
    রঞ্জিতবাবুর বয়ান অব্যহত রইল।
    ---- ' তোমাদের ওই পাড়ায় সোনা মারিক ঘাঁটি গাড়বার পরে তোমার সঙ্গে একদিন পরিচয় হল। সে প্রায় বছর পাঁচেক আগে। তুমি তার কাজ কারবারের বিন্দুবিসর্গও জানতে না। তার সঙ্গে কথাবার্তা বলে সোনাকে তোমার নারী পাচার বিরোধী একজন অনুভূতিশীল মানুষ বলে মনে হয়েছিল তোমার। জাত অপরাধীরা সাঙ্ঘাতিক ভাল অভিনেতা হয় ... '
    নন্দর বিস্ময়ের মাত্রা উত্তরোত্তর বাড়তে লাগল। তার হয়ে বয়ান দেবার জন্য যেন ওসি সাহেব এই চেয়ারে বসেছেন।
    ---- ' ... তুমিও তাকে বিশ্বাস করতে লেগেছিলে, কিন্তু একদিন কোন কারণে, খুব সম্ভবত একটা দালালের সঙ্গে কথাবার্তা বলতে দেখে ফেলায় তোমার মনটা ঘুরে যায়। তার ওপর তুমি নজর রাখতে শুরু কর। তারপর একদিন ষোল তারিখের অপারেশানটার খবর তার কাছ থেকে পাওয়ার পর সোনার ওপর তোমার মনে সন্দেহ পুরোপুরি দানা বাঁধে। তুমি ঠিক করে নাও যে ...
    এ কথাগুলো সবই আমার নিজের অনুমান ভিত্তিক। তবে অনুমানটা মিলে গেলে খুশি হব। আমিও তো অনেকদিন ধরেই চেষ্টা করছি। কিন্তু হাত দুটো যে বাঁধা ... '
    নন্দ এই সময়ে বলে বসল, ' কি চেষ্টা করছেন স্যার ? '
    এর কোন উত্তর পাওয়া গেল না রঞ্জিতবাবুর কাছ থেকে।
    বললেন, ' তোমার এগেনস্টে এফ আই আরটা এই এরিয়া থেকেই লজ হয়েছে। বোধহয় ওদিককার থানাগুলো যে কোন কারণেই হোক তোমারই পক্ষে থাকবে বলে ভেবে নিয়েছে কেউ ... '
    ----' কে ? '
    ---- ' সেটা জানি না ... জানলেও তোমাকে বলা উচিত হবে না ... যতই ইয়ে হই না কেন ... মোটামুটি প্রোটোকল, মানে নিয়মকানুন তো মেনে চলতে হয় ... '
    নন্দর কাছে ওসি সাহেবের সব কথাবার্তাই গোলকধাঁধা মনে হতে লাগল।
    সে যেন অভিযুক্ত হিসেবে থানায় পুলিশের ডাক পেয়ে আসেনি, কোন পুলিশ অধিকর্তার ইন্টারভিউ নিতে এসেছে তার কাগজের জন্য।
    দুজনেরই চায়ের কাপ এতক্ষণে খালি হয়ে গেছে।
    একজন এসে কাপ প্লেটগুলো তুলে নিয়ে গেল।
    সেই বারবার আলমারিতে ফাইল নাড়াচাড়া করা লোকটা দরজার কাছে দাঁড়িয়ে বলল, ' স্যার আমি খেয়ে আসছি ... '
    রঞ্জিতবাবু ঘাড় নেড়ে বললেন, ' ঠিক আছে ... জগন্নাথ আছে তো ? '
    ---- ' হ্যাঁ স্যার, ভেতরে আছে ... '

    রঞ্জিতবাবু পকেট থেকে রুমাল বার করে মুখের ঘাড়ের ঘাম মুছে নিলেন। তারপর আবার চেয়ারে হেলান দিলেন। কপালে মুখে হাত বুলিয়ে বললেন, ' মেনে নেওয়াটা এখনও অভ্যেস করে ফেলতে পারিনি ... সেটাই মুশ্কিল, যেটা আমাদের লাইনে বেশির ভাগই করে ফেলেছে ... কিন্তু সব কিছু কি মেনে নেওয়া যায় ? আবার কিছু করারও ক্ষমতা নেই। তাই কারো জন্য অপেক্ষা করে থাকতে হয় ... যদি কেউ কাজটা করে দেয়। কিছু করতে পারি বা না পারি, একটা মরাল সাপোর্ট তো দেওয়া উচিত অন্তত ... '
    নন্দ কখনও এরকম ঘোরপ্যাঁচের কথা শোনেনি কোন পুলিশের লোকের মুখে। এ রকম ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে সাধারনত পলিটিশিয়ানরা বলে। একটা কথা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে কোথায় নিয়ে যাবে আন্দাজ করা শক্ত। নন্দ ভাবল, এ ব্যাটা কি তাকে খেলাচ্ছে নাকি ! কিন্তু ব্যাপার হল, জেরা করে তার মুখ দিয়ে যেগুলো বের করার কথা সেগুলো তো এই ওসিই বলে দিচ্ছে।
    সে যাই হোক, নন্দ মুখে কুলুপ এঁটে চুপচাপ বসে রইল। রঞ্জিতবাবু এক গ্লাস জল খেলেন গ্লাসের ঢাকা সরিয়ে। তারপর বললেন, আর সময় নষ্ট করে লাভ নেই, তোমার এখনও খাওয়া হয়নি বোধহয় ... '
    নন্দ এবার বুদ্ধি করে বলল, ' এখান থেকে ছাড়া পেলেই খেতে যাব ... '
    রঞ্জিতবাবু বললেন, ' ও হ্যাঁ ... তাও তো বটে। ঠিক আছে তা'লে ... অনেক শুভেচ্ছা রইল। কাজটা কাউকে না কাউকে তো করতেই হ'ত। আমি না করে না হয় তুমি করলে ... যাক, এই খাতাটার এই খানে একটা সই করে দাও ... ব্যাস ... এটুকু তো করতেই হয় ... ওই প্রোটোকল, মানে নিয়মকানুনের ব্যাপার তো একটা আছে। আচ্ছা ঠিক আছে ... ভবিষ্যতের জন্য শুভেচ্ছা রইল ... ', বলে রঞ্জিতবাবু সিট থেকে উঠে পড়লেন।

    নন্দ সবে থানার বাইরে পা রেখেছে, সাগর ছুটতে ছুটতে এসে পৌঁছল সেখানে।
    নন্দকে দেখে বলল, ' কিরে ... কি হল ? ছেড়ে দিল? জবরদস্তি করছিল নাকি ? '
    নন্দ বলল, ' না না ... ওসব কিছু করেনি। ওসি আমাকে ভবিষ্যতের জন্য শুভেচ্ছা জানাল ... '
    ---- ' মানে ? '
    ---- ' চল, যেতে যেতে সব বলছি ... '

    ( চলবে )

    ********************************************
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    ১৪৯
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে মতামত দিন