এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  পড়াবই  প্রথম পাঠ

  • জলে কুমির, ডাঙায় বাঘ

    ঋত
    পড়াবই | প্রথম পাঠ | ১৮ ডিসেম্বর ২০২২ | ৫১৮ বার পঠিত

  • ‘‘একদা সুন্দরবন-মধ্যে ব্যাঘ্রদিগের মহাসভা সমবেত হইয়াছিল। নিবিড় বনমধ্যে প্রশস্ত ভূমিখণ্ডে ভীমাকৃতি বহুতর ব্যাঘ্র লাঙ্গুলে ভর করিয়া, দংষ্ট্রাপ্রভায় অরণ্যপ্রদেশ আলোকময় করিয়া, সারি সারি উপবেশন করিয়াছিল। সকলে একমত হইয়া অমিতোদর নামে এক অতি প্রাচীন ব্যাঘ্রকে সভাপতি করিলেন। অমিতোদর মহাশয় লাঙ্গুলাসন গ্রহণপূর্ব্বক সভার কার্য্য আরম্ভ করিলেন। তিনি সভ্যদিগকে সম্বোধন করিয়া কহিলেন…’’
    [বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, বঙ্কিম রচনাবলী, লোকরহস্য, ‘ব্যাঘ্রাচার্য্য বৃহল্লাঙ্গুল’, কলকাতা, মাঘ ১৩৬৩, সাহিত্য সংসদ]


    এ কথা সত্যি যে, সুন্দরবন, তার প্রকৃতি, তার মানুষ, তার বন্যপ্রাণ নিয়ে সাহিত্যের পরিসরে নেহাত কম আলোচনা হয়নি। যুগে যুগে কালে কালে সুন্দরবন তার সৌন্দর্য, বীভৎসতা নিয়ে হিল্লোল তুলেছে কথাসাহিত্যিকদের মধ্যে।

    বঙ্কিমচন্দ্রের ‘লোকরহস্য’-র অন্তর্গত ‘ব্যাঘ্রাচার্য বৃহল্লাঙ্গুল’ থেকেই এই প্রতিবেদনের উদ্ধৃতিটি নেওয়া হয়েছে। এসেছে সুন্দরবনের কথা ‘কপালকুণ্ডলা’তেও। অতঃপর, ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়ের ডমরু-চরিত (নিউ এজ)-এ সুন্দরবন নিয়ে গল্প শোনা যায় অন্যতম মূল চরিত্র ডমরুধরের মুখে। আছে সেখানে, যোগীন্দ্রনাথ সরকার সংকলিত বনেজঙ্গলে (সিটি বুক সোসাইটি)। বাংলা সাহিত্যের এমন ঐশ্বর্যের মধ্যে বর্তমানেও সুন্দরবন নিয়ে চর্চা চোখে পড়ে। শিশুসাহিত্যে যার সাম্প্রতিক নিদর্শন ঝুপলির মধুর বাক্স (তুলিকা বুক্‌স্‌)।

    একরত্তি মেয়ে ঝুপলি। চিন্তা তার বাবাকে ঘিরে। বাবা কখন আসবে? কেন দেরি হচ্ছে বাবার। উচাটন মন। আনমনা হয়। সন্ধে হতে চলল, এখনও আসছে না কেন? গভীর জঙ্গলে গিয়েছে ঝুপলির বাবা। মধু সংগ্রহে। সুন্দরবনের জলে কুমির-ডাঙায় বাঘ। কে না জানে। এ কথা জানে ঝুপলিও। সে জানে, বনে কত লোক যায়, তার মধ্যে অনেকেই ফিরে আসে না। কিন্তু রোজ কেন যেতে হবে বাবাকে? কেন? বাবাকে প্রশ্ন করে ঝুপলি। পায় উত্তরও। কী করা যায়? ভাবে ঝুপলি। উত্তরও মেলে। কী সেই বুদ্ধি? না, সেটা বলা যাবে না, পড়ে ফেলতে হবে অচিন্ত্যরূপের ছোট্ট বইখানি। গভীর বনে মধু আনতে যাওয়া মৌলেদের কঠিন জীবনের ছায়া পড়েছে গল্প জুড়ে। সঙ্গে অনবদ্য অলংকরণ শিবম চৌধরির। বইটি প্রসঙ্গে অমিতাভ ঘোষ লিখেছেন, ‘‘সুন্দর গল্প আর চমৎকার সব ছবিতে ফুটে উঠেছে সুন্দরবনের জীবন।’’

    ছোট্ট মেয়ে, তার মনোজগতে কীভাবে রেখাপাত করে সুন্দরবন, তার কঠিন জীবনসংগ্রাম—তার দলিল এই বই। যেহেতু বইটি শিশুদের জন্য লেখা, তাই এই বইয়ের গল্প বলার ভঙ্গি, শব্দচয়ন, ভাষার সৌকর্য নজর কাড়ে। বস্তুত, এ বিষয়ে বিশেষ দৃষ্টি দিয়েছেন লেখক। লেখক যেহেতু সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ক্ষেত্রসমীক্ষা করেছেন দীর্ঘ দিন, তাই তাঁর দৃষ্টিতে ধরা পড়েছে ‘ডিটেলিং’-এর ছায়া, শিশুপাঠ্য কোনও বইয়ে যা খুবই প্রয়োজন।

    অচিন্ত্যরূপ রায় থাকেন কলকাতায়। কাজ করেন একটি ইংরাজি দৈনিকে। মন পড়ে রয় গ্রামে। শৈশব-কৈশোরের অনেকটা সময় তো কেটেছে সেখানেই…

    ঝুপলির গল্পের ছবি এঁকেছেন যিনি, সেই শিল্পী শিবম চৌধরি থাকেন ছত্তিসগড়ে। বেশিরভাগ সময় তাঁর কাটে গাছের নীচে বসে ছবি এঁকে, অথবা ভাবনার জগতে ঘোরাঘুরি করে, কিংবা সূর্যাস্তের দিকে নির্নিমেষ চেয়ে থেকে। চারপাশের সাধারণ সব জাগতিক খুঁটিনাটি মন দিয়ে পর্যবেক্ষণ এবং আত্মস্থ করেন। ভালবাসেন জীবনের ছোট ছোট আনন্দগুলিকে উপভোগ করতে।

    ঝুপলি  অচিন্ত্যের লেখা প্রথম বই। এর আগে অনুবাদ করেছেন অমিতাভ ঘোষের উপন্যাস দ্য হাংরি টাইড, (ভাটির দেশ, আনন্দ)। সেই সূত্র ধরেই সুন্দরবনে ঘোরাঘুরি। কখনও একা, কখনও অমিতাভ ঘোষের সঙ্গে। ক্যামেরা, নোটবুক হাতে। কখনও বা সাংবাদিক হিসাবে। অ্যাসাইনমেন্টে।




    সেখান থেকেই ধীরে ধীরে চিনতে শেখা জঙ্গলের দেশ সুন্দরবনকে। যে দেশে জলে কুমির, ডাঙায় বাঘ। যে দেশে আছে বাঘ-কুমিরের সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকা সব হারানো কিছু মানুষ। ঝুপলির গল্পেও পাওয়া যায় তার অনুরণন। তাঁদের জীবন সংগ্রাম। ঝুপলির মা সকালে যে চুনোমাছ ধরেন বিক্রির জন্য, তার সবটা বিক্রি হয় না। রাতে সেই মাছেরই ঝাল ঝাল চচ্চড়ি রাঁধেন… বাবা ফিরলে সবাই মিলে খাওয়া হবে। কিন্তু কখন ফিরবে বাবা?

    বস্তুত, গত শতাব্দীর শুরুর দিকে এই কাদামাটি, বাদাবনের দেশে ‘আদর্শ সমাজ’ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন এক সাহেব। সে সময় প্রায় ৯ হাজার একর জমি কিনেছিলেন হ্যামিল্টন। ক্রমে সমবায় সমিতি, ব্যাঙ্ক, চালকল, গ্রামীণ পুনর্গঠন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন সেখানে। ১ টাকার নোটও চালু করেন গোসাবায়। গোসাবায় গেলে দেখতে পাবেন, তাঁর বাংলোটি এখনও নিশ্চুপে দাঁড়িয়ে আছে। হ্যামিল্টনের কুঠি বললে যে কেউ দেখিয়ে দেবে। একবার ওই চত্ত্বরে ঢুকে পড়লে বোঝা যায়, কী যত্ন করেই না তৈরি হয়েছিল এই বাংলো। ওই বাড়িটির সামনে দু’দণ্ড দাঁড়ালে বাদাবনের ইতিহাস যেন কথা বলে। প্রায় ১০০ বছর আগে সুন্দরবনের জঙ্গলে সমবায় আন্দোলন শুরু করেছিলেন স্কটল্যান্ডের ওই সাহেব মানুষটি। দু’দশকের চেষ্টায় ভোল বদলে দেন মাতলা নদী লাগোয়া বেশ ক’টি গ্রামের। সে সময় সাহেবের ভূমি সংস্কার ও পঞ্চায়েতের ভাবনাকে তারিফ করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং মোহনদাস কর্মচন্দ গান্ধী। ওই অঞ্চলে কীভাবে স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়ে ওই বিপুলা কাজ চলছে, তা বুঝতে গান্ধী তাঁর আপ্ত সহায়ক মহাদেব দেশাইকে পাঠিয়েছিলেন গোসাবায় হ্যামিল্টনের আবাসে। ১৯৩০ সালে হ্যামিল্টনকে একটি চিঠি লেখেন রবীন্দ্রনাথ। লেখেন তাতে: ‘I have not much faith in politicians when the problem is vast needing a complete vision of the future of a country like India entangled in difficulties that are enormous. These specialists have the habit of isolating politics from the large context of national life and the psychology of the people and of the period. They put all their emphasis upon law and order, something which is external and superficial and ignore the vital needs of the spirit of the nation…’ অতঃপর, ১৯৩২ সালের এই ডিসেম্বরেই রবীন্দ্রনাথ এসেছিলেন গোসাবায়। থেকেছিলেন বাংলোয়।[1]

    বস্তুত, হ্যামিল্টনের সেই স্বপ্নের সূত্র ধরেই লেখা শুরু হয় ভাটির দেশের নতুন ইতিহাস। অলিখিত সব বিধি-বাঁধনের উপর দাঁড়িয়ে সেখানকার সমাজ-সংস্কৃতি। ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক পিয়ালি রয় আর দিল্লির কেতাদুরস্ত ব্যবসায়ী কানাই সেখানে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে টলমল করে ওঠে সে পটভূমির সূক্ষ্ম ভারসাম্য। আস্তে-ধীরে এগোয় ভাটির দেশ-এর কাহিনি। অমিতাভ ঘোষের কলমে। এবং অনুবাদক অচিন্ত্যরূপের হাত ধরে। লেখেন তাঁরা, কানাইয়ের মাসি নীলিমা স্থানীয় এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্ণধার। নীলিমার স্বামী, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নির্মল ছিল প্রগতিশীল রাজনৈতিক মতবাদে বিশ্বাসী। ১৯৭৯ সালে মরিচঝাপির উদ্বাস্তু বিতাড়নের ঘটনার ঠিক পর পরই রহস্যময় পরিস্থিতিতে মৃত্যু হয় তার।

    গল্পে আছে, পিয়া সুন্দরবনে এসেছে সেখানকার বিরল প্রজাতির ডলফিনদের বিষয়ে গবেষণার জন্য। তার পথপ্রদর্শক স্থানীয় জেলে ফকির। নদীখাঁড়িতে ঘোরাঘুরির সময় পিয়ার দোভাষীর কাজ করে দেওয়ার জন্য তাদের সঙ্গ ধরে কানাই। আর তার পরেই ঘুরতে শুরু করে কাহিনির স্রোত। মহাকাব্যপ্রতিম এই উপন্যাসে আঠারো ভাটির দেশের জীবন আর প্রকৃতি, ইতিহাস আর লোকপুরাণকে জীবন্ত চেহারায় উপস্থিত করেছেন অমিতাভ ঘোষ। অচিন্ত্য অননুকরণীয় গদ্যে যা অনুবাদ করেছেন। যে অনুবাদকে ‘ট্রান্সক্রিয়েশন’ বললে অত্যুক্তি হয় না। ভাষা এবং মূল গল্প অনুসারী হয়েও কোথাও যেন স্বাতন্ত্র্যের দাবি রাখে ভাটির দেশ

    উল্লেখ্য, উপন্যাসের একটি অধ্যায় লেখা হয়েছে পয়ার ছন্দে, মূল ইংরাজি ভাষায় লেখার সঙ্গে মিলিয়ে এমন অনুবাদ নিঃসন্দেহে প্রশংসার্হ। অনুবাদ প্রসঙ্গে অচিন্ত্যরূপ জানিয়েছেন, কীভাবে ধীরে ধীরে উপন্যাসের অনুবাদ করেছেন, তা দেখিয়েছেন অমিতাভ ঘোষকে এবং তাঁর সম্মতিক্রমে লেখা এগিয়েছে। যে কাজের জন্য বিভিন্ন ঋতুতে সুন্দরবনের নানা অঞ্চল দেখা ছিল জরুরি। দেখেছেন লেখক। অনুবাদকও। অনুবাদের কাজ চলাকালীন ব্রিটিশ কাউন্সিলের সহায়তায় ‘চার্লস ওয়ালেস ইন্ডিয়া ট্রাস্ট’-এর ফেলোশিপ নিয়ে বিলেতে গিয়ে মাস তিনেক কাজ করার সুযোগ হয় অনুবাদকের। ইস্ট অ্যাংলিয়া ইউনিভার্সিটিতে ব্রিটিশ সেন্টার ফর লিটারারি ট্রানস্লেশন-এ ‘ট্রান্সলেটর ইন রেসিডেন্স’ হয়ে বারো সপ্তাহ কাটানোর সৌজন্যে অচিন্ত্যরূপ একটানা অনুবাদ করেছিলেন বইয়ের বেশ কিছুটা অংশ।




    সেই যে ভাটির দেশ দর্শন, তার সঙ্গে সহবাস, তা-ই চুঁইয়ে পড়েছে ঝুপলির গল্পে। তাদের জীবনের ছোট ছোট ঘটনা বর্ণনায়, তাদের উদ্বেগ, আনন্দের সাধে। সন্ধ্যা হলে বাবা না-ফেরার যে উদ্বেগ, যে অজানা আতঙ্ক, তা সুন্দর ভাবে ধরা দিয়েছে অচিন্ত্যরূপের কলমে। বাঘ-কুমিরের সঙ্গে সহাবস্থানে জীবন যে কতটা অনিশ্চিত, অনিত্য, তা কী রকম ভাবে টের পেয়ে যায় ছোট্ট ঝুপলি। তার মধ্যে দিয়ে পাঠকরাও। শেষে এক উত্তরণের কথা বলেছেন লেখক। যে উত্তরণের পথ বেরিয়েছে ছোট্ট ঝুপলির মাথা থেকেই।

    বইটি যত্ন করে প্রকাশ করেছে তুলিকা বুকস। ছবি এবং লেখার বিন্যাসে রুচির ছাপ স্পষ্ট। একটিই মাত্র ‘টাইপোগ্রাফিক্যাল এরর’ চোখে পড়ে, যেটিকে চোখ এড়িয়ে যাওয়া বলে চালানো যায়। সব মিলিয়ে সংগ্রহ করার মতো একটি বই।



    ঝুপলির মধুর বাক্স
    গল্প: অচিন্ত্যরূপ রায়,
    ছবি: শিবম চৌধরি
    তুলিকা বুকস


    [1] Amitav Ghosh, (May 7, 2011), A House in the Sundarbans



  • পড়াবই | ১৮ ডিসেম্বর ২০২২ | ৫১৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ভাটির দেশ | 117.194.71.121 | ১৮ ডিসেম্বর ২০২২ ১৬:১২514713
  • সম্পর্কিত আলোচনাটা একটু খাপছাড়া। বুলবুলভাজায় প্রকাশিত যখন, সম্পাদক মশায়ের দেখা উচিৎ ছিলো। 
  • | ১৮ ডিসেম্বর ২০২২ ১৮:৪৯514715
  • আলোচনা যদ্দুর মনে হচ্ছে ঝুপলির মধুর বাক্স বইয়েরই। সে বই লেখার বীজ রসদ হয়ত বা হাংরি টাইড অনুবাদের সময়ই পেয়েছেন লেখক, কিন্তু তার জন্য ভাটির দেশের প্রচ্ছদ বা কাহিনীর আলোচনা তেমন প্রয়োজনীয় নয়। পুরো আলোচনাটাই কেমন খাপছাড়ামত।
  • ঋত | ২২ ডিসেম্বর ২০২২ ১২:৩৪514775
  • বেশ লাগল 
  • :-) | 2405:8100:8000:5ca1::31:4321 | ২২ ডিসেম্বর ২০২২ ১৫:১৫514782
  • নিজের লেখাকে নিজের আইডি থেকেই পেসংশা করলে কেমন কেমন দেখায় না?
  • ঋত | ২৩ ডিসেম্বর ২০২২ ১১:৫৯514806
  • ভুল বুঝেছেন। ওটা মন্তব্য পড়ে। smiley
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে প্রতিক্রিয়া দিন