• খেরোর খাতা

  • ভিক্ষা চায় না সুন্দরবন, চায় প্রতিকার

    Manab Mondal লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৭ মে ২০২১ | ৪৭৯ বার পঠিত | রেটিং ৪.৭ (৩ জন)
  • রাজ্যে চিত্রটা আজ ভয়াবহ। অনেকেই এখানে প্রকৃত দৃষ্টি ঘুরিয়ে দিতে পোস্ট করছে। এক ধরনের প্রতিক্রিয়াশীল চক্র এটা। সম্পূর্ণ প্রশাসনিক ও সরকারি ব্যর্থতা - এটা মেনে নিতে হবে। কারণ কত হাজার কোটি টাকা কবে বরাদ্দ হয়েছিল সুন্দরবনের নদীবাঁধ নির্মানের জন্য। এখনও ১২ বছর পরেও কেন সেই কাজ সম্পূর্ণ হল না - এই প্রশ্নই সমীচিন এখন। আয়লা থেকে ইয়াস এর মত ঝড়ের কাছে অসহায় ভাবে দাঁড়িয়ে থাকবে, আর তোমাদের ত্রান নিয়ে ভিখারির মতো বেঁচে থাকবে?

    শুনেছিলাম বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এবং কেন্দ্রে মনমোহন সিং সরকারের উদ্যোগে আয়লার পরে ২০০৯-১০ এ ৫,০৩২ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছিল সুন্দরবনে বাঁধ নির্মাণের কাজে। ২৫ শতাংশ রাজ্যের, ৭৫ শতাংশ কেন্দ্রের অনুদান। সেই সময় বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জমি অধিগ্রহণ বিরোধী আন্দোলন করছেন। তাই বাম সরকার বাঁধের জন্য জমিতে হাত দিতে পারে নি। ৭৭৭ কিলোমিটার দীর্ঘ বাঁধের কাজ শুরু হয়েছিল, কিন্তু বন্ধ হয়ে যায়। তারপর ২০১১ তে মুখ্যমন্ত্রী হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আয়লার সময় মমতা কেন্দ্রের কাছে আবেদন করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গকে যেন ত্রাণ না দেওয়া হয়। তার নিজের রাজ্য, তিনি বিরোধী দলনেত্রী। কেন? কারণ সেই টাকা নাকি কোনো কাজে লাগবে না, নেতা মন্ত্রীদের পেটে যাবে।

    মমতা জমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে আন্দোলন তৈরি করে আসলে এমন সব কাজ বন্ধ করে দিয়েছিলেন যেখানে জমির প্রয়োজন - কারখানা, বাঁধ, রাস্তা, হাসপাতাল। সুন্দরবনের মানুষ কি জানেন তাদের কি কি ক্ষতি হয়েছে? আয়লা, উম্পুনে সুন্দরবন ভেসে গেছে। ইয়াস-এ সেই ক্ষতি আরও ভয়ঙ্কর হল। ম্যানগ্রোভ জঙ্গল কেটে ফেলা হচ্ছে। ম্যানগ্রোভ না থাকলে সুন্দরবন কোনো ঝড়কে ভাঙতে পারবে না, গতি কমাতে পারবে না। মাটি থাকবে না, সমুদ্র ঢুকে আসবে। দক্ষিণবঙ্গ বলে কিছু থাকবে না। সুন্দরবন ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ।

    ২০১৯-এ ফণি থেকে ২০২১-এ ইয়াস, মাঝে কেটে গেছে প্রায় দুটো বছর। সরকার চাইলেই মাত্র কয়েক শো কোটি টাকা খরচ করে সুন্দরবন, সাগরসহ পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত উপকূলবর্তী অঞ্চলে কংক্রিটের বাঁধ তৈরি করতে পারত। এতে বন্যা, মানুষ ও গবাদি পশুদের জীবন, বাড়ি-ঘর তথা ওইসব অঞ্চলের মানুষদের হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি, এমন অনেক কিছুর বিনাশ আটকানো যেত, কিন্তু সরকার তা করে নি। সরকার পাকা বাঁধ নির্মাণ নিয়ে বরাবরই উদাসীন। এর বদলে একজন নবান্নের কন্ট্রোল রুমে বসে সেখান থেকে ছবি ভাইরাল করে "......রাত জাগবে সেই পঁয়ষট্টি বছরের ভদ্রমহিলা...." - মার্কা পোস্ট ছড়িয়ে, আর একজন হেলিকপ্টার নিয়ে ঘুরে ফেসবুকে বা ট্যুইটারে একটু গদ্গদ হয়ে দু'কলি চোখের জল ফেলে ৫০০ কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করে তার চামচাদের বাহবা কুড়োবেন। আর ওদিকে যে মানুষগুলোর সব শেষ হয়ে গেছে তারা ৪০% সামলে ওঠার আগেই পরের বছর তাদের আবার নোটিশ পাঠিয়ে দেওয়া হবে তিন দিনের মধ্যে দরকারি কাগজপত্র একত্রিত করে নিকটবর্তী ত্রাণশিবিরে চলে যান। আর তারপর আবার "......রাত জাগবেন সেই বছর পঁয়ষট্টির ভদ্রমহিলা...."।

    বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে জলস্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে সুতরাং সুদীর্ঘ পরিকল্পনায় নদীবাধ নির্মাণ করা উচিত জলস্তর বৃদ্ধির সমীক্ষা চালিয়ে। উষ্ণয়ান কমাতে বিশ্বজুড়ে গাছ লাগাতে হবে, শুধু সুন্দরবনে নয়। সাথে সাথে উষ্ণায়নের উৎসগুলোও ধীরে ধীরে ছাঁটাই করতে হবে বিকল্প ব্যবস্থার মাধ্যমে। সুন্দরবনের ৫২টি অপরিণত দ্বীপে মানুষ বসবাস করে যেগুলো সমুদ্র জলসীমার নীচে। তাই এখানে উচু কংক্রিটের বাধ নির্মাণ জরুরি। এছাড়া ৪৮টি দ্বীপে জঙ্গল রয়েছে যার ভিতরে জল অনেক জায়গায় প্রবেশ করতে পারে না। সেখানের ম্যানগ্রোভ অক্ষত। কিছু গাছের বংশগতি ব্যাহত হচ্ছে সমুদ্রের জলের লবন বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে। লোকালয়ের বাঁধের পাশে এবং নদীর আগে রাস্তার বকচরে প্রচুর ম্যানগ্রোভ লাগানো উচিত কিন্তু জায়গা দখল হয়ে যাচ্ছে। হতে পারত নদী এবং রাস্তার বকচরে পলি জমে উচ্চতা তৈরি করে প্রাকৃতিক বাঁধ কিন্তু সেটা অসাধু রাজনৈতিক নেতাদের মদতে হচ্ছে না। চর দখল হয়ে ফিসারি হচ্ছে এবং সে কারণে স্থানীয় নদীচরে রাস্তার পাশে জঙ্গল কেটে ফেলা হচ্ছে। এই জায়গা উদ্ধার করতে হবে এবং এখানে জঙ্গল লাগাতে হবে, নচেৎ কোনো বাঁধ টিকবে না। এই ৫৪টি দ্বীপ তলিয়ে যাবে।

    যেদিন সুন্দরবন রিলিফ নেওয়া বন্ধ করে বলবে নদীবাঁধ এবং বিকল্প কর্মসংস্থান নিয়ে আসুন, সেদিন সুন্দরবন সচেতন হবে। নচেৎ নদীবাঁধ ভাঙতেই থাকবে আর বছর বছর চিড়েমুড়ি পেতেই থাকবে।

    এই লেখাটি আমার মৌলিক লেখা নয়। কিছু চিন্তা ভাবনার কোলাজ বলতে পারেন। তবে সবার কথা শুনে একটা বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলা উচিত বলে আমার মনে হয়েছে। তাই জনমত তৈরি করতে, সুন্দরবন অঞ্চলের মানুষদের নিয়ে আপনারা ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগত উদ্যোগে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনা করুন, যাতে সুন্দরবনের ভবিষৎ সুরক্ষিত হয়।
  • বিভাগ : অন্যান্য | ২৭ মে ২০২১ | ৪৭৯ বার পঠিত | রেটিং ৪.৭ (৩ জন)
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • বিপ্লব রহমান | ৩০ মে ২০২১ ০৭:১৬106615
  • এইপারের চিত্র একই। 


    প্রতি ঝড় ঝঞ্জা সুন্দরবন বুক দিয়ে আলগায়, গাছ পড়ে, হরিণ বাঘ পানিতে মরে ভেসে আসে। হাজার হাজার বানভাসি মানুষের "টেকসই বাঁধ" নির্মাণের স্বপ্ন অধরাই থেকে যায়। 

  • aranya | 2601:84:4600:5410:68f1:4db0:cfa7:bd5e | ০১ জুন ২০২১ ০৪:৩০106686
  • 'আয়লার সময় মমতা কেন্দ্রকে আবেদন করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গকে যেন ত্রাণ না দেওয়া হয়। তার নিজের রাজ্য, তিনি বিরোধী দলনেত্রী। কেন? কারণ সেই টাকা নাকি কোনো কাজে লাগবে না, নেতা মন্ত্রীদের পেটে যাবে'


    - এটা বোধহয় শুধু ​​​​​​পঃ ​​​​​​​বঙ্গেই ​​​​​​​সম্ভব। ​​​​​​​অন্য রাজ্যে কোন ​​​​​​​প্রকল্প ​​​​​​​এলে ​​​​​​​বা ​​​​​​​আর্থিক ​​​​​​​সাহায্য ​​​​​​​এলে শাসক, ​​​​​​​বিরোধী ​​​​​​​হাত ​​​​​​​মিলিয়ে ​​​​​​​কাজ ​​​​​​​করে ​​​​​​​রাজ্যের ​​​​​​​স্বার্থে ​​​​​​​, ​​​​​​​যাতে সেই ​​​​​​​প্রকল্প ​​​​​​​বাস্তবায়িত ​​​​​​​হয়, টাকাটা ​​​​​​​কাজে ​​​​​​​লাগে 


    এই ৫০৩২ কোটি টাকা কি শেষ অব্দি পাওয়া গেছিল? কী হল সেই টাকা দিয়ে? কোন কোন বাঁধ তৈরী হয়েছে, আবার ভেঙেছে, তার কোন খতিয়ান আছে? 


    ২০০৯-এ আয়লা। তার পর দীর্ঘ ১২ বছর কেটেছে, এক  যুগ । এর দশ বছর তৃণমূল সরকার, দশ বছর কিন্তু অনেক সময়। বিজ্ঞানসম্মত পরিকল্পনা, তার রূপায়ণের জন্য।  বড় কোন ঝড় এলে - আম্পান, ইয়াস - একই ছবি দেখি, বাঁধ ভাঙে , গ্রামের পর গ্রাম জলের তলায়


     বাঁধের টাকা কি মূলত  বিবিধ চোরেদের পকেটে গেল ?

  • aranya | 2601:84:4600:5410:68f1:4db0:cfa7:bd5e | ০১ জুন ২০২১ ০৪:৩৮106687
  • যেটুকু ম্যানগ্রোভ আছে, খুব বেশি আর নেইও, তাদের সেই চিপকো আন্দোলনের মত বুকে জড়িয়ে রক্ষা করা উচিত। ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট সুন্দরবনে ম্যানগ্রোভ কাটা যাতে একেবারে বন্ধ হয়, সে ব্যাপারে রাজ্য সরকার কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে, তাও জানতে ইচ্ছা হয়। 


    বিপ্লব, বাংলাদেশের মানুষ কি ম্যানগ্রোভ ধ্বংসের প্রতিবাদ করছেন? রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আন্দোলন আশা জাগিয়েছিল 

  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। হাত মক্সো করতে মতামত দিন