• বুলবুলভাজা  আলোচনা  বিবিধ

    Share
  • করোনা ও বাঙ্গুরঃ যা শুনলাম, যা দেখলাম,

    অভিজিত মজুমদার লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা : বিবিধ | ১৫ মে ২০২০ | ২২৭৬৯ বার পঠিত | | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • পশ্চিমবঙ্গের করোনা মোকাবিলার হালহকিকৎ নিয়ে অনেক কিছু ইতিউতি ঘুরে বেড়াচ্ছে। কিছু হোয়াটস্যাপে, কিছু সংবাদপত্রে। তার সত্যতা যাচাই করার জন্য এই লেখা নয়। এই লেখার উদ্দেশ্য নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়া।

    আমার এক অতি নিকটাত্মীয়ের এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে জ্বর শুরু হয়। অন্য কোনও উপসর্গ ছিল না। তিনি কলকাতার একটি প্রাইভেট হাসপাতালের ফিভার ক্লিনিকে দেখান। ডাক্তার বাবু কিছু টেস্ট লিখে দেন। তার সাথে বাঙ্গুরে গিয়ে কোভিডের টেস্ট করানোর পরামর্শ দেন। ইতিমধ্যে হোয়াটস্যাপে ছড়িয়ে পড়েছিল বাঙ্গুর হাসপাতালের ভিডিও, যা হয়ত আপনারাও দেখেছেন। সেই ভিডিও দেখে আমার সেই আত্মীয় ও তার পরিবার আতংকিত হয়ে পড়েন ও বাঙ্গুরে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁরা খোঁজ করতে থাকেন কোনও প্রাইভেট হাসপাতালের যেখানে কোভিডের টেস্ট হয়। কিন্তু জানা যায় যে ভর্তি না হলে কেউ টেস্ট করাবে না এবং যে কটি বেসরকারি হাসপাতালে কোভিডের চিকিৎসা হচ্ছিল তার কোথাও জায়গা নেই। আমরা আমাদের পরিচিত যোগাযোগ কাজে লাগিয়ে ওনাকে এদিক ওদিক ভরতি করার চেষ্টা করলাম, কিন্তু কোনও ফল হল না। এর মধ্যে ওনার শারীরিক পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে থাকে, কাশি শুরু হয় ও কাশির সাথে রক্ত উঠতে থাকে। শেষমেশ এক স্কুলের বন্ধু, যে নিজেও ডাক্তার, তার কল্যাণে একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করাতে পারলাম এবং কোভিডের টেস্ট হল। জানা গেল যে তিনি কোভিড পসিটিভ। সেই প্রাইভেট হাসপাতাল থেকেই রোগীকে পাঠিয়ে দেওয়া হল বেলেঘাটা আই ডি-তে। পরিবারের লোকজনকে বলা হল আইসোলেশনে থাকতে, বাড়ি থেকে বের হতে না, এবং কোনও প্রয়োজন হলে থানায় যোগাযোগ করতে।

    এর পর ঘটনাক্রম যে দিকে গড়াল তার ভালো ও খারাপ দুটো দিক আছে। আগে খারাপ দিকটা বলে নি।

    এক, পরিবারের লোকজনের আজ অবধি টেস্ট হয় নি। আর হবে বলে মনে হচ্ছে না।
    দুই, রোগীকে বেলেঘাটা আই ডি থেকে বাঙ্গুরে পাঠানো হলেও বাড়ির লোকজনকে জানানো হয় নি।
    তিন, রোগীকে যখন বাঙ্গুরে নিয়ে যাওয়া হয় তখন তার জিনিষপত্র পড়ে থাকে আই ডি-তেই। ফলে, বাঙ্গুরে ভর্তি হওয়ার পর রোগীকে প্রায় তিনদিন কাটাতে হয় টুথব্রাশ, টুথপেস্ট, তোয়ালে, জামাকাপড়, মায় চপ্পল ছাড়া। খালি পায়ে বাথরুমে গিয়ে অন্য কোনও ইনফেকশন ঘটে যাওয়া অসম্ভব ছিল না। বাড়ি থেকে পুলিশে বারংবার ফোন করেও এইসব দরকারি জিনিষপত্র পৌঁছনোর বন্দোবস্ত করা সম্ভব হয় নি। শেষ পর্যন্ত তিনদিন পর আবার নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে এইসব জিনিষ পৌঁছনোর ব্যবস্থা করা হয়।
    চার, রোগীর কাছে মোবাইল না থাকায় (সরকারি নিয়মে), যোগাযোগ করা ও নিয়মিত খবর পাওয়া রীতিমত চ্যালেঞ্জিং হয়ে গিয়েছিল। হাসপাতালে ফোন করলে শুধু এইটুকুই জানা যেত যে রোগী “ভালো আছেন”।

    এইবার আসি ভালো দিকের কথায়।

    এক, বাঙ্গুর হাসপাতাল নিয়ে যে সব আতংকের কথা প্রচার করা হচ্ছে, তা সর্বৈব ভুয়ো। রোগী, যিনি উচ্চবিত্ত এবং রীতিমত পাঁচতারা জীবনযাত্রায় অভ্যস্ত, তাঁর নিজের কথায়, “সরকারি হাসপাতাল যে এত ভালো ও পরিচ্ছন্ন হতে পারে, তা নিজে না দেখলে বিশ্বাস করতে পারতাম না। যারা বলেছিল বাঙ্গুরে গেলে আর বেঁচে ফিরতে পারবি না , টু হেল উইথ দেম”। মনে রাখতে হবে, রোগী জেনেরাল ওয়ার্ডে ছিলেন, কোনও স্পেশাল ব্যবস্থা করা হয় নি।
    দুই, আবারও রোগীর নিজের কথায়, “ডাক্তার, নার্স, এমনকি সাফাই কর্মীদেরও ব্যবহার এত ভালো ও তাঁরা এত কোওপারেটিভ যে ভাবা যায় না”।
    তিন, চিকিৎসা ব্যবস্থার যেটুকু খবর আমরা পেয়েছি, তাতে কোথাও কোনও ত্রুটি হয় নি। ব্লাড টেস্ট, চেস্ট এক্স রে, সোয়াব টেস্ট সব নিয়ম মেনে হয়েছে। রোগীর যখন শ্বাসকষ্ট শুরু হয়, তখন তাঁকে যথানিয়মে অক্সিজেন দেওয়া হয়।
    চার, শুধু বাঙ্গুরের ডাক্তাররাই নয়, ওখানে এস এস কে এম, ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ ও অন্যান্য জায়গার ডাক্তারদের টীম আসছেন। এপিডেমিওলজির স্বনামধন্য স্পেশালিস্ট ডাক্তারদের টীম কাজ করছেন।
    পাঁচ, রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
    ছয়, আমাদের পকেট থেকে এক পয়সাও খরচ করতে হয় নি (অন্যান্য রাজ্যের অবস্থার খবর কিন্তু অন্যরকম।) এমনকি হাসপাতালের আম্বুলেন্স রোগীকে বাড়ি পৌঁছে দিয়ে গেছে।

    এতটা লেখার একটাই কারন। অকারণে ভয় পাবেন না। তাতে বিপদ বাড়বে বই কমবে না। আমরা যদি হোয়াটস্যাপ ভিডিও দেখে ভয় না পেয়ে, চিকিৎসকের পরামর্শমত রোগীকে প্রথমেই বাঙ্গুরে নিয়ে যেতাম, তাহলে তাঁর ভোগান্তি কম হত।


  • বিভাগ : আলোচনা | ১৫ মে ২০২০ | ২২৭৬৯ বার পঠিত | | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
    Share
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • dc | 103.195.203.180 | ১৮ মে ২০২০ ০৮:০০93429
  • যাব্বাবা গালাগাল দেওয়ার কি দরকার? একজন তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা লিখেছেন। তাঁর আত্মীয় ভালো চিকিৎসা পেয়েছেন, তাই লিখেছেন। ইন জেনারাল সরকারি হাসপাতাল সম্পূর্ণ অপদার্থ আমরা সবাই জানি, কিন্তু ভাগ্যক্রমে ওনার আত্মীয়কে অব্যব্স্থার শিকার হতে হয়নি। ভালোই তো!
  • সেকি | 2402:3a80:a49:e942:0:45:29eb:f401 | ১৮ মে ২০২০ ০৮:১১93430
  • মিঃ হরিপাল, উপরের ঘটনাটি তো মেডিকাল কলেজে আত্মীয়দের মৃতদেহ ফেলে রেখে পালিয়ে যাবার ঘটনা!! নজরে আসতে ব্যবস্থা হয়েছে,সেও আপনার রিপোর্টেও লেখা। এর সংগে বাংগুরের চিকিতসার কী সম্পর্ক?

    সঞ্জীব ভট্টাচার্যও হাওয়ায় কথা ভাসিয়ে নিজেই উবে গেলেন!

    আইটিভাইটিরা, এমন করলে চলে?
  • Bishwajit Lahiri | 68.183.86.54 | ১৮ মে ২০২০ ১৪:১০93438
  • আগে ভাটিয়ালিতেও লিখেছিলাম, অপনারা হয়ত অপপ্রচার ভাবছিলেন, কেউ কোন প্রতিক্রিয়া দেন নি। আবার এখানে লিখছি, আজকের এইসময় এও বেরিয়েছে।

    *।। করোনা অভিজ্ঞতা ।।* আমার পিসি,বয়স ৭৮ গত ৯ ই মে ২০২০ তিনদিনের জ্বর নিয়ে RG Kar Medical College Hospital এ বিকেলবেলা SARI Ward এ ভর্তি হন। সেই সময় ওনার oxygen saturation level ছিলো 61%। আমি এবং পিসতুতো দাদা মিলে ওয়ার্ডে নিয়ে গিয়ে, বিছানার চাদর পাল্টে বেডে শুয়িয়ে দিয়ে আসি। হাসপাতালের কেউ ই কোনো সাহায্য করেনি। কোনো নার্স, group D staff... কেউই ওখানে যায় না সংক্রমণ এর ভয়ে। আমি ৫-৩০ টা নাগাদ একটা জলের বোতল দিয়ে চলে আসি। এরপর আর কোনো খবর নেই। ওই দিন রাতেই পিসির বাড়িতে ওনার ৭২ বছর বয়সী দেওর জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে ওই বাড়িতেই মারা যান। পরের দিন তাঁকে স্থানীয় ডাক্তারের দেওয়া Death certificate এর সাহায্যে দাহ করা হয়। পরদিন দুপুরে, ১১ই মে ২০২০, ডাক্তারদের সঙ্গে দেখা করার সময় জানা যায়, যে পিসি ১২-৩০ নাগাদ মারা গেছেন। বিকেলবেলা pace maker খুলে দেহ মর্গে পাঠানো হয় এবং বলা হয় যে, করোনা টেস্ট করে সেই রিপোর্ট অনুযায়ী পরে দেহ ছাড়া হবে। আমাদের কোনো ধারনা নেই, সেই সময় জীবিত বা মৃত অবস্থায় swab collection হয়েছিলো কি না! এর সঙ্গে আমাদের দৃঢ় ধারনা, চিকিৎসা কিছু হয়নি, শেষ পর্যন্ত কোনো ওষুধ বা জলটুকু জুটেছিল বলেও মনে হয় না। কারন ওখানে জল দেবারও কেউ ছিলো না বা পিসির জলটুকু নিজে খাওয়ার ক্ষমতাও ছিলো না। যাইহোক, সমস্ত কিছু মেনে নিয়েই, অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে এটাই ভবিতব্য মনে করে, আমরা অপেক্ষা করে থাকি, কবে ডাক আসে হাসপাতাল থেকে। ১১ তারিখ থেকে নিয়মিত খবর নিয়ে চলেছি, কোথাও কোনো খবর নেই। সুপারের অফিসে ফোন করলে বলে, খবর আসলে জানিয়ে দেবো। মর্গ বলে কোনো খবর নেই, আসলে জানাবে! শেষ পর্যন্ত ধৈর্য হারিয়ে, গতকাল, ১৬ ই মে শনিবার আমরা সুপারের অফিসে দুজন Assistant Super এর সাথে কথা বললাম। তাঁরা বললেন, তাঁদের কাছে কোনো খবর নেই, তবে Deputy Super বিষয়টি দেখছেন, কোথায় কাগজপত্র আটকে আছে তার খোঁজ করছেন। এটাও জানলাম, microbiology lab থেকে Covid test এর report সরাসরি স্বাস্থ্য ভবনে অত্যন্ত গোপনীয় ভাবে যাবে ও সেখান থেকে report super এর কাছে আসবে। স্বাস্থ্য ভবনে আমার এক সহপাঠী বন্ধুর মারফত আমি খবর পেয়েছিলাম যদিও স্বাস্থ্য ভবন ১৩ ই মে তেই জানে যে রোগী মারা গেছেন, তবুও ১৫ই মে ২০২০, শুক্রবার বিকেলবেলা পর্যন্ত তার কোনো DC বা Covid test report এসে পৌঁছায় নি!! ১৬ই মে, শনিবার অনেক বলাতে, ওই Assistant Super রা জানান, ওই দিন ওঁদের সময় দেওয়ার জন্য। শনিবার আমি বিভিন্ন গ্রুপে এই ঘটনাটি জানানোয়, অনেকে সাহায্য করেন, খোঁজ খবর নেওয়ার চেষ্টা করেন বা কিছু করেনও, আমি তার সবকিছু জানিও না। এর সম্মিলিত প্রয়াসে বা কোনো ভাবে, আজ অর্থাৎ ১৭ ই মে, ২০২০ রবিবার মৃত্যুর এক সপ্তাহ পর ফোন আসে, corona test positive report এবং বাড়ির লোক এসে যেন কাগজপত্রে সই করে যায়। হাসপাতালে এলে, Covid test report দেয় ও জানায় ওরাই একসাথে সব মৃতদেহ দাহ করার ব্যবস্থা করবে, এবং মৃতদেহ দেখতেও দেবে না। Covid test report টার দিন গুলি অসাধারণ! মৃত্যু ১১ই মে ২০২০ swab collection 15th May Reported on 16 th May তাহলে এখানে আমার প্রশ্ন হলো, যদি ১১ ই মে মারা যাওয়ার পর ওই দিনই দেহ মর্গে চলে যায়, তাহলে মর্গে গিয়ে ১৫ ই মে কে বা কারা swab collection করলো? এটা সত্যি তো? সত্যি সত্যি মর্গে গিয়ে মৃত্যুর চার দিন বাদে swab collection হয়? তাই যদি হয়, এতদিন দেরিই বা হলো কেন? হাসপাতাল থেকে কোনো Death Certificate issue করলো না বা দেওয়া হলো না। ফলে এটুকুও জানা যাবে না, কিভাবে মৃত্যু হলো। এটা কি হচ্ছে ? মানুষের কি সামান্য দাম নেই? মানুষের কি সম্মানজনক ভাবে মরার বা অন্তিম সৎকার হওয়ার অধিকার নেই? এরাজ্যে এভাবে পচে গলে মরতে হবে? এভাবে যে অত্যন্ত বিপদজনক খেলা চলছে, বিশেষ করে মৃত্যু চেপে দেওয়ার খেলা চলছে, তার থেকে সাবধান হোন। আমাদের যাঁরা মৃতদেহ পেতে সাহায্য করেছেন, পরিবারের পক্ষ থেকে গভীর শ্রদ্ধা ও ধন্যবাদ জানাই। যাঁরা আমাদের পাশে থেকেছেন ও সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন, তাঁদেরকেও ধন্যবাদ জানাই। *সাবধানে থাকবেন সবাই, এখন শরীর খারাপ হলে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ও চিকিৎসা পাওয়াই ভাগ্যের ব্যাপার, আর হাসপাতালে মরলে তো বুঝছেনই কি হতে পারে.... শেষ পর্যন্ত ইঁদুর পচা হয়ে কোথায় দাহ হবেন কেউ জানে না।* *আপনি যদি ভাবেন, আপনার ছেলেমেয়ে শেষে মুখে জল দেবে, বা মুখাগ্নি করবে, ভুলে যান! তারা আপনার মৃত মুখখানি দেখতেও পাবে না।* পরিশেষে যাঁরা এই মৃত্যু চেপে দেওয়ার চক্রান্ত করছিলো, তাদের সন্তানদের কাছে এই কামনা করি, তারা যেন তাদের বাবা বা মা'র দেহ তারাতাড়ি পেয়ে যায়, এমন অবস্থায় পরতে না হয়। _সব কথা খুলে বলতে পারলাম না, নিষেধ আছে।

  • dc | 103.195.203.222 | ১৮ মে ২০২০ ১৫:২৪93440
  • বিশ্বজিতবাবু যেটা লিখেছেন সেটাই সব সরকারি হাসপাতালের সাধারন অবস্থা। অভিজিতবাবু (টই যিনি বানিয়েছেন) যেটা লিখেছেন সেটা এক্সেপশান। তবে আমি আগে যেটা লিখেছিলাম আর কি, অভিজিতবাবুর অভিজ্ঞতার কথা পড়ে একটু আশ্বস্ত হয়েছিলাম যে সরকারি হাসপাতালেও দুয়েকজনের করোনা চিকিত্সা ঠিক মতো হয়েছে।
  • ~<>$$€** | 2405:201:8805:37e9:f53b:da15:482c:1d98 | ১৮ মে ২০২০ ১৫:৪৪93442
  • টই না, এটা বুলবুলভাজা - গুরুচণ্ডা৯ থেকে প্রকাশিত। টই, হরিদাস পাল ইত্যাদি অন্য বিভাগগুলো সেল্ফ পাবলিশড।

  • অভিজিৎ মজুমদার | 103.21.127.60 | ১৮ মে ২০২০ ২০:৪২93445
  • ওপরে যা লেখা আছে, তা আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা। সঙ্গের ভিডিওটি আমার মামার নিজের মুখের কথা। এই প্রসঙ্গে তিনটে কথা আবার বলা দরকার। 

    ১। আমি কোথাও দাবী করি নি যে এটা সার্বিক চিত্র। বাঙ্গুরে হয়েছে মানেই যে মেডিকযালে বা আরজিকরে হচ্ছে, এমন দাবী আমি করি নি। 

    ২। আবারও আমার মামার নিজের কথাতেই বলি। আমাদের পারিবারিক হোয়াটস্যাপ গ্রুপে মামাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে এটা শুধু ওনার অভিজ্ঞতা না অন্যদেরও। মামা উত্তরে লিখলেন যে, যে সব রোগী খেতে চাইছিলেন না বা পারছিলেন না, নার্সরা তাঁদের এমনকি চামচ করে খাইয়েও দিয়েছেন। 

    ৩। কোভিডের আলাদা করে কোনও চিকিৎসা নেই সেটা আমরা সবাই জানি। কিন্তু যেগুলো নিয়মিত করা দরকার যেমন সোয়াব টেস্ট, ব্লাড টেস্ট (মামার সাথে ডেঙ্গুও ছিল), চেস্ট এক্স-রে, প্রয়োজনে অক্সিজেন দেওয়া, সেগুলো সব হয়েছে। 

    সরকারি ব্যবস্থার নিন্দা যেমন করি, তেমনি যখন পরিষেবা পাওয়া যায়, তখন যদি তার যথোপযুক্ত প্রশংসা না করি, তবে স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে অন্যায় করা হয়। 

  • @#$%^&*( | 2405:201:8805:37e9:89b4:696e:243e:9611 | ১৮ মে ২০২০ ২০:৫৪93446
  • সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসা অভিজ্ঞতা নিয়ে পার্থপ্রতিম মৈত্র লিখতে শুরু করেছিলেন একবার, অনেকদিন আগেঃ https://www.guruchandali.com/comment.php?topic=15764।
  • [email protected]#$%^&*()_ | 2405:201:8805:37e9:89b4:696e:243e:9611 | ১৮ মে ২০২০ ২১:১৪93448
  • এইসব লেখা পড়ে মাঝে মাঝে সন্দেহ হয় 'সব সরকারি হাসপাতালের সাধারন অবস্থা' বলতে আমরা যেটা তাতে হাতির শুঁড় থেকে লেজের মধ্যে কতটা আসে। পরিকাঠামো ইত্যাদির ভয়াবহ অভাব, দালালরাজ ইত্যাদি তো আছেই। কিন্তু সরকারী স্বাস্থ্যব্যবস্থা অনেক প্রতিকূলতার মধ্যেও দেশের বিপুল সংখ্যক আন্ডারপ্রিভিলেজড মানুষদের সাপোর্ট তো করে চলেছে। সরকারী হাসপতালের আউটডোরগুলো দেখলে একটা হালকা ধারনা হয়, কি ভয়াবহ কঠিন কাজ এঁদের হাতে। অনেক স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে মানবিকতা, এথিকস ইত্যাদির একটা হেভি ডোজ ছাড়া সেটা খুব সহজ বলে মনে হয় না।

    এবার এঁরা সংখ্যালঘু, না এঁরাই সংখ্যাগুরু - সেটা কঠিন প্রশ্ন।
  • dc | 103.195.203.222 | ১৮ মে ২০২০ ২১:৪০93449
  • সরকারি হাসপাতাল যে ইকোনমিকালি ডিস অ্যাডভান্টেজড মানুষজনকে সাহায্য করে চলেছে এ নিয়ে কোন দ্বিমত নেই। এই বুলবুলভাজায় আমি কমেন্ট করেছিলাম এই ভেবে যে আমি কখনো সরকারি হাসপাতালে যাইনি, আর কখনো যাবার মতো পরিস্থিতি হলে স্রেফ ভয়ে মরে যাবো। মানে বাড়িতে বসে মরে যাবো, তাও সরকারি হাসপাতালে যাবোনা। এই অবস্থায় অভিজিৎবাবুর পোস্টটা পড়ে মনে হলো, বাঃ ওনার তো ভালো অভিজ্ঞতাই হয়েছে! এটাই লিখতে চেয়েছিলাম, তার বেশী কিছু না।
  • $%^&*()@#$ | 2405:201:8805:37e9:89b4:696e:243e:9611 | ১৮ মে ২০২০ ২১:৫৩93450
  • বুঝতে পেরেছি, সেটা তো ঠিকই, আমারও তাই।

    ত্রিপুরাতে যদিও সরকারী ব্যবস্থাই প্রাথমিক অর ভরসা করার মত ছিল কয়েক বছর আগেও, অপশনও ছিল না বিশেষ, আর গুরুতর কিছু হলে যাঁর সাধ্য আছে কলকাতা বা ভেলোড় ইত্যাদি চলে যান। কলকাতায় সরকারী হাসপাতালের আউটডোরে গেছি দুয়েকবার, মোটামুটি পূর্বজন্মে বলা যায়, ভয়াবহ ভিড়। এখনো যখন সেন্ট্রাল নেমে কলেজ স্ট্রিট যাই হেঁটে, কখনো হয়তো মেডিকেল কলেজের ভেতর দিয়ে শর্ট কাট, লোকজন, জনস্রোত দেখি।

    আমার স্ত্রী মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভের চাকরী করেছিল বেশ কয়েক বছর, সরকারী হাসপাতাল (কলকাতা এবং জেলা, প্রত্যন্ত জায়গা টায়গা) ভিজিট করতো। ওর কাছে গল্প শুনতাম সব...।
  • Somnath Roy | 203.110.242.8 | ১৮ মে ২০২০ ২৩:৫১93451
  • বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসা সরকারি হাসপাতালের কতটা থেকে ভালো? যাঁদের দুটোই দেখার অভিজ্ঞতা হ আছে, তারা লিখলে ভালো লাগবে।
    কলকাতার বেসরকারি বড় চকচকে হাসপাতাল যেকটা দেখেছি প্যাথেটিক বললে কম বলা হয়। সরকারি হাসপাতাল তার থেকে কতটা আর খারাপ হতে পারে- এরকম আমার মনে হয়।
  • সরকারি-বেসরকারি | 14.139.221.129 | ১৯ মে ২০২০ ০০:৪৪93452
  • @dc

    ভারতে রিকভার করা প্রায় ৪০০০০ লোকের ৯৫% ই সরকারি হাস্পাতাল থেকে। বাংুর থেকেই ১০০০ জনের উপর সেরে ফিরে গেছেন। এবংং এগুলো সব বিনা পয়সায়। সেটাই হওয়া উচিত।
    বহু সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার কর্মীরা কিরকম সার্ভিস দিয়ে চলেছেন, কোভিড ছাড়াও অন্য অসুখে, খোঁজ নিন। দিন রাত এক করে নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে চলেছেন।
    বরং বেসরকারি পরিষেবা বেশিরভাগ বন্ধ। প্রচুর রিফিউজাল।
  • dc | 103.195.203.74 | ১৯ মে ২০২০ ০৯:২৫93461
  • সরকারি-বেসরকারি একেবারেই ঠিক বলেছেন, বেশীর ভাগ করোনা রিকভারি কেস সরকারি সাহপাতাল থেকেই হয়েছে আদ সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার ও কর্মীরা এই অবস্থায় অসাধারন সার্ভিস দিয়েছেন। নানান অসুবিধে সত্ত্বেও অক্লান্ত ভাবে কাজ করেছেন ও এখনও করছেন। এ নিয়ে একেবারেই দ্বিমত নেই। তবে আমি ঠিক করোনা না, ইন জেনারাল বলেছি। মানে এদ্দিন যা দেখেছি তার বেসিসে।

    সোমনাথবাবুর সাথেও অনেকটাই একমত, বেসরকারি হাসপাতালেও অনেক সময়েই প্রচুর গন্ডগোল হয়। আসলে আমাদের হেল্থ সিস্টেমটাই প্রায় ভেঙ্গে পড়েছে। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এ ব্যপারে খুবই সীমিত। আমি নিজে দুবার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি, দুবারই আমার বাড়ির কাছে অ্যাপোলো ফার্স্ট মেড নামে একটা হাসপাতালে (চেন্নাইতে)। ওদের সার্ভিস ভালোই ছিল। তাছাড়া অন্য যা কিছু অসুখ টসুখ হয় ওখানেই যাই, হাসপাতালটা পরিষ্কার রাখে আর ফোন করে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিলে এক ঘন্টা আগে ডাক্তারের সেক্রেটারি ফোন করে জিগেশ করে দেখাতে আসছি কিনা, এসব কারনে ওদের সার্ভিসে আমি আর আমার পরিবার স্যাটিসফায়েড। সরকারি হাসপাতালে যাইনি, তাই তুলনা করতে পারবো না।
  • Somnath Roy | 203.110.242.22 | ১৯ মে ২০২০ ০৯:৫২93462
  • চেন্নাই নিয়ে শুনেছি, আমি নিজে ব্যাংগালোরের ট্রাস্টি-পরিচালিত এবং বেসরকারি কর্পোরেট দুরকম হাসপাতাল দেখেছি। কলকাতা এদের তুলনাতেই আসে না। শুধু ফ্রন্ট অফিস নয়, নার্স থেকে ডাক্তার সকলের ব্যবহার সাউথে অনেক বেশি সুস্থ। তুলনায় কলকাতার  বেশির ভাগ ডাক্তার যেন জন্মেছেই বিশ্ব-পরিচালক হয়ে, বাকিরা তাদের চাকরবাকর। নার্স থেকে ফ্লোর স্টাফ সকলেই সেই ব্যবহারে অনুপ্রাণিত।

  • dc | 103.195.203.23 | ১৯ মে ২০২০ ০৯:৫৯93463
  • হ্যাঁ কলকাতার ডাক্তার আর হাসপাতাল কর্মীদের ব্যবহার বেশ খারাপ। নিজেই দেখেছি। আবার ব্যতিক্রমও আছে, আমার বাবার একজন ডাক্তার ছিলেন, উনি অসাধারন ভালো ব্যবহার করতেন। আমি যখন তখন ওনাকে ফোন করতাম, একটুও বিরক্ত হতেন না।
  • Somnath Roy | 203.110.242.24 | ১৯ মে ২০২০ ১০:২৬93465
  • ওই জন্যে "বেশির ভাগ" লিখলাম।  

  • b | 14.139.196.11 | ১৯ মে ২০২০ ১৮:৫৪93477
  • আমার শালা বেশ কিছুদিন ত্রিবান্দ্রমে পোস্টেড ছিলো। বিদেশ ঘুরে আসা আইটি গাই, বুঝতেই পারছেন। ও বলেছিলো যে ত্রিবান্দ্রমে ডিফল্ট হল সরকারী হাসপাতালেই যাওয়া, এমনকি দাঁতের পালিশ করতে হলেও। সামান্য কিছু চার্জ নেয়।
  • $%^&*()*( | 49.37.14.179 | ১৯ মে ২০২০ ১৯:৫১93478
  • এইটা একটা বড় সমস্যা। প্রিভিলেজড লোকজন বলি সরকারি স্কুল বা হাসপাতালে কিছু হয় না, এইসব। এদিকে আমাদের সরকারী স্কুল বা হাসপাতাল নিয়ে বর্তমানে কোন অভিজ্ঞতা নেই। আবার সব রাজ্য বা সব জায়গায় ব্যাপার স্যাপার একরকমও নয়।

    তো, তাতে এমনিতে কোন সমস্যা হওয়ার কথা না; কিন্তু বিপুল সংখ্যক মানুষের মধ্যে এই ধারনা থাকার কারনে সরকারী শিক্ষা বা স্বাস্থ্য ব্যবস্থা অলরেডি গন কেস বলে ধরে নেওয়া হয়, আর এসবে উন্নতি, সংখ্যা বাড়ানো - এসব প্রায়োরিটির বাইরে চলে যায়।

    আগেও লিখেছিলাম বোধয়, কদিন আগেই কথা হচ্ছিল এক দম্পতির সঙ্গে, অত্যন্ত সুসংস্কৃত উদার মানুষ তাঁরা, তবে অনেককাল প্রবাসী। কথায় কথায় দিল্লির প্রসঙ্গে উঠলো, সরকারি স্কুলের হাল ফেরানো। ওঁরা বললেন, এসব করে কী হবে, সরকারি স্কুলে কেউ যায় নাকি।
    তো, এতে করে এগুলো তো হোপলেস, প্রায়োরিটি অন্যকিছু, এমন হয়ে যায়।

    এবার এটাও নিশ্চয় সরকারেরই দায়, মন্ত্রীদের ছবি না ছাপিয়ে স্কুল, হাসপাতাল এসবের ছবি ছাপানো, কোথায় কী হচ্ছে তার খবর ভালো করে প্রচার করা, চাপ কমানোর চক্করে প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের দিকে ঠেলে না দিয়ে লোকজনকে সরকারী প্রতিষ্ঠানমুখী হতে উৎসাহ দেওয়া (তার জন্যে আবার বাজেট টাজেট লাগবে বেশি, সে এক মুশকিল)।
    আর সিটিজেনস ফোরাম টাইপের কোন কিছুর এসবের ওপর নজর রাখা।
  • dc | 103.195.203.23 | ১৯ মে ২০২০ ২০:০১93479
  • কেরলে সরকারি চিকিত্সা কেন্দ্রগুলো যেটুকু দেখেছি, খুব ভালো চালানো হয়। আর কেরলের মানুষ এমনিতেই বড়ো বেশী ভদ্র আর বিনয়ী। সেখানে যে বাঘে আর গরুতে এক ঘাটে দাঁত মাজবে তাতে সন্দেহ কি? ঃ-)
  • dc | 103.195.203.23 | ১৯ মে ২০২০ ২০:০৭93480
  • r2h, সরকারের দায়িত্ব হলো স্বাস্থ্য আর শিক্ষা খাতে বেশী করে খরচা করা, ভালো শিক্ষা আর স্বাস্থ ব্যবস্থা গড়ে তোলা, নমিনাল দামে বা বিনে পয়সায় অন্তত একটা লেভেল অবধি সবার জন্য পড়াশুনো আর শিক্ষার যোগান দেওয়া। আমাদের দেশের সরকার ছোট থেকেই দেখে আসছি ঠিক উল্টোটা করে। হাজারটা ব্যবসায়ে নাক গলায়, যেটা সরকারের কাজ না। একগাদা পাবলিক সেক্টর কোম্পানি খুলেছে যেগুলো চূড়ান্ত ইনএফিসিয়েন্ট, আর সেটা হতে বাধ্য, কারন সরকারের কাজ সরকার চালানো, ব্যবসা চালানো না। এদিকে শিক্ষা আর স্বাস্থ্যখাতে খরচ দিন দিন কমিয়েই চলেছে, ফলে সরকারি ইস্কুল আর হাসপাতালগুলো ভেঙে পড়েছে। এসব পলিসি কবে পাল্টাবে জানিনা।
  • ছাগলছানা | 2a09:bac0:202::811:ce31 | ২৪ মে ২০২০ ২০:২২93610
  • সবই বুঝলাম কিন্তু তিনি যে এই ভয় পেয়ে কয়েক গুচ্ছ মানুষকে নিজের সংস্পর্শে (অবশ্যই প্রভাব খাটিয়ে) নিয়ে এসেছেন. তাদের কি হবে?

    তাদের কে তিনি কনভিন্স করতে পেরেছেন তো বাঙুর e গিয়ে টেস্ট করতে?
  • ছাগলছানা | 2a09:bac0:202::811:ce31 | ২৪ মে ২০২০ ২০:২৩93611
  • "এর মধ্যে ওনার শারীরিক পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে থাকে, কাশি শুরু হয় ও কাশির সাথে রক্ত উঠতে থাকে। শেষমেশ এক স্কুলের বন্ধু, যে নিজেও ডাক্তার, তার কল্যাণে একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করাতে পারলাম এবং কোভিডের টেস্ট হল। জানা গেল যে তিনি কোভিড পসিটিভ। সেই প্রাইভেট হাসপাতাল থেকেই রোগীকে পাঠিয়ে দেওয়া হল বেলেঘাটা আই ডি-তে।"

    এই দলটার কথা বলা হচ্ছে. সবাই তো কিছু না কিছু সংস্পর্শে এসেছে
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত