• টইপত্তর  অন্যান্য

    Share
  • চাঁদ উঠেছিল গগনে

    Subhra Sundar লেখকের গ্রাহক হোন
    অন্যান্য | ১০ মার্চ ২০২০ | ৪০৯ বার পঠিত | জমিয়ে রাখুন
  • গত কয়েকদিন ধরেই দেখছি সোশাল মিডিয়া উত্তাল রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে কয়েকজন ছাত্রছাত্রী তাদের পিঠে রবীন্দ্রনাথের গানের একটি লাইন লিখে তার সঙ্গে একটা শব্দ জুড়েছেন বলে! যদিও সেই শব্দ সংযোজন তাদের সৃষ্টি নয়! সেই সৃষ্টি রোদ্দুর রায় নাম এর এক শিল্পীর ! অনেকের আপত্তি এই কারণে যে, এই শব্দ নাকি অশ্লীল ! আর আরও আপত্তি সেই শব্দ জোড়া হয়েছে কবিগুরুর লেখার সঙ্গে! আর তাই এখন ভিলেন হয়ে উঠেছেন ওই ছাত্রছাত্রী দের সঙ্গে জনৈক রোদ্দুর রায় ! অনেকেই তার গ্রেফতারির দাবী জানিয়েছেন! বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ওই ছাত্রছাত্রী দের বিরুদ্ধে স্থানীয় থানায় এফ আই আর দায়ের করেছেন!
    প্রথমত কে এই রোদ্দুর রায় ? তিনি একটি আই টি কোম্পানিতে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে উচ্চপদে কাজ করেন ! কর্মসূত্রে বিদেশেও অনেক দিন কাটিয়েছেন ! কাজের মাঝে কিছু বই ও লিখেছেন বাঙ্লায় ও ইংরাজী তে ! পাশাপাশি তিনি ছবি ও আঁকেন! সে নিয়ে প্রদর্শনীও করেছেন ! ২৫০০ এর উপর গান ও কবিতা তার সৃষ্টি ! আমরা কতোজন ওনার এই সৃষ্টির পরিমানের এক শতাংশ ও করতে পেরেছি আমার জানা নাই !
    দ্বিতীয়ত যে প্রশ্ন উঠেছে তার শব্দচয়ন নিয়ে, যে, কেন এই অশ্লীল শব্দের ব্যবহার ! সেটা কি ঠিক ? ঠিক কি ভুল সেবিষয়ে বলার আমি কেউ না ! কিন্তু আমি আমার জীবনে এই শব্দ গুলি এখন সচরাচর ব্যবহার করি না! হ্যাঁ বলতে লজ্জা নাই, আমি সচেতন ভাবেই "সচরাচর" শব্দটি ব্যবহার করলাম ! অনেকেই হয়ত সেই সৎ সাহস দেখাবেন না, কিন্তু নিজের কাছে গোপন করতে পারবেন না যে, তাদের কলেজজীবনে, হোস্টেলে বা বন্ধুদের আড্ডায় প্রায়শঃই এই শব্দগুলি ব্যবহৃত হয়েছে ! অদ্ভুত ভাবে আমরা এই ভাষা গুলি আমাদের পরিবার বা বয়স্ক দের সামনে কখনো ব্যবহার করিনি! অর্থাৎ আমরা স্থান কাল পাত্র বিশেষে ব্যবহার করেছি বা করিনি! এখন প্রশ্ন হলো এগুলো কি অশ্লীল ? শ্লীল বা অশ্লীল বিষয়টাই তো আপেক্ষিক ! একটি শব্দ শ্লীল বা অশ্লীল যেটাই হোক সেই শব্দ আমাদের সমাজ থেকেই সৃষ্টি হয়েছে! অর্থাৎ সমাজের দান ! সমাজ ই ঠিক করে সেই সমাজে কোন ভাষা ব্যবহার হবে বা হবে না! কোন শব্দ সৃষ্টি হবে বা হবে না ! এখন আমরা এই উঠতি যুব সমাজের কাছে কোন সমাজ উপহার দিচ্ছি সেটার উপর ই নির্ভর করবে তারা কোন ভাষা কে গ্রহণ করবে আর কোন ভাষা কে বর্জন করবে! যেমন আপনি যদি এখন বঙ্কিম চন্দ্রের ভাষার সঙ্গে তুলণা করেন তাহলে তো অমাদের দৈনন্দিনের ব্যবহৃত ভাষা অশ্লীল! আজ "হৈ চৈ" এর বেশীর ভাগ সিরিজ, সিনেমা, ছোটো গল্প এই ধরণের ভাষার যথেচ্ছ ব্যবহার ! আর "হৈ চৈ" এর জনপ্রিয়তা নিয়ে নূতন করে বলার কিছু নাই ! কেন তারা এই ধরণের ভাষার যথেচ্ছ ব্যবহার করছে? কারণ যুব সমাজ এর এটাই ভাষা, এই ভাষার মধ্যে দিয়েই তারা চরিত্র গুলো কে নিজেদের মতো করে কাছের ভাবতে পারে! সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সমাজে ভাষার এই বিবর্তন চিরকাল হয়ে এসেছে, হবে !
    সত্যি বলতে, এই বিশেষ শব্দ টি যে ভাব প্রকাশের জন্য ব্যবহার হয়েছে, তা যুবসমাজের চিন্তা ভাবনার সঙ্গে মিলেছে বলেই তারা সেটা গ্রহণ করেছে ও তাকে ব্যবহার করছে তাদের অত্যন্ত আনন্দের মুহুর্তে! ওই জায়গায় ওই শব্দের তথাকথিত শ্লীল সমার্থক যেমন "লিঙ্গ" বা "পুরুষাঙ্গ" ব্যবহারে সেই ভাব ঠিক প্রকাশ পেত না! ভাষা তো ভাব প্রকাশের মাধ্যম ! সেটা যে শব্দ দিয়ে সবথেকে ভালো সম্ভব, সেই শব্দই ব্যবহার হবে ! তাই কেউ যদি ভাবে সেই ভাষার ব্যবহারের মাধ্যমেই তার মনের ভাব সে বেশী ভালো করে প্রকাশ করতে পারছে, সে সেটাই করবে, এটা তার ব্যক্তিগত বাক স্বাধীনতা! এরকম হতে পারে না যে, অধিকাংশ মানুষ এই ভাষা কে খারাপ ভাবছেন বলেই তা বলা যাবে না! গণতন্ত্র মানেই এটা যে, সব মানুষ খারাপ মনে করলেও আমি যেটা ঠিক মনে করি সেটা বলার অধিকার যতক্ষন না সেটা কারও ক্ষতি করছে! তাই একটি গানের লাইনে একটি শব্দ জুরে দিলে যেহেতু কারও কোনোও ক্ষতি হচ্ছে না, কোনো প্রাণ হানি হচ্ছে না তাই সেই শব্দ ব্যবহার অবশ্যই তার বাক স্বাধীনতার গণতান্ত্রিক অধিকার! আপনার খারাপ লাগতেই পারে আর তাতে আপনি ও নিন্দা কর্তেই পারেন! এটাও আপনার বাক স্বাধীনতার গণতান্ত্রিক অধিকার! কিন্তু তার জন্য আপনি বা তিনি কারও শাস্তির দাবী কেউ করতে পারেন না! নাহলে রাজতন্ত্র বা সামন্ত তন্ত্র র সঙ্গে পার্থক্য কি থাকলো, যখন, রাজা যত অন্যায় করুক তার বিরুদ্ধে কিছু বললেই, রাজার অপছন্দ হলেই তাকে শূলে চড়ানো হতো! যেমন ব্রিটিশ শাসনেও হতো!
    আপনি বলবেন অপসংস্কৃতির কথা! সংস্কৃতি টা ও আপেক্ষিক! সমাজ থেকে উঠে আসে ! আপনি আগে যেমন সমাজ উপহার দেবেন, আগামী প্রজন্ম এর থেকে সেরকম ই ব্যবহার, আচরন, ভাষা, সংস্কৃতি পাবেন ! তাই সামান্য আপাত খারাপ শব্দ নিয়ে গেল গেল রব না তুলে বরং আগামী প্রজন্ম এর জন্য আরো ভালো সমাজ তৈরীর দিকে নজর দিতে হবে আমাদের ! এদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান ও শিক্ষা শেষে কাজ এর ব্যবস্থা করতে হবে!
    আর এখানেই সরকারের দায়িত্ব ! শিক্ষার বেসরকারীকরন এর ফলে দিন দিন সাধারণ গরীব মানুষ শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, গরীব বড়োলোক এর বিভেদ বাড়ছে, গরীব মানুষ দুবেলা ভালো করে খেতে পাচ্ছে না, চাষীরা আত্মহত্যা করছে, শিক্ষিত বেকার দের জন্য চাকরি নাই, অল্পশিক্ষিত দের জন্য কাজের ট্রেনিং দিয়ে তাদের জীবিকার দিগদর্শনের দিশা নাই, মহিলা দের নিরাপত্তা নাই, গুন্ডা বদমাইশ অপরাধী রা ক্ষমতায় বসে ক্ষমতার অপব্যবহার করছে, লুঠেরা সরকারের সঙ্গে হাত মিলিয়ে দেশ এর সম্পদ লুঠ করছে! মহিলাদের উপর অপরাধ করেও কোনো শাস্তি না পেয়ে প্রকাশ্যে ঘুরে বেরাচ্ছে, মাফিয়া ঘুষখোর রা ওয়াই ক্যাটাগরি জেড ক্যাটাগরি নিরাপত্তা নিয়ে বহাল তবিয়তে আছে, ধর্ম ব্যবসায়ী রা ধার্মের নামে মানুষে মানুষে ভেদাভেদ করছে, মানুষ মানুষ কে ধর্মের নামে পিটিয়ে ধর্ষন করে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে মারছে! এরকম একটা সমাজ থেকে আপনি কোন শ্লীলতা আশা করেন ? অনাহারে বাচ্ছা রা রাস্তার ধারে ট্রেণে ভিক্ষা করছে, দলিত বলে হাসপাতালের অ্যাম্বুলান্স ব্যবহার করতে পারে না কিছু মানুষ অথচ গরু অ্যাম্বুলান্স পাচ্ছে, মানুষ চিকিত্সার অভাবে মরছে কিন্তু কুকুরের ডায়ালিসিস হচ্ছে মানুষের হাসপাতালে! কোটি কোটি টাকা শোধ না দিয়ে শিল্পপতি রা বিদেশে পালিয়ে যাচ্ছে আর বেকার রা তাদের সামান্য ব্যবসার জন্য কয়েক হাজার টাকা লোন পেতে জুতোর শুকতলা ক্ষয়য়ে ফেলছে ! আর এসব দেখেও আপনি চুপ করে আছেন ! মেনে নিয়েছেন এটাই বাস্তব, এটাই সমাজ বলে, আর সামান্য শব্দ ব্যবহারে আপনার রাতে ঘুম হচ্ছে না, গেল গেল রব তুলছেন ! তাই কোনটা জরুরী, কোনটা সত্যি ই শ্লীল আর কোনটা অশ্লীল, কোনটা সত্যি ই আমাদের সমাজের ক্ষতি করছে তা আরও গভীরে গিয়ে ভাবা দরকার ! এই রকম সামাজিক পরিস্থিতি তে, কিছু যুবক যদি খারাপ শব্দ ব্যবহার করেও থাকে, সেটা ওদের ভুল হতে পারে, অপরাধ নয় ! আসল অপরাধী আমরা যারা ওদের সামনে কোনো ভালো বিকল্প সমাজ উপহার দিতে পারিনি! ওদের ভুল টা ধরিয়ে দিয়ে, ভালো বিকল্প গুলো ওদের সামনে ধরার দায়িত্ব আমাদের্! সেটা যদি না করতে পারি তাহলে সমাজের বাকি অন্যায় গুলো দেখেও যেমন চুপ থাকি সেভাবেই চুপ করে থাকা উচিত !
    ওহ হ্যাঁ, রবীন্দ্রনাথ কারও বাপের নয় ! তাই রবীন্দ্রনাথের লেখা নিয়ে তাকে নিজের মতো করে ব্যবহার করার অধিকার আছে এই সমাজের সকলের ! আর রবীন্দ্রনাথ এতো ঠুনকোও নন যে, একটা শব্দ তার কোনো লাইনের পাশে লাগালে তার অসম্মান হয়ে যাবে! বরং পিটিয়ে মাথা ফাটিয়ে বন্দুক আর তরোবারির ডগায় মুসলিম হাওয়ার অপরাধে রবীন্দ্রনাথের লেখা "জন গণ মন..." গাইতে বাধ্য করা টা জানতে পারলে রবীন্দ্রনাথ সবচেয়ে বেশী কষ্ট পেতেন ! তাই, যদি প্রতিবাদ করতেই হয় সেই সংস্কৃতির প্রতিবাদ করুন ! যদিও কোন সংস্কৃতি কে আপনি সমর্থন করবেন বা করবেন না সেটাও অবশ্যই আপনার স্বাধীনতা!
  • বিভাগ : অন্যান্য | ১০ মার্চ ২০২০ | ৪০৯ বার পঠিত | | জমিয়ে রাখুন
    Share
আরও পড়ুন
- - স। র। খান
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • একলহমা | 108.162.238.112 | ১০ মার্চ ২০২০ ২১:১৪729917
  • ভালো লেখা। পূর্ণ সমর্থন।
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত