এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  রাজনীতি

  • সোভিয়েত বিশ্বের ওঁচাটেতম ব্যবস্থা ছিল? 

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | রাজনীতি | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ২৫২২ বার পঠিত | রেটিং ৪.৬ (৮ জন)
  • কবিতা কৃষ্ণন নাকি টুইটে লিখেছেন, "সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থা ছিল একনায়কতান্ত্রিক, সংসদীয় গণতন্ত্রের চেয়ে ঢের খারাপ"। আমি টুইটার দেখিনা। হিন্দু তে দেখলাম ( **লিংক লেখার নিচে) ।  

    টুইটারের আড়াই লাইনে এইসব তত্ত্ব লেখার কী মানে জানিনা, অবশ্য গোটা পৃথিবীতেই রাজনীতি এখন রেটোরিক সর্বস্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে। সব কিছু দেখিওনা, উত্তরও দিইনা। কিন্তু এইটা কবিতা কৃষ্ণন বলেই লিখতে হচ্ছে, কারণ, "প্রগতিশীল"রা একরকম করে আদর্শ পতাকাবাহক হিসেবে  দীর্ঘদিন ধরেই কবিতাকে উপস্থাপন করছেন। ফলে তাঁর বক্তব্যের কিছু ওজন আছে। এবং এটা ঠিক প্রেক্ষিতহীনভাবে একটা টুইট তুলে আনা নয়। হিন্দুতে দেখলাম, একই লাইনে কিছু কথাও বলেছেন। যেমন সোভিয়েত মডেলকে বিশ্বের খারাপতম একনায়কতান্ত্রিক মডেল হিসেবে দেখতে হবে। 

    তা, কথা হচ্ছে, সোভিয়েত কিছু আদর্শ সমাজব্যবস্থা ছিলনা, যেমনটা আমাদের ছোটোবেলার 'সোভিয়েত দেশ' বা 'সোভিয়েত নারী'তে দেখানো হত। গণতন্ত্রের নিরিখে কী কী সমস্যা ছিল সোভিয়েতের? 

    ১। সোভিয়েত শব্দটার অর্থই হল 'জনতার পঞ্চায়েত' ধরণের কিছু একটা (আমি রুশ জানিনা, ফলে এটাকে সঠিক আক্ষরিক অনুবাদ বলে ধরবেন না)। এদের গণতান্ত্রিক ভাবে নির্বাচিতই হবার কথা, যদিও পদ্ধতিটা সংসদীয় গণতন্ত্রের চেয়ে আলাদা। কিন্তু সোভিয়েত বিপ্লবের পর প্রথম দশকেই, মূলত গৃহযুদ্ধের কারণে এসবের গণতান্ত্রিকতা চৌপাট হয়ে গিয়েছিল। কমিউনিস্ট পার্টি ছাড়া মোটামুটি আর বাকি সব দলও তুলে দেওয়া হয়েছিল। এবং কমিউনিস্ট পার্টির ভিতরেও বিরুদ্ধমতের মঞ্চ তৈরি করার অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। গৃহযুদ্ধের পর এসবের ফিরে আসার কথা ছিল। কিন্তু সোভিয়েত জমানায় কখনও সোভিয়েত গণতন্ত্র আর ফেরত আসেনি। শুধু ফেরত আসেনি নয়, স্তালিন জমানায় ভিন্নমতের জন্য বস্তুত মুন্ডু কাটা হত। ত্রৎস্কিকে সুদূর মেক্সিকোয় খুন করা হয়। বাকি যারা সোভিয়েতেই থেকে গিয়েছিলেন, পার্টির উপরতলার একটা বড় অংশকে ফৌত করে দেওয়া হয় প্রতিবিপ্লবী আখ্যা দিয়ে। এঁদের বেশিরভাগই হাতেকলমে বিপ্লবটা করেছিলেন।  

    ২। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও সোভিয়েতের শুরুর দিক মূলত বিপর্যয়কর। জমি অধিগ্রহণের চক্করে, বিশেষ করে ইউক্রেন এবং কাজাকাস্তানে, দুর্ভিক্ষ হয়েছিল, বহু লক্ষ লোক মারা গিয়েছিলেন। ত্রৎস্কির লেখা পড়লেই দেখা যাবে, এই স্টিমরোলার চালানো সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতির তিনি বিরোধী ছিলেন। তাঁর বিকল্প প্রস্তাবও ছিল, যা, অন্তত পড়লে, অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য মনে হয়। কিন্তু তিনি কল্কে পাননি, তাঁকে দেশ ছাড়া করা হয়, এবং শেষমেশ খুন। আদর্শ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা হলে অর্থনীতির ক্ষেত্রে এই প্রাথমিক বিপর্যয়টা ঘটত না। 

    তা, এ হেন ব্যবস্থাকে আদর্শ বলে লাভ নেই। নিঃসন্দেহে। কিন্তু কথা হল, ওঁচাটেতম বলাটা কি যুক্তিযুক্ত? আমরা একটু আদর্শ পশ্চিমী গণতন্ত্রের দিকে তাকাই। ধরুন পৃথিবীর "শ্রেষ্ঠ" গণতন্ত্র, আমেরিকা। সেখানে একাধিক পার্টি। ভোটদানে কোনো বাধা অকল্পনীয়। মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে খুব দুর্জনেও বিশেষ কিছু বলতে পারবেনা। কিন্তু কথা হল, তারপরেও এ দেশে সরকার চালায় এক মিলিটারি-ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্স। কথাটা আমার নয়, আমেরিকার রাষ্ট্রপতি আইজেনহাওয়ারের। যিনি নিজে সমরনায়ক, এবং এই আঁতাত সম্পর্কে বিলক্ষণ ওয়াকিবহাল ছিলেন। 

    কথা হল, কীকরে চালায়? এ নিয়েও বিস্তর আলোচনা হয়েছে। ব্যাপারটা হল এই, যে, আমেরিকা বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ রপ্তানি করে, এবং রপ্তানির যুদ্ধ করে। একে এক কথায় কেউ কেউ ডিজাস্টার ক্যাপিটালিজম বলেন। আমরা আগে যাকে বলতাম সাম্রাজ্যবাদ। কী করে করে? দুনিয়া জুড়ে একশ গন্ডা উদাহরণ আছে, হাতে-গরমটি ইরাকের। ইরাককে যে অজুহাত দিয়ে আক্রমণ করা হয়েছিল, অর্থাৎ, গণবিধ্বংসী অস্ত্র, সেটি কাঁচা গুল ছিল, এখন সবাই জানে। ব্রিটেন সরকার গুলবাজির জন্য কিছুদিন আগে ক্ষমাও চেয়েছে। কিন্তু তাতে কী। একটা আস্ত দেশকে খাক করে তেল, সামরিক এবং নির্মানকার্য সংক্রান্ত গাদা কনট্রাক্ট পেয়েছে বহুজাতিকরা। সেই টাকা কোথায় ঢালা হয়? নির্বাচনে। আমেরিকায় দুটো পার্টি আছে, এই ব্যাপারে যাদের নীতির বিশেষ তফাত নেই। তারা চুলোচুলি করে। বস্তুত বিপুল টাকায় ভোট কেনা হয়। তৃতীয় কোনো শক্তির উত্থানের জায়গাই নেই। এবং জিতে আসা সরকার, এই যুদ্ধ রপ্তানির নীতি বজায় রাখে। চিলে থেকে ইরাক অবধি জ্বালিয়ে খাক করে, তার টাকায় প্রথম বিশ্বের রমরমা। 

    প্রথম বিশ্বের তথাকথিত গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখার আবশ্যিক শর্ত হল তৃতীয় বিশ্বকে জ্বালিয়ে দেওয়া। এখনও পর্যন্ত তাইই হয়েছে। চিন এসে এই একচেটিয়ায় হাত দিয়েছে, কিন্তু সেটা অন্য কথা। এখানে কথাটা হল, সোভিয়েত তার দেশের কিছু লোককে মেরেছিল, জেলে পাঠিয়েছিল, ঠিকই, কিন্তু বিশ্বজুড়ে কোটি-কোটি লোককে 'গণতন্ত্র' টিকিয়ে রাখতে মারেনি। তাহলে ওঁচাটেতম ব্যবস্থাটা কী? সোভিয়েত? না পশ্চিমী গণতন্ত্র। পশ্চিমী গণতন্ত্র নিজের দেশের মানুষকেও মারেনা, তা নয়। দুর্বলতম অংশকে সিস্টেমেটিকালি জেলে ভরা এবং খুন করা হয়। পশ্চিমবঙ্গের ধনঞ্জয় চট্টোপাধ্যায়ই হোক, আর টেক্সাসের কার্লোস ডিলুনা, কোনো তফাত নেই। এ নিয়েও বিস্তর কথা হয়েছে। নতুন করে কিছু বলার নেই।

    ফলে পয়েন্টটা পরিষ্কার। সোভিয়েত বহু অপরাধ করেছে, কিন্তু গোটা দুনিয়াকে চুষে খায়নি। পশ্চিমী গণতন্ত্র তার নিজের দেশে ব্যক্তিস্বাধীনতা দেয় বটে, কিন্তু সেটা বাকি পৃথিবীকে শ্মশান করার মূল্যে। সন্দেহ থাকার কথাই নয়, কিন্তু কথাগুলো উঠছে, কারণ, আগে যাকে প্রথম-তৃতীয় বিশ্বের দ্বন্দ্ব বলা হত, সেই বিষয়টা আর চাষবাসেই নেই। শুধু ওটা নয়, টুইটার-গুগল-ফেসবুক, এবং প্রথম বিশ্বের সোসাল সায়েন্সের অ্যাকাডেমিয়ার কল্যাণে, গোটা দুনিয়াতেই আর লিঙ্গ এবং বর্ণ (গায়ের রঙ এবং জাতপাত দুই অর্থেই), এর বাইরেও যে বৈষম্য বলে কিছু হয়, সেই বোধটাই উবে যেতে বসেছে। গরীব-বড়লোক, প্রথম বিশ্ব- তৃতীয় বিশ্ব, শহর-গ্রাম, কেন্দ্র-রাজ্য, পুঁজিপতি-শ্রমিক, এগুলো মূলত নেই হয়ে গেছে। এখন রাজনীতি বলতে কেবল এবং কেবলমাত্র আইডেন্টিটি পলিটিক্স, বাচন বলতে রাজনৈতিক সঠিকত্ব, এবং প্রতর্ক বলতে টুইটারের আড়াইশো শব্দ। এই গোটা প্রেক্ষিতটা নির্মিতই হয়েছে, পশ্চিম এবং তার ধ্বজাধারী বিশ্বের বৃহত্তম কোম্পানিগুলোর পৃষ্ঠপোষকতায়, যাদের একেকটির উপার্জন, বিশ্বের মাঝারিমাপের সরকারগুলির উপার্জনের থেকেও বেশি। ফলে এদের সুবিধেজনক বৈষম্যই যে একমাত্র থাকবে, পশ্চিমী গণতন্ত্রের চেয়ে বাকি সবই ওঁচা হয়ে যাবে, তাতে আর আশ্চর্য কী।
     

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • আলোচনা | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ২৫২২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • dc | 2401:4900:1f2b:6ecb:a870:e5c4:7526:9913 | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৭:২৬511598
  • ওয়্যারেও কবিতা কৃষ্ণানের ইস্তফা নিয়ে লেখা বেরিয়েছে দেখছিঃ 
     
    “The need to recognise that it is not enough to discuss the Stalin regime, USSR, or China as failed socialisms but as some of the world’s worst authoritarianisms that serve as a model for authoritarian regimes everywhere,” she said, adding that she would not be able to ask such political questions if she continued in party posts.
     
     
    তাহলে, এই কথাগুলো বলার জন্য ওনাকে সিপিআইএমএল এর পলিটবুরো পদ ছাড়তে হলো, যেটা বেশ ইন্টারেস্টিং ব্যাপার। তবে উনি এও বলেছেন যে এটা মিউচুয়ালি এগ্রিড আপন স্টেপিং অ্যাসাইড। তার মানে ওনার পার্টিতেও হয়তো এই পয়েন্টগুলো নিয়ে আলোচনার কিছুটা জায়গা রেখেছে।  
     
  • সিএস | 2401:4900:1049:58b5:3df9:65e0:2c4f:f6a | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১৭:২২511605
  • https://indianexpress.com/article/political-pulse/kavita-krishnan-quits-cpiml-left-debate-8128505/

    কবিতা কৃষ্ণান কমিউনিস্ট পার্টির প্রায় গোড়া ধরে টান মেরেছেন দেখা যাচ্ছে। ভাজপা নয় ফ্যাসিস্ট, তাহলে আমরা মানে কমিউনিস্টরা কীসে ভালো ? এই হল ওনার প্রশ্ন। এই কথাগুলো পদাধিকারী হয়ে বলা যাবে না, পরিবর্তে পাবলিক আলোচনা, ভিডিও ইত্যাদি করতে চান উনি। কিছু সাহস তো আছে, প্রশ্নগুলো তো স্বীকারই করা হয় না, আগে বলা হত পশ্চিমের রটনা সেসব, অতকিছু হয়নি, এখন বলা হয় গণতন্ত্রই বা এমন কী ভালো ? পাবলিক ফোরামে আনলে ভালই, উনিও হয়ত পশ্চিমের বদমাইশি সম্বন্ধে কিছু শিখতে পারবেন।
  • পলিটিশিয়ান | 2603:8001:b143:3000:c1b7:64d0:3f79:e9d4 | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১৯:২৫511608
  • "ধরুন পৃথিবীর "শ্রেষ্ঠ" গণতন্ত্র, আমেরিকা। সেখানে একাধিক পার্টি। ভোটদানে কোনো বাধা অকল্পনীয়।"
     
    এটা বোধহয় পুরোটা সত্যি না। ভোট কমানোর জন্য বিভিন্ন চেষ্টা খুবই চালু। 
     
    এবাদে ডেমোক্র্যাট আর রিপাবলিকান বাদে অন্য কারো ভোটে দাঁড়ানো প্রায় অসম্ভব।
     
    সিনেটের স্ট্রাকচারের জন্য গ্রামীন সাদাপ্রধান রাজ্যগুলো কার্য্যত বেশী ক্ষমতা ভোগ করে। অর্থাৎ ওয়ান ম্যান ওয়ান ভোট, কিন্তু সবার ভোটের গুরুত্ব সমান নয়। যার ফলে, যদিও ভোট ডেমোক্র্যাটরা বেশী পায়, সুপ্রীম কোর্ট এখন রিপাবলিকানদের হাতে।
     
    ইত্যাদি প্রভৃতি।
  • dc | 2401:4900:1f2b:6ecb:a870:e5c4:7526:9913 | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১৯:৩৪511609
  • ঠিক কথা। মাঝে মাঝে পড়ি, আমেরিকায় ভোট সাপ্রেশানের জন্য নানান চেষ্টা করা হয়। যেমন রিডিস্ট্রিক্টিং। হয়তো একেবারে খোলাখুলি জেরিম্যান্ডারিং করতে পারে না, তবে ফাঁকফোকর দিয়ে গলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা তো করেই। 
  • পলিটিশিয়ান | 2603:8001:b143:3000:7fd1:e9e2:acd:ab20 | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ ২০:০২511610
  • জেরিম্যানরিঙ করে তো। খোলাখুলি।
  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০২:৪৭511628
  • জেরিম‍্যান্ডারিং আইনসঙ্গত পদ্ধতি, বিধি-নিষেধ মেনে করাও হয়, শাসক দল যেমন চায়। 
  • পলিটিশিয়ান | 2603:8001:b143:3000:7fd1:e9e2:acd:ab20 | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৩:১৬511629
  • ও হ্যাঁ, আইন তো। devil
     
    একনায়কতন্ত্রেও আইন থাকে। আইন মেনেই পুতিন যা করার করে। এককালে স্লেভারী, অ্যাপার্থেইড সবই আইনসঙ্গত ছিল। মোদীও আইন মেনেই গুজরাট দাঙ্গায় দায়ী নয়।
     
    ট্রাম্পও আইন মেনেই অনেক কিছু।
  • S | 2405:8100:8000:5ca1::ea:6d65 | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৫:২০511631
  • কিসব আজে বাজে আলোচনা হচ্ছে।
  • এই নিন | 2601:448:c400:9fe0:3858:361b:6d71:47f8 | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৮:১৭511717
  • হেঁইও 
  • &/ | 151.141.85.8 | ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০২:৫৫511864
  • আরে, আর কই? আলোচনা থামালেন কেন? অনেক কিছু জানা যাচ্ছিল।
  • পাতা :
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে প্রতিক্রিয়া দিন