এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • কাশফুলে ঐশর্য্যমন্ডিত শরতে পাকা তাল আর প্রাসঙ্গিক তালকাহিনী

    Supriya Debroy লেখকের গ্রাহক হোন
    ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ১০৯ বার পঠিত
  • চলন্ত ট্রেন শহরতলি ছাড়িয়ে এক এক করে স্টেশন, বড় বড় অট্টালিকা এবং কারখানার চিমনি নিঃশেষিত কালো ধোঁয়া পিছনে ফেলে যখন এগিয়ে চলে দিগন্ত প্রসারিত সবুজ মাঠ ব্যাপী আধা-শহর আধা-গ্রাম অভিমুখে - চোখে পড়ে নির্মল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা আর খাল-বিল-জলাশয়-নদীর চরে কাশফুলের মোহনীয় দোলাদুলি। আমার আপনার মনের পর্দায় ভেসে আসে বিশ্বখ্যাত সত্যজিৎ রায়ের 'পথের পাঁচালী'র সেই দৃশ্য - দূর্গা, অপু ছুটে চলেছে হাত ধরাধরি করে স্বপ্নিল মুখে অপার বিস্ময় ভরা চোখে কাশফুলে ভর্তি মাঠের ভিতর দিয়ে, আর দেখা যাচ্ছে কয়লার ইঞ্জিনের ট্রেন ভেঁপু বাজাচ্ছে, ধোঁয়া উড়িয়ে। প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় যা কল্পনায় এঁকেছেন, তাই সেলুলয়েডের পর্দায় আমাদের দেখালেন সত্যজিৎ রায়। দুর্গা অপুকে বলে - চল, আমরা আজকে রেল লাইন দেখে আসি। দুই ভাই-বোনে মাঠ বিল জলা ভেঙে ছুটলো। দৌড়, দৌড়, দৌড় - পিছনে তাকিয়ে দেখলো নবাবগঞ্জের রাস্তা অনেক পিছনে। আবার দৌড়, দৌড়, দৌড় - জীবনে এই প্রথম বাধাহীন, গন্ডিহীন, মুক্তির উল্লাসে তাদের কচি মন মেতে উঠেছিল - পরে কী হবে, তা ভাবার অবসর কোথায় ?  প্রকৃতিপ্রেমিক অনুভবী কিন্তু যেন একটু নিঠুরও বিভূতিভূষণ দুর্গার মনের বাসনা অবশ্য অতৃপ্তই রাখলেন ওনার কাহিনীতে। দেখতে পেলো না দূর্গা রেললাইন এবং রেলগাড়ি। সত্যজিৎ রায় অবশ্য 'পথের পাঁচালী' সিনেমাটিতে দুর্গার সেই আশা মিটিয়ে দিয়েছেন।

    কাশফুল মানেই জানিয়ে দেয় শরতের আগমনী বার্তা। বাংলার ঋতু পরিক্রমায় স্নিগ্ধতা - কোমলতা নিয়ে আবির্ভূত হয় শরৎকাল। বষার্র অতি বষর্ণ ও অবিরাম মেঘবালিকার গুরুগুরু গজর্ন থেমে গিয়ে প্রকৃতিতে নিয়ে আসে এক অপরূপ দৃশ্য। ঝকঝকে নীল আকাশের বুকে মেঘমুক্ত আকাশে শিমুল তুলোর মতো ভেসে চলে সাদা মেঘের ভেলা। শরৎ মানেই নদীর ধারে কাশবনের মাতাল হাওয়ার ছন্দময় দোলাদুলি, গাছে গাছে শিউলি, বেলি, জুঁই, মালতি, টগর, হাসনাহেনা আর বিলে-ঝিলে নক্ষত্রের মতো ফুটে থাকে সাদা ও লালশাপলা ফুলের সমারোহ আর লম্বা লম্বা তালগাছে পাকা তালের মিষ্টি ঘ্রাণ। আর ক্ষেতে ক্ষেতে আমন ধানের বেড়ে ওঠা চারা। শরৎ ঋতুর সৌন্দর্য্য বাংলার প্রকৃতিকে করে তোলে রূপময় ও মোহনীয়। শরতের  জ্যোৎস্নার  মোহিত রূপ নিজ  চোখে না দেখলে বোঝা যায় না। বলা যায়, শরৎ বাংলার ঋতু পরিক্রমায় সবচেয়ে মোহনীয় ঋতু। ফুটন্ত শিউলির প্রাণ জুড়ানো ঘ্রাণ। শিউলি তলায় হালকা শিশিরে ভেজা দূবার্ঘাসের ওপর চাদরের মতো বিছিয়ে থাকা রাশি রাশি শিউলিফুল। আমনের মাঠে মাঠে শিশিরসিক্ত সবুজের স্বচ্ছ শামিয়ানা। নদীর তীরে শুভ্র সাদা কাশফুলের খিলখিল হাসি, যেন তার সবটুকু সৌন্দর্য্য ঢলে পড়ার উপক্রম। কবি কালিদাস তাঁর ঋতুসংহার কাব্যে লিখেছেন, 'কাশফুলের মতো যার পরিধান, প্রফুল্ল পদ্মের মতো যার মুখ, উন্মুক্ত হাঁসের ডাকের মতো রমণীয় যার নুপুরের শব্দ, পাকা শালি ধানের মতো সুন্দর যার ক্ষীণ দেহলতা, অপরূপ যার আকৃতি - সেই নববধূর মতো শরৎকাল আসে।' 

    শরতের আকাশের মতো স্বচ্ছ আকাশ আর কোনো ঋতুতে বোধহয় দেখা যায় না। শরতের মেঘমুক্ত আকাশে যেন শুভ্রতার ফুল ঝরে। কবি কালিদাস তাঁর মেঘদূত কাব্যগ্রন্থে যখন বর্ষার মেঘকে বার্তা বাহক হিসেবে প্রেমিকার কাছে পাঠান, বর্ষা শেষে শরতের আগমনে তার বিরহী মনোকাশেও প্রিয়া মিলনের আশায় চঞ্চল হয়ে ওঠে আর বলেন, 'প্রিয়তম আমার, ওই চেয়ে দেখ, নববধূর ন্যায় সুসজ্জিত শরৎকাল সমাগত।'

    শরতের দিনে খুব ভোরে কিশোর-কিশোরীরা ছুটে যায় ফুল কুড়াতে শিউলি তলায়। ফুল কুড়িয়ে মালা বানিয়ে গলায় পরে। আঙিনায় বিছানো শুভ্র শিউলির চাদর আর মাদকতা ভরা সুবাস গাইতে বাধ্য করায় আলগোছে শিশির সিক্ত শিউলি তোলার কালে , 'শিউলিতলার পাশে পাশে / ঝরা ফুলের রাশে রাশে /  শিশির-ভেজা ঘাসে ঘাসে / অরুণ-রাঙা-চরণ ফেলে / নয়ন-ভুলানো এলে।' এনে দেয় হৃদয়ে আসন্ন শারদোৎসবের অনুভূতি। শরতে শিউলির মিষ্টি সুবাস যেন দেবী দুর্গার আগমনকে ইঙ্গিত দিতে থাকে। বাতাসে ভেসে আসে আসন্ন দুর্গাপুজোর হিল্লোল। অবশ্য এবছর কাশফুলের হাওয়ার সাথে শরতের আকাশে মহিষাসুরমর্দিনীর আগমনীর সুর আকাশে বাতাসে হিল্লোলিত একমাস পূর্বেই। গতবছর ১৫ ডিসেম্বর কলকাতার দুর্গাপুজো ইউনেস্কোর ‘Intangible cultural heritage of humanity’-এর তালিকায় স্থান পেয়েছে। তাই পুজোর অকালবোধন যেন হয়ে গেল পয়লা সেপ্টেম্বরেই, ইউনেস্কো প্রতিনিধিদের সাথে।

    ভাদ্র-আশ্বিন এ দুই মাস মিলেমিশে শরৎ ঋতু। ভাদ্রের  ভ্যাপসা গরমের জন্যই বাংলার মানুষের কাছে সে একটি অভদ্র মাস। কিন্তু ভাদ্রের গরমের অন্য এক ভদ্র নাম হলো তালপাকা গরম। ভাদ্র মাসে তাপমাত্রা বেড়ে গেলে বলা হয়, তাল পাকানোর গরম। কারণ তাল ভাদ্র মাসেই বেশি পাকে। আবার গ্রামেগঞ্জে দেখা যায় এই তালপাতা দিয়ে বানানো তালপাতার পাখাই গরমে স্বস্তির উপকরণ। আমাদের বাংলা সাহিত্যে, কাব্যে বেশ কিছুটা জায়গা করে নিয়েছে তালগাছ এবং তাল। বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় ( খ্যাত ও পরিচিত ছদ্মনাম 'বনফুল' নামে ) ওনার  ‘নুড়ি ও তালগাছ’ নামের গল্পটিতে যা সৃষ্টি করছেন তা অমর হয়ে আছে।  এই গল্পের বর্ণনায় - বিশাল প্রান্তরে দাঁড়িয়ে নিঃসঙ্গ এক তালগাছ। তলায় পাথরের ছোট্ট নুড়ি। ঘাসই তার ভুবন। বিস্ময় নিয়ে নুড়ি তাকিয়ে থাকে উঁচু তালগাছের দিকে। সে ভেবে পায় না, ওতো উঁচুতে কী দেখে তালগাছ। শুরু হয় তার প্রশ্ন। এভাবেই গল্পের গতি নিপুণ ছন্দে এগিয়ে যায়। আর বিভূতিভূষণের লেখা 'তালনবমী' গল্প আমাদের প্রায় সবারই পড়া অথবা 'সহজ পাঠের গপ্পো' সিনেমাটি দেখা। দুই ভাইয়ের সরলতার গল্প। চোখ ভিঁজিয়ে দেয় গল্পটি পড়তে পড়তে। কত আশা গোপালের, জটি পিসিমা নিমন্ত্রণ করবেন ওদের দুই ভাইকে তালনবমীতে। বর্ষণমুখর সকালে তালদিঘি থেকে তাল এনে জটি পিসিমাকে দেয় একদিন আগে, কোনো দাম নেয় না। সারারাত গোপাল স্বপ্ন দেখে তালের বড়া, তিল পিটুলি, পায়েসের। কিন্তু হায়, পরেরদিন দুপুর গড়িয়ে যায় - সবাই গোপালের সামনে দিয়ে চলে যায় জটিপিসিমার বাড়ি। আর গোপাল বসে থাকে এক গাছের গুঁড়ির উপর সজল চোখে। চোখে জল এসে যায় সংসারের অবিচার দেখে। আর আমরা ছোটবেলায় কে না পড়েছি কবিগুরুর সেই কবিতাটি, 'তালগাছ এক পায়ে দাঁড়িয়ে / সব গাছ ছাড়িয়ে / উঁকি মারে আকাশে।'

    তালের শাঁস খেতে যেমন মজা, ঠিক সেরকমই সুস্বাদু তালের বড়া, তালের পিঠা, তালের পায়েস, তালের ক্ষীর। আর তাল নিয়ে আমাদের বাংলা ভাষায় কত যে কথা আছে, মনে হয় না আর কোনো শব্দ নিয়ে বাংলা বাগবিধিতে এরকম শব্দভাণ্ডার আছে। কেউ উল্টোপাল্টা কথা বললে অথবা অস্বাভাবিক আচরণ করলে, বলি তাল কেটে গেছে - বেতাল হয়ে গেছে। আর সংগীতে সুরের তাল, অথবা তাল কেটে যাওয়া - এতো যে কোনো সংগীতশিল্পীর প্রচলিত কথা। আবার তবলার বোল কেটে গেলেও বলি, তাল কেটে গেছে - একদম বেতাল বাজাচ্ছে। আর কারুর স্তুতি, মোসাহেবি করতে - তাল মিলিয়ে কথা বলা - এটাও একটা শিল্প। যখন কিছু গড়বড় হয়ে যায়, বলি আমরা - তালগোল পাকিয়ে গেছে রে। ছিপছিপে গড়নের কাউকে দেখলে আমরা আজও বলি, তালগাছ। আর যে এমনই লিকলিকে যে একটু হাওয়াতেই পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা, মজা করে বলি তালপাতার সেপাই।

    গরমে তালপাতার পাখা স্বস্তি আনা ছাড়াও, তালগাছের আরও অনেক উপকারিতা আছে। পাখিদের আর্কিটেক্ট বাবুই পাখি তার নিপুণ শিল্পকর্ম দিয়ে বাসা বাধে তালগাছে। বর্ষাকালে তালগাছ তার উচ্চতার জন্য বাজের থেকে মানুষকে রক্ষা করে। আর একসময় তালপাতায় লেখা হতো, সেটাতো আমরা সবাই জানি। প্রাচীনযুগের মুনিঋষিরা লিখতেন তালপাতায়। ভোজগাছের পাতা বা ভূর্জপত্রের পুঁথির মত আমাদের তালপাতারও পুঁথি হত একসময়। খাগের কলম কালিতে ডুবিয়ে লেখা হত। সেই চর্যাপদের আমল থেকে এই তালপাতার পুঁথির কথা আমরা শুনেছি। প্রাচীন মুনিঋষি, কবি সকলের কাছেই তাঁদের সাহিত্যসৃষ্টির হার্ডকপি ছিল এই ভূর্জ্যপত্র। জন্মাষ্টমীতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে তালের বড়া উৎস্বর্গ করা, পুজোর একটি উপকরণ। কথায় আছে, শরৎ মাসে বাঙালির ঘরে তালের খাবার না খেলে তালের ষোলো কলা পূর্ণ হয় না। কারণ তালের দ্রব্যগুণে ভিটামিন এ বি সি, জিঙ্ক, আয়রন, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম আছে। আছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান।

    ছোটবেলায় যখন স্কুলে ড্রয়িং ক্লাসে কোনো গ্রামের ছবি অথবা দৃশ্যাবলী আঁকতে বলা হতো, বাড়ি-মাঠ-নদী-গরু-আকাশ যাই আঁকি - একটা তালগাছ থাকতোই সবার ড্রয়িং খাতায়। ওই সময় আমরা লম্বা একহারা চেহারার তালগাছ নেই গ্রামে, চিন্তাই করতে পারতাম না। তালগাছ নিয়ে অনেক ভূতের গল্পও আছে। ছোটবেলার গালগপ্পে, ভোররাতে অথবা গভীর রাতে তালগাছের নিচ দিয়ে যাওয়ার সময় দাঁত কপাটি লেগে পড়ে থাকা লোকের অভাব ছিল না। তবে তালগাছে গল্পের ভূতপেত্নী না থাকলেও, পিঠে তাল পড়লে আপনা থেকেই মুখ থেকে আউচ শব্দ বের হয়ে আসবে। তাই আজও লোকে অন্ধকার হয়ে গেলে, তালগাছের তলা দিয়ে সচরাচর হাঁটে না। তবে শরৎকালে তাল পড়বে না, তা কি হয়। এটা অনস্বীকার্য, বাঙালির সংস্কৃতির ঐতিহ্যের ফল হচ্ছে তাল। 

    আর শরৎ, কাশফুল, শিশিরসিক্ত শিউলি আর শারদোৎসব যেন একই সুতোর মালা। আর বিস্তীর্ণ নীল আকাশে শ্বেত মেঘের ভেলা শরৎ ঋতুর এক নান্দনিক রূপ। এই প্রবাহে ভাসিয়ে নিয়ে যায় সকল জরা, ব্যাধি, শোক ও দুঃখ। প্রকৃতির এই আনন্দময় কর্মযজ্ঞে নিয়ে আসে এক অপার্থিব আনন্দ।  
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে মতামত দিন