ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ভ্রমণ  জাদু দুনিয়া

  • তাবাকোশি

    Dibyendu Singharoy লেখকের গ্রাহক হোন
    ভ্রমণ | জাদু দুনিয়া | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ | ৩৬৭ বার পঠিত
  • :: এক ::
    টিকিট কাটা হয়েছিল মাস দুয়েক আগে। পরিকল্পনা ছিল জানুয়ারির এক শনিবার ট্রেনে কলকাতা থেকে জলপাইগুড়ি; তারপর সেখান থেকে গাড়িতে মিরিকের ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম তাবাকোশি। আগে তার নামই শুনিনি কোনোদিন। যখন শুনলাম ও আগে যারা গিয়েছেন তাদের অল্প কয়েকজনের সাথে কথা বললাম তখন মনেহল এখনো এখানে পর্যটকদের জমজমাট ভীড় হয়না। গুগুল দেখে এক হোমস্টে বুক করে ফেললাম। তারপর শুধু দিন গোনার পালা।
    ডিসেম্বরের শেষের দিকে দম আটকে এলো দেশের। বন্ধ হয়েগেল সব পর্যটন। আমিও আক্রান্ত হলাম। প্রায় বাতিল হওয়ার মুখে আমাদের সফর । তবু শেষ অবধি কি হয় দেখাযাক ভেবে টিকিট আর বুকিং ক্যানসেল না করে অপেক্ষা চলতে থাকল। তারপর একদিন সকালে দেখলাম পৌঁছে গেছি নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে। সেখান থেকে গাড়িতে যেতে হবে প্রায় ৬০ কিলোমিটার। শহর ছাড়িয়ে। পাহাড়ি পথে।
    পাহাড় আমিযে ঢের দেখেছি তা নয়। কিন্তু যেটুকু দেখেছি শিশুর বিস্ময়ে তাকিয়ে থেকেছি। পশ্চিমঘাট পর্বতমালার মাঝে ট্রেনে যেতে যেতে গ্রীষ্মে আর বর্ষায় পাহাড়ের দুই রূপ দেখেছি। ছোটনাগপুরের রুক্ষ পাহাড়ি উচ্চভূমি দেখেছি। দক্ষিণাত্যে ঘুরেছি অল্প বিস্তর। যখন কোনো পাহাড়ের কাছে এসেছি তখন শ্রদ্ধায় মাথা নত করেছি। যে সুউচ্চ, বিপুলায়তন পাথরের সামনে আমি দাঁড়িয়ে তা কোটি কোটি বছরের ইতিহাস নিজের মাঝে ধারণ করে রেখেছে। তারপর তার অঙ্গ স্পর্শ করে যখন উপরে উঠেছি; উপর থেকে দেখেছি দিগন্ত আমার সামনে তুচ্ছাতিতুচ্ছ বিস্তৃত, তখন নিজেকে বড় স্বাধীন লেগেছে। মহান লেগেছে। মনে হয়েছে অবলীলায় পৃথিবীর যত কদর্যতা, যত অপরাধ, যত বৈষম্য আমি দূর করতে পারি। ক্ষমা করতে পারি।
    কিন্তু হিমালয়! যা শুধু নাম নয় সৌন্দর্য, রহস্য, বিশালতার নামান্তর তা চাক্ষুষ হয়নি।
    নিম্নভূমি ছেড়ে আমাদের গাড়ি উঁচুতে ওঠার ঠিক আগে যেখানে শহুরে কোলাহল শান্ত হয়েছে সেখানে একটা রেস্তোরাঁয় আমাদের গাড়ি প্রথম থামল। মঙ্গলয়েড চেহারার হাসিখুশি মানুষ। দু কাপ চা তখন আমাদের বড্ড দরকার। সমতলের লোক সবেসবে ঠান্ডার প্রকোপ বুঝতে শুরু করেছে। পেটে প্রবল ক্ষিদে। গরমাগরম ম্যাগি আর চা খেয়ে দাম দেওয়ার পর বাকি টাকা ফেরত নিতে গিয়ে দেখি এক হাত দিয়ে অন্য হাত ছুঁয়ে কিছুটা মাথা নিচু করে ফিরিয়ে দেওয়ার অদ্ভুত বিনয়ী ভঙ্গী। ভালোলাগার শুরু সেই থেকেই।
    রেস্তোরাঁ থেকে বেরিয়ে সামনেই দুটো উঁচু টিলা যেন নতুন ভূমিতে আমাদের স্বাগত জানাচ্ছে। গাড়ি আবার চলতে শুরু করল।
    গাড়ি উপরে উঠতেই ধোঁয়ার মত কুয়াশা আর ঝিরঝিরে বৃষ্টি। রাস্তা সরু হয়ে এলো। তারপর এক সময় রাস্তার নামে যা পাওয়া গেল তাতে গাড়ি কিভাবে চলে তা ভাবলে এখনো ভয়, বিস্ময় কাটতে চায়না। পাহাড়ের গা বেয়ে সর্পিল পথে প্রায় ৬০ ডিগ্রি কোনে চড়াই উৎরাই ভেঙে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। এক পাশে উঁচু দেওয়াল আরেকপাশে সুগভীর খাদ, যেদিকে তাকালে মৃত্যুর শিহরণ আমাদের ছুঁয়ে যাচ্ছে। দৃষ্টি প্রসারিত করলে আনকোরা পাহাড়ি পরিবেশ আমাদের রোমাঞ্চিত করছে।
     

    :: দুই ::
    পাহাড় পাহাড় আর পাহাড়। তার মাঝে নিচ থেকে উপরে ধীরে ধীরে উঠে গিয়েছে তাবাকোশি নামের ছোট্ট গ্রামখানা। নিচের পাথুরে খাত ধরে বয়ে যাচ্ছে রাংবাং নামের ছোট্ট একটা নদী। সেখানটা উপত্যকার মত। বেশ কয়েকটা টুরিস্ট গাড়ি দাঁড়িয়ে। ছোটছোট কিছু দোকানও আছে। আমাদের হোমস্টে পাহাড়ের পিঠে বারান্দার মত এক জায়গায়। মাঝামাঝি উচ্চতায়। এ গ্রামের পাহাড়ি দেওয়াল আসলে বিস্তীর্ন চা বাগান আর খাদের দিকে কমলা লেবুর চাষ। আমরা যে সময় এসেছি সে সময় কমলা লেবু তোলার কাজ শেষ। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি এ গ্রামে গাঢ় সবুজ আর কমলার অদ্ভুত বৈচিত্র্যময় সংমিশ্রণ দেখা যায়।
    এসমস্ত এলাকায় হোমস্টে কেমন হয় তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্ত ব্যবহার যত ভালোই হোক সব হোমস্টেকে ঠিক হোমস্টে বলা যায়না। বরং ঘরোয়া হোটেল বা রিসোর্ট বলা শ্রেয়। কপাল গুনে আমরা যেখানে থাকছি তা একটি সত্যিকারের হোমস্টে। তাতে চার পাঁচটা থাকার ঘর। তিনটে টুরিস্টদের জন্য রেখে বাকি দুটো ঘরে থাকে ঝর্ণা, রাজেশ সুব্বা, রাজেশের মা আর ছেলে। ঘরের পেছনেই ছোট্ট টিনের চালের রান্নাঘরে সবার জন্য এক সাথে রান্না হয়। সামনের একফালি জমিতে অল্প বিস্তর ফুল আর অর্কিডের বাগান। পিছনে সবজির চাষ। দুজনে বুদ্ধি করে দারুন সাজিয়েছে ঘরগুলো। বাইরে দাঁড়িয়ে দূরের পাহাড়ের গায়ে অনেককটা ইংরেজি জেড অক্ষর জুড়ে দেওয়া রাস্তা। যার গা বেয়ে অতি সাবধানে পোকার মত নেমে আসে, উঠে যায় মোটর গাড়ি।
    দুপুরের খাবার খেয়ে আমরা বসে থাকিনি। গ্রামের উপরের দিকের শেষ প্রান্তে পৌঁছে গিয়েছিলাম। ঘরবাড়ি আর নেই সেখানে। পাখির ডাক ছাড়া আর কোনো আওয়াজও নেই। দুরান্তে পাহাড়। আর এই পাহাড়ের উপরে শুধু আমরা।
    শব্দ নেই। কিন্তু কি অপূর্ব প্রাণময় সে অনুভূতি তা লিখে বোঝানো যায়না।

    :: তিন ::
    দ্বিতীয় দিন কাটল আশেপাশের সাইট সিইং করতে। তবে সে আজকের আলোচ্য নয়। তৃতীয় দিনে আমাদের কোনো কাজ নেই। সকালের খাবার খেয়ে নিচের দিকে নেমে পৌঁছে গেলাম নদীর কাছে। ছোট্ট পাহাড়ি নদী। মাঝে বড় বড় পাথর। দুকাপ চা নিয়ে গল্প জুড়লাম বয়স্ক দোকানীর সাথে। আমাদের হোমস্টের মালিক নাকি তার কেমন কেমন ভাইপো হয়। এখানে সবাই সবার আত্মীয়। আমাদের ড্রাইভার নিমেন নামের ছেলেটিকে দেখেছি গ্রামের সবাই চেনে। চাকা দুবার গড়াতে না গড়াতেই সে একে ওকে দেখে এক মুখে হেসে ওঠে। নেপালি ভাষায় কি যেন বলে তারপর আরেকটু এগিয়েই আরেকজনের সাথে দেখা। আবার হাসে। আবার বলে। অকৃত্তিম সে হাসি। ভাষা বুঝিনা তবু বোঝা যায় হৃদয় থেকে বলা সেই কথা।
    চা সেবন করে নদীর পথ ধরে এগোতে শুরু করে আরেক পাহাড়ে পাশ দিয়ে পৌঁছে গেলাম অতি নির্জন এক চা বাগানে। ঘুরে ঘুরে চায়ের চারার উপর জল পড়ছে মোটর লাগানো নল দিয়ে। যে দিকে চোখ যায় শুধু সবুজ আর সবুজ। দূরে এক জায়গায় সবুজ গাঢ় হতে হতে নীলে মিশে গিয়েছে। কোনো এক অজানা পাখি ডেকে যাচ্ছে অবিরাম।
    এই দিগন্ত বিস্তৃত সবুজ পাহাড়, নিচ দিয়ে বয়ে যাওয়া নদী, পাখির অবিশ্রাম ডাক; সৃষ্টির কোনো এক পর্যায়ে এসমস্ত প্রকৃতির চলমান ক্যানভাসে আঁকা হয়ে গিয়েছিল। যেন আমরাই প্রথম তাকে অনুভব করলাম।
    এক সময় ফিরলাম আবার। নদীর আরেক দিকে একটু উঁচুতে একটা পার্ক। সেখানে ঘুরে আমরা নেমে এলাম নদীখাতের কাছে। পাথরের উপর আছড়ে পড়ছে জল। যেখানে আটকা পড়েছে সেখানে কাঁচের মত স্বচ্ছ জলের নিচের নুড়ি, বালি স্পষ্ট দেখা যায়। এপার থেকে ওপারে যাওয়ার ছোট্ট বাঁশের সাঁকো স্থানীয়দের জন্য। মাত্র তিনটে বাঁশের উপর দিয়ে অবলীলায় যাতায়াত করছে তারা। আমরা বসলাম। হেঁটেছি অনেক। হালকা হওয়া বইছে আর পাথরে জল ভাঙার শব্দ অবিরাম, বৃষ্টির মত। এমন সময় দেখি নদীর দিকে এগিয়ে এলো এক শিশু আর তার কুকুর। সাঁকোর বদলে পাথরের উপর লাফিয়ে লাফিয়ে সে পৌঁছে গেল অন্য পারে। কুকুরটা সাঁকোর কাছে এসে থমকে গেল। তারপর সে পাথরের উপর দিয়ে লাফিয়ে পর হতেও পারলনা পুরোটা। শেষে শিশুটা আবার এসে কুকুরকে কোলে নিয়ে ওপারে পৌঁছে দিল। অতি সাধারণ দৃশ্যও অপরূপ প্রেক্ষাপটে ভালোবাসায়, স্নেহে রাঙা হয়ে ধরা দিল। আমরা চড়াই বেয়ে উপরে হোমস্টের পথ ধরলাম।
    হোমস্টেতে ফিরে দুপুরের খাবার খেয়ে একটু বিকেল বিকেল চা বাগানের মধ্যে দিয়ে পাকদন্ডী বেয়ে উঠে গেলাম পাহাড়ের অন্য দিকে। সন্ধ্যে নেমে আসছে। দূরের পাহাড় গুলো আবছা ধূসর হয়ে আসছে। এরপর তাতে জোনাকির মতো আলো জ্বলে উঠবে। চা খেতে খেতে রাজেশ সুব্বা বলল তার হোমস্টের কথা। আরো দুটো ঘর করবে, আরো সাজাবে। বলল কালিমপং বোর্ডিংয়ে পড়া মেয়ের কথা। ফেব্রুয়ারির পাঁচ তারিক সরস্বতী পুজোর তিথিতে যার জন্মদিন। ঝর্ণা তখন নিবিষ্ট মনে রাতের খাবার তৈরি করতে ব্যস্ত। ব্যাগ গুছিয়ে রাখার পর আমি শব্দ, বর্ন, গন্ধ, দৃশ্য গুলো সাজিয়ে রাখছি মনের ভিতরে। চলে যেতে হবে আগামী কাল।
     

    :: স্থান পরিচয় ::
    দার্জিলিং জেলার মিরিকের কাছে চা বাগান ঘেরা একটা ছোট্ট গ্রাম তাবাকোশি। যে চা বাগানের মাঝে আমাদের হোমস্টে তার নাম মাগারজাং টি গার্ডেন। প্রচুর কমলালেবু পাওয়া যায় বলে জায়গাটিকে অরেঞ্জ ভ্যালিও বলে। নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে দূরত্ব প্রায় ৬০ কিলোমিটার। যেতে সময় লাগে আড়াই ঘণ্টা। অন্য সব পাহাড়ি গ্রামের মতোই এখানে সুস্থ, কর্মঠ মানুষের বাস। গোটা গ্রামে তাই একটিও ওষুধের দোকান নেই। নেই কোনো মিষ্টির দোকানও।
    ঝর্ণা হোমস্টের পরিচালক সুব্বা দম্পতি (ঝর্ণা, রাজেশ সুব্বা)। সকাল দুপুর রাত্রিতে খাওয়ায় ব্যবস্থা ডিম, মাংস, মাছ, স্কোয়াশ, আলুর তরকারি, ভাত ও রুটি দিয়ে। নিজের রুচি অনুযায়ী আগে জানিয়ে দিতে হয়। সকাল সন্ধ্যে চা'ও পাওয়া যায়। স্টেশন ও সাইট সিয়িংএর প্রয়োজনে গাড়ির ব্যবস্থা ওঁরাই করে দেন। হমাস্টের ফোন নম্বর: 75479 84728।
  • | বিভাগ : ভ্রমণ | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ | ৩৬৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ২২:১৮504014
  • আহা দার্জিলিং আর কালিম্পং জুড়ে এই হোমস্টেগুলো কি যে অপূর্ব! 
     
  • reeta bandyopadhyay | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ১২:২০504117
  • খুবই সুন্দর বর্ণনা, ভাল লাগল পড়ে ।
  • যজ্ঞেশ্বর বাইন | 103.67.157.163 | ০১ মার্চ ২০২২ ১২:১০504510
  • সত্যিই অসাধারণ
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভালবেসে মতামত দিন