এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  উপন্যাস

  • সৌদামিনীর ঘরে ফেরা - পর্ব ২

    Kishore Ghosal লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | উপন্যাস | ২৭ নভেম্বর ২০২৩ | ৪৬৮ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)


  • শুক্রবার বিশেষের অফিস ছুটি, পরপর তিনদিনের ছুটিতে কাছে পিঠে কোথাও ঘুরে এলে মন্দ হয় না। এখান থেকে আগ্রা, মথুরা, বৃন্দাবন খুব কাছে। আগ্রা অন্ততঃ পঁচিশ বার ঘোরা হয়ে গেছে, বন্ধুবান্ধব যে আসে, সেই বলে চ, তাজটা মেরে আসি। ঘুরতে ভালোই লাগে, তাই বিশেষ না করে না, সুযোগ পেলেই দৌড়য়। কিন্তু এই ছুটিতে আবার আগ্রা যাবার মানে হয় না। মথুরা বৃন্দাবন অনেক আগে একবার ছোটবেলায় গিয়েছিল। ওখানকার বাঁদর আর হনুমান ছাড়া বিশেষ কিছুই তার মনে নেই। কাজেই তিনদিনের ছুটিতে বৃন্দাবন, ঘুরে এলে মন্দ হয় না। তবে মনে হয় না, বন্ধুবান্ধবদের কেউ তার বৃন্দাবন যাত্রার সঙ্গী হতে চাইবে। তবুও বিশেষ হোয়াট্‌স্‌অ্যাপে তার বন্ধুদের “বাতাতে রহো” গ্রুপে ঢুকে লিখল, “লেটস হ্যাভ আ ট্রিপ ইন দিজ হলিডেজ”।
    “হোয়্যার? তাজ? ওঃ নো নট এগেন ডুড”। প্রকাশ মেহেরা উত্তর দিল।
    “বোরড ইন তাজ, ক্যা হ্যায় রাজ? ললিত ভরদ্বাজের উত্তর।
    “কাম অন ইয়ার। ভিশ, আয়াম উইথ ইউ, ওয়্যার টু গো?” বিশেষকে সমর্থনই করল প্রকাশ।
    “বৃন্দাবন”। বিশেষ উত্তর দিল।
    “ওয়াও। বাট দ্যাট কান্ট বি আ ট্রিপ, বাই দি ওয়ে আই’ল কাম ডাউন অ্যাট ৭ পিএম, ইজ ইট ওকে”? জিতু তানোয়ার।
    “আবে, ভিশ ইজ কিডিং ইয়ার। উল্লু কা পাট্‌ঠা”। ললিত লিখল।
    “নট জোকিং, গাইজ, আয়্যাম সিরিয়াস”। বিশেষ লিখল।
    “হেল্লো, ইউ আর প্রোপজিং টু গো বৃন্দাবন বার, রাইট? অ্যান্ড দ্যাট্‌স্‌ নট আ ট্রিপ!” জিতুর উত্তর ।
    “তু লোক শালে কভি নেহি শুধরেগা? ইট্‌স্‌ নট আ ট্রিপ, ইট্‌স্‌ আ ট্রিট। ইট ওয়াজ আ মিসটেক, রাইট? এনিওয়ে, ওয়াট ফর দিস ট্রিট, ভিশ? ইট্‌স্‌ নট ইয়োর বার্থডে!” প্রকাশ বোদ্ধার মতো উত্তর লিখল।
    বিশেষ লিখল, “ইয়ার তুলোগ, একহি জাগাপে লটক রহে হো। আয়্যাম টেলিং অ্যাবাউট বৃন্দাবনধাম, নট বৃন্দাবন বার”।
    ললিতের উত্তর, “ও শিট। ভিশ ইয়ার, তুনে তো কামাল কর দিয়া। লেকিন বৃন্দাবনধাম নাম শুনতেহি মেরা শর দর্দ চালু হো গয়া। সরি ইয়ার”।
    “আর ইউ ওক্কে, ভিশ? চল, ম্যাঁয় আ রাহা হুঁ তেরা রুম মে। তেরে কো উঠাকে লাউংগা। ইয়ার তুলোগ ঘরমে ব্যাঠকে ফ্যামিলিকে সাথ মস্তি মারেগা, ছুট্টি মানায়েগা, বেচারা ভিশকে লিয়ে সোচা কুছ? শালা বাত করতা”। জিতু্র ভীষণ সেন্সিটিভ উত্তর।
    “বাট, জিতু, আয়্যাম সিরিয়াস। আই’ল গো বৃন্দাবন টুমরো মর্নিং, ইটস ফাইনাল। কিসিকো চলনা হ্যায় তো চল, নেহিতো হাম নিকল পড়েঙ্গে, আকেলা”। বিশেষ লিখল।
    “অকেলে অকেলে কাঁহা যা রহে হো...অকেলে...অকেলেএ এ এ এ...” ললিত চ্যাংড়ামি করল।
    “আর ইউ ক্রেজি, ভিশ”? প্রকাশ লিখল।
    “শালে তেরা দিমাক ঠিকানে পে হ্যায় তো? বৃন্দাবন যাকে তু ক্যা করেগা”? জিতুর উত্তর।
    “হরে কিসনা, হরে রাম। হরে রাম, হরে রাম...”। ললিত ফোড়ন দিল।
    “কল হম নেহি যা পায়েঙ্গে, ইয়ার। ফির কভি প্ল্যান কর লেঙ্গে। বোর মৎ কিয়া কর, ভিশ”, জিতু বোঝাতে চেষ্টা করল বিশেষকে। বিশেষ আর কোন উত্তর দিল না। গ্রুপ থেকে বেরিয়ে এল।

    সকাল সাতটার বাস ধরে বৃন্দাবন পৌঁছতে প্রায় সাড়ে চার ঘন্টা লাগল। বৃন্দাবনের বাসষ্ট্যান্ডে বিশেষ যখন পা দিল, বেলা এগারোটা বেজে পঁয়ত্রিশ মিনিট। তার বাবার কথা মতো এখান থেকে শেঠ রতনলাল ধরমশালা হেঁটে মিনিট পনেরর পথ। রিকশ নেওয়া যায়। এক্কাও চলছে। কিন্তু হেঁটে যাওয়াই ঠিক করল। হোয়াটসঅ্যাপ চালু করে বিশেষ বাবাকে লিখল, “রিচ্‌ড্‌ বৃন্দাবন”।

    কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পরও কোন উত্তর না পেয়ে, বিশেষ মনে করার চেষ্টা করল, গতকাল রাত্রে বাবা কি বলেছিলেন। বাস থেকে নেমে, কাউকে জিজ্ঞাসা করে নিতে, ছিপি গলিটা কোন দিকে। ছিপি গলির মোড়ের কাছেই শিবাজির মন্দির, তারপর সোজা মিনিট পাঁচ সাত হাঁটার পর বাঁদিকে, বড়ো তিনতলা ধরমশালার বাড়িটা চোখে পড়বেই। উল্টোদিকে মিঠাইয়ের দোকান। কচৌরি-সবজি, পেঁড়া, মোরব্বা, ক্ষীর, রাবড়ি। খোঁজখবর করে বিশেষ হাঁটতে শুরু করল। রাস্তার দুপাশেই অজস্র দোকান পাট। মোবাইল রিপেয়ারিংয়ের দোকান। নানান ভক্তিভজন সমৃদ্ধ সিডির দোকান। সিডি প্লেয়ারে গম গম করে বাজছে রাধা কিংবা কৃষ্ণের ভজন। রাধা কে বিনা শ্যাম আধা। ছিপি গলি আর শিবাজি মন্দিরের হদিস পেয়ে বিশেষ বেশ খুশিই হল, যাক সে তাহলে ঠিকঠাকই হাঁটছে।

    খুব তাড়া কিছু নেই। পথের দুপাশে দোকান দেখতে দেখতে বিশেষ ধীরেসুস্থে হাঁটতে লাগল। পাশাপাশি বেশ কিছু পুজোর ডালির দোকান। খাবারের দোকান থেকে নাকে আসছে, কোথাও শুদ্ধ ঘিউয়ের গন্ধ, কোথাও সস্তা তেলের গন্ধ। মনোহারি দোকান। কাঁচের চুড়ি, পেতলের গামলায় মেটে সিঁদুরের বিশাল পাহাড় - চূড় করে রাখা। নানান ধরনের মনকাড়া সস্তার খেলনা। অজস্র ঠাকুর দেবতার ফটো, ছোট্ট থেকে বিশাল ফ্রেমে বাঁধানো। বৈষ্ণব ভোজনালয়, শুদ্ধ শাকাহারি। বাঙালি বৌদির হোটেল। ভাত, ডাল, শুক্তো, পোস্ত, এঁচোড়ের ডালনা, চাটনি, পাঁপড় লেখা টিনের বোর্ড। প্লাস্টিকের চেয়ারে বসে খদ্দের ডাকা মানুষ। তার ফোনে মেসেজের টোন বেজে উঠতে, ফোনটা আনলক করল বিশেষ। দুটো মেসেজ এসেছে। একটা বাবা, অন্যটা “বাতাতে রহো” গ্রুপের। বাবার মেসেজটা খুলে পড়ল, “পৌঁছে গেছিস? দোকানে গেছিলাম, ফোনটা নিয়ে যাই নি। দেরি হল। তুই এখন কোথায়”?
    “ছিপি গলি পেরিয়ে হাঁটছি”।
    “কতদূর”
    “স্টেট ব্যাংকের কাছাকাছি”।
    “স্টেট ব্যাংকের কাছে? যাঃ, অনেকটা বেশি চলে গেছিস তো। পিছনে ফিরে আয়”।
    বিশেষ ঘুরে দাঁড়াল, পাশের একটা দোকানে জিজ্ঞাসা করল, “শেঠ রতনলাল ধরমশালা, কোনদিকে”?
    পেছনদিকে ফেলে আসা পথের দিকে হাত তুলে দেখালো ভদ্রলোক, “ও লাল মকান। সংকটমোচন মন্দিরকে বগলমে। আপ ছোড় কে আয়া। ব্রিজবাসী ভুজিয়াওয়ালা দুকানকা বিলকুল সামনে”।
    “সুক্রিয়া জি”। হাসল বিশেষ ।
    পিছন ফিরে আবার হাঁটতে লাগল বিশেষ। বাবার মেসেজ এসেছে, “কদ্দূর? পেয়েছিস?”
    “না ফিরে যাচ্ছি। এবার মনে হয় পেয়ে যাবো”।
    “পেলে জানাস”।
    মিনিট পাঁচেক এসে বিশেষ ব্রিজবাসী দোকানটা পেয়ে গেল, দোকানের উল্টোদিকে তাকিয়ে দেখতে পেল লাল বাড়িটা। সবুজ রঙের বিশাল কাঠের গেট ছাড়া বাড়ির দেওয়াল ধরে দোকানের সারি। সেইজন্যেই যাবার সময় চোখে পড়েনি। সবুজ গেটের ওপরে সিমেন্টের ভাঙাচোরা লেখা “শেঠ রতনলাল ধরমশালা”। ভাঙাচোরা হলেও পড়ে ফেলা যায়। বিশেষ লিখল, “পেয়েছি, গেটে ঢুকছি”। সবুজ গেটের এক পাশে উইকেট গেটটা খোলাই ছিল, বিশেষ মাথা নিচু করে ঢুকে পড়ল ভিতরে।

    দুপাশে বন্ধ দরজার একসারি ঘরের প্যাসেজ পেরিয়ে বিশেষ এসে দাঁড়াল একটা সিমেন্ট বাঁধানো উঠোনে। উঠোনের একধারে তুলসীমঞ্চ, তার ওপরে শীর্ণ তুলসীগাছ। আর শেষ প্রান্তে একটা পেয়ারা গাছ। এই বাড়ির মতোই প্রাচীন। তার সামনে বিশাল চৌবাচ্চা। বাঁদিকে একসার ঘর; সবগুলি দরজাই বন্ধ। মাঝখানে দোতলায় ওঠার সিঁড়ি।  দোতলার বারান্দায় দড়িতে শাড়ি, ধুতি, গামছা শুকোচ্ছে। কাউকে দেখতে না পেলেও ভেতর থেকে লোকজনের গলা পাওয়া যাচ্ছে। টানা বারান্দার এক কোণায় একটা তোলা উনুন। তার পাশে পোড়া কয়লার ছাই। বিশেষ গলা তুলে ডাকল, “কোই হ্যায়? হেল্লো? অন্দরমে কোই হ্যায়?”



    “সবাই এমন ঘুমিয়ে পড়ল? বাবা, ও বাবা। মা, ও মা? তিওয়ারিদা? অ্যাই তিওয়ারিদা”?
    বন্ধ সদর দরজায় মৃগাঙ্ক দুম দুম আওয়াজ আর চিৎকারে পাড়া মাথায় তুলে ফেলল। বাড়ির লোকের দোষও দেওয়া যায় না। এতো আর কলকাতা শহর নয়, রাত বারোটাতেও ট্রাম গাড়ি চলবে, টানা রিকশা নিয়ে বিহারি রিকশাওয়ালা দাঁড়িয়ে থাকবে বড়ো রাস্তার মোড়ে। রাত এগারোটা মানে, হুগলির এই প্রত্যন্ত গ্রামে মধ্যরাত।
     
    (চলবে...)
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ধারাবাহিক | ২৭ নভেম্বর ২০২৩ | ৪৬৮ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    ইঁদুর  - Anirban M
    আরও পড়ুন
    আকুতি - Rashmita Das
    আরও পড়ুন
    ** - sumana sengupta
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পলিটিশিয়ান | 2603:8001:b102:14fa:3ad4:9039:bdd0:5186 | ২৭ নভেম্বর ২০২৩ ১৭:০৩526534
  • আপনার লেখা আমার চমৎকার লাগে। হীরেনবাবু, আপনি আর সুকি, এই তিনজনের লেখা আমার কাছে খুব বড় আকর্ষণ।
  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ২৮ নভেম্বর ২০২৩ ০২:১৮526549
  • অনেকগুলো পর্ব জমা হয়ে যাওয়ার পর আবার পড়ব। তা না হলে আমার পক্ষে চাপের হয়ে যাচ্ছে। laugh
  • Kuntala | ২৮ নভেম্বর ২০২৩ ০৮:৪৮526555
  • শেষটায় খুব জমে গেল। ভালো লাগছে। অপেক্ষায় রইলাম।
  • Kishore Ghosal | ২৮ নভেম্বর ২০২৩ ১১:৩৪526564
  • @ পলিটিশিয়ানবাবু, খুব আনন্দ পেলাম আপনার মন্তব্যে। 
     
    @ সমরেশ, আরও টানবে - এই তো সবে শুরু। 
     
    @ অমিতাভবাবু, পরের কিস্তিতে দুটো করে অধ্যায় পোস্টাব, শুধু আপনারই জন্য। 
     
    @ কুন্তলাদি, আপনার মতামত - সর্বদাই প্রেরণা যোগায়। 
  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ২৮ নভেম্বর ২০২৩ ১১:৪৩526566
  • প্রিয় লেখকমশাই, শুধু আমি না, রঞ্জনদাও দাবি জানিয়েছেন। তবে আপনি যে আমার বিমর্ষতা কাটানোর জন্য উদ্যোগ নিয়েছেন এইটের জন্য অনেক ধন্যবাদ জানালাম।
  • Kishore Ghosal | ২৮ নভেম্বর ২০২৩ ১৭:৪৪526579
  • আপনার মতো পাঠক পেলে কিবোর্ড নিংড়ে বৃষ্টি ঝরাতে ইচ্ছে হয়। 
  • aranya | 2601:84:4600:5410:511:d070:f1da:75f | ২৮ নভেম্বর ২০২৩ ২১:৩১526585
  • ভাল লাগছে 
  • Kishore Ghosal | ২৮ নভেম্বর ২০২৩ ২৩:০৩526589
  • @ অরণ্য  অনেক ধন্যবাদ। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে প্রতিক্রিয়া দিন