• হরিদাস পাল
  • খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে... (হরিদাস পাল কী?)
  • আর্টিকেল ৩৭০

    Anjan Banerjee
    বিভাগ : আলোচনা | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ৩৩০ বার পঠিত
  • ফিউনারেল
    **********
    ওসেইফ আর আজরার দুজনেরই বাড়ি শোপিয়ান থেকে বাইশ কিলোমিটার দূরের এক গ্রামে। গ্রামের নাম গুলসুমা। তাদের গাঁওয়ের মধ্যে দিয়ে ঝিলমের জল বয়ে গেছে। খুব শান্ত তীর - ঠিক ঝিলমের জলের মতোই। সেখানে শোপিয়ানের মতো হালচাল নয়। মিলিটারিতে ছেয়ে থাকে না পথঘাট। লেড়কা লেড়কিরা নিয়মিত স্কুল করে। পড়াই লিখাই করে। সেখানে অবশ্য কাশ্মীরি ভাষার কোন জায়গা নেই। শুধু হিন্দী বা ইংরেজী ইস্তেমাল করা হয়। আব্বা আম্মা ক্ষেতি করে। গাঁওয়ের কেউ কেউ সোনমার্গে থাকে। ওখানে ডাল লেকে শিকারা চালায়। দুএকজনের হাউস বোট আছে পারিবারিক সূত্রে। ভাড়া খাটায়। এখন অবশ্য মার্কেট ডাল। হাল হকিকৎ খুব খারাপ। ওসেইফ গতবারে যখন শোপিয়ানে গেল অনেকের মুখেই শুনল - তারা ইন্ডিয়ায় থাকতে চায় না। তারা আজাদি চায়। ইন্ডিয়ার মিলিটারি তাদের দুশমন। তাদের কত ছেলেকে মেরেছে, পেলেট গান ছুঁড়ে কত বাচ্চাকে অন্ধ করে দিয়েছে। কত আদমিকে জেলে ঢুকিয়ে পঙ্গু করে রেখে দিয়েছে, কত আওরতের ইজ্জত নিয়েছে। এর ইনসাফ চাই জরুর। তার জিগরি দোস্ত আজরারও ফিলহাল এসব কথা বলে। আলিগড় ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ইমরান সঈদ তার ভাইজানদের জেহাদে সামিল হওয়ার জন্য শোপিয়ানে হাজির হয়েছিলেন। ওসেইফকে আজরার সেদিন বলল, তিনি নাকি ডায়রেক্ট এনকাউন্টারে মিলিটারির গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে গেছেন পরশুদিন। তার বডি এখনও ধরে রেখেছে ভাইজানরা। কাল ফিউনারেল জুলুস বেরোবে। কাল নাকি বহুৎ হাঙ্গামা হতে পারে। শোনা যাচ্ছে জুলুসে প্রায় এক লাখ লোক হবে। ওসেইফের মাথায় নানারকম চিন্তা পাক খেতে লাগল। গাঁওয়ে ফিরে শুনতে পেল অনেকে বারবার ফিউনারেল কথাটা বলছে।

    ওসেইফ গুলসুমায় সবার মুখে শুনছে তিনশো সত্তর না কি একটা কানুন নাকি উঠিয়ে দিয়েছে সে জন্য সবাই খুব পরেশান হয়ে আছে। সত্তর বছরের মনসুর আলতাফ চাচা বলল, ইন্ডিয়া এটা ভাল কাজ করে নি। পনের বছর বয়সের ওমর বলল, ‘বিলকুল সাহি বোলা হ্যায় আপনে।’

    ওসেইফের ক্রিকেট অন্ত প্রাণ। ইন্ডিয়ার সব প্লেয়ারের পোস্টার তার ঘরের দেয়ালে লাগানো। সে নিজেও ভাল খেলে। একটা আনডার সেভেনটিন টুর্নামেন্ট খেলে এসেছে শ্রীনগরে গিয়ে। খুব ভাল খেলেছিল। একজন মিনিস্টার এসেছিল। ওসেইফের সঙ্গে হ্যান্ডশেক করে মেডেল পরিয়ে দিয়েছিল।

    গুলসুমায় কোনদিন কার্ফু হয়নি।একশো চুয়াল্লিশ লাগু হয়নি। কোন মিলিটারি ট্রাক ঢোকেনি। পেলেটের ছররাও ছোটেনি। শান্ত ঝিলম নীরবে বয়ে যাচ্ছে। কিন্তু সকাল থেকে হঠাৎ সবার মোবাইল বন্ধ হয়ে গেল। গোটা কাশ্মীরে নাকি একশো চুয়াল্লিশ লাগিয়েছে, কার্ফু হয়েছে। দিল্লীতে গভর্নমেন্টের জোর মিটিং চলছে। প্রাইম মিনিস্টার টিভি-তে স্পীচ দেবে সন্ধেবেলা ।কিন্তু টিভি তো বন্ধ । স্পীচ কি করে শোনা যাবে? পাকিস্তানওয়ালারা নাকি খুব গুস্সা করছে। কেন কে জানে। মনসুর চাচা বলল, ‘ টিভি চালু কর জলদি। নিউজ দেখনা পড়েগা। আব্বা টিভি খুলল তুরন্ত। হায় আল্লা .... টোটাল ব্ল্যাঙ্ক। ‘.... কম্পিউটার খোলো... ইন্টারনেট দেখো .... খুব চিন্তা হচ্ছে ছেলে মুসফিকুর, তার বিবি আর ছ বছরের বাচ্চাটার জন্য।’ তারা কুপওয়ারায় থাকে। বাচ্চাটার ছ মাস আগে পেলেট ছররা লেগেছে। চোখে খুব কম দেখে এখন। মুসফিকু্রের সঙ্গে মার্কেটে গিয়েছিল। সেই সময় অচানক পাথর ছুটল, ছররা ছুটল। ভীষণ ধামাল লাগল আর পাঁচ বছরের মাসুম বাচ্চা আনিসার চোখ দুটো চোট হয়ে গেল। এরপর থেকেই মুসফিকুর পাথর ছোঁড়া আদমীদের জিজ্ঞেস করতে লাগল আজাদ কাশ্মীরকা মতলব কেয়া হোতা হ্যায়। ‘ .... হাঁ হাঁ... উও তো হোনাই চাহিয়ে ...... ‘ হায় হায় ইয়ে কেয়া হুয়া .... No Internet Connection....No Internet Connection.... No Internet......

    দুপুরবেলায় হুড়মুড় করে চারটে মিলিটারি ট্রাক ঢুকল গুলসুমায়। যা আজ পর্যন্ত কখনও হয়নি।

    ঝপঝপ করে মিলিটারি নামতে লাগল। হাতে রকমারি বন্দুক। জংলা পোশাক। শিউরে ওঠার মতো নেকড়ের ক্ষুধার্ত চোখ। বুটের আওয়াজ গটাং গটাং। কথা নেই বার্তা নেই ঝড়ের মতো দৌড়ে গিয়ে ঘরে ঘরে ঢুকে পড়তে লাগল। সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত ও অতর্কিত এই বন্য হানায় বিস্ময়ে, আতঙ্কে, কিংকর্ত্তব্যবিমূঢতায় দিশাহারা হয়ে গেল গুলসুমার মানুষ। ঘরের জিনিসপত্র তছনছ করতে লাগল। লাথি মারতে লাগল এটায় ওটায়। কি খুঁজছে কে জানে। জিজ্ঞেস করলে জবাব দেয় না কিছু। নূরের ফুফা কাছে গিয়ে সওয়াল করার চেষ্টা করেছিল। তাকে এমন ধাক্কা মারল যে পড়ে গিয়ে কাতরাতে লাগল। কোমরের হাড্ডি ভাঙল শায়েদ। কে একজন নীচু স্বরে বলল, ‘পাকিস্তানের কোন নিশান খুঁজছে বোধহয়। কারো ঘরে কিছু যদি মেলে, কই নেহি বাঁচেগা....’

    গুলসুমায় এসব কোনদিন হয়নি পুন্চ, কার্গিল বা কুপওয়ারার নীচের দিককার সড়কের মতো। গরীব মানুষ তারা। টুরিস্টওয়ালাদের ওপর চলে রুটি রুজি সংসার। এখন হররোজ এই ফাইটিং, ধামাল-এ হাল খুব খারাপ। শিকারা, হাউসবোট বেশীর ভাগই বন্ধ হয়ে গেছে । মুনাবররা তিন ভাই । প্রতি শীতে কলকাতায় যায় শাল বিক্রি করতে। তাতে আর কত রোজগার হয়। এখানে না আছে কলকারখানা, না আছে কোন বড় কোম্পানির অফিস।

    মিলিটারিদের একজন সর্দার এসে বলল। আজ থেকে কিছুদিন আমরা তোমাদের বাড়িতেই থাকব। এক এক বাড়িতে দু তিনজন করে। ওসেইফ শুনেছে পুন্চ, কার্গিল, শোপিয়ানে এরকম হয়। একটা ইংরিজী সিনেমায় দেখেছিল এরকম - বিদেশী সৈন্যরা একটা জায়গার দখল নেওয়ার পর বাড়ি বাড়ি ঢুকে বসে যাচ্ছে। কিন্তু তারা তো বিদেশী নয়। তাহলে এমন দখলদারি কেন? তারাএখন কোথায় থাকবে? বাড়ির মেয়েরা কি করে গোসল - এসব করবে? খানা পাকাতে হবে মিলিটারিদের জন্য। সব ফ্যামিলিকে হাজার টাকা করে দেওয়া হল - কদিনের খানা পিনার খরচ।

    পরশুদিন ইমরান সঈদের ‘ফিউনারেল’ জুলুস বেরোবে শোপিয়ানে। শোনা যাচ্ছে একলাখ লোক হবে। আজরার তাকে বলেছিল সে যাবে। কিন্তু কি করে যাবে এ অবস্থায়? সড়ক তো পুরো বন্ধ। কোন গাড়ি চলছে না। কিন্তু আজরার বলছিল সে যাবেই। আজরার উঠোনের একপাশে একটা টুলের ওপর গুম মেরে বসেছিল। কিছু করতে পারছে না কিন্তু গুস্সায় ফুটিফাটা হচ্ছে ভেতরটা, বেশ বুঝতে পারছিল ওসেইফ।

    প্রধানমন্ত্রী নাকি জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন রাত্রে।

    ওসেইফ কি করবে বুঝতে পারছিল না। তার হাতে একটা ক্রিকেট ব্যাট ছিল। সে একপাশে সরে গিয়ে শ্যাডো প্র্যাকটিস শুরু করল। সামনে একটা বড় টুর্নামেন্ট আছে বারামুলাতে। বেহতরিন পারফরমেন্স হলে ইন্ডিয়া আনডার সেভেনটিন-এ ডাকতে পারে। কিন্তু এখন যা হাল হকিকৎ সবকিছু একদম গড়বড় লাগছে। ঝিলমের পাড় ঘেঁসা মাঠটায় সে প্র্যাকটিস করে। আরও অনেক ছেলে আসে । গা ঘামায়। ব্যাটিং বোলিং প্র্যাকটিস করে চুটিয়ে। জাভেদ ভাইজান তাদের কোচিং করায়। সে হায়দ্রাবাদে থাকত। সেখানে ইউনিভার্সিটি টিমে খেলেছে। কাঠুয়া, সাম্বা, রিয়াসি, উধমপুর, সব জায়গায় প্লেয়ার খুঁজে বেড়ায়। কার্গিলের নীচের দিকে যে দ্রাস, সেখানে গিয়েও প্লেয়ার খোঁজে। আরে বাবা, ভেড়া চরানো আর গাছের কাঠ কাটা যাদের কাজ তারা ক্রিকেট খেলবে কি করে! তাহলে তো ভুখা মরতে হবে।

    রাতটা কোনরকমে কেটে গেল। ওই প্যারামিলিটারির লোকগুলো রাত্রে আর নতুন কোন হুজ্জুতি করেনি। বাড়ির বাইরে খাটিয়াতে শুয়ে ঘুমিয়েছে পালা করে করে। একদল ঘুমোয়, একদল জেগে পাহারা দেয়। কি পাহারা দিচ্ছে, কাদের পাহারা দিচ্ছে কে জানে।

    আজ ইমরান সঈদের ফিউনারেল। ডেডবডি নিয়ে জুলুস বেরোবে। কাঠুয়া, বারামুলা, সাম্বা,রিয়াসি, উধমপুর সব জায়গা থেকে লোক আসবে। উন্নার বকরেওয়ালারা নাকি কাল তাদের গাঁওয়ের মসজিদে ওয়াদা করেছে ইমরান সাহেবের ফিউনারেলে যাবেই। আজরার কোথা থেকে সব খবর যোগাড় করে কে জানে। মিডিয়াই তো ঢুকতে পারছে না। খবর করতে পারছে না। আজরার করে কি করে কে জানে। তার নাকি সোর্স আছে। ওসেইফের মনে হয় তার দেমাক একটু একটু করে পাকছে ইদানীং। তার মনে হল, তাদের ইমরান সাহেবের ফিউনারেল জুলুসে যাওয়া থেকে রোখার জন্যই এখানে ফোর্স পাঠান হয়েছে।

    ওসেইফ ভোরে উঠে ভাবল ঝিলমের ধারে গিয়ে বিশ মিনিট দৌড়বে। সে পায়ে কেডস পরে নিল। জওয়ানরা অনেকে এখনও ঘুমোচ্ছে। অনেকে পায়চারি করছে বন্দুক হাতে এদিক ওদিক একটু ঢিমা চালে। হাল্কা জগিং করতে করতে পাইন গাছের সারিটা পেরিয়ে গেল। সিকিউরিটি ফোর্সের কারও নজরে পড়ল না ওসেইফ ছোট মাঠটা পেরিয়ে গেল। ঢিমেতালে সোজাসুজি ছুটতে লাগল মসজিদের দিকে। ওটা পেরিয়ে বাঁ দিকে ঘুরলেই ঝিলমের পাড় দেখা যায়। ওসেইফ মসজিদের কাছে পৌঁছে গেল। এবার বাঁ দিকে ঘুরবে। ওই জলপাই রঙের পোশাকে মোড়া থ্রি নট থ্রি রাইফেল বাগানো প্যারামিলিটারি এক জওয়ানের হঠাৎ চোখে পড়ল।
    - ‘ আরে... ভাগ রহা... ভাগ রহা...এ রোকো রোকো... ওয়ার্না...’
    ওসেইফ অনেকটা দূরে চলে গেছে। এবার বাঁ দিকে ঘুরবে ঝিলমের দিকে। জওয়ানের আওয়াজ তার কানে পৌঁছল না। মাটির সঙ্গে সমান্তরালভাবে এ কে ফর্টিসেভেন পাকড়ে ভারি বুটের গটাং গটাং আওয়াজ তুলে ছুটতে শুরু করল লোকটা। মসজিদ পেরিয়ে ঠিক বাঁ দিকে ঘোরার মুখে গুলিটা লাগল বুকের বাঁ দিকে......ক্লিন বোল্ড !

    বলার কিছু নেই। এনকাউন্টারে টেররিস্ট মারা গেছে। এখন কোন মিডিয়া নেই। তবু কানাঘুষোয় শোনা গেল ওসেইফের ফিউনারেলে দু লাখ লোক হবে। আজরার নাকি লাদাখের দিকে চলে গেছে।

    প্রধানমন্ত্রী ‘ইন্ডিয়া’র জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন রাত্তিরে।
  • বিভাগ : আলোচনা | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ৩৩০ বার পঠিত
আরও পড়ুন
পি কে - Anjan Banerjee
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • pi | 162.158.154.222 | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৯:৩৫91015
  • এরকমটাই হয়ে থাকে। কিন্তু প্রেফারেন্সিয়ালি চোখকান বন্ধ ভক্তেরা সেসব দেখতে শুনতে পড়তে পান কি ? মাঝে মাঝে বুঝিনা তাঁরা জেগে ঘুমান নাকি সামনে যে সিনেমা গালগুল্প দেখেন তাতে অন্ধ ভক্তিতে নিজেরা সত্যি ভেবে সত্যিই বিশ্বাস করেন নাকি সত্যিটা জেনেও ইচ্ছে করেই অস্বীকার করেন ?

    শুধু ভক্ত কেন, কাশ্মীর নিয়ে কিন্তু আর কোথাওই কোন হেলদোল নেই !
    সেদিনই একজনের সংগে কথা হচ্ছিল, সঞ্জীব ভটের ৩০ বছরের জেল নিয়ে ক'জন কিছু বললেন ? এতবড় একটা ঘটনা চুপ থাকার মাশুল হচ্ছে আরো বড় বড় ঘটনা্কে আর অস্বাভাবিক মনে না হওয়ার পথ সুগম করা।
  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • গুরুর মোবাইল অ্যাপ চান? খুব সহজ, অ্যাপ ডাউনলোড/ইনস্টল কিস্যু করার দরকার নেই । ফোনের ব্রাউজারে সাইট খুলুন, Add to Home Screen করুন, ইন্সট্রাকশন ফলো করুন, অ্যাপ-এর আইকন তৈরী হবে । খেয়াল রাখবেন, গুরুর মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করতে হলে গুরুতে লগইন করা বাঞ্ছনীয়।
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত