ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  আলোচনা  সিনেমা

  • মনিকা ভিত্তি – আন্তনিওনির মানসকন্যা

    শুভদীপ ঘোষ
    আলোচনা | সিনেমা | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২ | ১১৫৫ বার পঠিত | রেটিং ৪.৮ (৬ জন)

  • ইঙ্গমার বার্গম্যান - ম্যাক্স ভন স্যাডো, জাঁ লুক গদার - জাঁ পল বেলমন্দ, আকিরা কুরোসাওয়া- তসিরো মিফুনে, আন্দ্রে ভাইদা - বিগনাউ কাইবুলস্কি, ফেদেরিক ফেলিনি - মার্চেল্লো মাস্ত্রইয়ানি! সমান্তরাল চলচ্চিত্র, আর্ট হাউস চলচ্চিত্র, সিরিয়াস চলচ্চিত্র যে নামেই ডাকা হোক, যারা এ ধরণের চলচ্চিত্রের সাথে নূন্যতম পরিচিত তাদের কাছে উপরের যুগলগুলি সুপরিচিত। আমাদের দেশে এই যুগলের নাম, সত্যজিৎ রায় - সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়! এসবই মানসপুত্রদের কথা। কিন্তু মানসকন্যা? পুরুষমানুষের মনের ইচ্ছা বা কল্পনার প্রতিমূর্তি হিসেবে জন্ম হবে আরেকজন পুরুষের এটাই কি স্বাভাবিক নাকি সর্বত্রগামী পুরুষ-তন্ত্রের এটা আরেক ধরণের সূক্ষ্ম আত্মপ্রকাশ এই কূটতর্কে না গিয়েও একটা কথা বলা যায়, মানসকন্যার সংখ্যা তুলনায় কম। সত্যজিতের নায়িকা হিসেবে যাদের কথা বলা হয় তারা ঐ নায়িকার বেশি কিছু নয়। ভাইদার ক্রিস্টিনা জিন্দা বা ফেলিনির গুইলিয়েত্তা মাসিনা বা গদারের আনা কারিনা? উহু, যুগল হিসেবে ঠিক দাঁড়াচ্ছে না ব্যাপারটা। বার্গম্যান - লিভ উলম্যান? হ্যাঁ ঠিকঠাক। তবে এব্যাপারে এক্কেবারে মোক্ষম হল, মাইকেলেঞ্জেলো আন্তনিওনি(১৯১২-২০০৭) - মনিকা ভিত্তি(১৯৩১-২০২২) এই জুটি!

    মনিকা ভিত্তিকে আন্তনিওনির মানসকন্যা বলার কারণ শুধুমাত্র এই নয় যে ওঁর একক নির্দেশিত চোদ্দ পনেরটি ছবির মধ্যে পাঁচটিতেই মনিকা অভিনয় করেছিলেন। সত্যজিৎ রায়ের প্রধানতম ছবি গুলির তালিকায় নিশ্চয়ই সব ছবি পড়বে না। পড়বে ‘অপুত্রয়ী’, পড়বে ‘চারুলতা’, পড়বে ‘অরণ্যের দিনরাত্রি’ ইত্যাদি। কারণ, এগুলিতেই সত্যজিৎ-বীক্ষার সর্বোত্তম প্রকাশ ও বিকাশ দেখা গেছে। একই ভাবে আন্তনিওনির ক্ষেত্রে নাম করতে হবে তাঁর প্রখ্যাত ট্রিলজি – ‘লাভেন্তুরা’(১৯৬০) , ‘লা-নত্তে’(১৯৬১), ‘লা-এক্লিপ্স’(১৯৬২)-এর, নাম করতে হবে ‘দি রেড ডেসার্ট’(১৯৬৪)-এর। মনিকা ভিত্তিকে ছাড়া এই ছবিগুলোর কথা স্রেফ ভাবা যায় না! আন্তনিওনির বীক্ষা বিকশিত হতই না যদি না মনিকা ভিত্তি থাকতেন। সবাই জানেন আন্তনিওনির ভুবন আধুনিক যুগ জটিলতার প্রধান চিহ্নগুলির ধারক। এলিয়ানেশান, ডিস্ট্র্শন, কনফিশন এইগুলির সঙ্গে তাঁর ছবির দর্শকরা নিয়ত অভ্যস্ত। মনিকা ভিত্তি সুন্দরী, লাস্যময়ী, কিন্তু তার থেকেও বড় হল একাকীত্বের, বিহ্বলতার ও অনির্দিষ্ট যন্ত্রণাকে গোপন করে রাখার ওরকম একটি মুখ আর দ্বিতীয় খুঁজে পাওয়া যাবে না। তাই আন্তনিওনির ঐ ছবিগুলির ভুবন ও মনিকা ভিত্তি সমার্থক।


    লাভেন্তুরা

    মনিকা আধুনিক ঊর্ণনাভ সভ্যতার জটিল তন্তু-জালের লিঙ্গ-নিরপেক্ষ প্রতীক। পরিচালকের ভাবনা নারী-মনের জটিলতার ভিতর দিয়ে প্রকাশ পেয়েছে ঠিকই, কিন্তু এই জটিলতা শুধুমাত্র নারীর নয়, এটা একটা যুগের জটিলতা। আন্তনিওনির ‘ব্লো-আপ’(১৯৬৬) ছবির টমাসের সংকট যেমন একা একজন পুরুষের নয়, একটা যুগের। মনিকাকে দেখলে আমাদের ভালো লাগে কিন্তু তার সঙ্গে অদ্ভুত এক অস্বস্তিতে ক্রমাগত দীর্ণ হতে থাকে আমাদের হৃদয়। মনিকা অভিনীত ‘লাভেন্তুরা’-র ক্লাউদিয়া চরিত্রটি আইডেন্টিটির সন্ধানে নিয়ত ভ্রাম্যমাণ এক পথিক। বিশ্বাসভঙ্গের অন্তরালে রয়েছে অস্তিত্বের অসহনীয় লঘুতার ব্যাপারটা। গির্জার ছাদে ক্লাউদিয়ার বিষণ্ণ মুখের সঙ্গে দড়ি ধরে টানা ঘণ্টার ধ্বনির শব্দ ডেথ নেলের মত শোনায় আমাদের কানে! তথাপি পরিসমাপ্তি ঋণাত্মক নয় । ছবির আবদ্ধ ফ্রেমের একদিকে আমরা দেখতে পাই ক্লাউদিয়াকে, তার হাত বেঞ্চে বসা অসহায় প্রেমিকের কাঁধে রাখা। ফ্রেমের অন্যদিক বিস্তৃত হয়ে আছে দূরের তুষারাবৃত পর্বতমালায়। ‘লা-নত্তে’-তে মনিকা অভিনীত ভ্যালেন্টিনার আগমন ঘটে ছবির শেষ দিকে। ছবিটিতে ষোল ঘণ্টার রিয়েল টাইমকে ধরা হয়েছে দু’ঘণ্টার রীল টাইমে। অবিশ্বস্ত স্বামী-স্ত্রী জিওভানী ও লিদিয়ার চরিত্রে অভিনয় করেছেন মার্চেল্লো মাস্ত্রইয়ানি ও জাঁ মরো। ধনকুবের নাইটক্লাবের মালিকের মেয়ে ভ্যালেন্টিনা। সেই নাইট ক্লাবে আসে জিওভানী ও লিদিয়া। ভ্যালেন্টিনার শেষ আধা ঘণ্টার স্ক্রিন প্রেজেন্স ছবিটিকে পৌঁছে দিয়েছে জীবনের একেবারে নিভৃত প্রদেশে। ভ্যালেন্টিনা প্রেমের তৃতীয় বিন্দুর সরলরেখায় বাঁধা নয়, মনিকা ভিত্তির অসামান্য অভিনয় জিওভানী ও লিদিয়ার যন্ত্রণার্ত দাম্পত্যকে ঠেলে দিয়েছে শেষ ভোরের নতুন কোনো সম্ভাবনার দিকে। ‘লা-একলিপ্স’ ভালবাসার ও ভালবাসতে না পারার কাহিনী। পিয়েরো (প্রখ্যাত আঁলা ডিলো অভিনীত) ও ভিত্তরিও-র (মনিকা ভিত্তি) আসঙ্গলিপ্সা আছে অথচ গভীর একধরণের মানসিক বিচ্ছিন্নতার বোধ তাদের মধ্যে সদা জাগ্রত! তারা মরতে চায় না, কিন্তু তাদের মাঝখানে বিরাজ করছে মৃত্যুর মত হিমশীতলতা! ‘লা-নত্তে’ হয়ে ‘লা-এক্লিপ্স’, মনিকার অনুকল্পে ভ্যালেন্টিনা হয়ে ভিত্তরিও শেষাবধি সাক্ষী থাকে জগত-জোড়া গ্রহণের। এই গ্রহণ প্রাকৃতিক ঘটনার পরিধি ছাড়িয়ে ভিন্নতর অর্থে বাঙময় হয়ে আছে।

    আমাদের প্রথম মনিকা-অভিজ্ঞতা কিন্তু উক্ত তিনটি ছবির কোনোটির ভিতর দিয়েই ঘটেনি। ২০০৫-৬ সাল হবে, নন্দন দুই-এ দেখানো হয় ‘দি রেড ডেসার্ট’। ‘ব্লন্ড’ ব্যাপারটার সাথে সেই আমাদের সঠিক পরিচয় ঘটে। গুইলিয়ানা ওরফে মনিকা ভিত্তি স্বর্ণকেশী এবং ছবিটি তাঁর বিড়ম্বিত আর্তনাদের করুণ অশ্রুপাতে সিক্ত। গুইলিয়ানা আত্মহত্যা-প্রবণ, কারণ গ্রহণ-উত্তর পৃথিবীতে প্রেমের গভীর আর্তনাদ আজ কোথাও গিয়ে পৌঁছয় না। আজকের সভ্যতা কংক্রিটে মোড়া, সেই কংক্রিটে সেই আর্তনাদ প্রতিধ্বনিত হতে থাকে শুধু। চারপাশের কারখানার চিমনি, কিছু দূরে সমুদ্র-বন্দর, এরমাঝে আচমকা জাহাজের ভোঁ গুইলিয়ানার সঙ্গে আমাদের মনেও অন্য পৃথিবীর বার্তা বয়ে আনে। কিন্তু আচমকা স্বপ্ন টুটে যাওয়ার মত গুইলিয়ানা দেখে সে রয়েছে চার-দেওয়ালে বন্দী , বাইরে তাকিয়েও যেন দেখে তারই মত অনির্দিষ্ট কোনো যন্ত্রণায় ভরা অসংখ্য বিচ্ছিন্ন মানুষের পদচালনা। বিচ্ছিন্নতা সংযোগহীনতার নির্মম প্রতীক সে। শিল্প বিপ্লব-উত্তর পৃথিবীতে মানুষের অসহায় বস্তু-নির্ভরতা এবং সেই থেকে জাত নিঃসঙ্গতার ভয়টি আন্তনিওনি দুর্দান্ত ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন গুইলিয়ানার ভিতর দিয়ে। ঘন কুয়াশার আস্তরণ তাকে, তার স্বামীর থেকে তার বন্ধুদের থেকে দূরে নিয়ে যাচ্ছে। নৈসর্গিক বিচ্ছিন্নতা যেন! আন্তনিওনি খুঁজে বেড়াচ্ছেন মানুষের একান্ত হাড়িয়ে যাওয়া মূল্যবোধকে। আজ মনে হয় এ-ছবি আসলে আরও বেশী করে আজকের সময়ের দলিল। একজন সমালোচক মন্তব্য করেছিলেন, "if L' Eclipse is prophecy of the end of the world, Desert to Rosso is a vision of the new world to come, of the world that is apparently in the process of becoming."। শুধু অভিব্যক্তিতে নয়, গুইলিয়ানা তার চেহারা দিয়ে তার সামগ্রিক উপস্থিতি দিয়ে ব্যক্ত করেছে এই যুগ-যন্ত্রণাকে। এখানেই মনিকা ভিত্তি অনিবার্য ও অতুলনীয়।



    ‘দি রেড ডেসার্ট’


    আন্তনিওনির অপেক্ষাকৃত কম পরিচিত আরেকটি ছবিতে তিনি অভিনয় করেছিলেন, নাম ‘দা মিস্ট্রি অফ অবেরয়াল্ড’(১৯৮০)। ফ্রান্সের প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার জাঁ ককতোর লেখা একটি নাটক থেকে ছবিটি করেছিলেন আন্তনিওনি। এছাড়াও স্বল্প স্ক্রিন-টাইমে মনিকা ভিত্তির অসামান্য অভিনয় আমরা দেখেছি স্পেনের বিখ্যাত পরিচালক লুই বুনুয়েলের ছবি ‘দা ফ্যান্টম অফ লিবার্টি’(১৯৭৪)-তে। ৮০ দশকের পর থেকে তাঁকে আর রুপালী পর্দায় দেখতে পাওয়া যায় নি। তাঁর শেষের দিনগুলি শোনা যায় ভালো কাটেনি। কিছু মানুষ থাকেন যাদের সেরা সময় চলে যাওয়ার পর হয়ত তাঁদের খোঁজ আর সেই ভাবে কেউ রাখে না। কিন্তু হঠাৎ তাঁদের চিরতরে চলে যাওয়ার খবর পেলে তা তাৎক্ষনিক-ভাবে অযুত স্মৃতির জন্ম দেয়। এর মধ্যে মিশে থাকে ভালোলাগা ও বিষাদ-মাখা এক অদ্ভুত অনুভূতি! আন্তনিওনি ইহলোক ত্যাগ করেছেন অনেককাল হল, মনিকা ভিত্তিও চিরতরে চলে গেলেন গত ২রা ফেব্রুয়ারি।

  • | রেটিং ৪.৮ (৬ জন) | বিভাগ : আলোচনা | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২ | ১১৫৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সুমিত্রা পাল | 223.223.148.170 | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ১৬:৫৬503983
  • মনিকা ভিত্তির ছবিগুলি দেখা হয়নি। এই লেখাটি এত চমৎকার যে ছবিগুলি দেখার ইচ্ছে হয়। ধন্যবাদ।
  • Somenath Guha | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ১৮:৩৯503986
  • চমৎকার লেখা। রেড ডেসার্ট মনে হয় পরিচালকের প্রথম রঙিন ছবি। ওনার ট্রিলজি দেখে মনে হয়েছে নর নারীর জটিল মনসতাত্বিক সম্পর্ক এতো নিখুঁত ভাবে কেউ সেলুলয়েডে ফুটিয়ে তুলতে পারেননি। the impossibility of love ..........
  • Ranjan Roy | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ২৩:৫০504027
  • ভালো লাগল।
     প্রথম যৌবনে, যখন সিনেমা দেখার চোখ তৈরি হয়নি, সোফিয়া লোরেন, জিনা লোলোব্রিজিদা ও মনিকা ভিত্তি তাঁদেরস্ক্রীন -প্রেজেন্স দিয়ে     আমাদের আচ্ছন্ন করে রেখেছিলেন। মনিকা ভিত্তির গভীর অতলান্ত চোখ, তার দূরে ছড়িয়ে যাওয়া দৃষ্টিপাত বুকের মধ্যে একটা না-বোঝা কষ্টকে উসকে দিত।
  • Subhadeep Ghosh | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ২৩:৪২504059
  • @সুমিত্রা পাল
    অনেক ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
    @Somenath Guha 
    হ্যাঁ, রেড ডেসার্ট প্রথম রঙিন ছবি। সঠিক বলেছেন, নর-নারীর সম্পর্ক আন্তনিওনির সবথেকে প্রিয় বিষয় ছিল এবং এব্যাপারে ওঁর সিদ্ধি প্রশ্নাতীত।
    @Ranjan Roy 
    মোক্ষম বলেছেন। অনেক ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
  • কল্যাণ কর | 115.96.143.50 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ২১:৫৭504127
  • লাভেন্তুরা দেখেছি বহু আগে। ভীষণ ভালো লাগলো লেখাটি পড়ে।
  • Subhadeep Ghosh | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ১১:৫৮504250
  • @কল্যাণ কর
    বাকি ছবিগুলিও সম্ভব হলে অবশ্যই দেখবেন। অনেক ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে প্রতিক্রিয়া দিন