ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  ইস্পেশাল  নববর্ষ

  • রেকর্ড নম্বর সহ অকৃতকার্য

    সৈকত বন্দোপাধ্যায়
    ইস্পেশাল | নববর্ষ | ১৫ এপ্রিল ২০২২ | ৩৮০২ বার পঠিত | রেটিং ৪.৮ (৫ জন)

  • বাংলা নাকি বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়ছে। নিউ-ইয়র্ক সিটিতে গত নির্বাচনে কিছু জায়গায় ভোটে বাংলা ব্যালট হয়েছে। বার্নি স্যান্ডার্স অনলাইন প্রচার করেছেন বাংলায়। লন্ডনে হোয়াইট চ্যাপেল স্টেশনের নাম লেখা হচ্ছে বাংলায়। রোম শহরে নাকি ইংরিজির চেয়ে বাংলা বেশি লোকে বলে। চারদিকে তাকালেই এইসব বিশ্বজয়ের খবর-টবর পাওয়া যায়। আরও হয়তো কিছু পাওয়া যেতে পারে, যা আমি জানিনা। এর সবই ঠিক। কিন্তু কথা হল, ভালো হোক বা মন্দ, এর সব দায়ই বস্তুত বাংলাদেশের। ভারতীয় বাঙালির নয়, ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রের তো নয় বটেই। ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্র একটিমাত্র ভাষাকে ভারতীয় ভাষা হিসেবে বহির্বিশ্বে তুলে ধরে, তার নাম হিন্দি। ভারতীয় পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইট কেবলমাত্র দুটি ভাষায়, ইংরিজি এবং হিন্দি। ভারতীয় বিমানসংস্থা এয়ার-ইন্ডিয়া বিদেশে (এবং দেশেও) ঘোষণা করে কেবলমাত্র হিন্দি এবং ইংরিজিতে। বহির্বিশ্বে ভারতের পরিচয় হিন্দিভাষী দেশ হিসেবে। আর বাংলার যেটুকু পরিচিতি, সেটা বাংলাদেশের ভাষা হিসেবে। সঙ্গে ফুটনোটে খুব ছোটো-ছোটো করে লেখা থাকে, "ভারতের কোনো কোনো অঞ্চলেও এই ভাষাটি বলা হয়ে থাকে"। বাংলার পরিচিতি বলতে ওইটুকুই।

    ভারতীয় বাঙালিও এ নিয়ে বিশেষ চিন্তিত না। একরকম ভাবে স্বীকৃতই হয়ে গেছে, যে, ব্যাপারটা এরকমই হবে। এরকমই হবার কথা। ইংরিজিতে আছে ঘ্যাম, হিন্দি হল রাজভাষা -- এখন সেটাকে ওই নামেই ডাকা হচ্ছে, আর বাংলার কী আছে? কিস্যু না। বাঙালি যদিও হিন্দি সিনেমা গুছিয়ে দেখে, কিন্তু "মেরে পাস মা হ্যায়" -- এই ডায়লগ যে নেহাৎই ফালতু, এর যে কোনো বৌদ্ধিক বা আবেগগত আবেদন নেই, সেটা সে নিজেও বিলক্ষণ বোঝে। হ্যাঁ, দুর্গাপুজো, পয়লা বৈশাখ, আর বঙ্গোৎসব-টব হয়, যেমন গ্রামে-গঞ্জে হয় চড়ক আর গাজন, কিন্তু সেসব নেহাৎই স্থানীয় কারবার। তার বাইরে, ভারতীয় বাঙালি অন্য ভারতীয়ের সঙ্গে স্বেচ্ছায় এগিয়ে গিয়ে কথা বলে হিন্দিতে। বাঙালির দ্বিতীয় প্রজন্ম ক্রমশ বাংলাটা ভুলে যাচ্ছে। শুধু বিদেশে বা ভিন রাজ্যেই না, খোদ কলকাতা শহরেও। কিন্তু এসব নিয়ে বলতে গেলে বাঙালি নিজেই হাঁ হাঁ করে উঠবে। তারা সর্বভারতীয় হচ্ছে, আন্তর্জাতিক হচ্ছে। আরও কী-কী হচ্ছে, ঈশ্বরই জানেন। সেখানে এসব ছোটো মনের পরিচয় দেওয়াটা ঠিক না।

    যদিও, যুক্তি দিয়ে জিনিসটা বোঝা দুষ্কর। বাঙালি যদি দিল্লি কিংবা নিউ-ইয়র্কে গিয়ে হিন্দি কিংবা ইংরিজি ভাষী হয়ে ওঠে, সেটাই যদি দস্তুর হয়, তবে বাংলায় এসে অন্যভাষীদের বঙ্গভাষী হয়ে ওঠারই কথা। আবার অন্যভাষীরা বাংলায় এসে যদি নিজের ভাষা বজায় রাখে, বা রাখতে পারে, অন্যত্র বাঙালিদেরও তেমনই হবার কথা। এর কোনোটাই হয়না। ভারতীয় বাঙালির কাছে এর কোনো ব্যাখ্যাও নেই। সম্ভবত অস্বস্তিকর বলেই। আর সেই জন্য প্রশ্নটা তোলাই ট্যাবু। তুললে কঠিন-কঠিন ইংরিজি গালি বর্ষিত হতে পারে।

    আর এটা ট্যাবু বলেই বাকি প্রশ্নগুলোও ওঠেনা। ভারতবর্ষের বাইরে ছাড়ুন, আপনি যদি দিল্লি থেকে অন্তর্দেশীয় উড়ানে কলকাতা যান, সেখানে ঘোষণা শুনবেন হিন্দি এবং ইংরিজিতে। তারপর যদি ট্যাক্সিতে ওঠেন, এবং ট্যাক্সিওয়ালা এফএম চালায়, শুনবেন, সব গানই হিন্দি গান। যদি বিনোদনের জন্য সিনেমা দেখতে যান, তো দেখবেন, বেশিরভাগ সময়েই মাল্টিপ্লেক্সে একটিও বাংলা সিনেমা নেই। যদি বাংলার গর্ব বইমেলায় যান, শুনবেন, সব ঘোষণা হচ্ছে তিনটি ভাষায়, ইংরিজি, হিন্দি এবং বাংলা। একে ইংরিজিতে বলে ইনক্লুসিভনেস, বাংলায় বলে সকলকে আপন করে নেওয়া। তাতে সমস্যা নেই। কিন্তু আপন যদি করতেই হয়, তো স্রেফ হিন্দি কেন। পাশের পাড়ার ভোজপুরি, অসমীয়া, উড়িয়া, তেলুগু কী দোষ করল? প্রশ্ন করলে, আবারও কোনো উত্তর পাবেননা। কারণ এটাও ট্যাবুরই অংশ।

    যেটা ট্যাবু নয়, সেটা হল সংবাদ চ্যানেল। দিনের যেকোনো সময় যেকোনো সংবাদ চ্যানেল খুলুন, দেখবেন, চাট্টি লোক, পুরুষ বা মহিলা, একত্রে বিশুদ্ধ বাংলায় তারস্বরে চিৎকার করছে। সেটাকে আমজনতা বলে ঝগড়া, ওঁরা বলেন রাজনৈতিক বিতর্ক। তা,গোলাপকে যে নামেই ডাকুন, বার্তাটা পরিষ্কার। বাংলায় কাজ হয়না, সিনেমা হয়না, গান হয়না, শিল্প-সংস্কৃতি কিস্যু হয়না। ভাষাটা কেবলমাত্র একটা জিনিসের জন্যই উপযুক্ত, তা হল ঝগড়া। ওইটুকুই করা যায়। সেইজন্যই বাংলা সিরিয়ালে দেখবেন, তেড়ে ষড়যন্ত্র। সবাই সবার সঙ্গে ঝগড়া করে চলেছে। বাংলা ভাষায়। ওইটাই যাবতীয় সিরিয়ালের থিম। কিন্তু যেই গান চালাতে হল, হিন্দি গান চালিয়ে দিল। কারণ ঝগড়া ব্যতীত বাংলায় হয়টা কী।

    বাংলা লেখালিখির বাজারও তথৈবচ। ঝগড়ার বদলে 'জনপ্রিয়' লেখালিখি বেছে নিয়েছে এমন বিষয়কে, যা, ওইরকমই উচ্চমার্গীয়। স্বপনকুমার একটা সময় কচি বাচ্চারা পড়ত, বড়রা তা নিয়ে ঠাট্টাতামাশা করত। ফেলুদার গোটা উপাখ্যানই তো বাংলা রহস্যরোমাঞ্চকে খিল্লি করে লেখা। আর এখন থ্রিলার নাম দিয়ে বড়দের জন্য প্রথমসারির সাময়িকীতে ছাপা হয় সেইসব গপ্পো বা উপন্যাস, যেখানে অনায়াসে অ্যাটম বোমা পিঠে নিয়ে সীমানা টপকিয়ে দেশ থেকে দেশান্তরে চলে যায় ভিলেন। গল্পের গরু ইনস্যাটে ওঠে, যমালয়ে চলে যায় জীবন্ত মানুষ। সে নিয়ে ঠাট্টা করলে গণপিটুনি খেতে হতে পারে। একটা সময় যেসব ইতিহাসনির্ভর লেখা, বা ধরুন রহস্যভেদী উপন্যাস স্রেফ কিশোরপাঠ্য পদবাচ্য ছিল, সেসবই এখন চশমা এঁটে পড়ছেন বিদগ্ধরা। সেখানে শাড়ি-ব্লাউজ পরে ঘুরছেন অষ্টাদশ শতকের মহিলা, সম্রাট আকবরের গাড়োয়ান দেশলাই জ্বেলে বিড়ি ধরাচ্ছেন, কিন্তু কাউকে কিছু বলার উপায় নেই। তার উপর আছে ভূতপ্রেত আর তন্ত্রমন্ত্র। এর সবই আগে হত। যেমন ঝগড়াও হত আগে, কিন্তু টিভি চ্যানেলে সেটাকে বিতর্ক বলে চালানো হতনা। সেরকম এগুলোকেও সিরিয়াস সাহিত্য হিসেবে কখনও চালানো হয়নি। এখন হয়। বাংলা ভাষায় ঝগড়া ছাড়াও তৃতীয় শ্রেণীর নভেলও লেখা হয় বটে।

    এ সবই একটা ভাষার অনাড়ম্বরে চুপচাপ উঠে যাবার প্রাথমিক লক্ষণ। তাতে কোনো সমস্যা নেই। পৃথিবীতে কত ভাষাই উঠে গেছে। ভারতীয় ভূখণ্ড থেকে বাংলা ভাষাটা উঠে গেলেই বা কী। কিন্তু সমস্যা হল, এসবের পরে, বাঙালি আবার নিজেই নাক কুঁচকে বলে, বাংলায় ভালো সিনেমা হচ্ছেনা। ভালো লেখা হচ্ছেনা। আগে কত ভালো হত। আমাদের সংস্কৃতির ঐতিহ্য কত সুমহান, আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম, ইত্যাদি। খুব ভুল কিছু বলে তা নয়। টালিগঞ্জে এখন যাঁরা রাজত্ব করছেন, যাঁরা নাগাড়ে স্ক্রিপ্ট লিখে চলেছেন, যাঁরা প্রসব করে চলেছেন গপ্পো-উপন্যাস-কবিতা, তাঁরা এমনিতে, কে জানে, হয়তো শক্তিমান মানুষ, কিন্তু কর্মকান্ড দেখে সেটা বোঝার উপায় নেই। সর্বত্র, নিচু থেকে নিচুতর স্তরে যাবার প্রতিযোগিতা। কিন্তু কথা হল, একটা ভাষা এবং তৎসংলগ্ন সংস্কৃতি উঠে যাবার উপক্রম হলে, এরকমই হবে। যে পারবে নৌকো ছেড়ে বোম্বে পালাবে। বাদবাকি সবকিছু তলানিতে এসে ঠেকবে। এর সবটাই কিছু লোকের দায় নয়। তাঁরা একার উদ্যোগে ভাষাটা তুলে দেবার উপক্রম করেননি। করেছি আমরা সবাই মিলে। আমরা পরের প্রজন্মকে ভাষা শেখাইনি। আমরা শহরের রেডিও থেকে বাংলা গান উঠে যাওয়ায়, পলকটিও ফেলিনি। আমরা মাল্টিপ্লেক্স থেকে বাংলা সিনেমা উঠে যাবার পরে, লাইন দিয়েছি হিন্দি সিনেমা দেখতে। আমরা বহুভাষিক যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো নিয়ে বাকস্তব্ধ থেকেছি। আমরা বাংলা ভাষাকে সামাজিক অথবা রাজনৈতিক কার্যক্রমের অংশ করে তো তুলিইনি, বরং তুলতে চাওয়াকে ট্যাবু বানিয়ে রেখেছি। এর দায় স্রেফ সিনেমাওয়ালাদের নয়, গদ্যলিখিয়েদের নয়, আমাদের সব্বার। আমরা সব্বাই ফেল করেছি। আজ থেকে দুশো বছর পরে, ভারত ভূখণ্ডে মরে যাওয়া বাংলা ভাষার ইতিহাস লিখতে হলে, আমাদের প্রজন্ম সম্পর্কে একটা কথাই লেখা থাকবে -- "রেকর্ড নম্বর সহ অকৃতকার্য"। চতুর্দিকে আঙুল তোলার আগে, বিশ্বের অন্যতম চিন্তাশীল জাতি হিসেবে, এইটা আমাদের মেনে নেওয়াই ভালো।

  • | রেটিং ৪.৮ (৫ জন) | বিভাগ : ইস্পেশাল | ১৫ এপ্রিল ২০২২ | ৩৮০২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • স্বাতী রায় | ১৭ এপ্রিল ২০২২ ২০:৪৫506528
  • "আপনার ব্যাচের কতজন নিয়মিত বাংলা বই পড়েন বা বাংলায় লেখালেখি করেন এখনও? "
     
    @এলেবেলে এইটা একদম হক কথা বলেছেন।  বই পড়া জিনিসটা চিরকালই মুষ্টিমেয়র ব্যামো। আর বাংলায় লেখালেখি তো দূরস্থান অন্তরঙ্গ মহলেও অনেকেই গুছিয়ে চারটি মনের কথা বাংলায়, শুদ্ধ বাংলাও দাবী করছি না, মোটামুটি একটা ইংরাজি মেশান বাংলায় লিখে উঠতে পারে না। এই পর্যবেক্ষণ একদম একদা বাংলা মিডিয়ামের বুড়ো বুড়িদের নিয়েই।   
  • S | 2405:8100:8000:5ca1::320:9a1 | ১৭ এপ্রিল ২০২২ ২১:০০506536
  • কিন্তু এইসব সোশাল মিডিয়ার কল্যাণে বাংলা লেখালেখি বেড়েছে বলেই তো মনে হয়। লোকে যেখানে সেখানে কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ লিখে ফেলছেন।

    আর যারা বাংলা ভাষা, সমোস্কিতি নিয়ে খুউউব চিন্তিত, একটাই অনুরোধ। পয়সা দিয়ে প্রতি বছর দুচারটে বাংলা সিনেমা থিয়েটার দেখুন হলে গিয়ে। খুব অপছন্দ হলে নাহয় টিকিট কেটে দেখবেন না, কিন্তু অন্তত বাংলা সিনেমা থিয়েটারের বক্স অফিসে একটু টাকা জমা হোক। বিশেষ করে এনারাইরা রাজ্যে গেলেই পুরো পরিবার মিলে একটা দুটো বাংলা সিনেমা, একটা থিয়েটার-যাত্রা দেখুন। বাংলা সংস্কৃতি রক্ষার ক্ষেত্রে এইরকম একটা প্রবন্ধের থেকে অনেক বেশি জরুরী একটা টিকিট।
  • π | ১৭ এপ্রিল ২০২২ ২১:০৪506538
  • কী জানি, আমি তো আমার বাংলা মাধ্যমের বন্ধুদের, সিনিয়র, জুনিয়রদের তখন ভালমতই বাংলা বই পড়তে দেখেছি, স্কুলে থাকাকালীন। এখনো অনেকের সঙ্গে বইমেলায় দেখা হয়।  অনেককেই সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখালেখি করতে দেখি। 
    কিন্তু এই ইংরেজি মাধ্যমের পড়ুয়াদের এখন প্রায় কাউকে বাংলা বই পড়তে দেখিনা, ইংরাজি বই তাও পড়ে কিছুজন।
     
     
  • এলেবেলে | ১৭ এপ্রিল ২০২২ ২১:০৬506540
  • ধন্যবাদ স্বাতীদি। এ প্রসঙ্গে আরও একটা কথা বলা দরকার। সেটা হল, বর্তমান প্রজন্মের পড়ুয়ারা আমাদের থেকে অনেক বেশি পড়াশোনা করে। এখনকার ছেলেমেয়েদের তুলনায় মাধ্যমিক বা উমা স্তরে (এমনকি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় স্তরেও) আমি অনেক বেশি ফাঁকিবাজ ছিলাম। এই পড়াশোনাটা তারা ভালবেসে করে না, করে চাপে পড়ে। 
     
    আমাদের আমলে একজন ইংরেজি আর একজন অঙ্কের শিক্ষক থাকতেন যাঁদের কাছে আমরা টিউশন পড়তে যেতাম এবং সেটাও এখনকার মতো এত আঁটোসাঁটো ছিল না। বেশ একটা ঢিলেঢালা ব্যাপার ছিল। এখন প্রায় ১৫ দিন অন্তর একটা মক টেস্ট নেওয়া বাধ্যতামূলক। তাতে কী কাজ হয় বা আদৌ হয় কি না, জানি না কিন্তু এটাই এখন ইন থিং। প্লাস একজন ছাত্র বা ছাত্রীর অন্ততপক্ষে মাধ্যমিকে ৬-৭টা আর উমাতে বিজ্ঞান নিয়ে পড়লে ১০টা (বাংলা ১, ইংরেজি ১, বাকি বিষয়গুলোতে ২টো করে) টিউটর মাস্ট। এমনকি র‍্যাঙ্ক হোল্ডাররাও এর ব্যতিক্রম নয়।
     
    সঙ্গে গোদের ওপর বিষফোঁড়া আবৃত্তি, নাচ, গান, আঁকা, সাঁতার আরও নানা কিসিমের জিনিস। তো এত কিছু সামলিয়ে তারা অন্য বই পড়বে কখন? তাহলে এটা কি বর্তমান প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের দোষ না ফোঁপরা শিক্ষাব্যবস্থার দোষ? এগুলো আর কবে ভাবা হবে? আগে বেচারা বাঁচবে তবে না সাহিত্য-সংস্কৃতি?
  • π | ১৭ এপ্রিল ২০২২ ২১:০৬506541
  • এস, আমি তো চিন্তিত। আবার আমি দেখিও। টিকিট কেটে টেটেও দেখি।  কিন্তু দুঃখের সঙ্গে জানাই, সিনেমায় দেখার মত কন্টেন্ট কমই পাই।  নাটকে তাও পাই।
     
     
  • r2h | 2405:201:8005:9947:e92b:3c3:afba:1ddc | ১৭ এপ্রিল ২০২২ ২১:০৯506542
    • S | 2405:8100:8000:5ca1::320:9a1 | ১৭ এপ্রিল ২০২২ ২১:০০506536
    • আর যারা বাংলা ভাষা, সমোস্কিতি নিয়ে খুউউব চিন্তিত, একটাই অনুরোধ। পয়সা দিয়ে প্রতি বছর দুচারটে বাংলা সিনেমা থিয়েটার দেখুন হলে গিয়ে। খুব অপছন্দ হলে নাহয় টিকিট কেটে দেখবেন না, কিন্তু অন্তত বাংলা সিনেমা থিয়েটারের বক্স অফিসে একটু টাকা জমা হোক। বিশেষ করে এনারাইরা রাজ্যে গেলেই পুরো পরিবার মিলে একটা দুটো বাংলা সিনেমা, একটা থিয়েটার-যাত্রা দেখুন। বাংলা সংস্কৃতি রক্ষার ক্ষেত্রে এইরকম একটা প্রবন্ধের থেকে অনেক বেশি জরুরী একটা টিকিট।
    যারা চিন্তিত তারা হয়তো অনেকেই দেখেন। মানে জানি না, দেখেন না, এমন কোন তথ্য তো আমার কাছে নেই, তাই জোর দিয়ে দেখুন এমন পরামর্শ দিতে পারি না। আমি তো দেখি, তবে হলে না, ওটিটি ইত্যাদি। তাতেও নির্মাতারা পয়সা পান বলেই জানি। সমস্যা হল, যারা চিন্তিত নন, তারা না দেখেই, বাংলায় ভালো কিছু হয় না এই বলে আরআরআর, কেজিএফ, বাহুবলি এইসব দেখে মুগ্ধ হন।

    এবার মুগ্ধ হলে অসুবিধে নেই, যার যেমন রুচি। তবে দক্ষিন অনেকদিন হিন্দিকে সচেতন ভাবে রেজিস্ট করেছে, সরকারি ভাবেই।
     
    আমি অবশ্য প্রবন্ধের বিগ ফ্যান না, তবে এরকম ছোট লেখা পড়তে মন্দ লাগে না। সিনেমার টিকিট প্রবন্ধের থেকে দামি, এটা অনেকটা হার্ড ওয়ার্ক বনাম হারভার্ড হয়ে গেল। আসলে দুটোর মধ্যে বিরোধ থাকার কথা না।
  • এলেবেলে | ১৭ এপ্রিল ২০২২ ২১:১১506543
  • আরে এখানে উদাহরণটা আক্ষরিক অর্থে ব্যক্তির নয়, আলঙ্কারিক অর্থে প্রজন্মের। নিবেদিতা গার্লস একদা একটি সোফি ইস্কুল হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু আমার-আপনার প্রজন্মের কথা বলতে চাওয়া হয়েছে আদতে।
  • S | 2405:8100:8000:5ca1::175:15c2 | ১৭ এপ্রিল ২০২২ ২১:১৩506544
  • সেটাও বেটার। ভালো কন্টেন্ট নিয়ে নিশ্চই দুচারটে সিনেমা এখনও হয়। সেগুলই দেখুন। আমার অবশ্যি পথের পাঁচালি থেকে পাগলু টু সবই চলে।
  • π | ১৭ এপ্রিল ২০২২ ২১:১৪506545
  • আমাদের সময় আপনার সময়ের থেকে কতটা পরে জানিনা, কিন্তু যা যা চাপ বললেন, সবই ছিল। এই মক টেস্ট স্কুলের কল্যাণে সাপ্তাহিক দিতে হত।উইকলি বলত। অসম্ভব চাপে রাখা একটি স্কুলের কথাই বলছি। সেখানেও বাংলা গল্পের বই বহুজনই পড়ত। আর তার পিছনেও স্কুলের অবদান কিছু কম ছিল না। 
    স্কুল শিক্ষক শিক্ষিকাদের বড় ভূমিকা থাকে এক্ষেত্রে।
     
    আমার তো জানতে ইচ্ছ্র করে, এই কোভিড চক্করে যে এদদিন স্কুল বন্ধ রইল, প্রাইভেট ই মা কিছু স্কুল তাও অনলাইনে পড়িয়েছে,  সরকারি স্কুলগুলোর   নবম শ্রেণীর নীচের ছাত্রছাত্রীদের জন্য ঠিক কী কী করানো হয়েছে?  এইসময় তো বই পড়ার অভ্যেসও তৈরি করা যেত চাইলে, বিচ্ছিন্নভাবে হয়ত কেউ করিয়েছেন, তেমনভাবে কিছু হয়েছে কি?  সরকারি উদ্যোগে তো কিছুই হয়নি। 
    যাহোক, এ নিয়ে আলাদা সুতো খোলা যেতে পারে। রি দুই বছর স্কুল, শিক্ষকরা কী কী উদ্যোগ নিলেন,  কোথায় কী কী হল ইত্যাদি। 
  • π | ১৭ এপ্রিল ২০২২ ২১:১৪506546
  • দেখিনা, জানলেন কীকরে? 
  • π | ১৭ এপ্রিল ২০২২ ২১:১৫506547
  • কিন্তু তারপরেও চিন্তায় আছি।
     
    ওই বাইরে থাকেন, নিজে দেশের বা বাংলার জন্য কী করেন, এসব আমাকে বলে বিশেষ লাভ নেই ঃ) 
  • r2h | 2405:201:8005:9947:e92b:3c3:afba:1ddc | ১৭ এপ্রিল ২০২২ ২১:১৭506548
  • বই পড়া মুষ্টিমেয়র ব্যামো - এইটা ঠিক মানতে পারলাম না। হ্যাঁ, লোকজন হুলিয়ে সভ্যতার সংকট বা সুহাসিনীর পমেটম পড়তো তা না, তবে জুন আন্টির সিরিয়েল দেখার বদলে নিমাই ভট্টাচার্যের উপন্যাস বা রজনীকান্তর স্টান্ট দেখার বদলে বদলে স্বপনকুমারের কলেজ স্টুডেন্টদের জন্য, এইসব পড়তো, বা ছোটা ভীমের বদলে শুকতারা টারা। গুরুগম্ভীর সাহিত্য অবশ্য কোন ভাষায় কোন কালেই কেউ খুব বেশি পড়ে না। অন্য সব ছেড়েই দিলাম হকিং সাহেবের সময়ের ইতিহাস কত লোক কিনেছে আর কত লোক পুরোটা পড়েছে, তা নিয়েও আমার ঘোর সন্দেহ আছে (আমি অবশ্য কিনিই নি কোনদিন)।

    তবে সে অব্শ্য অন্য কারো দোষ না, আগে অডিও ভিসুয়াল ছিল না, তাই।
    এবার স্বপনকুমারের বিকল্প উন্নততর স্বপন কুমার দেবারতি মুখোপাধ্যায় বা স্মরণজিত এঁরা আছেন। কিন্তু অডিও ভিসুয়াল যেহেতু অনেক বেশি লাভজনক ব্যবসা, তাই সেখানে কিছু পলিসি টলিসির দরকার আছে বলে মনে হয়।
  • এলেবেলে | ১৭ এপ্রিল ২০২২ ২১:১৭506549
  • থিয়েটারটা হচ্ছে কোথায়? কলকাতায় তো? আমি যাব কেন সেটা দেখতে? কেন সেই থিয়েটার আমি আমার শহরের হলে বসে দেখতে পাব না? মানে সংস্কৃতির এই হেজিমনি আর কদ্দিন সইতে হবে?
     
    আর ওটিটি-নেটফ্লিক্স আমার বোধবুদ্ধির চোদ্দ হাত বাইরে। ও ছাতা বুঝিও না, বুঝতে চাইও না। তবে হ্যাঁ, আমার শহরের সিনেমা হলে মাঝেমধ্যে দেখি বইকি।
  • π | ১৭ এপ্রিল ২০২২ ২১:২৪506550
  • কোলকাতাকেন্দ্রিকতা নিয়ে অবশ্যই আপত্তি তোলা যেতে পারে, আগে অনেকবার তুলেছিও। এ নিয়ে কোন তর্কই নেই।
     
    তবে এই ইংরাজি মাধ্যমের দাপটে বাংলা কোণঠাসা হওয়াকে কেবল কোলকাতাকেন্দ্রিক সমস্যা মনে করিনা। 
     
    আপাতত গেলাম।
  • এলেবেলে | ১৭ এপ্রিল ২০২২ ২১:২৬506551
  • আমার শহরে ঠিকঠাক চারটে স্কুলে লাইব্রেরিয়ান আছেন। বাকিগুলোতে লাইব্রেরি আছে কিন্তু লাইব্রেরিয়ান নেই। মফস্‌সলের স্কুল লাইব্রেরিতে একটা ছেলে যাবে কখন? অফ পিরিয়ডে তো? তাদের হইহল্লা সামলাবে কে? সরকার প্রতি বছর লাইব্রেরি গ্র্যান্ট বাবদ সাকুল্যে কত টাকা দেয় সেটা যদি জানতেন! স্কুল লাইব্রেরি বাদ দিন, সরকারি লাইব্রেরিগুলোর কী হাল? কজন পাঠক সেখানে নিয়মিত হাজির হন? সবই কি আর গোলপার্ক!
     
    আচ্ছা, উইকলি তো ছিল কিন্তু উমাতে দশ-দশটা টিউটর ছিল কি? তাঁদের মক টেস্টের গুঁতো ছিল কি?
  • r2h | 2405:201:8005:9947:e92b:3c3:afba:1ddc | ১৭ এপ্রিল ২০২২ ২১:২৮506552
  • দেখুন, আপনার বোধবুদ্ধি দিয়ে তো হবে না। আমার মা'র রাত্রিকালীন দেখভালের জন্যে যে ভদ্রমহিলা আসেন শাসনরোড থেকে, তিনি ট্রেনে আসার সময় মোবাইলে সিরিয়েল দেখতে দেখতে আসেন। তাঁর ছেলে এগারো ক্লাসে পড়ে, তো, খুব কমবয়সী তাও না। ফোনের প্রিপেড রিচার্জ প্যাকে নানান চ্যানেলের সাময়িক ফ্রি সাবস্ক্রিপশন থাকে। বিনোদন এখন আধুনিক হয়ে গেছে।

    এবার দরিদ্রতর মানুষ আছেন যাঁদের স্মার্টফোন নেই। তবে সে অনেকের পক্ষে হলে গিয়ে সিনেমা দেখাও অনেক সময় সম্ভব না।
  • এলেবেলে | ১৭ এপ্রিল ২০২২ ২১:২৯506553
  • প্রসঙ্গত আমার শহরের থিয়েটার হলটি কিন্তু এসি-র সুবিধাযুক্ত। হায়, তাও তাদের বিস্তর হ্যাপা পুইয়ে এখানে আনতে হয়। তারা নিজেরা এখানে শো করতে মোটে আসে না। কেন? স্ট্যাটাসে আটকায় বুঝি? সোঁদরবনের লাগোয়া শহরে বা জেলায় আসতে?
  • S | 2405:8100:8000:5ca1::32d:7424 | ১৭ এপ্রিল ২০২২ ২১:৫০506557
  • @পাই, আপনিই তো বললেন যে কন্টেন্টের সমস্যা। সেই কারণেই বললাম যে যাদের সিনেমার বিষয়বস্তু নিয়ে সমস্যা আছে, তারা ভালো কন্টেন্টের জিনিসই দেখুন। সেরকম সিনেমা এখনও কিছু হয় জানি।

    @হুতোঃ
    প্যান্ডামিকের আগে অবধি কোলকাতা গেলে নিয়মিত বাংলা-হিন্দি সিনেমা দেখতাম। অল্প থিয়েটার দেখাও শুরু করেছিলাম। তারপরেই তো প্যান্ডামিক এলো, ব্যক্তিগত জীবনেও সমস্যা। কিন্তু তখনও দেখেছি যে কমার্শিয়াল বাংলা সিনেমায় হলে লোকজনই থাকেনা। এরকমও হয়েছে যে হলে মাত্র ২০ জন দর্শক। খাজা সিনেমা মানছি, তারপরেও এত কম যে হলের মালিকের তো সিনেমাটা চালিয়ে ক্ষতি বেশি। অথচ বম্বেতে দেখেছি জঘণ্য সিনেমাতেও হল ভর্তি থাকতো।

    প্রচুর লোকজনের সাথে কথা বলেই দেখেছি যে বাংলা সিনেমা নাকি পাতে দেওয়া যায়্না, তাই দেখতে যায়্না, দেখেনা। এদিকে গুছিয়ে বাজে হিন্দি কন্টেন্ট কনজিউম করে চলেছে। এবং আমি সিওর যে এদের থেকে অনেক বেটার কন্টেন্টের অ্যাকসেস আমার কাছে আছে। তারপরেও এইরকম ভাবার কারণটা বুঝিনি। আমাদের ছোটবেলার জেনারেশনের সেরা সিনেমা নাকি ডিডিএলজে। তারপরে এলো কহো না প্যার হ্যায়, কুছ কুছ হোতা হ্যায়। তাহলে লোকজনের বাংলা কন্টেন্ট নিয়েই নাক উঁচু ব্যাপারটা কেন?

    আর হ্যাঁ আমার সত্যিই খুব মনে হয় যে প্রবন্ধ লেখার থেকে টিকিট কাটা অনেক বেশি জরুরী। ঐসব বিজেপির বক্তব্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়ার চালাকি করে লাভ নেই। প্যান্ডামিকের পরে যাতে বাংলা সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি বন্ধ না হয়ে যায়, তার জন্যই সবাই প্লিজ বাংলা সিনেমা দেখুন।
  • r2h | 2405:201:8005:9947:e92b:3c3:afba:1ddc | ১৭ এপ্রিল ২০২২ ২২:০০506559
  • আহা, চালাকি করবো কেন। যে প্রবন্ধ লেখে বা পড়ে সে বাংলা সিনেমা দেখে না, বা প্রবন্ধ ও বাংলা সিনেমার কোন বিরোধ আছে, বা লোকে প্রবন্ধ পড়তে পড়তে সিনেমা দেখার সময় পায় না, এমন কোন তথ্য না পেলে আর কী বলবো।

    অমিও তো সেটাই বলছি। বাজার চলতি অন্য ভাষার বাণিজ্যসফল সিনেমার তুলনায় বাংলা সিনেমা কোন অংশে হীন বলে মনে হয় না।
  • π | ১৭ এপ্রিল ২০২২ ২২:০৪506560
  • বিজেপির বক্তব্যের সঙ্গে কোনটা মিলিয়ে দেওয়া?  surprise
  • S | 2405:8100:8000:5ca1::260:bc25 | ১৭ এপ্রিল ২০২২ ২২:১২506561
  • ওটা হুতো করেছেন। laugh
  • lcm | ১৭ এপ্রিল ২০২২ ২২:১৪506562
  • সৈকত লিখে দিয়েছে --

    "... টালিগঞ্জে এখন যাঁরা রাজত্ব করছেন, যাঁরা নাগাড়ে স্ক্রিপ্ট লিখে চলেছেন, যাঁরা প্রসব করে চলেছেন গপ্পো-উপন্যাস-কবিতা, তাঁরা এমনিতে, কে জানে, হয়তো শক্তিমান মানুষ, কিন্তু কর্মকান্ড দেখে সেটা বোঝার উপায় নেই। সর্বত্র, নিচু থেকে নিচুতর স্তরে যাবার প্রতিযোগিতা।... "

    পয়্সা দিয়ে টিকিট কেটে বাজে সিনেমা দেখলে বড়জোর ঐ "নিচু থেকে নিচুতর স্তরে" ঠেলে দেওয়া হয়, সবাই মিলে দেখলে, বা উৎসাহ দিলে বাজে জিনিস ধীরে ধীরে ভালো হয়ে ওঠে না।

    এভাবে হবে না। বড়েস, অন্য আইডিয়া দাও।
  • S | 2405:8100:8000:5ca1::297:64f5 | ১৭ এপ্রিল ২০২২ ২২:২১506564
  • ঈশানদা লিখেছেন মানেই যে সেটা সর্বৈব সত্য, এরকম জানতাম না। লেখকের অন্তত এই বক্তব্যটা থেকে বোঝা যায় যে লেখক সিনেমা ব্যবসাটাই বোঝেননি। হলিউড বলিউড সর্বত্রই খাজা সিনেমার ছড়াছড়ি। সেইসব খাজা সিনেমাগুলো হিট করে বলেই পরের ভালো সিনেমাটা তৈরী করা যায়।
  • π | ১৭ এপ্রিল ২০২২ ২২:২৫506565
  • অত্যন্ত খাজা খাজা সিরিয়াল, হইচইয়ের দুপুর ঠাকুরপো মার্কা কন্টেন্ট তো দারুণ হিট করে, ভিউ আর বিজ্ঞাপনের ছরড়া,  সিরিয়ালকারীরা সুপারহিট সেলিব্রিটি, আজ সকালে রাজনীতি শুরু করে বা না করে বিকালে ভোটে দাঁড়ালেও রেকর্ড ব্যবধানে জয় হয়, তো তাতে করে বাংলা সিরিয়াল বা হইচইয়ের সিরিজের কন্টেন্টের কী কী উন্নতি সাধন হয়েছে?  
  • r2h | 2405:201:8005:9947:e92b:3c3:afba:1ddc | ১৭ এপ্রিল ২০২২ ২২:২৫506566
    • S | 2405:8100:8000:5ca1::260:bc25 | ১৭ এপ্রিল ২০২২ ২২:১২506561
    • ওটা হুতো করেছেন। laugh
    ঐ, প্রবন্ধ বনাম টিকিটের সঙ্গে হার্ভার্ড বনাম হার্ড ওয়ার্ক laugh
  • lcm | ১৭ এপ্রিল ২০২২ ২২:২৭506567
  • আরে আমিও তো তাই ভাবতাম, সেই মনে করেই তো সৃজিতের বাংলা সিনেমাগুলো দেখেছি এককালে, তারপর দেখি - ও বাবা, দিনে দিনে আরও বাজে সিনেমা বানাচ্ছে, ক্রমশ খারাপ হচ্ছে। এর জন্য আমি এখন নিজেকে দায়ী করি। যদি প্রথম দিকের সিনেমাগুলো না দেখতাম তাহলে আজ এই যন্ত্রণা ...
  • এলেবেলে | 2402:3a80:1153:66d3:815:5a74:705:733 | ১৭ এপ্রিল ২০২২ ২২:২৯506568
  • আজ কোথায় যেন একটা টপ টেন এর লিস্ট বেরিয়েছে। তাতে সর্বাধিক বিক্রিত সাহিত্যিকের নাম দেবারতি মুখোপাধ্যায়। তাহলে বাংলা সাহিত্য কী কন্টেন্ট করছে, সে সম্পর্কিত ধারণা পাওয়া যায় নিশ্চয়ই?
  • lcm | ১৭ এপ্রিল ২০২২ ২২:৩২506569
  • "... খাজা সিনেমাগুলো হিট করে বলেই পরের ভালো সিনেমাটা তৈরী করা যায় ..."

    হা হা।
    এটা হেব্বি। লং টার্মে বিজনেস সাফল্য পেতে চাইলে প্রথমে ইচ্ছে করে খাজা সিনেমা বানাতে হবে। :-)
  • স্বাতী রায় | ১৭ এপ্রিল ২০২২ ২২:৩৪506570
  • একটা ব্যাচের মোটামুটি সত্তর আশি জনের মধ্যে মেরে কেটে খুব বেশি হলে জনা পনের নিয়মিত বাংলা বই পড়ে। হ্যাঁ বই পড়া মানে বছরে একটা বই পড়া বলছি না। অন্তত বছরে খান আঠেরো-কুড়ি বই পড়ার কথা বলছি। পনের দিনে একবার সানন্দা জাতীয় ম্যাগাজিনের পাতা উল্টানর কথা বলছি না।  তবে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি আত্মীয় স্বজন মহলেও খবরের কাগজের সাপ্লিমেন্ট ব্যতীত সাহিত্য-বই পড়া গুরুজন কম দেখেছি, রেশিও দেখলে , প্রায় কুড়িতে একজন। তাই আমি তো অবাক হই না।     
  • lcm | ১৭ এপ্রিল ২০২২ ২২:৩৫506571
  • দেবারতি মুখোপাধ্যায় কে?
    কবি দেবারতি মিত্র এক্জন আছেন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে প্রতিক্রিয়া দিন