এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • মৃত্যু পরবর্তী পারলৌকিক ক্রিয়ার

    de
    অন্যান্য | ১৫ মার্চ ২০১২ | ৮৫৯৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • PT | 203.*.*.* | ১৭ মার্চ ২০১২ ১১:৪৮534807
  • আমি কিছু justify করছি না। একজনের মৃত্যুর পরে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আর কোন better পদ্ধতি জানা আছে কিনা বোঝার চেষ্টা করছি।

    একজন ব্যক্তি মানুষ কিভাবে মৃত প্রিয়জনের জন্য শোক পালন করবেন সেটা অবশ্যই তাঁর ব্যাপার। কিন্তু একজন মানুষ শুধুমাত্র আরেকজন মানুষের প্রিয়জন থাকেন না। দুজনের সম্পর্কের বাইরে পরিবার এবং সমাজ অনেক কিছুর সঙ্গেই সেই একজন মৃত মানুষ জড়িয়ে থাকেন। আমরা হয়ত ক্রমশ: পরিজনহীন, সমাজ বিচ্ছিন্ন হতে শুরু করেছি। কিন্তু এখনো এতটা একা হতে পারিনি যাতে আমার কোন পরমাত্মীয়র মৃতু অন্য কাউকে স্পর্শ করবে না।

    আমার এক অতি পরিচিত নাস্তিক বিজ্ঞানী বন্ধু তাঁর মায়ের মৃত্যুর পরে শ্রাদ্ধশান্তি করেন নি। কিন্তু দেখলাম যে সেই ১৩ দিনের দিনই, মায়ের ছবিতে মালা দিয়ে, চুল ছেঁটে, দাঁড়ি কামিয়ে আত্মীয়-বন্ধুদের নিমন্ত্রণ করে গান এবং খাওয়া-দাওয়া করে মাকে স্মরণ করলেন।

    অর্থাৎ normalisation-এর কোন একটা পদ্ধতি চাই-ই চাই।
  • Debashis | 89.*.*.* | ১৭ মার্চ ২০১২ ১২:০৭534808
  • নিনা দির দুটো পোষ্টের সঙ্গেই একমত। ঐ সময়টায় কি করছি, কি বলছি, সবই কেমন একটা ঘোরের মধ্যে। নিজের ওপর ক®¾ট্রাল থাকে না। তার সঙ্গে যে কোনও রিচুয়্যালেই এক বিরাট সংখ্যক সমাজ জড়িয়ে থাকে। নাপিত, পুরোহিত, ডোম.... সবাই। সে হিসেবে দেখলেও এই ক্ষেত্রগুলো তাদের জীবনধারণের জন্যই দরকার।

    তার সঙ্গে এ সময় অনেক লোকের উপস্থিতি, তাদের দেওয়া স্বান্ত্বনা অবচেতনে হলেও কাজ করে নিশ্চয়ই। একা হয়ে পড়লে তো আর অন্য চিন্তা আসেই না। ঐ শোক থেকে কিছুক্ষণের জন্য মনটাকে সরানোর জন্যই চারপাশে লোকের উপস্থিতি আর বিভিন্ন কাজের অবতারণা বলেই আমার মনে হয়।
  • kallol | 115.*.*.* | ১৭ মার্চ ২০১২ ১৬:২৪534809
  • অর্থনীতির বিষয়টা বোঝা গেলো না। মানুষ মরবেই, তাই ডোমের জীবিকা থাকবেই, যদি না টেকনো সৎকার চলে আসে। অনেকদিন আগে টিভিতে দেখিয়ে ছিলো। জাপানে কবর দেবার জায়গা নেই বলে একটা ঘরে লেজার চার্জ করে কফিন সমেত মানুষটি হাওয়া। সেরকম চালু হলে ডোমেদের বিপদ। না হলে চিন্তার কিছু নেই।
    নাপিত, পুরোহিতের নিয়মিত কাজ আছে। মানুষ মরলে এরা খেতে পাবে, নয়তো পাবে না এমন তো নয়।
    অনেক নাস্তিকই আছেন যারা মানছেন না কোন কিছুই, তবু ঐ ১৩ দিনের দিনই স্মরণ সভা করলেন। কেন? আমি তো বাবার স্মরণ সভা করেছিলাম ৭ দিনের দিন। মানে, যাদের যাদের খবর দিতে হবে তাদের খবর দিয়ে অনুষ্ঠানটি করে উঠতে যতটা সময় লাগে আরকি। শোক, সত্যি কথা বলতে আমার তো দুদিনও ছিলো না। বাবা আমার হাতের ওপরেই মারা গেছিলেন। খুব বিহ্বল লাগছিলো। সেটা পিজির হার্ট ব্লক। তারপর গাড়ি ঠিক করা, সকলকে খবর দেওয়া। ভাই মহারাষ্ট্রে, তার আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করব কিনা, সেটা নিয়ে বোনের সাথে কথা বলা - এসব করতে করতে শোক চলে গেল। শুধু সব চুকিয়ে দিয়ে যখন বাড়ি ফিরলাম, তখন বাবার শূণ্য বিছনাটা দেখে খুব কান্না পেয়েছিলো। পরদিন থেকে আর কিছু মনে হয় নি।
    যাকগে।
  • Debashis | 89.*.*.* | ১৭ মার্চ ২০১২ ১৭:১৬534810
  • কল্লোল দা

    যাঁরা শুধুমাত্র পুরোহিতের কাজ করেই জীবীকা নির্বাহ করেন তাঁদের বিয়েবাড়ি, পৈতেবাড়ি বা পুজো-পার্ব্বনের মতো শ্রাদ্ধবাড়ির ওপরেও কিছুটা হলেও নির্ভর করতে হয় মনে হয় :)। কারন বাকী বিষয়গুলি হয় seasonal (বাংলা প্রতিশব্দ কি এর :(?), না হয় কোন একটি বিশেষ জাতির অনুষ্ঠান। নিত্যপুজোয় যা আয় হয় তাতে পুরোহিতদের খুব সুবিধে হয় না। শ্রাদ্ধ কোনও রকমের season মেনে চলে না এখনও :)।

    আর এখনও গ্রামের দিকে নাপিতরাও এই সব অনুষ্ঠানবাড়ি থেকেই তাদের বোনাস রোজগারটা করে।

    তাই আমি সহমত ছিলাম- অন্য সমস্ত রিচুয়্যালস এর মতো ই এই অনুষ্ঠানও সমাজের এক অংশের জীবীকার অঙ্গ।
  • PT | 203.*.*.* | ১৭ মার্চ ২০১২ ১৯:৫৫534811
  • ঐ ১৩ দিনটাও শেষ কথা নয়। কারো একমাস। এমন হতেও পারে যে ঐ একমাস সময়টা হয়ত একসময়ে প্রয়োজন হত সব আত্মীয়-স্বজনদের খবর পাঠানোর জন্য। আর মৃতের শুধু কন্যাসন্তান থাকলে ৪ দিনেই কাজ শেষ। system -টাকে যতটা rigid ভাবি তা বোধহয় নয়। নাহলে কাঞ্চনমুল্যের ব্যপারটা officially স্বীকৃত হত না। আমার বাবা মারা যাওয়ার পরে মাথা কামাতে রাজি হইনি - তিনটে দেশের কাস্টমস পেরিয়ে বিদেশে কাজের জায়গায় ফিরতে হবে বলে। সেও তো দেখলাম ""শাস্ত্রমতে"" করা গেল।

    আমরা অবিশ্যি শুধু মৃত্যু নিয়েই কথা বলছি। বাড়িতে নতুন শিশুর জন্ম হলেও ""আনন্দ-অশৌচ""-এর নিয়ম আছে। সেও তো বেশ একটা পদ্ধতি -নিকটাত্মীয়রা সবাই মিলে পরিবারের নতুন অতিথিকে স্বাগত জানানোর জন্য!! এখানে যাঁরা লেখেন তাঁরা বোধহয় প্রায় সকলেই সন্তানের জন্মদিনে Happy Birthday গেয়ে কেক কাটেন। আনন্দ-অশৌচ সেই হিসেবে খুব একটা খারাপ কিছু নয়।
  • debu | 72.*.*.* | ১৭ মার্চ ২০১২ ২০:৩১534812
  • বোলো হরি হেরি ব্যোল
  • kd | 59.*.*.* | ১৭ মার্চ ২০১২ ২৩:৫৯534813
  • কল্লোলের সঙ্গে একমত - পুরুত, নাপিতদের (ডোমেরা এ পিকচারে কেন, জানি না) অন্নসংস্থানের জন্যে এখনও এই সব নিয়ম মানা বাতুলতা - ওদের আমাদের ""করুণা''র কোন প্রয়োজন নেই। আজকাল এ'সবের জন্যে পুরুত রীতিমত খুঁজতে হয় (আমাদের কুলপুরোহিত মারা যাওয়ার পর বাৎসরিক কাজের জন্যে নতুন পুরুত পেতে বেশ ভুগেছি) - সকলেই অন্য প্রফেশনে ব্যস্ত (যদিও এঁরাই পুজোর সীজনে পুরুতগিরি করেন)। আর নাপিত? দিনে ডাকাতি - জজেস ঘাটে পার মাথা ১০০ টাকা (তিন বছর আগের কথা - আমার পাড়ার নাপিত চুল কাটতে দশ টাকা নিতো - সে সঙ্গে থাকাতেও এদের পুরো টাকা দিতে হ'লো কোন সার্ভিস না নিয়েও - প্লেন অ্যান্ড সিম্পল গা'জোয়ারি)।

    পিটির বক্তব্যের একটি ছোট কারেকশন। কন্যা অন্যগোত্রের হ'লে (পড়ুন বিবাহিত) চার দিনের অশৌচ। স্বগোত্রের কন্যাদের (কুমারী কন্যা বা পুত্রবধু) পুত্রের মতোই অশৌচ।
    সবচেয়ে অশ্লীল নিয়ম, স্ত্রীর মৃত্যুতে স্বামীর কোন অশৌচ নেই।

    আমার মনে হয় পিটি ঝামেলা অ্যান্টিসিপেট করে চান্স নেন নি। '৮৪ সালে মহালয়ার দিন আমার বাবার মৃত্যুসংবাদ পেয়ে আমরা দু'ভাই অশৌচবস্ত্রে (কাছাগলায়, হাওয়াই চটি) পরের দিন ভোরে বস্টন থেকে নিউইয়র্ক গিয়ে ভিসা নিয়ে রাতে কলকাতার প্লেন ধরেছি - কোন অসুবিধে হয় নি। ফেরার সময় দাদা সোজা ফিরে এলেও আমায় আপিসের কাজে ফ্রাংকফুর্ট আর ব্রাসেল্‌স হয়ে আসতে হয় - কোন জায়গার ইমিগ্রেশনে (পিটি বোধহয় তাই লিখতে চেয়েছিলেন) কোন ঝামেলা দেয়নি - হ্যাঁ, প্রশ্ন করেছিলো, উত্তর পেয়ে আন্তরিকভাবেই সহানুভুতি জানিয়েছিলো।

