• টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। যে কোনো নতুন আলোচনা শুরু করার আগে পুরোনো লিস্টি ধরে একবার একই বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে কিনা দেখে নিলে ভালো হয়। পড়ুন, আর নতুন আলোচনা শুরু করার জন্য "নতুন আলোচনা" বোতামে ক্লিক করুন। দেখবেন বাংলা লেখার মতো নিজের মতামতকে জগৎসভায় ছড়িয়ে দেওয়াও জলের মতো সোজা।
  • একটু মন ভালো করা ব্যাপারস্যাপার, খবরটবর

    pi
    বিভাগ : অন্যান্য | ০৫ জুলাই ২০১৬ | ২২৩ বার পঠিত
আরও পড়ুন
করোনা - pi
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • pi | 24.139.209.3 | ০৫ জুলাই ২০১৬ ১০:৩৬717836
  • চদ্দিকের বাজে খবরের মধ্যে আজই দুটো খবর পড়ে ভাল লাগল। রেখে দিলাম এখানে। রোজই হয়তো কারুর না কারুর কিছু না কিছু চোখে পড়ে। একজায়গায় থাকলে পরে কখনো হয়তো বসে বসে পাতা উল্টোতে ভাল লাগবে।

    She has won 10 National and State Level awards in Women’s Football. There is no stopping her, be it the negligence of Jammu & Kashmir Football Association (JKFA) or the thought of what the society will think about her playing with the boys. Her motivation and inspiration are soccer legends, Ronaldo and Messi. She is Nadia Nighat from Srinagar’s Rambagh Area and she is the first female football coach of Kashmir....

    http://beingindian.com/news/first-kashmiri-female-football-coach/
    ----------------------

    A Muslim group aimed at fostering peace and integration in Ireland has joined with members of the country’s LGBT community to break bread during Ramadan.

    In an effort to display “true Islamic ideals,” the Irish Muslim Peace & Integration Council invited a whole host of people from outside the faith to share in the spirit of the holy holiday on Saturday.

    https://www.rt.com/viral/349386-islam-muslim-lgbt-ramadan/
  • dc | 132.174.161.152 | ০৫ জুলাই ২০১৬ ১১:০২717858
  • আমি গতকাল আর আজ, দুটো মন ভালো করা খবর পড়েছি। গতকালেরটা হলো, চীনে সবথেকে বড়ো রেডিও টেলিস্কোপ বানানোর কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। এটা নিয়ে গত কয়েক বছর ধরেই মাঝে মাঝে খবর বেরোত, গতকাল যখন পড়লাম বানানো শেষ তখন বেশ ভালো লাগলো। এই হলো প্রোজেক্ট ফাস্টের খবরঃ

    http://news.xinhuanet.com/english/2016-07/03/c_135485389.htm

    আর আজকে পড়লাম যে জুনো সফলভাবে জুপিটারের চারপাশে অর্বিটে ঢুকে গেছেঃ

    http://edition.cnn.com/2016/07/04/world/juno-jupiter-nasa/index.html
  • Debabrata Chakrabarty | 212.142.76.217 | ০৫ জুলাই ২০১৬ ২৩:৪৪717866
  • রোজাভা ইউনিভার্সিটি ঃ- 'সংঘর্ষ এবং নির্মাণ’ ।
    এই যুদ্ধ, হত্যা ,সন্ত্রাসবাদের আতঙ্কের মধ্যেও অত্যন্ত আনন্দের খবর 'ঈদের দিনে' রোজাভায় খুলছে নূতন বিশ্ববিদ্যালয় “রোজাভা ইউনিভার্সিটি “ । এখন ইউনিভার্সিটি তো কতই খোলে কিন্তু এই ইউনিভার্সিটির বৈশিষ্ট্য কি আর কেনই বা সেই খবর নিয়ে উত্তেজনা ? কেননা এই ইউনিভার্সিটি টি স্থাপিত হয়েছে একদম আইসিসের রাজত্বের সীমানায় । সিরিয়ার উত্তরে কুর্দ শাসিত অঞ্চল “রোজাভায়” । দেশী বা বিদেশী সরকারী বা বেসরকারি সাহায্য বিনা -সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের মধ্যে কুর্দ দের 'সংঘর্ষ এবং নির্মাণ’এর অনবদ্য উধাহরন । রোজাভা ইউনিভার্সিটি প্রথম নয় এই যুদ্ধবিধস্ত অঞ্চলে কুর্দদের অনমনীয় প্রয়াসের ফসল এটি তৃতীয় বিশ্ববিদ্যালয় । রোজাভা নিয়ে , সেখানকার শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে ইতিপূর্বে গুরু'তে অনেক লেখা প্রকাশিত হয়েছে , প্রায় সকলেই পরিচিত । এই নূতন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হবে ঃ- স্বাস্থ্য ,তেল বিষয়ক বিদ্যা , কম্পিউটার, এগ্রিকালচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং ,ফিজিক্স , কেমিস্ট্রি ,ইতিহাস ,সাইকোলজি ,ভূগোল , অঙ্ক এবং কুর্দিশ ভাষায় স্কুল টিচিং এর উপযোগী পাঠক্রম ।

    সূত্র ঃ- ‘University of Rojava’ to be opened http://dckurd.org/2016/07/04/university-of-rojava-to-be-opened/
  • pi | 233.176.33.64 | ০৭ জুলাই ২০১৬ ১৮:২৪717867
  • At the time when you and I were worried about the boards ahead, were planning the next career move and hanging out with friends on a shoe-string budget, Muskaan Chhibber was running pillar to post to get her NGO registered.

    At the age of 15, she started working with an NGO called Samarpan in Vasant Kunj, Delhi. By the time she finished her 10th grade, she decided to open up her NGO to help underprivileged children get the basic education. Correspondingly, she started working with an environmental campaign in Australia called Clean up the World, with an agenda to empower communities from across the globe to conserve their environment. She started the same kind of awareness project in Delhi and gathered massive participation that made her campaign a huge success....

    http://beingindian.com/news/17-year-old-opens-ngo-to-fund-education/
  • | 229.64.164.236 | ০৭ জুলাই ২০১৬ ২২:৪৪717868
  • pi | 24.139.209.3 | ১৪ জুলাই ২০১৬ ০৯:৪৪717870
  • How Kashmiri Muslim couple defied a curfew and walked miles to feed Pandit friend's starving family
    Even as tension brews in Kashmir following the killing of Hizbul commander, a Muslim couple is defying restrictions to feed a Pandit family across river Jhelum.

    Shuja-ul-Haq | Posted by Bijin Jose
    Srinagar, July 11, 2016 | UPDATED 16:17 IST
    A +A -
    Zubeda and her husband
    BRIEFCASE
    1Muslim couple defy curfew, walk miles to feed Pandit family.
    2Lack of transport did not deter the couple from helping them.
    3For them the warmth they received was their biggest gain.
    As Kashmir burns after the killing of Hizbul Mujahideen commander Burhan Wani, and half the state is under curfew, a lone Kashmiri woman and her husband braved a strict curfew to get some food across to her Pandit friend.

    At first glance, Zubeda Begum and her husband walking on a deserted road in Srinagar with a bag of food items looked like any another desperate family trying to fend for itself in the strife-torn city. However, this couple was actually risking their lives to get some food to a friend, who had telephoned from across the river Jehlum to inform them of their plight.

    "She had called me in the morning saying her family needed food supplies. They have an ailing grandmother staying with them. I am taking the food to them. It is difficult but we are trying to reach them," Zubeda said.
    Zubeda(centre)
    Zubeda with Diwanchand Pandit's family

    CURFEW, LACK OF TRANSPORT DID NOT DETER THE COUPLE
    The shops and establishments remain shut for days and there is no means of transport on the roads. To add to their woes, police have limited movement of people.
    According to the couple, the risk and effort of the long walk was compensated with the warmth they received after arriving at the doorsteps of Diwanchand's flat in Jawahar Nagar.
    ×
    "Everyone is suffering here. We are so glad that these people came here. This is where the humanity lies," said Diwanchand Pandit.

    Diwanchand and his family have been living in the Valley for many years. He works at All India Radio and his wife is a teacher in a local school where Zubeda also works.
    DIWANCHAND'S FAMILY DESPERATELY SOUGHT HELP

    Diwanchand and his family, including an ailing grandmother, were desperate for help as crisis mounted in the Valley.
    Kashmir has been in the grip of unrest for last four days. Violent protests are being reported from many areas following the killing of Hizbul Mujahideen commander Burhan Wani.
    In the midst of this violence, Zubeda's heartwarming story is a perfect example of how humanity prevails even in times of adversity.

    http://indiatoday.intoday.in/story/how-kashmiri-muslim-couple-defied-a-curfew-and-walked-miles-to-feed-pandit-friends-starving-family/1/712153.html
  • sm | 53.251.91.253 | ১৪ জুলাই ২০১৬ ১০:১৭717871
  • ধৃত অনিন্দ্য চট্ট কে জেল এ একটা চোর এসে বলে গেলো- দেখলি তো ধর্মের কল বাতাসে নড়ে।
  • pi | 24.139.209.3 | ৩১ জুলাই ২০১৬ ১০:৩২717841
  • 'স্মিত হেসে পিঙ্কু বলছেন, ‘‘আমি নিজেও বৌ-বাচ্চা নিয়ে সংসার করি। জন্মদিনের দিন ওঁদের এ ভাবে দৌড়ঝাঁপ করতে হচ্ছে দেখে খুব খারাপ লাগছিল। তাই তখনই ‘সারপ্রাইজ পার্টি’টা ঠিক করে ফেলি।’’ রক্তে চিনির জন্য কেক খান না রিয়া। কিন্তু সে দিন সামান্য চেখেছেন। এখন সুরজিৎ আর রিয়া এই ‘পুলিশবন্ধু’দের শীঘ্র বাড়িতে ডেকে পাত পেড়ে খাওয়াতে চান। পুলিশের এই মানবিক মুখটাই মনে রাখতে চান তাঁরা। তবে নিয়ম মেনে সুরজিৎকে কেসও দিয়েছেন সার্জেন্ট পিঙ্কু।পুলিশকর্তারা মনে করেন, ট্রাফিক পুলিশই কলকাতা পুলিশের মুখ। এই রকম ঘটনা যত ঘটবে ততই পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে।
    '
    http://www.anandabazar.com/calcutta/happy-birthday-ma-am-case-can-be-solved-later-1.445968
  • sm | 53.251.91.253 | ৩১ জুলাই ২০১৬ ২১:১৪717842
  • Abhyu | 85.137.10.65 | ০৬ আগস্ট ২০১৬ ২২:০০717843
  • অভাবে হার বেচতে এসে ‘ঈশ্বর’-এর দেখা পেলেন আমেরিকার মা
    http://www.anandabazar.com/international/a-broke-mom-wanted-to-sell-her-chain-dgtl-1.450939#

    মধ্য জুলাইয়ের ওই ঘটনার পর আলাদা একটা ফেসবুক পেজ খোলা হয়েছিল। ‘আমেরিকা ফর আরবস’। পেজটা দেখা হয়েছে ৯৫ লক্ষ বার, দু’সপ্তাহে। শেয়ারের সংখ্যা তিন লক্ষ ছাপিয়ে গিয়েছে।
  • pi | 174.100.177.10 | ১৭ আগস্ট ২০১৬ ১৩:৪৫717844
  • আশিক খুদাবক্সের পোস্টঃ

    'কার্নেগি মেলন ক্যাম্পাসের মাঝখানে থাকা ঐতিহ্যবাহী 'দ্য ফেন্স' পৃথিবীর মোস্ট পেইন্টেড অবজেক্ট। কখনও কোনও মজার ওয়ান-লাইনার - কখনও বা গভীর তাৎপর্যপূর্ণ কোনও দার্শনিক উক্তি, আবার কখনও ক্যাম্পাসের টাটকা খবর, অনুষ্ঠানের বিজ্ঞাপন - যে কোনও কিছুই জায়গা পেতে পারে ফেন্সে। ট্রাম্পের প্রবল জাতিবিদ্বেষের তোড়ে যখন ভেসে যাচ্ছিল আমেরিকা - ফেন্সে একদিন দেখি লেখা রয়েছে "লাভ ট্রাম্পস হেট"। ছাত্রদের ফেসবুক পেজে সেই ফেন্সের ছবির নিচে কয়েক হাজার লাইক। তবে লাইকসংখ্যায় টক্কর দিয়েছিল ছবির নিচে এক রসিক ছাত্রের কমেন্ট - 'সবই ভালো, খালি একটা অ্যাপোস্ট্রোফে দিলেই কেল্লাফতে!"

    রঙ করবারও হরেক নিয়ম রয়েছে। কেবলমাত্র মাঝরাত্রির পর আর সূর্যোদয়ের আগে রঙ করা যাবে ফেন্স, রঙ করতে আগ্রহী ছাত্রদের প্রথমে দখল নিতে হবে ফেন্সের। দখল দীর্ঘমেয়াদি করতে ফেন্সের পাশে তাঁবু খাটিয়েও ছাত্রছাত্রীদের থাকা বিরল ঘটনা নয়।

    ১৪ই আগস্টের রাত্তিরে ভারতীয় ছাত্রছাত্রীরা দখল নেয় ফেন্সের, আঁকে জাতীয় পতাকা। এ যাবৎকাল তাই দেখে এসেছি। এ বছর হোলো একটু অন্যরকম। তিন চার জন পাকিস্তানের ছাত্র এসে ভারতীয় ছাত্রদের অনুরোধ করে সামান্য একটু জায়গার। পাঁচভাগের একভাগ হলেই তারা খুশি। আমার যেসব ভারতীয় বন্ধুরা ফেন্সের দখল নিয়েছিল সারারাত জেগে তেরঙ্গা আঁকবে বলে, তারা সিদ্ধান্ত নেয় পাঁচভাগের এক ভাগ নয় - ভাগ হোক সমান-সমান।

    খুব বিরাট কোনও ব্যাপার নয়। কিন্তু ছোটো ছোটো মালিন্যর থেকে দূরে সরে আসাও অনেকসময় সুন্দর কিছু মুহূর্ত তৈরি করে। ছোটো থেকে পাকিস্তানকে শত্রু দেশ হিসেবে দেখার মানসিকতার মধ্যে, আমার বন্ধুদের এই বন্ধুতা বড়ো মন ভালো করে দেওয়া ব্যাপার। সীমান্তের তীব্র অস্থির সময়ের থেকে হাজার হাজার মাইল দূরের টাইমজোনে ১৪-ই আগস্ট আর ১৫-ই আগস্ট মিলেমিশে এক হয়ে গিয়েছে, যেরকম মিশে গেছে তেরঙ্গা আর চাঁদ, গেরুয়া, সাদা, সবুজ। বলছে -

    বেড়া দিয়েও, ভেঙে দেওয়া যেতে পারে বিরাট কোনও পাঁচিল।'
  • dd | 116.51.25.199 | ১৭ আগস্ট ২০১৬ ২১:৫৬717845
  • হ্যাঁ, এটা খুবি ভালো খবর। দারুন।

    বিদেশে কিছু আত্মীয় স্বজন থাকে - তাদের কাছ থেকে শুনি। ধর্মীয় হিংস্রতাটা এখন খুব প্রকাশ্যে এসেছে। আগে এরকম ছিলো না। এখন কোনো লজ্জা নেই। দ্বিধা নেই। যে কোনো সমাবেতেই বিষ উগড়ে দেওয়া যায়।

    আর এই ঘটনা তো জাস্ট হিন্দু - মুসলিম নয়। ইন্ডিয়া পাকিস্তান। লোকে দুর্ব্যবহার করলেও সেটা সাবাসিই পেতো। তাও ও কিছু লোকে সাহস করে কোরলো।

    গুড নিউস।
  • সিকি | 192.69.243.34 | ১৭ আগস্ট ২০১৬ ২৩:১২717846
  • পাগলা। এটা আমায় ফেবুতে শেয়ার করবে, পাই?
  • pi | 24.139.209.3 | ১৭ আগস্ট ২০১৬ ২৩:১৭717848
  • দিচ্ছি। ওখানে ছবিও আছে।
  • সিকি | 192.69.243.34 | ১৭ আগস্ট ২০১৬ ২৩:২৪717849
  • না থাক। পেয়ে গেছি। শেয়ারও করেছি।
  • pi | 24.139.209.3 | ২০ আগস্ট ২০১৬ ১৫:২৪717850
  • গ্রুপে দেব দাসের পোস্ট ঃ

    'স্পোর্টস শু কেনার সামর্থ্য নেই শেখপাড়া চণ্ডীপুর গ্রামের মেয়ে আদুরী খাতুনের তাই খালি পায়েই ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন ।এই প্রতিযোগিতায় দৌড়াতে গিয়ে পায়ের বুড়ো আঙুলের চামড়া ছড়ে যায় । পায়ে চোট পেয়েও সবচেয়ে আগে ফিনিসিং পয়েন্টে পৌঁছে প্রথম পুরস্কার পেলেন আদুরী। পুরস্কার নিতে গিয়ে তাকে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে মঞ্চে আসতে দেখা গেল।
    শুধু আর্থিক প্রতিবন্ধকতা নয় ছিল সামাজিক প্রতিবন্ধকতাও । গ্রাম থেকে প্রায় ২০ কিমি দূর চাঁচলে ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করতে গিয়ে শুনতে হয়েছে ব্যাঙ্গ বিদ্রুপ ''দেখ দেখ মেয়েটা স্টাইল মারাতে যাচ্ছে । ''
    উল্লেখ্য ইতিপূর্বে এই অঞ্চলে মৌলবাদীরা মহিলা ফুটবল খেলা ভণ্ডুল করেছে । এই অঞ্ছলে মহিলাদের খেলার প্রসঙ্গ আসলেই মৌলবাদীরা হুমকি দিয়েছে রক্তচক্ষু দেখিয়েছে । এবার রেজা রাজী নির্মল দাস ও এই এলাকার শুভবুদ্ধির মানুষ ও সংগঠন এই সব তালিবানিদের উপেক্ষা করে চাঁচলে প্রথম মহিলা ম্যারাথন অনুষ্ঠান করলেন গত ১৫ আগস্ট । মালদা জেলার চাঁচল মহকুমায় ৩২ জন প্রতিযোগীর মধ্যে প্রথম আদুরী ছাড়াও দ্বিতীয় ও তৃতীয় হন যথাক্রমে সেকেলা খাতুন ও নার্গিস পারভিন । বিজয়ী প্রতিযোগীদের দেওয়া হয়েছে আর্থিক পুরষ্কার মেডেল ও উপহার ।'
  • pi | 233.231.12.161 | ০৮ নভেম্বর ২০১৬ ১১:১৭717851
  • আশার আলো যে এখনো আছে সেটা এইসব দেখে বোঝা যায়। যদিও দাঙ্গাপ্রেমীরা যে এটা পছন্দ করবে না সেটা হলফ করে বলা যায়। দিকে দিকে এইরকমই শুভ বুদ্ধি সম্পন্ন মানুষের আবির্ভাব হোক।
    ◆◆১৪ই অক্টোবর, হাজিনগর, নৈহাটি, এপার বাংলা।
    একদল দাঙ্গাবাজ দুষ্কৃতী আক্রমণ করতে এগিয়ে আসছে মুসলিম মহল্লার দিকে। রুখে দাড়ালেন এলাকার হিন্দু পড়শিরা। এক ইলেকট্রিশিয়ানের নেতৃত্বে হিন্দু মহিলারা ব্যারিকেড তৈরি করলেন তাদের মুসলিম ভাই-বোনদের রক্ষা করতে। দাঙ্গাবাজদের সাফ জানিয়ে দিলেন, যদি তারা মুসলিমদের আক্রমণ করতে চায়, তবে আগে হিন্দু পরিবারগুলোকে আক্রমণ করতে হবে। এছাড়া ভোলা মজুমদার নামে একজন জুট মিলে তার এক সহকর্মীকে এই ঘটনার সময় আশ্রয় দেন।
    ~~সূত্র : 'দ্য হিন্দু'
    ৩০শে অক্টোবর, নাসিরনগর, ব্রাক্ষনবেড়িয়া, ওপার বাংলা।
    একদল দাঙ্গাবাজ দুষ্কৃতী আক্রমণ করতে এগিয়ে আসছে হিন্দু মহল্লার দত্তবাড়ির দিকে। জনাকয়েক মুসলিম যুবককে সঙ্গে নিয়ে রুখে দাড়ালেন হাসপাতাল-কর্মী জামালউদ্দিন। দত্তবাড়ির প্রধান গেটে দাড়িয়ে আটাকানোর চেষ্টা করলেন উন্মত্ত আক্রমণকারীদের। যদিও শেষরক্ষা হয়নি। দুষ্কৃতীরা জামালউদ্দিনকে রড দিয়ে আঘাত করলে তিনি মাটিতে পড়ে যান।
    'শতশত আক্রমণকারীর সামনে নিজের জীবন বাজি রেখে কেন এগিয়ে গিয়েছিলেন?'
    "আমি তখন নিজের জীবনের চিন্তা করি নাই। ওরা আমার ভাই, এটা আমার গ্রাম। ওরা তো নিরপরাধ লোক। এ বর্বরোচিত হামলা কেন এদের উপর হবে?" জামালউদ্দিন আরও বলছিলেন, "ওইদিন আমার নিজের প্রতি একটুখানিও মায়া ছিল না। আমার এক ভাই অন্যায় হামলার শিকার হবে, আমাদের মা বোনদের ইজ্জত যাবে - তাহলে আমাদের থেকে লাভ কী?" জামালউদ্দিন যে দত্তবাড়ির সামনে বাধা হয়ে দাড়িয়েছিলেন, সেই দত্তবাড়ির বাসিন্দা নীলিমা দত্ত বলেন, "এক মুসলমান হামলা করেছে, আরেক মুসলমান বাঁচাইছে। ওরা যদি আমাদের রক্ষা না করতো, তাহলে এখানে লুটপাট হইতো।"
    ~~সূত্র :- 'বিবিসি বাংলা'
    শুধু বাংলার এপার-ওপার নয়, ভারত-বাংলাদেশ নয়, হিন্দু-মুসলমান নয়! মানবতা মুছে দিক রাজনৈতিক খড়ির দাগ। মনুষ্যত্ব ছিড়ে দিক ধর্মান্ধতার সংকীর্ণ বেড়াজাল। আসুন জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা মানুষরা বিভেদকামী, সাম্প্রদায়িক অমানুষদের বিরুদ্ধে গড়ে তুলি মানবতার ব্যারিকেড।
    মানুষরা সংখ্যালঘু হোক আর অমানুষরা শুধু সংখ্যালঘু নয়। নিশ্চিহ্ন হোক।
    Salman Sahaji এর পোস্ট থেকে নেওয়া
  • pi | 57.29.128.73 | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ১১:২১717852
  • 'মানুষের রাতে ঘুম না হওয়ার নানা কারণ থাকতে পারে। কিন্তু ফরিদপুরের ভাগনডাঙ্গা গ্রামের রিকশাচালক আব্দুল সামাদ শেখের ঘুম না হওয়ার একটাই কারণ; সেটা হলো সেদিন হয়তো কোন গাছ লাগাতে পারেননি তিনি। ‘গাছ সামাদ’ নামে পরিচিত এই ব্যক্তি গত ৪৮ বছর ধরে প্রতিদিন একটি করে গাছ লাগিয়েছেন। বলতে গেলে গাছ লাগানোই তার নেশা।

    তিনি বলেন, “একটা গাছ লাগাতে না পারলে সারারাত আমার ঘুম হয় না। ১২ বছর বয়স তখন থেকে এই কাজ করছি।” এখন তার বয়স ৬০ বছর।

    বছরে ৩৬৫ দিন থাকে। ৪৮ বছরে অধিবর্ষের ১২ দিন যোগ করলে মোট ১৭ হাজার ৫৩২ দিন হয়। অন্তত এই সংখ্যক গাছ লাগিয়েছেন সামাদ।

    “বেশিরভাগ সময়ই আমি সরকারি জমিতে গাছ লাগাই যেন পরবর্তীতে গাছ কেউ কেটে ফেলতে না পারে।” ফরিদপুর সদর, চরভদ্রাসন ও সদরপুর উপজেলাতে সরেজমিনে তার কথার প্রতিফলন দেখা যায়। এসব এলাকার বিভিন্ন সরকারি অফিস ও মসজিদ প্রাঙ্গণের অনেক গাছই সামাদের লাগানো।

    শুধু গাছ লাগিয়েই সামাদের কাজ শেষ হয় না। সেসব গাছের গোঁড়ায় পানিও দেন তিনি। তিনি বলেন, “কাউকে গাছ কাটতে দেখলেই আমি বাধা দেই ও বকাবকি করি। আমি প্রাণীসহ সব প্রকৃতির সবকিছুকেই ভালোবাসি, বিশেষ করে গাছ।”

    ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের অফিসের দুইটি কুঁড়েঘরে পাঁচ সদস্যের পরিবার নিয়ে বসবাস করেন সামাদ। তার নিজের কোন জমি নেই। “রিকশা চালিয়ে প্রতিদিন ১০০ টাকা আয় হয় আমার।” বলেন তিনি। “এই টাকা দিয়ে পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার পর ফরিদপুর হর্টিকালচার সেন্টার থেকে অন্তত একটা গাছের চারা কিনি।”

    পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে জানা যায়, গাছের প্রতি তার এতো ভালোবাসা যে দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় জিনিস কেনার চেয়ে গাছের চারা কেনা কখনও কখনও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়। তার স্ত্রী জর্না বেগম (৫০) বলেন, “তার আয় খুব বেশি না। পরিবারের দৈনিক খরচ মেটাতে হয়। মাঝে মধ্যে আমি তাকে গাছ লাগাতে নিষেধ করলেও তিনি শোনেন না। গাছের প্রতি তার ভালোবাসা কিছুতেই থামে না।”...

    http://www.thedailystar.net/bangla/%E0%A6%B6%E0%A7%80%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7-%E0%A6%96%E0%A6%AC%E0%A6%B0/%E0%A6%97%E0%A6%A4-%E0%A7%AA%E0%A7%AE-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0-%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%9B-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%8F%E0%A6%87-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF-78184'
  • pi | 57.29.131.1 | ২৪ মার্চ ২০১৭ ০৮:২১717853
  • একটা পুরানো পোস্ট পেলাম কাল।

    Oligolikolikata-অলিগলিকলিকাতা
    19 অক্টোবর 2015
    কুঁদঘাট বাস স্টপের কাছে মনসুর হাবিবুল্লাহ স্কুলের পাশেই মহম্মদ আজাদের খাসীর মাংসের দোকান। আজাদ মাংস কাটেন, আর রবিবার সকালবেলা যদি মেজাজ ভাল থাকে, যদি মাংস ভাল বিক্রি হয় অথবা কোনো খদ্দের যদি হেসে দুটো কথা বলেন, তাহলে একটু অনুরোধ করলেই গোটা মেঘনাদবধকাব্যটা গড়গড় করে আবৃত্তি করে যান। আজাদের পুরোটাই মুখস্থ। বই দেখার দরকার হয় না। স্কুলে পড়ার সময় যখন পাঠ্যসূচীতে মেঘনাদবধ কাব্যের কিছুটা অংশ পড়ানো হত তখন শুনেছিলেন। ভাল লেগে গিয়েছিল বলে বই নিয়ে এসে পড়তে পড়তে পুরোটা মুখস্থ করে ফেলেন।

    মহারাষ্ট্রের কবি নামদেও ধাসালের বাবা ছিলেন কসাই। ধাসাল বলতেন বাবার সঙ্গে মাংসের দোকানে বসে কাজ করতে করতে তাঁর কবিতাপ্রীতি শুরু হয়েছিল। মহম্মদ আজাদ , নামদেও ধাসালের নাম শোনেননি।উনি কবিও নন । শুধু মাংসের দোকানে বসে খাসী কাটতে কাটতে কবিতা আওড়ান । এটুকুই ।

    ' পেজে প্রকাশিত হওয়ার জন্য , ছবি ও লেখা পাঠান এই ইমেলে -
    [email protected] '
  • r2h | 106.95.48.33 | ২৪ মার্চ ২০১৭ ০৯:০০717854
  • এইটা পড়ে মনে পড়লো, বহুকাল আগে, গ্যারেজের ওপর ঠেকনা দেওয়া ওয়েবডিজাইন কোম্পানীতে চাকরী করি, ডিজাইন কোডিং মার্কেটিঙের কল পেমেন্টের তাগাদা দেওয়া সবই নিজেদের করতে হয়, নইলে কোম্পানী উঠে যাবে, মালিকের অনেক পয়সা, উঠলেও কিছু না, কিন্তু আমাদের কি হবে।
    তো বড়বাজারে এক মারোয়াড়ী হার্ডওয়ারের হোলসেল দোকানে নওজোয়ান ছেলে ব্যাবসার আধুনিকীকরনের জন্যে ওয়েব্সাইট বানাচ্ছে, কিন্তু পয়্সাকড়ি সবই তাঁর বাবার হাতে। একবার একটা ছোট্ট পেমেন্টের জন্যে তৃতীয় দিন হত্যে দিয়ে পড়ে আছি, এমন সময় এক দেনাদার এসেছেন হাত কচলাতে কচলাতে। সেই দেখে সেই কপালে হলুদ্লাল চালকলা লাগানো কুটিল বৃদ্ধ মারোয়াড়ি ভদ্রলোক বলে উঠলেন, আরে আসেন আসে, আপনার তো দেখাই পাওয়া যায় না, আপনার আশায় তো আমার-
    ধন্য আশা কুহকিনী।তোমার মায়ায়
    অসার সংসার চক্র ঘোরে নিরবধি,
    দাঁড়াইত স্থির ভাবে,চলিত না,হায়
    মন্তবলে তুমি চক্র না ঘুরাতে যদি।
    ভবিষ্য অন্ধমূঢ় মানব সকল

    -এইরকম অবস্থা হয়ে গেল।
    পুরো হুব্বা; তবে সেদিন একটুখানি পেমেন্টও পাওয়া গেছিল।
  • pi | 57.29.241.8 | ২৭ মার্চ ২০১৭ ০৮:০০717855
  • দু’জনের বন্ধুত্ব জমে গিয়েছিল সেই স্কুলবেলাতেই।
    মধ্য ত্রিশে এসে শেখ হেসামুদ্দিনের সঙ্গে জিনগত বৈশিষ্ট্যও (হিউম্যান লিউকোসাইট অ্যান্টিজেন) মিলে গেল নন্দিতার। মরণাপন্ন ছেলেবেলার বন্ধুকে বাঁচাতে তাই নিজের একটি কিডনিই দান করে দিতে চলেছেন হুগলির চণ্ডীতলার আটপৌরে ওই গৃহবধূ।
    অন্ধকারের মধ্যে হঠাৎ আলোর দেখা পেয়ে হেসাবুদ্দিনের স্ত্রী রাকিবা বলছেন, ‘‘আল্লাই নন্দিতাকে পাঠিয়েছেন।’’ আর নন্দিতার স্বামী বলছেন, ‘‘ওঁদের বন্ধুত্ব অক্ষয় হোক। আমার কোনও আপত্তি নেই।’’
    মশাটের পঞ্চাননতলার মুসলিমপাড়ার বাসিন্দা শেখ হেসামুদ্দিন ওরফে বিট্টু। পড়তেন মশাট হাইস্কুলে। নন্দিতাও ওই স্কুলের ছাত্রী ছিলেন। স্কুল-পর্বের পরেও দু’জনের বন্ধুত্বে ছেদ পড়েনি। সংসার জীবনে ঢোকার পরে দু’জনের দেখাসাক্ষাৎ হতো মাঝেমধ্যে, এই যা। রাকিবাকে বিয়ের পরে হেসামুদ্দিন দিল্লির করোলবাগে চলে যান। সেখানে সোনা পালিশের কাজ করতেন। দম্পতির দুই ছেলেমেয়ে। ছ’বছরের ফারদিন আর ছ’মাসের রিয়া পরভিন। ২০১১ সালে দিল্লিতেই অসুস্থ হয়ে পড়েন হেসামুদ্দিন। জানা যায়, কিডনির অসুখ বাসা বেঁধেছে।
    আরও পড়ুন: বেশির ভাগ ক্যানসারের জন্য দায়ী খারাপ ‘ভাগ্য’, দাবি বিজ্ঞানীদের
    কাজ ছেড়ে সপরিবারে মশাটে ফিরে আসেন হেসামুদ্দিন। সেই থেকে শ্রীরামপুর শ্রমজীবী হাসপাতালে তাঁর ডায়ালিসিস চলছে। ডাক্তার দেখাতে ছুটতে হয় কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সম্প্রতি চিকিৎসকদের কাছ থেকে হেসামুদ্দিন জানতে পারেন, তাঁর দু’টি কিডনিই বাদ দিতে হবে। কারও কিডনি পাওয়া গেলে তিনি জীবন ফিরে পেতে পারেন।
    কিন্তু কিডনি দেবে কে? প্রায় মুষড়েই পড়েছিল পরিবারটি। পাশে এসে দাঁড়ালেন নন্দিতা। তাঁর কথায়, ‘‘বিয়ের পর কিছু সমস্যার কারণে আমি ও স্বামী খুব খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলাম। বিট্টু পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল। এখন ওর অসময়। আমি পাশে দাঁড়াব না! ওর সংসারটাকে তো বাঁচাতে হবে।’’
    কিডনি মিললেও প্রতিস্থাপনের খরচ কম নয়। রয়েছে এ সংক্রান্ত আইনি অনুমতি এবং কাগজপত্র তৈরির পর্বও। সে সব নিয়েও দুশ্চিন্তায় রয়েছে পরিবারটি। বিডিও এষা ঘোষ পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে সাহায্য প্রাপ্তির জন্যেও চেষ্টা চলছে। রাকিবা বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী অনেকের জন্য অনেক কিছু করছেন। একবার ওঁর কাছেও সাহায্যের জন্য যাব।’’
    আর হেসামুদ্দিন কী বলছেন?
    অসুস্থ যুবকের কথায়, ‘‘ভাগ্যে কী আছে জানি না। নন্দিতার কাছে চিরঋণী হয়ে গেলাম।’’
    http://www.anandabazar.com/state/a-housewife-will-donate-her-kidney-to-child-life-friend-1.586516?ref=hm-editorschoice
    \
  • pi | 57.29.215.55 | ২৯ মার্চ ২০১৭ ১০:৫৭717856
  • আগে এটা নিয়ে পোস্ট ছিল এখানে। এখন আরো কিছু ভাল আপডেট ঃ

    Deb Das
    27 মার্চ, 10:56 AM-এ
    কট্টরপন্থিদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই গতকাল রবিবার হেন্ডবল খেলতে মাঠে নামল এলাকার মেয়েরা। সেকেলা খাতুন আদুরি খাতুন নার্গিস পারভিনেরা সহ প্রায় ১৬ জন মেয়ে এই খেলার অংশগ্রহণ করে।
    খেলতে না দেওয়ার মৌলবাদি ফতোয়া উড়িয়েই মাঠে নেমে প্রবল উৎসাহে খেলল এলাকার গ্রামের মেয়েরা। তাদের উৎসাহ জোগাল এলাকার হাজার হাজার মানুষ। মানুষের প্রতিরোধে লুকিয়ে থাকলো মৌলবাদিরা।
    বছর দুয়েক আগে মালদা জেলার চন্ডীপুর গ্রামে আয়োজন করা হয়েছিল মেয়েদের জাতীয় দলের খেলোয়ারদের নিয়ে মহিলা ফুটবল খেলার। কিন্তু মৌলবাদিরা সেই খেলা ভন্ডুল করে দেয়।
    এই ঘটনায় দেশ জুড়ে শুরু হয় কট্টরপন্থিদের বিরুদ্ধে সমালোচনা।
    কিন্তু শুধু সমালোচনাতেই কাজ হবে না তা বুঝেছিলেন রেজা রাজী সহ স্থানীয় শুভবুদ্ধির মানুষ। তাই এবার স্থানীয় মেয়েরা মৌলবাদি ফতোয়াকে ছুড়ে ফেলে মাঠে নেমে হ্যেন্ডবল খেলল মেয়েরা। আর এদের পেছনে আছেন রেজা রাজী সহ স্থানীয় শুভবুদ্ধির জনগন। উপস্থিত ছিলেন বিডিও বিপ্লব কুমার রায় বিশিষ্ট চিকিৎসক পি কে দাস রেজা রাজী সহ এলাকার হাজার হাজার মহিলা সহ এলাকার জনতা।
    রবিবার বিকেল ৩ টা থেকে শুরু হয় স্থানীয় মেয়েদের হ্যেন্ডবল খেলা।এছাড়া সান্ধ্য প্রোগ্রাম ছিল মুরশেদ আলমের গাওয়া লোকগান ও বাউল গান এবং গড়গড়ির আদিবাসি নৃত্য মালদার গম্ভিরা গান।
  • SS | 160.148.14.3 | ২৯ মার্চ ২০১৭ ২২:৪৬717857
  • জানিনা এই লিংকটা এই টই এর জন্যে কিনা কিন্তু এটা দেখে মন ভাল হয়ে যায়।
    নাসার সব ইমেজ আর ভিডিও এক যায়গায়-
    https://images.nasa.gov/#/
  • pi | 127.194.10.186 | ০৩ জুলাই ২০১৭ ১৯:১১717860
  • ঘটনাগুলো মন ভালো করা ব্যাপারস্যাপার, খবরটবর নয়।তবুও একজন সাংবাদিক এভাবে ভাবছেন, অন্যদের ভাবতে বলছেন, সেটা দেখলেও ভাল লাগে।

    ঈশানী দত্তরায়ের পোস্ট।

    'মানুষ না শুধুই স্টোরি?

    সঞ্জয়#কুরুক্ষেত্র

    একটি সংবাদপত্রের অফিসের দুই তরুণ কর্মী কেঁদেই ফেলেছিল সেদিন। চোখ ভর্তি জল। গলা আটকে যাচ্ছে কথা বলতে গিয়ে।
    তাঁদের ‘কপি’ করতে বলা হয়েছিল একটি বিয়ের বিজ্ঞাপন নিয়ে। সেখানে পাত্রীপক্ষের চাহিদা ছিল বেশ অন্যরকম। সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সুবিধা হয়নি। অগত্যা সেই পরিচয় বাদ দিয়েই কথা বলতে হয়। তাতে পাত্রীপক্ষ ধরে নেন যে যিনি বা যাঁরা ফোনে কথা বলছেন, তাঁরা আগ্রহী পাত্রপক্ষ। সেই প্রত্যাশা বুঝতে পেরেই টলমল হয়ে পড়ে দুই তরুণ-তরুণী। একটি বিনিদ্র রাত কাটে তাঁদের সিনিয়রেরও। যিনি কপিটি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কারণ, এই যে কপি, তার কী প্রভাব পড়বে মেয়েটির ওপর? নাম-পরিচয় গোপন রাখা হলেও ! মনে পড়ে গিয়েছিল পার্ক রোডের সেই বাড়ি নামে বিমল করের সেই গল্পের কথা, সেই মেয়েটির কথা কেতাদুরস্ত মাসির বাড়িতে রেখে যাকে প্রস্তুত করা হচ্ছিল বিয়ের জন্য, এক পাত্রকে নিয়ে সে স্বপ্ন দেখতে শুরু করলেও মাসির পছন্দ হয়নি। অতএব ‘কুলকাঁটা বুকে নিয়ে রাত’ কাটবে তার, যতদিন না মাসির কাউকে পছন্দ হয়।

    তবে এই পাপমুক্তি কিছুটা হয়েছিল পরদিন। যখন পাত্রীপক্ষের এক সদস্য সাংবাদিককে হোয়াটসঅ্যাপ করে জানিয়ে দেন, ‘আপনাদের স্টোরিটাই বেশি ভাল হয়েছে’।

    স্টোরি! হ্যাঁ নিউজ স্টোরি। সকলের আগে, বাকি সকলের চেয়ে ভাল, গভীরে গিয়ে খবর করার যে তীব্র তাগিদ ভরে রাখে যে কোনও নিউজরুম, সেখানে স্টোরির মানুষগুলোর মূল্য আসলে কী? ভাল কোট, কান্না, দীর্ঘশ্বাস, প্রতারিতের অভিজ্ঞতা মাত্র? খবর করতে গিয়ে সাংবাদিক বা সংবাদকর্মীরা কি ভুলে যাচ্ছি যে যাঁদের নিয়ে আমরা কাজ করি, তাঁরা আদতে মানুষ। আমাদের মতোই? তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনে হামলে পড়ার অধিকার আমাদের কেউ দেয়নি।
    কেরলের কান্নুরের কিশোরীটি যেমন। মা দিনমজুর, দুই ভাইবোনের সঙ্গে রাফসিনা থাকতো মাল্লুর গ্রামে। হায়ার সেকেন্ডারিতে ১২০০ র মধ্যে পেয়েছিল ১১৮০। ফলে সাংবাদিকদের ভিড় আছড়ে পড়েছিল তার বাড়িতে। এবং পরদিন সব সংবাদপত্রের রিপোর্টে বড় হয়ে উঠেছিল তার দারিদ্রের সঙ্গে লড়াইয়ের কাহিনিটাই। গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছিল রাফসিনা। একটি চিরকুটে সে লিখে গিয়েছিল, এতদিন নিজের পরিবারের অবস্থাটা বন্ধুদের কাছ থেকে সে লুকিয়েই এসেছে। এখন সব সংবাদপত্রের রিপোর্ট তার দারিদ্রের কথা উন্মুক্ত করে দেওয়ায় সে কী করবে? অবসাদগ্রস্ত হয়ে আত্মহননের পথই বেছে নিয়েছিল বাচ্চা মেয়েটা। যে সাংবাদিকেরা লিখেছিলেন এই রিপোর্ট, তাঁরা ঘুণাক্ষরেও ভাবতে পারেননি তাঁদের লেখার ফল এমন হতে পারে। বরং রিপোর্ট পড়়ে যে অসংখ্য মানুষ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন, রাফসানার পড়াশোনার দায়িত্ব নিতে চেয়েছিলেন, তা তাঁদের তৃপ্তি দিয়েছিল স্বাভাবিকভাবেই। কিন্তু সাংবাদিকদের কাছে যা ‘নিউজস্টোরি’, তা যে আদতে একজন রক্তমাংসের মানুষের সুখ , দুঃখ, গর্ব, আত্মমর্যাদা, কষ্ট ও অভিমান , তা আমরা ভুলেই যাই ।
    দিল্লির যে প্যারামেডিক ছাত্রী বাসে গণধর্ষণের শিকার হয়ে অসহ্য যন্ত্রণায় মারা গিয়েছিলেন, তাঁর পরিচয় গণধর্ষিতাই। বরং তাঁর বাবা-মা তাঁর নাম প্রকাশ করলেও সাংবাদিকেরা তাঁর নাম দিয়ে দেন নির্ভয়া, কেউ বা দামিনী। যা দেখে মৃত জ্যোতি সিংহের ভাই প্রশ্ন করেছিলেন, তাঁর বোনের নাম বদলানোর, তাঁকে অন্য নামে ডাকার অধিকার, স্বাধীনতা সংবাদমাধ্যমকে কে দিয়েছে? সাংবাদিকেরা খুব শোনেননি তাঁর কথা, এখনও সেই নির্ভয়া নামই চলছে। তারই মধ্যে ব্যতিক্রম হিসাবে একটি সাময়িকপত্রের সাংবাদিক লিখেছিলেন জ্যোতি নামের মেয়েটার কথা যাঁর হরেক রকমের জুতোর সাধ ছিল, হেয়ারস্টাইল নিয়ে যিনি মাথা ঘামাতেন, প্রেমিকের সঙ্গে যিনি দেখতে গিয়েছিলেন লাইফ অফ পাই, সব মিলিয়ে একটা বাচ্চা মেয়ের কথা। তবে তা ব্যতিক্রমী লেখা। বাকিটা সেই এক বিশেষণে আটকে থাকার গল্প। কারণ, জ্যোতি তো স্রেফ স্টোরি। ভবিষ্যতের সব গণধর্ষণে, বাসে বা চলন্ত গাড়িতে গণধর্ষণে যিনি ‘রেফারেন্স’ হিসাবে ফিরবেন বারবার। তার বেশি তাঁকে মনে করা বা রাখার দায় আমাদের নেই।
    কিন্তু যিনি বেঁচে থাকেন? রবিনসন স্ট্রিটের বাসিন্দা পার্থ দের মতো? এবং তারপর মারা যান! তাঁর আত্মহননের পরও তো এই কথাটা জানাজানি হয়েছিল যে দিনের পর দিন সংবাদপত্রে কঙ্কাল কাণ্ড কঙ্কাল কাণ্ডের পার্থ দে, রবিনসন স্ট্রিটের উল্লেখ, মৃত পরিজনের সঙ্গে দিন কাটানোর যে কোনও ঘটনায় সেই রেফারেন্স টেনে আনা পার্থকে স্বাভাবিক হতে দেয়নি কখনও। নতুন বাসস্থানেও তাঁকে চিনে ফেলেছিল বাচ্চারা। অথচ নিউজরুমের অভিজ্ঞতা বলে, এধরনের কোনও ঘটনায় রবিনসন স্ট্রিটের উল্লেখ না-করাটাই নির্বুদ্ধিতার প্রমাণ হিসাবে গণ্য করা হতো।
    রবিনসন স্ট্রিটের ঘটনাই শুধু নয়, যে কোনও খুন, আত্মহনন খুব সহজে বেআব্রু করে দেয় মানুষের একান্ত ব্যক্তিগত জীবন, ডায়েরি, ভিডিও, ছবি। পরস্পরের সঙ্গে টক্কর দিতে গিয়ে আমরা ঝাঁপিয়ে পড়ি, ‘স্টোরি’র উপর, মানুষকে ছিঁড়েখুঁড়ে ব্যক্তিগত গোপনীয়তার সব আবরণ ঘুচিয়ে দিই। কারণ, আমাদের জিততে হবে। বাকি সকলের আগে, সকলের চেয়ে বেশি ব্যক্তিগত স্টোরি দিতে হবে।
    বেশ কয়েক বছর আগে কলকাতায় একটি গুলিচালনার ঘটনায় আহতের সঙ্গে কথা বলতে পাঠানো হয়েছিল এক টেলিভিশন চ্যানেলের নবাগতাকে। হাসপাতালের ওয়ার্ডে গুলিবিদ্ধকে তাঁর প্রথম প্রশ্ন, ‘‘আপনি কি এই প্রথম গুলি খেলেন?’’ উত্তরে আসে একটি গোঙানি। দ্বিতীয় প্রশ্ন, ‘‘গুলি খাওয়ার পর কেমন লাগল?’’ আহত যন্ত্রণা ভুলে চিৎকার করে ওঠেন। তখন নবাগতাকে কোনওক্রমে বার করে নিয়ে আসেন সঙ্গী ক্যামেরাম্যান। ওই চ্যানেলের এক সাংবাদিক কাহিনিটি শুনিয়ে বলেছিল, ‘‘এখন অবশ্য এমন প্রশ্নই স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে।’’ কী অনুভূতি হচ্ছে, সন্তানহারা, স্বামীহারাকে জিজ্ঞাসা করেই যেতে বাধে না।
    বছর কয়েক আগে অতিস্থূল বালক লোকমানের মৃত্যুর পর তার দেহের ছবি তোলার জন্য হুড়োহুড়ি ছিল নির্লজ্জ। কান্নার ছবি, রক্তের ছবি, কে কত ভাল আনতে পারেন তার একটা প্রতিযোগিতায় আমরা নেমে পড়ি সকলে। অথচ পশ্চিমের দেশগুলোতে যে কোনও জঙ্গিহানার ঘটনায় মৃতদেহের ছবি, রক্ত বর্জন হয়ে গিয়েছে অনেক আগেই। দেহের মুখ ঢেকে রাখার মতো আত্মনিয়ন্ত্রণ এসে গিয়েছে নিজেদের মধ্যেই। রক্ত, পোড়া দেহ ছাড়িয়ে কাঁপিয়ে দেওয়ার মতো ছবি খুঁজে বার করার পেশাদারিত্ব অর্জন করা গিয়েছে সেকারণেই।
    সে পেশাদারিত্বের অবশ্য অন্য আরেকটি দিকও রয়েছে। কোনও প্রাণহানির ঘটনা ‘কভার’ করতে গেলে টিভি-রেডিও সাংবাদিক কি জড়িয়ে পড়বেন? তাঁর ‘সাবজেক্ট’ যখন কাঁদছেন বা হাহাকার করছেন, তাঁর চোখেও কি জল আসতে পারে স্বাভাবিক নিয়মেই না চোয়াল শক্ত করে বলে যেতে হবে যা দেখছেন? টুইন টাওয়ারে হামলার ঘটনা সেই বাধা ভেঙে দিয়েছিল । যখন সিএনএন’এর এক সাংবাদিক ওই ধ্বংসের সামনে ভেঙে পড়েছিলেন। তারপর বিক্ষিপ্তভাবে হলেও এটা মোটামুটি মেনে নেওয়া হয়েছে যে যাঁদের নিয়ে ‘নিউজস্টোরি’ করছি, তাঁদের দুঃখে গলা কাঁপলে, চোখে জল এলে ইলিয়াড, ওডিসি অশুদ্ধ হবে না।
    টুইন টাওয়ার ধ্বংসের বর্ষপূর্তিতে গিয়ে এক রেডিও সাংবাদিকের মনে হয়েছিল, আরও কান্না চাই। শিশুর কান্না, মেয়ে জামাইকে হারানো পিতার হাহাকার।
    ফলে কাজটা সবসময় সহজ নয় একেবারেই। সাংবাদিককে খবর সংগ্রহ করতে হবে, যথাসম্ভব বেশি এবং গভীরে গিয়ে, সেই সঙ্গে মানুষের মর্যাদা রাখতে হবে অক্ষুণ্ণ। কারণ, সাংবাদিকতার শর্তে জুড়ে থাকে দায়িত্ববোধ, মনুষ্যত্ব। কোন নিউজকপি হবে, কোনটা করব না, কোন কপি করলে সমাজে উত্তেজনায় ওসকানি দেওয়া হয়, এ ভেবেও পথ চলতে হয়। সেটাই ধর্ম।
    কিন্তু ইদানীং যে ধর্ষণের কপি লিখতে গেলেও ভাবতে হয় কতটা লিখব, কী লিখব।

    মনের ভিতরে ছায়া ফেলে থাকে কিছু বিকৃত মানুষের চেহারা, যারা এই খবর পড়েই বিকৃত উত্তেজনা লাভ করতে পারে আর আড্ডায় হাসিঠাট্টায় সে চর্চার আভাস পেতে পারি আমরা যে কেউ! যে কোনও সময়!'
  • | 236712.158.8990012.177 | ২৯ আগস্ট ২০১৯ ২২:১০717865
  • !!
  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত