ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • শান্তনীড় রহস্য - ১২ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ৩০ এপ্রিল ২০২২ | ২৭৬ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • সাত দিন পরে, আট দিনের মাথায় পোস্ট মর্টেম রিপোর্ট পাওয়া গেল । বেলা বারোটা নাগাদ সমীরণ ঘোষ ফোন করে জানালেন ----
    ' কলতানবাবু পি এম রিপোর্ট এসেছে । থানায়  কপি পাঠিয়েছে মেল করে । এতে যা   লিখছে ..... '
    কলতান কথাটা চাপা দিয়ে দিল । বলল, ' থাক .... ফোনে কিছু বলতে হবে না মিস্টার ঘোষ ..... প্রবলেম হতে পারে । বিকেলে থানায় যাব । ওখানে গিয়ে দেখব । বডি রিলিজ করে দিয়েছেন ফর ক্রিমেশান ? '
    ----- ' হ্যা হ্যা  ..... আমার কনসেন্ট আমি ফরোয়ার্ড করে দিয়েছি । রিলিজ করবে ওর রিলেটিভরা ..... '
    ----- ' আচ্ছা ..... ঠিক আছে । আমি পাঁচটার মধ্যে যাচ্ছি । '
    ফোন নামাতে না নামাতে ঝড়ের বেগে ঘরে এসে ঢুকল কুলচা । গরমে কাহিল অবস্থা । রোদের তাপে মুখ লাল হয়ে গেছে ।
    ----- ' একি রে ..... কি অবস্থা তোর ! রোদে যে ঝলসে গেছিস একেবারে ..... একটা ছাতা নিয়ে
    ঘুরতে পারিস না ? ' কলতান বলে ।
    ----- ' তুমি আর কথা বোল না ..... তোমার সঙ্গে অনেক ঝগড়া আছে ..... ' 
    ----- ' কেন রে ....কি অপরাধ করলাম আমি ? '
    ----- ' সোদপুরের কেসটার বিন্দুবিসর্গ জানতে পারলাম না এখনও । তুমি কিন্তু আমাকে ভীষণ ইগনোর করছ । '
    ------ ' আরে না না ..... তোকে কি আমি ইগনোর করতে পারি .... মাই বিলাভেড ভাগ্নী অ্যন্ড মোস্ট কম্পিটেন্ট অ্যসিস্টেন্ট ইন দা ওয়ার্লড ।'
    ----- ' অনেক হয়েছে .... থাম এবার । যাক, এখন বল কতদূর প্রগ্রেস হল ? '
    ----- ' কোন কেসটা ? '
    ----- ' কোনটা আবার ? ওই মার্ডার কেসটা । বাকিগুলোয় আমার কোন ইন্ট্রেস্ট নেই । '
    ----- ' কেসটা জুতোয় আটকে আছে এখন ।'
    ----- ' জু..তোয় ! মানে ? ' কুলচা ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে থাকে কলতানের মুখের দিকে । 
    ----- ' মানে ..... এই যে  ... ' কলতান নীচের তাক থেকে জুতোর বাক্সটা বার করে ।
    ------ ' এটা কি কিনলে ? '
    ------ ' হ্যা .... তবে শখ করে নয়, বাধ্য হয়ে । কাজের তাগিদে । '
    কুলচা জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে দেখে বলল, ' পোস্ট মর্টেম রিপোর্ট এসে গেছে । আজ বিকেলে লোকাল থানায় গেলে দেখতে পাব । এখন ব্যাপারটা মোটামুটি দাঁড়াচ্ছে ---- জুতো যার, মামলা তার । অবশ্য কোন অনুমানই  হান্ড্রেড পারসেন্ট কারেক্ট হয় না । সবই ক্লু এক্সট্রাপোলেশানের ব্যাপার । '
    ----- ' বাট অ্যট দিস মোমেন্ট আই অ্যম টোটালি ক্লুলেস ‌। কিছুই ধরতে পারছি না । এনিওয়ে, পরে ডিটেলে জানব স্টেপ বাই স্টেপ । যাই ....দাদু দিদার সঙ্গে দেখা করে আসি । তবে আমার ছোট বুদ্ধিতে যা বলে , ডাকাবুকো লোকই কালপ্রিট হবে তার কোন মানে নেই , অ্যপারেন্টলি  নিতান্ত গোবেচারা লোকও   সিরিয়াস অফেন্ডার হতে পারে । যাই ভেতরে ...... ' 
    ------ ' হ্যা ..... নিশ্চয়ই নিশ্চয়ই .... '
    খুব আলগাভাবে ছুঁড়ে দিয়ে যাওয়া কুলচার শেষ কথাগুলো তীক্ষ্ণ তীরের মতো এসে ঢুকে গেল কলতানের মাথায় । তাই তো ..... এত বড় একটা কথা সে ভুলে ছিল কি করে ..... ' 
       বিকেল সোয়া পাঁচটা নাগাদ কলতান থানায় পৌঁছল । সমীরণবাবু একটা ফাইল খুলে মন দিয়ে কি একটা পড়ছিলেন । কলতান কে দেখে বললেন , ' আসুন ... আসুন ....আপনার জন্যই
    অপেক্ষা করছি । আজ আমার নাইট ডিউটি ।'
    ----- ' মোস্ট প্রোব্যাবলি আমারও তাই ....'
    ----- ' আঁ ..... কি বললেন ? '
    ------ ' না ..... ওই আর কি .... পোস্ট মর্টেম রিপোর্টটা ..... '
    ------ ' ইয়েস .... এই যে .... কোয়াইট অফ বিট .... দেখুন দেখুন .... এটাই ফাইনাল রিপোর্ট। '
    কলতান আগাগোড়া তিন চারবার পড়ল রিপোর্টটা । তারপর মুখ তুলে বলল , ' দেখেছেন এটা ? '
    ----- ' হ্যা ... দেখলাম ..... '
    ----- ' এতে তো বলছে ....  একটা নতুন চার ইঞ্চি সাইজের পেরেক জুতোর তলা দিয়ে পুরোপুরি
    গেঁথে গিয়েছিল বাঁ পায়ের তলা দিয়ে । তাতেই মৃত্যু হয়েছে ঈশানলাল কুমারের ব্রেণ স্ট্রোক হয়ে কারণ মস্তিষ্ক থেকে বাঁ পায়ের সঙ্গে সরাসরি প্রলম্বিত অতি সূক্ষ্ম স্নায়ুর সূতো।  দেহের আর কোথাও কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি । গলায়, ঘাড়ে, মুখে এবং বুকে কোন আঙুলের ছাপ পাওয়া যায়নি। তবে খুব সম্ভবতঃ হাত মুচড়ে ধরে জোর করে উল্টো করে শুইয়ে কোমরের কাছে ( খুব সম্ভবতঃ হাঁটু দিয়ে ) চেপে ধরা হয়েছিল । কারণ কনুইয়ের কাছে , ডান হাতের তিনটে আঙুল এবং কোমরের হাড়ে ছোট আছে । জামায় বুকের কাছে ঘাস মাটির দাগ । এক বা একাধিক  অধিকতর শক্তিশালী ব্যক্তি ভিকটিমকে বেশ কিছুটা টেনে নিয়ে যায় খুন করার আগে । সেরকম কাদা মাটি এবং পিষ্ট ঘাসের চিহ্ন পাওয়া গেছে মৃতদেহের জুতো এবং প্যান্টে ।
         রিপোর্টের শেষ লাইনে পৌঁছে চমকে উঠল কলতান । মৃতদেহের পোশাকে চন্দনের গন্ধ ধরা পড়েছে স্মেল অ্যনালাইজার  যন্ত্রে । কলতানের চিন্তা ভাবনাগুলো সব  উল্টেপাল্টে যেতে লাগল । 
          চূড়ান্ত পর্যবেক্ষণ হল , এটা সম্পূর্ণভাবে হোমিসাইড কেস , কোনভাবেই সুইসাইড নয় ।
          ফাইলটা বন্ধ করে কলতান একটা গভীর শ্বাস ফেলে বললো ' হুমম্ ..... '
    সমীরণ ঘোষ চেয়ারে গা এলিয়ে দিয়ে বললেন, ' কি বুঝছেন ? '
    কলতান মৃদু স্বরে বলল , ' আরও এক রাউন্ড খেলতে হবে মনে হচ্ছে । এখন উঠি আমি .... শান্তনীড়ে যেতে হবে .... পরে কথা বলব .... '
    ----- ' আচ্ছা আসুন .... আমি এখানে আছি। আজ নাইট ডিউটি আছে ....'
    ----- ' আমারও তাই হবে মনে হচ্ছে  .... '
    ----- ' তা...ই ?  হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ ..... অল দা বেস্ট ..... '
       রাত আটটা বাজে । শান্তনীড়ের তিনলায় উঠে ডি ফোর -এর সামনে দাঁড়াল। দরজা ভেজানো রয়েছে , বন্ধ নয় । ভিতরে আলো জ্বলছে বোঝা যাচ্ছে । কলতান ডোরবেলে চাপ দিল । সুনন্দ দরজা খুলে দিল । সামনে কলতানকে সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে বলল, ' আরে .... স্যার .... আপনি এখানে !  আসুন আসুন .... '
    কলতান ঘরে ঢুকে প্রথমে ঘরের চারপাশে চোখ বুলিয়ে নিল । ঘরে আসবাব বিশেষ কিছু নেই ।একটা পুরনো খাট , দুটো ফোল্ডিং চেয়ার আছে। আর একটা ফোল্ডিং টেবিল পাতা রয়েছে দেখা গেল ।  তাতে কিছু টুকিটাকি জিনিসপত্র রাখা আছে। একটা ছোট আয়নাও  দাঁড় করানো আছে । দরজার একপাশে একজোড়া স্নিকার ধরণের জুতো এবং একজোড়া হাওয়াই চপ্পল দেখা যাচ্ছে । কিন্তু   চারদিকে সন্তর্পনে চোখ বুলিয়ে কলতান কোন
    আট নম্বর সাইজের  ডলফিন স্নিকার দেখতে পেল না । যাবার আগে বাথরুমটা  একবার চেক করে যেতে হবে , কলতান ভেবে রাখল ।
    কলতান একটা চেয়ারে বসেছে আর সুনু খাটে ।
    ------ ' বক্সি স্যারের তো খুব শরীর খারাপ ।  সেদিন ফোন করেছিল ।'
    ------ ' তাই নাকি ? খবর পাইনি তো .... গিয়েছিলে ওনার বাড়ি ? '
    ------ ' না যাইনি এখনও । কাল যাব। উনি তো আমার বাবার মতো । আমাকে সেই কোথা থেকে তুলে এনেছেন ......'
    সুনু কেমন অন্যমনস্ক হয়ে গেল । চুপ করে কি যেন ভাবতে লাগল আপন মনে । মাথার মধ্যে ধীরে ধীরে পাকিয়ে উঠতে লাগল এক প্রবল ঝড়ের ঘূর্ণি ।
    ' ........আমার বাবাকে কোথায় গায়েব করে দিল কেউ জানে না । একদিন রাত্রে কারা ঘরে ঢুকে আমার সামনেই আমার মা আর দিদিকে খুবলে খেয়ে তারপর মেরে দিয়ে চলে গেল  তাদের আমি চিনি কিন্তু কিছু করতে পারিনি । উল্টে আমাকেই মা আর বোনকে খুনের মামলায় ফাঁসিয়ে দিয়েছিল ।
    বিকাশ বক্সি স্যার না থাকলে তো আমি এতদিন এ দুনিয়ায় থাকতামই না । আমার মাকে জড়িয়ে আমরা ভাই বোন শুয়ে থাকতাম ......
    সেদিন অন্ধকারে ...... উঃ ...... উঃ.... ছাড়ব না কাউকে ..... মা কসম ..... দলা পাকিয়ে ছেড়ে দেব ...... সব শালাকে চিনি ...... শ্যাওলা করে মাটিতে মিশিয়ে দেব .... তারপর চলে যাব .... আমি .... চলে যাব ..... মিশিয়ে দেব মাটিতে সা.....ল্লা .... '
    বাইরে অন্ধকার । জোলো হাওয়া বইছে । গাছের পাতার মধ্যে দিয়ে সরসর করে হাওয়া বয়ে যাচ্ছে। কলতান পরিষ্কার বুঝতে পারল সুনু এখন স্বাভাবিক অবস্থায় নেই । চোখ ধকধক করে জ্বলছে পুঞ্জীভূত ক্রোধের চাপে । তাকিয়ে আছে দেয়ালের দিকে, সামনে যেন কোন অদৃশ্য শত্রু । দেয়ালে দোল খাচ্ছে একটা ক্যালেন্ডার ।
    কঠিনভাবে বদ্ধ সুনন্দর দুহাতের মুঠি যেন ক্রমাগত চাপ দিয়ে চলেছে গুঁড়িয়ে দেবার জন্য কারো অস্তিত্ব ।  কলতান চুপচাপ বসে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল সুনুর দিকে ।  তার শান্ত হবার অপেক্ষা করতে লাগল । অনেক কথা বলা এখনও বাকি সুনুর সঙ্গে । তাছাড়া বাথরুমটাও এক ফাঁকে ঘুরে আসতে হবে জুতোর খোঁজে ।
    কলতান সুনুর শান্ত হবার জন্য অপেক্ষা করতে লাগল । ওকে থামাবার চেষ্টা করল না কলতান।
     
        প্রায় পনের মিনিট লাগল  সুনন্দর স্থিতাবস্থায় ফিরে আসতে । দুহাতে খাটে ভর দিয়ে মাথা নীচু করে কি ভাবতে লাগল ।  কলতান গিয়ে সুনুর পাশে বসল । মৃদু কন্ঠে বলল , ' এখানে একটা মার্ডার হয়েছে জান তো ? '
    ------ ' হ্যা  জানি ... ঠিকাদার ।  চিনি না  ....শুনেছি হারামি লোক ছিল । ভাল হয়েছে..... ঈশান না কি যেন নাম ছিল  .....'
    সুনন্দ বলল নীচের দিকে তাকিয়ে ।
    ------ ' আচ্ছা .... ওই সামনের ঘরে যে ফ্যামিলিটা আছে , ওদের সঙ্গে আলাপ পরিচয় হয়েছে ?'
    ------ ' হ্যা ... ভদ্রলোকের সঙ্গে একদিন কথা হয়েছিল । ওনার স্ত্রী কিরকম টাইপের যেন....
    একদম মিশুকে না .... হেভি ফাঁট । আরে দূর ..... '
    কলতান বলল , ' ঠিক আছে সুনু..... আমি আজ উঠি ..... একটু বাথরুমে যাব ... '
    ---- ' হ্যা .... যান .... '
    কলতান গেল এবং বেরিয়েও এল । ওখানে জুতো টুতো কিচ্ছু নেই ।
      ( ক্রমশঃ )
    ************************************************************************************

     

     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Mousumi Banerjee | ৩০ এপ্রিল ২০২২ ১৪:৩০507032
  • পরের পর্ব খুব তাড়াতাড়ি হোক
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে মতামত দিন