এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  আলোচনা  রাজনীতি

  • অন্নদাতাদের অসম্মান দেশের মানুষকে অপমান

    বেবী সাউ
    আলোচনা | রাজনীতি | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ৬৯৫ বার পঠিত | রেটিং ৫ (৪ জন)

  • কোনো ভূতের রাজার বর পেয়ে কিংবা কোনো পাথরের মূর্তির জন্য আকাশ থেকে দেশের একশো চল্লিশ কোটির মানুষের জন্য খাবার যে পড়ে না, সে কথা সম্ভবত আমাদের দেশের রাজারা বিস্মৃত হয়েছেন। ‘রাজা’ শব্দটি শুনেই হয়তো অনেকে নাক সিঁটকোচ্ছেন। কিন্তু গণতন্ত্রের নামে এই রাজতন্ত্রই যে এখন ভারতবর্ষে চলছে—সে বিষয়ে সন্দেহ থাকার কথা নয়। কিন্তু ধর্মব্যাবসা এবং রাজতন্ত্র যে আমাদের এই দেশের মানুষের উপর চেপে বসেছে—তা বুঝতে আর চোখে আঙুল দিয়ে দেখাবার প্রয়োজন হবে না কারোর। ভেবে দেখুন, যে দেশে হাজার হাজার কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে রামমন্দির তৈরি হয়, বেসরকারি পুঁজিপতিদের স্বর্গরাজ্য তৈরি হয়, সে দেশে কৃষকদের উপর নেমে আসে ঘৃণ্য অত্যাচার। সেখানে কী এমন চেয়েছে কৃষকরা? তাদের দেশের রাজধানীতে প্রবেশাধিকার নেই? তাদের পথ আটকানোর জন্য এত এত কাঁটাতারের বেড়া? কাদের ভয় পেয়ে এ দেশের রাজধানীর চারিদিকে কাঁটাতারের বেড়া তৈরি হয়েছে? কাদের জন্য রাজধানীতে লাগু হয়েছে ১৪৪ ধারা?

    যারা আক্ষরিক অর্থেই দেশের একশো চল্লিশ কোটি মানুষকে খেতে দেয়। দেশের খাদ্য জোগায়। অন্নের সংস্থান করে।

    এমন যে আমরা আগে দেখিনি তা নয়। কৃষকদের সেই দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া যুদ্ধের সাক্ষী ছিলাম আমরা। কিন্তু তাঁদের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। তাঁরা ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করে আবার ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজধানীর উদ্দেশ্যে পাড়ি দিয়েছেন। কিন্তু তাঁদের রাজধানীতে ঢুকতে দেওয়া হবে না। নিশ্চয় তাঁদের গায়ের যে মাটি ও কাদার গন্ধ—তা রাজধানীতে বসে থাকা রাজাদের সহ্য হয় না। সহ্য হয় না সেই সব শাসকদের, যাঁরা দেশকে ধর্মের আফিমে বুঁদ করিয়ে রাখেন, কিন্তু যাদের গায়ের গন্ধ প্রকৃতই আমাদের রুটি দেয়, তাঁদেরকেই দূরে রাখতে হচ্ছে রাজধানী থেকে। তাঁদের রাজধানীতে প্রবেশ নিষিদ্ধ। তবে কি ভারতের যে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা তা অস্বীকার করা হচ্ছে? যেকোনো বিপ্লব এবং বিরোধী স্বরকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার চক্রান্ত চলছে?

    রাজধানীর চারিদিকে কৃষকদের আটকানোর জন্য যে ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছে, তা মূলত মানুষের আন্দোলনকে রুখে দেওয়ার জন্য। আপনাদের কি মনে পড়ছে মূর্তি উন্মোচনের সময় হীরক রাজার সেই দরিদ্র কৃষক এবং পীড়িত মানুষদের তুলে নিয়ে এলাকা থেকে তাদের অস্তিত্ব মুছে দেওয়ার দৃশ্য?

    সমস্যা হল, ভারতের মানুষের আত্মসম্মানবোধ হারিয়ে গিয়েছে। তাঁরা দেখতে পাচ্ছেন এ দেশে ধর্মের কদর রুটির চেয়ে বেশি। এ দেশে যারা প্রকৃতই আমাদের খেতে দিচ্ছেন, তাঁদের উপর নেমে আসছে অত্যাচার। এ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের পেশা কী? এ প্রশ্নের উত্তরে পুরোহিত, রাজনীতিবিদ, সেনা, বিজ্ঞানী, শ্রমিক নয়, আসবে কৃষকদের কথা। কৃষকরাই আমাদের মুখে অন্ন তুলে দিচ্ছেন। আর তাঁরাই এ দেশের রাজধানীতে ব্রাত্য। এ জন্য এ দেশের শাসকমহলে কোনও লজ্জা তো নেই, বরং শাসনের অহঙ্কার রয়েছে। রামমন্দির প্রতিষ্ঠার সময়েও আমরা দেখেছিলেম শাসকের অহঙ্কারের প্রতিষ্ঠার দৃশ্য। আর এখনো দেখছি, শাসকের অহঙ্কার বা রাজতন্ত্রের অহঙ্কার কীভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের গণতন্তের উপর অত্যাচার এবং ঘৃণা রূপে নেমে আসে।

    শাসকরা হয়তো ভুলে গেছেন—এই কৃষকরাই যদি ধর্মঘট করেন, তাহলে শাসকরাও খেতে পাবেন না। ভাবুন, রাজধানীতে লোক খেতে পাচ্ছে না, শাসকদের ঘরে রুটি আসছে না। আমাদের দেশের ধার্মিক রাজারা ধর্মকে পুঁজি করেও পেট ভরে খেতে পাচ্ছেন না। সমগ্র দেশের মানুষ খেতে না পেলে কি ধর্ম দিয়ে পেট ভরাবেন? হয়তো আরো কিছুদিন ধর্মের আফিম তাদের বুঁদ করে রাখবে। তারপর? তখন কি মগজ ধোলাই করবেন, বেশি খেলে বাড়ে মেদ?

    কিছুদিন আগে দেখা যাচ্ছিল ইউএস থেকে আপেল আমদানির ক্ষেত্রে সরকারের অবস্থান। একের পর এক পদক্ষেপ আমাদের ভীত করছে নাকি! আমাদের দেশ কৃষি ও কৃষকদের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। আর সেখানে কৃষকরাই উপেক্ষিত হয়ে পড়ছেন?

    এই গণতন্ত্র তবে কাদের, যদি এ দেশের কৃষকরাই তাদের কণ্ঠ এবং মৌলিক অধিকার নিয়ে এদেশের গণতন্ত্রের রাজধানীতে প্রবেশ করতে না পারেন? এই গণতন্ত্রের অর্থ কী, যদি তা সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের অন্নদাতাদের সম্মান করতে না পারে? আর এই ধর্মেরই বা অর্থ কী, যা দেশের মাটির মানুষদের মুখ থেকে অন্ন কেড়ে নেন এবং তাদের ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেন? এ দেশ কাদের?



    ছবি: হিরণ মিত্র


    যাদের ঘাম, যাদের পরিশ্রম আমাদের রুটি দিচ্ছে, যাদের খাচ্ছি, যাদের পরছি, তাদেরকেই অপমান করলে এই শাসকরা আবার আশা কেন করবেন এ দেশের মানুষ তাদেরকেই নির্বাচিত করে এ দেশের শাসক করবে? ধর্ম সেঁকে, ধর্ম ভেজে, ধর্ম দিয়ে চচ্চড়ি তৈরি করে, ধর্মের লাশ বয়ে নিয়ে যান বরং আপনারা। ভারতের মানুষের যারা প্রকৃতই অন্নদাতা, তাদের অসম্মান করবেন না। যে ধর্ম নিয়ে এত মাতামাতি সেই ধর্মই তো আমাদের শিখিয়েছে অন্ন এবং অন্নদাতাকে অবহেলা না করতে।

    সবচেয়ে অবাক লাগে মিডিয়ার অবস্থান। টেলিভিশন খুললে নিউজ চ্যানেলের রিপোর্টারদের চিৎকার চেঁচামেচি করে যেভাবে কৃষকদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে কথা বলছেন এবং দেখাতে চাইছেন এই কৃষকদের জন্য দেশ রসাতলে চলে যাচ্ছে, কৃষকদের জন্যই নাকি দিল্লির আজ এই অবস্থা, কৃষকদের জন্য জনগণের দুরাবস্থার শেষ নেই, কৃষকদের জন্যই দেশের অর্থনীতি রসাতলে যাবে ইত্যাদি ইত্যাদি— তখন মিডিয়া নিয়েও সন্দেহাতীত সংশয় জাগে বৈকি! হাস্যাস্পদও কি নয়?

    যে দেশে বিরোধীদের হত্যা করা হয়, বিরোধী কন্ঠস্বরকে দমন করা হয়, যে দেশে কৃষকদের দাবি মানার জন্য বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হয়, অথচ যে দেশে একবছরের মধ্যে বিশাল, বিরাট, বিপুল ঐশ্বর্যমণ্ডিত মন্দির প্রতিষ্ঠা করার জন্য কোটি কোটি টাকা ব্যয় করা হয়, শিল্পপতিদের ঋণ লহমায় মকুপ হয়ে যায়— সে দেশে আর যাইহোক কৃষকদের এই অবস্থা স্বাভাবিক বলেই মনে হয়।

    কিন্তু তার মধ্যেও কৃষকদের এই অবস্থান আমাদের আশাবাদী করে তোলে, এই ভেবে যে ধর্মের ভেলকিবাজি তাদের দমন করতে পারেনি। নিজের স্বর তারা নিজেরা তৈরি করে নিতে পারছেন। তারা বিরুদ্ধ স্বর তুলছেন। এখন আমরা তাকিয়ে থাকবো ভবিষ্যতের দিকে। এ দেশে গণতন্ত্র তো নেই, বর্তমান রাজতন্ত্রের অবসান নিশ্চিত হবে এই ভেবে। আর আগামী দিনে রাজধানী কৃষকদের হোক।


    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক।
  • আলোচনা | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ৬৯৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Aditi Dasgupta | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ২০:০১528529
  • শুধু কাপড় ই নয়, মস্তিষ্ক টাও উড়ে গেছে
  • দীমু | 182.69.183.218 | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ২৩:০১528538
  • yes​​
  • | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ২৩:০৫528539
  • ভাল লাগল।
  • Kishore Ghosal | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১৩:১০528578
  • সময়োচিত  নাড়া দেওয়া লেখা। 
     
     প্রতিক্রিয়া জানাই রবীন্দ্রনাথের "রক্তকরবী"  থেকে সামান্য উদ্ধৃতি দিয়ে  -
     
     "গোঁসাই।  আহা, এরা তো কূর্ম অবতার। বোঝার নিচে নিজেকে চাপা দিয়েছে বলেই সংসারটা টিকে আছে। ভাবলে শরীর পুলকিত হয়। বাবা ৪৭ফ*, একবার  ঠাউরে দেখো, যে মুখে নাম কীর্তন করি সেই মুখে অন্ন যোগাও তোমরা; শরীর পবিত্র হয় যে নামাবলিখানা গায়ে দিয়ে, মাথার ঘাম পায়ে ফেলে সেখানা বানিয়েছ তোমরাই। একি কম কথা!  আশীর্বাদ করি , সর্বদাই অবিচলিত থাকো, তা হলেই ঠাকুরের দয়াও তোমাদের 'পরে অবিচলিত থাকবে "।    
     
    আবার  
     
    "গোঁসাই।  বাবা, দন্ত্য-ন পাড়া এখনো নড়্‌নড়্‌ করছে, মূর্ধণ্য-ণরা  ইদানীং মধুর রসে মজেছে। মন্ত্র নেবার মতো কান তৈরি হল বলে। তবু আরো কয়েকটা মাস পাড়ায় ফৌজ রাখা ভালো। কেননা, নাহংকারাৎ পরো রিপুঃ। ফৌজের চাপে অহংকারটা দমন হয়, তার পরে আমাদের পালা। 
    চন্দ্রা।  প্রভু, আশীর্বাদ করো, এই এদের যেন সুমতি হয়। অপরাধ নিয়ো না। 
    গোঁসাই।  ভয় নেই মা লক্ষ্মী, এরা সম্পূর্ণ ঠাণ্ডা হয়ে যাবে"।  
     
    চাষীরা অবিচলিত না থাকলে, শাসকরা অবিচলিত থাকে কী করে -  অতএব ক্ষমতা সামলাতে ফৌজ  তো নামাতেই হবে - যতদিন না আমরা সকলে ঠাণ্ডা হয়ে যাই। 
     
    সাতাত্তর বছর ধরে ঠাণ্ডা হয়েই টিকে আছি - চোখ বুজে কোনমতে - এই রাজ্যে - এই দেশে ।    
       
    [* রবীন্দ্রনাথ ব্যক্তি পরিচয়ে  ইউনিক নম্বরে কল্পনা করেছিলেন, আজ সত্যিই আমাদের পরিচয় আধার কার্ড নম্বরে]
  • upal mukhopadhyay | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ২০:৫৮528587
  • প্রাইমারি আর সেকেন্ডারি সেক্টর কৃষি আর শিল্পের মধ্যে যে বিনিময় (টার্মস অফ ট্রেড) তা সবসময় শিল্পের পক্ষে থেকেছে। বিগত পাঁচ ছয় দশকে কিসানদের প্রকৃত আয় বাড়ে নি। দেশের বড় অংশেই কৃষি ভোগের জন্য উৎপাদনের পর্যায়ে খোরাকি জোগাড়ের পর্যায় (সাবসিস্টটেন্ট ফার্মিং) অতিক্রমই করলনা। যে সব এলাকায় কৃষিতে পুঁজির বিকাশ হয়েছে সেখানে কৃষি কাঠামোগত সংকটে পড়ে রাষ্ট্রের সাহায্য চাইছে। সেকেন্ডারি সেক্টরে কর্পোরেটের কাঠামোগত সংকট মোচনে রাষ্ট্র বাজেট চেঁছে ভর্তুকি দেওয়ার চেষ্টা করে আর প্রাইমারি - কৃষি সেক্টরে সে দাবি উঠলে প্যাঁদায়। পুজিবাদি কৃষির কাঠামোগত সংকট মানে যোগান - চাহিদার স্বাভাবিক  মেকানিজমে পরিত্রাণে অপারগতাকে কৃষি অর্থনীতির ধংসের ঐতিহাসিক অনিবার্যতা বলে গদি মিডিয়া প্রচার করে। আসলে সংকট কিসানের নয় সংকট রাষ্ট্রীয় পুঁজিবাদী ব্যবস্থার যার থেকে মুক্তি আশু পথ হল ফ্যাসিবাদী সরকারকে বিদেয় করে স্বামীনাথন সুপারিশ লাগু করা।
  • হিন্দোল | 2402:3a80:1cd1:bba2:c85c:74ff:fe5f:c2e4 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ০৭:২৫528628
  • লেখাটি সময়োপযোগী। 
    প্রয়োজনীয়। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঠিক অথবা ভুল মতামত দিন