• হরিদাস পাল  ব্লগ

  • এক যে ছিল

    কৃষ্ণেন্দু মুখার্জ্জী লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ | ৫৯৯ বার পঠিত


  • অমাবস্যা-পূর্ণিমা নয়, বছরের এপ্রিল-মে মাস এলেই জয়েন্টের ব্যথায় কাবু হয়ে পড়ে হরেরাম। গত তিন বছর ধরে এটি হচ্ছে। ক্রনিক রোগ বাঁধলো নাকি! হরেরামের চিন্তা হয়। অথচ চিকিৎসার তো কোনো ত্রুটি নেই। পাথফাইন্ডার, আকাশ থেকে শুরু করে যত কোচিং সেন্টার রয়েছে - সবকিছুই চেষ্টা করা হয়ে গেছে। সাথে একুশখানা টিউশনি তো রয়েছেই। কোনোরকম মকটেস্টও দেওয়া বাকি নেই আর। পাড়াতুতো দাদাদের সাজেশন, স্বপ্নাদ্য বাবার মাদুলি, চরণামৃত সব ফেল মেরেছে। কিছুতেই ব্যাধির উপশম হয়নি। পিতৃপুরুষের কৃপায় বাড়িতে বইপত্রের অভাব নেই। অতীতে হরেরামের পিতা রামহরে ও তাঁর পিতা রামরামহরেহরে যথাক্রমে একত্রিশ ও তেতাল্লিশ বছর এই জয়েন্টের ব্যথায় ভুগেছেন। এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে নতুন নতুন সাজেশন ও স্টাডি মেটিরিয়ালের পাহাড় জমা করে তাঁরা নিজের উত্তরপুরুষদের জন্য ভবিষ্যতের ব্যবস্থাও করে গেছেন। হরেরাম তাঁদের যোগ্য উত্তরাধিকারী। সে এই পারিবারিক ব্যাধির ট্রাডিশন বজায় রেখে চলেছে। ঠাকুরদার বড়ো ইচ্ছা ছিল, তিনপুরুষ একসাথে পরীক্ষায় বসাবে এরকম একটি দৃষ্টান্ত তৈরি করে যেতে। কিন্তু তাঁর অকালপ্রয়াণ এই কীর্তির পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। অবশেষে জয়েন্ট বোর্ড কর্তৃক বয়সসীমা বেঁধে দেওয়ার ফলে দুই পুরুষের একসাথে পরীক্ষা দেওয়ার পথও বন্ধ হয়ে গেল। কী নিষ্ঠুর এই পৃথিবী! ততোধিক নিষ্ঠুর তার নিয়মকানুন !

    হরেরামের ঘনিষ্ঠ তিন বন্ধু হেঁড়েরাম, এঁড়েরাম ও বেঁড়েরাম। তারাও এই রোগের শিকার। উপসর্গ অবশ্য আলাদা আলাদা। হেঁড়েরাম অতীব নস্টালজিক প্রকৃতির বালক। তার এই রোগের প্রতি প্রচ্ছন্ন প্রশ্রয় আছে বলেই মনে হয়। এই যে শহর, এর সাথে তার কতো বাল্যকালের স্মৃতি জড়িয়ে আছে। ঐ যে সবুজ মাঠ, নীল আকাশ, পাখিটাখি,গাছপালা আরো কত কী যেন হয়- এসব ছেড়ে সে যাবে কি করে! সবাই তো তাকে ‘যেতে নাহি দিবো’ বলে আটকে রেখেছে! সেজন্যেই তার বছর পাঁচেক আর জয়েন্টে পাস করা হলো না। পাস করলেই তো শহর ছেড়ে বাইরে যেতে হবে! সে কীকরে সম্ভব! না না মোটেই না। এ মায়া সে কাটাতে পারবে না!

    এঁড়েরাম সাধাসিধে বালক। কোনো উচ্চাকাঙ্ক্ষা নেই তার। প্রতি বছর নিয়ম করে করে পরীক্ষা দেয়, আনসার কি মেলায়, ঠিক তারপরেই বিজ্ঞ মুখ করে ঘোষণা করে, ‘সবাইকে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হতে হবে তার কী মানে! আমি ওসব হতে চাই না, সমাজে এসব ছাড়াও অনেক পেশা আছে’। দিন কেটে যায়। রেজাল্ট বেরোয়। এঁড়েরামের বাবাকে নতুন জুতো কিনতে দেখা যায়। যন্ত্রণাময় কয়েক সপ্তাহ পর এঁড়েরাম আবার কোচিং-ফোচিংয়ে যাওয়া শুরু করে। পরের বছর আবার পরীক্ষা, আনসার কি মেলানো, এঁড়েরামের আবার ঘোষণা। সেই ট্রাডিশন সমানে চলছে।

    রামহরে তাঁর ছেলেকে সাবধান করেছিলেন, “ওরে হরু, ওয়েস্ট বেঙ্গল বোর্ডের যেসব ছেলেপুলে মাধ্যমিকের নম্বর পার্সেন্টেজে বলে, তারা ছেলে সুবিধের নয়। ওদের কাছ থেকে সামলে থাকিস।” বেঁড়েরাম ওইরকম বালক। কিন্তু পিত্রাদেশ অবশ্যলঙ্ঘনীয়, তাই হরেরাম নিয়ম মেনে বেঁড়েরামের সাথে মিশেছে, ওদের ঘনিষ্ঠতা দিনে দিনে বৃদ্ধি পেয়েছে। বেঁড়েরামের উপসর্গ বিচিত্র প্রকৃতির। দৈব-দুর্বিপাকে যেসব পরীক্ষা ক্যানসেল হয়ে যায়, অদ্ভুতভাবে শোনা যায় সেসব পরীক্ষাই বেঁড়েরাম দারুণ দিয়েছিল। “শালা পরীক্ষাটাই ক্যানসেল করে দিলো! পাক্কা পাঁচশোকুড়ি নম্বর কারেক্ট হয়েছিল। পাক্কা চান্স পেয়ে যেতাম এইবার”। আর যেসব পরীক্ষা ক্যানসেল হয় না; সেগুলো যান্ত্রিক গোলযোগ, পরীক্ষারুমের অপ্রাকৃতিক ভৌগোলিক অবস্থান প্রভৃতি কারণে খারাপ হয়ে যায়। সবটাই একটা গভীর চক্রান্ত। “আগের বারের কথাই ধর না। পরীক্ষার সিট এমন জায়গায় পড়ছিল ঠিক সেখানেই পৃথিবীর চৌম্বকীয় দ্রাঘিমা আর ভৌগোলিক দ্রাঘিমা ক্রস করেছে। আমার তো আবার মাইগ্রেনের ধাত,ফলে…”



    আগামীকাল পরীক্ষা। হরেরামের সারারাত চোখে ঘুম নেই। থাকবেই বা কী করে! কোনদিকে পা রেখে শোবে সেটাই তো ঠিক করতে পারছে না। ডানদিকে বিস্তর ঠাকুরদেবতার মূর্তি সাজানো, ওদিকে পা রাখলে ঠাকুর পাপ দেবেন, কালকের পরীক্ষা মাটি হয়ে যাবে। বামদিকে আবার রবীন্দ্রনাথ, ঈশ্বরচন্দ্র প্রমুখেরা আছেন। ওদিকেও রাখা যায় না। একপাশে আবার পূর্বপুরুষদের ছবি, অন্যদিকে বইপত্র সাজানো। উপরদিকে পা করে শোওয়া যায় কি? এসব ভাবতে ভাবতে আবার মনে পড়লো, ভগবান তো সর্বত্র বিরাজমান। হয়তো একটু ইনহোমোজেনিয়াসলি ডিস্ট্রিবিউটেড ( ইংলিশ মিডিয়ামদের জন্য- অসমসত্বভাবে বণ্টিত), কোনো দিকে উপস্থিতির ঘনত্ব একটু বেশি, কোনোদিকে একটু কম। কিন্ত সবদিকেই আছেন। অতএব একদিকেও পা রাখা যাচ্ছে না। কী করা যায়! অনেক ভেবেচিন্তে একজোড়া মোজা পরে নিলো হরেরাম। মোজা পাপের কুপরিবাহী। কোনো একটা বইয়ে এরকম লেখা ছিল বটে।

    পরেরদিন ওএমআর শিটটি হাতে পেয়েই নিজের নাম-ধাম পূরণ করে ফেললো হরেরাম। একটু কনফিডেন্সও বেড়ে গেলো এই ফাঁকে। নামখানা পূরণ হয়ে গেছে, এবার উত্তরগুলোও এভাবেই হয়ে যাবে। চিন্তা কি!
    কৈ, প্রশ্নটা কৈ! এই যে। প্রথমে কী ? ফিজিক্স, আচ্ছা। একের প্রশ্ন,এটা তো সেই ওহমের সূত্রের অঙ্ক। ওহ! ওহমের সূত্রের অংকগুলোর উত্তর সবসময় B হয়। আগের প্রতি মকটেস্টে এমনিই হয়েছে। অতএব একেরটা হলো B। পরেরটা? আচ্চা , এটা কার্শফের সূত্র। ওহমের সূত্র থেকেই কার্শফ আসে। মানে এটাও B। বাহ, এই তো দুটো হয়ে গেলো। পরেরটা, ওরে বাবা! এ তো প্রশ্ন দেখেই মনে হচ্ছে D উত্তর না হয়ে যায় না……
    … কেমিস্ট্রি, কী চেয়েছে? ইকুইলিব্রিয়াম কনস্টান্ট? কনস্টান্ট মানেই C। কী সহজ প্রশ্ন সব! জয়েন্টের লেভেল দিনদিন কমে যাচ্ছে। আচ্ছা, এই রিয়াকশানে কী কী প্রোডাক্ট হবে? হুঁ হুঁ। আগেরটা C হয়েছে মানে এটা নির্ঘাৎ B। ওকে। কিন্তু উত্তরে এতো B আর C এর প্রাদুর্ভাব হচ্ছে কেন! সবই বিফোর ক্রাইস্ট! কয়েকটা AD ও হওয়া উচিত। হোক হোক।

    আচ্ছা, প্রায় সবগুলোই হয়ে গেল। একটু রিভিশন করা যাক... এই রে, কয়েকটা বাদ রয়ে গেছে যে। করে নি তাড়াতাড়ি। এই যে A যেটা পূরণ করেছি তার পরেরটা দেখছি এটেম্পট করা হয়নি। প্রশ্নটা একবার দেখবো কি? ধুর! কোশ্চেন পেপার তো ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছি। বাদদাও। A উত্তর হয়েছে মানে পরেরটা হবে ওটার কোনাকুনি B। একেবারে ডায়াগোনাল যাকে বলে। পর্যায় সারণীতে একেই বলে কর্ণ-সম্পর্ক। হে হে বাবা। আমি সব জানি। যাই হোক, আত্মপ্রশংসা পরে হবে। এভাবে বাকিগুলোও করে নিই আগে।

    সব উত্তর করে প্রসন্নমুখে খাতা জমা দিয়ে এলো হরেরাম।



    রেজাল্ট বেরিয়েছে কিছুক্ষণ আগে। হরেরামের বাড়িতে এখন গান বাজছে। অঞ্জন দত্তের গান। বেলা বোস। একবার করে সেই জায়গাটা আসছে, ‘ টু ফোর ফোর ওয়ান ওয়ান থ্রি নাইন’ - আর হরেরাম নিজের র‍্যাঙ্ককার্ডটার দিকে তাকাচ্ছে। এ রকম কোইন্সিডেন্স সহজে দেখা যায় না। পরিবারের সংস্কৃতি বজায় থাকছে দেখে হরেরামের বাবা বেশ খুশি। ছেলেকে সকাল সকাল মিষ্টি খাইয়ে গেছেন।

    বেঁড়েরাম কোটিতিনেক র‍্যাঙ্ক এনেছে। পরীক্ষারুমের খোলা জানালাটা থেকে পশ্চিমমুখী হাওয়া আসছিল বলে এমত বিপর্যয় শোনা যাচ্ছে। এঁড়েরামের বাবা বাটার জুতো কিনতে বেরিয়েছেন। অন্য কোম্পানির জুতোয় ছেলের আলার্জি হয়।

    হেঁড়েরাম নস্টালজিয়ায় মত্ত। কিন্তু তার বাবা অতি চিন্তিত। উনি সকাল সকাল টিভি খুলেই খবর পেয়েছেন এ বছর জয়েন্টের পরীক্ষায় নাকি ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। এটা অবশ্য নতুন কিছু না। দুষ্টু লোকে অনেকদিন ধরেই বলে আসছে যে, প্রতি বছর এই রেজাল্টের সময় সময় রাজ্যের আর্থিক সংকট অনেকটাই মিটে যায়। সেজন্যে জয়েন্ট বোর্ডকে শিক্ষা দপ্তর থেকে সরিয়ে অর্থ দপ্তরের অন্তর্ভুক্ত করে দেওয়া উচিত। কিন্তু কেউ কান দিচ্ছে না এতে। তার পরিবর্তে জয়েন্টের বোর্ড থেকে সব অভিযোগ অস্বীকার করা হচ্ছে নিয়মিত ব্যবধানে। রেগেমেগে হেঁড়েরামের বাবা ফোন করলেন কাউন্সিলের অফিসে।

    -হ্যালো, জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড ?
    - হ্যাঁ, আমরা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করছি।
    - আরে আমার কথা তো শুনুন
    - সমস্ত অভিযোগ..
    ধূসসালা। বোর্ডের চেয়ারম্যানকে ফোনে ধরলেন হেঁড়েরামের বাবা। উনি এর শেষ দেখে ছাড়বেন।
    -হ্যালো, আপনি চেয়ারম্যান?
    -হ্যাঁ।
    -কী ব্যাপার মশাই! যাকে ফোন করে যাই জিগ্গেস করি, সবাই খালি বলে অভিযোগ অস্বীকার করছি। এর মানে কী?
    - এই অভিযোগও আমরা অস্বীকার করছি। নমস্কার।

    ফোন কেটে গেলো।

    *********************

    সেই ফোন কেটে যাওয়ার পর আরো মাস ছয়েক সময় কেটে গেছে। বেঁড়েরাম এখন পৈতৃক ব্যাবসায় ঢুকে পড়েছে। হেঁড়েরাম কী করছে কেউ জানে না। এঁড়েরাম বাড়ি থেকে বিশেষ বেরোয় না, সে আদৌ পাড়ায় আছে কিনা সেটাই সন্দেহ। হরেরাম এখন নিখিলবঙ্গ জয়েন্ট সমিতির অন্যতম কর্ণধার। তবে এ জয়েন্ট সে জয়েন্ট নয়।
    -------------------/ সমাপ্ত /------------------

     

  • বিভাগ : ব্লগ | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ | ৫৯৯ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কৃষ্ণেন্দু মুখার্জ্জী | 83.230.117.28 (*) | ২৪ মে ২০১৭ ১১:২৪61078
  • এটাও ভালো হয়েছে। মাধ্যমিক এর টা আরেকটু কিউট।
  • রিভু | 83.230.117.28 (*) | ২৪ মে ২০১৭ ১১:২৫61079
  • আগের কমেন্টটা কৃষ্ণেন্দুর নামে হয়ে গেলো ক্যামনে। আমি করেছিলাম।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খেলতে খেলতে মতামত দিন