• খেরোর খাতা

  • সিঁড়ির_সাতকাহন_১

    Goutam Dutt লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৮ অক্টোবর ২০২০ | ৬৩ বার পঠিত | ৪/৫ (১ জন)
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার

  • শহর কলকাতায় জন্ম আমার। পুরোনো দিনের পার্টিশনড হয়ে যাওয়া একটা ছোট্ট দোতলা বাড়িতে। তখনো পার্টিশন এর পাঁচিল ওঠে নি। তাই তিনখানা সংসারের বারো ঘর আর একখানা উঠোন থাকলেও সিঁড়ি ছিল তিনখানা। এর মধ্যে যে সিড়িটা সবচেয়ে পুরোনো, একমাত্র সেটা দিয়েই তিনতলায় ওঠা যেত। এক একটা তলায় ওঠার জন্য সে সিঁড়িটার ছিল তিনখানা বাঁক। সেই তিনটে বাঁক পেরিয়ে একতলা থেকে দোতলায় উঠেই সামনের আয়তাকার চাতালটাকে তখন বলা হত “সাজা’। যার একদিক দিয়ে ঘরে ঢোকা যেত। সেই সাজায় ছিল দুখানা জানলা। সেই রঙিন কাঁচের খিলান মাথায়, দুখানা করে পেল্লায় পাল্লা। গোটা সিঁড়িটায় থাকতো একটা আবছা অন্ধকার। তখন সিঁড়ির ওপরে দিয়ে কোনো আলোর ব্যবস্থা আমরা দেখিনি অন্তত।


    আমাদের অংশের বাড়িটার ছাদে ওঠার জন্য ছিল ঘোরানো লোহার সিঁড়ি। শরীরকে যতটা সম্ভব সোজা করে নিয়ে উঠতে হত ছাদে। যদিও ছোটোবেলায় ওই লোহার সিঁড়ির ধাপে বসেই চলতো আমাদের খেলাধুলো।


    আমাদের একতলা থেকে দোতলায় ওঠার সিঁড়িখানা ছিল উঠোনের এক পাশ দিয়ে। একবারেই উঠে গেছিল দোতলার বারান্দায়। মাথার ওপরে খোলা আকাশ। সে সিঁড়ির একদিকে পাশের বাড়ির দেয়াল আর রেলিঙের দিকে উঠোন। সিঁড়ির দেয়ালের একটু ওপরে গুটিয়ে রাখা থাকতো একটা ত্রিপল। যাকে আমরা তখন টের্পল-ই বলতাম। ঘোর বর্ষায় সেই ত্রিপল খুলে টাঙানো হত উঠোন জুড়ে। সাবেকি কলকাতার বাড়িগুলো ঘুরলে এখনো হয়তো দেখা যাবে এমন একেকখানা খাড়াই সিঁড়ি।


    এই সমস্ত সিঁড়ি নিয়েই কতো দেখা না-দেখার স্মৃতির উপাদান আজও। কতোদিনের খেলার স্মৃতি। হাফ-প্যান্ট থেকে ফুল-প্যান্ট কিংবা ফ্রক থেকে শাড়ির কতো না রোমাঞ্চিত নির্জন দুপুর। যৌথ পরিবারের চলাচলের মধ্যে কতোই না আনন্দের হিল্লোল। আবার কখনো কখনো সিঁড়ির একেবারে ওপরের ধাপগুলোয় বিষাদের জলধারা। সবকিছু হারিয়ে গেল আমাদের এই নতুন কলকাতায়। সিসিটিভি’র কঠিন দৃষ্টি আজকালকার ফ্ল্যাটের সিঁড়ির প্রতিটা ধাপে। ঠোঁটে ঠোঁট রাখার সেই রোমাঞ্চিত দিনগুলো কোথায় যে হারিয়ে গেল !


    চিৎপুর রোড আর বিবেকানন্দ রোডের যেখানে মিশেছে সেইখানে গণেশ টকিজ। আর আশে। পাশে অনেকগুলো বড়ো বড়ো বাড়ি। ঢের পুরোনো। কারা সেখানে থাকত, কত সালে তৈরি তা, সব ঠিকঠাক জানাও যায় না। বাড়ির বাসিন্দা বদলেছে। চারপাশের পরিস্থিতি বদলেছে। যে পথে পালকি চলত, সেখানে এখন ট্রামলাইনেও জং ধরেছে। শুধু ইমারৎটি রয়ে গেছে। আরো কিছু বছর পরে তাও থাকবে কিনা সন্দেহ।


    তেমনি একটি বাড়ি লোহিয়া মাতৃসদন।



    যাতায়াতের সময় এই বাড়ি নিশ্চিত চোখে পড়বে। এড়িয়ে যাওয়ার উপায় নেই। বিশাল হলুদ রঙের বাড়ি। লোহিয়া মাতৃসদন। চিকিৎসাকেন্দ্র হিসেবেই এর পরিচিতি। এবং এই পরিচিতিটিও বেশ পুরোনো। অবশ্য আজ মাতৃসদনের দরজা বন্ধ। হয়তো অন্যকিছু হবে। সেখানে। জানা নেই। দুপুর রোদে বড়ো উজ্জ্বল দেখায় বিশাল এই বাড়ি। গেটের মাথায় পাহারা দিচ্ছে স্বয়ং পশুরাজ সিংহ। সিংহদুয়ার বোধহয় একেই বলে। তারপর শুরু হয় বিশাল একটা উঠোন। তার চারধার জুড়ে দু-বাহুর মতো বিস্তৃত বাড়িটির শাখা-প্রশাখা। আর উঠোন থেকেই অনেকগুলো সিড়ি উঠেছে বাড়িটির একলায়। গ্রীক মন্দিরের মতোই এই বাড়ির সমুখ ছাদটি। যেন উলটে রাখা একটি বই। আর সেখান থেকে নিচে নেমেছে, ডোরিক রীতির অনেকগুলি থাম। সেই কলকাতার গড়নের সঙ্গে তাল মেলানো কাঠামো এই পেল্লায় বাড়ির। রাজকীয়।


    খুব ছোটবেলায়, বোনের জন্মের পরে মা আর বোনকে দেখতে যাওয়া। উত্তর কলকাতার চিৎপুর রোড়ের ওপরে লোহিয়া মাতৃসদনের সেই বিশালাকায় সিঁড়িকে কেমন যেন মনে হ’ত।


    একটু গল্পে যাই...


    কার ছিল এই বিশাল প্রাসাদটি ? মাতৃসদন তো পরের যুগের কথা।


    “কালের অনন্ত লীলা নাহি বোঝা যায়। 


    কালের প্রভাবে দেখ কিবা শোভা পায়। 


    শ্রীকৃষ্ণ মল্লিকের এই প্রাসাদরতন। 


    হল আদি প্রদ্যুম্নের লীলানিকেতন।”


    এই বাড়ির পৈঠার ধাপে (পৈঠা মানে সিঁড়ি) নাকি একসময় লেখা ছিল এই পয়ারি ছত্রগুলি। বাড়িটি যে একদা মল্লিক বাড়ি ছিল—তার প্রমাণ দেয় এই ছত্রগুলি। শ্রীকৃষ্ণ মল্লিকের সাহস, বাবুয়ানি সবই ছিল আকাশছোঁয়া। বিশাল বাড়ি বানানোর পরেও আশ মেটেনি। ঠিক করলেন, লাটসাহেবের সিংহদুয়ারের মতো হবে তাঁর বাড়ির সদর দুয়ার। কিন্তু অনুমতি মিলল না আদালতের। লাট সাহেব আর বাঙালিবাবু কি সমমর্যাদার? শ্রীকৃষ্ণ মল্লিক লন্ডনের প্রিভি কাউন্সিল পর্যন্ত দৌড় দেন। জেতেনও। সিংহদুয়ার গড়েই তবে শান্ত হন। একজন। সিংহদুয়ার গড়ার অনুমতি পেতে মামলা চালাচ্ছেন কালাপানির ওইপারের বিলেতে! নিছক বাবুয়ানি দিয়ে একে ব্যাখ্যা করা মুস্কিল। অর্থের আর তার দেমাক, লালমুখো লাটসাহেবের সমান হয়ে ওঠার আকাঙ্ক্ষা—যাই হোক না কেন, এইসব গল্প শহরের ইতিহাসকে আরো রঙিন করে।



    তবে, সুখ সইল না বেশিদিন। বিপর্যয় নেমে এল। অর্থের অভাবে হরেন্দ্রকৃষ্ণ শীলকে বাড়ি বিক্রি করে দিতে বাধ্য হলেন। মাতৃসদন হওয়ার আগে অবধি বাড়িটি হরেন শীলের বাড়ি হিসেবেই পরিচিত ছিল। সুবর্ণবণিক সমাজের কৃতি মানুষ হরেন শীল। উচ্চাঙ্গসঙ্গীতে বিশেষ পারদর্শী। বাংলাভাষায় লিখতেন খেয়াল সঙ্গীত। কথা, সুর দুটোই দিতেন। তাঁর ছেলে উমাপতি ছিলেন সেতারবাদক ও কীর্তনীয়া। শ্রীরাধাদামোদর কীর্তন সমাজের কাণ্ডারি ছিলেন তিনি। হরেন শীলের আমলে অনেক বড়ো বড়ো সঙ্গীতকারদের আনাগোনা থাকত সেখানে। দিলীপ কুমার মুখোপাধ্যায়, গঙ্গানারায়ণ চট্টোপাধ্যায় প্রমুখের পায়ের চিহ্ন মিশে আছে এই বাড়ির ধুলোয়। অর্থাৎ শুধু অর্থ, প্রতিপত্তির দিকে ছুটে যায়নি শীল পরিবার। তাকে ছাপিয়ে অন্য এক জীবনের খোঁজ ছিল।


    তবে, হরেন শীল ও তার পরিবারও বেশিদিন সেই বাড়ির মালিকানা ভোগ করেনি। শ্রীকৃষ্ণ মল্লিকের বংশধর প্রদ্যুম্ন মল্লিক ফের সেই বাড়ির দখল নেন। একবাড়ি, তার বাসিন্দা অনেক। আর পরবর্তীকালে তা হয়ে গেল মাতৃসদন। আরো অনেকগুলো প্রজন্মের সাক্ষী।


    “আমার রাজার বাড়ি কোথায় কেউ জানে না সে তো; 


    সে বাড়ি কি থাকত যদি লোকে জানতে পেত। 


    রুপো দিয়ে দেয়াল গাঁথা, সোনা দিয়ে ছাত, 


    থাকে থাকে সিঁড়ি ওঠে সাদা হাতির দাঁত”। রাজার বাড়ি -শিশু


    ছোটবেলার সেই কবিতা। সুর করে পড়া। মাথাটাও যেন দুলে দুলে উঠত এসব কবিতার ছন্দে-গন্ধে।


    বরানগরে এসে দেখলাম খাদ্য আন্দোলনের চরম বিক্ষোভ। তখন ক্লাস ফাইভ।


    উচ্চ-মাধ্যমিক দেবো যখন মাথার মধ্যে বাম রাজনীতির ভাসা ভাসা পরিচয়। প্রোলিতারিয়েত আর বুর্জোয়া’র অর্থ জানার তীব্র আগ্রহ। নকশাল আন্দোলন আস্তে আস্তে ঢিমে। সেই সময় একদিন হাতে এল কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য’র কবিতা ‘সিঁড়ি।


    “আমরা সিঁড়ি, 


    তোমরা আমাদের মাড়িয়ে 


    প্রতিদিন অনেক উঁচুতে উঠে যাও, 


    তারপর ফিরেও তাকাও না পিছনের দিকে; 


    তোমাদের পদধূলিধন্য আমাদের বুক। 


    পদাঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায় প্রতিদিন।


     তোমরাও তা জানো, 


    তাই কার্পেটে মুড়ে রাখতে চাও আমাদের বুকের ক্ষত 


    ঢেকে রাখতে চাও তোমাদের অত্যাচারের চিহ্নকে 


    আর চেপে রাখতে চাও পৃথিবীর কাছে


    তোমাদের গর্বোদ্ধত, অত্যাচারী পদধ্বনি”।


    তবুও আমরা জানি, 


    চিরকাল আর পৃথিবীর কাছে 


    চাপা থাকবে না। 


    আমাদের দেহে তোমাদের এই পদাঘাত। 


    আর সম্রাট হুমায়ুনের মতো 


    একদিন তোমাদেরও হতে পারে পদস্থলন।।


    এ কবিতার পংক্তিতে পংক্তিতে সেই দ্বন্দমূলক ভাবনা বোঝার সূচনা। কবিতার মাধুর্য তখন আঠারো বছরের দুরন্ত যৌবনে যেন বিপ্লবের ডাক। এক বছর আগেই প্রাপ্তবয়স্কের ভান।


    অভিধান আজকাল হাতের নাগালেই। গুগুলের পাতায় পাতায়। তাই সিঁড়ি’র ‘সি’ লিখতে না। লিখতেই চলে আসে কতো না-জানা তথ্য। যেমন -


    সিঁড়ি, সিঁড়ী – (বিশেষ্য পদ) - সোপান, পইঠা, মই, নামা-ওঠার জন্য ধাপ। ইত্যাদি।


    বা


    সিঁড়ি - (noun) - staircase; ladder; stair; stair way; mount।


    একটু গভীরে যেতে গেলেই ইংরেজী ভরোসা, এখনো ! তাই যেতেই হয়।


    শব্দটার ইংরেজি অর্থ “stair” | ওল্ড ইংরেজিতে "সিঁড়ি" শব্দটি হবে "stǣger"। এই শব্দটার উৎস জার্মান থেকে। এবং ডাচ শব্দ “steiger” এর সাথে ইংরেজি শব্দটার ভারী। মিল। আর এই ডাচ্ শব্দটির অর্থ হল "আরোহণ"।


    পুরাতন ইংরেজিতে "সিঁড়ি" শব্দটি হবে "stǣger" - জার্মানিক উৎসযুক্ত একটি শব্দ যা ডাচ্ শব্দ "স্টাইগার" এর সাথেও সম্পর্কিত, যার অর্থ "আরোহণ"। অদ্ভুত ব্যাপার দেখুন, এই সিঁড়ি’র সাথে যদি আমরা পাতি ‘স্কেল’ (যেটা দিয়ে প্রচুর মাথায় মার খেয়েছি উচ্চারণে ভুল হলেই, ছেলেবেলায়) শব্দটার যোগাযোগ খুঁজতে চেষ্টা করি, সেখানে পাই ল্যাটিন ভাষায় সিঁড়ি শব্দের ব্যুৎপত্তিগত পরিভাষা হল “scala”, কি মিল ! তাই না ?


    খ্রিঃপূঃ ১ম শতাব্দীতে মার্কাস ট্রিভিয়াস পোলিও নামে এক রোমান লেখক যিনি আবার স্থপতি, সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এবং সামরিক প্রকৌশলীও ছিলেন তিনি একখানা প্রামান্য বই | লেখেন। যার নাম 


    “De architectura”


    এই প্রাচীন গ্রন্থে ভিট্রভিয়াস উল্লেখ করেছেন যে ল্যাটিনের বহুবচন “scalaria” শব্দটি “escalera” (স্পেনীয় – “এসকালেরা”), “escada” (পর্তুগিজ – “এস্কাডা”) অথবা “escalier ” (ফরাসী - "এস্কালিয়ার") শব্দগুলির পূর্বসূরীই।


    কতো কি-ই না জানার আছে বলুন তো!


    সিঁড়ি নিয়ে লিখতে লিখতে মন দৌড়চ্ছে এই “De architectura” বইটার ব্যাপারে। কিঞ্চিৎ যদি জানা যেত।



    শুনুন তবে। স্থাপত্য বিদ্যার ইতিহাসে এই বইটি একটা মাইলস্টোন বলা যায়। ভিট্রভিয়াস এই গ্রন্থখানি উৎসর্গ করেছিলেন তখনকার রোমান সম্রাট অগাস্টাস’কে। কি উদ্দেশ্য ছিল তাঁর ? না, যাতে মহান সম্রাটকে এই স্থাপত্যবিদ্যা সম্পর্কে কিছুটা অবহিত করা যায়। সম্রাট যাতে বুঝতে পারেন যে একটা বাড়ি বা প্রাসাদ তৈরি করতে গেলে কি কি উপাচার দরকার।


    পেট্রি লিউককোনেনের মতে এই বইটি রেনেসাঁর প্রথম দিক থেকে শিল্পী, চিন্তাবিদ এবং স্থপতিদেরকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল, তাদের মধ্যে লিওন বটিস্তা আলবার্তি (১৪০৪-১৪৭২), লিওনার্দো দা ভিঞ্চি (১৪৫২-১৫১৯) এবং মাইকেলেঞ্জেলো (১৪৭৫-১৫১৫) উল্লেখযোগ্য। ভিট্রভিয়াসের মতে, স্থাপত্য হ’ল প্রকৃতির একটি অনুকরণ। পাখি এবং মৌমাছিরা যেমন বাসা তৈরি করে, তেমনি।


    ##


    ©গৌতমদত্ত


    #


    কৃতজ্ঞতা - 


    উইকিপিডিয়া।


    গুগুল।


    *আরো জানতে চাইলে উইকিপিডিয়া দেখতে পারেন। *(https://en.wikipedia.org/wiki/Vitruvius#cite note-Vitruvius, Pollio 1960-23)

  • ২৮ অক্টোবর ২০২০ | ৬৩ বার পঠিত | ৪/৫ (১ জন)
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল মতামত দিন