• বুলবুলভাজা  আলোচনা

  • ঋত্বিক, বিপ্লব ও আজকের অবক্ষয়

    তুহিনাংশু মুখার্জি
    আলোচনা | ০৫ নভেম্বর ২০২১ | ৮২৫ বার পঠিত | রেটিং ৪.৩ (৪ জন)
  • কী আশ্চর্য লাগে ভাবতে যখন মনে হয় আমাদের এই পোড়া দেশেই এই জ্যোতিষ্কের আবির্ভাব। এজন্য নয় যে বিপ্লব নামের আহত পাখিগুলোকে আজকাল মধ্যবিকেলের আকাশে খুব একটা নীড়ের দিকে ফিরতে দেখা যায় না। এজন্যও নয় যে এক পা দু'পা করে প্রায় একটা গোটা প্রজাতি শুধুমাত্র বিজ্ঞাপনের দুগ্ধফেনায় বিলীন হয়ে গেলাম, এমনকি এ জন্যও নয় যে বঙ্গসংস্কৃতির এক আজন্ম উষ্মা আমাদের প্রায় গোটা প্রজন্মের কাছে বিপ্লব শব্দটিকে স্রেফ বাতিল করে দিল। বরং আজ আধুনিকতা-উত্তর এই দানবনৃত্যের পটচিত্রে সুন্দরীদের সোহাগ শরীরে চোখ ভেজাতে ভেজাতে মাঝে মাঝে হঠাৎ যখন ঋত্বিককুমার ঘটকের কিছু নিতান্ত সাদা কালো ছায়াপটে চোখ ফেলি, তখন সবচেয়ে আশ্চর্য হই এটা ভেবে যে কীভাবে এমন চিত্রভাষা সম্ভব যা আজকেও এই নিজস্বী মুখর বাংলাদেশে আমাদের চোখের সামনে মেলে ধরে আমাদের মাতৃভূমির এক টুকরো শরীরী ইতিহাস। যে শরীর দেখতে পাই কাঁটাতারের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত, কণ্টকাকীর্ণ, জীর্ণসার। যে শরীরে দাগ ফেলে দিয়েছে উন্নাসিক প্রশাসনিকতা, ক্ষমতার লোভ, মাংসের খিদে। ছ'ছটি চলচ্চিত্র আমাদের কে স্পর্শ করায় বঙ্গজননীর নরম গাল যা অশ্রুসিক্ত, বেদনার পলিথিনে মোড়া। কিন্তু সাময়িক এই যে আবেগ মুখরিত অনুভব, এই যে লুকোনো বেদনার চোরাগলি তা যদি আমরা শেষমেষ অতিক্রম করি তাহলে পাব আরও কিছু অভিজ্ঞান মূলত: যে তাড়নায় আজ প্রায় অর্ধশতাব্দী বাদে আবার ঋত্বিকের সাথে কথোপকথন আজকের প্রজন্মের এক বেতাল যুবকের। আসলে ঋত্বিক যে কী ছিলেন, তা বুঝে ওঠার মতন বয়স হয়নি বলেই বোধহয় তাঁকে নিয়ে এক অদ্ভুতুড়ে রহস্য সব সময় ঘিরে ধরে আছে আমাদের প্রজন্মকে, সিনেমাকে যারা চিনতে চাই বুঝতে চাই।

    জঁ-লুক গোদার ১৯৬০-৬৫ এর সেই উত্তাল সময়টায় এক ধরণের যে প্রথা ভঙ্গের আতরে বুঁদ হয়ে ছিলেন তা যেমন কেবলমাত্র ইউরোপের সমাজ বাস্তবতার ঔরসজাত নয় তেমনি ঋত্বিক এর দেশভাগ বা মাতৃপ্রতিমা বন্দনাও শুধুমাত্র কালের দলিল নয়, বরং তাতে চলচ্চিত্রকারের যে অন্তঃদৃষ্টি বর্তমান তাতেই মূলতঃ বিপ্লব। সত্যজিৎ পরবর্তী সমান্তরাল বাংলা ছবি অবিসংবাদিতভাবেই যে ইমেজধর্মী আবেগের পথে হেঁটেছিল তার কারণ পথের পাঁচালীর আন্তর্জাতিক খ্যাতি কিনা সেটা নিয়ে কাটাছেঁড়া করার পাশাপাশি ঋত্বিকের নাগরিক যদি সমালোচকের সমান মনোযোগ পেত তবে এই উদ্বাস্তু চিত্রপরিচালকের এক উড়ুক্কু তকমা কোনোদিনই পেতে হত না ঋত্বিককে। নাগরিক যে তরুণ মার্ক্সবাদী ঋত্বিকের একপ্রকার ওপেন সোশ্যাল স্টেটমেন্ট তা নিয়ে কারো মনেই সন্দেহ থাকা উচিত নয় কিন্তু তারই ভাঁজে ভাঁজে নারী শরীরের গোপন ইশারার মতই উকি দিয়েছিল ঋত্বিকের বাংলা সিনেমা কে দান করা সব মণি কাঞ্চন। সিনেমা জগতে ঋত্বিকের মূল অবদান অনেক কিছুই, কিন্তু ৬০এর দশকের ওই সময়ে মেকি এবং বাস্তব একই সাথে দুই প্রকার সৌন্দর্যের বশ্যতা থেকে ছায়াছবি কে মুক্ত করা তাঁর সবচেয়ে মৌলিক সৃজন বিস্ফোরণ।

    'অযান্ত্রিক' বা 'বাড়ি থেকে পালিয়ে' যাঁরাই দেখেছেন বা ভেবেছেন এই দুটি কাজ নিয়ে, তাঁরাই জানেন যে ৬০-এর গোড়ায় বাঙালি অন্দরমহল এ পরপর যে তিনটি জীবন প্রতিমার জন্ম ঋত্বিক দেবেন তার আগে থেকেই ইমেজ কিংবা ন্যারেটিভ কে নিয়ে তিনি তার এক নিজস্ব বয়ান বানিয়ে ফেলেছেন। জগদ্দল আর বিমলের সম্পর্কের মানবিকতাই কেবল নয়, অযান্ত্রিক আধুনিক যন্ত্রসভ্যতার এক ধরণের বলশেভিক আবেগকে চরিত্রায়িত করে। বাড়ি থেকে পালিয়ে অপেক্ষাকৃত সরল ঢং এ মূলতঃ এক বালকের চোখ দিযে বাসস্থানের খোঁজ যে খোঁজ ফিরে আসবে সুবর্ণরেখায় এক চরম আকুতি নিয়ে। রগরগে জীবনের বাস্তবতা অথবা উথলিয়ে ওঠা কান্না হতাশা কিংবা রিফিউজি কলোনির আদিম যন্ত্রণা এসব যে সুব্রত মিত্রের দেবতাসম ক্যামেরায় কিংবা ক্লাসিক সিনেমার মোহময়ী ঠাসবুনোটে তুলে ধরা যাবেনা এই প্রত্যয়ে ঋত্বিক পৌঁছে যান আইজেনস্টেইনে। গণনাট্যের সাথে সহবাস তাঁকে জনগণের শিল্পী হতে উদ্বুদ্ধ করে অবশ্যই তবে সোভিয়েত ছবির বক্তব্যধর্মিতা ও মন্তাজ রীতির প্রয়োগ তাকে ফিল্ম নামক মাধ্যমটির এক জাদুকরী মন্ত্র কানে গুঁজে দেয়। দোসর হিসাবে এই শিল্পসুষমায় অলংকার প্রদান করে জার্মান এক্সপ্রেসনিস্ট ছবির কিছু প্রাথমিক কৃৎকৌশল। কিন্তু আহৃত এই সমস্ত অস্ত্র ছাড়াও ঋত্বিক তাঁর ছবিতে যে অসামান্য নিরীক্ষাটি করে চলেন তা হল শব্দের ব্যবহার। শুধু যে তাঁর নিজস্ব এক চেতনার ছাপ হিসাবে এটা গুরুত্বপূর্ন তাই নয় বরং এই একটি জায়গাতেই ঋত্বিক সত্যজিত এর সিনেমা দর্শনের এক বিপরীত অবস্থানে নিজের স্থানাংক স্পষ্ট করেন। মানিক বাবুর একাধিক ছবিতে আবহ যেভাবে ইমেজের সাথে এক নিরন্তর প্রনয়কাব্য আমাদের উপহার দেয় ঋত্বিক তাঁর প্রায় সমস্ত ছবিতেই তাকে এক সংঘর্ষে পরিণত করেন। আসলে তাঁর ছবি কখনোই মধুরতা বা আরামের প্রত্যাশা করার বিষয় নয় বরং বক্তব্য একটা কাঠামোর ভেতর দিয়ে উঠে আসা যা মূলতঃ আমাদের বিব্রত করে রাখে। যেহেতু ঋত্বিকের প্রতিটি ছবির পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণের পরিসর এখানে নেই বা সেই ক্ষমতাও আমার যথেষ্ট সীমিত, কাজেই সেই বিব্রত বা বিচলিত হবার অনুভূতি আমি অনুমান রাখি দর্শকের অজানা নয়।

    সৃজনশীলতার এই কিছু কারিগরি দিক ছেড়ে বেরিয়ে আমরা শ্রী ঋত্বিক কুমার ঘটকের আখ্যান এ একটু মনোনিবেশ করি। মেঘে ঢাকা তারা, কোমল গান্ধার বা সুবর্ণরেখা ছবির যে আপাত পারিবারিক বা সামাজিক আখ্যান, কখনো যা উদ্বাস্তু কলোনি, কখনো পরিবার তো কখনো এক নাট্যদল, তা ছাড়িয়ে তিনি প্রায়শই বেরিয়ে পড়েছেন পুরান সংস্কৃতির আলপথ বেয়ে। কালিদাসের অভিজ্ঞান শকুন্তলা বা কুমারসম্ভব থেকে তিনি অনুপ্রাণিত হলে তাঁকে নিয়ে আমাদের বিশেষ অ স্বস্তিতে পড়তে হত না, কিন্তু তিনি এক প্রকার কুমারসম্ভব রচনা করতে চেয়েছিলেন তাঁর সিনেমায় -যা স্পষ্ট হয়ে যায় মেঘে ঢাকা তারায় নিতার আগমনী মুহুর্তে। বিশাল তরুর এক কোনা হতে সুপ্রিয়া চৌধুরী যখন আসেন আমাদের অভ্যস্ত চোখের কম্পোজিশন সপাট ধাক্কা খায়। ছবির অত্যন্ত দামি এক মুহূর্তে দেবব্রত বিশ্বাস এর গলা যখন আছড়ে পড়ে দৃশ্যে আমরা দেখতে পাই কলোনিবাসি এক ভাইবোনের শরীর থেকে ক্যামেরা চলে আসছে দূরে, যেন রচনা হচ্ছে বৃহত্তর এক কাহিনি, ঠিক যেমন সুবর্ণরেখায় বুড়ি বাগদি বউ এর মৃত্যুদৃশ্যের পর অভিরামের চিৎকার আর তার পর ছবিতে শব্দের বিস্ফোরণ আমাদের ছিটকে বার করে আনে মূল কাহিনী থেকে। আসলে এ সকলই ঋত্বিকের এক আদি বাসনা যা তাঁকে শুধু আর্কিটাইপ্যাল মাতা বা ছিন্নমূল সত্ত্বা নয় বরং কাহিনির বদলে এক বৃহত্তর সত্যের উদ্ঘাটনে উন্মত্ত করে তোলে। বাণিজ্যিক ছবির রং ঝলমলে লালসা মাখানো চাহনি আর পুনে ফিল্ম ইনস্টিটিউট এর চাকরি তাঁকে সুস্থির থাকতে দেয়না কারণ সিনেমাকে তিনি শুধু ভালবেসে পার পেতে চাননি। তীব্র মাদকাসক্তি কে তিনি কেবল জীবনধারণের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসাবে ধারণ করেছেন, জলাঞ্জলি দিয়েছেন অসীম ক্ষমতার এক আধারকে, বুর্জোয়া সমালোচক সংস্কৃতির এই উপরচালাকি তাঁকে আধুনিক প্রতিষ্ঠান এর এক কাল্ট করে রেখে দিয়ে আমাদের কাছ থেকে কেড়ে নিতে চায় এক ব্যতিক্রমী মহাপুরুষকে যিনি মূলতঃ আঘাত করতে চেয়েছিলেন সিনেমা নামক ব্যবসাটির এক আদুরে আরামপ্রিয়তাকে।

    এখন ঋত্বিককে সমকাল আপন করে নেয়নি, সে নেয়নি যেমন ভ্যান গঘকে নেয়নি, কাফকাকে নেয়নি, নেয়নি রবীন্দ্রকুমার দাশগুপ্তকে। তবে ঋত্বিকের ক্ষেত্রে এই প্রত্যাখ্যান যতটা না মানুষের তার চেয়ে বেশি সিস্টেমের, সমান্তরাল ছবি কিংবা বাম রাজনীতি শুধু নয়, অতিবাম কিংবা নিতান্ত সাধারণ গণসংগঠন কেউই তাঁকে বুঝে উঠতে পারল না। তবে যে বাম রাজনীতি ৫০ এর দশকের উদ্বাস্তু আন্দোলনের আয়নায় নিজেদের সাংগঠনিক ভিত্তিকে নতুনভাবে আবিষ্কার করল, তারা ঋত্বিক নামক এই ধারালো ছুরিটিকে কেন যে হাতে তুলে নিল না তা ভেবে আমার ধন্দ লাগে বৈকি। যদিও মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বা সাদান হোসেন মানটোর মতন ঋত্বিকও কোন প্রতিষ্ঠানের বক্ষলগ্ন হতে পারেন না, কারণ ইতিহাসের কাছে তাঁদের পরিচিতি তাঁরা গণশিল্পী, মানুষের শিল্পী, সত্যের ও সময়ের রূপকার। সেই কারণেই কোমল গান্ধার চলচ্চিত্র না হয়ে হয়ে ওঠে কালের এক প্রবন্ধ। কুমারসম্ভবের অনুষঙ্গে ঋত্বিক যেন লিখতে বসেছিলেন তাঁর সমকাল, গণনাট্যের বিরোধ, দুই বাংলার বিরহ আর আমাদের শকুন্তলার আর্ত চোখে আনতে চেয়েছিলেন বন্ধনমুক্তির আকুল আবেদন। সুবর্ণরেখার অন্তিম হৃদস্পন্দন যেমন আমাদের লজ্জায় অবনত করে রাখে, আমাদের প্রজন্মকে উপহাস করে এই বলে যে দেশভাগ দ্যাখে নাই, দাঙ্গা দেখে নাই, মন্বন্তর দেখে নাই! ছুঁড়ে ফেলে দেয় ইউরি গ্যাগারিনের মহাকাশ যাত্রাকে আগুনের কোলে, উত্তর আধুনিকদের সাথে কোন রকম বাদানুবাদে টেবিল গরম না করেই। যেমন নিম্নবর্গীয় ইতিহাস চর্চার সুযোগ না পেয়েই তিনি লিখে ফেলেন দলিতের ভাষ্য যেখানে রাম জননী কৌশল্যা হয়ে ওঠেন এদেশের অন্ত্যজ জাতের এক রাণী, শ্রী রাম হয়ে ওঠেন বাগদি সন্তান তেমনি আবার কোমল গান্ধার তুলনামূলক নিকট কালের এক পর্যায় থেকে কিছু টুকরো শট সোজাসুজি আমাদের দিকে ছুঁড়ে মারে। যুক্তি তক্কো গপ্পের এই মহাঋষি সাধকের মতোই বুঝেছিলেন এবার বোধহয় সময় এসেছে বিদায়বাণী শোনাবার। চলচ্চিত্র কে হতেই হবে ধার্মিক, হিন্দুত্ত্ববাদের বুক চাপড়ানো ধর্ম নয়, স্প্যানিশ শিল্পী ভিলাসকেথ এর পটে মিশেল ফুকো যেমন কালের চিত্র খুঁজে পান, এপিস্টেম এর আর এক প্রয়োগ থেকে যায় ঋত্বিকের শেষ ছবিতে যেখানে নচিকেতা আর বঙ্গললনাকে সাথে নিয়ে তিনি আমাদের উপহার দিতে চান আমাদের জন্ম রহস্য, আঁকতে চান জীবনানন্দের রূপসী বাংলা।

    এ সকলই বিপ্লব যা আমি বলতে চাই পাঠক। যে বিপ্লব এর বাণীতে ক্লান্ত আমাদের কান, দুঃস্থ হয়ে উঠেছে আমাদের চোখ, কিংবা যে উন্মত্ত লোভ লালসা, পুঁজির তাণ্ডব ঘিরে ধরেছে আমাদের আধুনিক উত্তর পৃথিবী, সেই সমস্ত মধ্যমেধাকে উপড়ে ফেলা এক বিপ্লব হলেন ঋত্বিক যার কৌমার্য রয়ে গেল অক্ষত আজীবন। কি পরিতাপের বিষয় এই আমরাই কেবল অব্যবহারে, অবহেলায় তাঁকে বানিয়ে রাখলাম পোষ্টার। প্রায় কোন বাংলা ছবিতে খুঁজে পাওয়া গেল না তাঁকে, সমান্তরাল ছবির পৃথিবীতে আপামর ছায়া বিছিয়ে গেলেন সত্যজিৎ। মৃণাল সেনের রাজনীতির মতন ঋত্বিক এর আমৃত্যু চলচ্চিত্র ভাষা আন্দোলনকে আমরা স্রেফ শহীদ বেদিতে চড়িয়ে রাখলাম। তবে ইতিহাস হয়ে থাকে যে সব মস্তিষ্ক তাদেরই তো এক হলেন ঋত্বিক, আজকের এই বিভাজনকামী আধিপত্যবাদের ভারতে আর একবার কি আমরা পারিনা সহায়হীন, বাসাহীন, শেকড়হীন মানুষের এই তীর্থভূমি পরিদর্শনে বেরোতে? দেশজ ইতিহাস, সংস্কৃতি ও জনজীবনের ভেতর দিয়ে সিনেমাকে কি আমরা আবার অখ্যানরূপে কল্পনা করতে পারিনা! আর একবার আমাদের পাঁচফোরণ, সুগন্ধী আর গরম মশলা ছড়ানো তৃপ্তির ভোগ্যপণ্য কিংবা পরশ্রীকাতর দুঃখবিলাস এর নকশিকাঁথা হয়ে যাওয়া শিল্পমাধ্যমটিকে আমরা কি রগরগে সত্যের দিকে নিয়ে যাওয়ার জেদ দেখাব না? মহাকালের বুকে ছুঁড়ে দেওয়া ঋত্বিকের অমর স্পর্ধা কি আমাদের আর স্পর্শ করবে না?

    Christ was crucified after condemned. Don’t you think that’s a defeat? -luis Buñuel
    (সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়ের ঋত্বিকতন্ত্র থেকে খুঁজে পাওয়া)

     

  • বিভাগ : আলোচনা | ০৫ নভেম্বর ২০২১ | ৮২৫ বার পঠিত | রেটিং ৪.৩ (৪ জন)
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • মাখনলাল | 172.96.162.98 | ০৫ নভেম্বর ২০২১ ২১:২০500749
  • দাদা, বিপ্লব কবে আসছে? পাঁঠার মাংস কিনে রাখব।
  • সম্বিৎ | ০৬ নভেম্বর ২০২১ ০০:২৭500757
  • জানেন অনেকদূর এগিয়েছিলাম। 'বেদনার পলিথিন' পেরিয়েও গেছিলাম। কিন্তু 'বলশেভিক আবেগ'-এ গিয়ে আটকে গেলাম। 
  • dc | 2402:e280:2141:9b:a558:adb5:2b85:e109 | ০৬ নভেম্বর ২০২১ ০৭:০৭500766
  • রিত্তিক ঘটকের কোন সিনেমা তো দেখিনি, তাই সে নিয়ে কিছু বলতে পারবো না। তবে বিপ্লব কবে আসছে জানতে পারলে ভালোই হয়, আগের রাতে পেটপুরে খেয়ে নেবো তাহলে। 
  • বিপ্লব রহমান | ০৬ নভেম্বর ২০২১ ০৮:০৩500769
  • "মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বা সাদান হোসেন মানটোর মতন ঋত্বিকও কোন প্রতিষ্ঠানের বক্ষলগ্ন হতে পারেন না, কারণ ইতিহাসের কাছে তাঁদের পরিচিতি তাঁরা গণশিল্পী, মানুষের শিল্পী, সত্যের ও সময়ের রূপকার।" 
     
    ঋত্বিককে স্লোগানার বলেই বেশী মনে হয়,  প্রকট পরিস্থিতির বিবরণ অনেক সময়েই শিল্পকে ছড়িয়ে পোস্টার হয়ে ওঠে। এ কারণে ঋত্বিক বরাবরই থেকে যান ঢেরা চিহ্নের নীচে, তবে তাকে খারিজ করা যায় না কিছুতেই।  দারুণ আইরনি! 
  • santosh banerjee | ০৬ নভেম্বর ২০২১ ১৩:১৬500788
  •  প্রথমতঃ, যে সব ব্যাকতি তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে ( ঐ যারা পাঁঠা মাঙসো, পেট পুরে খাওয়া পুঙগব রা) প্রতিবেদন রাখছে, তাদের ঘৃণা করলাম, ঘৃনা করলাম তাদের নীচ আর অসভ্য সংলাপ এর জন্য। এবার বলি, এ প্রজন্ম ঋত্বিক রোশন চেনে, ঋত্বিক ঘটক চেনে না। চিনলে ওরকম বালখিল্য ভাষা বলতো না। আমার তো মনে হয় ঋত্বিক ঘটক কে ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে। সত্যজিৎ বিপজ্জনক নন, ঋত্বিক অনেকের কাছে বিপজ্জনক, সত্যি কথা বলতে দ্বিধা ছিল না বলেই হয়তো।আরো বলি, পশ্চিম বাংলার জনগণ ও দেশভাগের ওপর এবং উদ্বাস্তু সমস্যা র ব্যাপারে উদাসীন ছিল। অনেকেই পূর্ব বঙ্গীয় উদ্বাস্তু দের "পঙ্গপাল" বলতেন।এরকম একটা অবস্থা য় ঘটক বাবু কাজ করেছেন।হ্যা, সময় থেকে এগিয়ে গিয়ে উনি এমন সব কথা বললেন , যা করলেন তার হৃদয়ঙ্গম করতে অনেকেরই মাথা চুলকাতে হলো। কিন্ত, কোন তাবেদারী, কোনো সরকারি দাখখিন্য, কোন বার্লিন, কান, ভেনিস এর আশায় তো থাকেননি। সুতরাং, ঋত্বিক ঘটক কে হজম করতে পারেন নি অনেকেই।আজকে এই উন্মত্ত, বোধবুদ্ধি হীন , উগ্রবাদী হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি সঠিক ঘা দিতে গেলে... ঋত্বিক ঘটকের প্রয়োজন খুব বেশি।
  • লে হালুয়া | 207.244.126.132 | ০৬ নভেম্বর ২০২১ ১৩:২৮500790
  • বিপ্লব এলে মনে হচ্চে বাজারে পাঁঠা পাওয়া যাবে না।
     
    তা অসন্তোষ বাঁড়ুজ্জে কি পাঁঠার মাংস খায় না ? ঐ যেমন বাঘ বাঘের মাংস খায়না, আপুনিও তেমনি জাতভাইকে ছাড়ান দ্যান নাকি মশায়?
  • dc | 2402:e280:2141:9b:a558:adb5:2b85:e109 | ০৬ নভেম্বর ২০২১ ১৩:৩৫500791
  • এই রে, আমি রিত্তিক ঘটকও দেখিনি, রিত্তিক রোশানও দেখিনি। তাইলে কি ডবল পাঁটার মাংস আর ডবল ঘৃনা বরাদ্দ হলো? 
  • | ০৬ নভেম্বর ২০২১ ১৪:৪৩500792
  • ইসে, ভদ্রলোকের নাম সাদাত হাসান মান্টো
    সাদান কিম্বা হোসেন নয়।
  • দীপক সেনগুপ্ত | 2405:201:a803:884b:4d24:74f:2010:53dd | ০৬ নভেম্বর ২০২১ ১৫:০২500793
  • লেখাটি ভালো লাগলো 
  • r2h | 2405:201:8005:9947:ccc1:cbd2:b81a:75d8 | ০৬ নভেম্বর ২০২১ ১৫:১৯500794
  • ঋত্বিক ঘটক মহাশয়ের জনপ্রিয় শিল্পমাধ্যমের খোঁজ ছিল বলে জানতাম, বেশি মানুষের কাছে পোঁছনোর তাড়না ছিল।
    কিন্তু তাঁর গুণমুগ্ধদের সবকিছু কঠিন খটমটে দুষ্পাঠ্য করে তোলার ঝোঁক। সহজ শান্তভাবে কিছু বলার কোন ব্যাপারই নেই। কোমল গান্ধারের আলোচনা পড়তে গিয়ে মনে হয় যেন কঠিন আন্ধার। "আমাদের প্রজন্মকে উপহাস করে এই বলে যে দেশভাগ দ্যাখে নাই, দাঙ্গা দেখে নাই, মন্বন্তর দেখে নাই" - উপহাসের কী আছে? আশ্চর্য তো! ওসব দেখতে না হলে তো খুবই ভালো। একেক প্রজন্মের একেকরকমের ক্রাইসিস থাকে, প্রজন্ম স্পেসিফিক ডেপিকশন থাকলে তা প্রজন্মান্তরে ফিকে হবে, এ তো স্বাভাবিক।

    ঋত্বিক ঘটকের দর্শন বা তাঁর সিনেমা নিয়ে আমার কোন বক্তব্য নেই, তাঁর ঘোষিত অনুগামীদের অ্যাটিটিউড নিয়ে কিঞ্চিৎ আছে।
  • কল্লোল | ০৬ নভেম্বর ২০২১ ১৭:৩২500798
  • লেখাটা আমার ভালো লেগেছে। সে তো লাগবেই। আমি ঋত্বিকে বারবার খন্ড খন্ড করে নিজেকে খুঁজে পাই। 
    এতো বিদ্রুপ লেখকের প্রাপ্য নয়। ইয়ুঙ্গের সামূহিক অচেতন আর ঋত্বিকের সিনেমায় তার উপস্থিতি বিয়য়টাই জটিল। এই চিন্তা, যা মার্ক্সের শ্রেণী চেতনা আর ইয়ুঙ্গের সামূহিক অচেতনকে পরিপুরক মনে করে তা হজম করতে না পেরে তৎকালীন কমিউনিস্ট পার্টির "তাত্ত্বিক" প্রমোদ দাশগুপ্ত ঋত্বিককে পার্টি থেকে বহিষ্কারের ফরমান দেন। ৪০-৫০এর দশকে চিন্তাভাবনার ক্ষেত্রে আধুনিক বলে খ্যাত ভারতীয় কমিউনিস্টরাই তাকে ধারণ করতে পারে নি। ফলে সেই নিয়ে লেখা খুব সহজ-সরল-পুষ্টকর রাস্তায় হাঁটবে না, সেটাই স্বাভাবিক।  
    তবে গুরুচন্ডা৯র কিছু পাঠকদের এহেন বিদ্রুপ আমায় বিচলিত করেছে। কোন কিছু দুর্বোধ্য লাগা মানেই তা বিদ্রুপযোগ্য - আমরা কি এখনো জীবনানন্দের "দুর্বোধ্যতাজনিত" সমালচনার কালেই বিরাজ করছি ?   
    তুহিনাংশু ধন্যবাদ। 
    আসলে, লেখকের নাম সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়, উদয়ন ঘোষ কি মলয় রায়চৌধুরী হলে কেউই সাহস করে বিদ্রুপ করতো না। 
  • r2h | 2405:201:8005:9947:ccc1:cbd2:b81a:75d8 | ০৬ নভেম্বর ২০২১ ১৭:৫৪500801
  • কল্লোলদার বাকি কথার সঙ্গে দ্বিমত নই।

    কিন্তু মলয় রায়চৌধুরীকে বা অন্য হেভিতর ওয়েটের কাউকে নিয়ে এখানে কেউ বিদ্রুপ করবে না- এটা খুবই ভুল ধারনাঃ)
     
  • hehe | 216.244.74.202 | ০৬ নভেম্বর ২০২১ ১৮:০০500803
  • মলয়ের টইয়ে ঢুকলে কম্পু হ্যাং করে যায়। কী আর বলব!
     
    মলয়কে পকেট সাইজের পানু নামাতে বলুন।
  • dc | 2402:e280:2141:9b:a558:adb5:2b85:e109 | ০৬ নভেম্বর ২০২১ ২০:৫৭500809
  • যে লেখার হেডিংএ একইসাথে আছে আজকের অবক্ষয় ও বিপ্লব, তাকে একটু আওয়াজও দেওয়া যাবে না? হায়! 
     
    হোয়াই সো সিরিয়াস?   
  • যদুবাবু | ০৬ নভেম্বর ২০২১ ২১:২০500810
  • সম্বিৎদার কমেন্টটাকে বাঁধিয়ে রাখা উচিত, নিদেনপক্ষে একটি 'বেদনার পলিথিনে' মুড়ে তো রাখাই যায়, যাতে জলেবৃষ্টিতে ভিজেটিজে নেতিয়ে না যায়। 

    আর লেখাটা সত্যিই বেশ ক্লান্তিকর। 
  • কল্লোল | ০৭ নভেম্বর ২০২১ ০৬:৪৪500851
  • অবক্ষয়ের শেষেই তো বিপ্লব আসে। শিরোনামে অবক্ষয় আর বিপ্লব একসাথে থাকলে আবাজ দিতে হবে!! 
    যাগগে। যার যার মত। তার ওপর তো কথা নেই। দ্বিমত হতে পারি মাত্র। 
     
    হেহে! পকেটের পানু তো সেই ছোট্ট বেলা থেকেই আপনার হাতেই আছে। তার জন্য মলয়ের দরকার কি ?
  • তুহিনাংশু | 2401:4900:1046:b21:fba1:e150:2a78:4075 | ০৯ নভেম্বর ২০২১ ২০:৪৪500953
  • সকলকেই ধন্যবাদ। নির্বিবাদে। লেখাটি পড়বার জন্যই। ব্যাস। লুইজি ববিয়ো আমাদের সমাজের আলোচণাকে চার ভাগে ভাগ করেছিলেন।
    গভীর নিশ্চিত, গভীর অনিশ্চিত, অগভীর নিশ্চিত, আর অগভীর অনিশ্চিত। আমরা কে যে কোথায় পড়ি কেই বা জানে। ভালো থাকবেন। পরবর্তী লেখা পড়ে জানাবেন। 
     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে মতামত দিন