এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • আমাদের সময়ের ভ্যালেন্টাইনস ডে 

    ARUPRATAN MUKHERJEE লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ৮১২ বার পঠিত | রেটিং ৪ (২ জন)
  • আমাদের কালের ভালেন্টাইন্স ডে :
    এখন আমার বয়স তিন কুড়ি দুই। পঞ্চাশ বছর আগে ফিরে যেতে ইচ্ছে করছে। কিশোর বয়সে প্রথম চাঁদা তুলে সরস্বতী পুজো করার দিনগুলোতে। পুজোর বাজেট সাকুল্যে পঞ্চাশ টাকা। ঠাকুরের দাম বারো টাকা। বায়না দেওয়া চার টাকায়। ঠাকুর আনার সময় বাকি আট টাকা। পাড়ুই পাড়া থেকে কাঁধে করে বাঁশ আনা। প্যান্ডেল বাঁধা। ডেকরেটর-কাকুকে হাতেপায়ে ধরে কম পয়সায় ত্রিপল আর চট ভাড়া করা। বাড়ী থেকে চেয়ে চিন্তে মার কাপড় এনে interior decoration। বাড়ী থেকে লাইন টেনে বিদ্যুৎ সংযোগ। ইলেকট্রিশিয়ান কাকুর সৌজন্যে প্যান্ডেলে ঝকমকে মার্কারি লাইট। মাইকের অভাব মেটাতে অযোধ্যাকাকু তাঁর মারফি রেডিওটা ফিট করে দিয়ে গেলো প্যান্ডেলে। রফির গান বাজছে...."এক বেচারা হ্যা, পেয়ার কে মারা হ্যা"। ওয়ারিস সিনেমার, আমাদের সময়ের ভ্যালেন্টাইনস ডের সুপার হিট গান। পুজোর আয়োজন করতে ফল কিনতেই টাকা শেষ। পুরুতঠাকুর পুজো করার পরে দক্ষিনা চাইছেন। অগত্যা বাবা এসে দক্ষিনার টাকা দিলো। ক্লাবের পুজো সেরে ইস্কুলে ভোগ খেতে যাওয়া। তারপর গার্লস স্কুলে। এই একদিনই উন্মুক্ত দ্বার। এই সুযোগ কে ছাড়ে ? বছরে একদিনই এই সুযোগ মেলে। তখন মাইকে টুং টাং করে বাজছে....." আমি যে রিকশাওয়ালা, দিন কি এমন যাবে? শোনো গো ও মাধবী তুমি কি আমার হবে?" সেইসব দিন কোথায় হারিয়ে গেল। এই বছরে, সরস্বতী পুজো এবং ভালেন্টাইনস ডে মিলেমিশে একাকার। তাই পুরোনো দিনগুলো ফিরে পাওয়ার একটু চেষ্টা মাত্র।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dc | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ০৮:২৩528452
  • আমার এবার ছিল ট্রিপল হোয়্যামি। বৌ এর জন্মদিন, ভ্যালেন্টাইনস ডে, সরস্বতী পুজো। প্রথম দুটো প্রতিবারই হয়, এবার তিনটে এক সাথে। তার ওপর আবার মেয়ে এবার উচ্চ মাধ্যমিক দিচ্ছে, কাজেই সবাই খুব সিরিয়াস মুখে পুজো দিয়েছে laugh
  • আমি যে রিকশাওয়ালা, দিন কি এমন যাবে | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ০৯:০১528453
  • পঞ্চাশ বছর আগে? সত্যি?
  • :|: | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ০৯:৩৬528456
  • রেডিও কেমন করে মাইক্রোফোনকে সাবস্টিটিউট করতো?
    "মাইকের অভাব মেটাতে অযোধ্যাকাকু তাঁর মারফি রেডিওটা ফিট করে দিয়ে গেলো প্যান্ডেলে"
  • | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১৭:৩৭528492
  • চন্দ্রবিন্দু তো যদ্দুর মনে পড়ছে ১৯৯৬-৯৭ নাগাদ গাইতে শুরু করে। আমি! যে রিস্কাওলা ২০০১ এর গান বোধহয়। পঞ্চাশ বছর আগে মানে ১৯৭৪। খুবই ভবিষ্যতদ্রষ্টা / শ্রোতা তো!
  • Titir | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ২০:৪৪528494
  • আমরা ছোটবেলা থেকে গ্রামের যাত্রায় ( যাত্রার মাঝামাঝি সময়ে দর্শকদের মনোরঞ্জনের একটু চটুল নাচগান হত ) এই গানটি শুনতাম একটু অন্যভাবে। "শুনো গো ও মাধবী, তুমি কি আমার হবে? আমি যে রিকশাওয়ালা দিন কি এমন যাবে?" পরের কথাগুলি ​​​​​​​ঠিক ​​​​​​​মানে ​​​​​​​নেই ​​​​​​​। তবে মাধবীর ​​​​​​​কিছু ​​​​​​​উত্তর ​​​​​​​ভাসাভাসা ​​​​​​​মনে পড়ছে। "বাবা ​​​​​​​যে ​​​​​​​দেয় ​​​​​​​না ​​​​​​​বিয়ে প্রাণে তো আর সহে না "এইরকম ​​​​​​​কিছু।
    আর এই গান পঞ্চাশ বছর আগে শোনা। তবে মাইকের গান নয়।
  • r2h | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ২২:৩৭528497
  • "...ও মাধবী, তুমি কি আমার হবে" - এটা পুরনো গানের লাইন আমিও জানতাম, তবে পুরো গানটা কখনো শুনিনি!
  • ARUPRATAN MUKHERJEE | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১৬:২৪528521
  • ঠিকই লিখেছেন। গানটা অনেক পুরোনো। মাধবীর অনুযোগটাও সঠিক, "বাবা যে দেয় না বিয়ে, মন যে আর মানেনা"। চন্দ্রবিন্দু গানটা নতুন করে গেয়েছে, সম্ভবত। কিছু পরিবর্তন থাকতেও পারে। আমাদের ছোটবেলায় গ্রামে এই চটুল গানটা খুবই জনপ্রিয় ছিলো।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু মতামত দিন