বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • তাতিন | 24.139.194.12 | ০৭ জুলাই ২০১৬ ১২:৩৯717808
  • পবিত্র ইদের দিনে ইসলামবিদ্বেষ (মতান্তরে ইসলামভীতি) নিয়ে একটু আলোচনা করা যাক।
    ভারতীয় বাঙালি উচ্চবর্ণ হিসেবে, ইসলামভীতি আমার মিম-গত বৈশিষ্ট্য। তার কারণ হিসেবে দুটো মনে হয়।
    ক) শূদ্রবিদ্বেষঃ ভারতের এইখন্ডে মুসলমান মূলতঃ ধর্মান্তরিত নমঃশূদ্র বা অন্যান্য প্রান্তিক গোষ্ঠী। দলিতবিদ্বেষের বহমানতাতে মুসলমান বিদ্বেষ এসে গেছে। শূদ্রবিদ্বেষ না থাকলে বর্ণহিন্দু পরিচিতিই বিপর্যস্ত হয়। তাই নমোর মতন নেড়েরাও প্রায় অস্পৃশ্য।
    খ) ইউরোপের ইসলামভীতিঃ আমি তো শুধু বর্ণহিন্দু নই। আমি ১৮০০+ সালের আলোকপ্রাপ্তি নিয়ে কলোনিসন্তানও। কলোনির প্রভুরা ইতিহাসের এক আদিপর্বে আদ্ধেকের বেশি মহাদেশ ইসলামের নিচে পদানত হতে দেখেছেন। তারপর খলিফার সভ্যতার ওপর প্রায় দুশো বছর ধরে দাঙ্গা চালিয়েছেন। তারপর যখন সভ্যতর পূর্ব-দিকে কলোনি বাড়ানোর কথা ভাবলেন, ভারত থেকে শুরু করে আফগানিস্তান, মধ্যপ্রাচ্য এমন কী আফ্রিকার একাংশেও তাদের মূল যুদ্ধ হয়েছে ইসলাম-অবলম্বী শাসকদের সঙ্গেই। শাসন, সংস্কৃতি, শিক্ষা সবকিছুতেই ইউরোপের কলোনিমালিকদের (বিশেষতঃ বৃটিশ) যুদ্ধ করতে হয়েছে বিভিন্ন স্থানীয় ঐস্লামিক ব্যবস্থার সঙ্গে। ফলে আজকের উত্তরকলোনির গায়ে মিশে আছে ইসলামভীতির চিহ্ন।

    এই দুইদিক ব্যাপ্ত করে রয়েছে আমার ইসলামবিদ্বেষ। আপনাদের?
  • তাতিন | 24.139.194.12 | ০৭ জুলাই ২০১৬ ১২:৪১717819
  • এর উপরে সাম্প্রতিক সন্ত্রাস সমূল তো রয়েছেই। সিগারেট বেশি খাই বলে ফুসফুসটা ভীষণ ভোগায়, কিন্তু অ্যাজমার সমস্যা আমার বাবা-দাদুর সূত্রেই।
  • শাক্যজিৎ | 11.39.61.3 | ০৭ জুলাই ২০১৬ ১২:৫৯717825
  • ইউরোপের আলোকপ্রাপ্তির বেসটার একটা গুরূত্বপূর্ণ অংশ হল ইস্লামোফোবিয়া
  • dc | 120.227.231.47 | ০৭ জুলাই ২০১৬ ১৩:০৫717826
  • আমার আবার খোপে না ভরে ফেলতে পারলে ভীষন ভয় হয়। যতক্ষন না বংশ পরিচয় জেনে টুক করে বাক্সে ভরে ফেলতে পারছি ততক্ষন আমার অ্যানালিসিস অসম্পূর্ণ থেকে যায়। আপনাদের?
  • PM | 233.223.159.253 | ০৭ জুলাই ২০১৬ ১৩:২০717827
  • "ইসলাম শান্তির ধর্ম, কোরানের ছত্রে ছত্রে বিধর্মীদের ভালোবাসার কথা কেখা আছে" --- এই বক্তব্যে একমত না হলে কি সেটা "ইস্লামোফোবিয়া" বলে গন্য হবে ?
  • তাতিন | 24.139.194.12 | ০৭ জুলাই ২০১৬ ১৩:২৫717828
  • না, মনে হয়
  • PM | 233.223.159.253 | ০৭ জুলাই ২০১৬ ১৩:৪৩717829
  • তাহলে আমি ঠিক ইস্লামোফোবিক নয়। বরং কালীপুজোর সময় মকের অত্যাচারে হিন্দুফোবিক হয়ে যাই ঃ)
  • ranjan roy | 192.68.31.37 | ০৭ জুলাই ২০১৬ ১৪:১৪717830
  • ঃ))
  • ranjan roy | 192.68.31.37 | ০৭ জুলাই ২০১৬ ১৪:৩১717831
  • আমি যে মুসলিম অধ্যাপকের কাছে ইসলামিক রাজনীতির প্রাইমার পড়া শুরু করেছি (COURSERA তে), তাতে উনি একটা অদ্ভূত কথা বলছেনঃ
    পিছিয়ে থাকা ইস্লামিক দুনিয়া কলোনিয়াল আগ্রাসনকে দেখল ওদের এযাবতকালের লালিত সংস্কৃতি ও জীবনযাপন পদ্ধতির উপর হামলা হিসেবে। ( ওঁর বক্তব্য এটা নতুন কিছু নয়, ভারত সহ অন্য এশিয়াটিক দেশ এবং আফ্রিকাতেও একই ব্যাপার তবে প্রতিক্রিয়া দেশকাল ভেদে ভিন্ন)।
    ওরা অবাক হয়ে দেখল জাপানকে যে টিঁকে থাকার জন্যে বাইরে খাওয়া দাওয়া পোশাক ইত্যাদিতে পশ্চিমী অনুকরণ করে ওদের সমকক্ষ হওয়ার চেষ্টা করে ওদের হারিয়ে দিল --মাত্র কয়েক দশকের চেষ্টায়। অথচ ঘরের মধ্যে নিজেদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধরে রাখল।
    ( ওঁর বক্তব্য এটা নতুন কিছু নয়, ভারত সহ অন্য এশিয়াটিক দেশ এবং আফ্রিকাতেও একই ব্যাপার তবে এই চিন্তা কখনই নীতিনির্ণয়ে বা সামাজিক জীবনে নির্ণায়ক হয়ে উঠতে পারেনি।)।
    এভাবে এখন মূলতঃ মধ্যপ্রাচ্যে চার ধরণের প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছেঃ
    ১) জাপানের মত পশ্চিমী সভ্যতার অনুকরণ করে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্ট, ইরাণের শাহ ইত্যাদি।
    ২) ঠিক বিপরীত মেরুতে গিয়ে সমস্ত পশ্চিমী ধ্যানধারণা মতাদর্শের বিরোধিতা করা-- মার্ক্স হোক কি মার্কেট; এবং পুরনো অনেক প্রাচীন প্রথাগুলোকে অনেক বেশি বেশি করে আঁকড়ে ধরা। আয়াতুল্লা খোমেইনী
    ৩) ও ৪) এই দুই মেরুর মাঝে দুটো মডারেট গ্রুপ।
    এক, পশ্চিমী টেকনোলজি নেওয়া কিন্তু ওদের পারিবারিক ও সামাজিক আদর্শকে বর্জন করা; দুই, পশ্চিমী শিক্ষা ও জীবনাদর্শকে অনুধাবন করে আজকের ব্যবহারিক জীবনে ইসলামকে সংস্কার করা।
  • PM | 233.223.159.118 | ০৭ জুলাই ২০১৬ ১৭:৪১717809
  • রন্জনদা, জাপানকে এটা ফেস করতে হয় নি প্রত্যেক পদক্ষেপে যে কাজটা করতে চলেছে সেটা সম্পর্কে কোরান কি বলেছে বা কি বলেনি।

    "পশ্চিমী টেকনোলজি নেওয়া কিন্তু ওদের পারিবারিক ও সামাজিক আদর্শকে বর্জন করা"
    আপনার শিক্ষককে জিগাবেন কোন সামাজিক আদর্শ, কোন সংস্কৃতি? ১৪০০ বছর আগের বেদুইন সংস্স্কৃতি, নাকি আফ্রিকান `, বাঙালী সংস্কৃতি। পয়লা বৈশাখের উৎসব পালন করলে কি মালাউন বলা হবে না হবে না?
    মধ্যপ্রাচ্যের কাছে পশ্চিমা সংস্কৃতি আগ্রাসন হলে, বাঙালীর কাছে মধ্যপ্রাচ্যের সংস্কৃতি আগ্রাসন মনে হবে না কেনো?

    "দুই, পশ্চিমী শিক্ষা ও জীবনাদর্শকে অনুধাবন করে আজকের ব্যবহারিক জীবনে ইসলামকে সংস্কার করা।" --- কি ভাবে? কোরানের বাইরে গিয়ে কিছু করার ক্ষমতা আছে কার। খুব বেশী হলে আয়তের রি-ইন্টারপ্রিটেসন করতে পারেন। তার বেশী কিছু না। তাতেও প্রান সংশয়। হাদিথ আল্লার লেখা নয়--- ১৪০০ বছর আগের জীবনযাত্রা মাত্র, তার বিরুদ্ধেও কেউ কিছু বলতে পরে না।
  • ranjan roy | 192.68.31.37 | ০৭ জুলাই ২০১৬ ১৯:২৯717810
  • পিএম,
    আমার শিক্ষক বিতর্ক/ প্রশ্ন খুব পছন্দ করেন। ছাত্রদের ডিসকাশন ফোরাম খুলে দিয়েছেন। আসলে আমি মহা ল্যাদখোর। নেটে প্রশ্ন জিগাইতে আলসেমি!
    আর মাত্র শুরু করেছি। কয়েক সপ্তাহের মামলা। তারপরে লিখলে হয়ত ভাল করতাম।
  • সৌভিক | 24.96.98.135 | ০৭ জুলাই ২০১৬ ২০:৪৯717811
  • ইসলামের একটা বড় ইতিহাসে অনেক পরত, অনেক মাত্রা। আমরা পলিটিক্যাল ইসলামের যে ধারণাকে গত এক দেড়শো বছর ধরে দেখছি সেটার সঙ্গে ধর্মের যোগ যেমন আছে, তেমন আছে রাষ্ট্রক্ষমতার। আমাদের উপমহাদেশে ইসলাম ও হিন্দুত্বের দ্বন্দ্ব দুটো আলাদা রাষ্ট্র তৈরি করেছে। কিন্তু সেই নির্মাণের মধ্যে দিয়েই দ্বন্দ্বের সমাপ্তি হয় নি। ভারতকে পাকিস্থানের বিপরীতে হিন্দু রাষ্ট্র বানানোর প্রোজেক্টটা বাকী থেকে গেছে। বিজেপি সেটাকে নিয়ে এগোতে চাইছে এবং অনেকটা সফল। অন্যদিকে আবার অখণ্ড ইসলামিক পাকিস্থান দ্বিখণ্ড হয়েছে। পাকিস্থান আফগানিস্থান থেকে সোভিয়েত প্রভাব দূর করার জন্য আমেরিকার লোকাল এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছে। সৌদি তেল সাম্রাজ্যে আমেরিকার প্রধানতম ক্রীড়নক। আল কায়দা যেমন পুঁজির মদত পেয়েছিল তেমনি বিজেপিও পায়। ধর্ম রাষ্ট্র পুঁজির নিবিড় যোগ হলেই তা এত শক্তিশালী হয়। ইসলামিক স্টেট এর হাতে সিরিয়া ইরাক এর অনেকটা। তাদের কাছে তেলের ভাণ্ডার। তেল বিক্রির টাকা। প্রশাসন চালাচ্ছে তারা, যা সমান্তরাল রাষ্ট্র। গোটা বিশ্বে, অন্তত মুসলিম প্রধান বিশ্বে সেই রাষ্ট্রকে তারা ছড়িয়ে দিতে চাইছে। তাদের ধর্মের সঙ্গে রাষ্ট্রক্ষমতার প্রশ্ন সরাসরি জড়িত।
    ধর্মকে রাষ্ট্রের আয়নায় দেখতে চাইছি তার শক্তিটাকে বোঝার জন্য। ইরাক আমেরিকার দ্বন্দ্বে কতটা ধর্ম আর কতটা তেল এর বাণিজ্য কেবল ডলারেই হবে কিনা এ নিয়ে সাদ্দাম বুশ এর চোখে চোখ রাখা ঠান্ডা লড়াই ?
    ভারতে ইসলামিক আন্দোলন তার বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটটা নিয়েই এগিয়েছে। উপনিবেশের আমলের শুরুর দিকটার কথা মনে করা যাক। তখনও রাষ্ট্রশক্তির সঙ্গে বোঝাপড়ার দিকটা ধর্ম আন্দোলনে মুখ্য।
    ঔপনিবেশিক ভারতে মুসলিম সাম্প্রদায়ের রাজনৈতিক ভাবনা চিন্তার বিশেষ একটি ধরণ সামনে আসে স্যর সৈয়দ আহমেদ ও সমমর্মীদের আলিগড় আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। হিন্দু এলিট ও তার সঙ্গে শাসকের বোঝাপড়ার বিপরীতে তা শাসক ইংরেজের সঙ্গে এক বোঝাপড়ায় নিয়ে আসতে চায় তখনো পর্যন্ত এই নিরিখে অনেকটাই বিমুখ মুসলিম সমাজকে। সৈয়দ আহমেদ ও তাঁর প্রায় সমকালীন আমীর আলির নেতৃত্বাধীন মুসলিম সমাজ সংস্কার আন্দোলনের কথায় আসার আগে অবশ্য আমাদের ফিরে তাকাতে হবে উনিশ শতকের দ্বিতীয় দশক নাগাদ বিশ্বজোড়া মুসলিম মানসের মধ্যে ওঠা এক ঢেউ এর দিকে, কেননা ভারতের মধ্যেও তা ভালোমাত্রাতেই আলোড়ন তুলেছিল এবং যথেষ্ট সামাজিক ভিত্তি খুঁজে নিয়েছিল। আমরা ওয়াহাবী আন্দোলনের কথাই বলছি।
    ওয়াহাবী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা আবদুল ওয়াহাব ছিলেন মিশরের বাসিন্দা। তার প্রচারিত একটি মতবাদ মুসলিম সমাজে বিশেষ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে, যার মূল কথা ছিল – নানা বহিরঙ্গের আচার অনুষ্ঠান ও পুরোহিততন্ত্রের প্রভাব ইসলামের প্রাণশক্তিকে খর্ব করছে, অতএব ইসলামের বিশুদ্ধি প্রয়োজন এবং এই বিশুদ্ধিকরণ অভিযান সার্থক করতে হলে সর্বত্র ইসলামিক বাদশাহী প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। প্যান ইসলামিক এই আন্দোলনের সঙ্গে ভারত ভূখণ্ডের মুসলিম সমাজের সম্পর্ক তৈরি করে দেন উত্তরপ্রদেশের রায়বেরিলির অধিবাসী সৈয়দ আহম্মদ ব্রেলভি। ১৮২২-২৩ খ্রীষ্টাব্দে তিনি মক্কায় যান ও সেখানে ওয়াহাবী মতবাদে প্রাণিত হন। দেশে ফিরে ব্রেলভি নিজেকে ইমাম বলে ঘোষণা করে ওয়াহাবী মতাদর্শ প্রচার করতে থাকেন। বলেন - যারা মুসলমান নয় – অর্থাৎ হিন্দু শিখ খ্রীষ্টান প্রভৃতি – তারা সকলেই দার – উল-হাবাব বা ঈশ্বরের শত্রু। তাদের বিরুদ্ধে জেহাদ প্রত্যেক মুসলমানের অবশ্য কর্তব্য। পেশোয়ারের সন্নিহিত উপজাতি এলাকা থেকে সৈন্য সংগ্রহ করে সৈয়দ আহম্মদ ব্রেলভি ১৮২৬ খ্রীষ্টাব্দে শিখদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন। ইংরেজরা এই সংবাদ পেয়েও এতে কোনও হস্তক্ষেপ করে নি। বহু নরসংহারের মাধ্যমে ওয়াহাবীরা পেশোয়ার অধিকার করে এবং কোয়ায়েৎ উপত্যকার সিত্তানাতে একটি ক্ষুদ্র ওয়াহাবী রাজ্য স্থাপনে সমর্থ হয়। এক বছরের মধ্যেই অবশ্য ব্রেলভি যুদ্ধে নিহত হন ও সিত্তানা রাজের পতন হয়। ওয়াহাবীদের বিদ্রোহমূলক অভিযান অবশ্য চলতে থাকে এবং ১৮৬৩ সালে ওয়াহাবীরা সিত্তানা পুনর্দখলে সমর্থ হয়। বাংলার তিতুমীরের বিদ্রোহ বা ফরাজী আন্দোলন এর মধ্যে কৃষক আন্দোলনের মর্মবস্তুর সঙ্গেই ওয়াহাবী আন্দোলনের প্রেরণা বহুলাংশে মিশে ছিল। বস্তুতপক্ষে ফরজ বা মুসলমানদের পালনীয় কর্তব্যের সূত্রেই ফরাজী আন্দোলনের এরকম নাম হয়। এই আন্দোলনের মূল প্রবক্তা শরিয়ৎউল্লা মক্কায় হজ করতে গিয়ে ওয়াহাবী মতাদর্শে দীক্ষিত হন। তার পুত্র দুদুমিঞা এই আন্দোলনকে অনেক বিস্তৃত করেন। তিতুমীরও মক্কায় হজ করতে গিয়েই ওয়াহাবী মতবাদে দীক্ষিত হয়েছিলেন এবং দেশে ফিরে ওয়াহাবী মতবাদ প্রচারের জন্য একটি দল গঠন করেন।
    ওয়াহাবী আন্দোলন রাষ্ট্রমুক্ত ধর্মীয় আচারের কথা ভাবে নি। ভাবার কথাও নয়। ধর্মকে রাষ্ট্রের ক্ষমতার নিরিখের বাইরে দেখার কোনও জায়গা নেই।
  • aranya | 154.160.226.94 | ০৭ জুলাই ২০১৬ ২১:০৭717812
  • ডিসি-র পোস্ট-টা ভাল লাগল, খোপে ভরে ফেলার ব্যাপারটা
  • aranya | 154.160.226.94 | ০৭ জুলাই ২০১৬ ২১:১২717813
  • ছোটবেলায়, আমার মফস্বল শহরে শূদ্র বিদ্বেষ, দলিত বিদ্বেষ, মুসলমান বিদ্বেষ এসব কিছুই দেখিনি। কলেজে পড়ার সময়ও দেখি নি

    তাতিন-এর থিয়োরি সর্বত্র এবং সবার জন্য প্রযোজ্য নয়, বলাই বাহুল্য
  • sm | 53.251.91.253 | ০৭ জুলাই ২০১৬ ২২:১০717814
  • অরণ্য সঠিক কথা বলেছেন।এতো বিদ্বেষ সত্যি চোখে পড়ে নি।লোকে মোটা মুটি সহাবস্থান নিয়ে চলতো।এখন ও চলে বোধ হয়।
  • শাক্যজিৎ | 11.39.20.96 | ০৭ জুলাই ২০১৬ ২২:১২717815
  • আমার নিজের ধারণায়, সৌদী একটা পালটা কলোনিয়ালিজমের প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে। আর সেইটা করতে গিয়ে বাংলাদেশ তার অন্যতম টার্গেট। অর্থনৈতিক কারণেই
  • Robu | 11.39.57.149 | ০৭ জুলাই ২০১৬ ২৩:২৪717816
  • অরণ্যদা কলেজে যখন, তখন সেই একই মফস্বলে, আমি দিব্যি দেখেছি।
    কিছু বিভিন্ন কারণে, এই "ছোটলোকেদের" হাতে এখন কিছু পয়সা এসেছে, আত্মসম্মানবোধ-ও বেড়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই বাগানের কাজ বা ফরমাশ খেটে দেওয়ার পর, দাওয়ায় বসে মুড়ি জল খেয়ে চলে যাবার বদলে টাকাও চাইছেন কাজের জন্য। প্রতিক্রিয়ায়ে বর্ণহিন্দু পরিবারে বিদ্বেষ বেড়েছে।
  • Ranjan Roy | 192.68.31.37 | ০৮ জুলাই ২০১৬ ১২:৫৭717817
  • যদি কেউ পড়তে আগ্রহী হনঃ

    Afsah, Ebrahim, "Contested Universalities of International Law: Islam's Struggle with Modernity" (May 1, 2008). Journal of the History of International Law, Vol. 10 (2008) pp. 259-307 (you can create a free SSRN profile that will give you access to this article and many more of the course readings)

    Additional readings

    Clark B. Lombardi, "Designing Islamic Constitutions: Past Trends and Options for a Democratic Future", International Journal of Constitutional Law, 2013; University of Washington School of Law Research Paper

    Andrew F. March, "Genealogies of Sovereignty in Islamic Political Theology", Yale Law School, Public Law Working Paper No. 268, 2012.

    As an Obiter Dictum, we can also recommend this excerpt from "The Beginner's guide to Mathematica V4", illustrating the thoughts behind the teaching style applied in this course:

    Theodore W. Gray and Jerry Glynn introducing their thoughts on education and software
  • শিবাংশু | ০৮ জুলাই ২০১৬ ১৪:৫৬717818
  • ইয়ে, মানে 'ব্রেলভি' নয়, 'বরেলভি', বরেলির লোক তো। রাইবরেলি নয়। জাতে রোহিলা পাশতুন, কন্দাহার থেকে আসা।
    ------------------------------------
    'শূদ্র' আর নমোশূদ্রদের ইতিহাস আলাদা। নিম্নবর্গের মুসলমানিকরণও অতো সরলরৈখিক নয়। ব্রাহ্মণ বনাম নিম্নবর্গ--বৌদ্ধ--মুসলিম--সন্ত্রাসী, মডেলটা সাহেবি সমীকরণ। একইভাবে দেখা যায় এদেশে ( আন্তর্জাতিক সমীকরণগুলি এড়িয়ে যাই এই মূহুর্তে) গত এক হাজার বছরের ইতিহাসে একটি একরৈখিক বিশ্লেষণের বোলবালা। অর্থাৎ, তুর্কি হানাদার-- মোঙ্গল হানাদার--পঠান হানাদার--মুঘল রাজত্ব--ওয়াহাবি--বরেলভি--তিতু মীর--সৈয়দ আহমেদ--আমির আলি--জিন্না--দেওবন্দি--সিমি--তার আর পর নেই। উম্মাভিত্তিক এই ছাঁচটা প্রকৃতপক্ষে সংখ্যালঘু মুসলিমদের জন্যই প্রযোজ্য ছিলো। সংখ্যাগুরুদের কয়েকটি অন্যরকম বিবর্তনের মডেলও আছে। যেহেতু সেগুলি নেহাৎ 'ভারতীয়', আরবী ছাপ নেই তাতে, তাই অক্সব্রিজ পড়ুয়া দেশি রাজনীতিকদের কাছে পাত্তা পায়নি। তাঁরা 'ক্ল্যাশ অফ সিভিলাইজেশনে' বিশ্বাসী ছিলেন। ক্রুসেড আর বখতিয়র খলজি'র রান্না করা একটা বিকট মগজধোলাইয়ের অংশীদার তাঁরা। এই বিপুল দেশের উনিশভাগ জনতাকে শুধুমাত্র একটি ভোটব্যাংকের পরিচিতি দেবার নেশায় তাঁদের প্রতি সর্ব অর্থে যথেচ্ছাচার করা হয়েছে। দেশি মুসলিমদের মধ্যে বিবেকী কণ্ঠস্বরগুলিকে রাজনৈতিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। কাজের সুবিধের জন্য ( পড়ুন ডাকাতির টাকা ভাগ বাঁটোয়ারা) তাঁরা এক আধটা জামা ইমাম, সৈয়দ শাহাবুদ্দিন, পার্সোনল ল বোর্ড জাতীয় ধাপ্পাবাজদের প্রশ্রয় দিয়ে একটা জাত'কে ভেড়ার গোয়ালে পরিণত করেছেন গত অর্ধ শতক ধরে। নয়তো সৌদি বা পাকিস্তানের সাধ্য কী ছিলো এদেশে এভাবে শয়তানি করে পার পেয়ে যাওয়ার?

    সেই সব মহাত্মারা তো ব্রঞ্জের মূর্তি হয়ে পথের মোড়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে আছেন। কাকপক্ষীরা তাঁদের উপর প্রাতঃকৃত্য করে সামান্য শোধ নিচ্ছে বটে, কিন্তু মূল্যটা চোকাতে হচ্ছে আমাদের। সহিষ্ণুতা, উদারবাদিতার সূচক এখন 'গরুর মাংস, শুওরের মাংস'। এক অন্তহীন অন্ধগুহায় ক্রমাগত ঠেলে দেওয়া হচ্ছে সবাইকে, আউসভিৎসের ইহুদিদের মতো। এদেশে এখন সবাই ইহুদি। আর্যরা শুধু রেশিমবাগ আর ঝণ্ডেওয়ালাতে থাকে।
  • PM | 59.14.112.52 | ০৮ জুলাই ২০১৬ ১৬:৪৮717820
  • শিবাংশু বাবুর বক্তব্যের সাথে খুবই একমত।

    "এক অন্তহীন অন্ধগুহায় ক্রমাগত ঠেলে দেওয়া হচ্ছে সবাইকে, আউসভিৎসের ইহুদিদের মতো। এদেশে এখন সবাই ইহুদি।" এই কথাটা বলতে আমার অন্তত ২৫ লইন লাগতো, তও এতো প্রান্জল হতো না । এই লাইনটার জন্যে আরো একবার অভিনন্দন
  • aranya | 154.160.226.92 | ০৮ জুলাই ২০১৬ ২২:৩২717821
  • বিদ্বেষ খুব স্ট্রং ওয়ার্ড, অনেক ঘৃণা রয়েছে ঐ শব্দটিতে।
    ইসলাম-এর কিছু জিনিস আমার অপছন্দ - শরিয়া আইন, মেয়েদের সম্বন্ধে রিগ্রেসিভ নিয়মাবলী, বিধর্মী কাফের-দের মেরে ফেলার নিদান ইঃ
    আবার কমিউনিটি ফিলিং, জাতিগত ভেদাভেদ না থাকা, জাকাত - নিজের উপার্জনের একটি অংশ দান করা ইঃ পছন্দ
    অনেকেই হয়ত এরকম ভাবেন। অপছন্দ মানে বিদ্বেষ নয়
  • cm | 127.247.96.214 | ০৮ জুলাই ২০১৬ ২২:৫৯717822
  • "I like Islam, it is a consistent idea of religion and open-minded"
    (Kurt Godel as quoted by Hoo Wang in "A Logical Journey: From Godel to Philosophy", Hao Wang. The MIT Press. 1996.
    Massachusetts Institute of Technology, Cambridge Massachusetts)
  • তাতিন | 132.252.251.242 | ০৯ জুলাই ২০১৬ ১৩:১০717824
  • এই লাইনটা আমার পছন্দ হল। সিপাহি বিদ্রোহের রেফারেন্সও এসে গ্যালোঃ
    "সহিষ্ণুতা, উদারবাদিতার সূচক এখন 'গরুর মাংস, শুওরের মাংস'"
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু মতামত দিন