• হরিদাস পাল  গপ্পো

  • বসন্তের বজ্রনির্ঘোষ এবং একটি প্রেমের গল্প 

    দেবব্রত মণ্ডল লেখকের গ্রাহক হোন
    গপ্পো | ০১ ডিসেম্বর ২০২১ | ৭৪৩ বার পঠিত | রেটিং ৫ (২ জন)


  • একটার পর একটা দিন কেটে যায়। দিনের শেষেও ক্লান্ত সূর্য গোটা আকাশ জুড়ে এঁকে দেয় তার জয়তিলক। যেন রণক্লান্ত সম্রাট একটা গোটা দিনের যুদ্ধ শেষে জানান দিচ্ছেন এই সাম্রাজ্যের একচ্ছত্র অধিপতি তিনি। ব্যস্ত শহরটাও দশটা-পাঁচটার ডিউটি শেষে দিনাবসানের অবসরকে আঁকড়ে ধরতে চাইছে। সন্ধ্যার এই সময়টা নিয়ন আলোয় সেজে অপরূপ সুন্দরী হয়ে ওঠে বাণিজ্যনগরী মুম্বই। গোধুলিবেলার এই অবসরকে মনে-প্রাণে উপভোগ করে ঊর্মিও। রোজ এই সময় ঊর্মি তাদের বহুতল থেকে আকাশের রঙ পাল্টানোর সাক্ষী থাকে...একাকী ঊর্মি। অনেক বছর আগে ঊর্মির যখন কলেজবেলা আরও একজন সাক্ষী ছিল এই রঙের খেলার ,সেই মানুষটার মুখটাও আজকাল রোজকার ব্যস্ততার ভিড়ে কেমন আবছা হয়ে এসেছে। আসলে সময় বড়ো বিশ্বাসঘাতক, মহাকালের রথের চাকা যত ঘোরে মানুষ বোধহয় ততই পিছুটান ভুলতে থাকে। একসময় যাকে ছাড়া দিনের একটা মিনিটও ব্যর্থ মনে হতো তাকেই হয়তো কোনো একদিন রুটিনমাফিক গতির জীবনে মনে করার ফুরসত মেলে না। মানুষটার প্রতিচ্ছবি মনের আয়না থেকে ধীরে ধীরে সরতে থাকলেও তার তৈরি করে যাওয়া অভ্যাসটাকে মনের মধ্যে লালন করতে করতে সেটাকে চিরকালীন করে ফেলেছে ঊর্মি। মনখারাপ করা আলোয় ঊর্মি ফিরে দেখতে চাই তার অতীতকে, ফেলে আসা দিনগুলোতে নিজের অজান্তেই ডুব দেয় সে। আর তখনই হাজারো ব্যস্ততার মধ্যে আবছা হয়ে আসা সেই মুখটা এক লহমায় যেনো স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

    বিকেলের একাকী এই সময়টা ঊর্মির বড্ড আপন, বড্ড নিজের। সকাল থেকে দম ফেলার সময় মেলে না তার। সংসারের ব্যস্ততার মধ্যে দিবাকরের সঙ্গে বিয়ের পর বাইশটা বছর যে কিভাবে পেরিয়ে গেল ঊর্মি তা টেরও পায় নি। মধ্য কলকাতার এক চিলতে ভাড়াবাড়ি থেকে আজকের মুম্বইয়ের ঝাঁ চকচকে আধুনিক এই ফ্ল্যাট, রোহন এখন স্কুলের গন্ডী টপকে কলেজে, দিবাকরের চুলেও পাক ধরেছে, ছিপছিপে শরীরে জমেছে মেদ, চোখে এখন হাই পাওয়ারের চশমা। শুধু একইরকম রয়ে গেছে ঊর্মি, এই সাতচল্লিশেও সময় তাকে গিলে খেতে পারে নি। যে ঊর্মি তার যৌবনে ঝড় তুলতো বহু যুবক হৃদয়ে সেই ঊর্মি ধীরে ধীরে ঢুকে পড়েছে সংসার নামক চক্রবুহ্যে। যেখানে ঢোকার রাস্তা সহজ হলেও বেরোনোরটা নয়। বিয়ের পর এই বাইশটা বছর ঊর্মির রুটিনমাফিক জীবনে বিন্দুমাত্র পরিবর্তন হয়নি। রোহন আর দিবাকরের প্রতি মা এবং স্ত্রীর সব দায়িত্ব পালন করেছে সে। সেই দিনটার কথা ঊর্মির এখনও মনে পড়ে, সকাল থেকে অবিশ্রান্ত বৃষ্টি হয়ে চলেছে। ঊর্মিদের ছোট্ট ভাড়াবাড়ির সামনের গাছগুলো ঝোড়ো হাওয়ায় প্রকৃতিকে বারংবার কুর্নিশ জানিয়েও রেহাই পাচ্ছে না। ঘন কালো আকাশের বুক চিড়ে উজ্জ্বল আলোকশিখা মাঝে মাঝেই জানান দিচ্ছে তার অস্তিত্ব। দিবাকর বরাবরের কাজপাগল মানুষ, সেও অফিসের কাজে আউট অফ স্টেশন। তারপর সেই দুর্যোগের দিনে শহর কলকাতা সাক্ষী ছিল এক লড়াইয়ের। পাশের বাড়ির রুমাদি-সুদীপদা আর বাড়ির চব্বিশ ঘণ্টার কাজের মেয়ে আশাকে নিয়ে সেই গিয়েছিল হসপিটালে। রোহন পৃথিবীর আলো দেখেছিল তার কিছুক্ষণের মধ্যেই। দিবাকর ছেলের মুখ দেখেছিল পাক্কা একদিন পরে। তারপর যখন দিবাকর দিনের পর দিন অফিসের কাজে বাইরে থেকেছে সেই সময়ও ঊর্মি একা দশভুজা হয়ে সামলেছে সংসার। এমনকি কলিগ সুচরিতার সঙ্গে দিবাকরের ঘনিষ্ঠতার কথা জানার পরেও এগারো বছরের রোহন অথবা দিবাকরের বৃদ্ধ মা-বাবার উপর তার এতটুকু আঁচ পড়তে দেয় নি। দিনের পর দিন ঊর্মির মনের মধ্যে বয়ে গেছে এক প্রবল ঝড়, মনের দুরত্ত্ব কমতে কমতে নিভে এসেছে তার যোগাযোগ অথচ প্রতিবারই এক অদ্ভুত দক্ষতায় নিজের সাধের সংসারকে সামলে নিয়েছে ঊর্মি।



    আজও মুম্বই মেল প্রায় আধঘণ্টা লেট। প্রায় বছর দুই পর মায়ের কাছে যাচ্ছে সে, নিশ্চিন্ত নিভৃত এক আশ্রয়। যা তাকে দিবাকর এই বাইশ বছরের দাম্পত্য জীবনে একবারের জন্যও দিতে পারেনি। কিছু পিছুটান বোধহয় একারনেই থেকে যাওয়া ভালো! দিবাকর এর মধ্যে অফিসের কাজে ছুঁয়ে এসেছে কল্লোলিনী তিলোত্তমাকে অথচ ঊর্মির যাওয়া হয়নি সংসার নামক যন্ত্রটির জন্য, যেখানে ঊর্মির মতো আরও হাজার হাজার মধ্যবিত্ত গৃহবধুকে পিষে ফেলা হয় অষ্টপ্রহর। তাই ছুটি মেলেনি ঊর্মিরও। কে জানে এই দুই বছরে কতটা পাল্টেছে তার যৌবনের উপবন। এই শহর জানে তার প্রথম সবকিছু। প্রথম স্কুল পালানো, প্রথম প্রেম, প্রথম চুমু অথবা নিষিদ্ধ বই। অবশ্য সব স্মৃতি যে সুখকর তা নয়। প্রতি রাতে বর্গি হানার মতো এখনও ঊর্মির দুঃস্বপ্নে হানা দেয় রক্তাক্ত সেই দিনগুলো, যখন আপামর কলকাতাবাসী পরিচিত হয়ে উঠেছিল পোড়া ট্রাম অর্ধেক বিদ্যাসাগর অথবা রামমোহন গলাকাটা কনস্টেবল আর দিনবদলের স্বপ্নে বিভোর হয়ে থাকা তরুনের মৃতদেহের সঙ্গে। আর তখনই মহাকালকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে ঊর্মির সামনে স্পষ্ট হয়ে ওঠে একটা মুখ। ঘুম ভেঙ্গে যায় ঊর্মির।



    ট্রেন চলেছে তার নিজস্ব গতিতে। কালো অন্ধকারের বুক চিরে ছুটে চলেছে একটা উজ্জ্বল আলোকশিখা। দুরন্ত ট্রেনের মতোই অতি দ্রুত যেন পালটে গেলো ঊর্মির জীবন। আজও দিবাকরের সময় হয় নি তার সঙ্গে আসার, নিদেনপক্ষে তাকে ষ্টেশনে পৌঁছে দেওয়ার। সময়ের চাকায় পিষ্ট হতে হতে ঝাপসা হয়ে আসা কলেজজীবনের ছবিগুলো একাকী ঊর্মির সামনে আজ বারংবার ফিরে ফিরে আসছিল আর তার সঙ্গে সঙ্গেই ফিরে আসছিল একটা মানুষ যে দিনবদলের স্বপ্ন দেখতে দেখতেই একদিন হারিয়ে গেছে অচেনার ভিড়ে। আচ্ছা বিপ্লবীরাও তাহলে হারিয়ে যায়? যে বিপ্লবের স্বপ্ন দেখে একদিন সুকল্প ছেড়েছিল ঊর্মির হাত সেই বিপ্লব তাকে শেষপর্যন্ত কি দিয়েছে? অথচ ঊর্মি তো তাকে দিয়েছিল সবকিছু, কোনোদিন কার্পণ্য করে নি। একের পর এক দিনগুলো ঊর্মির চোখের সামনে জীবন্ত হয়ে ওঠে। সুকল্প বরাবরের ভালো ছাত্র, কলেজ ক্লাস প্রফেসর রুম আর পড়াশোনা এই নিয়েই ছিল তার পৃথিবী। অথচ সেই সুকল্প যখন ঊর্মিকে প্রেম নিবেদন করল স্বাভাবিকভাবে কলেজের অনেকে অবাক হয়েছিল। অবশ্য তার কতটা সুকল্পর প্রেম নিবেদনের জন্য আর কতটা পড়াশোনায় মাঝারি দেখতে খারাপ নয় ঊর্মিকে দেখে তা বলা মুশকিল। তারপর ধীরে ধীরে শুরু বসন্তদিনের আনাগোনা। তপ্ত দুপুরে প্রেম যেন বৃষ্টির বিশ্বাস হয়ে এসেছিল ওদের মধ্যে। কত সন্ধ্যায় হাতে হাত রেখে ভবিষ্যতের সোনালী স্বপ্নের জাল বুনেছে ঊর্মি তার ইয়ত্তা নেই। অথচ দিনের শেষে সেই হাতটাই ঊর্মির হাত ছেড়ে তুলে নিয়েছিল বন্দুক। মনে মনে বিশ্বাস করেছিল বন্দুকের নল ক্ষমতার উৎস। যে ছেলেটার দিন কাটতো রক্তকরবীর কিশোর অথবা নন্দিনীকে চিনতে চিনতে সেই ছেলেটাই একদিন বলে উঠেছিল রেডবুকের কোটেশন অথবা ভারতীয় পার্লামেন্ট শুয়োরের খোঁয়াড়। সেই সময়ের কলকাতাকে চিনতে পারতো না ঊর্মি। যে কলেজ স্ট্রীট একসময় মুখর হতো বইয়ের দোকানের ডাকাডাকি আর কলেজ-ইউনিভার্সিটির ছেলেমেয়েদের কলতানে সেই কলেজ স্ট্রিটেই দিনে দুপুরে পুড়তে শুরু করলো ট্রাম। খুব দ্রুত পালটে যাচ্ছিল মানুষের দৈনন্দিন যাপন সঙ্গে সঙ্গে পালটে যাচ্ছিল সুকল্প। রাতদিন রাজনীতির কথা শুনতে শুনতে ক্লান্ত হয়ে পড়তো ঊর্মি আর যেদিন শুনলো সুকল্প বিপ্লবের অজুহাতে মেতে উঠেছে রক্তের হোলিখেলায় সেদিন ঘেন্নায় গা গুলিয়ে উঠেছিল ঊর্মির। আর কত? এই সুকল্পের হাত ধরেই ভবিষ্যতের সোনালী স্বপ্নের জাল বুনেছিল সে। সেই হাতই আজ রক্তে রাঙা। সুকল্পরা বুঝতে পারে নি এই রক্ত আর খুনের রাজনীতি তাদের ঊর্মির মতো বহু সাধারণ মানুষের থেকে ধীরে ধীরে দুরে সরিয়ে দিয়েছে। বন্দুক গুলির পিছনে ছুটতে ছুটতে সাধারণ মানুষকে বহু পিছনে ফেলে এসেছে সুকল্পরা। না ঊর্মি বারংবার বলেও বোঝাতে পারে নি সুকল্পকে। সুকল্প খুব দ্রুত পালটে যাচ্ছিল। এই সুকল্পকে ঊর্মি চিনতো না।



    ট্রেন ছুটে চলেছে দুর্বার গতিতে। শহর, শহরতলী পেরিয়ে ফাঁকা মাঠের মধ্যে ছুটে চলেছে ট্রেন। একাকী বসে ঊর্মি তার ফেলে আসা জীবনের রোজনামচার পাতা উল্টে দেখছে। হাতিবাগানের সেই ছোট্ট বাড়িটার কথা আজও মনে পড়ে তার। সুকল্পদের বাড়ি। তখন পার্টির কাজে সুকল্প লুকিয়ে বেড়াচ্ছে। না ঊর্মি কখনোই মানতে চায় নি খুনের রাজনীতি বিপ্লব আনতে পারে। এই হাতিবাগানের বাড়িতেই সুকল্পর সঙ্গে শেষ দেখা ঊর্মির, এখানেই যৌবনের প্রথম স্পর্শ। সুকল্পকে সেদিন তার শেষ সম্বলটুকু অকাতরে দিয়েছিল ঊর্মি। আজও দিবাকর রাতের বিছানায় জৈবিক তাড়নায় হিংস্র জন্তুর মতো ঊর্মিকে দলিত-মথিত করে, অথচ ঊর্মি পড়ে থাকে নিস্পন্দ হয়ে একটা জড়বস্তুর মতো। সেই চিঠিটার কথা আজও কাউকে বলেনি ঊর্মি। নীল খামে লেখা সুকল্পর চিঠি। ততদিনে দূরত্ব বাড়তে বাড়তে যোগাযোগ নিভে এসেছে। একটা আদর্শের দ্বন্দ্ব মানুষকে এতদূর নিয়ে যেতে পারে? যেখানে অবলীলায় শেষ হয়ে যায় একটা সম্পর্ক। ঊর্মির বাবা ছিলেন খোদ বামপন্থী। ঊর্মি নিজেও সেই পরিবেশে মানুষ। ফলে আদর্শের দ্বন্দ্ব ছিল স্বাভাবিক। না ঊর্মি পারে নি মাধবীলতা হতে। খুনের রাজনীতি যে মানুষের ভালোর জন্য হতে পারে এই বিশ্বাসই তার মধ্যে ছিল না, অন্যদিকে সুকল্প বারবার বলতো রক্ত ছাড়া বিপ্লব অসম্ভব। ঊর্মি স্বপ্ন দেখেছিল একটা ছোট্ট সুখী সংসারের। বিপ্লবী সুকল্পের কাছে তার এই সুখী সংসারের চিন্তা ছিল বুর্জোয়া ভাবনার প্রতিফলন। সেই সুকল্পের শেষ চিঠি - "আজ থেকে তুমি স্বাধীন। আমি মুক্তি দিলাম তোমায়। আমি চাই না কোনো পেটি বুর্জোয়া ভাবনার সামান্য অংশ আমার বিপ্লবের পথে বাধার সৃষ্টি করুক। সুতরাং আমি আমার সব দায় তুলে নিলাম। আজ থেকে তোমার-আমার পথ আলাদা। ভালো থেকো।"

    আজ এই একাকী ট্রেনে ঊর্মির মনে হলো সেই বা কম কিসের? সেদিন হাতিবাগানের সেই বাড়িতে সমাজের ভয়কে উপেক্ষা করে সুকল্পর কাছে ধরা দিয়েছিল সে, তারপর থেকে কতদিন সে সুকল্পের পথ চেয়ে থেকেছে। অথচ সুকল্প যখন তার বিপ্লবের দোহাই দিয়ে তার উপর থেকে সমস্ত দায় তুলে নিয়েছে তখনও সে অবিচল থেকেছে। রোহনের জন্ম, এক মা হিসেবে বৃষ্টিভেজা কলকাতার বুকে একাকী ঊর্মির সেই লড়াই, রোহন দিবাকরের নয় সুকল্পের সন্তান জেনেও সেই নিদারুণ সত্যিকে বুকে চেপে রাখা অথবা সুচরিতার সঙ্গে দিবাকরের সম্পর্ক জানার পরেও সংসারের হাল ধরে থাকা এমনকি তার প্রতি ভালোবাসার বিন্দুমাত্র অবশিষ্ঠ নেই জেনেও একই ছাদের তলায় বাইশটা বছর কাটিয়ে দেওয়া শুধু কর্তব্য বা সামাজিকতার খাতিরে, এইসমস্ত বিপ্লবের থেকে কি কোনো অংশে কম? তাছাড়া সেদিন কি শুধু সুকল্প তাকে মুক্তি দিয়েছিল? ঊর্মি সুকল্পকে দেয় নি মুক্তি? পুরুষতান্ত্রিক সমাজ নারীদের হাত ধরে ঘটে যাওয়া এই নিঃশব্দ বিপ্লবকে কোনোদিন স্বীকার করে নি করবেও না। কিন্তু তাতে ঊর্মীদের কৃতিত্ব কমে না। তারপরেও ঊর্মি এবং ঊর্মির মতো আরও হাজার হাজার মধ্যবিত্ত বাঙালি গৃহবধূ বিপ্লবী। ট্রেন ছুটে চলেছে দুর্বার গতিতে। ট্রেনের জানালায় মাথা রেখে তারাভরা আকাশের দিকে তাকিয়ে অঝোরে কেঁদে ফেলে ঊর্মি...

     

  • আরও পড়ুন
    রণছোড় - Chayan Samaddar
  • বিভাগ : গপ্পো | ০১ ডিসেম্বর ২০২১ | ৭৪৩ বার পঠিত | রেটিং ৫ (২ জন)
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Sayani Ghosh | ০১ ডিসেম্বর ২০২১ ২২:১৩501602
  • খুব সুন্দর লিখেছেন। ভিন্ন স্বাদের গল্প। 
  • দেবব্রত মণ্ডল | ০১ ডিসেম্বর ২০২১ ২৩:২৮501605
  • @sayani ghosh onek dhonyobad.
     
    Tarporeo nischoy kono kono jaiga khapchara mone hoyeche... Ba lekhai gonjamil ache bole mone hoyeche... Sei jaigagulo dhoriye dile khub valo hoy. 
  • Alokparna Saha | 223.223.148.115 | ০২ ডিসেম্বর ২০২১ ০১:২২501607
  • খুব ভাল লাগল দেবব্রত। 
  • চন্দন কুমার কুণ্ডু | 157.43.143.175 | ০২ ডিসেম্বর ২০২১ ১৪:৪৩501618
  • খুব ভালো লাগলো।অতি সুন্দর।
     
     
  • Dolon | 62.89.137.68 | ০২ ডিসেম্বর ২০২১ ২৩:২২501628
  • গৃহ বধূ দের বিপ্লব শুধু স্বামীর টাকা টা উপভোগ করে মেকী ত্যাগ এর ভান করায় সীমিত কেন সেটাও ভেবে দেখার সময় আসেনি কি ?
  • π | ০২ ডিসেম্বর ২০২১ ২৩:৪৭501629
  • এই ' হাজার হাজার মধ্যবিত্ত বাঙালি গৃহবধূ বিপ্লবী' ঠিক কী বিপ্লব করলেন বোঝাবেন একটু?  মানে এই যা যা যা করেছেন, মানে নিঃশব্দে নানা কিছু সয়েছেন, যাকে কিনা বিপ্লব বলছেন, তার জন্য গৃহবধূ হওয়াটা ঠিক কীসের প্রয়োজন?   
     
    আর, এইসব ' সংসার নামক যন্ত্রটির জন্য, যেখানে ঊর্মির মতো আরও হাজার হাজার মধ্যবিত্ত গৃহবধুকে পিষে ফেলা হয় অষ্টপ্রহর' 
    প্রসঙ্গেও, গৃহবধূ হওয়ার জন্যই যদি পিষে দেওয়া হচ্ছে বলা হয়, তো গৃহবধূ থাকতে কে বলেছে,  বাইরের কাজ করতে না দেওয়া, গৃহবধূ হতে বাধ্য করা হলে নাহয় তাও পেষাটেষার গল্প কিছু বোঝা যেত,  এই গল্পে তো তার কোন আভাসমআত্রও নেই!  
     
    যদি গৃহবধূ হওয়া চয়েজই হয়, তবে তা নিয়ে এই ভিক্টিমহুড বা আত্মত্যাগ নিয়ে মহিমান্বিত করাটাও আসলে ঘোরতর পিতৃতান্ত্রিক প্রকল্প।
  • aranya | 2601:84:4600:5410:885b:db83:b962:89c1 | ০৩ ডিসেম্বর ২০২১ ০২:৫২501632
  • কিসের বিপ্লব, আমিও বুঝি নি। 
     
    'রোহন দিবাকরের নয় সুকল্পের সন্তান জেনেও সেই নিদারুণ সত্যিকে বুকে চেপে রাখা' - এই সত্যিটা ​​​​​​​দিবাকর-কে জানানোর ​​​​​​​প্রয়োজন ​​​​​​​নেই? 
  • স্বরূপ বিশ্বাস | 2401:4900:3143:b54e:f72a:84a5:4aa4:7319 | ০৩ ডিসেম্বর ২০২১ ০৭:৫৬501637
  • খুব সুন্দর।অপেক্ষায় রইলাম এই রকম গল্পের জন্য।
  • দেবব্রত মণ্ডল | ০৩ ডিসেম্বর ২০২১ ১৩:০৪501650
  • @aranya
     
    Keno janabe? Dibakar nijei onno ekta somporke joriye poreche... Se urmir proti kono kortobyo ki palon koreche?se nijei onno ekta somporke lipto...se hoyto orthonoitik vabe kichu daittwo palon koreche... Kintu setai ki sob? 
  • :|: | 174.251.161.32 | ০৩ ডিসেম্বর ২০২১ ১৫:০২501652
  • অফ কোর্স। সেটাই সব। নিজের খাওয়া পড়ার মতো বেসিক নিড টুকুর ব্যবস্থা করার কেপেবিলিটি না থাকলে, অত বড়ো বড়ো কতা বলে লাভ কি? 
     
    কিন্তু আমার প্রশ্ন অন্য। মূল লেখাটা আপনাকে লিখে দিলেন কে? কৃতজ্ঞতা স্বীকার বলে তাঁর নাম উল্লেখ করা উচিৎ ছিলো। মতামতের অংশে দুইবার দেখলাম আপনি বাংলা টাইপ করতে পারেননা। সেইজন্য  রোমানে লেখেন। তাইলে আসল লেখাটা টাইপালো কে? 
  • দেবব্রত মণ্ডল | ০৩ ডিসেম্বর ২০২১ ১৭:০৯501653
  • Apnar erokom keno mone holo mosai j type keu kore diyeche? Ar ekhane cmnt er khetre ki emon kono badhyo - badhokota ache j cmnt banglatei korte hobe? Ar etar kono logic nei j keu cmnt bangla te na korlei tini nije type korenni
  • kk | 68.184.245.97 | ০৩ ডিসেম্বর ২০২১ ২১:০৬501657
  • ইংরেজি হরফে বাংলা লিখলে পড়তে চোখের অসুবিধা হয়। অনেকেরই হয়। আপনাকে আগে এ নিয়ে অনুরোধ করেছিলাম বলে মনে পড়ছে। পাব্লিক ফোরামে লিখছেন তো, পাঠক পাব্লিকের সুবিধা-অসুবিধা একটু খেয়াল করবেন না?
  • kk | 68.184.245.97 | ০৩ ডিসেম্বর ২০২১ ২১:১৫501658
  • গল্পের ওপরে মতামত -- আমিও বুঝতে পারলামনা ঊর্মির (বা তার মত অসংখ্য গৃহবধূর) বিপ্লব বলতে কী বোঝাতে চেয়েছেন। মুখ বুজে সহ্য করাটাই বিপ্লব? আর, ঐ "আকাশ কখনো পুরনো হয়না" কথাটা সুকল্প বলেছিলো নাকি? আমি জানতাম এটা সুনীল বলেছিলেন। গঙ্গোপাধ্যায়। উপন্যাসের নাম 'ভয়ংকর সুন্দর', চ্যাপ্টারের নাম 'লীদার নদীর তীরে'।
  • দেবব্রত মণ্ডল | ০৩ ডিসেম্বর ২০২১ ২১:২১501659
  • Kk 
     
    অবশ্যই পাঠক কি বলছেন সেটা গুরুত্ত্বপূর্ণ। কিন্তু তার মানে কি এই যে লেখক টাইপ নিজে করেননি বলে দাগিয়ে দেওয়া হবে ?? 
     
     
    গল্প সম্পর্কে পাঠক কি বলছেন সেটাও আমার কাছে যথেষ্ট ইম্পরট্যান্ট।
     
     
    আপনি যেভাবে ভুল ধরিয়ে দিলেন তার জন্য ধন্যবাদ। 
  • dc | 122.174.68.167 | ০৩ ডিসেম্বর ২০২১ ২১:৩৭501662
  • প্লেজিয়ারিজমকে আজকাল "ভুল" বলা হচ্ছে নাকি? যতো পড়ি ততো শিখি :d :d
  • &/ | 151.141.85.8 | ০৯ ডিসেম্বর ২০২১ ০৫:১৮501886
  • একটা প্রতারক চরিত্রকে গ্লোরিফাই করা হয়েছে কেন? নিজের আগের প্রেমের ইতিহাস গোপণ করে নিজের ও প্রেমিকের সন্তান গর্ভে নিয়ে সেই অবস্থায় অন্য একটি লোককে ফাঁসিয়ে বিয়ে করেছে, কাকের বাসায় কোকিল ছানা বড় করেছে তথাকথিত সেই 'স্বামী'র ঘাড় ভেঙে, একে অত 'বিপ্লবী বিপ্লবী' বলা হয়েছে কী কারণে? এ তো পরিষ্কার প্রতারণা!
  • Ranjan Roy | ১০ ডিসেম্বর ২০২১ ২১:৫৯501962
  • অ্যান্ডর,
       না না। লেখক ব্যালান্স করেছেন। তাই স্বামীকে নিজের পিএর সংগে প্রেম করার কথা বলেছেন এবং সেটা জেনেও মূল চরিত্রকে চুপ করিয়ে রেখেছন--সেটাই বিপ্লব। বিনা রক্তপাতে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে মতামত দিন