এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • র‌্যাগিং: সমর্থনযোগ্য?

    Samik
    অন্যান্য | ২০ এপ্রিল ২০০৭ | ২৬৬২৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • J | 160.*.*.* | ২০ এপ্রিল ২০০৭ ১৫:২৫385827
  • ঐ ছেলেই যখন জন্ডিসে ভুগছিলো আমরা হাসপাতালে দেখাশোনা করতে যেতাম, ঐ ছেলেরই কোনো ঝামেলা হলে, ক্লাস কামাই করে ওর ঝামেলা আগে সলভ করতাম।
    একদিন তাপসের বার্থডে পার্টিতে, ঐ ছেলে (খোকা নাম দিয়েছিলাম, আসল নাম চিত্তপ্রিয় মুখার্জ্জি)র চশমাটা কার যেন খুব ভালো লেগেছিলো, বেশ কালো ফ্রেমের, গুডবয় গুডবয় টাইপের দেখতে বলে, তাই সে চশমাটা কেড়ে নেয়, তাও মাতাল অবস্থায় ( মদ খেয়ে কিছু করলে তাকে দোষ দেওয়া অনুচিত), এবং চশমাহীন খোকার মুখটা দেখে তার কয়েকটা চড় মারা ইচ্ছে হয়েছিলো, ব্যাস। মেরেছিলো কিনা তাও ভালো করে মনে নেই, আমরা সবাই মাতাল ছিলাম, উদ্দাম গান, ধেই ধেই নেত্য ও বোতোল বোতোল কনিয়াক চলছিলো। হঠাৎ কে যেন বলল, পুলিশ আসছে, তাই শুনে খোকাকে আলমারিতে ঢুকিয়ে লুকিয়ে রাখা হয়েছিলো উইথ বাকী কনিয়াকের বোতোল। আর আমরা পেছনের সিঁড়ি দিয়ে পালিয়ে যাই।
    পুলিশ এসে খোকাকেও পায় নি কনিয়াকও পায় নি, পরে এসে আমরা খোকা কে আলমারী থেকে বের করে দিই, তবু ও আমাদের ওপর খচা ছিলো। বন্ধু চিনতো না। ঠিকঠাক র‌্যাগিং হলে ওকে মানুষ করা যেতো।
  • Arijit | 82.*.*.* | ২০ এপ্রিল ২০০৭ ১৫:২৫385826
  • আরো বেসিক প্রশ্ন - অধিকারের। আমাকে "তৈরী' করার অধিকার আমি তো এদের দিইনি।

    এই যুক্তিটা অনেকক্ষেত্রেই আসে গিল্ট ফিলিং থেকে (এরকম যুক্তিই কলেজে অনেকে দিয়েছিলো এই সময়ে) - আসলে যতটা "তৈরী' করার ইচ্ছে, তার চেয়ে বেশি মজা পাওয়ার। "তৈরী করাটা' অজুহাত।

    হৃদ্যতা/সখ্যতা ওভাবে হয় না। র‌্যাগিং না করেও অনেক হৃদ্যতা/সখ্যতা তৈরী হয়।
  • Arjiit | 82.*.*.* | ২০ এপ্রিল ২০০৭ ১৫:২৬385829
  • একটা জিনিস ভুলে যাচ্ছ শমীক - ওই নরম মাটির তালটা তো তোমাকে দায়িত্ব দেয়নি তাকে শক্তপোক্ত করে তোলার। তুমি দায়িত্বটা নিজে নিয়েছে। এই অধিকারটা কি তোমার ছিলো/আছে?
  • S | unknown.*** | ২০ এপ্রিল ২০০৭ ১৫:২৬385828
  • জলপাইগুড়ি কলেজে কোনও পলিটিক্যাল পার্টি সেদিনও ছিল না, আজও নেই। ফলে রং ধরে কিছু হবার চান্স ছিল না।

    আর iit টাইপ জিনিসপত্র, যেমন কার্নিসে ওঠবোস, বা কমোডে মুখ গুঁজে দিয়ে ফ্লাশ টেনে দেওয়া, এ সব হতে দেখি নি কখনও। জলপাইগুড়ি শীতের দেশ, ওখানে ঘরে ঘরে হীটার থাকত, বিপজ্জনকতম ছিল হীটার জ্বালিয়ে তাতে হিসি করতে বলা। বলা মানে, 'তোকে যদি এখন বলি এই হীটারে ম্যাক্স করতে, তুই কী করবি?' লজিক্যালি উত্তর দিলে তাকে নিয়ে কোলে তুলে নাচ, আর যদি সে একেবারেই আলাভোলা হয়, প্যান্টের জিপ খোলামাত্র তাকে চাঁটি মেরে সরিয়ে দেওয়া হত। তারপরে তাকে বেসিক ফিজিক্স কেমিস্ট্রি বোঝানো হত। আজ পর্যন্ত স্বাভাবিকভাবেই কাউকেই জ্বলন্ত হীটারে হিসি করতে হয় নি। করলে তাকে আর বেঁচে থাকতে হত না।
  • appan | 193.*.*.* | ২০ এপ্রিল ২০০৭ ১৫:৩০385830
  • না। কিন্তু bullying'র সবাইকে সব জায়গায় হতে হয়।
  • appan | 193.*.*.* | ২০ এপ্রিল ২০০৭ ১৫:৩১385831
  • ** bullying'র মুখোমুখি
  • S | unknown.*** | ২০ এপ্রিল ২০০৭ ১৫:৩২385832
  • না। আমাদের কলেজে গায়ে হাত তোলা হত বটে, কিন্তু আজ পর্যন্ত তা এমন এক্সটেন্টে যায় নি যাতে করে কারুর হাত পা ভেঙে যায় বা অন্ধ হয়ে যায়। শারীরিক ভাবে কারুর কোনও ক্ষতি আমাদের কলেজের র‌্যাগিং পিরিয়ডে করা হয় নি। অন্তত আমার চার বছরের অভিজ্ঞতায়। তাই বলে একটা চড় চাঁটিও আমি সমর্থন করি না। সেখানে অধিকারের প্রশ্ন আসে। আমাকে মারার কোনও অধিকার এদের নেই। মারলে লিগ্যাল ব্যবস্থা নেবার অধিকার আমার আছে (সে দিন হয় তো ছিল না তেমন ভাবে)।

    আমাকে তৈরি করার অধিকার কেউ দেয় নি সিনিয়রদের। তারা যেচে অধিকারটা নিয়েছিল। তাতে আখেরে আমার ভাল হয়েছিল। তাই আমার কোনও অভিযোগ নেই। সেটা আমার ম্যাচিওরিটি বাড়াতে সাহায্য করেছিল।
  • santanu | unknown.*** | ২০ এপ্রিল ২০০৭ ১৫:৪০385833
  • IIT টাইপ জিনিষ পত্র শমীক কোথায় দেখলে? IIT তে? কোন ইয়ার, কোন হল? এখন তো fresher দের LLR এ আলাদা রাখা হয় শুনি।
  • S | unknown.*** | ২০ এপ্রিল ২০০৭ ১৫:৪৭385834
  • খবরের কাগজে দেখেছি। IITর র‌্যাগিং এক সময়ে কুখ্যাত ছিল। এখন আর নেই। আমি IITতে ছিলাম ১৯৯৯-২০০০। আমাদের কোর্স আলাদা ছিল, আমরা ফার্স্ট ব্যাচ, আমাদের র‌্যাগিং হয় নাই। হবার কোনও চান্সও ছিল না। ওটা বাদ দাও।
  • Arijit | 82.*.*.* | ২০ এপ্রিল ২০০৭ ১৫:৪৮385836
  • আখেরে ভালো হয়েছিলো না খারাপ হয়েছিলো সেটা অন্য কথা, এবং পদ্ধতিটা নিয়েও কথা বলা যায়। এখানে মূল প্রশ্নটা অধিকারের - এই তুমিই বললে "যেচে অধিকার নিয়েছিলো' - মূল প্রশ্ন হল সেটা কি ঠিক? আমি মনে করি নয়।
  • appan | 193.*.*.* | ২০ এপ্রিল ২০০৭ ১৫:৪৯385837
  • অরিজিৎ,

    একটা জিনিস মিস করে যাচ্ছ। এটা শুধু কলেজের র‌্যাগিং নয়, দুটো ভিন্ন সংস্কৃতি বা মানসিকতার ইন্টার‌্যাকশানও বটে। ফ্রী কোর্স অব ইন্টার‌্যাকশান হলে স্বাভাবিক ভাবে তাতে দুর্বলের উপর সবলের, বা সংখ্যালঘুর উপর সংখ্যাগুরুর একটা চাপিয়ে দেবার মানসিকতা হবে। তাদের মতামত, তাদের কথা বলার ভঙ্গী, তাদের পছন্দ-অপছন্দ। সব জায়গায় হয়, কর্মক্ষেত্রে, বিদেশে অভিবাসন করলে, এমনকি দেশের মধ্যে অন্য জায়গায় ডেরা বাঁধলেও।

    এটা সংখ্যাগুরু স্বাভাবিকভাবেই তাদের অধিকার বলে মনে করে। খুব সাম্প্রতিক উদাহরণ শিল্পা শেটঠি (বিগ ব্রাদার) বা সঞ্জয় মালাকারকে (আমেরিকান আইডল) নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্ক।

    এর একমাত্র সমাধান ফ্রী ইন্ট্যারাকশান হতে না দেওয়া। হস্টেলের দুটো উইং সম্পূর্ণ আইসোলেটেড করে রাখা। যতদিন না ... ??

    লক্ষ্য করে দেখো আমি কিন্তু শারীরিক নির্যাতনকে কোনভাবে সমর্থন করছি না এ বলে। "র‌্যাগিং' চলাকালীন কোথাও কেউ করে ফেললে বাকিরা সরিয়ে নিয়ে গেছি, পরে স্যরিও বলা হয়েছে।

    এখানে সংখ্যাগুরু বা সবল যারা তাদেরকেই ঠিক করতে হবে এই পড়ে পাওয়া অধিকারের সীমা কতটুকু, যাতে প্রথম ইন্টার‌্যাকশানের তিনমাস পরেও কোনো একদিন কেউ নির্যাতিত বা অপমানিত ফীল না করে। সেই দায়িত্বটাও তাদের উপরই বর্তায়।
  • Arijit | 82.*.*.* | ২০ এপ্রিল ২০০৭ ১৫:৫২385838
  • এবার হল পদ্ধতি নিয়ে - র‌্যাগিং পিরিয়ডের ওই পনেরো দিনের খোরাক ছাড়াও তৈরী হতে সাহায্য করার অন্য অনেক উপায় আছে। তবে কেন র‌্যাগিংএর পিছনে যুক্তি সাজানো?

    আমাকে দুবার র‌্যাগিং করার "নাটক' করতে হয়েছিলো - ছেলেদুটোকে বাইরে বের করে প্র্যাক্টিক্যালি বাঁচানোর জন্যে। র‌্যাগিং না করেও এই সাহায্যটুকু অনেক করেছি - কখনো কেউ চেয়েছে, কখনো যেচেই - যখন সাহায্য নিতে আগ্রহী দেখেছি। কিন্তু কেউ সাহায্য চায় কিনা সেটা একান্তই তার অধিকারের মধ্যে পড়ে।
  • Arijit | 82.*.*.* | ২০ এপ্রিল ২০০৭ ১৫:৫৫385839
  • না অপ্পন - ফ্রী interaction হলেও নিজেদের অধিকারের সীমা সম্পর্কে সচেতন হলে এটা এড়ানো যায়। এখন সেটা একটু হয়তো আইডিয়ালিস্টিক পোজিশন। কিন্তু এটাই আমার পোজিশন - র‌্যাগিং নিয়ে। সাহায্য ওইভাবে না করে অন্যভাবেও করা সম্ভব।
  • appan | 193.*.*.* | ২০ এপ্রিল ২০০৭ ১৫:৫৭385840
  • ফেয়ার এনাফ।
  • appan | 193.*.*.* | ২০ এপ্রিল ২০০৭ ১৬:০২385841
  • তোমার দিক থেকে তুমি ঠিক, যদিও তুমি নিজেই বলেছ ব্যাপারটা আইডিয়ালিস্টিক। আমি মনে করি কিছুটা হলে লাভ বিনা ক্ষতি হয়না, যদিও মানি সেটা অধিকারের মধ্যে পড়ে না।

    ফেয়ার এনাফ।
  • pipi | 141.*.*.* | ২০ এপ্রিল ২০০৭ ১৬:১৯385842
  • অরিজিৎএর সাথে ১০০% একমত। র‌্যাগিং না করেও হৃদ্যতা সখ্যতা হয় এবং সেটাই হওয়া উচিত। সদিচ্ছা থাকলেই ইন্টার‌্যাকশন বাড়ানো যায় তার জন্য র‌্যাগিং-এর প্রয়োজন নেই। আমি নিজে বহুবছর হস্টেলে থেকেছি, এখনও থাকছি। আমার মতে হস্টেল বাস একটা মূল্যবান অভিজ্ঞতা এবং সবারই জীবণের কোন না কোন পর্যায়ে এ অভিজ্ঞতার স্বাদ নেওয়া উচিত কিন্তু মাইনাস র‌্যাগিং। র‌্যাগিং এর জন্য কোন যুক্তিই যথেষ্ট নয়। এগার বার ক্লাসে পড়ার সময় প্রথম হস্টেল বাসের অভিজ্ঞতা হয় আমার এবং প্রথম ও শেষ র‌্যাগিংএরও। যতক্ষণ ব্যাপারটা হাসি টিটকিরির উপর দিয়ে চলেছে ততক্ষণ সয়ে গেছি যদিও মনে মনে ফুঁসেছি। কিন্তু ব্যাপার যখন খিস্তি ছেড়ে জামাকাপড় খোলা অবধি পৌঁছেছে - মানতে পারি নি। মার পড়েছে, উল্টে আমিও হাত চালিয়েছি। রাতের বেলায় সহপাঠিনীরা এসে যখন ফিসফিসিয়ে বলে গেছে তোমার খুব সাহস, দারুণ দিয়েছ ওদের তখন তাদের ক্লীবতায় আমার বমি পেয়েছে। ১০টা জুনিয়ার মেয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে ৭টা সিনিয়ারকে কেন টাইট দিতে পারল না সেই ভেবে মনে মনে গর্জেছি। দিনের প্রথম কাজ - লিখিত কমপ্লেন উইথ প্রত্যেকের নাম এবং আগের রাতের পুরো বিবরণ তার সাথে স্কুল ছাড়ার চিঠি। এইরকম পরিবেশে এবং এই মেয়েদের সাথে থাকার প্রবৃত্তি হয় নি। তিনটি সিনিয়রকে রাস্টিকেট করা হয়েছিল খবর পেয়েছিলাম। তারা ফোন করে আমায় শাসিয়েওছিল দেখে নেবে বলে। কত কি দেখেছে আর নিজেদের কি দেখতে হল সেতো দেখাই যাচ্ছে। এবং আজও আমার সেই সিনিয়র দের উপর রাগ যায় নি, আজও মনে হয় যদি আরো ঘা কতক দিতে পারতাম। এদের সাথে সখ্যতা! মাই ফুট। কোনদিন ভাবিওনি,হতও না। চূড়ান্ত ঘেন্না ছাড়া এদের জন্য আজো আমার কাছে আর কিছু নেই।
    অথচ বর্ধমান এবং পরে যখন শান্তিনিকেতনের হোস্টেলে আসি, র‌্যাগিংয়ের র-ও কোনদিন দেখিনি কিন্তু তাতে করে সিনিয়র-জুনিয়র মেলামেশা সৌহার্দ্য সাহায্য ভালবাসা কোনটারই কমতি হয় নি। বর্ধমান হস্টেলে তো গণ্ড গ্রাম থেকে আসা বহু মুখচোরা লাজুক মেয়ে দেখেছি। ধীরে ধীরে হস্টেলের আবহাওয়ায় তাদের মুখের বুলি ফুটেছে, জড়তা কেটেছে, তথাকথিত ভাষায় বলতে গেলে 'স্মার্ট' হয়েছে। তার জন্য র‌্যাগিং ধোলাইয়ের প্রয়োজনীয়তা হয় নি।
  • R | 59.*.*.* | ২০ এপ্রিল ২০০৭ ১৬:২৬385843
  • দুবার গেলে জানি না, আগেরবার গেল না।

    সংসদের অভিধানটি ১৯৬৯-এর সংস্করণ। তাই ওটি নতুন অর্থ বলে যা শমীক বলতে চাইলো তা বোধগম্য হলো না। র‌্যাগিং যে অর্থে আগে ব্যবহার হোত, আজও সেই অর্থেই হয়। ১৯৬৫-তে বি ই কলেজের ফার্স্ট ইয়ারে গালাগালির অভিধান মুখস্থ করে পরীক্ষা দেওয়ার বাইরে জ্বলন্ত বাল্বে চুমু খেতে বাধ্য করা, তখনও হোত, ছাদের রুক্ষ সারফেসে হাঁটু ছড়ে না যাওয়া অবধি হামাগুড়ি দিয়ে নয়াপয়সা মুখ দিয়ে তুলতে বাধ্য করা হোত। ১৯৬৬ বা ৬৭ সাল নাগাদ আই আই টির র‌্যাগিং নিয়ে অনেক তোলপাড় হয়েছিল। কারণ এক ভুক্তভোগীর বাবা ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী স্বয়ং।(মৃত্যুঞ্জয় বন্দোপাধ্যায় কি? মনে নেই)। সেগুলো অমানবিক কি মানবিক শমীক বলতে পারবে। একটা বিশালাকায় Electrocuted তরলের ট্যাঙ্কে urinate করতে বাধ্য করা, দোতলার প্যারাপেট থেকে বাগানে ঝাঁপ দিতে বাধ্য করা। বিস্তর হৈ চৈ হয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গের বাইরে বেনারস হিন্দু-তে আরও কুৎসিত ঘটনা ঘটেছিল, যেগুলো তখন তখন প্রকাশ পায়।

    ভাওয়েল সমেত শব্দটাও অনেক আগে দ্বিতীয় কি তৃতীয় বই মেলার সময়ে(পঁচাত্তর-ছিয়াত্তর) আবিষ্কৃত হয়েছিল।

    উল্লিখিত বিদেশী গল্পটিতে পড়েছিলাম নতুন ছেলেদের কম্বল ধোলাই জাতীয় কিছু করা হোত, যাতে কম্বল বা চাদরের চারটে কোনা চারজন ধরে থাকত আর তার ওপরে নতুন ছাত্রকে শুতে বাধ্য করা হোত। তারপর একসাথে চারজন তাকে দোলাতে দোলাতে উপরে ছুঁড়ে দিত, আর পড়বার সময় একজন বা দুজন একটা বা দুটো কোনার হাত ছেড়ে দিতো। জানি না এখান থেকেই র‌্যাগিং শব্দের উৎপত্তি কিনা, তবে ছোটোবেলায় মনে হোত সেরকমই।

    মাটি শক্ত হওয়া বা না হওয়া, ছাত্রদের সাথে, সেই অর্থে অনেকের সাথে হৃদ্যতা ঠিক ঠিক গড়ে তোলা, সামাজিক বস্তু বা জীব হয়ে ওঠা...., ইত্যাদি সব কিছুর পেছনে বাড়ীর শিক্ষার ভূমিকা সবচেয়ে বেশী থাকে বলেই মনে হয়(আমার ব্যক্তিগত মতে রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গী বা বাতাবরণ তো বটেই) আর তারই উপর নির্ভর করে সমস্ত সম্পর্কই গঠিত হতে থাকে, অবশ্যই আর্থ-সামাজিক পরিকাঠামোর সাথে পর্যায়ক্রমে খাপ খাওয়াতে খাওয়াতে।

    অরিজিৎ, তোকে বলছি এ কথাটা। তুই দেখছি, এর মধ্যেও প্রচারের বাঁশিটা বাজাতে ভুলছিস না। দেখার আর দেখানোর চোখটা কি এক্ষেত্রেও এতটাই দল খোঁজায় এবং খোঁজানোয় ব্যস্ত? র‌্যাগিং নিয়ে আলোচনাটাও কি দু পক্ষের উতোরচাপানে দাঁড় করাতে হবে?? এটা Obsession কিনা তুই বলতে পারবি?? মাথা গরম করিস না যেন :-I

    শমীকের বলা স্মার্ট শব্দটার মানে বুঝলাম না। র‌্যাগিংএর অনেক ওস্তাদকে দেখে আমার পরিভাষায় আতাক্যালানেই মনে হোত। আর এও মনে হোত ওই ক্যালানে চরিত্ররাই বেশী Saddist হয় - নিজস্ব মত। তারাই পরবর্তীকালে এই কাজকে সমর্থনও করে, কোন ব্যক্তিগত আঘাত নয়, generalised statement। আমি যে অর্থে স্মার্ট শব্দটাকে জানি, সেই অর্থের ছেলেরা Saddist ধরণের র‌্যাগিং করতই না বলে জানি। কি বি ই-তে, কি যাদবপুরে, কি আই আই টি-তে।
  • Arijit | 82.*.*.* | ২০ এপ্রিল ২০০৭ ১৬:৩১385844
  • ধুত্তেরি - প্রচার মনে করলে প্রচার। ওটা একটা কথার কথা হিসেবে দেওয়া, এত কথা ধরলে মহা মুশকিল। আমি নিতান্তই সাধারণ পাবলিক - হিসেব কম করি।
  • Arijit | 82.*.*.* | ২০ এপ্রিল ২০০৭ ১৬:৩৫385845
  • এবার নিতান্তই মজার কথা -

    মজা আমরাও করতাম - মশারির ওপর বরফ রেখে দেওয়া, বা মড়ার খুলিতে টর্চ লাগিয়ে ভয় দেখানো, বা টাইমবোমা - কিন্তু সেটা সকলের মধ্যে - ফ্রেশার টার্গেট করে নয়। আমি আমার রুমমেটের বিছানার নীচেও টাইমবোম ফাটিয়েছি। জলবাওয়ালি তো রোজকার ব্যাপার ছিলো।

    কিন্তু এগুলো ঠিক র‌্যাগিং নয় (এখন একটু কনফিউজড) - বাওয়ালির ক্যাটেগরিতে ফেলা যেতে পারে।
  • ® | unknown.*** | ২০ এপ্রিল ২০০৭ ১৭:১৮385847
  • বে থে আর অপ্পন কে পোশ্নো
    স্মার্ট বানাতে হলে র‌্যাগ করার দরকার আছে কি ? ইনোভেটিভ আইডিয়া কি কম পড়িয়াছিলো? ওদের তো ধরেবেঁধে ঘর ভর্তি লোকের সামনে একটা ডিবেটে বলতে বলা বা সেমিনার / কেস স্টাডি প্রেসেন্ট করতে বল্লেও তো হত ? সেটা তো তার ফিউচারে আরো বেশী কাজে লাগত তাই না? নাকি শুধু ফিরি খোরাকের জন্যে মুর্গী জবাই ?
  • appan | 193.*.*.* | ২০ এপ্রিল ২০০৭ ১৭:৩৬385848
  • হয় তো। তাও হয়। তবে সেগুলো কোন অসংস্কৃত সাবজেক্টের উপর হয় আর প্রভূত অসাধু শব্দের ব্যবহার ম্যান্ডেটারি তাও বলে দেওয়া হয়। :-)

    আর আমার মতে র‌্যাগিং করা হয় পুরো খোরাকের জন্যই। যেটাকে কলেজের পরিভাষায় বলে হুল্লাট বাওয়ালি। কেউ কোন মহৎ উদ্দেশ্য করে র‌্যাগিং করে না। বেসিক্যালি তালেগোলে ছড়িয়ে গেছে, আসলে তিনটে জিনিস বলতে চেয়েছিলাম।

    ১) যারা র‌্যাগড হয় তাদের কোন লাভ হয় কিনা? আমার মতে হয়। এটা নিয়ে বিভিন্ন মতামত থাকতেই পারে।

    ২) সূক্ষ্ম র‌্যাগিং-এর মধ্যে বিভিন্ন ইনোভেটিভ আইডিয়াই পাওয়া যায়। প্রতি বছরই যোগ হয়। আর তার নতুন নতুন ইনোভেটিভ অ্যানসার বা রেসপন্সও পাওয়া যায়। স্থূল র‌্যাগিং-এর কথা বধহয় আমি বা বেথে বলি নাই। ওটা স্যাডিস্টিক প্লেজার, সেটা সবার দ্বারা হয়না। সেখানে বাড়ির শিক্ষা সংস্কৃতি অনেক কিছু ব্যাপার চলে আসে।

    ৩) সূক্ষ্ম আর স্তূল র‌্যাগিং-এর মধ্যে বিভেদরেখাটি খুব সরু। সেটা কেস-টু-কেস ভ্যারিও করে। মাত্রা ছাড়ালে তার পরিণামের জন্যও প্রস্তুত থাকা ভালো।

    তবে তাই জন্য মাল খেয়ে কটি চড় চাপড় মারলে আমি কিন্তু ভয়ংকর রেগে যাবো। ওরকম হুল্লাট বাওয়ালি আমি মানতে পারলাম না।
  • appan | 193.*.*.* | ২০ এপ্রিল ২০০৭ ১৭:৩৭385849
  • ** বোধহয়
  • appan | 193.*.*.* | ২০ এপ্রিল ২০০৭ ১৭:৩৮385850
  • ** স্থূল
  • Arijit | 82.*.*.* | ২০ এপ্রিল ২০০৭ ১৭:৫৩385851
  • শমীক জোর করে গান গাওয়ালে কি ক্ষতি হয় জিগ্গেস করলো - আমি গান জানি না, গাইতে গেলে গরু ছুটে আসবে, বারবার বল্লাম, তাও সকলের সামনে জোর করে গাওয়ানো হল - বাকি পঞ্চাশজন মুখ চেপে বা খোলাখুলি হাসলো, আমি খোরাক হলাম। এর পিছনে আমি তো কোন লাভ দেখতে পাচ্ছি না। হ্যাঁ, এটুকু বলতে বারো যে দুনিয়া বড়ই বেদর্দ, আমার অভ্যেস হল একটু।

    এইভাবে? এতে মনের ওপর দাগ পড়ে না? আমার ধারণা পড়ে। Bullying-এর শিকার যারা তারা ভালো বুঝবে।

    এই bullying থেকেই কলম্বাইন হাই স্কুলের মতন ঘটনা ঘটে। কোন সুস্থ মানুষ, তার যতই খামতি থাকুক না কেন, দিনের পর দিন সবার সামনে খোরাক হতে চাইবে না - তার উদ্দেশ্য তাকে "সাহায্য' করা হলেও।
  • P | 163.*.*.* | ২০ এপ্রিল ২০০৭ ১৭:৫৯385852
  • অপ্পনের তিন নম্বর পয়েন্টটা আমার বেশ মনে ধরেছে।
    সূক্ষ্ম আর স্থূলর বিভেদরেখাটা যে সরু শুধু তাই নয়, খুব আপেক্ষিক ও।
    আর সীমারেখাটা টানাই বা যায় কি করে ? কালেজের দেওয়ালে র‌্যাগিং এর গাইডলাইন ??
    কাজেই নো র‌্যাগিং।
    র‌্যাগিং এর দুটো এক্সট্রীম ই খুব কাছ থেকে দেখেছি। তার থেকে আমার লাভ-ক্ষতি দুটৈ হয়েছে।
    কিন্তু ঐ যে অজ্জিতের পয়েন্ট। আমাকে স্মার্ট করার অধিকার তো আমি আমার যে কোনো এলেবেলে সিনিয়ারকে দিতে রাজী নই। তবে ?
  • appan | 193.*.*.* | ২০ এপ্রিল ২০০৭ ১৮:০০385853
  • না, এরকম খোরাক একবারের বেশি করা উচিত নয়। দিনের পর দিন করা অমানবিক।

    আমাদের ওপর র‌্যাগিং হয়েছিল দুইদিন, সাকুল্যে চার ঘন্টা। নিজেরাও তার বেশি করি নাই।

    আর জোর করে গান গাওয়ানোর ঘটনা আইটির প্রোজেক্ট পার্টিতেই হয়েছে, যার গান আসেনা তাকে প্রজেক্ট ম্যানেজারের রক্তঅক্ষুতে গেয়ে খোরাক হতে হয়েছে, সে তার বদলে বেশ কিছু জোকস শোনাতে রাজি বললেও কেউ কর্ণপাত করেনি।

    দুনিয়া সত্যি জালিম, কলেজের বাইরে বৃহত্তর জীবনেও।
  • appan | 193.*.*.* | ২০ এপ্রিল ২০০৭ ১৮:০২385854
  • দু:শালা আজ এত টাইপো হচ্ছে কেন? ওটা "রক্তচক্ষু"।
  • pipi | 141.*.*.* | ২০ এপ্রিল ২০০৭ ১৮:১০385855
  • মাস্টাসে যখন ভর্তি হলাম এক মাস ক্লাসের পরে সিনিয়ররা সবাই দল বেঁধে এসে ঢুকল। অতজনের নাম পরিচয় মনে রাখা কঠিন কিন্তু দেখা গেল ঐ একমাস সিনিয়ররা আমাদের সব্বাইকে খুব ভাল ভাবে অবজার্ভ করেছে তাই আমদের নাম আতা পাতা সব ঠোঁটস্থ। বলা হল দুদিন পরে একটা ফ্রেসার্শ ওয়েলকাম গোছের একটা কিছু হবে। ওয়েলকাম ভালই হয়েছিল, দিব্যি গানা বাজানা খানা পিনা তারপর এক্সটেম্পোর, ডিবেট এইসব। এবং দেখা গেল এই একমাসে আমরা ক্লাসের পরে কে কোথায় যাই, কার সাথে যাই, কার প্রতি অলরেডি কার প্যাথো, কেষ্টসায়রে কজন কবার গেছে, কার রোজ সন্ধ্যায় ফোন আসে..... স অ অ অব জানা মানে সোজা কথায় পুরো জাসুসি যারে কয় আর সেই নিয়েই এক্সটেম্পোর। ডিবেটের বিষয়ের একটা উদা দেই। আমাদের ব্যাচে দুই পাব্লিক এসেছিল একই কালেজ থেকে, কালেজ জীবণ থেকেই তারা আমি তোমার তুমি আমার ব্যাপার। তো ডিবেটের বিষয় হল এদের সপ্তাহে কতদিন কেষ্টসায়রে যেতে দেওয়া উচিত। এইরকম সব। প্রবল হাসি হইচই হুল্লাট। সমস্যা হল মণীষাকে নিয়ে। এই মেয়েটিকে আমাদের তাৎ মাস্টার্স পিরিয়ডে সাকুল্যে কুড়িখানা কথা বলতে শুনেছে কিনা কেউ মনে করতে আজো পারে না। অসম্ভব চুপ্‌চাপ ছিল। তার যখন পালা এল, চুপ্‌চাপ সে দাঁড়িয়েই রইল। হাজার অনুরোধ উপরোধ কাকুতি মিনতিতে তার মুখ থেকে একটি কথাও খসান গেল না। শেষমেষ বলা হল একটা গান গা। সেও না। স্রেফ চুপ্‌চাপ খাড়া। লোকজন আর কিছু না বলে তার হাতে মিষ্টির বাক্স তুলে দিয়ে প্রবল হাততালির মধ্যে দিয়ে তার সিটে বসিয়ে দিয়ে গেল।
    বলা বাহুল্য সেদিনের পর থেকে আমরা জুনিয়ার সিনিয়াররা খুব কাছাকাছি এসে গিয়েছিলাম। এর জন্য র‌্যাগিংয়ের প্রয়োজন হয় নি তো।
  • Sh | 141.*.*.* | ২০ এপ্রিল ২০০৭ ১৯:৩৩385856
  • নাহ একেবারেই সমর্থন করিনা র‌্যাগিং। র‌্যাগিং এর কদর্যরূপ আর হাল্কা মজার রূপ দুটো-ই দেখেছি। কদর্যরূপ এতো-ই ভয়াবহ আর অশ্লীল যে এখনো ভুলতে পারিনি ইলেভেনের সেই দিনগুলোর কথা। সেইসব সিনিয়রদের এখনো ঘৃণা করি। আমার অসহায়তার সুযোগ নিয়ে যারা আমার ওপর অত্যাচার করেছে তাদের কোনদিন ক্ষমা করিনি। এখানে দেখলাম অনেকে স্মার্টনেস বাড়ানোর কথা লিখেছেন। না, একজন মানুষের ব্যক্তিস্বাধীনতাকে বিদ্রুপ করে স্মার্টনেস বাড়ানো যায়না। পরের বছর আমার যে সহপাঠীরা র‌্যাগিং করতে গেছিল তারাও কেউ স্মার্টনেস বাড়ানোর সদিচ্ছা নিয়ে যায়নি। তাদের যুক্তি ছিল আমরা গতবছর র‌্যাগড হয়েছি, অতএব এবার আমরাও করবো। এদেরও কোনদিন শ্রদ্ধা করিনি। বরং র‌্যাগিং এর সেই ভয়াবহ দিনগুলোতে সেকেণ্ড ইয়ারের যে দিদি এসে আমার সাথে বন্ধুঙ্কÄ করে গেছিল সেই ছিল আমার হোস্টেলজীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া।

    পরে কলেজে গিয়ে ক্লাসরুমে অল্পবিস্তর র‌্যাগিং হয়েছে। ঐ শমীক বা অর্পন যেমন বলেছেন। সেগুলো অতো কিছু খারাপ নয়। কিন্তু সেগুলো না হলেও সিনিয়রদের সাথে বন্ধুঙ্কÄ আটকাতো না। আর সেগুলোর মুখ চেয়েও আমি কখনই র‌্যাগিংকে সমর্থন করতে পারবো না। র‌্যাগিং যদি সমর্থনযোয় হয় তাহলে বাড়ি থেকে জোর করে বিয়ে দেওয়া সমর্থনযোগ্য হওয়া উচিত, যে ধর্মাচারনে উৎসাহী নয় তাকে পুজো করতে বাধ্য করা উচিৎ, আরো অনেক কিছুই করতে বাধা না দেওয়া উচিৎ যেগুলো আমরা তথাকথিত শিক্ষিত মানুষ ঘৃণা করি ব্যক্তিস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ বলে।
  • ayan | 155.*.*.* | ২০ এপ্রিল ২০০৭ ২০:০৫385858
  • আমার অভিগ্‌গ্‌তায় BEC তে র‌্যাগিং নাই, কারণ আমরা আলাদা হোস্টেলে থাকতুম। কিন্তু তাতে পরবর্তীকালে সিনিয়রদের সাথে সম্পর্ক তৈরীতে খুব অসুবিধা হয়নি

    যেটুকু পেয়েছি প্রায় গোটাটাই political ragging, second year এ হোস্টেলে ঢুকে targetted ragging plus sabotage যেমন পাতি র অসরে হানা using internal sources এবং সেটাকে issue করে ফাসানোর চেষ্টা!!! politcal vendetta

    হিসাব মেটানোর আছে, নিজের ও প্রিয় সিনিয়রের হয়ে....
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে প্রতিক্রিয়া দিন