• টইপত্তর  অন্যান্য

  • দোল-নস্টালজিয়া

    দ্যুতি
    অন্যান্য | ১০ মার্চ ২০২০ | ৪৬৮ বার পঠিত
  • জমিয়ে রাখুন
  • আবার সেই রঙ খেলার দিন। বসন্ত। বসন্ত কি? এসব বুঝতে বুঝতে চুলে পাক ধরে গেল। তবু মনের বয়স কমে না। বসন্ত মানে ফাগুন, ফাগুন মানে প্রকৃতিতে রঙের আগুন, বাহার। প্রতি জীবনে তার ছোঁয়াচ লাগে। সবের মাঝে শুনি যেন ভালোবাসি ভালোবাসি। সেই ভালোবাসার বেশিরভাগই ক্ষণস্থায়ী। তবু তার রেশ লেগে আজো। সেরকম কিছু স্মৃতির আনাচ কানাচে ঘুরে বেড়াই আসুন..

    *সব পাড়াতেই একটা করে বাপী দা থাকবেই। সেই বাপীদার সাথে দোলের দিনে কখন একটু চোখে চোখ হবে সেই অপেক্ষায় কত রঙিন সকাল কেটেছে আমাদের।

    *পাড়ার মুন্নি হঠাৎ বড় হয়ে গেল। গতবারেও দু হাত মুঠো আবীর ভরে এসে মাথায় দিয়েছিল, এবার মুন্নির চোখে কেমন অন্য ভাষা। এ ভাষা কে বোঝে! কে বোঝে!

    *পাড়ার রবিকাকার বৌ, শুনেছি দ্বিতীয় পক্ষ, সবাই মাল বলে। সেই রবিকাকার বাড়ির সামনে কি ভিড় দোলের দিনে। একটু চুল ঝাড়তে, ফুল পাড়তে এলেই বুকের সেই টনটনানিটা কেমন ঠেলে বেরুতো।

    *আমাদের সময় রোদ্দুর রায় ছিল না। ভাবুন আজ রক কালচার নেই, ছেলেমেয়েরা কোথা থেকে স্ল্যাং শিখবে? ভাবুন! আমাদের সময় দোলের দিনে উদম খিস্তি চলতো রাস্তায়। সেই খিস্তি আর তার মানে চটকাতে চটকাতে বড় হয়ে গেলুম কেমন।

    * বিল্লুর চায়ের দোকানে দোল মানেই চোলাই বোঝাই। পাড়ার ভালো ছেলে রিন্টু দুপুরের ফাঁকে আসতো সেই দোকানে, কাগজে মুড়ে এক বোতল চুপিচুপি বাড়ি নিয়ে যেত।

    *আমাদের দোলের দিন এসব জোর করে চাপিয়ে দেওয়া সংস্কৃতি ছিল না, ছিল গৌর দার ঢোল আর নিতাই দার খোলের তালে সাদা, লাল পেড়ে শাড়িতে বাড়ির ঠাকুমাদের হরি নাম সংকীর্তন।

    *দোল মানে ছিল সত্যনারায়ণ, সিরনি চেটে খাওয়া আর মঠ ফুটকড়াই নিয়ে ছুট।

    * বিন্তি পিসি আজো কেমন উদাস থাকতো। আজকের দিনেই যে শ্যামল জ্যেঠুকে লক আপে নিয়ে গেছিল। তারপর আর খোঁজ নেই।

    * আজই সেই ওদের প্রথম দোল সেলিব্রেশন। একটু ওম লেন দেন। সেই টনটনানি।

    *আজই একবার ঠোঁটে ঠোঁট রেখেছিল অমিত আর লীনা। তারপর উদোম ক্যালান। পরের দোলে বাচ্চা কোলে অন্য কার সাথে বিয়ের পর পাড়ায় এলো লীনা।

    * আজ রং খেলেনা কুলু কাকিমা। ওর মা নাকি রঙের দিনেই চলে গেছিলেন।

    * আজ দোলের দিন, দাদু কেমন মিঠি মিঠি হেসে ঠাকুমাকে গিন্নি বলে ডেকে মাংসের বাজার ধরাতেন।

    * হয়ত অনেক টনটনানি লেখা বাকি, তবু প্রতি দোলে আজো সেগুলো ঠিক জাগে এটাই ব্যাপার। আজো বাপীদার চোখ, মুন্নির হাসি, তাপসের ঈশারা, মাম্পুর পিচকিরি ভরা জল সব ভেসে আসে। কিন্তু সব প্লট বদলে গেছে।

    * আজ দোলে আমাকেই মাংস আনতে যেতে হয়। আজ আমরাই একটু চড়িয়ে উদোম খিস্তি মারি।আজ মনে মনে কত যে চাঁদ ওঠে নামে তার ইয়াত্তা নেই, তবু যখন বাবা বাবা বলে আমার তিন্নি ছুটে এসে রং লাগায় গালে মনে হয় এই দোল ই সবচেয়ে সুখের। বিয়ের আগে অনুরাধাকে কত রং মাখাবো ভাবতাম, আজ ওর এস্থমার জন্য সে সব আর হয় কই! মঠ ফুটকড়াই কতকাল চোখেই দেখিনি।

    বুক চেপে থাকে নস্টালজিয়ারা। বসন্তে কোথা দিয়ে যেন পিড়িক পিড়িক বেড়িয়ে আসে। বেঁচে থাক নস্টালজিয়া।।
  • বিভাগ : অন্যান্য | ১০ মার্চ ২০২০ | ৪৬৮ বার পঠিত
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • একলহমা | ১০ মার্চ ২০২০ ০৫:৩৫729912
  • ভাল লেখা।
    শুধু একটা বাক‍্যাংশ নিয়ে ভেবে দেখতে অনুরোধ করছি। "কিন্তু ওনার আদ্যন্ত যখন বুঝি করুণা হয়" - এই করুণা শব্দটি ভালো লাগেনি। আপনি ওনাকে গভীরভাবে জানতে পেরে ওনাকে আজ বুঝতে পারেন। তা বলে করুণা শব্দটি মনে হয়না যথাযথ হল।
  • দ্যুতি | 162.158.166.86 | ১০ মার্চ ২০২০ ০৫:৫৬729913
  • এ লাইন কোথায়? খুঁজতে হবে
  • একলহমা | ১০ মার্চ ২০২০ ০৬:৪৫729914
  • যাচ্ছেতাই করেছি। আপনার অন্য একটি লেখা - 'নারী দিবস' পড়ে সেইখানে মন্তব্য করতে গিয়ে এখানে করে বসে আছি। এক্কেবারে যাচ্ছেতাই।

    তবে এই ফাঁকে এইটা বলে নিই - এই লেখাও ভাল লেগেছে। :)
  • দ্যুতি | 172.69.134.26 | ১০ মার্চ ২০২০ ০৭:১৬729915
  • আচ্ছা, ধন্যবা, ওটাও দেখে আসবো।
  • Dibyendu Singha Roy | ১০ মার্চ ২০২০ ২৩:৫৮729918
  • ছোটবেলার কথা কিছু আমারও আছে। এক বছর আগে লিখেছিলাম। এখানে দিয়ে দিলাম।

    রং খেলা:-

    কেউ বলে দোল , কেউ বলে হোলি। আমরা বলতাম রংখেলা।
    ছোটবেলায় যখন ইস্কুলে পড়তাম রংখেলার আগের দিন সম্ভবত টিফিনের পর পঞ্চম পিরিয়ডে বিমলদা ছুটির নোটিশের খাতা নিয়ে ক্লাসে ঢুকতো। বিমল দাকে দেখলেই নিশ্চিন্ত হতাম। তারমানে কাল ছুটি। রংখেলায় ছুটি প্রতিবারই থাকে তবু মাস্টারমশাই নোটিশ না পড়া অবধি সন্দেহ থাকতো। নোটিশেই দোলযাত্রা শব্দের সাথে পরিচয় হয়।
    আর জানতাম আমাদের রংখেলার পরের দিন মাড়োয়াড়ি পট্টিতে ওরা খেলে। একদিন পরের সেই রংখেলাকে মাড়োয়াড়িরা হোলি বলে।
    পুজোর সময় ক্যাপ ফাটানো বন্দুকের মতন রং খেলায় পিচকারি এক অত্যাবশ্যকীয় যন্ত্র। আগের দিন বাবা এনে দিতো। প্রথম প্রথম ছুঁচালো মুখওয়ালা পাতলা বোতল, পরে একটু বড় হলে, বড় সাইজের ইনজেকশনের সিরিঞ্জের মতো পিচকারি।
    পিচকারি কেনার এক অদ্ভুত সমস্যা ছিল। দোকানদার পিচকিরিতে জল টেনে যখন ছুঁড়তো , তীরের বেগে জল বেরিয়ে অনেকদূর ছিটকে পরতো কিন্তু যেই বাড়ি আনতাম দেখতাম হয় কড়া হাতল টেনে রং ভরতে পারছিনা অথবা রং আদেও দোকানদারের মতন অত দূরে যাচ্ছে না।
    আমাদের বাড়ির পাশে রাজাদের বাড়িতে একটা মান্ধাতা আমলের পিতলের পিচকারি ছিল। ওটা ওরা বাপ্ ঠাকুরদার আমল থেকে বংশপরম্পরায় ব্যবহার করতো। আহা সে কি পিচকারি! রং ভরে, ঠিক মতো তাক করে, হাতল জোরে ঠেললেই এক মাইল দূরের লোককেও কাক ভিজে করে দিতে পারতো।
    রং খেলার দিন রাজার হাতে এমন একটা অস্ত্র থাকা মানে বিরাট এডভ্যান্টেজ। বস্তুত আমরা এক বালতি রং আর পিচকারি হাতে এটাকে একটা যুদ্ধ হিসাবেই দেখতাম। এ এমন এক যুদ্ধ যা কারোর প্রাণ নেয় না আনন্দ দেয় শুধু।
    সে যাইহোক বাজারের প্লাস্টিক পিচকারি কিছুতেই কাজে আসছিলো না ওদিকে শত্রু পক্ষের হাতে ব্রম্ভাস্ত্র। আমার কোনো পিচকারিই পছন্দ হচ্ছে না দেখে বাবা নিদান দিলো "চল তবে দেশের বাড়ি হাজরাপোঁতা। বড়জেঠু কে বলে বাঁশের পিচকারি বানিয়ে দি"। বাঁশের পিচকারি এক অদ্ভুত যন্ত্র। যারা জানেননা তাদের জন্য বলে রাখি বাঁশের দুই গিঁটের মাঝের ফাঁপা অংশ হতো পিচকারির রং ধারণ করার চেম্বার। গিঁটের মাথায় লোহার শিক গরম করে ফুটো করা হতো আর একটা কঞ্চি বা অন্য পাতলা লাঠির মাথায় বাঁশের ফাঁপা অংশের বেধের সমান পুরু ও টাইট করে কাপড় বেঁধে তৈরী হতো হাতল।
    জেঠু ছিলেন বিশ্বকর্মা আর এমন মোক্ষম অস্ত্র বানিয়েছিলেন যা ওই পিতলের পিচকারির সমকক্ষই ছিল।
    এরপর আমরা আদেও লড়েছিলাম না একজোট হয়ে অন্যদের রং দিয়েছিলাম তা বলতে পারবোনা কারণ রং যুদ্ধের পরবর্তী ঘটনার কথা আর আর মনে নেই।
    দিনের শুরু হতো বড়দের পায়ে, প্রয়াত দাদু ঠাকুমার ছবিতে আবির দিয়ে, প্রণাম করে। আর প্রতিবারই রংখেলার শেষে আমরা ভিজে সুটসুটে, কিম্ভুত হয়ে বাড়ি ফিরতাম। সকালের খেলা কেবল তরল রঙেই হতো। ততক্ষন খেলা চলতো যতক্ষণ বালতিতে রং থাকে। বালতি শেষ মানে খেলাও শেষ। অতএব যতটা সম্ভব নিজের বালতি বাঁচিয়ে অন্যের বালতি থেকে রং পুরে নাও। তবু বারোটা একটা বেজে গেলে বালতি খালি হোক বা না হোক হাত ধরে হিড়হিড় করে টেনে বাড়ি ঢোকানো হতো।
    কিছু অলিখিত বিধি নিষেধও ছিল। যেমন যে ঘোষ, পাড়ায় দুধ দিতে আসতো তাকে আর তার দুধের পাত্রে যেন রং না দেওয়া হয়। কারোর বাড়ির নতুন "পেইন্ট" করা দেওয়ালে যেন রং না লাগে। তবু চোরা না শোনে ধর্মের কাহিনী। মাঝে মাঝেই নিয়মভঙ্গ হয়ে যেত।
    খুব ছোটবেলায় খেলার শেষে মা অথবা লালপিসি সাবান দিয়ে গা রগড়ে রং তুলতো। তারপর বিকালে আবির খেলা। যতদূর মনেপরে আবির থেকে মাথা বাঁচাতে রাঙা পালক দেওয়া রঙিন কাগজের টুপি পরতাম। শোভা আবির , আভা আবির এমন বেশ কিছু কোম্পানির আবিরের তখন রমরমা ; আর সব আবিরই গোলাপী।
    লাল নীল হলুদ প্রভিতি রংবেরঙের আবির তখনো পলাশী বাজারে ছেয়ে যায়নি। আমাদের জন্য বরাদ্দ ছিল কাগজের ছোট চৌকো প্যাকেটের এক প্যাকেট আবির। অর্থাৎ যতটুকু আবির মাখাতাম তার থেকে অনেক বেশি মেখে সন্ধ্যে বেলা বাড়ি ফিরতাম। টুপি থাকতো তবু মাথা আবির ভর্তি হতো আর ফিরেই সেই ভারী মাথা থেকে আবিরের বোঝা নামাতে আর আবিরের উগ্র গন্ধ থেকে মুক্তিপেতে প্রথমেই যে ভুলটা করতাম তা হলো মাথা না ঝেড়ে জল দিয়ে মাথা ধোয়া। তারপর সকালের রং ও বিকালের আবিরের নেমন্তন্নে ঘন্টা দুয়েকে মধ্যেই মাথাব্যথাকে সঙ্গী করে জ্বর এসে যেত।
    জ্বরের ঘোর আর মাথাব্যথার মধ্যেই কখন ঘুমিয়ে যেতাম। ঘুম যখন ভাঙতো, দেখতাম বাবা মাথায় হাত দিয়ে জ্বর দেখছে আর মা বাটিতে দুধ রুটি নিয়ে বসে আমায় খাওনোর চেষ্টায়।
    কোনোক্রমে খেয়ে আবার আবার ঘুমাতে ঘুমাতে প্রার্থনা করতাম ঠাকুর জ্বরটা যেন থাকে। তাহলেই কাল পরশু ইস্কুল আর পড়তে যাওয়ার ছুটি।
  • দ্যুতি | 162.158.165.197 | ১২ মার্চ ২০২০ ০২:১৪729928
  • তুমি নিজেও একটা টই খুলে দিতে পারতে, সেদিন ফেবুতে এই লেখাটি পড়েছিলাম,সব তো চেনা ছবি, তাই খুব ভালো লেগেছে ।
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু প্রতিক্রিয়া দিন