• টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। যে কোনো নতুন আলোচনা শুরু করার আগে পুরোনো লিস্টি ধরে একবার একই বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে কিনা দেখে নিলে ভালো হয়। পড়ুন, আর নতুন আলোচনা শুরু করার জন্য "নতুন আলোচনা" বোতামে ক্লিক করুন। দেখবেন বাংলা লেখার মতো নিজের মতামতকে জগৎসভায় ছড়িয়ে দেওয়াও জলের মতো সোজা।
  • ফলো আপ, ডকুমেন্টেশন ইত্যাদি

    pi
    বিভাগ : অন্যান্য | ২৮ মার্চ ২০১৩ | ৮৭ বার পঠিত
আরও পড়ুন
করোনা - pi
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • pi | 78.48.231.217 | ২৮ মার্চ ২০১৩ ২২:০১599899
  • নানাবিধ কেস, হত্যাকাণ্ড, ধর্ষণ, দুর্নীতি, যা নিয়ে একসময় মিডিয়ায় ঝড় বয়ে যায়, তারপর বহুদিন পরে সেগুলোর কী হইলো, জানে শ্যামলাল , সেগুলো নিয়ে লেখা হোক।
    ফলো আপ হয়ে থাকলে আর সেটা কারুর জানা থাকলে, জানানো হোক। কোনো ডকুমেন্টেন্শন হয়ে থাকলে এখানে রাখা হোক।
    ডকুমেন্টেশনের উদ্যোগও নেওয়া যেতে পারে, সম্ভব হলে।
    সেইসব কেস নিয়েও কথা হোক, যা হয়তো মেইনস্ট্রীম মিডিয়ায় সেভাবে আসেইনি। ফলো আপের খবরও হয়তো কোণাকাঞ্চিতে এসেছে, আমাদের বেশিরভাগেরই চোখ এড়িয়ে গেছে।
    থিতিয়ে পড়া কেসগুলো নিয়ে একটু খোঁচাখুঁচি হোক ?
  • pi | 78.48.231.217 | ০৩ এপ্রিল ২০১৩ ২১:১৯599910
  • গুজরাত কাণ্ডের পর পর ওখানে মহিলাদের উপর হওয়া অত্যাচার নিয়ে একটা ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং রিপোর্ট ঃ
    http://cac.ektaonline.org/resources/reports/womensreport.htm

    এর মধ্যে ক'টা নিয়ে কী কেস হয়েছে, হয়ে থাকলে কোন শাস্তি হয়েছে কিনা , সেই নিয়ে কারুর জানা থাকলে লিখুন একটু।
  • kumu | 132.176.32.39 | ০৪ এপ্রিল ২০১৩ ১৬:৩১599921
  • আর সেই উমা পোদ্দারের কেসটা?
  • pi | 78.48.231.217 | ০৪ এপ্রিল ২০১৩ ১৭:৫৬599932
  • হ্যাঁ, কেউ জানে কী হল ? এখানে চাণক্য বলে একজন লিখছিলেন, তোনি কোন আপডেট জানেন ?
  • kumu | 132.176.32.39 | ০৪ এপ্রিল ২০১৩ ১৮:০৪599935
  • তবে কথায় কথায় শ্যামলালকে টানাটানি কেন?সে বেচারা ভালমানুষ,কারো সাতে পাঁচে নাই।
  • de | 69.185.236.52 | ০৪ এপ্রিল ২০১৩ ১৮:০৫599936
  • আমি আবার তাড়াহুড়োতে শ্যামলালের লা বাদ্দিয়ে পড়লাম!
  • pi | 78.48.231.217 | ০৪ এপ্রিল ২০১৩ ১৮:২৮599937
  • আমিও !ঃ)
  • pi | 78.48.231.217 | ০৬ এপ্রিল ২০১৩ ২২:৪২599939
  • সিঙ্গুর আন্দোলনের সময় পুলিশের লাঠিচার্জের পর রাজকুমার ভুল মারা যান। সেই মৃত্যুর কোন তদন্ত, বা হয়ে থাকলে তার ফল প্রকাশ, দোষেদের কোনরকম শাস্তি হয়েছে বলে জানা নেই।

    http://sanhati.com/wp-content/uploads/2007/04/singur_publcation_bengal
    i.pdf
    এখানে ২৬ নং পাতায় ( ডকুমেণ্টের ৫১ নং পাতায়) রাজকুমারের বাবার একটি চিঠি রয়েছে।
  • | 24.97.16.103 | ১০ এপ্রিল ২০১৩ ২০:৫৭599902
  • এইটা এই ভয়ংকর আকালে ভাল খবর।
  • siki | 132.177.66.127 | ১০ এপ্রিল ২০১৩ ২৩:২০599903
  • হুঁ।
  • | 24.97.152.81 | ১৪ এপ্রিল ২০১৩ ১৮:১২599904
  • তৃণমূলের লোকজন একবার একটা লাইব্রেরী পুড়িয়ে দিয়েছিল কোথায় যেন। সেটার কোনও বিচার হয়েছিল? কারো শাস্তি?
    কারো কিছু ডিটেইলস জানা থাকলে একটু দিন না।,
  • pi | 78.48.231.217 | ০৬ মে ২০১৩ ০৪:২৩599907
  • এই ছিল বাবু বজরংগির সাক্ষাৎকারঃ


    তার ট্রান্সক্রিপ্টঃ
    http://archive.tehelka.com/story_main35.asp?filename=Ne031107After_killing.asp

    http://archive.tehelka.com/story_main35.asp?filename=Ne031107To_Get.asp

    TEHELKA: The day Patiya happened, didn’t Modi support you?

    Bajrangi: He made everything all right, otherwise who would have had the strength... It was his hand all the way... If he’d told the police to do differently, they would have f****d us.... they could have... they had full control…
    ....

    TEHELKA: Had he not been there,then Naroda Patiya, Gulbarg etc…

    Bajrangi:Wouldn’t have happened.Would’ve been very difficult...

    TEHELKA: Did Narendrabhai come to Patiya the day of the massacre?

    Bajrangi: Narendrabhai came to Patiya… He could not make it to the place of the incidents because there were commando-phamandos with him… But he came to Patiya, saw our enthusiasm and went away… He left behind a really good atmosphere…

    TEHELKA: Said you were all blessed…

    Bajrangi: Narendrabhai had come to see that things didn’t stop the next day… He went all around Ahmedabad, to all the places where the miyas [Muslims] were, to the Hindu areas… told people they’d done well and should do more…

    • • •

    Bajrangi: [After the massacre] the commissioner issued orders [against me]… I was told to leave my home… I ran away… Narendrabhai kept me at… the Gujarat Bhavan at Mount Abu for fourand- a-half months… After that, [I did] whatever Narendrabhai told me to… Nobody can do what Narendrabhai has done in - Gujarat… If I did not have the support of Narendrabhai, we would not have been able to avenge [Godhra]… [After it was over,] Narendrabhai was happy, the people were happy, we were happy… I went to jail and came back… and returned to the life I’d led before.

    • • •

    Bajrangi: Narendrabhai got me out of jail…… He kept on changing judges…. He set it up so as to ensure my release, otherwise I wouldn’t have been out yet...

    ইত্যাদি ইত্যাদি।

    এই সবের পরেও মোদী ছাড়া পেয়ে যায় কীভাবে ?
  • sch | 132.160.114.140 | ০৬ মে ২০১৩ ১১:১১599908
  • AMRI - এর আগুনের ঘটনার কেসটার লাস্ট স্ট্যাতাস কেউ দিতে পারবেন? একটু দরকার ছিল।
  • sch | 125.241.109.30 | ০৬ মে ২০১৩ ২১:২৯599909
  • একটু পুরনো লিঙ্ক ঘেঁটে দেখলাম
    "Of the total 13 accused, nine directors and four employees, arrested on the charge of culpable homicide not amounting to murder, 12 have so far been given bail.

    Three other directors of the hospital are absconding. Only one official, Sajid Hussain, remains in custody.

    A fire broke out in the basement of the hospital's seven- storey, centrally air-condition annexe building in the early hours of December nine."

    http://zeenews.india.com/news/west-bengal/kolkata-fire-amri-director-gets-bail_769660.html
    April 12, 2012.

    আর

    "The Calcutta High Court on Monday granted anticipatory bail to Aditya Bardhan Agarwal and Rahul Todi, directors of AMRI Hospitals who were absconding"

    http://m.indianexpress.com/news/skywatch-2-amri-directorsgranted-bail/969706/
    July 03, 2012

    তাহলে কি দাঁড়াল - কেউই দোষী না? এর পরের আপডেট কারো কাছে থাকলে জানাবেন

    আমার একটু সামান্য জানা আছে যে যে অংশে আগুন লেগেছিল - সেখান থেকে জিনিস সরিয়ে নিয়ে আসা হচ্ছে সামনের দিকে এবং ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রপাতি সারানো হচ্ছে যাতে আবার কাজে লাগানো যায়।তাহলে ধরে নিতে হচ্ছে সে বিষয়ে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। তার মানে এই নব্বই জন মানুষ এমনি এমনিই মারা গেল - কারো কিছু এসে গেল না
  • pi | 172.129.44.120 | ০৬ মে ২০১৩ ২১:৩৭599911
  • এনিয়ে কাগজপত্তরও নীরব।
  • sch | 125.241.109.30 | ০৬ মে ২০১৩ ২১:৪৬599912
  • আমার তো সন্দেহ হয় আমরির ওই ১২ জন দিরেকটরকে জেলে ঢোকানো হয়েছিল সুরক্ষার খাতিরে - নইলে তাদের প্রাণ নিয়ে টানাটানি হত। কে জানে শুদীপ্ত সেনকেও সেই কারণে ধরল কি না

    আর মিডীয়া এসব নিয়ে ফলো যাপ করবে কেন - পাব্লিক খায় না তো
  • aranya | 154.160.226.53 | ০৬ মে ২০১৩ ২১:৪৯599913
  • বাবু বজরংগির এই সাক্ষাৎকার তার মানে কোর্টে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়..
  • pi | 172.129.44.120 | ২৭ জুন ২০১৩ ০৪:৪৮599915
  • অন্য সুতোয় অক্ষদা দিয়েছিল, এটা এখানেও থাক।
    নন্দীগ্রামের ফলো-আপ।

  • ranjan roy | 24.99.180.220 | ০৬ জুলাই ২০১৩ ১৪:৩১599917
  • একটি জিগ্যাসার উত্তরেঃ

    Section 6(2) of RTI Act,2005 states:
    "An application making request for information shall not be required to give any reason for requesting the information or any other details except those that may be necessary for contacting him".
    তাই ধর্ষণের কেসেও কোন তদন্তের প্রগতি জানতে হলে কারো কোন অনুমতির প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না। ধর্ষিতার পরিবারেরও না। আর যেখানে তার সঙ্গে হত্যা বা মৃত্যু জুড়ে গেছে সেখানে তো কথাই নেই।

    ধারা ৮(১) অনুযায়ী দশটি গ্রাউন্ডে তথ্য দিতে অস্বীকার করা যেতে পারে। তাতে দেশের সুরক্ষা,ট্রেড সিক্রেট যাতে কোন তৃতীয় পক্ষের ব্যবসায়িক ক্ষতি, বিদেশি রাষ্ট্রের থেকে গোপনীয় সূত্রে পাওয়া খবর, মন্ত্রীসভার বৈঠকের প্রসিডিংস, কোন খবর চাউর হলে কারো প্রাণনাশের বা শারীরিক ক্ষতির আশংকা,, তদন্তের প্রগতির বা অপরাধীকে গ্রেফতার করতে বাধক হবে এমন খবর গোছের কারণ আছে।
    কিন্তু ধারা ৮(২) অনুযায়ী a public authority may allow access to information, if public interest in disclosure outweighs the harm to the protected interests.
  • rabaahuta | 172.136.192.1 | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:৪১599918
  • এই লেখাটা একজায়গায় রাখার প্রয়োজনীয়তাবোধ করছিলাম - কোন টইয়ে রাখবো সেটা নিয়ে দ্বিধা ছিল।
    তারপর মনে হল, কেউ কোন ফলো আপ করেনি, আর করা যাবেও না এরকম ঘটনা হিসেবে ফলো আপের টইয়ে থাক।

    জলতলে রোহিনীর লিঙ্ক আছে- কিন্তু ভাটের এই লেখাটা বেশী হার্ড হিটিং এবং কিছু অন্য দৃষ্টিকোণ থেকে মনে হলো

    লেখার মাথা থেকে সময়টা তুলে দিলাম যেহেতু এখানে একাধিক পোস্ট আছে।
    *******************************************************************************************************************************

    name: Ishan mail: country:

    IP Address : 60.82.180.165 (*) Date:04 Sep 2013

    হ্যাঁ, কি বলছিলাম, কাকলি সাঁতরার কথা। ১৯৯০ সাল নাগাদ ঘটেছিল। একদিন সকালে সিঙ্গুর বাজারে গিয়ে দেখি হেব্বি হুজ্জুতি। থানা ঘিরে মাইকে চিৎকার। কি হয়েছে? না সিঙ্গুর থানায় ধর্ষণ হয়েছে। তখনও জানা নেই, যে, আগামী কয়েক বছর দেয়ালে দেয়ালে শোভা পাবে বানতলা-বিরাটি-সিঙ্গুর। হস্টেলে ছেলেপুলে কোথায় থাকিস? জিজ্ঞেস করে "সিঙ্গুর" উত্তর শুনলেই বলবে ওঃ যেখানে রেপ হয়। তারপর অবশ্য আস্তে আস্তে ভুলেও যাবে সবাই। টাটাকান্ডে বিখ্যাত হয়ে যাবার আগে পর্যন্ত সিঙ্গুর আবার অচিনপুর হয়ে যাবে।

    তা, এসব তখন ভবিষ্যতের গর্ভে। সেদিন বাজারে গিয়ে শুধু জানা গেল ধর্ষণ হয়েছে। তাও থানায়। লোকজন হেবি গরম। নেতারা মিটিং করে চলে গেলেন। তারপর শুরু হল ইট ছোঁড়া। আমাদের এখানে ধর্ষণ? ইয়ার্কি? রেল লাইন থেকে তুলে আনা হচ্ছে ঝুড়ি-ঝুড়ি পাথর আর টপাটপ ছোঁড়া হচ্ছে থানায়। পুলিশরা সব ভিতরে। এলাকার দখল নিয়ে জনতা। ক্রোধ উগরে দিচ্ছে।

    তারপর যা হয়। প্রচুর পুলিশ এল। এল র‌্যাফ। গুলি চলল। একটি ছেলে মারা গেল। তার নাম নিরাপদ দাস। পরের দিন খবরের কাগজে হেডিং হল "নিরাপ্দ দাসের আর মুড়ি খাওয়া হলনা"। আমাদের একজন বন্ধুর গায়েও গুলি লেগেছিল। কিন্তু সে শুধু হাতে। কদিন বাদেই সেরে গেল। সে অনেকদিন গুলির দাগ নিয়ে বুক ফুলিয়ে ঘুরল। আর হ্যাঁ, খবরের কাগজ পড়ে আমরা ধর্ষিতা মেয়েটির নাম জানতে পারলাম। কাকলি সাঁতরা। অত ইটপাটকেল ছোঁড়ার ব্যস্ততায় নাম-টাম জানা হয়নি।

    উত্তেজনা থিতিয়ে এল দুদিন বাদেই। তারপর হল আসল মজা। সেসব আমি সারা জীবনেও ভুলবনা। চারদিকে শুরু হল গুজগুজ ফিসফাস। যেমন পরনিন্দা পরচর্চা হয় চারদিকে। এর নামে, তার নামে। আমরা সবাই তাতে অভ্যস্ত। কিন্তু এখানে তফাত একটাই, যাকে নিয়ে চর্চা, সে মেয়েটি ধর্ষিতা। তা, দেখা গেল, ধর্ষণে আমাদের চর্চা কিছু কমায়না, বরং বাড়ায়।

    মেয়েটা, বলতে নেই, স্থানীয় কথ্য ভাষায় যাকে বলে একটু 'চুলবুলি" ধরণের ছিল। ব্যস আর যাবে কোথায়। সর্বত্র শুধু তাকে নিয়েই আলোচনা। কাকীমা-জেঠিমারা এককোনে ফুসফুস করছেন মানেই বিষয়, কাকলি। বড়দারা একটু গলা নামিয়ে "আসলে ব্যাপার হল" বলছেন মানেই, ধর্ষিতার চরিত্র আলোচনা হচ্ছে। কী খারাপ, কী প্রোভোকেটিভ ছিল সেই মেয়ে, নইলে রাত বিরেতে কেউ থানায় যায়?

    একদম আঁখো দেখা হাল। এই চর্চায় কোনো শ্রেণীবিভাজন দেখিনি। লিঙ্গবিভাজনও নয়। রাজনৈতিক বিভাজনের তো প্রশ্নই নেই। সব শেয়ালেরই এক রা। সবাই যেমন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ইট ছুঁড়ে, অবিকল তেমনই।

    গপ্পো এখানেই শেষ হয়ে গেলে ভালো হত। কিন্তু সত্যি গপ্পো এখানে শেষ হয়না। খবরের কাগজে হইচই বলে কথা। তদন্ত টদন্ত হল ঘটা করে। আইন-আদালতও হল। কিন্তু সেসব লম্বা ব্যাপার। জনতা তদ্দিনে আকর্ষণ হারিয়েছে। আম্মো। কে আর ওইসব নীরস জিনিসে মাথা ঘামায়। তাছাড়া ততদিনে ভিপি সিং সরকারের পতন ও মূর্ছা হয়ে গেছে (যতদূর মনে পড়ছে), কেন্দ্রীয় রাজনীতি টালমাটাল, বাবরি মসজিদ হয়ে গেছে বা হতে চলেছে, কে আর খুচরো জিনিসে মাথা ঘামায়। ফলে আইন-আদালতের ডিটেল জানা নেই। খালি বিচারের ফলটা জানা আছে।

    নাঃ শুনে আঁতকে উঠবেন না। বিচারে কোনো পুলিশের সরাসরি কোনো শাস্তি হয়নি (সেরকমই মনে হচ্ছে, শাস্তি হলে মনে থাকত)। কিন্তু। জেলে গিয়েছিল অন্য আরেকজন। তার নাম কাকলি সাঁতরা। হ্যাঁ, যে কিনা ধর্ষিতা। আদালতের রায়ে তাকে পাঠানো হয়েছিল লিলুয়া হোমে। সরকারি হিসেবে ঠিক জেল নয় সেটা অবশ্য। যাকে বলে সংশোধনাগার। কিন্তু সে তো জেলও সংশোধনাগার।

    কাকলির পক্ষে-বিপক্ষে কি সওয়াল হয়েছিল, জিগাবেন না। আমি জানিনা। ওসবে মাথা ঘামাইনি। কিন্তু আদালতের এমনই রায় ছিল। নিশ্চিত।

    এখনও হাঁফ ছেড়ে বাঁচার উপায় নেই। কারণ গপ্পো এখানেও শেষ না।

    এরপর দীর্ঘদিন আর কাকলির নাম শুনিনি। নীচের তলার প্রায় অন্ত্যজ মেয়ে। সুখে আছো সুখে থাকো, হোমের ঠিকানায় চিঠি লিখো। কে ওসবে মাথা ঘামায়। লোকে "সিঙ্গুরে রেপ হয়" ভুলে গেল, আমরাও কাকলিকে ভুলে গেলাম। আগেও খুব চিনতাম এমন না। কিন্তু অন্তত একখানা করে ইট তো মেরেছিলাম। তাতেই কর্ম শেষ। পাপস্খালন ও বিস্মৃতি।

    কিন্তু এরপরও বার দুয়েক কাকলি আমাকে জ্বালিয়েছে। আমাকে এবং আমাদের কয়েকজনকে। ব্যক্তিগতভাবে। সরাসরি নয়, কিন্তু খবরের কাগজের খবর হয়ে। সিঙ্গুরের ঘটনার কয়েক বছর পরে, কত বছর মনে নেই, খবরের কাগজের দুই বা তিন পাতায় পড়া গেল ছোট্টো একটি ফিলার। লিলুয়া হোম থেকে কয়েকজন ফেরার। তাদের মধ্যে একজন কাকলি। এমনিতে চোখে পড়ার কথা নয়, মনে হচ্ছে, চায়ের দোকানে কেউ একজন দেখিয়েছিল খবরটা। তার নাম লিখবনা, অন্যকে জড়ানোর দরকার নেই, শুধু এইটুকুই বলার, যে, কদিন বাদে সে আবার ফলো আপ করে খবরও এনে দিয়েছিল, নাঃ পালাতে পারেনি, পুলিশ আবার ধরে হোমে পুরে দিয়েছে।

    এখন ভাবলে, কিরকম অবিশ্বাস্য লাগে, স্বাধীন দেশের একটি মেয়ে, স্রেফ ধর্ষিতা বলে তাকে হোমে থাকতে হয়। স্বাধীনতার জন্য সে সেখান থেকে পালায়, আর স্বাধীন দেশের স্বাধীন সরকার তার পিছনে পুলিশ লাগায়। কতবার, ধর্ষিতা হতে পারে একজন?

    আর আমরা কজন চায়ের দোকানে চুমুক দিতে-দিতে চুপিচুপি একটু দুঃখ পেয়েছিলাম। আর কিচ্ছু করিনি। কিচ্ছু না। কত ছোটো ছিলাম আমরা, কত?

    কাকলি দুইবার জ্বালিয়েছে লিখেছিলাম। এই হল প্রথমবার। দ্বিতীয়বারের গপ্পো আরও ছোটো। সে আরও কয়েক বছর পরের ঘটনা। কত বছর মনে নেই। সেই খবরের কাগজের দুই বা তিন নম্বর পাতা। এবারের খবরটা কাকলি সাঁতরার মৃত্যুসংবাদের। লিলুয়া হোমেই। কোনো এক দুর্ঘটনায়।

    কিকরে দেখেছিলাম মনে নেই। কেউ দেখিয়েছিল কিনা মনে নেই। কি রকম দুর্ঘটনা মনে নেই। কি দুর্ঘটনা সেটা আদৌ ওই তিন লাইনের খবরে লেখা ছিল কিনা মনে নেই। কিন্তু মৃত্যু সংবাদটি খাঁটি। পরে আমি সেটা কনফার্ম করেছিলাম।

    গপ্পো শেষ। এইসব লিখতে লিখতেই স্লাইট বিচলিত বোধ করি। যতবার লিখি। সে যাগ্গে। সব ধর্ষণের নিশ্চয়ই পরিণতি এরকম হয়না। কিন্তু, ডেটা ফেটা দেখে যা আন্দাজ করতে পারি, ধর্ষণের বিচারপদ্ধতিটা সামগ্রিকভাবেই এতটই অমানবিক। সে অবশ্য আমাদের গোটা বিচার ব্যবস্থাই। গোটা সমাজব্যবস্থাও। এর ফাঁক দিয়ে হাতিও গলে যায়। আমরা উদ্ব্বেলিত হই, বিচলিত হই, বিক্ষুব্ধ হই। তারপর ভুলে যাই। বিশেষ করে যদি নিচের তলার লোকজন ধর্ষণ টর্ষণের শিকার হয়। তাদের কিসের রাইট, কিসের অধিকার? এসবের মধ্যে দিয়েই অবস্থা ইঞ্চি ইঞ্চি করে বদলায়। তাতে বিরক্তি আসে, তীব্রতা আসে। এই পুরো সিস্টেমটা ছেড়ে দিয়ে স্রেফ শর্টকাটে ধর্ষকদের কড়া শাস্তির দাবীদাওয়া দেখলে উত্তেজিত হই। সেই উনিশশো নব্বই সালে যদি আরেকটু পরিণত হতাম, আরেকটু রুখে দাঁড়াতে পারতাম, তাহলে আরো কয়েক ইঞ্চির তফাত হয়তো করা যেত। কি আর হত, লোকে এমনিতেই এলাকায় কালাপাহাড় বলে চেনে, কিসের আর ইতর-বিশেষ হত। কিন্তু তবু কিসু করিনি। কিসের অভাব ছিল কে জানে।

    অনেক লিখে ফেললাম। এই পোস্টটা দিয়েই আজকে শেষ করব। লিখলাম বটে ইঞ্চি ইঞ্চি করে বদলায়, সত্যিই বদলায় কি? এইমাত্র খবরের কাগজে দেখলাম পরিচারিকা নিগ্রহের খবর। দেখে মনে পড়ল চারদিকের কথা। এই আমরাই। আমার প্রিয়জন, পরিচিত, বন্ধুবান্ধব। সিঙ্গুর টিঙ্গুর তো কবেই ছেড়ে দিয়েছি, এখন সবই শহুরে লোকজনের সঙ্গে আদান-প্রদান। সবাই বহুতলে থাকে। প্রায় সকলেরই একটি বা দুটি বাচ্চা, আর একটি বা দুটি সর্বক্ষণের কাজের লোক। যারা বাড়িতেই থাকে। সারাদিন। ফ্ল্যাটে এখন আলাদা করে সার্ভেন্টস কোয়ার্টার্সও হয়, সেখানে ঘুমোয়।

    এই কাজের লোকেদের দেখি। আমরা সম্মান ও লিবার্টির কথা বলি স্কচ হাতে নিয়ে। কিন্তু স্পেসিফিকালি সর্বক্ষণের এই কাজের লোকেদের জাস্ট কোনো জীবন দিইনা। স্বাধীনতা দিইনা। "কম বয়সী" মেয়েদের এই কাজে নেওয়া হয়না। হলেও পুরুষদের সঙ্গে তাদের মেলামেশা বারন। কাউকে কোনো ছেলের সঙ্গে একান্তে দেখা গেলে চাকরি-বাকরি যায়। এখনও। আজও। কলকাতা শহরে।

    এইটুকু সম্মান যাদের দেওয়া যায়না, তাদের এক-আধজনের ধর্ষণ-টর্ষণ হয়ে গেলে নিজের পরিচিত বৃত্ত থেকে নির্বিকারে মুছে দেওয়া ছাড়া আর কি কিছু করব আমরা? এখনও? জানিনা।
  • s | 182.0.249.87 | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৮:৪১599919
  • এটা এখানেই থাক।
    http://timesofindia.indiatimes.com/city/delhi/Juvenile-child-rapist-and-killer-threatens-victims-sister-after-release/articleshow/22298472.cms
    "I have been acquitted," says Vishal (all names changed), standing in front of his single-storey, modest house in north Delhi's Rohini area. A few hundred metres away lives a family whose six-year-old daughter was brutally raped and cut to pieces by him. The family lives in constant terror because Vishal, earlier this year, allegedly threatened to do the same to their younger daughter.
    A trial court had sentenced Vishal to death for the 2007 rape and murder. However, the high court held him to be a juvenile at the time of the crime. Since he had already spent five years in prison, Vishal walked free.
    Vishal was spared death despite conviction thanks to the act, though he had brutally raped and murdered his minor victim in the neighborhood, chopped her body and threw the parts in two public toilets.
  • Tim | 188.91.253.11 | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৯:৩৩599920
  • ঈশানদার এই লেখাটা ভালো লেগেছিলো। সেই আদালত ও একটি মেয়ের মত ভালো লেগেছিলো, অনেকদিন পরে। হুতোদাকেও থ্যাঙ্কু এই লেখাটা তুলে রাখার জন্যে।
  • pi | 118.22.231.245 | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১৯:৫৫599923
  • ---------------------------------------------------------------------------
    আপডেট ঃ

    বেলঘরিয়ার ধর্ষণ কেসের ফলোআপ নিয়ে confrontviolence গ্রুপ থেকে একটি RTI ফাইল করা হয়েছিল। শমীক করেছিল। রঞ্জনদা ও দেবজ্যোতিদা অনেক সাহায্য করেছিলেন। অনলাইন RTI এর আজ উত্তর এসেছে।
    ---------------------------------------------------------------------------
  • Ishan | 214.54.36.245 | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২০:৩২599924
  • আমরা RTI প্রক্রিয়াটি জেনে ফেলেছি। এবার ঝপ করে একটা একটা করে RTI করে ফেলা হোক। গুরুর কোথাও একটা ডকুএম্ন্টেশনের ব্যবস্থা, সাতদিনের মধ্যে হয়ে যাবে আশা করি। (অনেকদিন আগে একবার পনেরো দিন বলেছিলাম, আশা করছি, এই সাতদিন টা সেরকম হবেনা। :) )
  • pi | 118.22.231.245 | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২০:৩৬599925
  • কেউ কোন কেসের ফলোআপ নিয়ে উৎসাহী হলে জানাতে পারেন, ফরম্যাট রেডি, পাঠিয়ে দেওয়া যাবে। RTI ফাইল করতে বেশি সময় লাগবে না।
  • Arna | 132.163.52.92 | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২২:৪৩599926
  • We, the residents of New Town Action Area II C have been facing regular threats from syndicates. They are alo targeting women, especially those coming late. Police as expected has turned a blind eye, and in some cases become an accomplice of the culprits. We want to raise this issue in media. If anyone can help us to get in touch with key media outlets like ABP, Telegraph, ToI, ABP Ananda or 24 Ghanta, we would be really grateful. Thanks.

    Aparna Bhattacharya
  • | 24.97.164.246 | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ২৩:০২599927
  • হুঁ আমি জ্যুভেনাইল বলে সাব্যস্ত হওয়া অপরাধীদের জন্য কী ধরণের সংশোধনের ব্যবস্থা আছে সেইটে নিয়ে RTI করতে ইচ্ছুক। কেস স্টাডি হিসেবে ঐ দিল্লীর সুলভে বাচ্চার টুকরোগুলো ফ্লাশ করে দিয়েছিল ছেলেটি ছাড়া পেয়ে আবার তার বোনকে হুমকী দিচ্ছে এইটে প্রেজেন্ট করে জানতে চাই।

    একটু সময় নিয়ে কাল পরশুর মধ্যে গ্রুপে মেইল করছি।
  • pi | 116.218.15.77 | ২৪ মে ২০১৫ ১৭:৩৩599930
  • এই লেখাটা পড়ে আবার অনেক গুলো কেসের কথা মনে পড়লো। ঐন্দ্রিলা, আমরি ...মাঝেসাঝে মনে আসেনা তা নয়। তবে আবার মিলিয়েও যায়।
    আমাদের উৎসাহও আফটার অল, মরশুমিই।

    "ঋতু আসে ঋতু যায়
    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায়

    সলমন খানকে নিয়ে এখন যাঁরা মাথা ঘামাচ্ছেন, তাঁরা সম্ভবত জানেন না, ফুটপাতবাস একটি প্রাকৃতিক ঘটনা, ঋতুপরিবর্তনই এর কারণ। প্রাকৃতিক নিয়মে সলমন-ঋতুতে ফুটপাতে গোটা কতক লোক গাড়িতে চেপ্টে গেলে তবেই দলে-দলে মানুষ ফুটপাতে থাকতে শুরু করে। সেলিব্রিটিরা তখন আকাশ থেকে পড়েন, ‘সে কী, ঘর-বাড়ি, পালকের বিছানা থাকতে লোকে খামখা ফুটপাতে কুকুরের মতো শোয় কেন?’ বলে এই অনাচারের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠেন, সে নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়। মরমি মানুষরা ফুটপাতবাসীদের অধিকার নিয়ে কাঁদেন, পুলিশ ফুটপাতবাসীদের বাঁচাতে মাতাল ড্রাইভার দেখলেই টপাটপ জেল-জরিমানা শুরু করে। সবই প্রকৃতির লীলা, সমাপ্ত হলেই ঋতু-অবসান। তখন ইস্যু শেষ, ফুটপাতবাসীদের আবার ফিরে আসে গৃহবাসে রুচি। রাস্তায় আর মাতাল ড্রাইভার দেখা যায় না, ফুটপাতে নাকে-পোঁটা গা-ঘিনঘিনে ন্যাংটো ছেলেরা ভদ্রলোকের চোখে অদৃশ্য হয়ে যায়, দল বেঁধে ফিরে যায় সাতমহলা বাড়িতে। সব শান্তিকল্যাণ।
    আমাদের ঋতুরা এই রকম। ফুটপাত-ঋতুর আগে ছিল কৃষক-আত্মহত্যা ঋতু। চতুর্দিকের সুখ-সচ্ছলতার মধ্যে এ রকম এক-আধটা কালাহান্ডি মরশুম এলে, কোথাও কিছু নেই, জাটিংগার পাখিদের মতো হঠাৎ করে চাষিভুষিরা আত্মহত্যা করতে শুরু করে। রাজনীতিকরা তখন মঞ্চে উঠে গাছ থেকে ঝুলে পড়া কৃষকের সুইসাইড-নোট পাঠ করেন, টিভিতে প্রাইম-টাইমে ‘চাষিভাইদের বলছি’ অনুষ্ঠান শুরু হয়, আলুচাষ থেকে রবীন্দ্রনাথ পর্যন্ত সমস্ত ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা চাষিভাইদের উন্নতির পথ নিয়ে আকচা-আকচি করেন। কান পাতা দায় হয়। কিন্তু অনেকেই ভুলে যান, এ-ও নেহাতই মরশুমি। সবই প্রকৃতির নিয়ম। ঋতু শেষ হলেই দেখবেন, আর কোনও অশান্তি নেই। চারিদিকে সমৃদ্ধির চিহ্ন, গ্রাম-শহর নতুন বউয়ের মতো মল ঝলমল। চাষিভাইরা আত্মহত্যার হুজুগ কাটিয়ে উঠে সব ফিরে গেছে ঘরে। শিল্প আর কৃষি, দুই-ই হাসিখুশি।

    আমাদের ঋতুরা এই রকমই। যখন ধর্ষণের ঋতু আসে, তখন পণপ্রথা হাওয়া হয়ে যায়, পুরুষরা কেবলই আক্রমণ করে। যখন পুলিশ-ঋতু আসে, তখন কৃষকরা আর আত্মহত্যা করে না, ফুটপাতে কেউ মরে না, দেশে-বিদেশে মরার একটাই রাস্তা, পুলিশি এনকাউন্টার। আবার যখন অমানবিকতার ঋতু আসে, পুলিশ তখন পরম বন্ধু হয়, মানুষ চারদিকে অপকর্ম ঘটাতে থাকে। হরবখত রাস্তাঘাটে দুর্ঘটনা হয়, লোকে লোককে পিটিয়ে মারে। ফুটপাতে পড়ে থাকে ছটফটে লাশ, গড়িয়ে যায় তাজা রক্ত। পাশ দিয়ে চলে যায় নির্বিকার ট্রাম-বাস-টেম্পো। তবে সবই সাময়িক। ঋতু কেটে গেলেই সব পাষণ্ডপনার পরিসমাপ্তি। মানুষ মানুষকে আবার ভালবাসে, রাস্তায় বিলি হয় ফ্রি হাগ (অযৌন)। দেশ জুড়ে ফুত্তির হোলিখেলা হয়। লোকে আর ফুটপাতে থাকে না, চাষিরা না খেয়ে মরে না। ও-সব ইস্যু প্রকৃতির নিয়মে আসে, আবার প্রকৃতির নিয়মেই হাওয়া হয়ে যায়। ঋতুরঙ্গ কি আর সাধে বলে? "

    http://www.anandabazar.com/supplementary/rabibashoriyo/saikat-bandopadhyay-makes-mockery-on-salman-khan-s-issue-1.149211
  • a | 213.219.201.58 | ২৫ মে ২০১৫ ১৫:৫৭599933
  • ফলো আপ করলে তো কেউ উত্তর দেয় না, বলছিলাম যাদবপুরের কেসটা কদ্দুর কি হল?
  • pi | 233.231.43.220 | ৩০ নভেম্বর ২০১৬ ০৭:২২599934
  • কে কী আপডেট জানেন ?
    ব্যাপম কেস, আমরি, ঐন্দ্রিলা মৃত্যু, আবেশ মৃত্যু, তেজপাল কেস ... ?
  • pi | 172.69.135.111 | ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১১:৪৭729776
  • আগেরগুলো নিয়ে তো কিছুই জানা গেল না আর, কেউ জানলে জানান না একটু! আর এর মধ্যে এরকম আরো যে কত ঘটনা ঘটে গেল!

    ব্যাপম নিয়ে শেষ অব্দি কী হল?
  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত