• টইপত্তর  অন্যান্য

  • কুস্বাস্থ্য

    pi
    অন্যান্য | ০২ নভেম্বর ২০১১ | ৩৯০২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | 24.139.209.3 | ০৭ মে ২০১৪ ১৭:৪৩504691
  • 'রোগী কোনো প্রশ্ন করলেই বলেন, আপনাকে যে বাঁচিয়ে রেখেছি সেটা আপনার ভাগ্য জানবেন,' ... কিছু বলার নেই।
  • mila | 193.90.124.242 | ০৭ মে ২০১৪ ১৯:৪৫504692
  • Hoyto erokom rog e kotha ta sotyi, kintu 6 mas ontor doctor er kachhe giye rogi arektu monojog asha করেন
    Ei bishoye dr dhiman gangulyr kotha na bollei noy, onar onek boyesh, spostobokta o bote, kintu sob proshner sundor kore jobab den...proyojone boka jhoka o koren
  • এমেম | 127.194.249.208 | ১০ জুন ২০১৪ ০৩:০৩504693
  • টইটা তুলে দিলাম।
  • pi | 127.194.6.144 | ২০ অক্টোবর ২০১৫ ১৭:২২504694
  • যদিও কুস্বাস্থ্যের টই। তবু সুখবরটা থাক।

    কোলকাতার এমার্জেন্সি সার্ভিসের অভাব নিয়ে অনেকবার কথা হয়েছে। এখন কিন্তু সেই অভাবটা এঁরা অনেকটাই পূরণ করেছেন। নং টা নোট করে রাখতে পারেন্ম শেয়ারও। দেশপ্রিয় পার্কের ঘটনায় ও এঁরা এসে কাজ করেছেন। আরো অনেক জায়গাতেই করছেন।





  • i | 147.157.8.253 | ২৭ নভেম্বর ২০১৫ ০৫:০৩504697
  • এটা একটা ভয়ংকর ঘটনা।কিছুতেই ঘটনার থেকে মন সরাতে পারছি না। সর্বক্ষণ ভেবে চলেছি কী করে এই মাপের গাফিলতি সম্ভব!
    কাজে অবহেলা, গাফিলতি, দায়িত্বহীনতা ট্রেনিংএর অভাব সমস্ত কিছু মিলিয়ে যে সংস্কৃতি বিদ্যমান তারই প্রতিফলন । কঠোর শাস্তি বড় কথা নয়, কী করে এবং কত দ্রুত এই সংস্কৃতি থেকে মুক্ত হতে পারা যায় সেই চেষ্টা সমস্ত স্তরে করতে হবে। জানি না কখনও আদৌ হবে কি না।
    অনেক দূরে থেকে এত কিছু বলা হয়তো আমার শোভা পায় না, সেজন্য লিখিও না অধিকাংশ সময়েই, কিন্তু কাল ঘটনাটা জানার পর থেকে পাগলের মত লাগছে। লিংক না দিয়ে পারি নি।
  • Abhyu | 85.137.13.237 | ২৭ নভেম্বর ২০১৫ ০৫:১০504698
  • এবিপি আনন্দ পিছনে না পড়লে বোধ হয় এটুকুও হত না। একজন শিশুর ডেথ সার্টিফিকেটে মৃত্যুর কারণও দেওয়া নেই। এবিপি মায়েদের দুজনের ইন্টারভিউ দেখিয়ে গেছে সমানে। প্রথমে তো বলেছিল তদন্ত হবে কিন্তু কবে শেষ হবে ঠিক নেই গোছের কিছু। সত্যি এই সংস্কৃতি কবে যে বদলাবে।
  • pi | 233.176.37.117 | ২৭ নভেম্বর ২০১৫ ০৭:৪৩504700
  • কাজে অবহেলা, গাফিলতি, দায়িত্বহীনতা এসবই সাঙ্ঘাতিক, কিন্তু তার চেয়েও ভয়াবহ হল সামান্য মানবিক বোধটুকু চলে যাওয়া। বাচ্চা গুলো পুড়ছে আর নার্স বলছে ডাক্তার নেই, কী করবো, ডাক্তার আসছে না। জাস্ট ভাবা যায় না। হাসপাতালে কি সব পেশেন্ট, সদ্যোজাতকেই অবজেক্ট হিসেবে ট্রিট করেন এঁরা, মানুষ হিসেবে না ?

    কিছুদিন অগে এই লেখাটা পড়েছিলাম, কিছু জানা থাকলেও পড়ে এত অস্বস্তি হয়েছিল। এগুলোর সাথে হয়তো গাফিলতি, অবহেলা ইত্যাদি নেই, কাজেরই ধারা এরকম কিন্তু কোথাও একটা ডিহিউম্যানাইজেশনএর প্রসেস সেই একই রকম লাগে।

    http://qz.com/422338/in-horrific-indian-hospitals-women-in-labour-are-slapped-when-they-scream/

    এদিকে এই কোলকাতার হাসপাতালেই ডঃ অরুণ সিংহের কথা শুনেছি। আত্মীয় বন্ধুদের কাছে। এমনিতে নাম ডাক সেকথা নয়, কিন্তু এক একটা বাচ্চাকে সারা রাত জেগে নিজে কীভাবে দেখে যান। চাইল্ড ইউনিট এইভাবে নাকি ওঁরই তৈরি, আরো নানা কার্যকরী ব্যবস্থার সাথে। ওঁকেও এই সরকার এসে সরিয়ে দিয়েছিল শুনেছিলাম।
  • sm | 53.251.89.4 | ২৭ নভেম্বর ২০১৫ ০৯:৪২504701
  • pi , বোধ হয়, একটি হাসপাতালের ভিতর কি চলে, তার সম্মন্ধে কম ধারণা নিয়ে কথা বলছেন।বর্তমান কেস নিয়ে কিছু বলছি না। কারণ ওটি তে তদন্ত হবে।
    বিদেশের হাসপাতালেও দেখেছি অহরহ নার্স , ডাক্তার রা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার।
    ধরুন একজন বয়স্কা নার্স হাউ মাউ করে কাঁদতে কাঁদতে এলেন। কারণ এক বৃদ্ধা পেশেন্ট কে যত্ন করে খাওয়াতে গেছিলেন; সে তার মুখ আঁচড়ে , ক্ষত বিক্ষত করে তোলে। একজন আবার মুখে খাবারের প্লেট ছুঁড়ে মারে। এসব ক্ষেত্রে,নার্সের উচিত কি ছিল, পাল্টা মার?
    না কেউ ইচ্ছাকৃত ভাবে এরা কেউ ই মারেনি; কারণ এরা সবাই দিমেনশিয়া ও মানসিক রোগ গ্রস্ত।
    তার ওপর আছে এসব রোগীদের সেবা, যত্ন, সয়েল্ড বেড শিট পরিষ্কার করা ইত্যাদি।
    পুরো প্রফেশন ই ভীষণ চ্যালেঞ্জিং। এটা ঠিক ব্যাঙ্কে চাকরি করা বা ল্যাপির বোতাম টেপার মতন কাজ নয়। অনেকেই মেজাজ হারিয়ে ফেলেন বা ভুল করেন । সেটাই ফোকাসে আসে।অন্য দিক টা নয়।
    আমাদের দেশে অহরহ হাসপাতাল ভাঙ চূড় , হেলথ কর্মী মারধর এসব চলে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই যথেষ্ট গাফিলতি থাকে হেলথ কর্মীদের দিক থেকে। কিন্তু জনগনের নিজের হাতে আইন তুলে নেবার বিরুদ্ধে কজন সরব হন?
    গাফিলতির জন্য আইন মাফিক কড়া শাস্তি প্রাপ্য ;কিন্তু মারধর?
  • b | 135.20.82.164 | ২৭ নভেম্বর ২০১৫ ১০:০০504702
  • "পুরো প্রফেশনই ভীষণ চ্যালেঞ্জিং"

    একদম-ই ঠিক। মানুষের জীবন মরণ। সেটা না জেনেই লোকে এই প্রফেশনে গেলে মুশকিল হয়ে যায়।

    মারপিট, ভাংচুড় এগুলোকে জাস্টিফাই করা খুব মুশকিল। এদিকের লোকেরা বলবেন, সব ডাক্তারদের দোষ। ওদিকের লোকেরা বলবেন সব পাবলিকের দোষ।
  • pi | 74.233.173.199 | ২৭ নভেম্বর ২০১৫ ১০:৫৫504703
  • মারধোর তো কোনোমতেই জাস্টিফায়েড না। আর কতটা চ্যালেন্জিঙ্গ বিশেষ করে আমাদের সরকারি সেটিঙ্গ এ । তাও জানি। কিন্তু সেটাও এরকম আচরণকে জাস্টিফাই করেনা।
  • d | 144.159.168.72 | ১৪ জানুয়ারি ২০১৬ ১৭:২৫504706
  • এখানে থাক এই অমান উষগুলোর কথা।

  • de | 69.185.236.54 | ১৪ জানুয়ারি ২০১৬ ১৭:৫৩504707
  • প্রচন্ড ফ্রাস্ট্রেটিং -
  • pi | 7845.29.9004512.182 | ১১ নভেম্বর ২০১৮ ১৭:২২504709
  • পুণ্যদার দেওয়াল থেকে।

    "নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক শালবনী হাসপাতালের একজন ডাক্তার লিখছেনঃ---

    হাতবদল হয়ে যাচ্ছে শালবনী সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল। আর একবার বলছি, বেসরকারি হাতে হাতবদল হয়ে যাচ্ছে একটা জলজ্যান্ত সরকারি হাসপাতাল।

    এই হাসপাতালের ওপর জঙ্গলমহলের বিস্তীর্ণ অংশের মানুষ নির্ভরশীল ছিলেন।বিগত কয়েক বছরে এলাকার গরীব (মূলত আদিবাসী) মানুষের আশা-ভরসার কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল এই হাসপাতাল। সেই হাসপাতাল এবার বিক্রি হয়ে যাচ্ছে জিন্দাল গোষ্ঠীর কাছে।

    শেষ বছর দুয়েক সময়ে প্রচুর স্পেশালিষ্ট ডাক্তার এই হাসপাতালের সাথে যুক্ত হয়েছিলেন। রমরমিয়ে শুরু হয়েছিল আলাদা শিশু বিভাগ। ফল মিলেছিল অচিরেই। বেশ কয়েকবার উল্লেখযোগ্য কৃতিত্বের পরিচয় দিয়ে সংবাদপত্রের শিরোনামে উঠে এসেছিল এই হাসপাতাল।

    সিজারিয়ান সেকশন শুরু হয় মাস ছয়েক আগে। তাছাড়া চোখ,নাক-কান-গলা,মেডিসিন,সার্জারি,মানসিক রোগ,নিউরোসার্জারি, শিশু,দন্ত,অ্যানাস্থেশিয়া ইত্যাদি অনেকগুলি বিভাগের বহির্বিভাগ পরিষেবা দেওয়া শুরু হয়। ২৪ ঘন্টা এক্স-রে,ইসিজি,ল্যাব, জেনারেল ইমার্জেন্সি','সপ্তাহে তিনদিন ইউএসজি' হতে থাকে। রোগীর সংখ্যা প্রায় তিন-চার গুণ হয়ে যায়।

    সেই হাসপাতাল হাতবদলের খবরে স্বভাবতই আতঙ্কে দিন গুনছে জঙ্গলমহল।আপাতত মুখে ৭৫ শতাংশ বেড বিনে পয়সায় দেওয়ার কথা বললেও চিকিৎসাক্ষেত্রে বেসরকারিকরণের কুফল নিয়ে সাধারন মানুষ যথেষ্ট ওয়াকিবহাল। বেসরকারি হাসপাতাল থেকে যথাযথ পরিষেবা পাওয়া যাবে কিনা সে নিয়ে মানুষ রীতিমতো সন্দিহান।

    আরও একটি ভেবে দেখার মত বিষয়...
    সবাই জানেন,এরাজ্যে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক, বিষেশত স্পেশালিষ্ট চিকিৎসক অপ্রতুল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, বেশ কিছু ডাক্তার জানিয়েছেন, এই হাসপাতাল উঠিয়ে তাঁদের অন্যত্র সরিয়ে দিলে তাঁরা চাকরি ছেড়ে দিতে প্রস্তুত। অনেক ডাক্তারের সাথেই এই এলাকার আত্মিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল বিগত কয়েক বছরে। হাসপাতাল বেসরকারিকরণ এবং তার ফলস্বরূপ বেশ কিছু ডাক্তারের চাকরি ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়া গোদের ওপর বিষফোঁড়া হতে যাচ্ছে বলেই এলাকার মানুষের ধারণা। এর দায় কে নেবে?

    ইতিমধ্যেই চিকিৎসায় এর প্রভাব পড়া শুরু হয়ে গেছে। সরকারের তরফে নতুন ওষুধপত্র আসা বন্ধ হয়ে গেছে। অলিখিত নিয়মে রোগী ভর্তির হারও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। যে ডাক্তারবাবুরা এতদিন মনপ্রাণ ঢেলে কাজ করতেন তাঁরাও আর কাজ করার তাগিদ অনুভব করছেন না। ফলে ভুগছে সাধারণ মানুষ।

    পুরো ব্যাপারটাই হয়েছে সবার অগোচরে। মিডিয়ার তৎপরতাও দেখা যায়নি। হাসপাতালের ডাক্তার/নার্সরাও পুরোপুরি ধোঁয়াশায়।

    মাঝখান থেকে পুকুর চুরির মত একটা জলজ্যান্ত সরকারি হাসপাতাল বেসরকারি হয়ে যাচ্ছে।"
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
    • কি, কেন, ইত্যাদি
    • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
    • আমাদের কথা
    • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
    • বুলবুলভাজা
    • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
    • হরিদাস পালেরা
    • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
    • টইপত্তর
    • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
    • ভাটিয়া৯
    • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
    গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
    মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


    পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে মতামত দিন