• খেরোর খাতা

  • মৃগয়া

    Krishnendu Talukdar লেখকের গ্রাহক হোন
    ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ৯৭ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • মৃগয়া                                                                                                                              


                     


    নৈঃশব্দ ভাঙিয়া যায় বারংবার। অমিতবীর্যের অস্থির ক্রুদ্ধ পদচারণায় শুষ্ক মর্মর‍্দল দলিত হইতে থাকে।বৈজী কুমারের মৃগয়ার সাধ অপূর্ণ থাকিয়া গিয়াছে বৌদ্ধ ভিক্ষু সংঘের তীব্র বাধায়।তাঁহারা বনপথ অবরুদ্ধ করিয়া শায়িত ছিলেন যাহাতে কুমারের মৃগয়া বাহিনী বনে প্রবেশ না করিতে পারে। ভিক্ষু রতনের ঊদ্ধত ভাষণের চিত্র ক্রমান্বয়ে কুমারের মানসপটে ফুটিয়া উঠিতে থাকে- 


    “কুমার, আপনি বৈজী গণরাজ্যের একজন নাগরিক হইয়া কি প্রকারে নিজেকে রাজপুত্র ঘোষণা করিয়াছেন। আপনার পিতা অটলবীর্য, আমাদের নির্বচিত শাসক মাত্র – একচ্ছত্র সম্রাট নহেন। আপনি তো আমিষ আহার ও করেন না,তাহা হইলে এই মৃগয়া শুধু মাত্র আপনার ক্ষমতা প্রদর্শনের উৎসব ভিন্ন কিছু নহে।“


    - “অনার্য ব্যাধগণ, নিষাদগণ যেক্ষণে পশু হত্যা করে, সেক্ষণে আপনাদিগের এই  প্রতিবাদ অহিংসা কোন স্হানে রাখিয়া আসেন ?” 


    - “ ব্যাঘ্র জীবন ধারণের জন্য হরিণ বধ করে, হরিণ জীবন ধারণের জন্য তৃণ ভোজন করে, নিষাদগণ জীবন ধারণের শিকার করে। তাই গাভী কে তৃণ ভোজনে বাধা দেওয়া যেমত হিংস্র কার্য্য নিষাদগণকে শিকারে বাধা দেওয়াও হিংসা বলিয়া পরিগণিত হওয়া উচিত। এই বনাঞ্চলের আদিমতম বসবাসকারী তাহারা। বনের ভারসাম্য তাহাদের শিকারে ব্যাহত হয় না, আপনাদিগের ভোগবিলাস ও অপচয়ে নষ্ট হয়।“


    - “সভা ও সমিতি তে আপনাদিগের প্রতিনিধি কিঞ্চিৎ বেশী আছে বলিয়া আপনাদিগের যে রূপ অহংকার প্রকাশ পাইতেছে তা অদুর ভবিষ্যতে চূর্ণ বিচূর্ণ হইবে। যেদিন এই রাজ্যে বর্ণাশ্রমের ন্যায় প্রতিষ্ঠা পাইবে, আপনাদিগের মত অলস ভিক্ষুদের স্হান আমাদিগের শ্রমশিবিরে হইবে। ততদিন প্র‍্দর্শন করিতে থাকুন আপনাদিগের এই ছদ্ম অহিংসা।“ 


      ভিক্ষু রতনের দেহ দলিত করিয়া অশ্বচালনার প্রবল ইচ্ছা সেদিন দমন করিতে হইয়াছিল না হইলে বৌদ্ধভিক্ষু সংঘের প্রভাবে পিতা অটলবীর্য ক্ষমতাচ্যুত হইতেন। 


     গুরুদেব ভগবত গোবিন্দাচার্য্য শিক্ষা দিয়াছিলেন- বড় লক্ষ্যের জন্য ছোট ছোট ইচ্ছাগুলিকে বলিদান করিতে। অগ্নিহোত্রী ব্রাহ্মণ হইয়াও গণরোষে বৈজীতে যজ্ঞ করিতে পারেন নাই তিনি। তথাপি তিনি ভূ-ভারতে বর্ণশ্রেষ্ঠের শাসন প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেন। আর সেই সাম্রাজ্যে কুমার অমিতবীর্য হইবেন একচ্ছত্র সম্রাট। 


      মৃগয়া লইয়া বেশি জানা জানি হইলে জৈণ শ্রেষ্ঠীরাও সভা সমিতিতে তাঁহাদের সমর্থন করিতে পারেন- এ রূপ ভাবিয়া অধিকাংশ সাথীদের বিদায় করিয়া, তিনি বনাঞ্চলের অগ্রভাগে শিবির স্হাপন করেন। এই বনাঞ্চলের অপর পার্শ্বে কৌশল রাজ্য। একটি বৈভবশালী ক্ষাত্রবংশ রাজত্ব করে সেথায়। কৌশলরাজের অভিষেকে আমণ্ত্রিত হইয়া যে প্রকার আড়ম্বরপূর্ণ যজ্ঞ, বলিদান ও মৃগয়া দেখিয়া আসিয়াছিলেন তাহা আজ ও একটি অতিকাঙ্খিত কিন্তু অতৃপ্ত স্মৃতি হইয়া কুমার কে পীড়া দেয়। বৈজী গণরাজ্য হওয়ায় তাঁহার রাজা হইবার তথা ঐরূপ আড়ম্বরপূর্ণ আমোদ করিবার আশা সুদূর পরাহত। 


        পরদিন প্রভাতে গুরুদেবের আশ্রমে যাইয়া অমিতবীর্য দেখিলেন গতদিনের ঘটনা গুরুদেবের কর্ণগোচর হইয়াছে। গুরুদেব তিরস্কার করিলেন- 


    - “ তুমি কাষ্ঠ আহরণ, অগ্নি প্রজ্জ্বলনের পূর্বেই অন্ন প্রস্তুতি করিবে ভাবিয়াছ?”


    - “মার্জনা করিবেন গুরুদেব, মূর্খ আমি, আমায় মার্গ প্রদর্শন করুন।“ 


    - “ তিষ্ঠ্য বৎস্য। কোনো রূপ পরিবর্তনই একদিনে সাধিত হয় না। তোমার লক্ষ্য শুধু সিংহাসন তাই হঠকারী আচরণ করিতেছ। আমার লক্ষ্য দেব দ্বিজের শাসন প্রতিষ্ঠা। বর্ণাশ্রম প্রতিষ্ঠিত হলে তোমরা বংশপরস্পরায় রাজত্ব করিবে। জনগণের মনের অন্তঃস্থলে দৈবভয়, বর্ণাশ্রমের প্রতি দীর্ঘ লালিত বিশ্বাস ও আনুগত্য আজও অটুট। বর্তমানে ক্ষমতাবান গোষ্ঠীগুলির মধ্যে ক্ষুদ্র স্বার্থের দ্বন্দ্ব রহিয়া গিয়াছে। আমরা সেই সকল দ্বন্দ্ব কে তীব্র করিয়া ক্ষমতা দখল করিব ও ক্ষমতায় থাকিব।“ 


    - “আমার পিতা সভা ও সমিতির আজ্ঞাবহ শাসক মাত্র। কৌশলরাজের মত ক্ষমতা তাঁহার হস্তে ন্যস্ত নাই।“ 


    - “মূর্খ। শুধু শান্তিকালীন পরিস্হিতিই দেখিলে, আপতকালীন পরিস্হিতিতে বৈজী শাসকের সিদ্ধান্ত সভা ও সমিতি কে মানিয়া লইতে হয়, তাহা বিস্মৃত হইয়াছ?”


    - “কিন্ত গুরুদেব- বর্তমানে তো কোনো আপতকালীন পরিস্হিতি নাই!”


    - “ সেই পরিস্থিতি সৃষ্টিই তোমার কর্তব্য।“ 


        


          কিছু মাস বাদে বৈজী কৌশল সীমান্তের বনাঞ্চলে দুই রাজ্যের সংঘর্ষ শুরু হয়। বৎসর কাল অতিক্রান্ত হয়, দেশে আপতকালীন পরিস্হিতিতে সমস্ত ক্ষমতা অটলবীর্যের কুক্ষিগত হয়। যুদ্ধের ব্যয়জনিত কর প্রবল বৃদ্ধি পায়। প্রজাগণ দেশের জন্য ত্যাগ স্বীকার করিতে থাকে। বৌদ্ধ সংঘ বারংবার যুদ্ধের বিরোধীতা করিতে থাকে। কিন্তু এই অহিংস নীতি বৈজীর পক্ষে ক্ষতিকারক বলিয়া প্রচারিত হইতে থাকে। বৈজীর জনগণ যে প্রতিহিংসাস্পৃহতায় আচ্ছন্ন হইতেছিল তাহাতে প্রতিশোধ গ্রহণের পথে আর একটি বাধা হিসাবেই দেখিল বৌদ্ধ সংঘের এই যুদ্ধ বিরোধীতা কে। বৌদ্ধ সংঘের প্রতি জনগণের সমর্থন দ্রুত হ্রাস পাইলো। অমিতবীর্য বারংবার বৌদ্ধ সংঘ কে বৈজীর শত্রু বলিয়া প্রচার করিতে লাগিলে এক সময় অমিতবীর্যের মতটি কেই তাহাদিগকের আপন মত বলিয়া ভাবিলেন। ফলতঃ সভা ও সমিতিতে বৌদ্ধ সংঘের প্রতিনিধিত্ব কমিল। প্রতিশোধ স্পৃহা বৈজীবাসীকে পুনরায় ক্ষাত্রধর্ম মুখি করিল। যুদ্ধ পরবর্তী পরিস্হিতিতে বৈজীর জৈণ শ্রেষ্ঠীরা কৌশল রাজ্যের মধ্য দিয়া বানিজ্য করিতে যাইলে কৌশলরাজ্য তাঁহাদের উপর উত্তরত্তর শুল্কবৃদ্ধি করিতে থাকে। এমতাবস্থায় শ্রেষ্ঠীদের সমর্থন ধরিয়া রাখিতে বৈজীতে শ্রেষ্ঠীগণের পণ্যের উপর প্রভূত করহ্রাস হয়। কৃষক, কর্মকার, মৃৎশিল্পী, এমন কি অরণ্যবাসী নিষাদ ও ব্যাধগণের উপরেও অসহনীয় করভার আরোপিত হইল। সমরাস্ত্র ব্যবসায়ী জৈণ শ্রেষ্ঠীদের খুশী করিতে চাহিয়া বৈজী রাজ্যে নিরামিষ ভক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হয়। শুধু মৃগয়া ও যজ্ঞে মাংস ভক্ষণ ব্যতীক্রম বলিয়া গণ্য হইল। খাদ্য সংস্হান হারাইয়া নিরুপায় হইয়া নিষাদ ও ব্যাধগণ পার্শ্ববর্তী কৌশলরাজ্যে আশ্রয় লইতে থাকে। বৈজীরাজ্যের বর্ণাশ্রমের সমাজে কোনো কালেই ইহারা আদৃত ছিল না। অস্পৃশ্যতা জনিত অবজ্ঞা ও অজ্ঞানতায় সাধারণ বৈজীবাসী ইহাদের অসভ্য, রাক্ষসকুলজাত, এমনকি নরমাংসভোজী বলিয়া কল্পনা করিত। যুদ্ধ জনিত মন্দায় কর্মহীন অর্থবলহীণ বৈজীবাসীগণ তাঁহাদের এই অবস্থার জন্য কৌশলরাজ্যকে দায়ী মনে করিত। নিষাদ ও ব্যাধেরা কৌশল রাজ্যে আশ্রয় লওয়া শুরু করিতেই তাহাদের উপরও সাধারণ বৈজীবাসীর রোষ পড়িল। দিকে দিকে মাংস বিক্রয় করিতে আসা নিষাদ ও ব্যাধগণের গণপ্রহারে মৃত্যুর সংবাদ আসিতে থাকিল। 


        রাত্রির মধ্যমযামে এক অশ্বারোহী থামিল বৈজী দুর্গের প্রবেশদ্বারে। রক্ষীগণকে ভগবৎ গোবিন্দাচার্য্যের নামাঙ্কিত মুদ্রা ও পত্র দেখাইতে কুমার অমিতবীর্যের সাক্ষাৎ মিলিল। অশ্বারোহী আনিত গুরুদেব গোবিন্দাচার্য্যের সাংকেতিক বার্তাটি এক নিঃশ্বাসে পড়িয়া অমিতবীর্য তাহাকে দ্রুত প্রস্হান করিতে বলিলেন।  


       পরদিন রাজ্যবাসী জানিল নিষাদ ও ব্যাধগণের সাহায্যে অরণ্যময় পথ ধরিয়া কৌশল সেনাধ্যক্ষ বিশাল বাহিনী সহ বৈজী আক্রমণে আসিতেছে। সভা ও সমিতিতে যুদ্ধের কারণে আপৎকালীন পরিস্হিতি ঘোষিত করিয়া বৈজী শাসক অটলবীর্য যুদ্ধে চলিলেন। প্রশাসনের ভার সমর্পন করিলেন কুমার অমিতবীর্যের হস্তে। সভা ও সমিতি ইহাতে সম্মতিও দিইলো। 


             বৈজী সেনা রথ ও অশ্বারূঢ় হইয়া অরণ্যপথে প্রবেশ করিতে পারিলো না। বিগত কয়েক দিবসের বৃষ্টিপাত আরণ্যপথকে পঙ্কিল করিয়া তুলিয়াছে। বৈজী শাসক কোনো ক্রমে সন্তরপনে ধীর গতিতে অশ্বরূঢ় হইয়াই অরণ্যে প্রবেশিলেন। পিছনে পিছনে পদাতিক বাহিনী আসিতে থাকিল। গহন অরণ্যে প্রবেশ করিবার পর যখন সূর্য অস্তমিত হইতেছে তখনও তাঁহারা শত্রুর দেখা পাইলেন না। সন্দিগ্ধচিত্তে তাঁহারা সবে মাত্র প্রস্হান করিতেছেন- তখনই অরণ্য মধ্যে চতুর্দিকে অগ্নি জ্বলিয়া উঠিল। সৈন্যগণ “দাবানল দাবানল” বলিয়া আতঙ্কে দিকবিদিকজ্ঞানশূণ্য হইয়া পলায়ন করিতে লাগিল। এমতাবস্থায় সেই ছায়াময়,ধূমে শ্বাসরোধী অরণ্য হইতে রাশি রাশি শর তাঁহাদের বিঁধিতে লাগিল। বৈজী শাসকের অশ্বটিও শরাঘাতে ভূপাতিত হইল। চারি দিক দেখিয়া অটলবীর্য বুঝিলেন যে তিনি শত্রু পরিবেষ্ঠিত ও একা। শত্রুদের দেহে নিষাদের যুদ্ধের সজ্জা থাকিলেও ধস্তাধস্তির সময়ে একজনের উপবীত তাঁর হাতে খুলিয়া আসিল এবং আমৃত্যু তাঁর মুষ্ঠিতেই থাকিল। 


        বৈজী সেনাবাহিনী যখন ওই স্হানে আসিয়া পৌঁছাইলো, তাঁহার একদল নিষাদ কে অটলবীর্যের নিষ্প্রাণ দেহ লইয়া কৌশল রাজ্যের দিকে যাইতে দেখিলেন। ক্রোধে উন্মত্ত হইয়া তারা কৌশল রাজ্য আক্রমণ করিলেন।  


        দুর্গ মধ্যে অস্হিরভাবে পদচারনা করিতেছিলেন অমিতবীর্য। একটি পারাবত তাঁর স্কন্ধে আসিয়া বসিল। তাহার পদ হইতে একটি ক্ষুদ্র পত্র খুলিয়া লইলেন কুমার। তাহাতে লিখিত ছিল-  


       “মৃগয়া সম্পন্ন হইয়াছে। রাজ্যাভিষেকের জন্য যজ্ঞের প্রস্তুতি লও।“ 


                 -------------


    কৃষ্ণেন্দু তালুকদার

  • ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ৯৭ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
আরও পড়ুন
আঁধি - Jahar Kanungo
আরও পড়ুন
আলু - Samik Sanyal
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • π | ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০৪:০৩97448
  • দেখি, বুকমার্ক মানে জমিয়ে রাখা কাজ করে কিনা।

  • Guruchandali | 136.228.209.53 | ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২০:৩৪97518
  • যাঁরা খেরোর খাতায় নতুন লেখালিখি করছেন, গুরুচণ্ডা৯-র টেকনিকাল ফীচারগুলো তাঁদের কাছে ব্যাখ্যা করার জন্য আগামী শনিবার ভারতীয় সময় রাত ৮-১০টা আমরা একটা ওয়েবিনার করছি গুগল মীট-এ। ইচ্ছে আছে আগামী কয়েক সপ্তাহ জুড়ে প্রতি শনিবার ঐ নির্দিষ্ট সময়ে ওয়েবিনার করার। আপনাদের কী কী অসুবিধে হচ্ছে লিখতে বা একটা সামাজিক মাধ্যম হিসেবে গুরুচণ্ডালির পূর্ণ স্দ্ব্যবহার করতে, সেটাও আমরা নোট করব, যাতে এটাকে আরও উন্নত করা যায়, প্রযুক্তিগতভাবে। সম্ভব হলে থাকবেন। শনিবার রাত আটটায় নিচের লিংকে ক্লিক করেই মীটিং এ জয়েন করা যাবে। 


     https://meet.google.com/ydz-ekww-see

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে প্রতিক্রিয়া দিন