ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • ধারাবাহিক  ভ্রমণ কথাঃ অচিনপুরের বালাই – ৪

    Kishore Ghosal লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৭ জানুয়ারি ২০২২ | ২৬৩ বার পঠিত
  • [প্রথম পর্ব - ১৭/১১/২০২১, দ্বিতীয় পর্ব ১৯/১২/২০২১ এবং তৃতীয় পর্ব ০৭/০১/২০২২ তারিখে প্রকাশিত]

    হামিদভাই ও তাঁর সঙ্গীসাথীরা চলে গেলেন, কিন্তু একটা খোঁচা রয়ে গেল আমার মনে। এমন তো হবার কথা ছিল না। আমি দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বালাইয়ের মুখের দিকে তাকালাম।

    বালাই এতক্ষণ কোন কথা না বলে চুপ করে শুনছিল, এখন ঘাড় কাত করে আমার মুখের দিকে তাকিয়ে বলল, “কথাটা মন্দ বলেনি কিন্তু - রাজধানীর লোকেদের পেটে আর মুখে আনকথা”, তার চোখেমুখে ফিচেল হাসি, “সত্যি বললে, কথাটা বাবু, আপনের ক্ষেত্রেও খাটে”। হামিদভাইয়ের কথাটা আমার যে গায়ে লাগেনি তা নয়, কিন্তু বালাইয়ের মুখে সরাসরি এই অভিযোগ শুনে আমার বেশ রাগ হল। বালাই যেন বড্ডো বেশি মাথায় চড়ে বসেছে। আমি বালাইয়ের কথায় কান দিলাম না, ওর দিকে ফিরেও তাকালাম না আর। গম্ভীরভাবে মালতীমাকে জিজ্ঞাসা করলাম, “চায়ের দাম কত হল, দিদি?”

    “রাগ করলেন বাবু?” বালাই আরও একটু ঝুঁকে আমার মুখের দিকে তাকিয়ে বলল।

    একটু ঝাঁজালো সুরে উত্তর দিলাম, “রাগ করার কী আছে, বালাই? চা খেয়েছি, দাম দেব না?”

    “আহা, চায়ের দাম তো দেবেন বটেই। আপনিও পালাচ্ছেন না, মালতীমাও নয়। কিন্তু জেবনের সব দেনা একদিন সত্যি মিটিয়ে যেতে পারবেন তো, বাবু”? এ আবার কেমন কথা, আমি বালাইয়ের হেঁয়ালি বোঝার চেষ্টা করলাম ওর মুখের দিকে চেয়ে। বালাই চোখের কোলে একই রকম মিচকে হাসি নিয়ে বলল, “আপনে যে মন নিয়ে আজ এখানে এসেচেন, আপনার সেই মনের খপর আপনের আত্মীয় পরিজন, বন্ধুবান্ধব জানে? বলেন না, জানে? কিসের টানে আপনি এই অকূলে এসে পৌঁছলেন বলেন দিকি? আপনের মুখের আর মনের খপর কী আলাদা নয়?”

    যেটুকু রাগ জমা হয়েছিল, বালাইয়ের চোখের দিকে তাকিয়ে সেটুকু মুছে গেল। হেসে ফেলে বললাম, “তুমি এক নম্বরের বিচ্ছু। কোথাকার কথা কোথায় নিয়ে এলে? তোমার লাজবন্তী ঠিকই বলে, সত্যিই তুমি মনের বালাই”।

    বালাইয়ের মুখে এখন সরল একগাল হাসি। বিষয়ী মানুষজনের কথার বিষে সে যেন এতক্ষণ নির্জীব হয়ে উঠেছিল, এখন যেন ঝিরিঝিরি স্নিগ্ধ বাতাসের সুরেই সে গেয়ে উঠল,

    “মনের কথা বলব কারে, হায় হয়নি সময় কথা বলার
    পথের টানে ঘর ছেড়েছি হায় হয়নি যে শেষ পথ চলার।
    মনের খাঁচায় বসত করে বদ্ধ মনের ব্যাকুল বালাই।
    ও তোর মনোতরীর গুণ টানে হায়, গুণের রসিক বংশীকালাই”।

    বন্ধুদের আড্ডা, পরিজনের আপ্যায়ন ছেড়ে, একটু ছুটি পেলেই কেন যে এমন ছুটে ছুটে পথে বেরিয়ে পড়ি, সে তত্ত্বটি বালাইয়ের রসিক কৃষ্ণঠাকুর হয়তো জানেন, কিন্তু আমি? নাঃ সত্যিই জানি না...।

    ঝলমলে সুনীল আকাশের নিচে চওড়া সোনালী পাড়ের নীলাম্বরি জড়িয়ে আমার সামনে শুয়ে আছে নিবিড় প্রকৃতি। দূরে সাগরের জলের সঙ্গে ‘ও বুড়ি তোর জলকে নেমেছি’ খেলতে খেলতে খাদ্যের সন্ধানে ব্যস্ত অজস্র নাম না জানা পাখি। একটানা ঝিরঝিরে বাতাস। এ সবের সঙ্গে মিশে গেল বালাইয়ের গানের সুর আর ওর কণ্ঠস্বর – ওর গানের সকল হেঁয়ালি যে আমি স্পষ্ট বুঝতে পেরেছি তা নয় – কিন্তু সব মিলিয়ে সে গান যেন প্রকৃতিরই অঙ্গ হয়ে উঠল।

    বেশ খানিকক্ষণ চুপ করে অনুভব করলাম পরিবেশটা, তারপর বালাইকে বললাম, “তোমাদের এ জায়গাটা সত্যিই ভারি সুন্দর, বালাই”। একটা সিগারেট ধরিয়ে গভীর উপলব্ধির সঙ্গে আবার বললাম, "সকালে বেরোবার সময় ভাবিনি যে আজ এমন একটা শান্ত নিরিবিলি জায়গার দর্শন পাবো। আচ্ছা, বালাই তুমি তো প্রায় সর্বদাই ঈশ্বরের নাম গান নিয়েই থাকো। ঈশ্বরের নামই তোমার জীবিকা, আমোদ, প্রমোদ, সুখের সঙ্গী, শোকের সাথী...। এমন শান্ত প্রকৃতি - আকাশ, সাগর, সৈকত, গাছপালা, আমরা, ওই পাখিরা...এই সব যখন একই সঙ্গে এমন বিশালভাবে আমাদের চোখের সামনে উপস্থিত হয়, তখন তোমার কী মনে হয়? আমার তো মনে হয় – তিনি নিরাকার কিংবা সাকার সে সব তত্ত্বের কচকচানি বুঝি না, জানি না – কিন্তু এই শান্ত সৌম্যতাই ঈশ্বর”। বালাই আমার কথা মন দিয়ে শুনছিল, কিন্তু তার মুখের সদানন্দ ভাবটা, একটু যেন ম্লান মনে হয়ে এল।

    মালতীমা কিছুক্ষণ আমাদের ভরসায় দোকানদারি ছেড়ে ঘরে গিয়েছিলেন কাজ সারতে। তিনি ফিরে এসেছেন, আমার কথা শুনেছেন, খেয়াল করিনি। আমার পাশে দাঁড়িয়ে তিনি গভীর বিষণ্ণ স্বরে বললেন, “না, বাবুভাই, এ যা দেখছেন সে আমাদের ভগমানের ছোট্ট একটা রূপমাত্র। এ রূপ তাঁর আসল রূপ নয়, এ তাঁর ছলনা। তাঁর আসল রূপ দেখা যায় বছরে মাত্র কয়েকটা দিন। সে রূপ করাল, ভয়ংকর, যে রূপ সইতে পারে আমাদের মতো কিছু পাষাণ মনের মানুষরা। আপনিও দেখতে পারবেন না, চোখের সামনে তাঁর সেই ধ্বংসের লীলা - সে রূপ যারা দেখেছে, তারাই বুঝবে ভগমান কী ভয়ানক মৃত্যু তাণ্ডবে মেতে উঠতে পারেন”।

    আমি মালতীমায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে কথা শুনছিলাম, এখন বালাইয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে দেখলাম, সে মাথা নিচু করে রয়েছে, তারও মুখে বিষাদের ছায়া। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, “ধ্বংসের লীলা মানে?”

    চোখের সামনে তিনি যেন স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছেন, এমনই স্বরে তিনি বললেন, “চিন্তা করেন না বাবু, ওই যে দূরের সাগরের ওপার থেকে অজস্র খ্যাপা হাতির মতো দৌড়ে আসছে দুরন্ত ঝড়। এই যে নীল আকাশ দেখছেন, ওই আকাশ জুড়ে তখন কাঁড়ি কাঁড়ি মেঘ বৃষ্টি ঢালছে হুড়হুড় করে, সে বৃষ্টির ফোঁটা গায়ে বিঁধছে বর্শার ফলার মতো। তার সঙ্গে সাগরের বিশাল বিশাল ঢেউ এসে আছড়ে পড়ছে এই বাঁধের ওপর। এ বাঁধের শক্তি কতটুকু, এ বাঁধও ভেঙে যায়, সাগরের প্রবল ঢেউ ভাসিয়ে দিয়ে যায় আমাদের ঘর বাড়ি, আমাদের গ্রাম। আমাদের চাষের জমি তখন সাগরের সঙ্গে একাকার হয়ে যায়...। সে জল সরে গেলে, জমিতে পড়ে থাকে বালি। চাষিদের হাতের ছোঁয়ায় যে মিঠে মাটি, একদিন আগেও হেসে ফসল ফলাত, সেই মাটিই হয়ে ওঠে বোবা-লোনা। এর থেকে বড়ো বিনাশ আর কী হতে পারে, বাবু?”

    আমি খবরের কাগজে এবং টিভির ব্রেকিং নিউজে চোখ রেখে কলকাতায় নিশ্চিন্ত আরামের সোফায় বসে সে সব দৃশ্য দেখিনি কী? সে দৃশ্য দেখতে দেখতে বলিনি কী, “সত্যি মানুষগুলো কী কষ্টের মধ্যে থাকে... বৌদি শুনছো, ওয়েদারটা বেশ ঠাণ্ডা হয়েছে...এক কাপ কফি খাওয়াবে নাকি... এমন ওয়েদারে চায়ের থেকে কফিই জমবে ভালো”! অথবা ভাইঝিকে জিজ্ঞাসা করিনি কী, “হ্যারে, তোর অ্যাপে একবার চেক করে দেখতো, সাইক্লোনের আইটা ঠিক কতদূরে? ল্যাণ্ডফলটা ঠিক কটার সময় হবে?”

    আজ এইখানে এসে এই শান্ত সুন্দর পরিবেশে দাঁড়িয়েও সেই দিনগুলোর কথা কিছুটা হলেও কল্পনা করতে পারলাম। কিছুটা হলেও উপলব্ধি করলাম সেই “কষ্ট”-টুকু, যার প্রতিটি মূহুর্ত এখানকার বাসিন্দাদের ছিল বেঁচে থাকার লড়াই। ঝড়বৃষ্টি অবসানের পরে, প্রকৃতি যখন শান্ত হয়ে এসেছিল। ত্রাণ শিবিরের খিচুড়ি খেয়ে তারা যখন নিজেদের গ্রামের ধ্বংসস্তূপের সামনে এসে দাঁড়িয়েছিল, তখন তাদের চোখের জলও বাঁধ মানেনি, কিন্তু একই সঙ্গে জন্ম নিয়েছিল নতুন জেদ আর স্বপ্ন। বুকের সেইটুকু সম্বলেই এরা শুরু করেছিল যার যার নিজস্ব অধিকারের ধ্বংসস্তূপগুলিকে ধীরে ধীরে আবার বাড়ি-ঘর, গ্রামকে বাসযোগ্য এবং জমি-জিরেতকে কৃষিযোগ্য করে তুলতে! প্রশাসনিক সহায়তা ছিল, কিন্তু সে আর কতটুকু, তার মধ্যেও তো থাকে অজস্র বঞ্চনা এবং তঞ্চকতা। তবু জীবন থেমে থাকেনি, জীবন থেমে থাকে না। আজ আমি এইখানে দাঁড়িয়ে সেই ধ্বংসের এতটুকু অবশেষ দেখতে পেলাম না। যেটুকু রয়েছে সে আছে এখানকার অধিবাসীদের মনে – আতঙ্ক এবং উদ্বেগ। ঘরপোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখে ডরায় – এই মানুষগুলো তেমনি ডরায় “নীল অঞ্জনঘন পুঞ্জছায়ায় সম্বৃত অম্বর”-কে এবং উদ্ধত ঝড়ের উন্মাদনাকে।

    আমি মালতীমায়ের মুখের দিকে নতুন করে তাকালাম। দেখতে পেলাম তাঁর মুখের-কপালের প্রতিটি রেখায় লেখা রয়েছে সেই সব অজস্র ঝড়ঝঞ্ঝার ভয়ংকর অভিজ্ঞতার ক্ষতির চিহ্ন। কিছু বলতে পারলাম না, চুপ করে বসে রইলাম। একটু পরে সিগারেট ধরিয়ে তাকিয়ে রইলাম, সামনের বিস্তীর্ণ সোনালি বালুতট আর দূরের সবজে-নীল সাগরের আভাসের দিকে। মালতীমা বললেন, এ রূপ ছলনা, এ আসল রূপ নয়। কিন্তু এ রূপ ছলনা না তো নয়, এ যে সত্য – প্রত্যক্ষ করছি নিজের চোখে। সোনালী চওড়া পারের নীলাম্বরি পরিহিতা শান্ত সুন্দরী এই বালিকা, বছরের কয়েকটা দিন যে মত্ত মাতঙ্গের মতো রণচণ্ডী মূর্তি ধারণ করেন, সেও একই ভাবে সত্যি। এই সত্য নিয়েই আমাদের জীবন।

    আনমনে গেয়ে উঠলাম,

    “আজি ঝড়ের রাতে তোমার অভিসার, পরাণসখা বন্ধু হে আমার।

    আকাশ কাঁদে হতাশ সম, নাই যে ঘুম নয়নে মম
    দুয়ার খুলে হে প্রিয়তম,
    চাই যে বারেবার। পরাণ সখা বন্ধু হে আমার।

    বাহিরে কিছু দেখিতে নাহি পাই, তোমার পথ কোথায় ভাবি তাই।

    সুদূর কোন নদীর পারে, গহন কোন বনের ধারে
    গভীর কোন অন্ধকারে
    হতেছ তুমি পার। পরাণ সখা বন্ধু হে আমার”।

    গান শেষ হতে লম্বা ছাই সমেত সিগারেটটা ফেলে দিলাম। চেষ্টা করছিলাম খুব, কিন্তু পারলাম না, আমার চোখ জলে ভরে উঠল, চশমা হাতে নিয়ে চোখ বন্ধ করে চোখের দুই কোণ টিপে বসে রইলাম একইভাবে। নতুন দেশ আমার ভেতরে এমন নাড়া দেবে ভাবতে পারিনি। তবে কী বালাই আমাকে ঠিক চিনেছে, আমার মনের মধ্যে কী আছে আমি নিজেই জানি না, অথচ মুখে কত কী যুক্তি আর তর্ক নিয়ে আজীবন দিন কাটাচ্ছি!

    “কী বেপার রে? তোরা মুখ ঝুড়ি করে চুপ করে বসে আছিস, আর নতুন বাবু, বাউলদাদু, মালতী কানচে? কী হয়েছে?”

    মহিলা কণ্ঠ শুনে মুখ তুলে তাকালাম, দেখি বালাইয়ের লাজবন্তী উপস্থিত। কোমরে হাত দিয়ে অবাক চোখে আমাদের তিনজনকে দেখতে দেখতে বললেন, “আমি ঘরদোর সামলে রান্নাবান্না সেরে বসে আছি, ভাবছি বাবুকে নিয়ে বালাইটা এই আসছে ওই আসছে...। শেষে আর ভরসা হল না, ওর তো আর গুণের ঘাট নেই, বাবুকে নিয়ে কোথাও হয়তো পালিয়েই গেল বুঝি। তাই দৌড়ে দেখতে এলাম”। তারপর একটু বিরতি দিয়ে বললেন, “এসে দেখি, ওম্মা, ছেলেমেয়েগুলো মুখ ঝুড়ি করে চুপটি দাঁড়িয়ে, আর তোমরা সব কাঁদছো? কী অলক্ষুণে কাণ্ড বলো দিকি? এই মালতী কী হয়েছে রে?”

    (চলবে)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খেলতে খেলতে মতামত দিন