• খেরোর খাতা

  • উজাইন‍্যা 

    শক্তি দত্ত রায় লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৯ জুন ২০২১ | ১১১১ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • রোদ এত লাল চোখে কেন চায় জানিনা
    দুনিয়া যাচ্ছে জ্বলে জ্বলে গেল কলিজা।
    কার কাছে সুধা আছে কে এনেছে বিষবায়ু
    ভেবে ভেবে কেটে গেল কতো দিন আলুথালু।
    পিষে পিষে চন্দন ক্ষয়ে ক্ষয়ে গেছে কাঠটা
    কপালে থানাকা লেপে নেই কোন সুরাহা।

    আঙ্গুল নেড়ে নেড়ে কতোজন কতোকথা বলে যায়
    বুঝি আর নাই বুঝি মাথা নাড়ি মনে শুধু হায় হায়।
    তোমরা চেয়ারে বসে হাসো কাঁদো কথা বল গান গাও
    একটু প্রশ্ন করো,পুছে দেখো কে রে তুমি কিবা চাও।

    ভেসে যায় বুধি গরু মুরগিটা ঝাপটায়
    ঝড় জলে ঘরবাড়ি কেঁদে কেটে হয়রান।
    আকাশের জানালায় তোমাদের মুখ দেখে
    নদী নালা ঘোলাজলে কাঁপে আর গর্জায়।
    ঝড় জল ধমকিয়ে একদিন চুপ করে, শোনে তবু হাহাকার
    কিছু লোক ত্রাণ চায়, কিছু লোক রেগে বলে শয়তান
    কাঁহাকার।
    সুন্দরবন কেঁদে বর্ষার বানভাসি ঘোলা জলে আছড়ায়
    ওপরের আকাশের মেঘভাঙা রোদমেখে

    এরোপ্লেন সাঁতরায়,সাঁতরায়।

    মাটিতে ক্ষুধিত বাঘ গরু ভেড়া মানুষে
    কাঁতরায়,মরে যায়।
    রোদ্দুর কড়াচোখে কাকে যেন কড়কায়।

    ~~~~

    বৃষ্টির জন্যে কি হাপিত্যেশ। দুপুর দুটো নাগাদ বেশ ভৈরব হরষে ই আসবে মনে হলো। আকাশ কাকের ডিমের মতো কালো। কাকের ডিম কালো হয়? কি জানি ,ছোটমাসি তো বলতো। নামলো বেশ তেরছা হয়ে বড় ফোঁটায়। জানালা বন্ধ করতে দেরি হয়ে বিছানা একটু ভিজলো। তা ভিজুক। গরম কমলো। অনেকদিন পর দুপুরে এসি না চালিয়ে জানালা খুলে দিবানিদ্রা। অনেকদিন পেরিয়ে বৃষ্টি এলো ,ঘুমের আগে একটু চোখের জলের অর্ঘ্য ও দিলাম ওকে। বিকাল সাড়ে চারটা। চা করতে গেলাম। এখন আর দু কাপ চা পরিপাটি করে করতে হয় না। যেমন তেমন এক কাপ করে নিলেই হয়। তবে সময়টি নড়ে না। ঝগড়া ও হয় না। কিন্তু সাড়ে চারটায় দুটোর বৃষ্টি বিদায় নিয়েছে। ক্ষণিকের অতিথি। স্মৃতি রেখা রেখে বিদায় নিয়েছে। আবার ঘাম। আবার দহন। বৃষ্টির নাকি এমন গুমোর।

    ছোটবেলায় বলতে গেলে ছিল দুটো ঋতু। শীত আর বর্ষা। দুই এর দাপটে আর চার ঋতু কোণঠাসা। শিলংএ তো ঘন নীল মেঘ খাসিয়া জয়ন্তিয়া পাহাড়ে ঢুঁ মেরেই জল ঢালতে শুরু করে। কাঠের রেলিং দেয়া ঘরের বারান্দায় ঝুলন্ত অর্কিড এর ফুল সর্বদাই সিক্ত। আগরতলায় গরম পড়ে না বললে সত্য বলা হবেনা কিন্তু দহন আর বর্ষণে সমঝোতা আছে। দুঃসহ নয়। প্রথম চাকরী কৈলাশহরে। প্রায় সারা বছরই বর্ষা। বাদলধারা আর সারা হয় না। মায়াবী কালো মাটি পায়ে পায়ে শাড়ীর পাড়ে জড়িয়ে থাকে। ত্রিপুরার অন্য জেলায় লালমাটি ,লাল ধুলো। ঊনকোটির ঝর্ণা জড়ানো সবুজ পাহাড় বাদলের মাদলে সদা উদ্বেল।

    আমরা তো আর রবীন্দ্রনাথ নই। বৃষ্টিতে শুধুই কি আর কাব্য? গদ্যময় বর্ষা এসেছে বৈকি জীবনে। ভেজা চুল বেঁধে নিয়ে ভিজতে ভিজতে কাজে বেরোনো। কাজের মাসির রেইনিডে। ভিজে কাঠে চোখ লাল করে রান্না। গ্যাসের উনুন এইতো সেদিনের কথা। বাচ্চাদের ডায়াপার যখন ছিলো না মায়েদের কাছে বর্ষা যে কি ভয়ংকর ছিলো কি বলবো। বাড়ীতে তিনটি শিশু। পুরো করিডর ভেজা কাঁথায় শোভিত। জায়ে জায়ে নীরব কম্পিটিশন উনুনের আগুনে ঝুড়ি চাপা দিয়ে কে আগে কার বাচ্চার কাঁথা শুকিয়ে নেবো। একদিন তো শাশুড়ি মা আমার দেওর কে রাত করে বাড়ী কেন ফিরেছে উত্তর চাইলেন। সে অম্লান বদনে জবাব দিলো ,মা তাড়াতাড়ি ফিরলেই আমার কোকিল কণ্ঠী বৌদি ভেজা কাঁথার সমস্যার সমধান নেই ,এই গান শোনাবে তাই একটু রাত করে বাড়ী র সবাই ঘুমিয়ে পড়লে ফিরি।

    ছোট বেলার কয়েক বছর কেটে ছিলো কাছাড় জেলার করিমগঞ্জ শহরে। কুশিয়ারা আর বরাক নদীকে যুক্ত করে রেখেছিলো ছোট্ট নদী --নটীখাল। পাড়ে আমাদের বাড়ী। বৃষ্টি হলেই নটিনীর রঙ্গে নদী উঠে আসতো আমাদের উঠোনে। সঙ্গে সঙ্গে কতো পোকা মাকড় ,পিঁপড়ে লাইন দিয়ে ঘরে। মা ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়তেন সংসারের স্বাস্থ্যরক্ষা খুব কঠিন। জল উঠলে জলের সমস্যা। পানীয় জলের জন্য রিজার্ভ ট্যাঙ্ক ছিলো। কিন্তু স্নান ,বাসন মাজা ,কাপড় কাচা? এ ঘর ও ঘর যাওয়া। আমাদের ছোটদের আনন্দ ধরে না। রাজ্যের নোংরা জলে লুকিয়েচুরিয়ে ছপছপিয়ে হাঁটা। সহসা একটা কই বা খলসে মাছ ধরে ফেলা। কাদের বাড়ীর হাঁস এসে লুকিয়ে রান্না ঘরের বারান্দায় ডিম পেড়ে গেলো ,কি মজা। কাঠবাদাম আর গোলাপ জাম গাছের গোড়ায় ছোট ছোট কচ্ছপ জোট বেঁধে বসে থাকে কেউ ওদের ধরে খায়না। বড় বড় মাছ যদিও ধরে বন্যার জলে।

    বর্ষা কাল বলে কি আর বিয়ে থা বন্ধ থাকে? বৌ আসে ,বর বরযাত্রী আসে গেট থেকে ছাদনা তলা অব্দি বাঁশের সাঁকো পেরিয়ে। বাজনদাররা বাঁশের মাচায় বসে বাজায় প্যাঁপো বাঁশি। ভেজা আম কাঠ যজ্ঞের আগুনের ধোঁয়ায় বৌ কাঁদে ,বরের চোখ লাল। কল্যাণদা বলেন ,তাড়াতাড়ি সারেন ঠাকুর মশাই আর কতক্ষণ? এইরকম গল্প আমি সাত কাহন বলতে পারি, আপনারা কি আর শুনবেন।

    এতো বৃষ্টি পেরিয়ে এলাম আর এখন বৃষ্টির জন্য তপস্যা? কি আর করা ,সবই কপাল। হয়ে যাক বর্ষার আগে একটু বর্ষামঙ্গল গান।

    ~~~~

    বৃষ্টি মনে হচ্ছে এসেই গেল
    আকাশ মেঘ জড়িয়ে নিল গায়ে।
    জল ছলছল চোখ ছলছল। সিক্ত সিঁড়ি কাহার পায়ের ছাপ?
    উঠোন কোনের কেয়াঝোপে বাস্তুসাপের গোপন আভিসার।
    দীঘির পাড়ে অতসী গাছ হলুদ ফুলে টলমল
    কয়না কিছুই কান্না চাপে,এক্কেবারে চুপ।

    উজাইন‍্যা কই ভুইল‍্যা গেছে দীঘির পাড়ের আইল।
    চিন্তাকাকা গামছা মাথায় দাঁড়িয়ে আছেন ঠায়
    পুরনো জলের ডাক শোনে কি ছটফটে ওই মাছ।
    দীঘির পরান উথালপাথাল মেঘ পাঠালো ডাক
    জলের রেখায় জীবন রেখায় সীমা হারায় তার।
    মৎস্য মিথুন বিরহ ছবি মোমের রেখায় এঁকে
    বাটিক শাড়ির আঁচল জুড়ে বিষাদ হুহু করে।
    হাসন রাজার পরাণ কি আর ফালদি ফালদি উঠে?--
    উঠে না তো।

    চিড়াবাড়া আমার বুকের ভিতর কেডায় কুটে।
    উজাইন‍্যা কই ভুইল‍্যা গেছে সেই সেকালের জল
    চিন্তাকাকার জল গামছায় খলবলানি নাই।
    মোমের রেখায় বিষাদ ব‍্যথায় জোড়া মাছের ছবি
    মোছেনা আর পাকা রঙের দুঃখলিখন থাকে।
    পুকুর আবার জলের গানে ধামাইল নাচিস কেন্
    উজাইন‍্যা কই উজান বেয়ে নদির দিশা খোঁজে।
    বৃষ্টি এলো টাপুর টুপুর,এসেই গেল আজ
    পুকুর নদি শাপলা শালুক মেঘের সুরে গাও।
    উজাইন‍্যা কই মনে কি আছে পুকুরধারে আইল।
    নাই নাই নাই।

    ~~~~

    বিকেল ভরে বৃষ্টি হোলো। গুমোট গরমে অতিষ্ঠ প্রাণ সজল বাতাসে স্নিগ্ধ হয়ে গেল। নিমেষের জন্য ভুলিয়ে দিল রোগের আতঙ্ক। কোন্ দূরের আঙিনা থেকে ভেসে এলো কবেকার গন্ধরাজ ফুলের সুগন্ধ। কোথায় কে জানে ফুটেছে সবুজ গাছের কোল ভরে শাদা শাদা ফুল। বেল ফুলের মোটা সোটা কুঁড়ি আধোঘুম আধোজাগা সুগন্ধ ছড়াচ্ছে। আমি মনের কোণে সেই সুবাসের আভাস পাচ্ছি। কোথায় বালিকারা ভিজে বকুল ফুল কুড়িয়ে মালা গেঁথেছে। যেমন আমরা গেঁথেছিলাম অর্ধেক শতাব্দী আগে। আমাদের সেই রাঙা ধুলোমাখা শহর যেখানে সোনালি টোপর পরা খোড়োঘর ছিলো, তার উঠোনের বেড়ায় জড়িয়ে ফুটতো যূঁই, টেকোমা, নীল রঙের সীতা ঝুমকা। দোরের কাছে ক্যানা ফুলের ঝোপ। কুয়ার ঘাটের কাছে ভেজা তুলসীগাছের তলায় ধূপ গুগগুল চন্দনের গুড়ো দিয়ে ছোবড়ার আগুন আর মায়ের হাতে আড় করে ধরা পেতলের প্রদীপ খানি। সব মনে পড়লো ছবির মতো। চোখে দেখলাম টিভি দেখাচ্ছে ধর্মতলা জলে ভাসছে। কার একটা বাইক জলে বসে গেছে। বৃষ্টি হোলো থেমে ও গেল। আবার ঘাম, আবার অস্বস্তি /অশান্তি পেরিয়ে যাওয়ার অনিশ্চয়তা। বহু যুগের ওপার থেকে আষাঢ় এসেও এলো না।
    যাকে ছেড়ে এসেছি সে আর আসে না। যে ছেড়ে যায় সে আর ফেরে না।

    ~~~~

    এইমাটির দেয়াল
    এই নড়বড়ে কপাট
    এই ঘাস সবুজ উঠোন
    সব ছেড়ে যেতে হোল অন্ধকার নিঃসীমে।
    একা।

    অবধারিত অবারিত পথ
    যেতে হবে
    হয়তো ফিরতে ও হবে
    আসা যাওয়া ভেসে পড়া অকূল না জানা
    সঙ্গীহীন।

    একটুকু মায়া থাক্
    থাকুক চোখের জলের ফোঁটা
    না কেঁদে কি যেতে পারে
    কান্না না ছুঁয়ে মুক্তি কি পায়?
    আমরা কান্না দিলাম।

    কেঁদে চলে যাও
    সবুজ উঠোন আর মায়াবী কপাট
    পেরিয়ে এগোতে হবে
    মধু সিন্ধু খুঁজে পাও
    হে ব্যকুল বিদায়ী
    শান্তি পাও। অনন্ত শান্তি।

     

  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ০৯ জুন ২০২১ ১৯:০৯494778
  • আহা এটা তো হরিদাসে যেত, খাতায় কেন। আরেকটু হলেই মিস করে যাচ্ছিলাম। 


    ছোটবেলার জলেডোবা আষাড় মাস আর জল জমলেই পোস্তয় বসে লুকিয়ে চুরিয়ে জলে পা ডোবানো। 


    কাকের ডিম কালো নয়, আসলে  কালচে সবুজমত। কালবৈশাখীর ঠিক আগে উত্তরপশ্চিম আকাশে অমন কাকের দিমের মতন রং হয় তাই কাকের ডিমের মতন আকাশ বলে। আমার কাছে কাকের ডিমের ছবি ছিল। দাঁড়ান খুঁজে পেলে দিচ্ছি। 

  • | ০৯ জুন ২০২১ ১৯:১৮494779
  • এই যে পেয়েছি। 

  • শক্তি দত্ত রায় | ১০ জুন ২০২১ ০৯:১৩494801
  • কাকের ডিমের ছবি খুব সুন্দর হয়েছে।লেখার চেয়ে কাকের ডিম বেশি মন টানছে 

  • বিপ্লব রহমান | ১১ জুন ২০২১ ০৪:৩৯494829
  • আমাদের সিলেটি ধামাইল এই লেখায় আরও স্বার্থক হলো। 


    করোনাক্রান্তিতে বেঁচে থাকাই এক বিস্ময়, আরও বিস্ময় আমি বেঁচেছি কবি শক্তি দত্ত রায়ের কালে। প্রনাম দিদি 

  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট প্রতিক্রিয়া দিন