• টইপত্তর  অন্যান্য

  • অথ বুনো মোষ তাড়ানোর কথা

    π
    অন্যান্য | ১৫ জুন ২০১২ | ১৯৪৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • byaang | 132.167.124.62 | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৫ ২২:২১547958
  • কিছু লোক বলে "আমাদের ড্রাই ওয়েস্ট বিক্রি করে তোমরা হাজার হাজার টাকা পাচ্ছ, আমাদের ড্রাই ওয়েস্টের টাকা আমাদের দিতে হবে।"

    আচ্ছা মুশকিল! কোনো পরিবার হয়তো পাঠিয়েছে, একটা শ্যাম্পুর বোতল, একটা টুথপেস্টের টিউব, একটা কর্নফ্লেকসের বাক্স, আর কুড়িটা মাদার ডেয়ারির দুধের প্যাকেট। আবার অন্য কোনো পরিবার পাঠিয়েছে দশটা বীয়ারের বোতল আর চারটে পিজার বাক্স। এবার এই প্রতিটা জিনিস আলাদা আলাদা করে ওজন করে তাদের আলাদা আলাদা দাম ক্যালকুলেট করে আইটিসির থেকে ইন্ডিভিজুয়াল পরিবারের জন্য টাকা নেওয়া কীভাবে সম্ভব!

    ভলান্টিয়াররা প্রতি সপ্তাহেই তাদের ব্লক প্রতি আয়ের এবং মোট আয়ের এক্সেল ফাইল বানিয়ে রেসিডেন্টদের ইয়াহুগ্রুপ এবং গুগলগ্রুপে মেল করত। প্রতিটি ব্লকের ভলান্টিয়াররা আলাদা করে তাদের ব্লকের ড্রাই ওয়েস্টের ওজন করাত এবং সাথে সাথে হাতে ধরা ট্যাব বা ফোনে একসেল ফাইলে আপডেট করত সেই সপ্তাহে কোন জিনিস কত কেজি পাওয়া গেছে সেই ব্লক থেকে এবং তার এক কিলোর কত দাম এবং সেই জিনিসের জন্য মোট কত টাকা পাওয়া গেল।

    একটু উদাহরন দিই। ধরুন ব্লকের নাম বি ২ ।
    তা সেই বি২ ব্লকের ভলান্টিয়ারের এক্সেল ফাইলে সেই সপ্তাহে লেখা হল ঃ
    মেটাল ক্যান পাওয়া গেছে ৭ কেজি, কিলো প্রতি দর ১০টাকা, মোট ৭০টাকা
    দুধের প্যাকেট ৫ কেজি, কিলো প্রতি দর ৪টাকা, মোট ২০টাকা
    প্লাস্টিকের পেট বোতল ১০ কেজি, কিলো প্রতি দর ৫টাকা, মোট ৫০টাকা।
    নন পেট বোতল ১২ কেজি, কিলো প্রতি ৩ টাকা, মোট ৩৬টাকা
    কাঁচের বোতল ৫ কেজি, কিলো প্রতি দর ৫০ পয়সা, মোট আড়াইটাকা।
    .
    .
    .
    .
    .
    .

    এই ভাবে হয়তো সেই ব্লকের সেই সপ্তাহের মোট আয় দাঁড়িয়েছে তিনশোবাইশ টাকা, কন্ট্রিবিউট করেছে মোট ২২টি পরিবার। এবার কাকে কত টাকা দেবে, দাও!

    কিছু ভলান্টিয়ার এই অদ্ভুত দাবীতে খচে গিয়ে রুদ্ররূপ ধারণ করল। তাদের সাফ কথা - অত যদি টাকার হিসেব, তবে এসো, আমাদের সাথে দাঁড়াও, নিজের প্রতিটি জিনিস কত গ্রাম ওজন করে নিয়ে এসে আমাদের দাও, আইটিসির ওজনযন্ত্রের সাথে মিলিয়ে নাও, হাতে হাতে টাকা নিয়ে বাড়ি যাও। কিন্তু তোমাদের এই অসভ্যতায় আমরা এই ড্রাইভ বন্ধ করে দেব, ভেবো না।
  • byaang | 132.167.124.62 | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৫ ২২:৪২547959
  • তবে উপরের এই হিসেব এবং বিভিন্ন জিনিসের বিভিন্ন দর এটা পুজোর পরের কথা।

    পুজোর সময়ে এক সপ্তাহ ধরে একটা ড্রাইভ করা হয়েছিল। প্রতিদিন সকাল সাতটা থেকে বেলা একটা অব্দি ভলান্টিয়াররা নিজের নিজের ব্লকের ডাস্টবিনের পাশে দাঁড়িয়ে থাকত। যেই কোনো কাজের লোক ডাস্ট বিনে ময়লা ফেলতে আসত, অম্নি তাদেরকে খুলে দেখাতে বলা হত, সেগুলো সেগ্রেগেটেড ওয়েস্ট কিনা। মিকস্ড ওয়েস্ট পাওয়া গেলে সেগুলো ডাস্ট বিনে ফেলতে দেওয়া হত না। "যাও ফিরে যাও, ফিরে গিয়ে আলাদা করে নিয়ে এসো, তবে ডাস্ট বিনে ফেলতে দেব। আর ড্রাই ওয়েস্ট তো ডাস্ট বিনে ফেলাই যাবে না।" বেলা একটার পরে ডাস্ট বিন সরিয়ে নেওয়া হত। যাতে সারা দিনে আর কেউ কিছু ফেলতে না পরে।

    এই কড়াকড়িটির ফলে ঐ এক সপ্তাহ পরে আমাদের ড্রাই ওয়েস্ট কালেকশনের মোট ওজন দাঁড়ায় তিন টন!!

    এবারে আইটিসিকে চাপ দেওয়া হয়, আমাদের বিভিন্ন ধরণের রিসাইক্লেবল ওয়েস্টের জন্য আলাদা আলাদা দর দিতে হবে, নয়তো দেব না। বেশ কিছু মিটিংয়ের পর আইটিসি রাজি হয় আমাদের কথায়। ফলে আমাদের আয়ও এক ঝটকায় অনেকটা বেড়ে যায়।
  • byaang | 132.167.124.62 | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৫ ২২:৫৭547960
  • পুরো টাকাটা যেত অ্যাসোসিয়েশনের অ্যাকাউন্টে, আর এক্সেল ফাইলে তো হিসেব রাখাই হত মোট কত টাকা দেওয়া হল অ্যাসোসিয়েশনকে।

    অ্যাসোসিয়েশন খুবই সহানুভূতি এবং উৎসাহ দেখাতে থাকে ভলান্টিয়ারদের প্রতি এবং নানাভাবে সাহায্যও করতে থাকে বিভিন্ন ধরণের খোঁজ খবর দিয়ে।

    আর এই বেয়াড়া কাজের মধ্যেও নানারকম মজা হতে লাগল। কয়েকজন ভলান্টিয়ার সত্যি সত্যি আস্তাকুঁড়কুড়ুনি হয়ে গেল, আয় এক ঝটকায় অনেকটা বেড়ে যেতে দেখে। তারা যেখানে যায়, সেখান থেকেই ব্যাগে করে ড্রাই ওয়েস্ট বয়ে আনে। কেউ হয়তো অন্য পাড়ায় বন্ধুর বাড়ি গেল ফেরার সময়ে ফিরে এল, কিছু কোল্ড ড্রিংকের বোতল, বার্গারের বাক্স, সসের স্যাশে, কাগজের ঠোঙা নিয়ে। কেউ হয়তো অন্য শহরে গেল ট্রেনে চেপে, ফিরেও এল, পুরো সফরে যতগুলো জলের বোতল ব্যবহার করেছিল একটাও ফেলে এল না, সুটকেসে ভরে নিয়ে এল, আপিসফেরতা ভলান্টিয়াররা তো রোজ নিজেদের আপিসের বিন থেকে যাবতীয় বাজে কাগজ, প্লাস্টিকের চামচ, পুরনো পেন, জেমস ক্লিপ ইত্যাদি কুড়িয়ে আনতে লাগল। সবারই উদ্দেশ্য একটাই। নিজের নিজের ব্লকের ড্রাই ওয়্স্টের ওজন বাড়িয়ে সেই ব্লকের লোকেরা কত ভালো সেগ্রিগেট করছে, তা প্রমাণ করা।

    একদিন এই করতে গিয়ে ভলান্টিয়ার গ্রুপের মধ্যেই লেগে গেল বেজায় চুলোচুলি।
  • Abhyu | 85.137.13.237 | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৫ ২৩:১৩547961
  • তারপর?
  • byaang | 132.167.124.62 | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৫ ২৩:২৭547962
  • পাড়ার সিকিউরিটি গার্ডদের সাথে এক ভলান্টিয়ারের ছিল বেজায় সুসম্পর্ক। সেই ভলান্টিয়ার থাকত বি৮ ব্লকে। তাকে তার ব্লকের সিকিউরিটি একদিন চুপিচুপি খবর দিল, "ম্যাডাম, সি৩-র একটা ফ্ল্যাটে চারটে ছেলে থাকত, রোজ রাতে মদ খেয়ে, হল্লা করত। একবার আমি গেছিলাম ঐ ফ্ল্যাটে হল্লা থামাতে, বারান্দায় অনেক মদের কৌটা দেখেছি। ওরা কাল রাতে ফার্নিচার, টিভি-ফ্রিজ নিয়ে অন্য কোথাও চলে গেছে। ছোকরা তো সব, বিয়ে থাওয়া হয় নি। নিশ্চয়ই ফ্ল্যাট পরিষ্কার করে যায় নি। যাবেন নাকি একবার?"
    "অ্যাঁ! তাই নাকি গোপাল! তা কত মদের কৌটা দেখেছ? বেশ অনেক?
    "হ্যাঁ ম্যাডাম, রাতে মদ খেত, সকালে আপিস যেত, মদের কৌটাগুলো সব বারান্দায় জমা করত। ফেলার সময় ওদের ছিল না। চলুন না ম্যাডাম, নিজে দেখে আসবেন।"
    "কিন্তু গোপাল, চাবি?"
    "চাবি তো ওদের ব্লকের সিকিউরিটির কাছেই পাবেন। আমিয় আপানাকে দেখলেই চাবি দিয়ে দেবে। চলুন ম্যাডাম, আমিও সাথে যাচ্ছি। অ্যাই , বুরানুদ্দিন তুই কিছুক্ষণ আমার ডেস্ক সামলা। আমি আর ম্যাডাম আসছি"

    কিছুক্ষণ পরেই দেখা যায় গোপাল দুই বস্তা, গোপালের ম্যাডাম এক বস্তা আর আমিয় এক বস্তা ঘষটে ঘষটে বি৮ য়ের দিকে নিয়ে আসছে। গোপাল আর গোপালের ম্যাডামের চোখে বিশ্বজয়ের আনন্দ। সবই ঠিক ছিল , কিন্তু বি৮ য়ের দোরগোড়ায় এসে সামনে পড়ে যায় বি১০য়ের ভলান্টিয়ার। সে সরু চোখে বস্তাগুলো দেখে বি৮য়ের ভলান্টিয়ারকে শঙ্খকন্ঠে জিগায়, "এগুলো কোত্থেকে আনলে? ঐদিক থেকে নিয়ে আসছ বি৮য়ের দিকে, মনে এগুলো তো বি৮য়ের নয়। কোত্থেকে আনলে?"
    বি৮য়ের ভলান্টিয়ারও কম যায় না, সে বলে "যেখান থেকেই আনি, তোর কী? ক্ষমতা থাকে তো তুইও যা না, যে আস্তাকুঁড় থেকে পারিস নিয়ে আয় তোর বি১০ য়ে আমি মানা করেছি নাকি? বি১০য়ে তো নিজের জমিদারি চালাস।" ইত্যাদি ।

    বি১০য়ের ভলান্টিয়ার কথা বার করতে না পেরে এবার গোপাল আর অমিয়কে শুধায় "কোত্থেকে এগুলো এল?"
    বি৮য়ের ম্যাডাম হি হি করে হাসতে হাসতে বিশুদ্ধ বাংলায় বলে "গোপাল, অমিয় এই ম্যাডাম তামিল, বাংলা বোঝে না, হিন্দিও ভালো বোঝে না, তোমরা বল, আমি পাড়ার বাইরে থেকে এনে, মেন গেটে এসে তোমাদের ফোন করেছি বয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য।"

    বেচারারা আমতা আমতা করতে থাকে। বি১০য়ের ম্যাডামও কি সহজে ছেড়ে দেওয়ার লোক, সে এবার প্রচন্ড সন্দেহকুটিল চোখে বি৮য়ের ম্যাডামকে বলে, "দাঁড়া দেখাচ্ছি।"

    সে এবার একে একে বি৭য়ের ভলান্টিয়ার, বি৬য়ের ভলান্টিয়ার, সি ব্লকের ভলান্টিয়ারদের ফোন করে বলতে থাকে বি৮য়ের ভলান্টিয়ারের সন্দেহজনক কীর্তিকলাপের কথা।

    বেজায় অশান্তি লাগে এবার ভলান্টিয়ারদের মধ্যে। অবশেষে টীমলিডার বলেন, "ওরে তোরা চুলোচুলি বন্ধ কর। একটা টাকাও তো আমরা পাই না, পুরোটা অ্যাসোসিয়েশনকে দিই। কোন ব্লক থেকে কোন ব্লকে এল, সেই নিয়ে চুলোচুলি করার কোনো মানে হয় না।"
  • byaang | 132.167.124.62 | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৫ ২৩:৪৬547963
  • "মদের কৌটা" মানে রাশি রাশি বিয়ারের ক্যান আর মদের বোতল। সেই সবই গোপালের কাছে মদের কৌটা।
  • শ্রী সদা | 113.16.71.15 | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৫ ২৩:৫৩547964
  • কী আশ্চর্য, বীয়ারের বোতল এত মূল্যবান জিনিস আগে জানলে আমি এক বস্তা দান করে আসতাম। আমি তোমাদের ডি-৩ র থার্ড ফ্লোরে ২১ দিন ছিলাম তো, বেশ কিছু ক্যান আর বোতল জমা হয়েছিল।
  • byaang | 132.167.124.62 | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৫ ২৩:৫৬547965
  • এসব অনেক আগের কথা। তুই তো এই গত বছর ছিলি, ততদিনে আর ড্রাই ওয়েস্ট নিয়ে আমরা চুলোচুলি করতাম না। তখন আইটিসির বদলে হাসিরু দল নিত।
  • Abhyu | 138.192.7.51 | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৫ ০০:০৮547966
  • ইন্টারাপ্ট না করেও তো পারি না - "ওরে তোরা চুলোচুলি বন্ধ কর।" - এতো দামী কথা অ্যাকনলেজ না করলে হয়? :)
  • Abhyu | 109.172.116.187 | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৫ ২২:৪৩547968
  • তার আর পর নেই?
  • Byaang | 233.227.11.157 | ০৭ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৩:২৬547969
  • আছে। লিখব।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
    • কি, কেন, ইত্যাদি
    • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
    • আমাদের কথা
    • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
    • বুলবুলভাজা
    • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
    • হরিদাস পালেরা
    • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
    • টইপত্তর
    • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
    • ভাটিয়া৯
    • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
    গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
    মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


    পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি মতামত দিন