• বুলবুলভাজা  ধারাবাহিক  উপন্যাস  শনিবারবেলা

  • পুরুষার্থ (৪)

    সুদীপ্ত পাল
    ধারাবাহিক | উপন্যাস | ১৭ জুলাই ২০২১ | ৩৪৪ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • || পর্ব ৪ ||

    সারথি অনেক দূরে থাকে- অন্য শহরে অন্য দেশে। দুম করে একদিন তার শহরে, তার বাড়িতে এসে হাজির হবে না- এই ভরসাটা ঋষভের মনের মধ্যে ছিল। এই একটা সুবিধে- ঋষভ ভাবত। কিন্তু সারথি এসে হাজির হত- বাড়িতেই- ঘরে- বিছানায়- রেশমী আর ঋষভের মাঝখানে। রেশমী তার উপস্থিতি টের পেত। সারথির বিকল্প ঋষভ যাদের মধ্যে খুঁজছিল- তারাও এসে দেখা দিত। দূরদেশের স্মৃতি, দূরদেশের মানুষকে দূরে সরিয়ে রাখা গেল না- প্রাণপণ চেষ্টা করেও।
    রেশমী ডিভোর্সের প্রস্তাব দিল।

    ঋষভের মনে হয়েছিল ঐদিন ও হেরে গিয়েছিল, আর রেশমী জিতেছিল। কারণ ঋষভের একটা গর্ব ছিল, যে দক্ষতা নিয়ে ও দুটো আলাদা আলাদা জগৎকে সামলায়- সেটা নিয়ে। ও যেভাবে কাছের মানুষের ছোট ছোট জিনিসগুলোর যত্ন নেয়, তা আর কেউ পারবে না- সেটা নিয়ে। গর্ব ছিল যেভাবে ঠান্ডা মাথায় বিভিন্ন পরিস্থিতি সামলায় সেই নিয়ে। গর্বের জায়গাটা ভেঙে যাওয়া একটা চুড়ান্ত গ্লানি আর হতাশার বিষয়। রেশমী ঐ গর্বের জায়গাটাই ভেঙে দিল। ঋষভ একবার ভেবেছিল বলবে "ভালো তো অন্য কাউকে বাসিনি, সমস্ত লোভ লিপ্সা বাড়ির বাইরেই রেখে এসেছি", কিন্তু সেটা আর বলা হয়নি!

    এখনও ঋষভ কিং সাইজ বেডের একপাশে নিজেকে গুঁজে শোয়, কারণ অন্য পাশটা রেশমীর ছিল, আর রেশমীর অভ্যাস ছিল অনেকটা জায়গা নিয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে শোবার! বিছানার দুই-তৃতীয়াংশ ছিল রেশমীর, এক-তৃতীয়াংশ ঋষভের। রেশমী বিছানাটা খালি রেখে দিয়ে চলে গেছে, কিন্তু ঋষভ এখনও ঐ এক-তৃতীয়াংশতেই নিজেকে গুঁজে রেখে শোয়। এখনও যেন হাতটা রেশমীর দিকটাতে রাখলে নরম একটা ছোঁয়া পাওয়া যায়।

    হেমকূট পাহাড়ে ফটোশুটের সময় ঋষভ আলোর গতিপ্রকৃতি মেপে দেখছিল, হিসাব করছিল উদীয়মান সূর্যের সোনা রঙ কোন দিক থেকে সারথির উন্মুক্ত বুকের উপর পড়লে ওর কৃষ্ণকায় বলিষ্ঠ শরীরটা উত্তপ্ত কয়লার অঙ্গার হয়ে উঠবে।
    "তুমি ঐ পাথরটার উপরে ধ্যানমগ্ন যোগী হয়ে বসো।"
    "অনেক উঁচু আর খাড়াই পাথরটা!"
    "চেষ্টা করো ওঠার! অনেক রিস্কই তো নাও জীবনে!"

    ফোটোশুটের ফাঁকে সারথি পাথরের উপর শুয়ে জিরোচ্ছিল, আর ঋষভ সারথির কানের দুলটা আর কানের লতিটা নিয়ে নাড়াচাড়া করছিল। সারথির চোখ বন্ধ আর মুখে মৃদু হাসি। কানের ঐ অস্বস্তিটাকে মনে হয় সে উপভোগই করছে।
    "আমার কানটা খুলে নিয়ে যাবে মনে হচ্ছে।"
    "যাবো তো। আমেরিকায় নিয়ে গিয়ে সবাইকে দেখাবো- এটা সারথি গাইডের কান।"
    "স্যার, আপনি গাইড সিনেমাটা দেখেছেন?"
    "সুন্দর সুন্দর গান ছিল! তবে সিনেমাটা দেখা হয়নি। কী বিষয় ছিল?"
    "ওয়াহিদা রেহমান.. অর্থাত রোজি, বিবাহ বহির্ভূত প্রেমে পড়ে গিয়েছিল এক গাইডের সাথে!"
    "আমি তো প্রেমে পড়িনি!"
    "জানি!"
    "নায়িকার বর খুব বদমাস ছিল?"
    "এমন কেন মনে হল?"
    "সারথি, বলিউড সিনেমায় এমন কখোনো দেখিনি, বর এবিউজিভ নয়, তা সত্ত্বেও বৌ প্রেমে পড়েছে পরপুরুষের। বৌ পরকীয়া করলে তার জাস্টিফিকেশন লাগবে। জাস্টিফিকেশন না থাকলে বলিউডের নিয়মে সে বৌ হিরোয়িন নয়, ভ্যাম্প!"
    "তাই বুঝি!"
    "আমার গাইডের ঐ গানটা গাইতে খুব ইচ্ছে করছে- আজ ফির জিনে কি তমন্না হ্যায়!"
    "গাও না ঋষভ স্যার, কে আটকাচ্ছে?"
    সারথি চোখ বন্ধ করেই সব উত্তর দিচ্ছে- ঋষভের বেশ ভাল লাগছে দেখতে এটা, অল্প অল্প রোদ সারথির গায়ে পড়ছে।

    "তুমি কবে থেকে এই কাজ শুরু করলে, সারথি?"
    "গাইডের কাজ?"
    "না, অন্য কাজ?"
    "কেন, তুমি করবে?"
    "ধ্যাত!" ঋষভ নরম ঘুঁষি মারল সারথির হাতে।
    "বলছি।"
    "বলো।"
    সারথি এবার চোখ খুলে উঠে বসল, বলা শুরু করল।
    "একবার দূরপাল্লার ট্রেনে করে যাচ্ছিলাম- অনেক দূরের এক শহর - হুব্বলি। পথে একটা স্টেশন- গডাগ। পনেরো মিনিট দাঁড়ায়। নামলাম টিফিন খেতে। ঐ প্লাটফর্মে খাবার জায়গা নেই দেখে উল্টোদিকের প্লাটফর্মে গেলাম। লাইন পেরিয়ে দেখি ট্রেন পালাচ্ছে। দৌড়লাম- ধরতে পারলাম না। হাতে কুড়ি টাকা ছাড়া কিছু নেই। ট্রেনে বাক্স প্যাটরা টাকা সব রয়ে গেল! সব ট্রেনের সাথে চলে গেছে। স্টেশন-মাস্টারের কাছে গেলাম। পাঁচশ টাকা চাইলাম, যাতে হুব্বলি পৌঁছতে পারি কোনোভাবে। ও দিতে চাইল না শুরুতে। তারপর রাজি হল। কিন্তু..."
    "কিন্তু?"
    "কিন্তু আবার কী! আমাকে মাথা থেকে পা অবধি মেপে মেপে দেখল। ওখান থেকেই শুরু।"
    "হুঁ।"
    "কী হল ঋষভ স্যার? ওরকম হ্যা হ্যা করে হাসছ কেন?"
    "যা গল্প বানালে!"
    "আরে সত্যি বলছি!"
    "এবারে পেটাবো কিন্তু।"
    "আরে..."
    "এরপর থেকে আরও ভাল গল্প বানাবে। বানাবে, কিন্তু আরও ভাল গল্প চাই। ঠিক আছে?"

    সারথি কিছুক্ষণ চেয়ে রইল ঋষভের দিকে। মুখে অল্প হাসি। তীক্ষ্ণ স্থির দৃষ্টি।
    "জানেন, ঋষভ স্যার, সত্যি একটাই হয়, মিথ্যে অনেকরকম। সূর্য পশ্চিমে অস্ত যায় এটা সত্যি, কিন্তু মিথ্যের জগতে সূর্য পুব-উত্তর-দক্ষিণ যেকোনো দিকে ডুবতে পারে। মিথ্যার মধ্যে যে সম্ভাবনা থাকে তা সত্যের মধ্যে কোথায় বলুন?"
    ঋষভ মনে মনে বলল- বেশ দার্শনিক কথা বলেছ। মুখে কিছু বলল না। খালি হাসিটা বন্ধ করল।

    "একটা কথা বলি ঋষভ স্যার। ঐ গল্পটা বানানো, কিন্তু ওভাবেই কেউ একজন আমাকে মেপে দেখেছিল। মাথা থেকে পা অবধি। মেপে দাম ঠিক করেছিল- দাম দিয়েওছিল।"
    "কে সেটা?"
    "থাক সে কথা।"
    "আচ্ছা। যদি কোনোদিন বলতে চাও- বোলো।"
    "তার জন্যও একটা পরিপাটি করে গল্প লিখতে হবে। তুমি বললে না- গল্প বানাতে- কিন্তু আরও ভাল গল্প চাই। আরও ভাল গল্প তৈরি হলে গল্প বলব।"
    ঋষভ বুঝতে পারল না কী বলবে। অদ্ভুত ধাঁধায় ফেলে দেয় এই লোকটা।

    "আরে এভাবে কেউ ব্রেক চাপে?"
    "তুমি ঘুমোচ্ছ কিনা দেখছি।"
    সারথির বাইকে করে দু'জন ফিরছিল।
    "ঘুমোচ্ছিই তো! সাতসকালে উঠেছি। তোমার কাঁধে মাথা রেখে একটু ঘুমোই?"
    "না।"
    "না?"
    "পড়ে গেলে বাইক থেকে?"
    তারপর সারথি নিজেই বাঁ হাত দিয়ে ঋষভের বাঁ হাতটা নিজের কোমরে টেনে নিল।
    "ভালো করে জড়িয়ে ধরো, পড়বে না।"

    মাঝপথে একটা চায়ের দোকানের সামনে দাঁড়াতে একজন পরিচিত লোক সারথির দিকে উৎসুক দৃষ্টিতে তাকাল। সারথি তাকে বলল, "হি ইজ মাই ব্রো। হি ইজ টায়ার্ড।"
    "ঠিকই বলেছ, ভীষণ ক্লান্ত।"

    হাম্পিতে এই শেষ চা খাওয়া- ঋষভের চায়ের কাপে ডুবিয়ে ডুবিয়ে সারথির বিস্কুট খাওয়া। চা খেয়ে ঘুম কাটল। বাইকের পিছনে বসে, ঋষভ শেষবারের মতো দেখছিল এই সাতশো বছর পুরোনো বিজয়নগর সাম্রাজ্যের রাজধানীকে। দূর-দূরান্ত অবধি শুধু ধ্বংসস্তূপ। হাজাররাম মন্দির, জেনানা মহল, হাতির আস্তাবল। এবার একটু একটু করে ধ্বংসস্তূপগুলো পিছনে চলে যাচ্ছে। অতীত থেকে বর্তমানে আবার ফিরে আসছে ওরা। এক সময়কাল থেকে অন্য সময়কালে- এক জগৎ থেকে অন্য জগতে। ঋষভ বাইক থেকে নামার সময় সারথির হাতটা টিপে বলল "থ্যাংকস ফর এভরিথিং!"

    সারথি ঋষভের পেটটা অল্প টিপে বলল, "তুমি একসাথে কীভাবে দুটোই পারো জানি না। আমি পারলে হয়তো ভাল হত, পারি না!"
    ঠিক একইরকম কথা রেশমী ঋষভকে বলেছিল তিন বছর পর!

    সারথি আরো বলল "পুরুষমানুষ ছাড়া অন্য কাউকে শরীর বা মন কোনোটাই দিতে পারলাম না! আর যাদের দিলাম তারা আমায় সর্বতভাবে নিল না। শরীরের যে অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো তাদের ভালো লেগেছে সেগুলো বেছেবুছে নিয়ে তারা সুখী হল!" সারথি কারণে অকারণে মিথ্যা বললেও এই কথাটা যে সে ভিতর থেকে বলছে, সেটা ঋষভের মনে হল।

    রেশমী আর ঋষভ যখন হোটেল থেকে চেকআউট করে বেরিয়ে যাচ্ছিল, দেখল রিসেপশনে বসে থাকা সারথি।
    "হ্যাপি জার্নি ম্যাডাম, হ্যাপি জার্নি স্যার। ভালো ভাবে যাবেন! আমার নেক্সট ক্লায়েন্টের সাথে কথা বলতে এসেছি।"
    ঋষভ মৃদু হেসে মনে মনে বলল - এটা কোন ধরনের ক্লায়েন্ট? এই কাজের না ঐ কাজের?

    "হাম্পিতে একটা জিনিস তো বাকি রয়ে গেল, আপনাদের কোরাকল নৌকোতে চড়া হল না যে!"

    কোরাকল হল বাঁশের তৈরি ছোট্ট গোল নৌকো। দু-চারজন মানুষ বসতে পারে। রোমান্টিক রাইডের পক্ষে আদর্শ। দুদিককার হলদে গোলাপি গ্র্যানাইট পাথরের সারির মধ্যে দিয়ে বয়ে যায় অল্পজলা তুঙ্গভদ্রা নদী, আর তার উপর দিয়ে বাঁশের কোরাকল।
    "ভালোই হল, কোরাকলে চড়ার জন্য আরেকবার আসা যাবে!" ঋষভ রেশমীকে জড়িয়ে ধরে রেশমীর দিকে তাকিয়ে বলল "কী বলো?"

    ঋষভের আর আসা হয়নি কোরাকল নৌকোয় চড়ার জন্য। তবে কল্পনার ভেলা ভাসাতে তো আর বাধা নেই। আর যে জিনিসের অভিজ্ঞতা সশরীরে হয়নি, তার কল্পনার দৌড় লাগামহীন, নিজ মনমাধুরীর মিশ্রণে তা মাত্রাতিরিক্ত মধুর! তবে ঐ স্বপ্নের ভেলা সে রেশমীর সাথে চড়েনি! স্বপ্নের কোরাকল এগিয়ে গেছে সরু নদীর আঁক-বাঁক দিয়ে, নদীর উপর নুয়িয়ে পড়া লতা আর ঝুঁকে পড়া গাছের বাধা পেরিয়ে। দুদিকে সুন্দর সুন্দর নামের একেকটা পাহাড়- মলয়বন্ত, আঞ্জনেয়াদ্রি, হেমকূট। দিনের বেলা তারা সোনা হয়ে যায়, আর চাঁদনি রাতে রুপো। আর অমাবস্যার রাতে তারা যেন সব রহস্যকে নিজের মধ্যে লুকিয়ে রাখা কৃষ্ণগহ্বর- কিন্তু ভয় পাওয়ানো কালো নয়, যে কালো প্রখর দাবদাহে শীতলতা দেয় সেই কালো- সারথির শরীরটার মতো!

    কিন্তু সব স্বপ্ন এমন সুখের নয়। ঐ খরদেশের স্বল্পজলা নদীতেই কোথা থেকে ঘূর্ণি এসে গেল। ঋষভের শরীর ভারহীন একটা পালকের মতো ঘূর্ণির জলে একটু একটু করে ডুবে যাচ্ছে। ঋষভ ভাসছে না ডুবছে নিজেও ভালো করে বুঝতে পারছে না, কিন্তু কোনো এক শূন্যতায় যেন সে মিশে যাচ্ছে। মিশে যাচ্ছে এই নদী আর তার শীতল বাতাসের মধ্যে। সে বিছানার মধ্যে থেকেও যেন ভারশূন্য হয়ে আকাশ থেকে পড়ছে- এভাবেই স্বপ্ন ভেঙে সে হকচকিয়ে ঘুম থেকে উঠেছে। খালি হাত বাড়িয়ে পাশে দেখে নিয়েছে রেশমী আছে কিনা!

    কিন্তু আগে যেভাবে হাত বাড়িয়ে দিলেই রেশমীকে পাওয়া যেত এখন আর পাওয়া যায় না! যাকে হাত বাড়ালেই পাওয়া যায়, তাকে মানুষ ভাবে চাইলেই পাওয়া যাবে, যখন খুশি পাওয়া যাবে, চাইলেই আঁকড়ে ধরা যাবে। যখন চাইবে, সে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে ধরবে। যখন বাঁধন আলগা করতে চাইবে সেও আলগা করে দেবে। কিন্তু সে যখন সব বাঁধন আলগা করে নির্মুক্ত করে চলে গেছে, তখন তাকে ফিরিয়ে আনার রাস্তা নেই!

    ঋষভ হাত বাড়িয়ে দেখল, না নেই! রেশমী বিছানায়, ঘরে কোথাও নেই! যদিও ডাক্তারবাবু মানা করেছেন, আলমারি থেকে বাক্সটা বার করে, একটা অদ্ভুত গন্ধহীন সাদা গুঁড়ো কাগজে নিয়ে ঋষভ একটু একটু করে শুঁকলো। আবার তার কোরাকল যাত্রা শুরু হল, একা, তবে অন্য একটা নদীতে, যার দু'ধারে অন্ধকার অন্ধকার পাথর নেই, রয়েছে আলো বিকিরণ করা অদ্ভুত সব রঙিন রঙিন বুনো মাশরুমের গাছ, কলসির মত একেকটা ফুল, কল্পলোকের লতাপাতা আর লাল-নীল সব গ্রহতারা!


  • বিভাগ : ধারাবাহিক | ১৭ জুলাই ২০২১ | ৩৪৪ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই প্রতিক্রিয়া দিন