এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • "শরীর শরীর, তোমার মন নাই, কুসুম?"- দেবলীনা দাস 

    debalina das লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ | ১৩৫০ বার পঠিত
  • শরীর....... সর্বশক্তিমান শরীর। বেশ্যার ঘরে যা দেখে নাক সিঁটকে বলেন পাপ কাদা, নর্দমার নোংরা .... আগ মার্কা গঙ্গাজলে ধোয়া কত তুলসীপাতা বচন। অথচ যুগযুগান্ত ধরে আকন্ঠ আদিম তেষ্টায় সেই নোংরা জলই তো গিলে আসছে মানুষ। আচ্ছা স্পষ্ট করে বলুন দেখি - নোংরা কাকে বলে? আর পাঁচটা বিকিকিনি এর মতোই তো পয়সার বদলে শরীর - সোজাসাপটা হিসেব। কই মুদির দোকানের হিসেব মেলানোটাকে তো নোংরা মানে করেন না? পোনামাছখানা আরো একবার পাল্লায় তুলে ওজন দেখে নেন, তরমুজ কেনার সময় টোকা মেরে বাজিয়ে দেখেন। শুধু পতিতাপল্লীর সামনে দিয়ে যাবার সময়ই আপনার নীতিবোধ উথলে ওঠে। ল্যাম্পপোস্টের তলায় রোগা হাড়গিলে মুখে রং মাখা মেয়েগুলো যারা শরীরের বিনিময়ে কেনে খিদের ভাত - শুধু তাদেরকে দেখেই পচা ইঁদুরের গন্ধ পাবার মতো মুখ সিঁটকান। কই অন্তর্বাসের বিজ্ঞাপন, নীলরঙা ছবির পোস্টার আড় চোখে টেরিয়ে তাকানোর সময় তো আপনার এই ভন্ড নীতিবোধ কুটকুট করে না ? আর তাই তো শত্তুরের মুখে ছাই দিয়ে আরও ফুলে ফেঁপে উঠেছে এই সবচেয়ে পুরনো ব্যবসা- সোনাগাছি, হাড়কাটা গলি, খালাসিটোলা, অরবিন্দ মার্গ, কামাতপুরা, ফোরাস রোড, আমস্টার্ডাম, ভেগাস.....আরও কত খ্যাত ও অখ্যাত জয়েন্ট। তা মন্দ কি বলুন? এই মাগ্গ্যিগন্ডার বাজারে একটা ব্যবসায় অন্তত মন্দা নেই- খদ্দের ঠিক জুটেই যায়। তবে আর যাই হোক এখানে অন্ততঃ যত্নের, ভালবাসার ভন্ডামি নেই। ফ্যালো কড়ি মাখো তেল- তুমি কি আমার পর?

    অথচ সেই একই ঘটনা ঘরের বেডরুমে ধর্মের পবিত্র আগুনে সেঁকে পবিত্র, মহিমান্বিত করার কি আপ্রাণ চেষ্টা, কি অহেতুক ন্যাকামী।  ক্ষিদে, তেষ্টা, ঘুম, মৈথুন  সবই তো জান্তব প্রবৃত্তি- পশুমাত্রেরই থাকে, মানুষেরও । তার সাথে মনুষ্যত্ব বা ভালোবাসার কোনও সম্পর্ক নেই। মানুষ ষড়রিপুর দাস। তার মধ্যে যৌবনের শুরুতে প্রথমটির উপর নিয়ন্ত্রণ নিতান্ত জিতেন্দ্রীয় কিংবা অসুস্থ না হলে অসম্ভব। আমাদের দেশের আর্থ -সামাজিক পরিকাঠামোতে শুধুমাত্র ভালবাসার তাগিদে ভালো বাসা বাঁধা কজনের কপালেই আর জোটে? শুধু চোখকান বুঁজে দুগ্গা বলে ঝুলে পড়া- আর সেখানেই শুরু হয় সব সমস্যার সূত্রপাত। ডোমেস্টিক রেপ নিয়ে এত কথা বলা হয় অথচ উল্টোদিকটার কথা তো হয় না....সে দিকটা তো অন্ধকারেই থেকে যায়। তার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে ঠুন্কো অহংকার, অর্থহীন আত্মসম্মান -তাই হয়ত । আসুন, আজ বরং সেই অসহায় পৌরুষের গল্পই হোক।
    ভালোবাসা নয়, শুধুমাত্র স্বার্থের তাগিদে শর্তসাপেক্ষে শরীরের বিনিময় বৈবাহিক সম্পর্কের মধ্যে কি খুব বিরল? অর্থ নয় তার থেকেও অনেক দামি বিবেক, যুক্তি বিসর্জন দেবার, অন্তরাত্মাকে বিকিয়ে দেবার বিনিময়ে শরীর দেওয়া। আচ্ছা, বলুন দেখি - এও কি এক রকমের বেশ্যাবৃত্তি নয়? কৈকেয়ী থেকে বৈদেহী অবধি এই পেশী প্রদর্শন কি আজও চলে আসছে না? প্রথম কদিন টানাপোড়েন, মানঅভিমান, খড়কুটো আঁকড়ে ধরে আত্মসম্মান টিকিয়ে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা। তারপর সংসারে শান্তির নামে প্রথম রিপুর কাছে নতি স্বীকার......আমেন। 
     
    আর সেই নিঃশব্দ সাঁড়াশির আড়াই প্যাঁচে শ্বাসরোধ হয়ে কত মানুষ মারা পড়ছে হররোজ।  মাকড়সার জালে আটকে পড়া পোকার মতো, অজগরের কবলে পড়া জন্তুর মতো - আষ্ঠেপৃষ্ঠে বাঁধা পড়ে থাকে সংসার নামক খাঁচায়।  প্রথম প্রথম ছটপট করে, ফাঁস কেটে বেরোনোর আকুলতা। যত ছটফট ততোই বেশি করে প্যাঁচ আরো এঁটে গলায় চেপে বসে- বেবি ফুড, হোমওয়ার্ক, চাকরি, সচ্ছলতা, বেড়ানো, বিবাহবার্ষিকীতে দামি উপহার - বিনিময়ে শরীর। আলাদা হেঁসেল,আলাদা সংসার, ভাইয়ের টুইশনের টাকা বন্ধ, বাবা মাকে বৃদ্ধাশ্রম- বিনিময়ে শরীর। বিবেক কিংবা নীতিবোধের পরিসীমার বাইরের এক চাহিদার বৃত্ত.... কেবলই এক অন্তহীন বৃত্ত ঘুরে চলে। 

    তারপর এই ভাবে চলতে চলতেই কখন যেন তার মস্তিষ্কে অক্সিজেন যোগান বন্ধ হয়ে যায়....মগজ মৃত্যু। তখন সে ভাবতে ভুলে যায়, হাসতে ভুলে যায়, স্বপ্ন দেখতে ভুলে যায়। শরীরের বেচাকেনায়, শুধুমাত্র শরীরকে খুশি রাখার আপ্রাণ চেষ্টায় জীবনের বাকি সময়টুকু বুড়ো কাছিমের মতো কোলকুঁজো করে অনুভূতিহীন কোমায় কাটিয়ে দেয়।  ব্যাঙাচির মেটামরফোসিসের মতো, সাপের মতো গা থেকে খোলস ছাড়ার মতো তার মনুষ্যত্ব এর খোলসটুকুও ধীরেধীরে খসে পড়ে। খোলসের তলায় যে পড়ে থাকে সে আগের মানুষ নয়......কোন মানুষই আর নয়  ....তার মস্তিস্ক নেই, মন নেই, আত্মা নেই ....শুধুই দাঁত নখ....শুধুই শরীর।

    "এই ঘুম চেয়েছিলো বুঝি!
    রক্তফেনামাখা মুখে মড়কের ইঁদুরের মতো ঘাড় গুঁজি
    আঁধার ঘুঁজির বুকে ঘুমায় এবার;
    কোনোদিন জাগিবে না আর

    কোনোদিন জাগিবে না আর
    জানিবার গাঢ় বেদনার
    অবিরাম— অবিরাম ভার
    সহিবে না আর—’
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • Kaktarua | 2607:fea8:4a9e:fac:e89c:5308:da9:721 | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ১৭:৩০503847
  • ওফ !রেপের কথা উঠলেই লোক উস আর ইন্ডিয়া র ডাটা ঝোলাতে থাকে ।ব্যাপারটা যে কিছুতেই এক হতে পারে না সেটা যে কোনো মেয়ে যে এক মাস এই দেশে থেকেছে সে জোরের সাথে বলতে পারবে। ডাটা আপনি এনালাইসিস করুন বসে। আমেরিকার ম্যাক্সিমাম সংখা ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স এর রেজাল্ট। রান্ডম লোক রাস্তায় আপনাকে পাকড়ে ফেললো সে ঘটনা হাতে গোনা। ইন জেনারেল একটা মেয়ে রাস্তা ঘাটে , বাস e ট্রাম e , কি সমুদ্র সৈকতে বিকিনি পড়ার জন্য ইনসিকিওর ফীল করে না। বা ছেলেরাও তাকিয়ে দেখার বা ঝাঁপিয়ে পড়ার প্রয়োজন বোধ করে না। সংখ্যা দিয়ে কচু হবে। 
  • তথ্য | 2600:1002:b132:80cf:c816:9259:7c68:d95b | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ১৯:২৯503855
  •  
    জানেন তো, ডেটা যদি দেখতেই হয় কেবল দুটো ডেটা পয়েন্টে ফোকাস রাখা উচিত - শিক্ষা আর কাজ। 
    কে জানিনা মনে হয় এই দুটো ডেটা নিয়ে ছেঁড়াকাট ঠিকঠাক করা গেলে রেপ, দেওয়া - নেওয়া  -- এসবের বৃহত্তর ছবিটা সহজে পাওয়া যাবে! 
  • Dolon | 2a00:23c5:7701:c501:1ec:230d:a6b7:df83 | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ২০:৩২503856
  • একমত। শিক্ষা আর কাজের সাথেসাথে "বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে  ধর্ষণ " এর গালাতাথেকে ও বেরোতে পারতে হবে , একবার কারো সাথেসম্মতি সহকারে সেক্স হলেই যে তাকে বিয়ে করতেই হবে না  সেটা মেয়ে এবং ছেলে উভয়পক্ষ ও তাদের পরিবারকে বুঝতেহবে . এটা বুঝতে না পারার ভিতর একটা সামাজিক ইন্সিকিউরিটি ও লজ্জা আছে তার থেকে ইউরোপ বেরিয়ে এসেছে তাই রেপের রিপির্টিং বেশী , কারণ নারী পুরুষ নির্বিশেষে এটাকে অপরাধহিসেবে গণ্য করে এবং অপরাধ হিসিবে শাস্তি দেয় , মেয়েরা একে সামাজিক লজ্জা হিসাবে দেখেননা। 
  • পলিটিশিয়ান | 2603:8001:b143:3000:dc41:e265:b498:99c7 | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ২১:২৫503857
  • যদি আমেরিকায় আইন শৃঙ্খলার এনফোর্সমেন্ট ভারতের চেয়ে খারাপ হয়, আর পেট চালানো ভারতের চেয়ে শক্ত হয় তো মেয়েদের অবস্থা ভারতের চেয়ে খারাপ হবে বলেই মনে হয়। দুটো দেশের স্ট্যাটিস্টিক্স সরাসরি তুলনা করা খুব কঠিন। তাই সেটা করলেই সমস্যা সমাধান ব্যাপারটা এত সরল নয়। আমি যেটা করার চেষ্টা করছি সেটা হল সমাজের মনোভাব বিচার করার চেষ্টা। সেটা করতে বিভিন্ন পাব্লিশড সোর্সের ওপর নির্ভর করা ছাড়া উপায় নেই।
     
    আমেরিকায় কিছু বেশীদিন থাকলে দেখা যায় ভিকটিম ব্লেমিং আর স্লাট শেমিং কত সাধারণ ব্যাপার। অ্যারেঞ্জড ম্যারেজ নিয়ে আপত্তির প্রধান কথাটা হল মেয়েরা বিয়ে নিয়ে এত ডেসপারেট হয়ে থাকে যে পণ্যের মত নিজেদের ফেরি করে বেড়াতে বাধ্য হয়। আমেরিকায় অ্যারেঞ্জড ম্যারেজ কম। কিন্তু বিয়ের জন্য নিজেদের ফেরি করার ব্যাপারটা ভালোমতোই আছে। ওই যে লেখাটা শেয়ার করেছিলাম সেখানে পরামর্শ দিচ্ছে কটি ডেটের পর বিছানায় গেলে বিয়ের সম্ভাবনা বাড়বে। অর্থাৎ মেয়েটি কি চায় সেটা নয়, কি করলে বিয়ে হবে। তারপর আছে রোগা হবার চাপ। অ্যারেঞ্জড বিয়ের চেয়ে খুব ভাল কি?
  • dolon | 2a00:23c5:7701:c501:1ec:230d:a6b7:df83 | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ২৩:০১503861
  • না ভালোতো নয়। কিন্ত এরেঞ্জড বিবাহ er মূল শর্ত যে বিয়ে হোল মিল টিকিট ফর লাইফ tar সঙ্গে বিছানা থেকে বিয়ে হবার সম্ভবনাদুটি প্রায় একই ধরণের , দুই ক্ষেত্রেই আর্থিক ভাবেযে  দুর্বল তার ভালনেরাবিলিটি ধরা পড়ে । এই ভালনেরাবিলিটি থেকেই সামাজিক দ্বিতীয় শ্রেণীর সৃষ্টি , আর যতদিন মেয়ের বাবা মেয়ের ঘাড়ের উপরের অন্যাটমি টি কে নার্চার করা থেকে অন্য স্থানের অন্যাটমির তথাকথিত "শুধ্বতা " র উপরে ( mane বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষর্ণের বা বিছানা থেকে বিয়ের সম্ভাবনা ব্যাপারটা আরকি ) বেশিগুরুত্ব দেবেন ততদিন মেয়েরা আর্থিক ভাবে এবং বিয়ের মার্কেটে দ্বিতীয় শ্রেণীরই  হয়েথাকবেন। তাকিয়ে দেখেবলুন দেখি সাধারন গ্রাজুয়েটে চাকরি করার  সম্ভাবনা হীন মেয়েরা যখন সমন্ধে করেবিয়ে করে তখন বিয়েটা কেন তাদের থেকে মানিটারিলি বেটার ছেলেদেরসাথেই হয় ? ব্যাতিক্রম কিন্তু খুব মিনিমাল। 
    সেই একই ব্যাপার কিন্ত , টাকা এবং মার্কেট ভ্যালু এরেঞ্জড ম্যারেজে ছেলেদেরবেশী থাকে . স্বাবাভিক মার্কেটের নিয়ম মেনেই 
    মেয়েরা যেদিন এই লড়াই টা জিততে আরো এগিয়ে আসতে পারবে  বা সমাজে ব্রেড ইটার না হয়ে ব্রেড আর্নার হবে তখন  সমাজ বদলাববে। 
  • kaktarua | 99.245.204.9 | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ২৩:০৬503862
  • শিক্ষা আর কাজ এই দুটি নিয়ে একমত। পলিটিশিয়ান -ও তাই লিখেছেন পেট চালানো। 
     
    আমেরিকায় ছেলেরাও বিয়ে নিয়ে অনেকটাই চাপে থাকে এরেঞ্জ ম্যারেজ হয় না বলে । বিয়ে মেইনটেইন করার তো যথেষ্ট প্রচেষ্টা দেখা যায় ছেলেদের মধ্যে যেটা ইন্ডিয়া তে অনেকটাই ঝুলে পড়লেই হলো দিয়েই সারা জীবন কেটে যায়। 
    কিন্তু একটা ফান্ডামেন্টাল ডিফারেন্স হয়তো ইগনোর করা যায় না। মেয়েদের কাছে বিয়েটা ইম্পরট্যান্ট কারণ স্টেবিলিটি ইম্পরট্যান্ট। ইটা বোধয় কিছুটা ফান্ডামেন্টাল। (উত্তর খুঁজছি)। ছেলেদের কাছে বোধয় অত্তটা নয়। 
     
    tobe মেয়েদের শারীরিক পবিত্রতা নিয়ে ছুৎমার্গ আমেরিকায় নেই। মেয়েদের o নেই ছেলেদের o নেই। ওটা একান্ত ভাবেই ইন্ডিয়া আর কিছু দেশের গপ্প। এটা সামাজিক উত্তরণ। আইন শৃঙ্খলার সথে কতটা যোগ বলা মুশকিল। 
     
    আবার পশ্চিমি দেশগুলোর তুলনায় আমেরিকা কে আমার কনজারভেটিভ ই লাগে। ইউরোপ  মনে হয় এই ব্যাপারে আরেকটু এগিয়েছে। 
  • সে | 2001:1711:fa42:f421:f96c:ce44:3509:2d16 | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ২৩:০৭503863
  • কজন মেয়ে ব্রেড আর্নার হতে চায়? যতই আয় করুক, সংসারের সব আর্থিক দায়িত্ব দূরে থাকুক, অর্ধেক দায়িত্বও বিয়ের পর নিতে নারাজ থাকে।
  • kaktarua | 99.245.204.9 | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ২৩:১৫503864
  • @সে সেটা কি কিছুটা সোশ্যাল কন্ডিশন এর জন্য -ও হয় না?? মানে যদি এরকম জেনে মেয়েরা বসে থাকে বিয়ে তো হয়েই যাবে আর বর -ই দায়িত্ব নেবে তাই আর সেই মানসিকতা টাও তৈরী হয় না। যেরকম ছেলেদের ঘরের কাজে সাহায্য করার কোনো মানসিকতা তৈরী হয় না। 
    মানে কোন দায়িত্ব টা কে নেবে সেটা সমাজ ই ঠিক করে রেখে দিয়েছে। দুজনের ই ভেগে যাওয়ার ইকুয়াল সম্ভাবনা থাকলে তবেই একটু স্টেটাস কুও টা ভাঙে। 
  • dolon | 2a00:23c5:7701:c501:1ec:230d:a6b7:df83 | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ২৩:২৭503865
  • সে দি ঠিকবলেছেন , আমার দেখাও তাই মেয়েরা বহু ক্ষেত্রে দায়িত্ব নেন না। সামর্থ থাকলেও। কিছুটা সামাজিক নির্যানের জন্যে হতেপারে। 
    " নিজের পায়ে দাঁড়ালে তবে বিয়ে হবে " এটা সমাজ শিক্ষিতমেয়েদের কেও bolena, হিয়ত মেয়েরাও তাই পরদায়িত্ব এড়িয়ে যান .
    তারপর বাবা মা ভাই ও বোনের মধ্যে পক্ষপাতিত্ব করেথাকেন , বহু ক্ষেত্রে বোন ভাই এর চেয়েকম পেয়ে বড় হয় , পরে সামর্থ হলেও মেয়েরা অবচেতনভাবেও এতে প্রভাবিতহতে পারেন। 
    আমি নিজের জীবনে ই তাই দেখেছি। আমার মা এবংমাসীরা কেউ দাদু দিদিমার খরচ বহন করেনি , সমথ্রছিল না। কিন্তু দাদুর ব্যাংকের টাকা চেয়েছেন , সেই একই ব্যাপার . 
    মামা কে বলতে শুনেছি " তোদের বিয়েতে খরচ হয়েছে "
     
  • পাতা :
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে মতামত দিন