এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  অন্যান্য

  • ও চাঁদ! সামলে রাখো

    ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়
    অন্যান্য | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ৮৩৩ বার পঠিত

  • মোটের ওপর চন্দ্রদেব এখন মহাজাগতিক বিশ্বের কসমিক সেলিব্রিটি। পেজ থ্রি পুরো কাঁপিয়ে দিয়েছেন। চন্দ্রযানে চেপে মিডিয়ার মেগা প্রজেক্ট এখন চাঁদের বাড়ি অভিযান। paparazziরা এবার সোজা ধাওয়া করেছে টিম নিয়ে। আর কোনো ছাড়ানছেড়েন নেই। চন্দ্রদেব সেখানে বসে বসে ঠিক কী যে করে তা দেখবে, শুনবে আর জানবে বলে। সে পূর্ণিমার আলোয় বসে পা ছড়িয়ে রোমান্টিক কবিতা লেখে না জাল নোট ছাপে? না কী অমাবস্যার অন্ধকারে মেয়েদের ফুঁসলিয়ে প্রেম করে না ড্রাগ পেডলিং করে? চাঁদ বা সোম হয়ত সেখানে বসে illicit সোমরস বানাতে বানাতে মশগুল হয়ে থাকে দ্রাক্ষারসের মদিরায়। সব খোঁজ নেবে ওরা। এমনিতেই অনেক allegations চন্দ্রদেবের বিরুদ্ধে। অনেকগুলো বিয়ে। illegitimate বাচ্চাকাচ্চা। সব মিলিয়ে এই মিডিয়া কাভারেজ আবশ্যক ছিল। সেবার তো জুভেনাইল কোর্টে ছাড় পেয়ে ধরাকে সরা জ্ঞান করেছিল সে। অত্তটুকুনি একটা নাবালক কিশোর। পড়তে এসেছিস গুরুগৃহে আর সেখানে গিয়েই গুরু বৃহস্পতির বৃদ্ধস্য তরুণী ভার্যাকে নিজের রূপে পাগল করে দিলি? গুরুও আবার তাঁর পাঠশালার সবচাইতে মেধাবী ছাত্রটিকে বেশি বকাঝকা করেন নি। বোঝেন সব কিছু। বেস্পতির রূপসী বৌ তারা যে উপোসী ছারপোকা। পাঠের অবকাশে স্ত্রী তারার সঙ্গে তাঁর ছাত্র চন্দ্রের ফষ্টিনষ্টি তিনি যেন দেখেও দেখেন না। তাই বলে সোজা শয়নকক্ষে? তাও ঠিক ছিল। তারাও তো ভালোমন্দ রেঁধে ছেলেটিকে সিডিউস করতেও ছাড়েনি। সব জানেন গুরুদেব। মুশকিল হল তারার পেটে চন্দ্রের ঔরসে সন্তান এসে যাওয়ায়। তিরস্কার করবেন ভেবেও দৈত্যগুরু শুক্রাচার্যের কথায় সে যাত্রায় ক্লিন চিট দিয়েছিলেন বৃহস্পতি নিজেই। গ্রহকুলে লোকলজ্জার ভয়ে। মানেয় মানেয় ওদের অবৈধ সন্তান কে মেনে নেওয়া ছাড়া কীই বা করার ছিল? তারা আর চন্দ্রের পুত্রটি যে আরো মেধাবী, আরো সুদর্শন। মায়া হয় তাঁর বুধকুমার কে দেখলে। নিজে তো সন্তান দিতে পারেন নি। অতএব প্রিয় শিষ্য চন্দ্র যখন সে কাজ সেরেই দিয়েছে সেই বুধ কে প্রতিপালনের দায়িত্ব নিয়েই ফেললেন বেস্পতি। আর চন্দ্র? সে তো সেই অবকাশে শিশুটির দায় এড়িয়ে দিব্য গুরুগৃহ ছেড়ে তখন ছোঁকছোঁক করছে দক্ষের ঘরের আশেপাশে। উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে কারণ দক্ষের সাতাশজন সুন্দরী কন্যা রয়েছে। তার মধ্যে রোহিণীর সঙ্গে একটু বেশিই যেন দহরম মহরম তার।

    সবাই মিলে ছোট থেকে ছেলেপুলে কে প্যাম্পার করলে এমনি হয় বুঝি। সেই কোন শৈশবকালে বিষ্ণুর বরে একবার ইন্দ্রের আসন টলমল করে চন্দ্র পেয়েছিল দেবলোকের অধিকার। ব্যাস মাথাটা ঘুরে গেল পুরো। তড়িঘড়ি রাজসূয় যজ্ঞের আয়োজন করে ফেলে এক্কেবারে দেবতার পাসপোর্ট হাতে নিয়ে সে রেডি। এরে কয় দাপট। নয়ত সপ্তাহের শুরু তাকে দিয়ে হয়? বাবা ডাকতেন বিধু, মা ডাকতেন সোম। তা এহেন গুণধর, রূপবান পুত্রের সোজা প্রবেশাধিকার কসমিক বিশ্বের নবগ্রহ নামের এলিট ক্লাবে হবে না তো কী? শুধু কী তাই? নবগ্রহ স্তোত্র থেকে পুজো নেবার অধিকার বাগিয়ে সোজা চন্দ্রমন্দিরে একেবারে ভগবানের আসনে।

    আবার বিধাতাপুরুষ যাকে যখন দেন তখন যেন ছপ্পড় ফুঁড়ে দেন। চন্দ্রকেও দিয়েছেন অঢেল রূপ। আমাদের সেই মাধ্যমিকের অত্রিমুনি? মানে সপ্ত ঋষির একজন আর তাঁর স্ত্রী রূপসী অনসূয়া মানে সেই যাকে দেখে রাম-সীতা-লক্ষ্মণের মনে হয়েছিল "মূর্তিমতী করুণা কি শ্রদ্ধা উপস্থিতা" তাঁদের পুত্র এমন হবে নাই বা কেন? আর হ্যান্ডসাম, এলিজিবল ব্যাচেলারের চাহিদা সর্বত্র। তাই কসমিক জগতের মেয়েরা যেন সবাই ফিদা আর গুণমুগ্ধ চাঁদের। সেই ফাঁকে দক্ষের মেয়েদের তো পটিয়ে পাটিয়ে ঘরে তুলেছিলই সে। মেয়েগুলোও তেমনি। সোনারচাঁদের রূপসাগরে ডুব দিয়ে সবাই হাবু আর ডুবু।

    বাকি ছাব্বিশজন তো বারবার পতিগৃহ ছেড়ে পিতৃগৃহে আসা যাওয়া করেছেই। দক্ষকে নালিশ করেছে চন্দ্রের নামে। রোহিণী কেন একাই স্বামীসুখ পাবে? আমরা কী বানের জলে ভেসে এসেছি? মরো এবার। দক্ষ শত চেষ্টা করেও হালে পানি পান নি। অবশেষে রণে ভঙ্গ দিয়েছিলেন দক্ষ শ্বশুর। শুধু জামাতা চন্দ্র ভীষণ অবাধ্য হওয়ায় ভয়ানক ক্রোধে দক্ষের অভিশাপে যক্ষ্মা রোগ মুক্তি দেয়নি চন্দ্র কে। তবুও কুছ পরোয়া নেই। ছাব্বিশজন মেয়ের অসহায়তা দেখে দক্ষ অভিশাপও ফিরিয়ে নিয়ে বলেছিলেন "ঠিক আছে, ঠিক আছে, আমার কথার অন্যথা হবেনা। একপক্ষে চন্দ্র ক্ষয়প্রাপ্ত হবে আর পরের পক্ষে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়ে আগের রূপ পাবে" মানে শ্যামও রইল, কুলও রইল। আলো রইল, আঁধারও রইল। অভিশাপ দিলাম আবার ফিরিয়েও নিলাম। হিম্মত নেই মেয়েগুলোর বাপের। আর চন্দ্র তখন মুখটিপে হাসছে আর ভাবছে...ঢোঁড়া সাপের আবার বিষ!

    "যাই বলুন আপনি শ্বশুরবাবা, রোহিণীই আমার শুক্লপক্ষ আর বাকী ছাব্বিশজন কেষ্টপক্ষ"
    জ্যোতিষশাস্ত্রে লগ্নে চাঁদ থাকলেই বুঝি সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হয় লগনচাঁদা রা। চাঁদেরও তেমনি। তাই চন্দ্র থামতে শেখেনি। তার ঠিকুজির জোরে যক্ষ্মা তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে আবারো সে আগের রূপে স্বমহিমায় বলীয়ান।

    শুনেছি মেয়েরা হয় পুরুষের হেড টার্নার। তাই বলে একজন পুরুষও মেয়েদের মাথা ঘুরিয়ে দেবে? ঠিক তাই।

    তার রূপের ঘনঘটায় নয় নয় করে ন'জন দেবতার বউয়েরা প্রেমে পড়েছে চন্দ্রের! নারায়ণের স্ত্রী লক্ষ্মীও এঁদের দলে।

    মেয়েদের জিগ্যেস করলেই বলে, সে কিনা কুরু ও পাণ্ডব দুই বংশেরই আদিপুরুষ। তার নামেই তো চন্দ্রবংশ। সে কী যে সে লোক! তাকে নিয়ে সর্বকালীন আদিখ্যেতা তো হবেই। গোলেবাকুলির গপ্পো হলেও চাঁদ স্বয়ং বিশ্বাস করে যে অমৃতমন্থনের অমৃত আসলে চাঁদেরই আলো। অমৃতের আধার তো আসলে চাঁদই। যার নাম অমৃতকুম্ভ। আর মোহময়ী সেই জ্যোত্স্নাই তো সবকিছুর মূলে। যতই লোকে বলুক ক্ষীরসাগরের ভালো ভালো সবকিছুই আসলে অমৃত বা এলিক্সির অফ লাইফ। নাহ! দেব ও দানবের অমৃত মন্থনের দ্বিতীয় দফায় প্রথম উঠেছিল চাঁদ। সেই চাঁদকে মাথায় তুললেন যে স্বয়ং দেবাদিদেব মহাদেব। বাসুকি সাক্ষী এসবের। চন্দ্রশেখর হলেন মহাদেব আর চাঁদকে লাই দিয়ে মাথার জটায় তুলেই হল যত বিপত্তি। আবারো প্যাম্পারড হল সে।

    চন্দ্র ওরফে চাঁদ হয়ে গেল সেলেব। এক ধর্মে তার কমা বাড়ায় পূর্ণিমায় সত্যনারায়ণ পুজো হবে। অন্য ধর্মে দ্বিতীয়ার চাঁদ দেখে কেউ রোজা রেখে ঈদ পালন করবে। মাসের পনেরোদিনে পনেরোটা তিথি! অমুক চতুর্থী, তমুক একাদশী। কেউ আবার ধ্বজায় বয়ে বেড়াবে। তার বাড়া কমায় নদীতে জোয়ারভাটা খেলবে। মানুষের শরীর রসস্থ হবে। তার হ্রাস বৃদ্ধিতে মনের অসুখ থেকে বাতের ব্যথা বাড়বে কমবে। এই একজন লুনার মাফিয়ার জন্য এতকিছু। সে একাই একশো।

    আজ সেখানে আদ্যোপান্ত ল্যাবরেটরি সাজিয়ে বসেছে মিডিয়া। মানে প্রজ্ঞান অ্যান্ড কোম্পানি। সেখানে এখন কোয়ালিটেটিভ অ্যানালিসিস চলছে সর্বক্ষণ। সল্টের কালার, ওডার, নেচার, টেক্সচার, সলিউবিলিটি সব মাপতে ব্যস্ত তারা সদলবলে।

    দশটি সাদা ঘোড়ায় টানা সুসজ্জিত রথে চড়ে রোজ সে জমিদারি স্টাইলে সেজেগুজে সান্ধ্যভ্রমণে বের হয় যে। আর সেই ফাঁকে একটু একটু করে ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানীদের ডেটাবেস থইথই করতে থাকে। কত রসদ চাঁদের সে জমিদারিতে। কত অজানা রসায়ন সেখানে।


    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক।
  • অন্যান্য | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ৮৩৩ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    শপথ  - Prolay Adhikary
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ভজন দত্ত | 2405:201:9006:1828:1d5d:bdf7:bd4:726d | ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৯:৪১523808
  • খুব ভালো লাগলো। শ্রীময়ী লক্ষ্মী -ও, ভাবা যায় না!  দারুণ !
  • Ranjan Roy | ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৮:৪৮523816
  • "পড়তে এসেছিস গুরুগৃহে আর সেখানে গিয়েই গুরু বৃহস্পতির বৃদ্ধস্য তরুণী ভার্যাকে নিজের রূপে পাগল করে দিলি"?
    "যাই বলুন আপনি শ্বশুরবাবা, রোহিণীই আমার শুক্লপক্ষ আর বাকী ছাব্বিশজন কেষ্টপক্ষ" !
     
    --ফাটাফাটি লেখা।
    একেবারে চাঁদ চাঁদনি চন্দ্রধর,
    চন্দ্রকান্ত নাকেশ্বর!
  • Samaresh Mukherjee | ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৪:০৯523831
  • দারুণ রম‍্যরসময় লেখা - পড়ে খুব আনন্দ পেলাম - মুড ফেরেশ হয়ে গিল। শুধু রবিবাবু‌ই নয়, টলি ও বলিউডের গীতিকার‌রাও চাঁদুদার দৌলতে পেচুর পেনের কালি খরচ করেছন, গায়ক গায়িকা‌রা গেয়েছেন চন্দ্রময় গান, নায়িকা তার চাঁদমুখের প্রশংসা শুনে গাছের পাশ থেকে উঁকি মেরে আধো আধো হেসেছে‌ন, নায়ক বোকা বোকা মুখে বিধুমুখীর পিছা করেছেন, প্রেক্ষাপটে বেজেছে … চৌধবী কা চাঁদ হো, চাঁদ সা মুখরা, ম‍্যানে পুছা চাঁদসে  …. ইত‍্যকার অসংখ্য গান - যা দিনের বেলা অথবা অমাবস্যা‌র রাতেও প্রাতঃ বা সান্ধ্য পদচারণায় আজো মন ভরিয়ে দেয় আমার। বেঁচে থাক চাঁদুদা গানে, মনে, সুললিত লেখনী‌তে …
  • ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় | 42.110.139.179 | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৫:০৬523844
  • সবাইকে অজস্র ধন্যবাদ লেখাটি পড়ে সুচিন্তিত মন্তব্য জানানোর জন্য।  
  • Kishore Ghosal | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১১:৪১523873
  • "চাঁদের আশায় নিভায়েছিলাম যে দীপ আপন হাতে", সেই দীপ নেভানোতে কত যে পরিবেশ সংরক্ষণ। 
    "চাঁদ হেরিছে চাঁদ মুখ তার, সরসীর আরশিতে " সে সরসী এখন ভরে উঠেছে কচুরিপানায় - বেচারা  চাঁদ - কোথায় মুখ দেখবে? - কেন প্রজ্ঞান থেকে পাঠানো ছবিতে...
     
    বেশ মজার দারুণ লাগল।    
  • :|: | 174.251.161.181 | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২০:৪৫523887
  • সোমদেব কিন্তু সমুদ্র থেকে সরাসরি সোমনাথের মাথায় গিয়ে ওঠেননি -- যদ্দুর জানি। দক্ষের অভিশাপ যখন ফলতে শুরু করলো তখন বিলীন হয়ে যাবার আগে ক্ষীণ চন্দ্র শিবের শরণ নিলেন। সেই জন্যে মহাদেবের জটার অই চাঁদ পূর্ণচন্দ্র নয়। কৃষ্ণ চতুর্দশীর চাঁদের মতো। প্রত্যেক কৃষ্ণ চতুর্দশীই শিবরাত্রি আর ফাল্গুন মাসেরটি মহাশিবরাত্রি। শিব আর চন্দ্র শুধু দুজনের সম্পর্ক নিয়ে প্রচুর গল্প। আফটার অল, শিব হলেন ফার্স্ট ইয়োগা গুরু এভার। আর যোগ মানেই "চিত্তবৃত্তি নিরোধ" -- আমি না, পতঞ্জলি বলেছেন। এখন চিত্তের কন্ট্রোলকারী দেবতাটিকে নরমে গরমে রাখতেই হবে।
     
    যাই হোক, ১৪টা নয়ের মন্তব্যে -- খুব সম্ভবত পশ্চাৎপট বলতে চেয়েছিলেন — প্রেক্ষাপটের জায়গায়। তাই না?
  • xor | 182.69.177.101 | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২০:৫২523888
  • এই লেখাটার পাতায় সব মন্তব্য , আইপি , সময় তারিখ ইটালিকে আসছে , বাগ মনে হচ্ছে। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে প্রতিক্রিয়া দিন