• টইপত্তর  অন্যান্য

  • গুলশানে সন্ত্রাসী হামলা-অত:পর টেরর যখন অন্তঃপুরে

    bip
    অন্যান্য | ০২ জুলাই ২০১৬ | ৩৫৩৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • PM | 233.223.155.159 | ১০ জুলাই ২০১৬ ১০:৪৪707722
  • "আশা করি "ফ্রী মার্কেট পৃথিবীর কোনো দেশেই নেই" এখান থেকে বেরোতে পারলাম। না নেই, কিন্তু ফ্রি মার্কেটের দিকে অ্যাপ্রোচ করার ট্রেন্ড আছে।"---- এই স্টেটমেন্টের মধ্যেই আছে ফ্যালাসিটা ঃ)

    ফ্রী মর্কেট আমি ততোটাই অ্যাপ্রোচ করবো যতোটা আমার জন্য আমার MNC র জন্য ভালো। তোমারও ছিটে ফোটা লাভ হবে রেসিওটা 99.2 : 0.8 এরকম বা এর কাছাকাছি হলেই হবে ঃ) ঃ)

    আমার মার্কেট কতোটা ফ্রী করবো সেটা আমি ঠিক করবো, তোমার মার্কেট কতোটা ফ্রী করা উচিত , কিসে তোমার ভালো সেটাও আমি বলে দেবো --এই হলো গ্লোবাল ফ্রী মারকেট এর মোদ্দা কথা।
  • dc | 132.174.161.229 | ১০ জুলাই ২০১৬ ১০:৫৬707723
  • PM, কিন্তু ফ্লিপকার্ট হয়ে আমার আর আমার পাশের ফ্ল্যটের লোকটার ভালো হয়েছে। তাই আমাদের দুজনের জন্য জন্য ফ্রি মার্কেট ভালো ঃ)

    (সরকার পরিচালিত কোন সংস্থা ই কমার্সে আসে নি, এলেও ফ্লিপকার্ট বা অ্যামাজনের মতো ইনোভেটিভ হতে পারতো না, মার্কেট ডিসরাপ্ট করতে পারত না ইত্যাদি)
  • PT | 213.110.242.6 | ১০ জুলাই ২০১৬ ১১:০৮707724
  • কত শতাংশ ভারতবাসী ফ্লিপ করে মাল কেনে আর তার ভিত্তিতে দেশে ফ্রী মার্কেট চালু আছে কিনা বোঝা যায় কি?
  • সে | 198.155.168.109 | ১০ জুলাই ২০১৬ ১১:১৩707725
  • খুব নগন্য শতাংশই ওভাবে মাল কেনে। কিন্তু সেই পরিসংখ্যান দিয়ে কিসুই হবে না। কারণ শতাংশের হিসেবে কম হলেও সংখ্যা হিসেবে ছোট নয়, এবং ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতা ভাল।
  • dc | 132.174.161.229 | ১০ জুলাই ২০১৬ ১১:১৮707726
  • PT, বোধায় 0.0001% ভারতবাসী ফ্লিপ করে মাল কেনে (বাড়িয়ে বললাম বোধায়)।

    আজকেও আমার অ্যামাজন থেকে একটা জিনিস আসার কথা। যে ভদ্রলোক আনবেন তিনি রেগুলার আমাদের পাড়ায় ডেলিভারি করেন। অব্শ্য ভদ্রলোক বললে বেশী ভারিক্কি শোনাচ্ছে, আসলে ছোকরামতো। ওর সাথে বেশ আলাপ হয়ে গেছে, দিব্যি আছে কিন্তু।
  • cm | 127.247.96.46 | ১০ জুলাই ২০১৬ ১১:২০707727
  • অ্যাঁ শেষে ফ্লিপকার্ট হল ফ্রীমার্কেটের বিজয় ডঙ্কা! কিন্তু ডিসিবাবু কল্লোলদার সমস্যার উত্তর কই? আমার শ্রম বেচার স্বাধীনতা নেই কেন?
  • ranjan roy | 132.180.212.202 | ১০ জুলাই ২০১৬ ১১:২১707729
  • দুটো কথাঃ এক, ফ্রি মার্কেট আর রেগুলেটেড মার্কেট বা রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ বা হস্তক্ষেপ কোথায়, কতটা?
    এখন ডিসির মত যাঁরা আন্তরিক ভাবে ফ্রি মার্কেটের পক্ষে, তাঁরা আসলে পুঁজির অবাধ মোবিলিটির পক্ষে-- in the best sense, with no hidden insinuation।
    কেন?
    এঁদের ব্ক্তব্যের মতে নিহিত ( আমার ব্যক্তিগত মতে) পুঁজি এবং অঁত্রেপ্রেনারশিপ (ভুল হলে শুধরে দেবেন, বেশ কষ্ট করে বানান লিখলাম) হল আসল উত্পাদক শক্তি এবং উন্নয়নের ধারক/বাহক।
    কাজেই , এই দৃষ্টিকোণ থেকে পুঁজির অবাধ গতায়াতে রাষ্ট্রের বিভিন্ন অজুহাতে হস্তক্ষেপ অবাঞ্ছনীয়। হতে পারে অজুহাতগুলো আপাত হিউম্যান রাইট্স ইসু, বা পরিবেশ ইসু বা কখনও স্বদেশী ইস্যুর সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু এঁদের মতে এগুলোর কল্যাণাকারী দিকগুলো স্বল্পমেয়াদী ; একমাত্র পুঁজির অবাধ মোবিলিটিই মানুষের দীর্ঘকালীন কল্যাণ সুনিশ্চিত করতে পারে। কীভাবে? রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও টেকনোলজির ইন্নোভেশনের বৃদ্ধি ঘটিয়ে।
    ডিসির জীবনদায়ী ওষুধ নিয়ে এই আর্গুমেন্ট ( যদি ঠিকমত ডিসিকে বুঝে থাকি) সেই ক্লাসিক অ্যাডাম স্মিথ। (বেকারীর থেকে আমরা অল্পদামে ভালো রুটি পাই ওর বদান্যতার জন্যে নয়; বরং খোলা বাজারের প্রতিযোগিতার ফলে)।
    কিন্তু প্রতিযোগিতায় যুদ্ধ ও প্রেমের মত কিছুই অন্যায় নয়। তাই বড় মাছ ছোট মাছকে গিলে ফেলে। তাই ফাটকায় কিছু দোকানে তালা লাগানো , লোকের সর্বস্বান্ত হওয়া স্বাভাবিক।গুদামে খাদ্যশস্য পচে যায়, লোকে অভুক্ত থাকে। কারণ বাজার তো খালি উৎপাদন ও বিতরণ নয়, ক্রেতা ছাড়া বাজার কই? আর ক্রেতা কে? যার পকেটে পয়সাআছে।
    বিশাল গরীব জনগোষ্ঠী তাই বাজারের আওতার বাইরে। তাই জনতা শাড়ির উৎপাদন কম, শৌখিন শাড়ির উৎপাদন বেশি।
    তাহলে?
    রাষ্ট্র নামক রেফারিটি এতক্ষণ বাঁশি বাজাচ্ছিল না; খালি বল থেকে নিরাপদ দূরত্বে দৌড়ে বেড়াছিল। এবার ও হুইসিল বাজায় ও হলুদ/লাল কার্ড বের করে। কেউ কেউ প্রতিবাদ করে। আস্তে আস্তে আবার খেলা শুরু হয়।

    তাহলে লেবার মার্কেট কেন ফ্রি নয়?
    ডিসিরা হয়ত বলবেন--সেই কথাই তো বলছি। লেবার মবিলিটি ফ্রি করলে মজুরির দর নেবে আসবে, তাই তো লেবার ল রিফর্ম চাই। তা না , রাশ্ট্র একগাদা প্রটেকশন দিয়ে রেখেছে। তাই কাজ না করেও মাইনে নেওয়া যায়।
    তা হইলে কি খাড়াইল?
    কোথাও পিওর ফ্রি মার্কেট নেই; আছে মিশ্র অর্থনীতি। আর বাজার ধ্বসে গেলে রক্ষাকর্তা সেই রাষ্ট্র।
    ( আগে ডিসি বলুন যে ওনার ভিউ কে ঠিকমত রিপ্রেজেন্ট করেছি কি না--তবে বাকিটা বা উত্ত্রপক্ষ লিখব।ঃ)))
  • dc | 132.174.161.229 | ১০ জুলাই ২০১৬ ১১:২১707728
  • তবে PT, ফ্লিপকার্টের মার্কেট শেয়ার বোধায় অ্যামাজনের থেকে কমছে। বছর তিন চারেকের মধ্যে হয়তো উঠেই যাবে (আমার অনুমান)। ওদের জায়গায় অন্য কে আসবে দেখি। এটা ঠিক বলেছেন, কত শতাংশ ভারতবাসী ফ্লিপ করে মাল কেনে তার ভিত্তিতে দেশে ফ্রী মার্কেট চালু আছে কিনা বোঝা যায়না।
  • dc | 132.174.161.229 | ১০ জুলাই ২০১৬ ১১:২২707730
  • cm, এই প্রশ্নটা PT কে করুন তো! আমিও করতে চাইছিলাম। শেষে ফ্লিপকার্ট হল ফ্রীমার্কেটের বিজয় ডঙ্কা! যে হয়তো নিজেই উঠে যাবে! যাব্বাবা!
  • | ১০ জুলাই ২০১৬ ১১:২৩707732
  • কিন্তু .... কিন্তু সন্ত্রাস শেষে৩ ফ্রী মার্কেটে এসে পড়ল কী করে? আপনারা কি সন্ত্রাস-অ্যাজ-আ-সার্ভিস SAAS এই লাইনে ভাবছেন?
  • PT | 213.110.242.6 | ১০ জুলাই ২০১৬ ১১:২৪707733
  • মার্কেট সত্যি সত্যি ফ্রী হলে আম্মো তার পক্ষে। অর্থাৎ কিনা আমি আমার শ্রম বেচে ইওরোপে পড়াতে যাব যোগ্যতা অনুযায়ী। কিন্তু এমন দিন কি হবে তারা?
  • dc | 132.174.161.229 | ১০ জুলাই ২০১৬ ১১:৩০707734
  • রন্ঞ্জনদা, আমি পুঁজি আর লেবার দুটোরই যতোটা সম্ভব মবিলিটির পক্ষে। অবশ্যই লেবারের ফ্রি মুভমেন্ট দরকার, নানারকম ইমিগ্রেশান রেস্ট্রিকশান যতোটা সম্ভব কমানো দরকার। এই যে ইমিগ্রেশান রেস্ট্রিকশান ইস্যুতে ব্রেক্সিট হলো (একগাদা মিথ্যের বিনিময়ে, সে অন্য কথা), এটা আমার মতে খারাপ হলো কারন লেবার মবিলিটি কিছুটা কমল। এমনিতে গত কুড়ি তিরিশ বছর ধরে ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড আর লেবার মবিলিটি অল্প অল্প করে কমছে (বা কমছিল), এটা একটা ভালো ট্রেন্ড বলে মনে হয়।

    এছাড়া বাকিটা আপনার সাথে বেশ কিছুটা একমত। তবে আমার মতে রাষ্ট্রের আরেকটা ভূমিকা আছে - ওয়েলফেয়ার স্টেট হওয়া। সোচ্যাল সিকিউরিটি বাড়ানো, একটা নেট তৈরি করা। আর শিক্ষা, স্বাস্থ্যে অবশ্যই সরকারকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে হবে। সবার জন্য বিনামূল্যে বা নামমাত্র ফিতে বেসিক শিক্ষা আর স্বাস্থ্যের ব্যাবস্থা করতে হবে। ওষুধের প্রাইস কন্ট্রোল করতে হবে। নানান দেশে, যেগুলোতে ফ্রি মার্কেটও আছে, এই সব কটারই কিছু কিছু আছে।
  • dc | 132.174.161.229 | ১০ জুলাই ২০১৬ ১১:৩২707735
  • দ :d ব্যাস এবারে একক একটা পোস্ট করবেন :d গুরুতে মাত্র দুটো উকিল নিয়ে আর কতো টানা যায়?
  • dc | 132.174.161.229 | ১০ জুলাই ২০১৬ ১১:৩৫707736
  • " আর বাজার ধ্বসে গেলে রক্ষাকর্তা সেই রাষ্ট্র" - এতেও একমত না, আমার মতে সরকারের কখনো কোন কোম্পানিকে ডুবে যাবার থেকে বাঁচানো উচিত না। তবে "টু বিগ টু ফেইল" পলিসি যে ভুল ছিল সেটা কিন্তু এখন অনেকেই মানে।
  • dc | 132.174.161.229 | ১০ জুলাই ২০১৬ ১১:৩৭707737
  • ভুল লিখেছি।

    * ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড আর লেবার মবিলিটি অল্প অল্প করে বাড়ছে (বা বাড়ছিল), এটা একটা ভালো ট্রেন্ড বলে মনে হয়।
  • সে | 198.155.168.109 | ১০ জুলাই ২০১৬ ১১:৫৪707738
  • সেই লেবার মোবিলিটির মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ থেকে কাজের মেয়েরা (ডোমেস্টিক হেল্প) যে অন্য প্রদেশে কাজ করতে যাচ্ছেন, সেটাও ইনক্লুডেড তো?
  • সে | 198.155.168.109 | ১০ জুলাই ২০১৬ ১২:০০707739
  • ইন্টারন্যাশানাল ট্রেডের মধ্যে মেয়ে বিক্রি (কেনাবেচা) এসবও ধরতে হবে কিন্তু।
  • সে | 198.155.168.109 | ১০ জুলাই ২০১৬ ১২:০৯707741
  • বহুগামিতার একটা দিক।
  • ranjan roy | 192.69.60.201 | ১০ জুলাই ২০১৬ ১৫:২৪707744
  • টইটা যখন ঘেঁটেই গেছে ( অধিকাংশ টইকে বিপথগামী করার অ্যানার্কিস্ট ভূমিকায় আমি অগ্রণীঃ))০।
    ডিসি, এখানে আমি বা আপনি কী চাই বা কাম্য মনে করি সেটা গৌণ। মূল কথা বাস্তবে কী চলছে। কেইন্স ভালো করেই দেখিয়েছেন যে কোন "অদৃশ্য হাত" (মারাদোনার বিতর্কিত গোলের মত) বাজার নিয়ন্ত্রিত করে না। পুঁজির অবাধ গতিশীলতা কোন গ্যারান্টি দেয় না যে অধিকাংশ লোকের পেটে ভাত গায়ে কাপড় ও মাথার উপর ছাদ সবসময় থাকবে।
    সাব-প্রাইম ক্রাইসিসের সম্বন্ধে আমার ভারতের একজন অগ্রগণ্য অ্যাকাদেমিশিয়ান অর্থনীতিবিদের একটি ৪০ পাতার পেপার পড়ার সুযোগ হয়েছিল। অধ্যাপক মিহির রক্ষিত। স্যারের মতে বেইল আউট ভুল নয়, বরং একটু মার্কেট উঠতেই নিও-ক্ল্যাসিক্যাল ইকনমির পূজারীরা কেইনসীয় প্রেস্ক্রিপশন থেকে সরে এসে রিকভারির রেট স্লো করে দিয়েছেন। যেমন ডাক্তার পাঁচদিনের অ্যান্টি-বায়োটিক দিলেও জ্বর সারলেই আমরা ওষুধ খাওয়া বন্ধ করে দিই।
    আবার দেখুন, আপনি যে রাষ্ট্রের কল্যাণকারী ভূমিকার কথা বলছেন , অর্থাৎ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ওষুধ ইত্যাদির ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা নেওয়া --তারই করোলারি হল কিছু কিছু ক্ষেত্র্রে রাষ্ট্রের ফ্রি মার্কেটকে নিয়ন্ত্রণ করা। সোশ্যাল সিকিউরিটি ও বিনে পয়সায় শিক্ষা হবে কেং করে যদি বিশেষ বিশেষ জায়গা থেকে ট্যাক্স আদায় কড়া হাতে না হয়?
    কী খাড়াইল? আপনি এলেন ডান দিক থেকে, আমি বাঁ দিক থেকে। কিন্তু আজকে একুশে দাঁড়িয়ে দুজনেই মেনে নিচ্ছি যে আপাততঃ ওয়েলফেয়ার স্টেট দুজনের কাছেই কাম্য-- না গুদামে চাল পচতে দেওয়া , না আমি কাকে বিয়ে করব, কী খাব সেটা রাষ্ট্রকে ঠিক করতে দেওয়া।
    অর্থাৎ, বাজারও থাকবে, রাষ্ট্রও থাকবে। আম্পায়ার মাঝে মাঝে ভুল আউট দেবে বা রেফারি ভুল পেনাল্টি দেবে। কিন্তু এদের বাদ দিয়ে খেলা চলতে পারে না।
    আর বাজার? আজকে অন্ততঃ সেটাও দরকারি। খোদ স্তালিন তাঁর শেষ লেখায় যদ্দূর মনে পড়ছে Some Economic Problems of USSR বা মাও -- মুদ্রা বা বাজারকে বাতিল করার কথা ভেবেও করতে পারেন নি। আজ অমর্ত্য সেনও বাজারের ভূমিকা স্বীকার করেন। আপত্তি শুধু বাজারকে নিয়ন্তা বা ভগবান বানানোয়।
    বাজার কবে উঠবে? মানুষে মানুষে কমোডিটি হওয়ার সম্পর্ক কবে শেষ হবে?
    আমার জন্মে তো নয়ই, আগামী প্রজন্মেও না। কারণ এর পূর্বশর্ত সামাজিক উৎপাদন ব্যবস্থায় বিশাল সারপ্লাস সৃষ্টি ও ধীরে ধীরে রাষ্ট্রের বেশ কিছু ভূমিকা ভালান্টিয়ারি সংগঠিত নাগরিক কমিটির হাতে তুলে দেওয়া।
    বাজার ও রাষ্ট্র একে অপরের অল্টার ইগো। একজন থাকলে অপরে থাকবে। গেলে একসঙ্গে যাবে।
    কেং করে? চা খেয়ে লিখছি। আজ শালা লেখায় পেয়েছে।
  • dc | 132.174.161.229 | ১০ জুলাই ২০১৬ ১৬:১২707745
  • রঞ্জনদার পোস্টগুলো পড়তে এতো ভালো লাগে! ঃ) কিন্তু তার আগে Innovation কে ধন্যবাদ অ্যামাজন আর ফ্লিপকার্টের লস কপি করে দেবার জন্য। এরা উঠে যাবার আগেই তাড়াতাড়ি আরো কিছু জিনিস কিনে নি বাবা! তবে এদের পরে অন্য যেসব ইকমার্স প্লেয়াররা আসবে তাদের থেকেও কিনবো অবশ্য।

    রঞ্জনদা, বাজারও থাকবে, রাষ্ট্রও থাকবে - সে তো বটেই। আগামি একশো বছরে রাষ্ট্রও উঠবে না, সরকারও উঠবে না, বাজারও উঠবে না। তার কারন এগুলো বেসিক হিউম্যান নেচারের থেকে এসেছে। তবে হ্যাঁ থ্রিডি প্রিন্টার ইভলভ হতে হতে যেদিন মলিকিউলার রিজেনারেটারে পরিণত হবে সেদিন বাজার উঠে যাবে। সে বোধায় একশো বছর বাকি আছে।

    "আবার দেখুন, আপনি যে রাষ্ট্রের কল্যাণকারী ভূমিকার কথা বলছেন , অর্থাৎ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ওষুধ ইত্যাদির ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা নেওয়া --তারই করোলারি হল কিছু কিছু ক্ষেত্র্রে রাষ্ট্রের ফ্রি মার্কেটকে নিয়ন্ত্রণ করা। সোশ্যাল সিকিউরিটি ও বিনে পয়সায় শিক্ষা হবে কেং করে যদি বিশেষ বিশেষ জায়গা থেকে ট্যাক্স আদায় কড়া হাতে না হয়?"

    ট্যাক্স আদায় করা হোক না, তাতে আপত্তি নেই তো! সরকার রিসোর্স স্পেন্ড করুক সোশ্যাল সিকিউরিটি বা ওয়েলফেয়ার বাড়ানোয়, নিজে ব্যাবসা করার থেকে সরে আসুক, বাজারকে রেগুলেট করুক আর বাজারে যে কেউ কেনাবেচা করুক (সাবজেক্ট টু রেগুলেশানস, আর আরো কিছু এন্ট্রি-এক্সিট ব্যারিয়ার)। মোটামুটি এই ধরনের মিক্সড ইকনমির কাছাকাছি কিন্তু কিছু দেশ যেতে পেরেওছে, একটা উদাহরন কানাডা।
  • ranjan roy | 192.69.60.201 | ১০ জুলাই ২০১৬ ১৬:৩৩707746
  • বাজার নামক সিস্টেমটি দুটো কাজ করেঃ
    এক, এফিশিয়েন্ট রিসোর্স অ্যালোকেশন। এইখানে নিও ক্ল্যাসিক্যাল বা লিব্যারালরা ম্যাথমেটিক্সের পার্শিয়াল ডেরিভেশনের ইউলার'স থিওরেম ব্যবহার করে সফল ভাবে দেখিয়েছেন যে প্রত্যেক ফ্যাক্টর অফ প্রোডাক্শন ( জমি, পুঁজি, শ্রম ও বিনিয়োগ বা অঁতেপ্রেনারশিপ) কে তাদের মার্জিনাল প্রোডাক্টিভিটির হিসেবে ফাইনাল প্রোডাক্ট বিতরণ করে দিলে তার যোগফল গোটা উৎপাদনের সমান হয়।
    জোয়ান রবিনসন ও রাশিয়ান ইকনমিস্টরা দেখিয়েছেন এটা অবশ্যই টেকনিক্যাল অ্যালোকেশনের অপ্টিমাম ব্যবহার সুনিশ্চিত করে। কিন্তু এটাকে সামাজিক উৎপাদনের বিতরণের ( খাজনা, সুদ, মজুরি ও মুনাফা) ন্যায়োচিত গল্পটি ঢপের চপ! কারণ কোন মজদুরকেই উত্পাদনে তার প্রান্তিক যোগদানের হিসেবে মজুরি দেওয়া হয় না। বরং একটি নির্দিষ্ট ট্রেড এ সমস্ত মজদূরকে একটা গড়পড়তা মজুরি দেওয়া হয়, তার উৎপাদন ক্ষমতা যাই হোক। আর প্রফিট সবসময়ই রেসিডুয়াল। ফলে পুঁজিপতি বা মিলমালিকের স্ট্র্যাটেজি থাকে কতটা কম দেওয়া য অয়; ফলে মজুরের বাস্তবিক মজুরি শুধু শ্রমের সাপ্লাই/ডিমান্ড নয়, অনেকটাই তাদের ট্রেড ইউনিয়নের দরকষাকষির ক্ষমতা ও রাষ্ট্র স্বীকৃত সামাজিক সুবিধার ( বীমা, ফ্রি বা সুলভ চিকিৎসা, শিক্ষা, ট্রান্সপোর্ট,অন্য সামাজিক পরিষেবা) উপর নির্ভর করে।
    দুই, বাজার প্রতিযোগিতা ও সুপ্ত চাহিদার ব্যবহারের ফলে উন্নত টেকনলজি ও রিসার্চের প্রেরকও বটে।
    তাই বাজার ও তার বড়ভাই রাষ্ট্রব্যবস্থা দুইই থাকবে-- বাইবেলের কেন ও আবেলের মত। এদের বিরোধ মৌলিক নয়, আপাত।
    মুশকিল হচ্ছে অনেক সমাজবাদী বা বাম চিন্তাধারার সমর্থক বাজার মানেই পুঁজিবাদ বা রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ মানেই সমাজবাদ মনে করেন। এঁরা পুঁজি মনেই ব্যক্তি পুঁজি ভাবেন, স্টেট ক্যাপিটালিজমের অপারেশন খেয়াল করেন না।
    তাই বাজারের নামে গেল গেল রব তোলেন এবং রাষ্ট্রের নামে দমনপীড়ন আফস্পা বা বাড়তি ডিফেন্স বাজেট নিয়ে একটি শব্দও ব্যয় করেন না।
    আরেকটা মজা! বাকুনিন ও প্রুধোঁর মত নৈরাজ্যবাদীরাও রাষ্ট্রকে জাদুঘরে পাঠানোর পক্ষে-- তবে সমাজবাদী শিবিরের দিক থেকে। ওঁরা মনে করেন রাষ্ট্র না গেলে বাজারও যাবে না।
    অন্যদিকে অফিশিয়াল মার্কসবাদীরা বাজারকে গালমন্দ করেন অথচ রাষ্ট্রের অখন্ডতা রক্ষার শপথ নেন। সে বিতর্ক অন্য জায়গায়।
    অনেক ভাট বকলাম।
  • PM | 11.187.165.203 | ০৩ আগস্ট ২০১৬ ১১:৫৫707747
  • কি সাংঘাতিক রকম মগজধোলাই দেখুন !!!! ঃ(

    Glimpses into 'jihadi' minds

    When they saw their deaths coming on Tuesday morning, the Kalyanpur militants made final preparations to fight back the law enforcers.

    Their statements reveal how thoroughly they had been brainwashed with wrong interpretations of Islam and with hatred for the general people and even their own kith and kin.

    Amid the nerve-racking situation, two militants in the audio messages asked their families to seek forgiveness of Allah and “come to the fold of Islam”.

    One even went on to denounce his family members as “murtads” (apostate) for supporting democracy and Prime Minister Sheikh Hasina.
    ---------------------------------------------------------------
    He said he gave up everything to do Jihad, and citing a holy verse to justify his action he said, “Either you kill or get killed, paradise is for us.”

    “You guys support Sheikh Hasina … you support democracy… that is why I am happy to call my family all murtads... all kafirs [atheists]. So repent… before it's too late so that you can be saved,” Shazad is heard saying.

    “We are getting instructions from Allah… we are going to defeat you,” he said in English

    http://www.thedailystar.net/frontpage/glimpses-jihadi-mind-1263262
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
    • কি, কেন, ইত্যাদি
    • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
    • আমাদের কথা
    • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
    • বুলবুলভাজা
    • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
    • হরিদাস পালেরা
    • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
    • টইপত্তর
    • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
    • ভাটিয়া৯
    • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
    গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
    মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


    পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। হাত মক্সো করতে মতামত দিন