এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • হৃদয়ে ছিলে জেগে, দেখি আজ শরৎ প্রভাতে

    Supriya Debroy লেখকের গ্রাহক হোন
    ০১ অক্টোবর ২০২২ | ১২৬ বার পঠিত
  • যেখানেই থাকুক, দুর্গাপুজোর সময় পলাশ ঠিক চলে আসে তাদের বসতবাড়িতে। সেই ১৯৫৪ সালে পলাশের দাদুভাই শুরু করেছিলেন উমা'মায়ের সপরিবারে আমন্ত্রণ ওনার বসতবাড়ির পুজোমণ্ডপে, স্বপ্নাদেশ পেয়ে - আজও তা অব্যাহত ৬৯ বছর ধরে। দাদুভাইয়ের এক ভোরের স্বপ্নে দেখা দিলেন স্বয়ং উমা'মা। ইচ্ছাপ্রকাশ করলেন সবার মাঝে কয়েকদিন কাটিয়ে যাওয়ার।
    আমাদের ঠাকুমা কিংবা মা-কাকিমা-পিসিমাকে 'দুর্গা-মা' উচ্চারণের অধিক 'উমা' উচ্চারণ করতে শুনেছি। এই 'উমা' যেন মা-কাকিমা-পিসিমাদের কাছে অনেক বেশি ঘরের মেয়ে কিম্বা মা হয়ে উঠেছেন। আর কোনো দেবদেবীকে বোধহয় এমন পারিবারিক হয়ে যেতে দেখিনি। 'উমা' যেন আমাদের ঘরের মেয়ে কিংবা মা, তাঁকে দেখে অনেক বেশি আপনার মনে হয়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ১৯২৯ সালে মহালয়ার দিনেই ‘পথের পাঁচালী’ বই আকারে প্রকাশিত হয়। বিভূতিভূষণের দুর্গা ‘দুর্গতিনাশিনী’ নয়, ‘উমা’ নয়, ‘মৃন্ময়ী’ নয়,  ‘চিন্ময়ী’ও নয়, একেবারেই বাংলার ঘরের মেয়ে ‘পথের পাঁচালী’র দুর্গা। পল্লিবাংলার ঘরের মেয়ে, যেমন আমাদের মা-কাকিমা-পিসিমাদের  ‘উমা’ কিম্বা ‘দুর্গা’মা।  সত্যজিত রায়ের সিনেমায় কাশবনের মধ্যে দিয়ে ছুটে চলা অপু-দুর্গা যেন অনুভূতি জাগায় দেবী দুর্গার আগমনী বার্তা, হৃদয় মনকে করে আন্দোলিত – জানান দেয় এসে গেছে শরৎ, আকাশ-বাতাস মুখরিত পুজোর সুগন্ধে। বিভূতিভূষণ সৃষ্ট দুর্গা দারিদ্র্যের অসুরের সঙ্গে লড়াই করে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেও সে অপরাজিতা, সে যে বাঙালির চিরকালীন শিশুসাথী। বিভূতিভূষণ প্রকৃত অর্থেই বাঙালিদের শারদ সাহিত্য উপহার দিয়েছেন।
    কালের বিবর্তনে দাদুভাইয়ের বানানো পুরোনো মন্দির ভেঙে মায়ের আজ অধিষ্ঠান নতুন বানানো মন্দিরে। পুজিত আজ উমা’মা কুল পুরোহিত হারাধন ঠাকুরমশাইয়ের পরিবর্তে পুরোহিত ভট্টাচার্য্য মশাইয়ের হাতে। ভোগ খাওয়ার স্থান আজ চারতলার বিরাট হলঘরে টেবিল-চেয়ার'এ বসে, পিছনের লম্বা বারান্দায় মেঝেতে ঢালাও পাত পেড়ে খিচুড়ি ভোগ খাওয়ার পরিবর্তে। কিন্তু হারিয়ে যায়নি সেই উৎসবের আমেজ, সেই আনন্দ। আজও সেই ঢাকের বাদ্যি, উলুধ্বনি, শঙ্খধ্বনি, আরতি নাচ, আত্মীয়স্বজনের সমাবেশ ফিরিয়ে নিয়ে যায় পলাশকে সেই ছোটবেলার দিনগুলিতে।
    দাদুভাইয়ের সাথে শোয়া-বসা ছোট্ট পলাশের সেই দুই বছর বয়স থেকে। বাবার বদলির চাকরি। বাবা-মা এসেছেন কোলের ভাইকে নিয়ে মহালয়ার আগের দিন। যদিও ছোট্ট পলাশ শোয় ওর দাদুভাইয়ের সাথে, কিন্তু আজ সে শুয়ে আছে মায়ের কোলে গুটিসুটি মেরে মায়ের শরীরের ওম নিতে নিতে। মায়ের আর এক পাশে ছোট ভাই। মহালয়ার ভোরে দাদুভাইয়ের কণ্ঠস্বর দরজার বাইরে থেকে, 'বড়বৌমা, বড় নাতিটাকে তুলে দিয়ে পাঠিয়ে দাও আমার কাছে। গতকাল বলেছিল, মহালয়া শুনবে। তোমরাও উঠে পড়ো। এখনই শুরু হবে মহালয়া।' হাতের তালু মুঠো করে উল্টোদিক দিয়ে দুই চোখ কচলাতে কচলাতে দাদুভাইয়ের ঘরে প্রবেশ করতেই পলাশ শুনতে পায় কম্পিত ভরাট গলায়, “ইয়া দেবী সর্বভুতেষু, মাতৃরূপেন সংস্থিতা, নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমো নমঃ”। দাদুভাই বলেন, বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠ। এক হৃদয়স্পর্শী  গলার অসাধারণ বর্ণনায় দেবীর আহ্বান। পলাশ টুক করে উঠে পড়ে দাদুভাইয়ের বিছানায়। যদিও ঘুমে চোখ জড়িয়ে আসে বারবার, কিন্তু চোখ খুলে রাখতে বাধ্য করায় - ভক্তিমূলক গান, ধ্রুপদী সঙ্গীত, অ্যাকোস্টিক মেলোড্রামা, ঐতিহ্যবাহী যন্ত্র এবং সংস্কৃত শ্লোকের সংমিশ্রণ'এর সাথে ভরাট গলায় চন্ডীপাঠ আর আবৃতি।
    দেড় ঘন্টার অনুষ্ঠান শোনার পর, দাদুভাই চলে যান বাড়ির পুকুরে তর্পণ করতে। ছোট্ট পলাশ এর আগে শুনেছে দাদুভাইয়ের থেকে, মহালয়ার দিন প্রাতঃ সকালে হিন্দুরা গঙ্গা, নদী অথবা পুকুরে পূর্বপুরুষদের কাছে তর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানান, কামনা করেন তাঁদের উত্তরসূরীদের জন্য আশীর্বাদ। পলাশ ছুটে যায় ফুলের সাজি নিয়ে পুকুরের ঘাটলার বাইরের প্রাঙ্গণ থেকে আলগোছে শিশির ভেজা সুগন্ধী শিউলি ফুল তুলতে। পুকুর ছাড়িয়ে দেখতে পায় মাঠজুড়ে কাশফুলের শুভ্রতা। দেখতে পায় নীল আকাশে ভেসে যাওয়া শুভ্র মেঘের ভেলা। এনে দেয় শরতের আগমনে দুর্গা মায়ের আগমনী বার্তা। হৃদয় আন্দোলিত ছোট্ট পলাশের এই শুভ্র শরৎ প্রভাতে। জানান দিচ্ছে আসছে পুজো, পুজো আসছে রে পলাশ। শুনেছে দিদিকে মাঝে মাঝেই একটি গান গাইতে, বলেছিল রবিঠাকুরের গান, "শিউলিতলার পাশে পাশে / ঝরা ফুলের রাশে রাশে /  শিশির-ভেজা ঘাসে ঘাসে / অরুণ-রাঙা-চরণ ফেলে / নয়ন-ভুলানো এলে।"
    ফুলের সাজি পুজোমণ্ডপে রেখে দুইহাত জোড় করে প্রণাম করে ছোট্ট পলাশ। সামনে একচালা দুর্গাঠাকুর। দুইদিন আগে পালকাকুরা দ্বিতীয় মাটির প্রলেপ লাগিয়েছেন। গতকাল রাতে বড় পালকাকু জানিয়েছেন, আজ থেকে মায়ের রঙ লাগানো হবে। আজ বিশেষ দিন, পলাশ সারা রাত বসে রঙ করা দেখবে। রঙ লাগানোর আগে মায়ের পুজো করবেন পালকাকুরা। ঠাম্মা বানিয়ে রেখেছেন অনেক নারকেলের নাড়ু, তিলের নাড়ু, চিড়ে আর মুড়ির মোয়া। আরও অনেক বানানো হবে পুজোর জন্য। সন্ধ্যেবেলায় ঢাকি আসবে তার ঢাক নিয়ে। পুজোর ঢাক বাজলেই ছুট দেবে পলাশের মনোরথের ঘোড়া। পূজামণ্ডপ থেকে এক ছুটে উৎফুল্ল মনে পলাশ এসে বসে ঘাটলার বসার চাতালে। দেখতে পায় সিমের মাচাতে নীলকণ্ঠ পাখি, ঠুকরে খাওয়ার চেষ্টায় সিমের বিচি তার হলুদ রাঙানো ঠোঁট দিয়ে। দাদুভাইও এসে গেছেন, এসে বসেন পলাশের পাশে হাতে হুক্কা নিয়ে।
    মহালয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ। একে একে শুরু হয়ে যায় আত্মীয়স্বজনের সমাগম। মায়ের আগমনে উৎসবের আমেজে হৃদয়ে যেন এক আনন্দের দোলা। ছোট্ট পলাশের কাছে দুর্গাপুজো মানেই শরতের শিউলি-ভেজা সকাল, স্নেহমাখা কাশফুলের হিল্লোল। চারদিকে মৌ মৌ সুগন্ধির মোহময়তা, আরতি আর ঘন্টার শব্দে, ধূপের গন্ধে দশদিগন্ত মুখরিত।
    পলাশের আবদার দাদুভাইয়ের কাছে উমামায়ের কাহিনী শোনার। হুক্কা টানতে টানতে দাদুভাই শোনাতে থাকেন উমামায়ের আগমনের কাহিনী।
    ‘কৈলাস থেকে শ্রী শ্রী দুর্গামা ওনার সন্তান-সন্ততি লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক গণেশকে সঙ্গে নিয়ে মর্ত্যধামে আমাদের মধ্যে বিরাজমান হন। বৎসরে দু'বার মর্ত্যধামে আবির্ভূতা হন। শরৎকালে এবং বসন্তকালে।  রাবণের সঙ্গে যুদ্ধের প্রাক্কালে দুর্গাদেবীর পুজো করেছিলেন রামচন্দ্র।‘ বলতে থাকেন দাদুভাই, ‘তুমি এখন ছোট দাদুভাই, তুমি এখন সূর্যের গমন হিসেবে উত্তরায়ণ যেটা দেবতাদের ছয়মাস ব্যাপী দিন আর দক্ষিণায়ণ যার অর্থ দেবতাদের রাত্রি ছয়মাস জুড়ে - বুঝবে না। বড় হয়ে বুঝতে পারবে। এখন শুধু এইটুকু জেনে রাখো, শরৎকাল দক্ষিণায়ণে পড়ে অর্থাৎ দেবতাদের ঘুমোনোর সময়। কিন্তু দেবীর পুজো করতে গেলে তাঁর বোধন অর্থাৎ জাগরিত করতে হবে। তখন রামচন্দ্রকে সহায়তা করতে  প্রজাপতি ব্রহ্মা দুর্গামায়ের বোধন ও পুজো করেছিলেন। সেইসময় ধ্যানে বসে দেখলেন একটি বেল গাছের নিচে একটি ছোট বালিকা খেলা করছে। ব্রহ্মা বুঝলেন তিনিই দেবী দুর্গামা। তারপর থেকেই দেবীর বোধনের পুজো হয় বিল্ব অর্থাৎ বেল গাছের নিচে। এই বোধন এই কারণে অকালবোধন নামে পরিচিত। এরপরেই অনুষ্ঠিত হয় দেবীর অধিবাস এবং আমন্ত্রণ। তোমার মনে আছে নিশ্চয়ই, বোধনের পর তোমার ঠাম্মা মাথায় পান , দূর্বা, সিন্দুর, আলতা, শিলা, ধান, কলার ছড়া, ইত্যাদির সহিত সজ্জিত কুলো নিয়ে পুজা মণ্ডপে যান দুর্গামায়ের অধিবাস এবং আমন্ত্রণ সম্পূর্ণ করার জন্য পূজারীর দ্বারা। 
    একটু থেমে আবার বলেন দাদুভাই, ‘রামচন্দ্রের আগে  চৈত্র মাসের শুক্ল পক্ষে প্রথম আদ্যাশক্তি মহামায়ার পুজো করেছিলেন রাজা সুরথ। সেই পুজোকে আমরা বাসন্তী পুজো নামে জানি।‘
    ছোট্ট পলাশের প্রশ্ন দাদুভাইকে, সবাই বলে অসুরের রক্ত যেখানেই  পড়ে আবার একটা অসুরের জন্ম হয় - সেটা কী ? দাদুভাই বোঝাতে থাকেন, ‘মা আমাদের অসুরবিনাশিনী। মানে সমস্ত অসুরদেরকে বধ করেন। আসলে অসুরের নিবাস আমাদের মধ্যেই। আমাদের কামনা, বাসনা, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মদমাশ্চর্য ও অহংকার এক একজন অসুর। মা এদেরকেই বধ করেন। আমরা দেখতে পাই মা রক্তবীজ নামক অসুরকে বধ করছেন, তার রক্ত যেখানে পড়ছে, সেখানেই এক একজন অসুর সৃষ্টি হচ্ছে। এই রক্তবীজ অসুরটি হলো আমাদের কামনা, বাসনা। একটা কামনা পূর্ণ হলে, আর একটি বাসনার উদ্ভব হয়। এর নিবৃত্তি হয় না। এটাকেই রক্ত বীজ অসুরের সাথে তুলনা করা হয়েছে। কামনা বাসনার নিবৃত্তি হলে রক্ত বীজ অসুরেরও নাশ হয়ে যাবে। সেইরকম মধু ও কৈটভ নামক অসুর লোভ আর মোহের প্রতীক। সবচেয়ে বড় যে অসুর তার নাম মহিষাসুর, সেটি হলো আমাদের অহংকার। যতদিন আমরা অহংকার নাশ করতে পারবো না, মহিষাসুর বধ হবে না। আমরা যা কিছু করছি সব মায়ের ইচ্ছায়, আমার শক্তি যে মায়ের শক্তি সেটা উপলব্ধি করতে হবে। মা প্রতি বৎসর এসে আমাদের জাগিয়ে দিয়ে যান, সাধনার দ্বারা আমাদের এই আসুরিক বৃত্তিগুলি নাশ করতে। তাইতো মাকে বলা হয় দেশমাতৃকারূপিণী সৃষ্টি - স্থিতি - সংহারকারিণী 'দেবী দুর্গা'।‘
    ছোট্ট পলাশের সবকিছু ঠিক বোধগম্য হয় না। আর একটু বড় হোক, তখন বুঝতে পারবে। তবে শৈশবমন এটা বুঝতে পারে, মা দুর্গা সমস্ত বিপদ থেকে সবাইকে রক্ষা করেন। তাই ওনার আগমনে শহর, গ্রাম সর্বত্রই সকলের হৃদয়ে আনন্দের পরশ দোলা দেয়। সবাই আনন্দে মেতে ওঠে। বাতাস হয়ে ওঠে আনন্দময়, উত্তাল পুজোর সুগন্ধে।
     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক মতামত দিন