• টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। যে কোনো নতুন আলোচনা শুরু করার আগে পুরোনো লিস্টি ধরে একবার একই বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে কিনা দেখে নিলে ভালো হয়। পড়ুন, আর নতুন আলোচনা শুরু করার জন্য "নতুন আলোচনা" বোতামে ক্লিক করুন। দেখবেন বাংলা লেখার মতো নিজের মতামতকে জগৎসভায় ছড়িয়ে দেওয়াও জলের মতো সোজা।
  • মৃত্যু পরবর্তী পারলৌকিক ক্রিয়ার

    de
    বিভাগ : অন্যান্য | ১৫ মার্চ ২০১২ | ১৬০ বার পঠিত
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1 | 2
  • PT | 203.110.246.230 | ১৮ মার্চ ২০১২ ১৩:৩৮534829
  • RR
    আমার মনের কথাটাই বললেন। সমস্ত পারলৌকিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেও সম্পুর্ণ অবিশ্বাসী থাকা যায়। মন্ত্রোচ্চারণ করলেই কি পরোলোকে বিশ্বাস করা হয় নাকি? পারলৌকিক কাজের এই সামাজিক দিকটিই আমি বোঝানোর চেষ্টা করছি। কেউ মানে না কিন্তু তার মা যদি মানে আর সেই মা যদি মৃত স্বামীর ""আত্মার স্বর্গবাসের" জন্য একমাত্র পুত্রসন্তান কে পারলৌকিক কাজ করতে অনুরোধ করে তবে সেই অনুরোধ রক্ষা কি পারিবারিক/ সামাজিক কাজ বলে গণ্য হতে পারেনা?
  • Siddhartha | 131.104.241.62 | ১৮ মার্চ ২০১২ ১৩:৩৯534830
  • আর আইডিয়ালি বাবা মায়ের দেহদান করা উচিত কি এই ভেবে যে বাবা মায়ের ইচ্ছে ছিল, না কি এই ভেবে যে এতে সমাজের একটা লাভ হচ্ছে?

    যদি প্রথমটা হয়, তাহলে চাপ হ্যাজ। আমার কোনো সামাজিক কমিটমেন্ট থাকল না, মৃত ব্যাক্তির ইচ্ছে পুরণের জন্য কাজটা করলাম।

    দ্বিতীয়টা হলে একদম আইডিয়াল। দু:খের ব্যাপার, সেটা কম-ই হয়। বরং উল্টোতাই দেখা যায়। বাবা দেহদানের অংঈকার করে গেলেও ছেলেপুলে দিতে চায় না।

    সেক্ষেত্রে তাকে সমালচনা কোন লাইনে করবেন, বাবার ইচ্ছে রাখেনি না কি কোনো সামাজিক সচেতনতা তৈরী হয়নি?

    চয়েস আপনা আপনা
  • dukhe | 117.194.233.47 | ১৮ মার্চ ২০১২ ১৩:৪৩534831
  • সমাজের লাভ তো শ্রাদ্ধেও হয় । কত লোকের পেশাটেশা । যেভাবে দেখবেন ।
  • Siddhartha | 131.104.241.62 | ১৮ মার্চ ২০১২ ১৩:৪৬534832
  • এটা নিয়ে তো কাউকে জোর করার কিছু নেই। যার পোষাবে করবে, যার পোষাবে না করবে না।

    শ্রাদ্ধ করলেই প্রগতিশীলতার সতীত্বে নিউমোনিয়া লেগে গেল-প্রগতিশীলতা অত ঠুনকো না।

    আমি করিনি আমার পোষায় না বলে.।অযে কোনো ধর্ম দেখেই ঝাঁ* জ্বলে। তার সাথে প্রগতি প্রতিক্রিয়ার কোনো রিলেশন নাই।
  • Siddhartha | 131.104.241.62 | ১৮ মার্চ ২০১২ ১৩:৫৬534833
  • মুশকিলটা হয় যখন নিজে বিশ্বাস করছি না কিন্তু সমাজের চাপে করতে হচ্ছে, বা মায়ের অনুরোধ। এগুলো একটু ইমোশনাল অতিয়াচার হয়ে যায়।

    আর সামাজিকতা অতি ডেঞ্জার টার্ম। খতরনাক। এর দোহাই দিয়ে অনেক ভুলভাল কাজে নিজের কন্স্যয়েন্সকে দাবিয়ে রাখা যায়।

    মানে, আপনি যদি বিশ্বাস করেন যে মৃত ব্যাক্তির ইচ্ছের প্রতি সম্মান জানানো উচিত, বা আত্মা আছে, তাহলে একশবার করুন।

    কিন্তু বিশ্বাস না করে, সমাজের চাপে পড়ে করলে তো মুশকিল। লোহার বাসরঘরে একবার ফুটো পেয়ে গেছে, এরপর আয়নাকোন্ডা ঢুকে গিয়ে নাগিন দেখাতে থাকবে
  • ranjan roy | 14.97.201.214 | ১৮ মার্চ ২০১২ ১৪:০২534834
  • অনেকটাই সিদ্ধার্থের সঙ্গে। যদি নিজে বিশ্বাস না করেন কিন্তু সমাজ বদলায়নি বলে---, তাহলে কোনদিনই বদলাবে না। কাউকে তো নিজের বিশ্বাসমত চলতে হবে।
    আল্টিমেটলি সেই কে কার কি কম্ফোর্ট জোন!
  • dukhe | 117.194.233.47 | ১৮ মার্চ ২০১২ ১৪:৪৮534835
  • কোনদিন নিয়ে ভাববেন কেন ? নিজের জীবদ্দশার বাইরে ভাবার তো কথা নয় ।
  • Du | 117.194.197.126 | ১৮ মার্চ ২০১২ ১৫:১৭534836
  • উল্টোটাও হয়েছে। বর্তমানের নামকরা বাঙালী অর্থনীতির প্রো: বাবা মা দুজনেই বাম বিশ্বাস রাখতেন না মৃত্যুপরবর্তী ধার্মিক ক্রিয়াকলাপে। বাবা মারা গেলে মা শুধু স্মৃতিসভা করেন, কিন্তু ছেলে পুরোনোপন্থী, পুরোদ্‌স্‌তুর নিয়ম মেনে শ্রাদ্ধ করলেন।
  • dd | 122.167.31.137 | ১৮ মার্চ ২০১২ ১৫:৩৬534837
  • ছোটোবেলায় (মিড ফট্টী পর্যন্ত্য)খুব রেগে যেতাম।

    ১% ধর্ম মানে না, পুরুত মানে না। কলার তুলে হাঁটে, বলে বেশ করেছি। কল্লোল যেমন, আমিও। কোনোরকম রিচুয়াল মানি নি। বিয়ে পিতৃ শ্রাদ্ধ, গৃহপ্রবেশ। হ্যান ত্যান। এক পুরোহিত বিবর্জিত পাঁজীহীন জীবন।

    আরেক ,অমনই ক্ষুদ্র সংখ্যক মানুষ রয়েছেন যারা বলেন "এই সবে আমি বিশ্বাস রাখি। এটা আমার কর্ত্তব্য, আমি নিষ্ঠা ভরে পালন করি।" এরাও বুক ফুলিয়ে হাঁটেন।

    আরেক এক বিশাল সংখ্যক মানুষ এইসব পালন করেন কিন্তু নানান গোঁজামিল কারন দেখান। যেনো নিতান্তো অনিচ্ছায় করছেন। এইসবে রেগে যেতাম, আর্লি ও লেট যৈবনে। এখন রাগি না।

    এসবেরও দরকার আছে, সকলেরই। আমরা কম বেশী সবাই নানান রিচুয়াল করি। সংস্কার মানি। খালি সবাই কিন্তু এসব গুলোকে যুক্তিবাদের দোহাই দেই না। বাচ্ছার জন্মদিনে কেক কাটি - কোনো যুক্তি নেই। শুধু ভালো লাগে বলে করি। বেশ করি।

    বয়স হলে কেমন সব নদীই সাগরে মিশে যায়।
  • PT | 203.110.246.230 | ১৮ মার্চ ২০১২ ১৬:০২534839
  • কিন্তু রিচুয়াল তো মেনেই চলেছে মানুষ। প্রতি বছর সন্তানের জন্মদিন করার দরকার কি - তাও সাহেবদের মত কেক কেটে আর হ্যাপি বাড্ডে গেয়ে। কিংবা বিবাহবার্ষিকী? নিতান্ত ব্যক্তিগত একটা ব্যাপারে গুচ্ছের মানুষ ডেকে বা পার্টি দিয়ে সেলিব্রেট করা -সেই বা কেমন ধারা? আর এদানিংএর ভ্যালেন্টাইন্স ডে? একরাশ লোকের মাঝখানে গিয়ে আদিখ্যেতা করার-ই বা কি মানে? নাকি এগুলো সাহেবরা করে বলে রিচুয়াল মনে হয়না!
  • dukhe | 117.194.227.216 | ১৮ মার্চ ২০১২ ১৭:৫১534840
  • ইন্টারেস্টিং হল - একদা আমাদের বিবিধ রিচুয়াল ছিল । সেগুলো পালন করার বিবিধ প্রথা ।
    ধরুন, বিয়ের আগে জল সইতে যাওয়া । গায়ে হলুদ । দুর্গাপুজোয় একেকদিন একেকরকম আচার । বিজয়া । নবান্নের উৎসব । সত্যনারায়ণ পুজো । বিভিন্ন ষষ্ঠী । গাজন । ইতুপুজো । টুসুভাদু । প্রত্যেকটার আলাদা রীতি । আলাদা খাওয়াদাওয়া ।
    এখন কেমন একটা স্টিমরোলার চালানো হয়েছে । উপলক্ষ যাই হোক - আমাদের সেলিব্রেশন মানেই ইসে আর পাঁঠা আর শেষপাতে আইসক্রিম। আর সঙ্গে বাজখাঁই শব্দ । সেই এক গান, এক খাবার, এক ইসে (এইটা ডিডিদা কনফার্ম করবেন)।
  • aka | 75.76.118.96 | ১৮ মার্চ ২০১২ ১৮:৪১534841
  • দুখে যে কি বলে। বিয়ে বাড়ির ৫০০-৬০০ লোককে ইসে? ও দু একজনেরই অমন পয়সা আছে।
  • dukhe | 117.194.227.216 | ১৮ মার্চ ২০১২ ১৯:০১534842
  • :)
  • dd | 122.167.20.119 | ১৮ মার্চ ২০১২ ১৯:০৫534843
  • হ্যাঁ।
    আমি তো এতাবৎ কালে কলকেতায় বাঙালী বিয়েবাড়ীতে ইসের কথা শুধুই শুনেছি, ।চোখে দেখি নি, তাই চেখেও দেখি নি। ৫০০-৬০০ ভেতো পাবলিককে ইসে খাওয়ানো - বেশ ধকের ব্যাপার। হ্যাপা সামলাবে কে? ধুতি টুতি নিয়ে একটা কেচ্ছা হবে।

    তবে লুরুতে বাঙালী বিয়েও ফুৎকারে আয়োজন করে হোটেল মোটেলে, ড্রিং ও থাকে। স্ট্যান্ডার্ড, গেলাসে গেলাসে হাপ পেগ হুইস্কি ঢালা থাকে,জল না সোডা? ভদকা থাকে তার সাথে ফ্রুট জুস আর লিমকা। আর মাগে করে বীয়ার। সিম্পল মেনু।
  • de | 120.62.174.254 | ১৮ মার্চ ২০১২ ২০:০৩534844
  • সময়াভাবের কারণে নানা রিচুয়াল,উৎসবের অতো ডিটেল পালন ধীরে ধীরে ঊঠে গেছে ও যাবে -- উৎসবের নানা রীতি ও প্রথার সৌন্দর্য্য স্বীকার করার পরও এটা সত্যি!

    আর আমার চারপাশে এমন অনেক মানুষজন দেখেছি বেঁচে থাকতে যাঁরা বাবা-মায়ের প্রতি ন্যূনতম কর্তব্যও পালন করেন না -- অথচ মারা যাওয়ার পরে শ্রাদ্ধ-অশৌচ ইত্যাদীতে নাম কেনার প্রচেষ্টা করেন। সম্ভবত অপরাধবোধ থেকেই এটা করা হয়।

    এছাড়াও আছে মুখাগ্নি -- আমার পরিচিত একটি বাচ্চা ছেলেকে মা মারা যাওয়ার পরে জোর করে এ কাজ করানো হয়েছিলো। এই পাশবিক প্রক্রিয়ার পর বহুদিন লেগেছিলো তার স্বাভাবিক হতে!

    সবমিলিয়ে হিন্দু সৎকারকার্য্য অত্যন্ত প্রিমিটিভ -- এখনো কি সময় হয়নি একটু ভেবে দেখার?
  • de | 120.62.174.254 | ১৮ মার্চ ২০১২ ২০:০৭534845
  • আর কেডিদাকে অনেকগুলো ক -- স্ত্রী চলে যাওয়ার পর যে স্বামীর অশৌচ হয় না এটা আমি জানতাম না। বছর দুয়েক আগে শ্বাশুড়ী মা মারা যাওয়ার সময় প্রথম দেখি! আমি বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গেছিলাম!
  • ranjan roy | 14.97.123.140 | ১৮ মার্চ ২০১২ ২০:৪০534846
  • De কে বড় করে ক। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অনেক অনুষ্ঠান অপ্রাসংগিক বা আজকের মূল্যবোধে অমানবিক হয়ে গেছে। ঝেড়ে ফেলা যাক।
  • dukhe | 202.54.74.119 | ১৯ মার্চ ২০১২ ১০:৩৩534847
  • সময়াভাবের মূল কথা বোধহয় বিনোদনের শিফট - অ্যাক্টিভ থেকে প্যাসিভ ইনভলভমেন্টের দিকে । আলপনা দিতে হলে খাটতে হবে, বাজার থেকে রেডিমেড কিনে লাগিয়ে দিন । জন্মদিনের খাবার? ক্যাটারারকে বলুন । কেক কিনতে পাওয়া যায়, পায়েস কোথায় কিনবেন ? বাদ দিন । নিত্যপুজোর হ্যাঙ্গামকে সান্ধ্য সিরিয়াল দর্শন দিয়ে রিপ্লেস করুন ।
    এ হল যুগের দাবি । সংস্কৃতির বিশ্বায়ন । ইউনিফর্ম এবং বোরিং ।
  • kallol | 119.226.79.139 | ১৯ মার্চ ২০১২ ১২:০০534848
  • ধর্মীয় নিয়ম বিশ্বাস করে যারা মানেন, তাদের নিয়ে হ্যাপা নেই। যারা নিয়ম মানেন না, ঝামেলা তাদের নিয়ে।
    সম্প্রতি বিয়ের ব্যাপারে দেখলুম। ছেলের ইচ্ছে শীতকালে বিয়ে করে। মানে মাঘ বা ফাল্গুনে। ওদিকে মাঘ তার মা-বাবার বিয়ের মাস, আর ফাল্গুন তার বাবার জন্মমাস। ছেলে অখুশী। বল্লে ওসব নিয়ম টিয়ম মানি না বিয়ের মাস, জন্ম মাস আবার কি? আমি ঘটনা চক্রে সেখানে ছিলাম। ছেলে জানে এ দেঁড়েলটা নাস্তিক। তাই আমায় মুরুব্বি মানলে। তা, আমি বল্লুম, সেতো ঠিকই অত মানামানির কি আছে, পৌষ বা চৈত্রে হোক না বিয়েটা। রেজিস্ট্রি করেই হোক। ব্যাস ছেলেটির মুখ গোমড়া। এই হলো সমিস্যে।
  • aka | 85.76.118.96 | ১৩ জুলাই ২০১২ ০৮:১৫534850
  • অন্যান্য অনেক টইতে শ্রাদ্ধ শান্তি নিয়ে কথা হচ্ছে তাই ভাবলাম একটু লিখি। লিখতে গিয়ে বাঁধো বাঁধো ঠেকছে তাও মনে হল লিখি। আসলে আমরা নিজেদের ইমোশন এত সাপ্রেস করতে শিখেছি যে এইরকম মনে হয়। দুঃখ কখনো প্রকাশ করতে নেই, গিলতে হয়, সব সময়ে আনন্দে আছি ভাব করতে হয়, ছেলে হলে তো কাঁদতে নেইই। একটু বুড়ো বয়সে বেশি বাবা মার কথা ভাবা বেসিকালি ক্যাবলামো। এই ধরণের বহুবিধ স্টিরিওটাইপিং আমার মধ্যেও আছে। অনেকেই জানেন কয়েকদিন হল আমার মা মারা গেছে। দীর্ঘ রোগভোগের পর, শেষ কদিন অসম্ভব যন্ত্রণা নিয়ে সেই মৃত্যু। আমার জীবনে প্রথম খুব কাছের লোকের মৃত্যু।

    চার বছর ক্যান্সারের সাথে যুদ্ধ করে ঘুণ ধরা শরীরে যখন পয়লা বৈশাখের দিন আবার নিউমোনিয়া ধরা পড়ল তখনই জানি এই বোধহয় শেষ। খুব সত্যি বললে আমি এবং বাবা দুজনেই চাইছিলাম এবারে শেষ হোক, যে সারাজীবন কষ্ট করে সবাইকে অ্যাকোমোডেট করেছে তার এত কষ্ট প্রাপ্য নয়। আর ক্যান্সারের সাথে লড়াই করতে করতে আমরাও সব দিক দিয়ে নিঃশেষিত ছিলাম। মার শেষ লড়াই তাই বাড়িতেই হয়েছে সদ্য পাশ করা আমার বন্ধু ডাক্তারদের সহযোগীতায়। যখন একবার নিউমোনিয়া সেরে আবার ধরল তখন আমি হাল ছেড়ে দিলাম। তখন দিনে আমার মাপের অক্সিজেন সিলিণ্ডার ৩ খানা করে লাগছে।

    তো এই অবস্থায় কি করা উচিত? যত তাড়াতাড়ি সম্ভব যাবেন। কিন্তু অন্যদিকে চাকরি আছে, বউয়ের চাকরির জন্য জাপান যাওয়া আছে যাকিনা বউ বা আমার মৃত্যু ছাড়া ঠেকানো সম্ভব নয়। বউ যখন জাপান যাবে তখন ছেলে আমার কাছে থাকবে তাই একটা নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে ফিরতে হবে। অনেকটা ছেলেবেলায় কষা অপ্টিমাইজেশনের অংকের মতন অবস্থা। এই কথা বাবাকে বলাতে বাবার মোদ্দা বক্তব্য যা দাঁড়াল তাহল শেষ দেখা না হলেও কাজ কম্মো করতেই হবে। কারণ হিসেবে বাবা বলল আমাকেই তো সমাজকে ফেস করতে হবে, আমি গেলে তুমি কি করলে তাতে আমার কিছু যায় আসে না। তো মায়ের মৃত্যু শয্যায় ছেলে ও বাপের মধ্যে কঠিন নেগোশিয়েশন শুরু হল কদিনে কাজ করা সম্ভব। শেষে আমি কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে চলে গেলাম। পৌঁছলাম এক রবিবার ভোরে। পড়েছি মৃত্যু পথযাত্রী ব্যক্তির সবথেকে বড় ভয় হল একা মৃত্যু বরণ করা। আরও পড়েছি সমস্ত অর্গান ফেল করার পরেও কানটা সজাগ থাকে। আমি পৌঁছে থেকে মায়ের হাত ধরে বলেছি - মা আমি এসেছি তুমি ঘুমোও, ঘুমোলে তুমি ভালো থাকছ। ফোনে আগের কদিনের আর্তনাদ শুনেছি। সেই তুলনায় সেদিন অনেক শান্ত। দুপুরে পেতিদিন সিডেটিভ এবং অক্সিজেন সিলিণ্ডার চেঞ্জ করার যুগপৎ সমস্যায় মা একদম হাতের মধ্যে মারা গেল। বোধহয় মরে শান্তি পেল, আর আমাকে চিরকালীন এক অদ্ভূত স্মৃতি দান করল।

    এরপর আমার স্মৃতি একদম ধূসর, কি হয়েছে খুব কিছু বুঝি নি। শেষে যখন নাভি এনে দিল দেখলাম সাথে রয়েছে কিছু হাড়। আয়রনি মায়ের ক্যান্সার ছিল অস্থিমজ্জায়। যে হাড় কিছুতেই সারানো গেল না, সেই হাড় পুড়লও না।

    সেদিন রাতে বাড়ি ফিরে ঘুম এলনা। আমারও না, বাবারও না। এপাশ ওপাশ করতে করতে এক সময়ে ভোর হল।

    অনেক লোক আসতে শুরু করল। আমাদের বন্ধু বান্ধব, আত্মীয় স্বজন কম নয়। সবাই এলো, একটু জড়িয়ে ধরল, দু এক ফোঁটা চোখের জল ফেলল। আমার শোক খানিকটা ভ্যালিডেটেড হল বলে মনে হল। কার কি মনে হয় জানি না, কিন্তু আমার কাছে এটা ট্রমা - বিরাট ট্রমা। অনুভূতিগুলো এক্বারে অন্যরকম, আগে কোনদিন এরকম অনুভূতি হয় নি। আমি নিজে নন-বিলিভার বোধহয় একটু হার্ডকোর, তাও ভাবতে ভালো লাগল যে অন্য কোথাও মা ভালো আছে। যদিও কগনিটিভলি আমি আমার চিন্তা যস্টিফাই করতে পারি না। সেই সময়ে মায়ের শ্রাদ্ধের জন্য বন্ধু বান্ধবদের আসা যাওয়া আমাকে পুরো ট্রমাটার সাথে মানিয়ে নিতে সাহায্য করেছে, খুব প্রবল ভাবে। যা নিতান্তই কঠিন নেগোশিয়েশন হিসেবে শুরু হয়েছিল শেষে দেখলাম সেই অনুষ্ঠান আমাকে হেল্প করল ট্রমাকে খানিক কমাতে।

    নীচের ডকুমেন্টটি মার শাদ্ধানুষ্ঠানে আমি সবাইকে দিয়েছি। কিছু গ্রামাটিকাল ভুল আছে। এছাড়া যদি কোন টেকনিকাল ভুল চোখে পড়ে জানাবেন প্লিজ। আমার উদ্দেশ্য এই ডকুমেন্টি আরও বড় করে লেখা। এটি এক পাতার ডকুমেন্ট, সবার উদ্দেশ্যে।
    http://dl.dropbox.com/u/53637644/Maa%20-%20Cancer%20Document%20V10.pdf
  • aka | 85.76.118.96 | ১৩ জুলাই ২০১২ ০৮:২৫534851
  • এই মৃত্যুর পরে তুমি ভুত হয়েছ, এবারে পিণ্ডি গিলে মানে মানে কাটো, বা পয়সা খরচ করে লোকজন খাওয়ানো আমি নাই করতে পারতাম। সবথেকে চাপ হত এক বৃদ্ধ লোকের। আর আমার ইনিশিয়াল ট্রমাটা বোধহয় আর একটু বাড়ত।
  • i | 147.157.8.253 | ১৩ জুলাই ২০১২ ০৮:৩৭534852
  • সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা আকার সঙ্গে অনেকখানি মেলে। আমিও একটি চিঠি তৈরি করছি-উদ্দেশ্য একই । সচেতনতা বাড়ানো। খবরের কাগজে পাঠানোর ইচ্ছে। ওখানে ছাপা না হলে বা আংশিক হলে এখানে লিখে দেব।
  • a x | 109.53.143.128 | ১৩ জুলাই ২০১২ ০৯:২৫534853
  • আমার বাবা মারা যান আমার এমএসসি পার্ট ওয়ান পরীক্ষা চলাকালীন। প্রতিদিন পরীক্ষা শেষে নার্সিং হোমে যেতাম। শেষে প্র্যাক্টিকাল পরীক্ষার দিন সকালে ঘাট-কাজ নামক একটি জিনিস করে পরীক্ষা দিতে যাই। পুরোটাই করেছি মেকানিকালি, একবিন্দু কাঁদিওনি, কিছু অনুভূতিও ছিলনা। খালি যেদিন "কাজ" হয়, সেদিন আর পারিনি, বাড়ি ভর্তি লোকজন, ছোট বাচ্চারা খেলে বেড়াচ্ছে, লোকে ইন্স্ট্রাকশন দিচ্ছে কি করতে হয়, কি করা উচিৎ ইত্যাদি। আমার অসহ্য লেগেছিল। এই পৃথিবীটা যে আমাকে সবচেয়ে বেশি চেনালো, সেই লোকটা চলে গিয়ে কারো যেন কিছুই এসে যাচ্ছেনা, সে যে নেই, সেই নেইটুকুও আমাকে অনুভব করার জায়গা ও সময় দিতে এরা রাজি নয়। এই রিচুয়াল সর্বস্বতা আমার খুবই নির্মম লাগে। শোককে আমি ঢাকতে চাইনা, যে গেছে তার জীবনকে, তার না থাকাকে আমি বুঝতে চাই। একা একা। একটু আড়াল চাই।
  • | 60.82.180.165 | ১৩ জুলাই ২০১২ ১১:০২534854
  • আমার মার চলে যাওয়াটা হঠাৎই- কোনো প্রস্তুতি ছাড়াই। দশ মিনিটের মধ্যে একটা মানুষ আছে থেকে ছিলো হয়ে গেলো। মার মৃত্যুর সময় বাড়িতে আমি ছাড়া আর কেউ ছিলো না। দাহ শেষ করে সবাই যখ্ন বাড়ি ফিরে এলো,একটা ভোঁতা অনুভূতি ছাড়া আর কিছুই ছিলো না। কান্নাটান্না তেমন পায় নি।পরদিন ভোরবেলা বাড়ির বারান্দায় দেখি বাবা চুপ করে দাঁড়িয়ে আছে- বাবাকে দেখে সেই প্রথমবার আমি মা নেই এই বোধটার মুখোমুখি হলাম। তারপর বাড়িতে অবিরাম লোকজনের যাতায়াত- মা মারা যাবার পরে বুঝেছি, শোকের বাড়িতে যারা আসে,তাদের একটা বড় অংশ শোকার্ত লোকগুলোকে এক ধরণের স্বস্তি দেয়। আমার একদল বন্ধু পালা করে সারাদিন আসতো, সকাল,দুপুর,রাত্তির- নানা গল্প, ছোটখাটো মজায় আমাদের অল্প হলেও ভুলিয়ে রাখতো। সব্কিছু মিটে যাবার পর যখন বাড়ি খালি হয়ে গেলো- আমাদের রোজকার জীবনে মা না থাকার সেই ধাক্কা খুব জোরে জোরে লাগতে শুরু করলো। একটা লোক যে চিরকালের মত চলে গেছে,আর ফিরবে না- এই জিনিস হজম করতে হয় একেবারে একা একা। সেখানে কারুর জায়গা নেই।
    কিন্তু ঐ দুঃসহ সময়ে বন্ধুদের উপস্থিতি ভাবলে আমার এখনো মনে হয়, ওর না থাকলে সেই কদিন বোধহয় কাটিয়ে উঠতে পারতাম না।
  • রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য্য | 233.223.128.230 | ১৩ জুলাই ২০১২ ১১:৪৩534855
  • আত্মা আছে কি নেই, সেটা বিতর্কিত ব্যাপার ! তবে, হঠাৎ করে নিজের বাবা বা মা অথবা নিকট কোনো আপনজন চলে গেলে একটা “ অসহায়” বোধ কাজ করে।
    সেই সময়ে, বন্ধু- বান্ধব বা আত্মীয় স্বজনের উপস্থিতি, নিজেকে একা থাকতে দেয় না ! এটা কিছুটা হলেও স্বস্তি দায়ক ।
    যাঁরা আমাদের পৃথিবীর আলো দেখিয়েছেন, বুকে আগলে বড় করেছেন, নানারকম বিপদ থেকে আমাদের অজান্তে বাঁচিয়েছেন, তারা চলে গেলে মনে হয় একটা বিশাল নিরাপত্তার ছায়া মাথার ওপর থেকে চলে গেল ।
    আমার মা- বাবা চলে গেছেন অনেকদিন হল । এখন আর শোকের আবহাওয়া নেই !
    মাঝে মাঝেই মা-বাবার ফোটোর দিকে তাকালে ভেসে আসে- বাবার উদাত্ত গলার হাসি আর স্ত্রোত্র পাঠ ! মনে মনে শুনতে পাই ।
    গভীর রাতে আমার ভাত আগলে বসে থাকা মায়ের ঘুমে ঢুলু ঢুলু চোখ !
    আরও মনে পড়ে:-
    আমাকে, বাড়ী থেকে যখন পুলিশে টেনে হিঁচড়ে যখন টেনে নেবার চেষ্টা করছে- বাবার আইনি তর্ক আর মায়ের চোয়াল শক্ত মুখ !
    ছাড়া পেলে, বাবার কথা :- আমি তোর রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না, কিন্তু এটা বিশ্বাস করি, তুই খারাপ কাজ করছিস না !
    মায়ের কোনো স্বান্তনা ছিল না, ছিল হাসি ভরা মুখ । ঝিঙ্গে – পোস্ত তৈরি করে ভাত বেড়ে খাওয়ানো ! সঙ্গে মাত্র দুটো কথা – ছোটো বেলায়, বাবা তোকে এর থেকে বেশী মারে নি !
    এখন এগুলো স্বপ্ন হলেও সত্যি !!
  • শ্রাবণী | 134.124.86.27 | ১৩ জুলাই ২০১২ ১২:১১534856
  • শোকের বাড়িতে এই লোকের আনাগোণা, তাদের স্বাভাবিক কথাবার্তা, আলোচনা এমনকি এই নানা অনুষ্ঠান আচার অনেকটাই শোক ভুলতে সাহায্য করে বলেই করা হয়.....এমনটা মা বলেছিল, বাবা মারা যাবার পর। সেই আমাদের প্রথম কোনো অতি প্রিয়জনের মৃত্যু, গ্রামে গিয়ে শ্রাদ্ধানুষ্ঠান হয়েছিল, কারণ আমাদের বিরাট পরিবার, জ্ঞাতি সবার অশৌচ, সবার অনেক করণীয়।
    প্রথমে বিরক্ত হলেও, সবার মাঝখানে গিয়ে, এতলোকের মাঝে শোকটা ভাগাভাগি হয়ে গিয়েছিল, কিছুটা হয়ত সহনীয়ও......অনেক চেনা অচেনা দুর থেকে আত্মীয় স্বজন আসছিল, বাবাকে নিয়ে অনেক গল্প বলত তারা, অনেক ঘটনা, সর্বক্ষণ তাকে নিয়ে কথা, কিন্তু সেসব শুনতে ভালো লাগছিল!
  • de | 213.197.30.2 | ১৩ জুলাই ২০১২ ১২:১৫534857
  • আকার লেখাটা পড়ে মনটা ভার হয়ে গেলো ---
  • শ্রাবণী | 127.239.15.102 | ১৩ জুলাই ২০১২ ১২:২৭534858
  • মায়ের মৃত্যু বেশ হঠাৎই (বাবারও প্রায় তাই) এবং একই তারিখে, তখন কলকাতায়....গ্রামে যাওয়া হয়নি, অত সময় কারোর নেই, মায়ের আত্মীয়রা আসছিল কিন্তু সেভাবে নয়, সেই গ্রামের ঐ বৃহৎ পরিবারের মত, দুরের অনেকেই চাইলেও আসতে পারেনি, শ্রাদ্ধের দিন ছাড়া........শহরে লোকের সময় কম.....এমনকি আমাদেরও মাঝে ফিরে আসতে হয়েছে, অফিস যেতে হয়েছে.....
    খুব লেগেছিল, সামলাতে সময় লেগেছিল, আমি তো দশ কেজি লুজ করেছিলাম, ডাক্তার দেখাতে হয়েছিল.....কেন জানিনা, অফিসে বা কাজের জায়গায় আশেপাশে লোকে সহানুভূতি জানালে একদম কিছু ভালো লাগত না, আরো খারাপ লাগত, অথচ কলকাতায় থাকাকালীন দিদারা, মাসি, মামী এসে মায়ের কথা বলত তখন ভালো লাগত, ভুলে থাকতাম!
  • de | 190.149.51.67 | ১৩ জুলাই ২০১২ ১২:৩৩534859
  • শ্রাবণী,

    হয়তো সব আত্মীয়স্বজনের মাঝে খানিকটা ভুলে থাকা যায় -- কিন্তু সবাই তো একরকম হয় না -- বেশীর ভাগ সময়েই এতো বেশী ইন্সট্রাকশান আর সেগুলো না মানলে বাঁকা কথা শুনতে হয় যে তখন মনে একটু চুপ করে থাকতে পারলে বেশ হতো!
  • শ্রাবণী | 134.124.244.107 | ১৩ জুলাই ২০১২ ১২:৪২534861
  • যতদিন একসাথে ছিলাম, আমাদের প্রিয় সময় ছিল সন্ধ্যেবেলায় দাদারা কিসব করে টরে খাবার খেয়ে ঘরের ঢালাও পাত বিছানায় বসত রেস্ট নিতে, আর আমরা সবাই এসে বসতাম, বাচ্চারা বৌ মেয়েরা......
    দাদা মা বাবাকে নিয়ে কত গল্প বলত, শুধু সেই জানে (বড় বলে), মজার ঘটনা, সিরিয়াস, ওদের স্ট্রাগলের কথা, যা আগে শুনিনি, যেগুলো দাদা আগে কখনো বলেনি, হয়ত এভাবে কোনোদিন বসাই হয়নি, আমরা আছি সবাই অথচ তারা নেই।
    তাই ভাবি এই সব নিয়ম আচার না থাকলে এভাবে ঐ কদিন ওরকম একটা সময়ে একসাথে থাকা হতনা। যে যার ঘরে ফিরে আমরা প্রত্যেকে কিছু না কিছু ভাবে ভুগেছি। আমার তো এক বছরেরও বেশী লেগেছিল মোটামুটি ঠিক হতে, স্বাভাবিক হতে!
  • TikluT | 34.7.46.251 | ১৩ জুলাই ২০১২ ১৩:৫১534862
  • আমার মায়ের চলে যাওয়া একদম হঠাৎ। মা দুপুরে খেয়ে শুয়ে শুয়ে ফোনে অনেকক্ষণ মায়ের বোনদের সঙ্গে গল্প করে। তার আগে, মায়ের সকালবেলা, আমার সাথে কথা হয়েছিল। তারপর দুপুরে কথা শেষে খবরের কাগজ পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে পড়ে। সেদিন একটি বিশেষ দিন ছিল, দুপুরে খাওয়া দাওয়া বেশ অনিয়মের হয়েছিল। মায়ের বেশ অ্যাসিডের ধাত ছিল। শুনলাম ইলিশ মাছ, মাটন, ফ্রায়েড রাইস, চালতার অম্বল, ঘরে পাতা দই, এই সব খেয়েছিল মা। রাঁধতে, খেতে ও খাওয়াতে মায়ের সমতুল্য এযাবৎ আমি আর দেখিনি। অ্যাসিডের জন্য মা সাধারণত বেশ simple ই খেতেন। সেদিন কেন অমন খেলেন, জানিনা। ঘুমের মধ্যে মায়ের হঠাৎ নিশ্বাস আটকে যায়। বাবাকে দেখাশোনা করার মেয়েটি পাশের ঘরে সোফাতে শুয়ে ঘুমোচ্ছিল, সে শব্দ শুনে মায়ের ঘরের দিকে তাকিয়ে দেখে মায়ের এই অবস্থা।

    আমার কাছে ফোন আসে রাত ৩টে ২০তে। তারপর দুঃস্বপ্নের দিন গুলো যে কিভাবে কেটে গেল, সে স্মৃতি ধুসর।
    আর জন্মেরও আগে থেকে এই অবধি প্রতিটি মুহূর্তে যে জড়িয়ে ছিল আমার জীবনে, তার বিচ্ছেদ ব্যথা যে কিরকম, তা তো আর লিখে প্রকাশ করা যাবেনা। তবে শোক আমি কারোর সাথে "ভাগ" করতে চাই না। প্রতিটি মানুষের শোক তার একান্ত নিজস্ব, তাকে ভাগ করা যায় না।
    বড় ভাল লাগল এই কথাটা "শোককে আমি ঢাকতে চাইনা, যে গেছে তার জীবনকে, তার না থাকাকে আমি বুঝতে চাই। একা একা। একটু আড়াল চাই"।
  • san | 24.99.164.232 | ১৩ জুলাই ২০১২ ১৮:২৫534863
  • আমার নিজের খুব তীব্র অশ্রদ্ধা ছিল এইসব রিচুয়াল বিষয়ে। কিছুদিন আগে বাবা চলে যাবার পরে আমি কিছু মানিও নি। কিন্তু একটা কথা আমার লিখতে ইচ্ছে করল। আমার আপত্তি সত্ত্বেও আমার মা এবং কাজিনরা অশৌচ ও শ্রাদ্ধ করছিলেন , তা শ্রাদ্ধের ব্যবস্থাপনার জন্য যে দৌড়োদৌড়ি/কেজো আলাপ আলোচনা/ উদ্যোগ ব্যস্ততা সেগুলোতে তো আমি ইনভলভড ছিলাম - সেগুলো কিন্তু আমাকে শোক ও শূন্যতা থেকে বেরিয়ে আসতে প্রচন্ড হেল্প করছিল দেখতে পেলাম । আগে ভাবিনি।অনেকটা ধরি মাছ না ছুঁই পানি গোছের সিচুয়েশন শুনতে লাগলেও এটুকু না স্বীকার করা অন্যায় হবে। অবশ্য আমাকে আমার মত না থাকতে দিলে এর সঙ্গে একটু বিরক্তি মিশত কিনা জানিনা

    যা হোক শ্রাদ্ধের দিন আমি আলাদা করে কিছু বিষাদ বোধ করি নি , ব্যস্ততার মধ্যে ছিলাম।করলাম তার দুতিনদিন পরে - গাছপালা ছিল বাবার প্রাণ - নিজে সুস্থ অসুস্থ যেমনই থাক গাছের যত্ন-আত্তি চলবেই , বাড়ি গেলে প্রথমেই বারান্দায় নিয়ে গিয়ে দেখানো কোথায় নতুন ফুল ফুটল, কোথায় নতুন পাতা গজাচ্ছে, কাঠবেড়ালিরা নাকি দুটো কুঁড়ি খেয়ে ফেলেছে ....

    বাবা চলে যাবার পরে যেদিন প্রথম বারান্দায় গিয়ে দেখলাম একটা নতুন ফুল ফুটেছে , আমি আর মা কেউ অনেকক্ষণ কোন কথাই বলতে পারি নি - মনে হল জীবন কী নিষ্ঠুর - সেদিনের অনুভূতি বোধ হয় বাবার মৃত্যুর দিনেও হয় নি
  • শ্রাবণী | 69.94.99.27 | ১৩ জুলাই ২০১২ ১৯:৫৩534864
  • স্যান,
    :((
    বাবা মারা যাওয়ার সময় দাদা বিদেশে ছিল....একা..আমার দাদা বড় হওয়া থেকে আর মন্দিরে উঠতনা, কিছুতে বিশ্বাস করত না, বিয়ের সময় শর্ত দিয়েছিল, যদি রেজিস্ট্রি করে বিয়ে হয় তো করবে, অ্যারেঞ্জড ম্যারেজে আজ থেকে বেশ অনেকবছর আগে দু পরিবারের পক্ষে মেনে নেওয়াই খুব অসুবিধে ছিল, তবু হয়েছিল, বাবার সঙ্গে দাদা ছিল বন্ধুর মত।

    বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে সেই দাদা ফোনে কেমন একটা গলায় বলেছিল, "আমি কী করব? কী করার আছে আমার? মা বল, এখানে রামকৃষ্ণ মিশনে গিয়ে করব"।
    দাদা এখনও কিছু পাল্টায়নি, এখনো কিছুই মানেনা বিশ্বাস করেনা, সব কিছু নিয়েই প্রচুর পড়ে তবুও(সেসব আলাদা কথা)........মা বলেছিল, "তোমায় কিচ্ছু করতে হবেনা, বিদেশে অসুবিধে হবে, তোমার নাম করে এখানে সব হবে"......
    আমি পরে দাদার সঙ্গে এনিয়ে অনেকবার মজা করেছি, প্রশ্ন করে রাগাতে চেয়েছি, দাদা হেসেছে, কোনো সাফাই দেয়নি, তবে পরে মনে হয়েছে, কী জানি হয়ত সে সময় দাদার খুব অসহায় মনে হয়েছে নিজেকে, দুর্বল হয়ে পড়েছে, বাবার সঙ্গে খুব ক্লোজ ছিল....হয়ত বা মার কথা ভেবে মা একটু শান্তি পাবে ভেবে ওরকম বলেছিল, কে জানে!

    এই জিনিস গুলোকে বিশেষ করে যেখানে প্রিয়জনেরা ইনভল্ভড ঠিক সহজ যুক্তিতে বুঝতে পারিনা, বোঝানো যায়না.....অন্যের হলে অনেক কিছু বলতে পারি কিন্তু নিজের বেলায়.....!
    তবে অবশ্যই এসবের মধ্যে বাড়াবাড়ি দেখলে খারাপ লাগত বা বিরক্ত হতাম, যে কেউ হবে....কিন্তু আমার দুটি ক্ষেত্রে খুব কিছু বাড়াবাড়ি কোথাও দেখিনি সেরকম, কারো খুব অসুবিধে করে কিছু করানো হয়েছে এরকম হয়নি, হলে নিশ্চয়ই খারাপ লাগত!
    বরং দেখেছি সবাই কিছু করতে চাইছে (দাদার মত)...যদি সেভাবেই শ্রদ্ধা জানানো যায়।
    গ্রামে একটা নিয়ম আছে চোদ্দ পুরুষের বেশী হয়ে গেলে তাদের আর অশৌচ পালতে হয়না, কিন্তু আমাদের পাড়ার সবাই অশৌচ পালন করেছিল, তার আগে মায়ের কাছে এসেছিল বলতে যে ওরা এটা করতে চায়!
    বাবা মারা গেছে প্রায় তিরিশ বছর হলো, দাদা কিছুদিন আগে বলছিল, "আমি তো বাবাকে প্রায়ই স্বপ্নে দেখি, নানা কথা হয়"। তখন খুব খারাপ লাগছিল, যদিও সে হেসেই বলেছিল। আমি ভাঅলাম দাদার বোধহয় তখন সেইসব হয়েছিল যা আমার হয়েছিল মায়ের সময়, আমার চারপাশে অনেকে ছিল, তারা সামলেছে, অচেনা জায়গায়দাদার পাশে আপন কেউ ছিলনা সেই সময়!
  • a x | 138.249.1.194 | ১৩ জুলাই ২০১২ ২১:৪৭534865
  • আরে স্যান! কত্তদিন পরে!! কেমন আছ?
  • ডিডি | 132.167.47.122 | ১৩ জুলাই ২০১২ ২৩:৩৯534866
  • উচিৎ নয়। উচিৎ নয়।
    এমন মন খারাব করা আলোচোনায় এমন মন নিংড়ানো স্মৃতিকথনে অভব্য ফুট কাটা।

    তথাপি - স্যান ফিরে আসায় বেদম উল্লসিতো হলাম। সেটা না জানিয়েও পারছি না।
  • ranjan roy | 24.99.24.196 | ১৩ জুলাই ২০১২ ২৩:৪৪534867
  • স্যান, শ্রাবণী, আকা, অক্ষ-- সবার লেখাগুলো মন দিয়ে পড়েচি। অনুভূতির কতগুলো স্তর, কত রকম পরিস্থিতি ও পরিস্থিতিজন্য প্রতিক্রিয়া! সব মিলে মিশে বিচিত্র অনুভূতি।
    অক্ষের কথাটা আমারও, আমার ব্যক্তিগত শোক কারো সঙ্গে শেয়ার করতে চাইনা। কিন্তু শ্রাবণীর মত ঘনিষ্ঠদের কথাবার্তায় আমিও একটু রিলিফ পেয়েছি--অস্বীকার করতে পারিনা।
    আমার সিংহহৃদয় বাবা ভিলাই প্ল্যান্টের মধ্যে মেদিনীপুর থেকে আসা গাঁয়ের ছেলেটিকে বাঁচাতে গিয়ে অ্যাকসিডেন্টে মারা গেলেন।
    ( দাদু বরাবর আমার ভীতুপনা-ভূতের ভয়, আরশোলার ভয় দেখলে বলতেন--এইডা সিংহের ঘরে শিয়াল জন্ম নিছে।)
    সিদ্ধান্ত হল কেউ কিছু করবে না, শুধু মায়ের মুখ চেয়ে আমাকে শহীদ হয়ে অনুষ্ঠান করতে হবে, তবে ব্রাহ্মণভোজন-শ্রাদ্ধের খাওয়ানো বাতিল। শ্মশানবন্ধুদের মিষ্টি খাওয়ানো হবে। তাই হয়েছিল। আমার সামনে যখন মর্গে ডোম বাবার পেট-বুক চিরে ভেতর পরিস্কার করে সেলাই করল বা খুলি কাটল ঠন-ঠন শব্দ করে একটু বোদা মতন অনুভূতি হয়েছিল।
    অক্ষের মত একা থাকতে চাইছিলাম।
    তবু যখন কোলকাতা থেকে মেজকাকা এসে আমাকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে বলল--- ওরে, তোর বাবা শুধু তো আমার বড়দা নয়, আমার বাবার মত বটগাছের মত ছিল। আজ দ্বিতীয় বার পিতৃহারা হলাম রে।
    তখন আমি ভেঙে পড়লাম। কিন্তু আস্তে আস্তে দ্রুত স্বাভাবিক হলাম। এর সাথে পারলৌকিক ক্রিয়ার কোন সম্পর্ক নেই। শ্রাবণীর মত ঘরের লোকজনের সঙ্গে মৃত আপনজনের স্মৃতিচারণে শোক হালকা হয় বলে বিশ্বাস করি।
    একবছর ক্যান্সারে ভুগে ছোটভাই কোলকাতায় ভোরে হাসপাতাল যাওয়ার পথে ট্যাক্সিতে আমার কোলে রক্তবমি করতে করতে মারা গেল। তখন আমার এবং পরিবারের অবস্থা আকার মতন।
    কিছু ভাল লাগছিল না। কাকার কথায় ওনার সঙ্গে কালীঘাটে গিয়ে নমো-নমো করে কিছু একটা করলাম। কোন শ্রদ্ধা হয় নি, ভালো লাগে নি।
    কয়েকবছর আগে সেই কাকা নিজে ব্লাড-ক্যান্সারে খুব তাড়াতাড়ি চলে গেলেন। ওঁরা নিঃসন্তান। কাকিমা কোন জোর করেন নি। সেঅটাই মুশকিল হল।
    ভাই বলল- দাদা, এই শেষবার। এবার গৌড়ীয় মঠে তুই সামলে দে। আর কখনো বলবো না। অনুষ্ঠান হল। কিছুই ভাল লাগে নি। শুধু যখন পুরোহিত বল্লেন-- কল্পনা করুন আপনার কাকাকে আপনি আদর করে আসন পেতে বসিয়ে ওনার পছন্দ মতন খাওয়াচ্ছেন তখন আমার মনে পড়ল উনি আমাদের সংযুক্ত পরিবারের স্ট্রাগলের দিনে মাইনে পেলে ছোটদের কতরকম ফল-মিষ্টি খাওয়াতেন, স্ঘিশুসাথী- দেব সাহিত্য কুটিরের পূজোবার্ষিকী কিনে দিতেন।
    আমার চুঁচড়োর মার্ক্সিস্ট দাদা মায়ের শ্রাদ্ধ করলেন। অবাক হয়েছিলাম, কিছু বলিনি।
    কিন্তু গতবছর নিজে ক্যান্সারে মারা যাবার সময় ছেলেকে শ্রাদ্ধ না করে সেই পয়সায় পাশের সরকারী প্রাইমারি স্কুলে বাচ্চাদের পানীয় জলের সমস্যা মেটাতে পাম্প ও ট্যাংক করে দিতে বল্ল্বেন।
    ভাইপো তাই করল। পরে খবরটা টেলিগ্রাফে বেরল যে ইচ্ছে থাকলে উপায় হয়। মিউনিসিপ্যালিটি থেকে বিশবছরে এই সমস্যার সুরাহা হয় নি। একজন রিটায়ার্ড ক্লার্ক কাজটা করে দিয়ে গেল।
    আর শ্রাদ্ধ করব না। আমার মায়ের জন্যেও না, নিজের জন্যে না করে ---।
  • সিকি | 132.177.2.130 | ১৪ জুলাই ২০১২ ০০:৩৫534868
  • রাজদীপ কি এখানে কিছু লিখবে?
  • Nina | 78.34.167.250 | ১৪ জুলাই ২০১২ ০৮:২৬534869
  • আকা
    তোমাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ----তোমার চেষ্টা কতলোকের যে কত উপকার করবে----ভাল থাক। ভাল রাখ।
  • san | 24.99.207.133 | ১৪ জুলাই ২০১২ ০৮:৩৩534870
  • অক্ষদি ভাল আছি।

    ডিডিদা ঃ-)
  • aka | 85.76.118.96 | ১৪ জুলাই ২০১২ ০৮:৩৫534872
  • নীনাদি থ্যাংকু। সবাইকে বললাম, চাইলে ডকুমেন্টটি যেখানে হোক শেয়ার করতে পারেন, আমাদের কোন আপত্তি নেই।
  • | 24.99.90.4 | ১৪ জুলাই ২০১২ ০৯:১৩534873
  • স্যান ,খুব ভালো লাগলো তোমাকে দেখে। এখন কলকাতা তেই আছো তো?
  • de | 130.62.177.197 | ১৪ জুলাই ২০১২ ১২:৫৭534874
  • স্যান,

    খুব খারাপ লাগলো এই খবরটায় , ভালো থেকো আর মাঝে মাঝে এসো, লিখো।
  • LADNOHC | 37.97.252.209 | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১০:২৯534875
  • "ব্রাহ্মণায় নমঃ ও ব্রাহ্মণায় দদামি"
    নিয়ে কিছু কথা নেই......
    যাইহোক, টইটা তুললাম।
  • pi | 172.69.135.111 | ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১১:৫৩729778
  • এইতো, সেদিন ভাটের শ্রাদ্ধ নিয়ে আলোচনা পড়ে এই টইটা খুঁজছিলাম!
  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1 | 2
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত