এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  আলোচনা  পরিবেশ

  • নিশ্চিহ্ন হওয়ার মুখে জোশিমঠ

    বনভূষণ নায়ক
    আলোচনা | পরিবেশ | ২১ জানুয়ারি ২০২৩ | ৫১৯ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)

  • বিভিন্ন কারণে জোশিমঠবাসীদের তাদের অনন্তভূমিটি নিয়ে গর্বের সীমা ছিল না। প্রথম কথা, আদিগুরু শঙ্করাচার্য প্রতিষ্ঠিত ভারতবর্ষের চারটি জ্যোতির্মঠের প্রধানতমটি হল জোশিমঠ। প্রাচীনকাল থেকেই এটি সুবিদিত। অন্য তিনটি অবস্থিত হরিধাম, দ্বারকা ও শৃঙ্গেরিতে। তা ছাড়াও জোশিমঠ হল বদ্রীনাথ ধাম ও শিখ তীর্থক্ষেত্র হেমকুণ্ড সাহিব-এর প্রবেশদ্বার । অধিকন্ত, শীতকালে বাবা বদ্রীনাথ (বিষ্ণু) ভগবান নরসিংহ রূপে জোশিমঠের নরসিংহ মন্দিরে অধিষ্ঠান করেন। স্বভাবতই জোশিমঠ শহরের গুরুত্ব অসীম। শ্রদ্ধালু জনগন জোশিমঠকে সেভাবেই দেখে থাকেন। তদুপরি সীমান্ত এলাকায় অবস্থিত উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশী, ধরচুলা, মুনসিয়ারি ও জোশিমঠের মধ্যে জোশিমঠই সর্বাপেক্ষা স্পর্শকাতর এলাকার মধ্যে পড়ে। কারণ ভূমি দখলে আগ্রাসী চিন-এর এলাকা থেকে জোশিমঠের দূরত্ব মাত্র ১০০ কিলোমিটার। এবং প্রায়ই তাদের অকারণ হামলার সামাল দিতে ভারতীয় সেনা বাহিনীকে তৈরি থাকতে হয়।

    এমন এক সময় হঠাৎ করে জোশিমঠ শহরের সর্বত্র বীভৎস আকারের ফাটল দেখা দেওয়ায় প্রশাসনের মাথায় হাত। আসলে মাথায় হাত দেওয়া প্রশাসনের কাছে এক প্রকার লোক-দেখানো অজুহাত ছাড়া অন্যকিছু নয়। এমনটা যে কোন একসময় ঘটতেই পারে তা তারা বিলক্ষণ জানতেন।

    জোশিমঠ শহরের নড়বড়ে অবস্থান ও তার উত্তরোত্তর বৃদ্ধি নিয়ে সতর্কবার্তা বহু বছর পূর্ব থেকেই জারি ছিল। কিন্তু না প্রশাসন, না স্থানীয় জনগণ, না রাজনীতিবিদ কেউই সে সতর্কবার্তায় প্রভাবিত হয়নি। বিন্দুমাত্র কর্ণপাত করেনি। ১৯৭৬ এ সব দিক খতিয়ে দেখে মিত্র কমিশন এক বিস্তারিত রিপোর্ট পেশ করে। তাতে বিশেষভাবে বলা হয়, কোনো বড়োসড়ো নির্মাণের কাজ নেওয়ার উপযোগী নয় জোশিমঠ ও তার আশপাশ। ওই এলাকায় অরণ্যভূমি বিনষ্ট করা বা জলবিদ্যুৎ প্রকল্প কোনো কারণেই হাতে নেওয়া যাবে না। সে সতর্কবার্তাকে কোনো পক্ষই গুরুত্ব দেয়নি।

    আরও দুর্ভাগ্যের ব্যাপার, পুরনো জোশিমঠের ছোট্ট পরিসর বাড়তে বাড়তে সহসা এক ভয়াবহ আকার নেয়। তার কারণ ততদিনে শহরটি রোজগার এর স্বর্ণখনি হয়ে ওঠে। পুরনো শহরটি মূলত জ্যোতির্মঠের চিহ্নিত বলয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল পরে যা গড়ে ওঠে তার পুরোটাই যে এক ভূমিধস এর উপর নির্মিত হচ্ছে তা কেউই খোঁজ করে দেখেনি। তখন সেভাবে পরিষেবা বা নজরদারিও চালু হয়নি। ফলে কয়েকটা পাথর ফেলে বৃহৎ অট্টালিকা সঠান সামনে দাঁড়িয়ে গিয়েছে। কেউ বলার বা দেখার ছিল না। মিত্র কমিশনের কাছেও সব গল্প জমা পড়েনি। সুতরাং প্রায় পঞ্চাশ বছর পর (১৯৭৬-র পর) বর্তমানে যা ঘটছে তা বহুকাল পূর্বেই ঘটার কথা ছিল। ঠিক একই জিনিস ঘটেছে কেদারভূমির ছোট্ট এক টুকরো জমিতে। যাকে ২০১৩-র মহা বিপর্যয় বলে প্রশাসন স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে। এরই মধ্যে একটা আলগা খবর হল, কর্ণপ্রয়াগ ও রুদ্রপ্রয়াগেও নাকি ছোটো মাপের ফাটল দেখা দিতে শুরু করেছে।
    একটা গোটা শহর আচমকা মাটিতে বসে যাচ্ছে বা ভূগর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে এর তো একটা কারণ থাকবে। মূল কারণ হলো ভূমি।দুর্বল ভূমিকে নিজেদের আখের গোছাতে দিনের পর দিন দুর্বলতর করার প্রক্রিয়া চলে আসছে বহু বছর ধরে। মুখ তুলে কথা বলার কেউ নেই। এমন দেদার সুযোগ কেউ হাতছাড়া করে? করেনি কেউই -ই। সত্যি বলতে কি সারা শহরের জল নিকাশি ব্যবস্থা বলে কোথায় কিচ্ছু ছিল না। খোলা নর্দমা দিয়ে এনতার নোংরা জল বেরিয়ে হুড়মুড় করে গড়িয়ে পড়ত। পরার জায়গা বলতে সেই মা অলকানন্দা। এ ছাড়াও ভূগর্ভস্থ জল ফাঁকফুকর পেলেই মাটির উপর উঠে আসতো। তার প্রভাবে কখন যে ভূমির তল দেশ ধীরে ধীরে ফোঁপড়া হয়ে পড়ছিল কেউ নজর করে দেখেনি – যাদের দেখার কথা তারাও না ।ওই নড়বড়ে ভূমিতে গড়ে উঠেছে দালানবাড়ি, হোটেল ও বৃহৎ ইমারত।
    অনেকেই এন.টি.পি.সির সুড়ঙ্গ খনন করতে মহুর্মুহ ডিনামাইট ফাটানোকে ভূমিধস এর জন্য দায়ী করছে, যদিও তা প্রমাণিত হয়নি। সারা শহরের প্রতিটি ঘরে বিভিন্ন ধরণের ফাটল যার মধ্যে সেনা ছাউনি বর্তমান।সাধারণ মানুষ জোশিমঠ কে কেবল বদরিনাথ ধাম ও হেমকুন্ড সাহিবের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে। তারা জানেই না, সীমান্তের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে জোশিমঠ এর গুরুত্ব অপরিসীম। সীমান্তে সময় মতো সরবরাহ জারি রাখতে প্রয়োজন পড়ে উপযুক্ত রাস্তার। তাই করতে গিয়ে কেন্দ্র সরকার চারধাম প্রকল্পের নামে এক্সপ্রেস ওয়ের ধাঁচে জাতীয় সড়ক বানানোর কাজ হতে নিয়েছে। তাই-ই শেষ পর্যন্ত হয়ে উঠেছে মূল বিপদের কারণ।কারণ সেই ভূমি। হিমালয়ের শিবালিক ও নিম্ন হিমালয় অঞ্চল( যা চারধাম প্রকল্পের মধ্যে পড়ে) যথেষ্ট পলকা।ওই ভূমি বৃহত পথনির্মানের জন্যে উপযুক্ত নয়।করলেও নিখুঁত হোমওয়ার্ক করতে হয়। এলাকার মানুষজনের ধারণা কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করেই কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে প্রশাসন।ফলে বিস্তর বিপদ দেখা দিতে শুরু করেছে।
    প্রবল আপত্তি সত্ত্বেও সাধারণ মানুষ শহর খালি করতে বাধ্য হচ্ছে, বিশেষ করে জোশিমঠ কে বসবাসের অযোগ্য ঘোষণা করার পর। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সাধারণ মানুষের সামনে আসছেন না, যা করার পুলিশ ও আমলারাই করছেন। মানুষ চায় ক্ষতিপূরণ।সরকার সম্মত হলেও কবে কি পরিমান ক্ষতিপূরণ হাতে আসবে তা নিয়ে ধন্দে জনগণ।
    তবে পরপর কমিটি গড়ে আলোচনা চলছে- কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মধ্যে। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ও নাকি সহযোগিতা করতে প্রস্তুত বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু তা থেকে কি সিদ্ধান্ত উঠে এল তা জানার কোনো উপায় নেই। শুধু অপেক্ষায় আছেন সাধারণ জনতা- তবে তা উঠে দাঁড়ানোর না তলিয়ে যাওয়ার সেটা তাদের কাছে এখনও পরিষ্কার নয়।
    এরই মধ্যে আচমকাই এক সংবাদ বিস্ফোরণ ঘটলো ১৪ই জানুয়ারি সামনে এলো মত যোশীমঠ সংক্রান্ত এক তাজা ও ভয়ঙ্কর খবর। ইসরোর উপগ্রহ চিত্র থেকে জানা গেছে ২৭ ডিসেম্বর( ২০২২) থেকে ১৮ জানুয়ারি (২০২৩) পর্যন্ত মাত্র ১২ দিনে যোশীমঠের জমি বসেছে ৫. ৪ সেন্টিমিটার। স্যাটেলাইট চিত্র থেকে পরিষ্কার যে যোশীমঠ - আউলি রোড দ্রুত ধসে যাবে। তার অর্থ হল যোশীমঠ শহরের এক বিশাল অংশ ভেঙে অলকানন্দায় গড়িয়ে পড়া সময়ের অপেক্ষা মাত্র। পুরোপুরি না হলেও আড়াই হাজারের মধ্যে দুহাজার ঘরের মানুষজন ইতিমধ্যে নিরাপদ আশ্রয়ের সরে গিয়েছে - এটাই রক্ষে।
    কিভাবে বা কার মদতে এমন দুর্বল ভূখণ্ডে পাঁচ সাত তলার হোটেল গড়ে উঠেছে তা নিয়ে রাজ্য সরকার নিরব। সেসব ভেঙে ফেলতে নয়ডার টুইন টাওয়ার খসিয়ে ফেলার মাথা সেন্ট্রাল রিসার্চ ইনস্টিটিউটের বেনী প্রসাদ কানুনগোকে আনা হচ্ছে। কারণ জেসিপি দিয়ে ভাঙতে গেলে নিচের ধাপের বাড়িঘর ধূলিসাৎ হয়ে যেতে পারে।
    অর্থাৎ ছবিটা স্পষ্ট সরকারের কোন প্রয়াস ই আর সফল হওয়ার নয়। অযথা এনটিপিসির তপবন বিষ্ণু গর জলবিদ্যুৎ প্রকল্পকে বিভীষণ ঠাওরানর অর্থ নিজেদের অপরাধ ঢাকতে তৎপর হওয়া সেটাই ঘটে চলেছে বহু বছর ধরে। এক অসৎ ও অসাধু চক্রের ফাসে পড়ে শহরটা অনেকটা অনেক আগেই ডুবতে বসেছে।
    দুর্ভাগ্যের বিষয়টা হলো এমন একটা প্রাচীন ঐতিহ্যমন্ডিত ও ইতিহাস প্রসিদ্ধ ধর্মীয় স্থানের এ হেন দুরবস্থা চিন্তার অতীত হয়ে থেকে যাবে হয়তো - বা আরো দুর্ভাগ্যের ব্যাপার হলো ইসরো প্রদত্ত খবরটা বেমালুম ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা শুরু হয়ে গিয়েছে। কী বলবেন আপনারা?

  • আলোচনা | ২১ জানুয়ারি ২০২৩ | ৫১৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সন্তোষ কুমার বন্দোপাধ্যায় | 2401:4900:7083:262d:7ce7:9fd5:97f:469f | ২১ জানুয়ারি ২০২৩ ১৮:৩৫515594
  • একজন, শুধু মাত্র একটা লোক দায়ী এর জন্য!! সে হলো নরেন্দ্র মোদী!! চার ধাম রাস্তা নির্মাণের পরিকল্পনা ওনার এবং ওনার কুখ্যাত দলের পরিকল্পনা। মানুষ কে ধর্মীয় উস্কানি দিয়ে রাখা হয়েছে যে "দেখো, বিশ্ব গুরু তোমাদের আমি ভগবানের কাছে দ্রুত পৌঁছে দেবার কি সুন্দর ব্যাবসথা করছি, তোমাদের রামের জন্মভূমি দিয়েছি, এবার চার ধাম দোবো""!!! এই নির্বুদ্ধিতার ফল হলো একটি ঐতিহাসিক এবং পৌরাণিক বসতি কে রসাতলে নিয়ে যাওয়া! আসল কাহিনী ওখানে । এর আগে যারা সরকারের দায়িত্ব পালন করেছেন অর্থাৎ কঙরেস বা অন্য অ বিজেপি দল, তারাও সমান দায়ী!! এ দায়িত্ব মোদী নামক পাষন্ড নেবে না, ওটা একটা লুম্পেন গুন্ডা সম লোক! দেশের জন্য ওর কোন মাথা ব্যাথা নেই!!
  • | ২২ জানুয়ারি ২০২৩ ০৮:১১515601
  • শ্রদ্ধালু আবার কেমন বাংলা? 
    NTPC  কে ক্লিনচিট দিতে চাওয়ার কারণ কী? ওদের সুড়ঙ্গ খোঁড়ার প্রসেসে একটা আস্ত অ্যাকুইফায়ার পুরো শেষ হয়ে গেছে। তা তার কোন প্রভাব নেই এটা কী করে জানা গেল? 
  • Parthapratim Nag | ২৬ জানুয়ারি ২০২৩ ১৭:৪০515911
  • NTPC দায়ী নয় , এটা মেনে নেওয়া গেলনা । ধ্বংসের একটা বড় কম্পোনেন্ট অবশ্যই এনটিপিসি র কাজ এর জন্য তৈরি হয়েছে ।
     
  • Subhro Bhattacharyya | ২৭ জানুয়ারি ২০২৩ ২৩:০০515972
  • অন্য একটা লেখায় পড়লাম যে NTPC সুড়ঙ্গ খুঁড়তে গিয়ে মাটির নিচের একটা জলের স্তরে ফুটো করে ফেলেছে আর সেখান দিয়ে যে পরিমাণ জল প্রতিদিন বেরিয়ে যাচ্ছে তা নাকি 20 লক্ষ মানুষের প্রতিদিনের প্রয়োজন মিটিয়ে দিতে পারত। সুতরাং NTPC দায়ী নয় বলাটা বোধ হয় ঠিক হল না। যদিও এই লেখার সত্যি মিথ্যে যাচাই করা সাধারণ মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। তবে সাধারন ভাবে সরকার এবং সরকারী কর্মকর্তা দের ভুলেই যে এই অবস্থা তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আমি সম্প্রতি শিমলা ও মানাল ঘুরে এলাম। সেখানেও যে পরিমান প্রকৃতি ধ্বংস করে ' উন্নয়ন ' চলছে, বিপদ আসা শুধু সময়ের অপেক্ষা।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন