• টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। যে কোনো নতুন আলোচনা শুরু করার আগে পুরোনো লিস্টি ধরে একবার একই বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে কিনা দেখে নিলে ভালো হয়। পড়ুন, আর নতুন আলোচনা শুরু করার জন্য "নতুন আলোচনা" বোতামে ক্লিক করুন। দেখবেন বাংলা লেখার মতো নিজের মতামতকে জগৎসভায় ছড়িয়ে দেওয়াও জলের মতো সোজা।
  • আমেরিকার অম্ল-মধুর স্মৃতি -২

    Monorama Biswas
    বিভাগ : অন্যান্য | ২৪ জানুয়ারি ২০১২ | ৪২ বার পঠিত
আরও পড়ুন
'The market...' - Jhuma Samadder
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • Monorama Biswas | 71.190.135.85 | ২৪ জানুয়ারি ২০১২ ০৮:১৪513998
  • আমেরিকার অম্ল মধুর স্মৃতি -২

    মুকুট ভাই এর চাকরি ছাড়ার পর মুকুট ভাই এর এক বন্ধু ডা: তাজুলের সাহায্যে একটা আমেরিকান ক্লিনিকে চাকরি নিলাম। আমার ডাক্তার ছিলো ডা: সুলতানা। আমি ছিলাম তার এসিস্ট্যান্ট। আমাদের এসিস্ট্যান্টের একজন বস ছিলো, তার নাম ফেলিক্স। এই লোকটা যে কি খারাপ, তা যারা এই ক্লিনিকে কাজ করেছে,তারা সবাই জানে। ডা: জাভেদ আমাদের সাথে এসিস্ট্যান্টের কাজ করতো। এই ডা: জাভেদ ছিল খুব ই ব্রিলিয়ান্ট ডাক্তার। অথচ ফেলিক্স তার সাথে খুব ই খারাপ ব্যবহার করতো। আমরা এতে সবাই মর্মাহত হয়েছিলাম। এখন ডা: জাভেদ একটা হসপিটালে এম ডি হিসেবে কাজ করছে। এ দেশে এম ডি দের কত দাম, কত বেতন!

    আমি ফেলিক্সের হাত থেকে রেহাই পাওয়ার জন্যে আব্দুল কে বলতাম তার ডেন্টাল ল্যাবে চাকরি দিতে। তাছাড়া, আব্দুল আমাকে খুব পছন্দ করতো। একটু বয়স্ক লোক আব্দুল (আফগানী), আমিও অনেক শ্রদ্ধা করতাম। একজন লোক ল্যাব থেকে চলে যাওয়ার সুযোগে আমি ল্যাবে ঢুকার সুয়োগ পেলাম। ছয় দিন, প্রতিদিন দশ ঘন্টা করে এই ল্যাবে কাজ করতাম।

    এই ল্যাবে কাজ করেই আমি কিছু ডলার জমাই, যা দিয়ে আমি আমার কলেজের টিউশন ফিস দিয়েছিলাম।

    এবার আসি চাকরি ছাড়ার কাহিনীতে। আব্দুলের অধীনে কাজ নেওয়ার পর আরেকজন কর্মচারী সুনীল আমাকে বলেছিল, ‘তুমি পারলে অন্য জায়গায় চাকরি নিয়ে চলে যাও, এই আব্দুলের অধীনে কাজ করো না।’ অন্য দুটো মেয়ের সাথে আব্দুল খুব নোংরা কথা বলত। বিভিন্ন অজুহাতে আমার গায়ে হাত দেওয়ার চেষ্টা করত। একদিন সরাসরি বলে দিলাম, ‘আমি এসব পছন্দ করি না।’ এ কথা শুনে উত্তরে বলল, ‘তুমি হিন্দু মেয়ে, তুমি এত রক্ষণশীল কেন? মুসলিম মেয়েরা রক্ষণশীল।’ আমি বললাম, ‘আমাদের দেশের মেয়েরা সবাই এক রকম।’ এর আগে সে অনেকবার বলেছে, ‘আমি বাংলাদেশের মুসলিমদের চিনি, তারা খুব খারাপ। আমি কোনো হিন্দুকে চিনি না, তোমাকে ছাড়া। সব হিন্দুই কি তোমার মতো ভালো?’ একদিন উত্তরে বললাম, ‘হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, মুসলিম সব আমরা একই জল-আবহাওয়ার মানুষ, আমাদের সবার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য এক। হিন্দু বলে আমি আলাদা নই।’ এ কথা শোনার পর সে আর হিন্দু-মুসলিম নিয়ে কথা বলত না। তবে সে আমাকে নিয়ে যা ভেবেছিল, যখন দেখল আমি তা নই, তখনই আমার প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে উঠল। আমি কখনো প্রতিবাদ করতাম, কখনো চুপ করে থাকতাম। এই একগুঁয়ে লোকটা আমাকে বিভিন্নভাবে অপদস্থ করা শুরু করে দিল। এক পর্যায়ে আব্দুলের সঙ্গে আমার কথা কাটাকাটি হয়ে গেল।

    আমার কাজটা এমন ছিল যে, হঠাৎ করে আমাকে বাদ দিতে পারছিল না। আমি আর আব্দুল ছাড়া ঐ কাজ অন্য কেউ পারত না। ঐ কাজ করতে হলে আগে ট্রেনিং নিতে হবে। তবে ভিতরে-ভিতরে সে লোক খুঁজছিল, এটা আমি অন্যদের মাধ্যমে জানতে পেরেছিলাম। আমিও তার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো লিখে রাখতে শুরু করলাম। ইচ্ছে ছিলো মালিককে দেখাব।

    নুতন এলাকায় বাসা বদলের কারণে আমার দুই ছেলেই অসুস্থ হয়ে পড়ল। ওদের নিয়ে রাত জাগতে গিয়ে আমিও অসুস্থ হয়ে পড়লাম। পরের দিন সকালে ফোন করে তা জানালাম আব্দুলকে। এই সুযোগটাই নিল সে। তার পরের দিন অফিসে যাওয়ার পর আব্দুল বলল, ‘তুমি কাল না বলে অনুপস্থিত থেকেছ, তাই তোমাকে আমি ফায়ার করলাম।’ আমি বললাম, ‘মালিকের সঙ্গে কথা না বলে আমি বাসায় যাব না।’

    আগের রাতেই মালিককে ফ্যাক্স করে আমার অভিযোগগুলো জানিয়ে দিই। মালিক খোদ আমেরিকান, ইহুদি। মালিককে ফোন করলাম, মালিক আমাকে যেতে বলল তার অফিসে। এই অফিসটা ছিল ম্যানহাটানে। আমি ব্রুকলিন হতে ম্যানহাটানে গেলাম। অফিসে যাওয়ার পর মালিকের সঙ্গে অনেক কথা হয়। মালিক আমার সব কথা শুনল। জানতে চাইল কে এই অভিযোগ লিখেছে। যখন জানল, আমি নিজে এই অভিযোগ লিখেছি, তখন বেশ অবাক হল। আমি জানালাম যে আমি ডেন্টিস্ট। শুনে বলল, ‘তুমি আগে কেন আমার কাছে আসোনি? তোমাকে আমি আমার এই অফিসে রেখে দিতাম ইত্যাদি ইত্যাদি।’ এ ব্যাপারে অনেক আলোচনার পরও তার ধারণা আব্দুলই ঠিক, আমি মিথ্যে বলেছি। শেষে আমি দৃঢ়তার সঙ্গে বললাম, ‘আমার কথা বিশ্বাস করার দরকার নেই, তুমি গোপনে খোঁজ নিয়ে দেখো, কে মিথ্যে বলেছে।’ আমার কোনো কথাই সে কর্ণপাত করল না। বলে দিল, ‘বাড়ি যাও।’

    ম্যানহাটান অফিস থেকে বের হয়ে এলাম। মনে হচ্ছিল আমি একজন ব্যর্থ মানুষ। এত মানুষের ভিড়, এত কোলাহল, সব ছাপিয়ে একটা হাহাকার ভাব আমার মনের মধ্যে। এই মুহূর্তটা আমি এখনও অনুভব করি। পাতালে ঢোকার আগে আমি কিছুক্ষণ বাইরে দাঁড়িয়ে নি:শ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করি। তার পর কীভাবে বাসায় এলাম, মনে নেই।

    বাসায় এসে মনের ভেতর কোথা থেকে যেন একটা শক্তি পাই। সে শক্তির জোর অনেক বড়। কল করলাম ৩১১-এ। কল ধরে যখন ওপাশের জন জানল আমি বাঙালি, সঙ্গে সঙ্গে কোথা থেকে যেন একজন বাঙালি দোভাষী খুঁজে লাইনে এনে দিল। সেই দোভাষীর সহায়তায় ওদেরকে বললাম, ‘কেউ যদি কাজের জায়গা থেকে বেআইনি অর্থাৎ অন্যায়ভাবে আমাকে বাদ দেয়, তা হলে আমি কী করতে পারি?’ সাথে সাথেই ওরা কয়েকজন ফ্রি ল-ইয়ারের ফোন নাম্বার দিয়ে দিল। এরা যেন অদৃশ্য পরী, দৃশ্যের আড়ালে থেকে আমাকে সাহায্য করে সরে গেল। এ দেশের এসব সিস্টেম সম্পর্কে আমার পূর্ব-ধারণা ছিল না।

    আমি সেই সাহায্য নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ফোন করি। এক ল-ইয়ারের অফিস আমার অভিযোগ ফ্যাক্স করতে বলে। কিছুদিন পর আমাকে ডাকে। এই মহিলা ল-ইয়ার আমেরিকান, দেখতে খুব সুন্দর, সুন্দর তাঁর ব্যবহার। তাঁর অফিসে বেশ কয়েকবার গিয়েছি। ২৯ তলায় অফিস, আমি গেলেই জানালা দিয়ে বাইরের দৃশ্য দেখতাম। একবার মহিলা আমাকে ওয়েটিং রুমে না বসিয়ে তাঁর ভেতরের রুমে নিয়ে গেলেন। রুমের পাশে ছোটখাটো একটা কিচেন। তিনি নিজহাতে কফি বানিয়ে খাওয়ালেন আমায়। আমি বাংলাদেশের মেয়ে, এগুলো দেখতে অভ্যস্ত নই। নামকরা একজন ল-ইয়ার, নিজহাতে আমার মতো ক্ষুদ্র মানুষকে কফি বানিয়ে দিচ্ছেন!

    তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন আমি কত টাকা ক্ষতিপূরণ চাই, যা চাই তা তিনি আদায় করে দেবেন। এর মধ্যে বেশ সময় অতিবাহিত হয়েছে, তিনি আমার কেসটা সরকারি কর্মকর্তাদের দিয়েছিলেন, তারা তদন্ত করে দেখেছে— আমি ঠিক, মালিক মিথ্যে বলেছে। তার পর সরকার পক্ষ মালিককে বলেছে আমাকে যে করেই হোক ক্ষতিপূরণ দিয়ে দিতে। এই জন্যই ল-ইয়ার আমাকে টাকার কথা জিজ্ঞেস করেছেন। আমি বললাম, ‘দেখুন আমি টাকার জন্য এটা করিনি, আমি চেয়েছি যে আমি সত্য বলেছি, তারা আমার কথা বিশ্বাস না করে উলটো আমাকে অন্যায়ভাবে কাজ থেকে বাদ দিয়েছে। আমি জয়ী হয়েছি- এটাই বড় কথা।’ এই ল-ইয়ার আমাকে বেশ কয়েকবার পরামর্শ দিয়েছিলেন মালিকের বিরুদ্ধে কেস করার জন্য। আমি রাজি হয়নি। যা হোক, তাঁর পীড়াপীড়িতে আমি একটা সংখ্যা বলে দিলাম। তিনি শুনে বললেন, ‘আমি এর চেয়ে বেশি ডলার আদায় করে দেব।’

    এই মহিলার নাম এলেগ্রা। তাঁর সঙ্গে অনেক গল্প করতাম, আমাকে খুব পছন্দ করতেন। আমি এই মহিলার কথা জীবনে ভুলতে পারব না। একদিন ফোন করে বললেন যে তিনি ৭৩ হাজার ডলার আদায় করতে সক্ষম হয়েছেন, কেস করলে আরও বেশি ডলার আদায় করে দিতে পারতেন। প্রথমেই আমার কাছ থেকে সই নিয়ে রেখেছিলেন যে তিন ভাগের এক ভাগ ডলার ল-ইয়ার তাঁর পারিশ্রমিক হিসাবে নেবেন। তিনি আমাকে ৫০ হাজার ডলার দিতে চাইলেন, বাকি ২৩ হাজার ডলার পারিশ্রমিক হিসাবে নিজে রেখে দেবেন। আমি তো এতেই খুশি। প্রথমে অর্ধেক (২৫ হাজার ডলার) দিলেন। শর্ত ছিল, আমি ছয় মাসের মধ্যে কাউকে এই কথা বলতে পারব না, কোনো মিডিয়াকে জানাতে পারব না ইত্যাদি। এই দেশে আয় করলেই ট্যাক্স দিতে হয়, আয়ের তিন ভাগের এক ভাগ ট্যাক্স। বলেছি, এই মহিলা আমাকে খুব পছন্দ করেছিলেন, তাই প্রথম কিস্তির ডলারে অর্থাৎ ২৫ হাজার ডলারে ট্যাক্স দিলেও বাকি ২৫ হাজার ডলারে ট্যাক্স মাফ করাতে সক্ষম হয়েছিলেন। প্রথম ২৫ হাজার ডলারে প্রায় ৯ হাজার ডলার ট্যাক্স দিতে হয়েছিল।

    এই যে আমি মানুষকে বলি, আমি এখন হাত খুলে খরচ করতে পারি, আসলে ক্ষতিপূরণ হিসাবে প্রাপ্ত এই ডলার। আমার দেশের মানুষের জন্যই এই ডলার ব্যয় করতে চাই এবং করবো।

  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত