এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • ম্ন্গ্ফ্হ

    hashem
    অন্যান্য | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩ | ৬৬৮৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • cm | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২১:৫১619040
  • বল্লুম তো এবার ডমরুধরের স্টাইলে এগুবে।
  • Atoz | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২১:৫৪619041
  • হ্যাঁ, শঙ্করকেও পাওয়া যাবে। তার একটুকরো চুল রয়ে গেছিল গাছের ডালে, সেই থেকে মংগফ আবার ওকে গোটা তৈরী করে দেবে।
  • 0 | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:১১619042
  • সাতপাঁচ ভাবতে ভাবতে বাঁয়ের রাস্তা ধরে এগুচ্চি। হয়তো একটু অসতর্ক হয়ে গিয়ে থাকবো। নইলে স্যাঁট করে একটি মানুষ এসে আমার সামনে অকস্মাৎ হাজির হবে, আর আমি খেয়াল করবো না, তা কী করে হবে? লোকটি বেশ শৌখীন, চুলটি টেরিকাটা, গায়ে একটি গলাবন্ধ কালো কোট, কাঁধে জলের ফ্লাস্ক, আর হাতে অবিকল আমার মত একটি তিন সেলের টর্চ।

    এক গাল হেসে সে বল্লে-"আসুন, আসুন ! আপনার অপেক্ষাতেই ছিলুম। কতকাল কোনো মানুষের পা পড়ে নি এই গুহায়!"

    -"আপনি?"
    -"অনাথবন্ধু মিত্তির। শখ ভুত নিয়ে রিসার্চ করা। শখ বল্লে ভুল হবে, ওটিই আমার চব্বিশঘন্টার কাজ। ভুত-প্রেত-পিশাচ-ভ্যাম্পায়ার ইত্যাদি যা কিছু সব নিয়ে রিসার্চ। কেন, আমাকে তো চেনেন আপনি !"

    অনাথবন্ধু মিত্র! আবার মানিকের গপ্পো। অনাথবাবুর ভয়!

    আমার মনের কথাটি পড়ে ফেলে যেন লোকটি বলে উঠল- "মনে পড়েচে তাহলে ! কিন্তু এত অবাক হচ্চেন কেন আপনি ? আর কেউ না জানুক, আপনি তো জানেন, অনেক লোক অনেক কাল ধরে যদি এমন একটা জিনিস বিশ্বাস করে যেটা অনেকটা কাল্পনিক, তাহলে সেই বিশ্বাসের জোরেই একদিন সে কল্পনা বাস্তবে রূপ নিতে পারে! এতকাল ধরে এত বাচ্চাবুড়ো সকাল-সন্ধে বাড়িতে-ইস্কুলে -কলেজে-আপিসে ট্রামে বাসে-পরীক্ষার বইয়ের ফাঁকেফাঁকে, লেজার-ফাইলের ফাঁকেফোঁকড়ে গোগ্রাসে মানিকবাবুর ঐসব বই পড়েচে আর তাই নিয়ে ভয় পেয়েচে, মজা পেয়েচে, স্বপ্ন দেখেচে ও ভবিষ্যতেও সেসব করবে,তা তাদের সেইসব ভাবনা-কল্পনা-বিশ্বাসের কি কোনোই জোর নেই?দাঁড়ান, বড্ড বড় বক্তৃতা দিয়ে ফেলেচি, একটু জল খাই। তারপর আপনাকে একটা জিনিস দেখাই! "

    আমি জানি এরপর কী ঘটবে। চোখের সামনে দিয়ে লোকটি ভ্যানিস হয়ে যাবে, আর আমার পায়ের সামনে পড়ে থাকবে একটি মানুষের মৃতদেহ, তার টেরিকাটা চুল, বুটজুতো পরা পা,গায়ে গলাবন্ধ কালো কোট, শরীরের পাশেই পড়ে রয়েচে একটি জলের ফ্লাস্ক ও তিন সেলের টর্চ।

    রুদ্ধশ্বাসে আমি যেদিক থেকে এসেছিলুম, সেদিকে দৌড় লাগালুম। বন্দুক ছোঁড়ার কথা মনেও এল না। গোলাপিবাবুকে ডাকার কথাও না।

    পেছন থেকে ভেসে এল অনাথাবাবুর ভৌতিক অট্টহাসি -"ও মশাই, আরে ও মশাই, পালিয়ে কোথায় যাবেন ? এ ম্গ্ফহ মশাই, এখানে ঢোকা যায়, বেরুনো যায় না। যান, পথে আপনার আরো সব বন্ধুর দেখা পাবেন। হাঃ হাঃ হাঃ ....."
  • siki | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:১৪619043
  • হ্যাঁ, আপনি কি সেই থেকে মংগফেই রয়েচেন?
  • রোবু | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:১৫619044
  • লেখা শেষ হয়নি, তাই বলা উচিত না। কিন্তু লেখাটা ঘেঁটে গেলো। আগের মত ভালো আর লাগছে না।
  • cm | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:১৯619045
  • ঘাঁটবে কেন একটা ফেজ ট্রানসিশন হয়েছে।
  • Atoz | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:২২619046
  • হ্যাঁ বিভূতি ফ্লেভার থেকে হড়াশ করে সত্যজিত ফ্লেভারে ঢুকে গ্যাচে, ঐ গুহাতে ঢুকেই বদলটা ঘটে গ্যাচে।
  • Bhagidaar | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:৫৪619047
  • শেষ হয়নি? আমি তো ভাবলাম হয়ে গেছে, এবার উনি ওই গোলক ধাঁধায় ঘুরবেন।

    তবে লেখা'র ফেজ ট্রানজিশন প্রচন্ড প্রকট।
  • sosen | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:৫৯619048
  • এটা কি শেষ হলো?
  • sosen | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২৩:০২619050
  • কিন্তু মঙ্গফ মানে কি?
  • a x | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২৩:০৭619051
  • না না বেশ হচ্ছে! আবার দোষ ধরা!
  • 0 | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২৩:১৫619052
  • দিগ্বিদিক জ্ঞানশুন্য হয়ে দৌড়চ্চি। বা, বলা ভালো, দৌড়োনোর চেষ্টা করচি। মাঝেমধ্যে ধড়াস করে আছাড় খেয়ে পড়লুম বেশ কয়েকবার। যে গুহায় ঢুকেছিলুম একটি রাস্তা দিয়ে সেখানে এত এত পথ খুলে যাচ্চে কী করে কিছুতেই বুঝে উঠতে পারচি না।ডাইনে-বাঁয়ে-সামনে-পেছনে নানাদিকে নানান পথ। কোন পথ দিয়ে এগুবো, ভাবনার সময় পাচ্চি না। মাথা একটুও কাজ করচে না। নিস্তব্ধ গুহা মনে হয় জেগে উঠেচে।চারিদিকে নানারকম শব্দ, নানান প্রাণী ও অপ্রাণীর আওয়াজ, তাদের চলাফেরা, উশখুশ শব্দ, গলাখাঁকারির আওয়াজ, সেসবের প্রতিধ্বনি ক্রমেই মাথা ধরিয়ে দিচ্চে।কোত্থেকে যেন পচাগলা মাংসের গন্ধ আসচে। একপাশ থেকে একপাল মাছের মত প্রাণী তিন্তিড়ি ! তিন্তিড়ি ! শব্দ করে যেন ন্যাজে ভর দিয়ে দৌড়ে চলে গেল।

    দূরে একটা গোল আলোর মত ও কী দেখা যাচ্চে ! তাহলে কি গুহার শেষে এসে পৌঁছেচি? এক ঝলক তাজা বাতাস যেন গায়ে এসে লাগলো। এবারের মত বেঁচে গেলাম তাহলে ! দু-পায়ে আরো জোর এনে দৌড়চ্চি এবার।

    হঠাৎ আলোটি ঢাকা পড়ে গেল। একটি কালো শরীর যেন বসা অবস্থা থেকে উঠে দাঁড়াচ্চে।গুহার মুখেই সে রয়েচে। গুহা থেকে বেরোতে হলে তাকে ডিঙিয়েই আমাকে যেতে হবে। দৈত্যাকৃতি একটি জীব। কুঁজো হয়ে সে আমার দিকেই এগিয়ে আসচে। মাথা তুলে সোজা হয়ে দাঁড়ানো গুহার এই অংশে তার পক্ষে সম্ভব নয়, কেননা গুহার ছাদে তার মাথা ঠেকে যাবে। কমপক্ষে ন -ফুট উচ্চতা হবে তার। রাজামুন্দ্রীর দানো !

    টর্চ জ্বাললাম। টর্চের আলো তার মোলায়েম রোমহীন মুখের ওপর ঝলসে উঠল। স্বপ্নে দেখা সেই মুখ ! হলদেটে মোমের মত চামড়া। উপরের ঠোঁট নেই। বাঁ কানের লতি ছিঁড়ে গিয়েচে, সেখানে কালো জমাট রক্ত শুকিয়ে রয়েচে, তাতে তাকে আরো বীভৎস দেখাচ্চে। রেড্ডিসাহেবের গুলি তাহলে পুরো লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় নি !

    খুব দ্রুত সে আমার দিকে এগিয়ে আসচে। বদ্ধ গুহার মধ্যে তার মুখ থেকে বেরোনো পচা মাংসের গন্ধ পাচ্ছি আমি। কিছু একটা না করলে অবধারিত মৃত্যু।ট্রিগারে হাত রাখলুম। সেই অজস্র গোলকধাঁধাময় গুহা কাঁপিয়ে গর্জে উঠল বন্দুক। তার শব্দ গুহার এ দেয়ালে- ও দেয়ালে ধাক্কা খেতে থাকলো। ডানা ঝাপটে অজস্র বাদুড় এদিক-ওদিক থেকে গুহামুখের দিকে উড়ে গেল।

    লেগেচে ! গুলি লেগেচে ! রোগ এলিফ্যান্ট-মারা ডাবল ব্যারেল বন্দুকের দুটি গুলিই তার ডান বাহুমূল ছিন্নভিন্ন করে দিয়েচে। ডান হাতটা ল্যাতপ্যাত করে দেহ থেকে ঝুলচে। ফিনকি দিয়ে রক্তধারা বেরিয়ে আমার মুখে এসে লাগলো। ধুঁকতে ধুঁকতে সে সামনের দিকে উপুড় হয়ে পড়চে। এতদিনে কি রাজামুন্দ্রীর রাহুমুক্তি হবে?

    ও কী ! পড়তে পড়তে সে যে আবার উঠে দাঁড়িয়েচে ! বাঁ হাত বাড়িয়ে সে আমাকে খপাৎ করে ধরে ফেলেচে। এক হাতেই সে তুলে নিয়েচে আমার শরীর। বন্দুকটিকে এক কামড় দিয়ে ভেঙে ফেলেচে। এবার আমার পালা।

    জ্ঞান হারাবার আগে যেন শুনতে পেলুম রেড্ডি সাহেবের গলা-রাজেন ! রাজেন ! সেইসঙ্গে রাজিন্দরের চীৎকার- সাহাব ! রাজেন সাহাব ! রাজিন্দর বাড়ি ফিরে যায় নি তাহলে !
  • I | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২৩:২০619053
  • তারপর?
  • Atoz | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২৩:২২619054
  • হ্যাঁ হ্যাঁ, তারপর কী হলো?
  • Bhagidaar | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২৩:২৩619055
  • চলুক চলুক !
  • 0 | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২৩:২৫619056
  • তারপর আর কী! জ্যান্ত অবস্থায় কি কেউ আর ম্গ্ফহ থেকে বেরোতে পারে? তবে আমার আত্মদান বৃথা যায় নি। রাজামুন্দ্রীর দানোকেও কেউ আর কখনো ধরাধামে দেখেনি।

    সেই থেকে শুন্যলোকেই রয়েচি। আমার নাম দেখেও আন্দাজ করতে পারচেন না?

    যাই, আমাদের আবার বেশীক্ষণ দেহধারণ করে থাকলে কষ্ট হয় !

    আর হ্যাঁ, ভালো কথা খুকী, ম্গ্ফহ কী জিনিস, সে প্রশ্ন আমাকে কেন? হাসেমকে করলেই হয়! আমি অবিশ্যি তাকে চিনি না!

    চলি।।
  • I | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২৩:২৮619057
  • ছ আনার হেমেন রায়, আট আনার সত্যজিত আর দু আনার জটাধর বক্শী। সব মিলিয়ে শুন্যের ঘন্ট! ছ্যাবলামির একশেষ।
  • kiki | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২৩:৩৩619058
  • বাজে গপ্প।(হাত পা ছুঁড়ে প্রবল কান্নাকাটি)

    কিন্তু এ কে? কুমু কেও খুকী বল্লো আবার কলিকেও!:O
  • Atoz | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২৩:৩৪619059
  • শুধু ঘন্ট না, চাপড়ঘন্ট।
    কিন্তু মৌলিক লেখা লিখলেই তো হতো, খামছা খামছা করে এর ওর থেকে ধার না নিয়ে।
  • kiki | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০০:০১619061
  • ইয়ে ডি টা দিয়ে যাই। শেষের অ্যার্কিটার জন্য বাজে।
  • cm | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০০:০৩619062
  • খাসা ভাট হইছে এমনটিই হবে ভেবেছিলুম।
  • kumu | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০০:১৫619063
  • শূন্যলোকে লেখে কোদ্দিয়ে? ডাটাকার্ড ঈঃপাওয়া যায়???
  • aranya | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০১:২৫619064
  • হেমেন রায় পার্ট-টা বেশ লাগছিল। o এবার একটা পুরোদস্তুর হেমেন রায় নামান
  • aka | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০২:৫৯619065
  • শেষটা হেজে গেল। এই ধরণের গপ্পো সিনেমার সবটাই শেষে গিয়ে হেজে যায়।
  • phutki | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১১:০২619066
  • যাহ!
  • Bhul-Bhal | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৭:০১619067
  • ছড়িয়ে লাট।অতি বাজে গল্পো।টুকতে গিয়েও ব্যর্থ।
  • সিকি | ০৫ নভেম্বর ২০১৩ ১৫:১৪619068
  • জিরোবাবু আর গল্প লিখবেন না?
  • কল্কেকাশি | ০৫ নভেম্বর ২০১৩ ১৫:৪৫619069
  • কি করে লিখবেন বিনা উৎসাহে কাজ হয়?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে মতামত দিন