এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  গপ্পো

  • ছুটিতে বেড়াতে যাবার অনুমতি

    upal mukhopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    গপ্পো | ২৬ নভেম্বর ২০২৩ | ২৯২ বার পঠিত
  • ব্যানার্জি আমাকে বলল, “চলুন, ছুটিতে বেড়ানোর অনুমতি নিয়ে আসি।” আমি বললাম,“ কী করে বুঝলেন?”
    —— কী?
    —— আমিও বেড়াতে যাব।
    ব্যানার্জি উত্তর দিল না। সে চশমাটা ঠিক করল আর মাস্কটা খুলে ফেলল ফলে আমি দেখেছি তার নাকের গড়নটা। সেটা বেশ খাড়া। তার ওপর ভোঁতা। তায় সেটা লম্বা। এক রকমের নাক আছে ব্যানার্জির। সেই দেখে কিছু মনে হয় না। কিছু মনে না হলে ব্যানার্জির মুখের অন্যান্য অংশের দিকে তাকাতে থাকলেও কিছু মনে হয় না।  ব্যানার্জিকে নিয়ে এই মুশকিল তাকে দেখে কিছু মনে হয় না। তার সম্পর্কে নানান তথ্য আমি দিতেই পারি তাতেও তার সম্পর্কে কিছু মনে হওয়া খুবই সম্ভবপর নয় আরকি। এরকমই একজন হল ব্যা- নার্জি। খুবই অসহায়ের মতো সে আমার কাছে এসেছিল আর বলল,“ চলুন তা হলে। যাবেন তো?  
    -------  কোথায় ?
    ------- ওই যে বললাম না ছুটিতে বেড়ানোর অনুমতি। 
    ------- ঠিক।  আমাকেও নিতে হবে। আচ্ছা কার কাছে নেব ?
    ------- বসের কাছে গিয়েছিলাম।
    ------- তারপর ?
    ------- অনুমতি দিল না। 
    ------- সেকি ? কেন ?
    ------- জানি না। 
    ------- কী বলল ?
    ------ বলল অনুমতি দিতে পারবে না। 
    ------  কেন ?
    ------ বলল পারব না। 
    -------  তবে ?
    ------- ম্যাডামের কাছে যেতে বলেছে। 
    ------- ম্যাডাম ?
    ------- হ্যাঁ। 
    ------- ম্যাডাম অনুমতি দেবেন ?
    ------- বলল ম্যাডাম অনুমতি দেন। 
    ------- কে বলল ?
    ------- বস। 
    বস আর কী কী বলল জিজ্ঞেস করিনি।  জানতাম বস ব্যানার্জীকে পছন্দ করে না। কারণ কী বোঝা যায়। ব্যানার্জি বসের থেকে ভালো ছাত্র ছিল।  বস ব্যানার্জির মতো অতো ভালো ছাত্র ছিল না। ব্যানার্জি যাদবপুর থেকে পাস করেছিল।  বস যাদবপুর থেকে পাস করেনি। ব্যানার্জি ছুটিতে ট্রেকিং যাবেই।  বস ট্রেকিং ফেকিং করে না। 
    ------

    আর সব কাজই অনুমোদন করে ম্যাডাম। সে জন্য ম্যাডাম আমাকে চেনে। ম্যাডাম বসকে চেনে। ব্যানার্জিকেও ম্যাডাম চেনে তবে আমার সঙ্গেই ম্যাডামের যোগাযোগ বেশি বলে ও আমায় ধরেছে ছুটির সময় বেড়ানোর অনুমোদন পাওয়ার জন্য যা ম্যাডাম দেবে। আমি ব্যানার্জিকে জিজ্ঞেস করলাম,“ আপনি তো যাদবপুর ?” ব্যানার্জি বলল,“ হ্যাঁ। ”
    —— ইঞ্জিনিয়ারিং ?
    —— হ্যাঁ ।
    —— এখানে কেন ?
    —— ওই পেয়ে গেলাম।
    —— বাইরে গেলে পারতেন।
    —— কোথায় ?
    —— যে কোন জায়গায়।
    —— দেশের যে কোন স্টেটে, বিদেশে।
    —— বাইরে যেতে আমার ভালো লাগে না।
    —— ছুটি পেলেই যে বেড়াতে যান ?
    —— বেড়াতে যাই না তো।
    —— তবে ?
    —— ট্রেকিং করি।
    —— ট্রেকিংও তো বেড়ানো।
    —— ট্রেকিং বেড়ানো কী ?
    —— তা হলে ট্রেকিং কী?
    —— ট্রেকিংয়ে হাঁটতে হয়।
    —— তাও তো এক ধরণের বেড়ানো।
    —— তা বলতে পারেন তবে
    —— সেটাই তো বলছি।
      ব্যানার্জি চুপ করে যায়। সে মাস্ক পরে নেয়। তার নাক দেখা যায় না। মুখের অনেকটাই ঢাকা। আমিও মাস্ক পরে নিই। দুজনে যেতে থাকি ম্যাডামের ঘরে। ছুটিতে বেড়ানোর অনুমতি নিতে। লিফট এলে ব্যানার্জিকে ডাকি। ব্যানার্জি ছুটে আসে। আমি লিফটটা থামিয়ে রাখি। ব্যানার্জি আর আমি উঠে পড়ি। লিফট ওপরের দিকে না উঠে তলার দিকে নামতে শুরু করে। একটা একটা করে তলায় লিফট থেমে থেমে যেতে থাকে। প্রতিটা তলায় লিফট দাঁড়ায় আর লোক তোলে। ব্যানার্জি বলে ,“ ব্যাপারটা কেমন হল?”
    —— কী ?
    —— ম্যাডামের ঘর তো ওপরে।
    —— তাতে ?
    —— লিফট তো নামছে তলায় ?
    —— তাতে কী ?
    —— তা হলে আমরা যাচ্ছি কোথায় ?
    —— তলায়।
    —— তলায় কেন ? আমাদের তো ওপরে যাওয়ার কথা ?
    —— তলা থেকে লিফট আবার ওপরে উঠতে শুরু করবে।
    —— ব্যাপারটা তেমন কি ?
    —— তেমনই।
    হয়ও তাই লিফট তলা অবধি নেমে আবার ওপরে ওঠে। এবারও প্রতিটা তলা থেকে লোক ওঠে , লিফট থামে, আবার চলতে শুরু করে। ম্যাডামের ঘরে পৌঁছতে অনেকটা হাঁটতে হয়। ব্যানার্জি জোরে জোরে হাঁটে আমি ওর সঙ্গে পেরে উঠি না, বলি,“ ওতো তাড়া করবেন না।” ব্যানার্জি হাঁটা আস্তে করে দেয়। আমরা দুজনে পাশাপাশি হাঁটতে থাকি। সবাই আমাদের দেখে সরে সরে যায়। কেউ কেউ নমস্কার  করে। চেয়ারে বসে থাকলে চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়ায়। তারা আমাদের বস্ মনে করে। বস্-কে আমরা বস্ মনে করি। বস্ আমাদের বস্ মনে করে না। বস্ সাধারণ গ্র্যাজুয়েট। আমি সাধারণ গ্র্যাজুয়েট । এর মধ্যে কোথা থেকে ব্যানার্জি জুটে পড়েছে। সে ইঞ্জিনিয়র। অন্য একটা দপ্তর থেকে আমাদের এখানে কাজ করতে এসেছে।
    আবার চলে যাবে কবে কে জানে। আমি বলি,“ আপনার আর এখানে কদ্দিন ? ” ব্যানার্জি হাঁটতে হাঁটতে উত্তর দেয় না। আমি আবার জিজ্ঞেস করি,“ আপনার  এখানে আর কদ্দিন ? ” ব্যানার্জি হাঁটা না থামিয়ে উত্তর দেয়,“ দেখা যাক কদ্দিন রাখে। ” আমি বলি, “ আবার আপনার জায়গায় কাকে দেবে কে জানে। সেও কি যাদবপুরের হবে ? ” ব্যানার্জি উত্তর দেয় না। এর মধ্যে ম্যাডামের ঘর এসে যায়। বিশাল ঘর। দরজা খোলা। ম্যাডামের চেম্বারের বাইরে পিএয়ের অফিস। অফিসে পিএ নেই। কেউ নেই। লিফটের সামনে সিকিউরিটি দাঁড়িয়ে  আছে, তাকে জিজ্ঞেস করি,“ ম্যাডাম আছেন তো ?” সে বলল, “ হ্যাঁ , আছেন। ” আমরা দুজনে ঘরে ঢুকে পড়ি। একটা চেয়ারে ম্যাডামের ব্যাগটা পড়ে আছে। টেবিলে ফাইল পড়ে আছে, অনেকগুলো চেয়ার  সব ফাঁকা
    পড়ে আছে, সেন্ট্রাল এসি ছাড়াও পাখা চলছে, ম্যাডামের বড়সড় চেয়ারটাও ফাঁকা। ব্যানার্জি আমাকে ফিসফাস করে,“ ম্যাডাম কোথায় ?” আমি ভালো করে দেখি - সত্যিই ম্যাডাম নেই তো। তারপর বললাম, “ নিশ্চয়ই টয়লেটে গেছেন। ”
    —— টয়লেটে ?
    —— হ্যাঁ।
    —— কিন্তু ব্যাগটা ?                                                                 
    —— যেতেই পারেন।
    —— কোথায়  ?
    —— টয়লেটে যেতে পারেন না ?
    —— তা পারেন । তবে ব্যাগটা তো রয়েছে।
    —— উনি কি ব্যাগ নিয়ে টয়লেটে যাবেন!
    —— তা ঠিক। নাও যেতে পারেন।
    —— চলুন বসি।
    —— কোথায় ?
    —— বাইরে।
    —— বাইরে ?
    —— হ্যাঁ।
    আমরা ম্যাডামের চেম্বার লাগোয়া পিএয়ের ঘরে বসে বসে অপেক্ষা করছি। ছুটিতে বাইরে যাবার অনুমতি চাওয়ার চিঠিটা দেখতে থাকি। কোন ভুল টুল আছে কিনা দেখে নিতে থাকি। ব্যানার্জিকে বলি,“ দেখে নিন।”
    —— কী ?
    —— অনুমতির চিঠিটা।
    —— কেন ?
    —— যদি ভুল থাকে।
    —— দেখে নিয়েছি।
    —— তবু দেখুন।
    আমারা দুজনে নিজেদের লেখা চিঠি দুটো বারবার পড়ে নিশ্চিত হয়ে নিই। আমি একটা ছোট ভুল বার করি তারপর ব্যানার্জিকে বলি, “ আমি কিন্তু একটা ভুল বের করেছি। ” ব্যানার্জি বলে,“ আমিও। ” আমরা ছোটখাট সব ভুল সংশোধন করে আবার চিঠি দুটো পড়ছিলাম। বার কয়েক পড়ার পর ব্যানার্জি আমাকে বলে, “ ঘরের ভেতরটা দেখলে হয় না ?”
    —— আপনি দেখুন।
    —— আমি ?
    —— হ্যাঁ।
    —— আচ্ছা ।
    ব্যানার্জি উঁকি দেয়। তার পেছন পেছন আমিও। কেউ নেই। ব্যাগটা চেয়ারে পড়ে আছে। ম্যাডামের পেল্লায় চেয়ারটা খালি। অনেকগুলো চেয়ার সব খালি পড়ে আছে। আমি বলি, “ টয়লেট সারতে এতক্ষণ !” ব্যানার্জি বলে,“ টয়লেটে গেছেন তো ?” আমরা আবার লিফটের সামনে দাঁড়ানো সিকিউরিটিকে জিজ্ঞেস করি।
    সে বলে ম্যাডাম ঘরেই আছে। আমরা আবার যাই - ম্যাডামকে দেখতে পাই না। আবার সিকিউরিটির কাছে যাই , লিফটের কাছে কিন্তু কোন কথা বলি না। কিছু জিজ্ঞেস করিনি। ম্যাডামের আসার শব্দ শোনার জন্য পিএয়ের ঘরে কান খাড়া করে বসে থাকি। সময় কাটে কিনা বুঝতে পারি না। হয়ত কাটে, হয়ত কাটে না। হাত ঘড়ির দিকে তাকাতে গিয়ে মনে পড়ে যায় অনেক দিন ঘড়ি পরি না। মোবাইল খুঁজতে গিয়ে দেখি কোথায় ফেলে এসেছি। ব্যানার্জিকে বলি,“ একটা ফোন করুন তো। ” ব্যানার্জি ফোন করে বলে, “ বাজছে। ” আমি ওর ফোনটা নিয়ে শুনি ওটা বেজেই চলেছে। বেজেই চলেছে। এই ভাবে বুঝতে পারি সময় কাটছে। সময় কেটে যেতে থাকে। আমি বলি,“ মোবাইলটা কেউ তুলছে না কেন ? ” ব্যানার্জি বলে ওটা আপনার চেম্বারেই পড়ে আছে। তুলবে কে?”
    —— অন্য কোথাও পড়ে যায় নি তো ?
    —— নানা, তা হবে কেন ?
    —— হলে ?
    —— নানা, আপনার ঘরেই আছে।
    —— কোথায় ফেললাম কে জানে। একটু জল খাই।
    এইভাবে  দুজনে ভুলে যেতে থাকি ম্যাডামের ঘরে আমরা কেন এসেছি। দুজনে জল খাই। জল খেতে গিয়ে ব্যানার্জি খানিকটা  জল উল্টে ফেলে। আমি বলি, “ এটা কী করলেন? দিলেন তো কার্পেটটা ভিজিয়ে! ”
    —— কার্পেট কোথায় পেলেন!
    —— তবে ?
    —— আগে কার্পেট ছিল এখন নেই।
    —— ও।
    এই সময় ম্যাডাম বাইরে থেকে চেম্বারে ঢুকতে গিয়ে আমাদের দেখতে পায়, বলে, “ তোমরা কখন এলে ? সার্ভার রুমে গিয়েছিলাম। ভেতরে এসো।” ম্যাডাম হেঁটে যেতে গিয়ে জলের ওপর দিয়েই যেতে থাকে। একদিন কার্পেট ছিল  এখন এমন টাইলস্ বসানো যে জলের ওপর দিয়ে হেঁটে গেলেও বোঝা যাবে না। ম্যাডামও বোঝে না জল পড়ে গেছে। পেছন পেছন আমরা ঢুকি অভ্যাসবশত পা টিপে টিপে। কেউই পেছলাই না। আমরা ভেতরে গেলে আরাম করে চেয়ারে বসে ম্যাডাম বলে, “ বলো।”
    —— ছুটিতে বেড়ানোর জন্য আপনার কাছে এসেছিলাম।
    —— এই ব্যাপার, ছুটিতে বেড়াতে যাবে যাও। আমিও তো যাচ্ছি।
    এই বলে ম্যাডাম সই করে দেয়। আমি ব্যানার্জিকে বলি, “ আপনারটা দিন । ” ব্যানার্জি বলে,“ এই একটু ট্রেকিং আরকি।”
    —— ট্রেকিং ?
    —— ছুটিতে যাব আরকি।
    —— তাই বল, বেড়াতে যাবে।
    —— নানা, ট্রেকিং।
    ম্যাডাম সই করে দেয়। আমি ব্যানার্জির  দিকে তাকাই। যদিও মাস্ক পরা, আমি স্পষ্ট ওর নাক দেখতে পাচ্ছিলাম। বেশ খাড়া অথচ ভোঁতা, তার ওপর লম্বা। দেখতে পেয়েও আমার  অন্যবারের মতো এবারও কিছুই মনে হয় না। ব্যানার্জিও আমার দিকে তাকিয়েছিল। তারও আমাকে দেখে কিছু মনে হয় বলে মনে হচ্ছিল না। এর কারণ হল আমরা দুজনেই সেদিন  ছুটিতে বেড়াতে যাবার অনুমতি নিয়ে এসেছিলাম ম্যাডামের কাছ থেকে।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • গপ্পো | ২৬ নভেম্বর ২০২৩ | ২৯২ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    আকুতি - Rashmita Das
    আরও পড়ুন
    ইঁদুর  - Anirban M
    আরও পড়ুন
    ** - sumana sengupta
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • দীমু | 182.69.183.67 | ২৬ নভেম্বর ২০২৩ ০১:০৭526496
  • laughlaugh​​ রমানাথ রায়ের লেখা মনে পড়ে যায় 
  • | ২৬ নভেম্বর ২০২৩ ১১:৫১526499
  • হ্যাঁ রমানাথ রায়। 
     
    ভাগ্যিস আমাদের চাকরিতে অনুমতি নিতে হয় না। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে প্রতিক্রিয়া দিন