• বুলবুলভাজা  ধারাবাহিক  কাব্য

  • হরিতকী ফলের মতন - চতুর্থ কিস্তি

    শিবাংশু দে লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | কাব্য | ১৮ ডিসেম্বর ২০১২ | ৩৫৫ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • ১০.

    ' নেই কোনো দৃশ্য নেই, আকাশের সুদূরতা ছাড়া।
    সূর্যপরিক্রমারত জ্যোতিষ্কগুলির মধ্যে শুধু
    ধূমকেতু প্রকৃতই অগ্নিময়ী; তোমার প্রতিভা
    স্বাভাবিকতায় নীল, নর্তকীর অঙ্গসঞ্চালন
    ক্লান্তিকর নয় বলে নৃত্য হয় যেমন তেমনি।
    সুমহান আকর্ষণে যেভাবে বৃষ্টির জল জমে
    বিন্দু হয়, সেইভাবে আমিও একাগ্র হয়ে আছি।
    তবু কোনো দৃশ্য নেই আকাশের সুদূরতা ছাড়া।'

    আজ তিনদিনের রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মেলন শেষ হলো। রাত সাড়ে দশটা বেজে গেছে। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে এই চারদিক খোলামেলা প্রাঙ্গনে, পাশেই জুবিলি পার্ক, হুহু করে শীতহাওয়া ভাসিয়ে দিয়ে যাচ্ছে। শীতহাওয়া, কিন্তু তাজা, তৃপ্ত স্পর্শ তার, চোখ মুখ স্নিগ্‌ধ করে দেয় তার স্নেহ। ভিড় পেরিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসছি। এতো রাত হয়ে গেছে, সবার বাড়ি ফেরার তাড়া। কিন্তু সমস্ত শ্রোতারা এতো নিশ্চুপ শ্রদ্ধায় ধীরে ধীরে প্রাঙ্গন খালি করে দিচ্ছে, সত্যি দেখার মতো ঘটনা। কিশোরির শীতহাত আমার হাতে, কিন্তু রোমাঞ্চে উষ্ণ সেই স্পর্শ। তার গাঢ় বেগুনি রেশমি শাড়ি, নীল শাল, কালো আঁকা চোখ, মদির ওষ্ঠ, মাদক বিদেশি সুরভির ঘ্রাণ। ডিভাইনলি টেমটিং, সিম্পলি ইররেজিস্টিবল....

    আজকের শেষ শিল্পী ছিলেন জর্জদা। বহুদিন পরে এতো তাজা গলায় গান গাইলেন প্রায় দেড় ঘন্টা। শেষে বললেন, 'আমায় মাফ করেন, আর গাইতে পারতেসি না'। স্তব্ধ, মুগ্‌ধ অতো শ্রোতাসমাগম, অপূর্ণতার আক্ষেপ নিয়েও উচ্চকিত অনুরোধ থেকে সম্বৃত থাকলো। গেরুয়া ফতুয়া আর গেরুয়া লুঙ্গি, জর্জদা করজোড়ে বিদায় চাইলেন।

    বাইরে বেরিয়েই পর্ণা বললো, একটু দাঁড়াও,
    বলি, কী হলো?
    কিছু বললে না, জর্জদার গান নিয়ে...
    এখনও ঘোরে আছি, কী বলবো? তবে একটা কেমন অনুভূতি হচ্ছে, জামশেদপুরের জন্য এটা যেন ওনার সোয়ান সং। জানিনা সামনে বসে ওঁর গান আর এখানে শোনা হবে কি না.....
    অমন কেন বলছো? ছি:, আরো অনেক অনেক দিন উনি আমাদের গান শোনাবেন ....
    তাই হোক.. তাই যেন হয়
    কোনও কবিতা মনে আসছে না?
    আসছে, তাইতো চুপ করে আছি। তোমার মনে পড়ছে,

    ' নেই কোনো দৃশ্য নেই, আকাশের সুদূরতা ছাড়া।
    সূর্যপরিক্রমারত জ্যোতিষ্কগুলির মধ্যে শুধু
    ধূমকেতু প্রকৃতই অগ্নিময়ী; তোমার প্রতিভা
    স্বাভাবিকতায় নীল,..........'
    '.... সুমহান আকর্ষণে যেভাবে বৃষ্টির জল জমে
    বিন্দু হয়, সেইভাবে আমিও একাগ্র হয়ে আছি।
    তবু কোনো দৃশ্য নেই আকাশের সুদূরতা ছাড়া।'

    এতো কাছে বসে ওঁর গান শুনলুম, কিন্তু আসলে কতো দূরে ছিলেন তিনি, সুদূর আকাশের দৃশ্যের মতন, অগ্নিময়ী ধূমকেতুর মতন।

    ঠিক বলেছো। চলোনা একটু হাঁটি...
    -মাথাফাথা খারাপ হয়েছে নাকি? এই ভিড়টা কেটে গেলেই এখানে রাস্তায় কুকুরবেড়ালও দেখা যাবেনা। শেষে পাঁড়েজি হাবিলদার উঠিয়ে নিয়ে যাবে দুজনকে। হিন্দি কাগজে কাল সকালে সনসনিখেজ হেডলাইন, ব্যাংক করমচারি সন্দিগ্‌ধ স্থিতি মেঁ যুবতী কে সাথ গিরফতার। মাফ করো ভাই...
    তুমি বড্ডো ভিতু
    তা হবে হয়তো, কিন্তু আপাতত তোমার উর্বর চিন্তায় সায় দিতে পারছি না।
    পিছনে বসো, তোমায় বাড়িতে ছেড়ে দিই....

    একটু পরেই ওর বাড়ির কাছাকাছি। পৌঁছোবার আগেই বললো, এখানে দাঁড়াও...
    কী হলো আবার?
    বলছি না দাঁড়াও...
    আচ্ছা বাবা..., ভালো পাগলের পাল্লায় পড়া গেছে যাই হোক...
    শোনো একটা জরুরি কথা তোমায় বলার ছিলো...
    বোঝো, চার ঘন্টা ধরে সঙ্গে আছো, এখন মনে পড়লো 'জরুরি' কথা...
    হ্যাঁ, চেষ্টা তো করলাম অনেক, কিন্তু বলে উঠতে পারলাম না..
    বেশ বলো
    তোমায় বলেছিলাম না, একটা প্রজেক্টের জন্য দিল্লিতে জে এন য়ু-তে পেপার পাঠিয়েছিলাম,
    হ্যাঁ, বলেছিলে..
    ওরা অ্যাক্সেপ্ট করেছে...
    আরে বৌয়া, এইসন খুশখবরি দবাকে রখল অ বাড়ন...
    তুমি বাংলায় খুশি হতে পারোনা?
    কে জানে, বোধ হয় তাই..
    শোনো, আমাকে দিল্লি যেতে হবে, দুমাসের জন্য.... ভাবছি যাবোনা...
    মান গয়ে উস্তাদ, দিমাগ বিলকুল সনকা গইল.. যাবে না মানে?
    মানে যাবোনা, আমি দুমাস তোমাকে.. মানে দিল্লি গিয়ে থাকতে পারবো না...
    একদম পারবে, এমন একটা সুযোগ বারবার আসে নাকি?
    তুমিও আমাকে যেতে বলছো? আমি তোমার জন্য যেতে চাইছি না.... তোমার কোনো ফিলিংস নেই আমার জন্য...
    সত্যিই নেই, এবার যাবেতো?
    না, তবু যাবোনা, আমি জানতাম তুমি এখানে মধুরিমার সঙ্গে হাহাহিহি করবে আর আমি হস্টেলের বন্ধঘরে বসে থাকবো বইখাতা নিয়ে.....
    ও এই ব্যাপার? তা তুমিও ওখানে মধুরিমার প্রতিশোধ হিসেবে কোনও মনদীপ সিংকে জোগাড় করে নিও নাহয়। ছেলেগুলো খুব হ্যান্‌ড্‌সাম হয়, আমার থেকেও বেশি ...
    হাও কনসিট, আই'ল হিট য়ু...
    যা: বাবা, শেষে গালাগলি দিতে ইংরিজি.... যাকগে তুমি যাচ্ছো, পাক্কা.. টিকিট হয়ে গেছে?
    হ্যাঁ, বাবা করে নিয়েছে..
    তবে তো হয়েই গেলো
    তুমি একবার না বলো প্লিজ, আমি সত্যি থাকতে পারবোনা..
    বলছি না, বলবো না, চলো দিল্লি......

    '... স্বর-সুর এক হয়ে কাঁপে বায়ু, যেন তুষ্ট শীতে,
    কেঁদে ওঠে, জ্যোৎস্নার কোমল উত্তাপ পেতে চায়।
    রোমাঞ্চ তো রয়ে গেছে শীতল সাপের স্পর্শে মিশে।'

    ১১.

    অমৃতসর এক্সপ্রেস দুপুর দিকে ছাড়ে টাটানগর থেকে। গত পাঁচদিনে পর্ণা অনেক চেষ্টা করেছে যোগাযোগ করার জন্য। আমি এড়িয়ে গেছি। জানি, সেই এক কথা বলবে, তোমাকে ছেড়ে দুমাসের জন্য আমি যাবোনা। এত্তো ছেলেমানুষ রয়ে গেছে এখনও, বাবার আদরের দুলালি। পৃথিবীর মাটিতে এখনও ঠিক করে পা ফেলেনি । তার দুনিয়ায় সব কিছু অন্যের। অন্যের দু:খ, অন্যের সুখ, অন্যের অপমান, অন্যের সার্থকতা, তাই নিয়ে তার জীবন। পৃথিবীর থেকে অনেক আঘাত পাবে সে, যদি একটু নিজের দিকে ফিরে না দেখে। জানিনা আমি তাকে এই নিষ্ঠুর দুনিয়ার ঝড় ঝঞ্ঝা থেকে কতোটা আড়াল করে রাখতে পারবো।

    আমি দূর থেকে দেখি ওর বাবা-মা এসেছেন স্টেশনে ছাড়তে। আমি ওঁদের সামনে আর যাইনি। ট্রেন ছাড়লো যথাসময়ে। গাড়ির আশিভাগ যাত্রী সর্দারজি। গাম্‌হারিয়া পেরোতেই এস ফোর কামরার দিকে এগিয়ে যাই। আমার সিট এস থ্রি-তে। সাবধানে এগোতে এগোতে দেখি কামরার মাঝামাঝি একটা ক্যুপে জানালার ধারে উদাসিনি পূর্বমেঘ হয়ে বাইরের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। উড়ন্ত চুল আর ওড়নার ব্যাকড্রপ ছাপিয়ে মেলানকোলি পার্সোনিফায়েড একটি রূপসী তরুণী। সামনের সিটে একটি শিখ পরিবার। পাশটি খালি। রামগড় থেকে উঠবে।

    এগিয়ে গিয়ে বলি, নমস্কার আজ্ঞা....
    তুমি...তুম....ই, তু....
    -আরে হচ্ছেটা কী? সর্দারজি খুব মন দিয়ে দেখছে। জানোতো ওদের শিভালরি জাগলে একেবারে বেণীর সঙ্গে মাথা। হাত ফাত চালালে তোমারই ক্ষতি। তবে সর্দারনি যদি হাত চালায় তবে কন্সিডার করা যেতে পারে। কী ধারালো ফিচার দেখেছো?
    -তুমি কখনো শুধরাবে না, তোমার মার খাওয়াই উচিৎ...
    যদি তাই সাব্যস্ত হয় দেবি, তবে আমা হেন অসুরকে বধ করার দায়িত্ব আপনিই নিন...
    -তুমি এখানে কী করছো?
    -আজ্ঞে, আমি আমার হৃদয়েশ্বরীর সঙ্গে এই মূহুর্তে রহস্যালাপ করছি...
    -হেল, এই ট্রেনে তুমি কেন...
    -আজ্ঞে, টিকিট কাইট্যা উঠসি, নামাইতে পার্বা না....
    -ইন্‌করিজিবল...
    -কিসু কইলেন নাকি?
    -ইম্পসিবল.....
    - দ্যাখেন ঠাইরেন, ইংরাজিতে গালাগালি দিয়েন না, আমিও এ-বি-সি-ডি সব পরসি....

    কিছুক্ষণ চুপ করে বসে থাকে, অপাঙ্গে দেখে। মতলব বোঝার চেষ্টা করে। শেষে একেবারে হাল ছেড়ে দেয়।

    -তোমার যদি আসারই ছিলো, তবে আমায় বললেনা কেন?
    -দ্যাখো তুমি হইলে গিয়া 'স্টুডেন্ট'। তোমাগো কাইজ ল্যাখাপড়া করা। zদি আমি কইতাম, তয় তোমার সিত্ত সন্সল হইতো। তাই কই নাই।
    -তুমি একটু ভদ্রলোকের মতো কথা বলবে...??
    অ্যাঁ, অপমান, আমাগো মামাবারির ভাসারে অপমান... লন্ডভন্ড অইয়্যা zআইবো গিয়া.....
    -মুখটা বন্ধ করে একটু বসো। সর্দারনিকে দেখে মাথা খারাপ হয়ে গেলো নাকি?
    -ঠিক ধরেছো, তাই তো তোমায় এতো ভালোবাসি....

    ওকে জানাই, আমি চলেছি ইলাহাবাদ। কুম্ভক্ষেত্রে । আমার বন্ধু রাজীব সিং পাটনা থেকে আসবে। ওর একটা ঠেক আছে ইলাহাবাদে। আমরা দিনকয়েক থাকবো ওখানে।
    - আমায় বলোনি কেন....?
    - সব কি বলে দিতে আছে? কিছু তো বোঝার জন্যও রাখতে হয়। শুনেছি কুম্ভতে অনেক মেমসাহেবরাও আসে। তোমার বিরহ ভুলতে এ ছাড়া আমার কিছু করার ছিলোনা।
    -তুমি কোথায় সিট পেয়েছো?
    -পাশের কামরায়....
    -এখানে আসতে পারবে না? অন্তত ইলাহাবাদ পর্যন্ত সঙ্গে যাওয়া যেতো।
    -হ লা সুন্দরী, শুধু কি ইলাহাবাদ? বহুদূর পাড়ি দিতে হবে একসাথে, হিংলাজ মরুতে গিয়া গেয়ে যাই কচুরির গান...
    -মানে?
    - ঐ হিং শুনলেই কচুরি মনে পড়ে যায় কিনা... যাকগে দেখি মামাকে বলে যদি এদিকে ম্যানেজ হয়...

    ম্যানেজ হয়ে গেলো দুটো সাইড বার্থ। ইলাহাবাদ পৌঁছোয় সকালবেলা। তার মানে রাতের ঘুম গয়া। পাগলি ঘুমোতে দেবেনা রাতভর। সেই রাতে যতো কথা, আজে কথা, বাজে কথা, সব যেন খেয়ালের স্থায়ীর মতো বারবার ঘুরে আসে ভালোবাসা হয়ে। ভালোবাসা যেন সেই শাশ্বত চাকা, যাকে রোজ নতুন করে আবিষ্কার করতে হয়। রোজ দূরে ঠেলে দিই, এই বলতে বলতে, ফিরে এসো ফিরে এসো চাকা......
    আমাদের ব্যক্ত, অব্যক্ত সব সংলাপ ধরা পড়ে যায় বিনয়ের এই অতিখ্যাত কবিতাটিতে,

    ' আমার আশ্চর্য ফুল, যেন চকোলেট, নিমিষেই
    গলাধ:করণ তাকে না-ক'রে ক্রমশ রস নিয়ে
    তৃপ্ত হই, দীর্ঘ তৃষ্ণা ভুলে থাকি আবিষ্কারে, প্রেমে।
    অনেক ভেবেছি আমি, অনেক ছোবল নিয়ে প্রাণে
    জেনেছি বিদীর্ণ হওয়া কাকে বলে, কাকে বলে নীল-
    আকাশের, হৃদয়ের; কাকে বলে নির্বিকার পাখি।
    অথবা ফড়িং তার স্বচ্ছ ডানা মেলে উড়ে যায়।
    উড়ে যায়, শ্বাস ফেলে যুবকের প্রাণের উপরে।
    আমি রোগে মুগ্‌ধ হয়ে দৃশ্য দেখি, দেখি জানালায়
    আকাশের লালা ঝরে বাতাসের আশ্রয়ে-আশ্রয়ে।
    আমি মুগ্‌ধ; উড়ে গেছো; ফিরে এসো, ফিরে এসো, চাকা,
    রথ হয়ে, জয় হয়ে, চিরন্তন কাব্য হ'য়ে এসো।
    আমরা বিশুদ্ধ দেশে গান হবো, প্রেম হবো, অবয়বহীন
    সুর হয়ে লিপ্ত হবো পৃথিবীর সকল আকাশে।'

    ভোরবেলা যখন ইলাহাবাদে নামছি, বললুম, সাবধানে থেকো, ভালো থেকো....
    সারা রাত ট্রেনজার্নি করে কেউই খুব দর্শনধারী থাকেনা। কিন্তু পর্ণাকে খুব ফ্রেশ লাগছিলো, তার হাজার ওড়া চুলের চালচিত্র, কাজলমোছা চোখ আর স্বভাবলাল ঠোঁট বলছিলো ভালো থেকো, খুব ভালো থেকো। কিন্তু মুখে বললো, সাবধানে থেকো, মধুরিমাকে নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি কোরোনা।

    আবার, আবার সেই ফিরে এসো চাকা । এ গল্প বোধ হয় আর ফুরোনোর নয়........
  • বিভাগ : ধারাবাহিক | ১৮ ডিসেম্বর ২০১২ | ৩৫৫ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সুকি | 212.160.16.11 (*) | ২৯ ডিসেম্বর ২০১২ ০৭:২০90563
  • এই লেখাটা আমার ভালোলেগেছে - আমি যদিও কবিতা তেমন কিছু বুঝি না, তবুও আরো অন্য রকম ভাবে বিনয়ের কবিতা এখানে পাব ভেবেছিলাম।
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে মতামত দিন