এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  স্মৃতিকথা

  • অভাব জয়ের স্বভাব 

    Kishore Ghosal লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | স্মৃতিকথা | ২২ এপ্রিল ২০২৩ | ৬৮৬ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  • পান্নার হাতের আঙুল এখন অনেকটাই ভালোর দিকে। ক্ষত শুকিয়ে আসছে। গতকাল অচ্যুত পান্নার ব্যাপারে মোটামুটি নিশ্চিন্ত হয়েই কলকাতা ফিরেছেন। কলকাতায় গিয়ে এবার তাঁকে বাসা ঠিক করতে হবে। শাশুড়িমায়ের পরামর্শে বানানো সোনার ফর্দ এখন তাঁর বুক পকেটে। বাসা ঠিক করে, সংসারের সব জিনিষপত্র কিনে, গুছিয়ে তিনি আবার ফিরে আসবেন, স্ত্রী ও পুত্রদের নিতে। ঠিক হয়েছে সঙ্গে যাবে সুভামাসি। নতুন বাসায় সুভামাসি মাস দেড় দুয়েক থাকলে, সোনার সংসার গুছিয়ে নিতে অনেকটাই  সুবিধে হবে। নতুন সংসারে কোলের ছেলে সামলানো, আপিসের ভাত-জল, ঘরের সব কাজ, সোনা একা হাতে সামলাতে পারবেন কেন? দুপুরে খাওয়াদাওয়া সেরে বড়দের প্রণাম করে, অচ্যুত যখন বিদায় নিলেন, তখন কথা বলার তো সুযোগ ছিল না। তবে চোখাচোখি হয়েছিল, বেশ কবার। দুজনার সেই দৃষ্টিতে ছিল নতুন এক জীবন যাপনের স্বপ্ন!        

    জামাই গতকাল চলে যাওয়াতে আজ আর তেমন ব্যস্ততা নেই। নিত্য নৈমিত্তিক বাঁধা গতের দিন শুরু হল। কিন্তু আজ সকাল থেকেই অনাদি চাটুজ্জে শরীরে ঠিক জুত পাচ্ছেন না। সুস্থ থাকলে, চিরকাল তাঁর ভোরে ওঠা অভ্যাস। আজ খুব আলস্য লাগছিল, বিছানা ছাড়তে একদমই ইচ্ছে করছিল না। শরীরটা বাগে নেই ঠিকই, অথচ কী যে হয়েছে সেটাও ধরতে পারছিলেন না। জ্বর নেই, মাথাব্যথা নেই। পেটে ব্যথা নেই, বুক ধড়ফড় নেই। শুধু একটু দুর্বল ভাব, আর হাঁটা চলা করলে, বুকে কেমন যেন হাঁফ ধরছে। সকালে মাঠে গিয়েছিলেন, যেমন রোজ যান। কিন্তু আজ বার বার তাঁকে থেমে থেমে একটু জিরিয়ে নিয়ে চলতে হচ্ছিল। জলখাবারের পর তিনি করুণাডাক্তারের কাছে গিয়েছিলেন।
     
    সব লক্ষণ শুনে তিনি খুব একটা গুরুত্ব দিলেন না, বললেন, “কথাতেই আছে, জামাইয়ের জন্যে মেরে হাঁস, বাড়িসুদ্ধ খায় মাস। জামাই এসেছিল, কদিন খাওয়া দাওয়ার একটু অনিয়ম হয়ে গ্যাস, অম্বল। ও তেমন কিছু না, কদিন নাইতে খেতে ঠিক হয়ে যাবে। দুপুরে খাওয়ার পর একটু জোয়ান আর নুন চিবিয়ে একগ্লাস জল খেয়ে নেবেন, দেখবেন অব্যর্থ দাওয়াই”।
    ডাক্তারের কথায় কিছুটা নিশ্চিন্ত হলেন অনাদি। কথাটা অন্যায্যও নয়, অচ্যুত আসাতে কদিন একটু বেশি খাওয়া দাওয়া হয়েছে বৈকি! ছেলে ছোকরাদের যে গুরুভোজন সহ্য হয়, তাঁর বয়সে আর কী সে সম্ভব? বাড়ি এসে বৌমাকে বললেন, “বৌমা, তোমার মাকে বলো তো, মা। আজ দুপুরে মাছের পাৎলা ঝোল দিয়ে দুটো ভাত খাবো, আর কিছু না”।
    বৌমা ঘোমটার আড়ালে চিন্তিত মুখে বললেন, “শরীর খারাপ নাকি, বাবা?”
    “তেমন কিছু নয়, তবে বয়েস তো হচ্ছে, মা। তাই একটু সাবধান হওয়া”। বৌমার থেকে কথাটা চাউর হতে দেরি হল না। প্রথমেই ষোড়শীবালা এসে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে সব জিগ্যেস করলেন। তাঁর অস্বস্তির কথা রাত্রেই কেন তাঁকে বলা হল না, সে কথাও বললেন। তিনি জানলে, নারকেল তেল আর কপ্পূর দিয়ে পেটে মালিশ করে দিতে পারতেন, তাতে নির্ঘাত আরাম হত। তবে করুণা ডাক্তারের ওপর সকলেরই আস্থা আছে, তিন যখন বিধান দিয়েছেন, তেমন চিন্তার কোন কারণ নেই। তবে অনাদির বেশি কথা বলতেও ভালো লাগছিল না, নিজের ঘরে গিয়ে বিছানায় তিনি টানটান হয়ে শুয়ে রইলেন।
     
    ষোড়শীবালা মণিমাসিকে বললেন, “যা তো মা, বাবার পায়ে একটু হাত বুলিয়ে দে। আর দেখিস, কেউ যেন তোর বাবাকে এখন বিরক্ত না করে”। মণিমাসি নিঃশব্দে পায়ের কাছে গিয়ে বসে, বাবার পা টিপতে শুরু করলেন। অনাদি চোখ মেলে মেয়ের মুখের দিকে একবার তাকালেন, কিছু বললেন না, মৃদু হাসলেন। কিছুক্ষণের মধ্যে অনাদি ঘুমিয়েও পড়লেন! কিশোরী মণিমাসি জ্ঞান হয়ে থেকে, এই অসময়ে বাবাকে কোনদিন ঘুমোতে দেখেনি। তারা – ছেলেমেয়েরা অসুস্থ হলে, বাবা ও মায়ের দুশ্চিন্তা, উদ্বেগ, ব্যস্ততা সে অনেক দেখেছে। কিন্তু বাবা অসুস্থ হলে, ঠিক কী যে করা উচিৎ, তার মাথায় এল না। সে নিঃশব্দে বাবার পা টিপতেই লাগল, আর বারবার বাবার মুখের দিকে তাকিয়ে বুঝতে চেষ্টা করল, বাবা সুস্থ হয়ে উঠছেন তো?

    প্রায় ঘন্টা খানেক পর, অতি সন্তর্পণে সোনা এসে ঢুকলেন। তাঁর হাতে কাচের গেলাসে ভরা অর্ধস্বচ্ছ জল। মণিমাসি ফিসফিস করে বলল, “বাবা তো ঘুমোচ্ছে। ওটা কী রে, ন’দি”?
    “মৌরি ভেজানো মিছরির জল, মা পাঠালো, বাবাকে খাওয়ানোর জন্যে”। তারপর বাবার মাথায় হাত বোলাতে বোলাতে পরম মমতায় সোনা ডাকতে লাগলেন, “বাবা, ও বাবা, বাবা?”
    অনাদি চোখ মেলে তাকালেন। ঘুম ভাঙলেও ঘোর কাটতে একটু যেন সময় নিলেন। এই অসময়ে তিনি শুয়ে আছেন! পায়ের কাছে তনু, মাথার কাছে জলের গেলাস নিয়ে বিকাশ। তিনি স্বস্তি পেলেন না, কী হয়েছে তাঁর? তিনি বিছানায় উঠে বসলেন, মণির দিকে তাকিয়ে বললেন, “আমি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, না রে তনু? শরীরটা ঠিক বাগে নেই, বুঝলি? করুণাডাক্তার বলল বটে, কিছু নয়.. কিন্তু...”
    “এটা খেয়ে নাও, বাবা। মৌরি ভেজানো মিছরির জল। পেটটা ঠাণ্ডা হবে। মা পাঠালো”। সোনার হাত থেকে গেলাসটা নিয়ে অনাদি একটা চুমুক দিলেন। ভালই লাগল, মৌরির সুঘ্রাণ আর মিছরির হালকা মিষ্টতায় তিনি তৃপ্তি পেলেন। বাকিটা লম্বা চুমুকে ঢকঢক করে খেয়ে তৃপ্তির শ্বাস ফেললেন, আঃ।
    “আরেকটু এনে দিই, বাবা?” সোনা জিগ্যেস করলেন।
    হেসে ফেললেন অনাদি, “ধুর পাগলি। এ কী পেট ভরে খাবার জিনিষ নাকি”? খালি গেলাসটা সোনার হাতে ফেরত দিয়ে বললেন, “আয়, আমার পাশে এসে বোস দেখি, মা। তনু, পায়ের তলায় কতক্ষণ থাকবি, আয় তুইও এদিকে আয়”। সোনা বিছানার অন্য দিকে বসলেন, মণিও উঠে এসে বসল দিদির পাশে। অনাদি কিছুক্ষণ বিছানার চাদরের ওপর আঙুলে আঁকিবুঁকি কেটে বললেন, “বিকাশ, এই যে তুই আর অচ্যুত ঠিক করে ফেললি, কলকাতার বাসা নিয়ে আলাদা থাকবি, সব দিক ভালো করে চিন্তা করে নিয়েছিস তো, মা?”
    সোনা কোন উত্তর দিতে পারলেন না। চিন্তাভাবনার আছে নাকি কিছু? তাঁর ছেলেদের বাবার স্বপ্ন, কলকাতায় ভালো স্কুলে ছেলেদের ভর্তি করে, তাদের মানুষ করে তুলবেন। গ্রামে থেকে সেটা সম্ভব নয়। এর জন্যে ভাবনা-চিন্তার কী আছে?
     
    অনাদি আবার বললেন, “সংসারটা বড়ো সহজ নয় রে, মা। খুব জটিল। অচ্যুত সকালে নাকেমুখে গুঁজে আপিস বেরিয়ে যাবে। আর তুই সারাটা দিন একলা ঘরে, দুই ছেলে নিয়ে, ঘরের কাজকর্ম সব সামলাতে পারবি তো? কলকাতার রাস্তাঘাট কিন্তু আমাদের এই গাঁ ঘরের মতো নয়। গাড়ি, ঘোড়া, উটকো লোকজন, ধড়িবাজ, ফেরেব্বাজ। গাঁয়ে সব্বাই সবাইকে চেনে। একে অন্যের খবর রাখে। কলকাতায় কেউ কাউকে চেনে না। কারো জন্যে কারো কোন মাথাব্যথা নেই। সংসার তো শুধু সুখের হয় না, মা। সংসারে দুঃখ আসবে। দৈব দুর্বিপাক আসবে। ঝগড়া মনকষাকষি আসবে। গাঁয়ে ঘরের বড়ো সংসারে, সকলে মিলে, অনেকের সঙ্গে, সে সব সহজে পার করে দেওয়া যায়। কিন্তু একলাটি তুই, অতবড়ো শহরে সব দিক সামলাতে পারবি তো”?
    বাবার কথায় সোনার বুকটা একটু কেঁপে উঠল। মণিমাসিও যেন ভয় পেয়েছে।
    “পরশু দুপুরে অচ্যুত যখন সব কথা আমাকে বলল, আমি আপত্তি করিনি। এখনও আপত্তি করছি না। কলকাতায় বাসা ভাড়া করে, লোকে কী সংসার করছে না? বিস্তর করছে! সে ভাবেই নিজেকে তৈরি করতে হবে। ধৈর্য রাখতে হবে। একটুতেই ভেঙে পড়লে চলবে না”।
    অনাদি সোনার মুখের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলেন, তারপর আবার বললেন, “শুধু যে বিপদ-আপদ আছে তাই নয়। কলকাতায় হাজার প্রলোভন, হাজার বিলাসিতা। কত বায়োস্কোপ, কত থেটার, কতো ঝকঝকে দোকান। কত কী জিনিষপত্র, তার ইয়ত্তা নেই। বিলাসিতায় গা ভাসিয়ে, আয় বুঝে ব্যয় না করে, কতো যে সংসার, সর্বনাশে তলিয়ে গেছে – এ আমার নিজের চোখে দেখা”।
     
    অনাদি আবার কিছুক্ষণ বিরাম দিলেন, তারপর বললেন, “আমার কাছে কিচ্ছু লুকোস না, মা। অচ্যুতকে তুই ঠিক মতো বুঝতে পেরেছিস তো? তোদের মধ্যে সেই বোঝাপড়া আর বিশ্বাস রয়েছে তো? তুই নিজেকে যথেষ্ট ভরসা করিস তো? আমাদের মতো সংসারে অনেক কিছুরই অভাব থাকবে, মা বিকাশ। এই অভাবকে যারা বড়ো করে দেখে, তারা কোনদিন বড়ো হতে পারে না। কিন্তু এই অভাবকে জয় করা যাদের স্বভাব, তারা কেউ আর ছোট থাকে না। তোদের দুজনের মধ্যে সেই স্বভাব রয়েছে তো? তা নাহলে কিন্তু সবটাই মাটি”।
     
    বাবার প্রত্যেকটি কথা সোনার বুকের গভীরে বাজতে লাগল। তাঁর চোখের সামনে থেকে স্বপ্নসর্বস্ব ভারি পর্দাটা সরে গিয়ে, তার আড়ালে থাকা বাস্তব জীবনটা পরিষ্কার ধরা দিল। তাঁর মনে যেটুকু দ্বিধা আর সংশয় ছিল, সে সব কেটে গিয়ে তৈরি হল দৃঢ় প্রত্যয়। মাটিতে গড় হয়ে বসে, সোনা প্রণাম করলেন বাবার পায়ে, বললেন, “আমি পারবো, বাবা। আজ তুমি যে শিক্ষা দিলে, কোনদিন ভুল হবে না”।
    প্রসন্ন হাসিমুখে, পরম স্নেহে অনাদি কন্যার মাথায় হাত রেখে আশীর্বাদ করলেন, বললেন, “এটুকু বলতে পারি, মা বিকাশ, তোর এই দুই সন্তান, তাদের পিতৃকূল এবং মাতৃকূলের মুখ একদিন উজ্জ্বল করবেই। সেদিন আমি থাকবো না, থাকবো তোর ওই দুই পুত্র হয়ে! দেখে নিস”।

    ..০০..
        
                         
     
         
          
     

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ধারাবাহিক | ২২ এপ্রিল ২০২৩ | ৬৮৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন