এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • খুশি

    Suvasri Roy লেখকের গ্রাহক হোন
    ১০ জুন ২০২৪ | ২৯৪ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • আমার টিয়াপাখির নাম খুশি ছিল, আছে, থাকবে যদিও অনেক বছর আগে সে উড়ে গেছে। আশা করি সে আবার ধরা পড়েনি। এখানে তার কথা একটু বলি।

    আমাদের বাড়িতে দু’টি সবুজ টিয়াকে এক সঙ্গে আনা হয়েছিল। দু'জনের কারুরই গলায় লাল দাগ ছিল না। তখনকার পরিচারিকার অসাবধানতায় একজন আগেই উড়ে গিয়েছিল। তার বেশ কিছু দিন পরে খুশি নিজের মুক্তি খুঁজে নেয়।

    এখানে একটা কথা ৷ পাখিকে খাঁচায় বন্দী করে রাখা নিঃসন্দেহে পাপ। সন্দেহ নেই, নিজের আনন্দের জন্য সেই পাপ আমি করেছিলাম।

    খুশি ও তার বন্ধুকে ২০১৩ সালের শেষের দিকে আনা হয়েছিল। তখন আমার মা পুরো সুস্থ ছিল না তবে হাঁটাচলা করতে পারত। আমাকে সারপ্রাইজ দেওয়ার জন্য দুই টিয়াকে আনার ব্যাপারটা আমার কাছে গোপন রাখা হয়েছিল। কোনও এক রবিবারে গ্যালিফ স্ট্রিটের হাট থেকে শ্যামলী দুই টিয়া নিয়ে আসার পর আমাকে ডেকে সারপ্রাইজ দেখানো হয়। বোঁচকার ঢাকা খুলে দেওয়ার পর মা বারবার আমার মুখের দিকে তাকিয়ে দেখছিল, দুই টিয়া দেখে আমি কতটা খুশি হয়েছি। আসলে আমি বারবার টিয়া পোষার ইচ্ছা প্রকাশ করতাম এবং অনুযোগ করতাম যে বাবা-মায়ের জন্য আমার এই শখটা পূরণ হচ্ছে না। তাই মা শ্যামলীর সঙ্গে গোপনে পরিকল্পনা করে এইভাবে আমাকে একটা সবুজ সারপ্রাইজ দেয়।

    সে সময় আমি চাকরি করতাম। ঝাউতলা রোডে আমার অফিস। দুপুরে বেরোনোর আগে খুশিকে আদর করে বেরোতাম। আনার সাত দিনের মধ্যেই আরেকটা টিয়া উড়ে গিয়েছিল। সুতরাং খুশি একা আমার হৃদয়ে রাজত্ব করছিল। বেরনোর আগে বাবাকে বলে যেতাম, সন্ধ্যায় টিউব জ্বালানো হ'লেই যেন খুশির খাঁচাটা কাপড় দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়। সেই কাপড়টাও সামনে রেখে যেতাম। মা'কে বলতাম না কারণ মা ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছিল। অফিস থেকে ফিরতে আমার রাত হত। গড় বাড়ি ফেরার সময় ছিল পোনে দশটা। একেক দিন অফিস থেকে ফিরে দেখতাম খুশির খাঁচা ঢাকা দেওয়া হয়নি। তখন আমার রাগ হয়ে যেত।

    ওর খাবার নিয়ে বেশি চিন্তা ছিল না। টুকরো টুকরো পেয়ারা দিতাম। কুঁদরি খেতেও খুব ভালোবাসত। কী সুন্দর পায়ের আঙুলগুলো দিয়ে ধরে কুঁদরি খেত!

    একেক দিন সোহমদের কুকুর কুট্টুসকে নিয়ে তেজী বৌদি ও দাদা ওপরে আসতেন। খুশিকে দেখেই পুঁচকে কুট্টুস নতুন অদ্ভুত প্রাণী দেখার উত্তেজনা থেকে ঘেউ ঘেউ শুরু করত। সোহমদের বাড়িতে তো আর পাখিটাখি ছিল না ফলে ক্ষুদে কুট্টুসের সে কী কৌতূহল ও উত্তেজনা! ওর ঘেউ ঘেউ শুনে খুশি ভয় পেয়ে যেত। ত্রাসের ডাকাডাকি সহ কুট্টুসের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে খাঁচার অন্য দিকটার রেলিং ধরে ঝুলত। কিন্তু খাঁচাটাতো খুব বড় নয়। পালিয়ে কোথায় যাবে সে? আমি বাড়ি থাকলে কুট্টুসকে চুপ করাতাম এবং খুশির পাশে গিয়ে আশ্বস্ত করার মতো আদুরে কিছু অর্থহীন কথাবার্তা বলে যেতাম। খুশি শান্ত হয়ে যেত।

    কিন্তু আমার ভয় ছিল, আমি বাড়িতে না থাকাকালীন কুট্টুস এসে ডাকাডাকি করলে খুশি হার্টফেইল না করে! তাকে শান্ত করতে আমার বাবা-মায়ের বয়ে গেছে। তেজী বৌদিকে বুঝিয়ে বলার পর তিনি সচরাচর কুট্টুসকে নিয়ে ওপরে আসতেন না।

    এক ভোরবেলায় একটা অপার্থিব দৃশ্য দেখেছিলাম। গরমকালে রাতে খুশিকে বারান্দাতেই রেলিংএর একেবারে সামনে রাখা হত, বর্ষা ও শীতে ঘরের ভেতরে। গরমকালে এক দিন ভোর পাঁচটা নাগাদ দেখি, খুশির খাঁচার সামনে গোটা ছয়েক টিয়াপাখি এসে নিজেদের ভাষায় কথাবার্তা বলছে। সে এক অকল্পনীয় সুন্দর দৃশ্য। খাঁচায় বন্দী সবুজ খুশির সামনে সবুজ মুক্তির জটলা। মুক্ত টিয়াগুলো নিশ্চয় ওকে মুক্তির স্বপ্ন দেখাচ্ছিল। সেই সঙ্গে ওর দুঃখের কথাও শুনছিল। আহা রে মুক্তি! অপার্থিব বলেই সেই দৃশ্য বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।

    একেক দিন খুশি হাঁই তুলত। তখন ওর ক্ষুদে জিভ ও দাঁত দেখা যেত। কী সুন্দর, কী ছোট একটা কাঠামো! এ হেন খুশির ওপর দিন দিন আমার মায়া বাড়ছিল। অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী বলতে শুরু করেছিল, আমি যেন খুশিকে অত ভালো না বাসি। কষ্ট পাব। কিন্তু কম ভালোবাসাও তো অসম্ভব।

    ২০১৫-এর মে মাসে মা মারা গেল। জীবনে প্রথম কাছ থেকে মৃত্যু দেখলাম। গভীর শোক পেলাম। তবু বাবা ছিল এবং অবশ্যই খুশি। জীবন ক্রমে ক্রমে ছন্দে ফিরে আসছিল। আগস্ট মাসে খুশি উড়ে গেল। একেক দিন খাঁচার ছিটকিনি ঠিকমতো দেওয়া থাকত না। ছিটকিনিটায় একটু খুঁতও ছিল। এক বিকেলে দেখি ছিটকিনি খোলা তবু পাখি উড়ে যায়নি। ভাবলাম, এ তো আচ্ছা বোকা পাখি অথচ এমনিতে টিয়া খুব বুদ্ধিমান পাখি বলেই তো শোনা যায়। এই ঘটনা আমার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছিল। খাঁচার ছিটকিনি ঠিকঠাক লাগানো হয়েছে কিনা সব সময় পরীক্ষা করতাম না। পরে টের পেয়েছিলাম, পাখিটাকে বোকা বলে ধরে নেওয়া আমার মস্ত ভুল হয়েছিল।

    ক' দিন খুশি খুব খিটখিটে হয়ে উঠেছিল। পরে বুঝেছি, খাঁচার জীবনে সে চরম অসুখী হয়ে উঠেছিল। সে দিন বেলা সাড়ে বারোটা নাগাত শিবানীদি রান্নাঘরে রান্না করছে, বাবা বাইরের ঘরে বসে আছে, আমি খুশিকে বারান্দায় রেখে ভেতরের ঘরের দরজাটা বন্ধ করে ধ্যান করছিলাম (অনেক দিন আগে ব্যায়াম শেষ করার পর ধ্যান করতে শেখানো হয়েছিল। পরে নিয়মিত ব্যায়াম বন্ধ করে দিলেও ধ্যানের অভ্যাসটা থেকে গিয়েছিল)। ধ্যান করতে করতে টের পাচ্ছিলাম, বেল বাজছে। বাবার কাছে কোনো অফিসিয়াল চিঠি এল। বারান্দা থেকে পোস্টম্যানের সঙ্গে কথা বলল বাবা। দড়ি সহ ব্যাগ ফেলে চিঠিটা নিল। বাবা চিঠিটা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। ছোটবেলা থেকে দেখে আসছি, চিঠি এলে বাবা সব ভুলে যায়। বারান্দা থেকে কেমন একটা মৃদু ঝটপট শব্দ কানে এল। আমি গুরুত্ব দিলাম না। এ দিকে ধ্যান করতে করতে দুম করে ওঠাও যায় না। পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা। পরে উঠে দরজা খুললাম কিন্তু তখনো খাঁচার শূন্যতা লক্ষ্য করিনি।

    ঝাঁট দেওয়ার সময় ফাঁকা খাঁচাটা শিবানীদির চোখে পড়ল। আমাকে বলে উঠল - "কী গো, পাখি?" ঝটপট করে বাইরে গিয়ে দেখি খুশি উড়ে গেছে। জলভরা চোখে আশেপাশে তাকালাম। কোথাও বসে নেই। বাবা ততক্ষণে শিবানীদির তাকিয়ে ইশারা করছে ব্যাপারটা চেপে যেতে যেহেতু আমার কষ্ট হবে। কিন্তু আমি তো টের পেয়েই গেছি।

    খুশিকে আমি ভুলিনি। আমার হৃৎপিন্ডে একটা নরম সবুজ আঁচড় কেটে সে উড়ে গেছে। তার খাঁচাটা একটা নির্মম ঠাট্টার মতো অনেক দিন বারান্দায় রাখা ছিল। পরে গীতা বলে এক পরিচারিকা চাইলে দিয়ে দিয়েছিলাম।

    মাঝেমাঝে আমাদের চারতলার বারান্দা থেকে একটা দুটো উড়ন্ত টিয়া চোখে পড়ে। প্রকৃতির নিজের হাতে আঁকা সেই সব ক্ষণস্থায়ী সবুজ আল্পনা আমার চোখ ভিজিয়ে দেয়। ওরা এভাবেই ছাড়া থাক। ওদের মধ্যে আমার প্রিয় খুশি থাকে কিনা জানি না। তবে আমার নিজের খাঁচাতেও তাকে আর চাই না আমি। প্রার্থনা করি, সে যেখানেই থাকুক, মুক্ত থাকুক। একান্তভাবে চাই, কখনোই যেন সে ধরা না পড়ে।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • শমীক | 2409:40e0:105a:4d5e:8000:: | ১২ জুন ২০২৪ ১২:৫৮533056
  • অনেকনকাল আগে আমাদের বাড়িতেও এক ময়না ছিল। নাম মিতু। আমরা সপরিবারে উত্তরবঙ্গে বেড়াতে যাওয়ার সময় এক ঝড় বৃষ্টির রাতে সে বাসা থেকে পড়ে গেছিল। আর তার মা কে খুঁজে পাওয়া যায়নি তাই অগত্যা তাকে আশ্রয় দেওয়া হল আমাদের বাড়িতে। অবিকল আমার মার গলা নকল করে আমাদের দুই ভাইকে ডাকার আশ্চর্য ক্ষমতা ছিল তার। প্রতিবেশীরাও শুনে ধরতে পারত না কে ডাকছে, মা না মিতু। আপনার লেখা পড়ে সেই স্মৃতি ভেসে উঠলো। 
  • Suvasri Roy | ১২ জুন ২০২৪ ১৫:৪১533064
  • @শমীক
    পোষা ময়নার কথা শুনে ভালো লাগল। পৃথিবীর সমস্ত পোষ্য ভালো থাক।
  • পাপাঙ্গুল | ১২ জুন ২০২৪ ১৯:৫৯533070
  • পোষা প্রাণী , পড়শি ইত্যাদিদের নিয়ে বেঁচে থাকা আপনার এই ছোট লেখাগুলোতে একটা ফেলে আসা আটপৌরে নাগরিক জীবনের সুন্দর ছাপ আছে , যেটা এখন আর শহরে দেখা যায় না।
  • Suvasri Roy | ১২ জুন ২০২৪ ২১:৩৫533077
  • @পাপাঙ্গুল
    মতামত পেয়ে ভালো লাগল। শহরেও কোথাও কোথাও এরকম মধুর কিন্তু গতানুগতিক জীবন এখনো টিকে আছে। আমি এই জীবন থেকে সুখ ও দুঃখ দুটোই ক্রমাগত পেয়ে আসছি এবং তা নিয়ে লেখারও চেষ্টা করি।
    শুভেচ্ছা থাকল।
  • চিত্তরঞ্জন হীরা। | 2409:4060:2eb5:ba12:1c1d:5d8f:ecd:b6b4 | ১৪ জুন ২০২৪ ১৬:০২533160
  • একটি সুন্দর স্মৃতিচারণ। লেখাটি খুব সুন্দর হয়েছে। খুশির কথা যেন আমাদেরও মনে পড়ছে।
  • Suvasri Roy | ১৪ জুন ২০২৪ ১৭:১৬533162
  • @চিত্তরঞ্জন হীরা
    মতামত দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। 
  • Aditi Dasgupta | ১৪ জুন ২০২৪ ২২:৫৯533175
  • আহা খুশী খুশী থাক। খুব ভালো লাগলো।
  • Suvasri Roy | ১৫ জুন ২০২৪ ০৯:৫৫533185
  • @Aditi Dasgupta
    খুব ভালো কথা লিখেছেন। হ্যাঁ, আমরা নিশ্চয় চাই, খুশি মুক্ত ও খুশি থাকুক। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে মতামত দিন