    আসল কথা, মন যা চায় তাই করুন। অন্যদের বা পরিস্থিতিকে এস্কিউজ হিসেবে ব্যবহার করবেন না। আপনার সঙ্গে আপনার বাবা-মার সম্পর্ক এ'সবের অনেক ওপরে।
  • ranjan roy | 14.*.*.* | ১৮ মার্চ ২০১২ ০০:২১534814
  • আলোচনায় দুটো জিনিস বেরিয়ে এসেছে। পারলৌকিক
    অনুষ্ঠান কার জন্যে, যিনি আছেন, না যিনি চলে গেলেন?
    কেউ বলছেন যিনি চলে গেলেন তাঁর দেহ সৎকারের পরে যদি ইচ্ছার কি দাম? যদি দেহ-বিচ্ছিন্ন আত্মায় বিশ্বাস না করি? বিশ্বাস করলে অন্য কথা।
    কিন্তু শিবু বলছেন সোশ্যাল ক¾ট্রাক্টের কথা। সম্পত্তি ইত্যাদি ব্যাপারে যিনি গত হয়েছেন তাঁর ইচ্ছা(উইল) মানবো,খালি তাঁর নিজের শরীরের ব্যাপারে তাঁর ইচ্ছা মানবো না?
    ধরুন,যদি দুর্ঘটনায় বডি পাওয়া গেল না, বা বাপ-ছেলে
    দুজনেই গত, তখন?
    আসলে দুপক্ষের বক্তব্যেই আংশিক সত্য আছে। আসলে কাজটা করছেন বা করছেন না কে? যিনি বেঁচে আছেন। ফলে তাঁর মানসিক অবস্থাটাই শেশমেষ নির্ধারক হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
    যেমন,এক, লোকে-কি-বলবে চাপ! ফলে কেউ কেউ ধার করেও পাড়ার লোককে শ্রাদ্ধ( বিয়েতেও) খাওয়ায়।
    দুই, যিনি গেছেন তাঁর সঙ্গে আমার সম্পর্ক কেমন? তাঁর ইচ্ছে-অনিচ্ছে আমার কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ? ধরুন, আমি আমার মার কথায় তাঁর শরীরের সৎকার করতে রাজি, কিন্তু তাঁর কথায় তাঁর পছন্দের মেয়েকে বিয়ে করতে রাজি নই।
    তিন, পিটি যা বলছেন-- অর্থাৎ মানুষ শোক কাটিয়ে ওঠার জন্যে একটি সহজ প্রক্রিয়া চায়। তাই অতশত না ভেবে প্রচলিত প্রথাটিই গ্রহণ করে।
    এখানে যাঁরা সামান্যত: চিরাচরিত অনুষ্ঠান গুলো পালন করেন তাঁরা মূলত: প্রথম ও তৃতীয় কারণের জন্যেই করেন।
    তবে নাস্তিক( মার্কসবাদী ও অন্য)রা শিবু কথিত দ্বিতীয় কারণের জন্যে।
    আমার চুঁচড়োর দাদা মার শ্রাদ্ধ নিয়মানুসার, দ্বিতীয় কারণে, করলেন। কিন্তু নিজে ক্যান্সারে মারা যাবার সময় ছেলেকে বলে গেলেন কোন ধার্মিক শ্রাদ্ধানুষ্ঠান না করে পাশের সরকারি স্কুলটিতে হাজার ত্রিশ খরচা করে একটি কির্লোস্কর পাম্প ও জলের ট্যাংক বানিয়ে দিতে যাতে গরমের সময় বাচ্চাগুলো তেষ্টার জলের জন্যে বাড়ি বাড়ি
    ঘুরে না বেড়ায়।
    ভাইপো, দ্বিতীয় কারণে, বাবার কথা মেনে, স্কুলটিতে পাম্প এবং ট্যাংক লাগিয়ে দিল। সব জেনে কির্লোস্কর কোম্পানি আগামী দশ বছর ফ্রি-,মেন্টেন্যান্সের কথা দিল। কিন্তু, ভাইপো, পিটি কথিত তৃতীয়কারণে, ত্রয়োদশ দিবসেই, স্মরণসভা ডাকলো। তাতে কিছু কবি, দাদার বন্ধুবান্ধব, সিপিএমের অধ্যাপক রূপচাঁদ পাল এরা এসেছিলেন।
    আমি চাইছি আমার বডি হাসপাতালে দেয়া হোক। মেয়েরা ও স্ত্রী রাজি নয়। ওরা বলছে আজকাল যথেষ্ট বডি এমনিতেই মেডিক্যাল কলেজে পায়। আর বুড়ো বয়সে ক্যাটারাক্ট হওয়া চোখ কার কি কাজে লাগবে! বল্লাম, তাহলে মারা যাবার পর আমার আত্মা ভূত হয়ে তোদের চারপাশে ঘুরে বেড়াবে, ঘাড় মটকাতেও পারে।
    -- ও! তুমি তাহলে দেহহীন আত্মায় বিশ্বাস কর?
    বোঝো ঠ্যালা!
    যাকগে, যাই কর কোন ধার্মিক ক্রিয়াকলাপ চলবে না। পারলে কোন ছুটির দিনে ক্লোজ বন্ধুবান্ধবদের এনে আড্ডা দাও, হল্লা কর, পুরনো জোকস্‌ শোনাও, খাও দাও।উত্তম দারুতেও বাধা নিষেধ নেই। নো কান্নাকাটি!
    -- তুমি চোখ বুজলে কি হবে সেটা আমাদের ভাবতে দাও, বেশি অথরিটেরিয়ান হয়ো না। কমিউনিস্টরা বড্ড--! আমরা যাতে কম্ফর্টেবল্‌ তাই করবো।
    সত্যিই তো! যাই যুক্তি দিই না কেন, আমরা আসলে যাতে কম্ফর্টেবল্‌ তাই করি। বাকিটা র‌্যাশনালাইজেশন।
  • kc | 178.*.*.* | ১৮ মার্চ ২০১২ ০০:২৬534815
  • জ্জিও রঞ্জনদা। লাস্ট দুটো লাইন ধার নিলাম।
  • Nina | 69.*.*.* | ১৮ মার্চ ২০১২ ০৫:১৫534817
  • রঞ্জনভাউ :)
    একেবারে হক কথা--এইসব যারা থাকে তাদের জন্য--তাই তারা যাতে কম্ফর্টেবল তাই করবে--
    যে চলে গেছে তার কিচ্ছু যায় আসে না।

    কাব্লিদা কল্লোলদা
    নাপিত ডোম ইত্যাদিরা যে এই রিচুয়ালের ওপরই ডিপেন্ড করে আছে --তা বলছিনা তো--তবে হলে তাদের উপকার হয়--দোকানিদেরও কিছুমিছু বিক্রী-বাট্টা বাড়ে--তবে আস্তে আস্তে এইসব নিয়ম লোপ পাচ্ছে বলেই পুরোহিতের ছেলেরা--নতুন প্রজন্ম আর এই প্রফেসনে থাকতে ইচ্ছুক নয়--তারা পড়াশোনা করে চাকরি করাটা সেফ মনে করছেন।
  • Siddhartha | 131.*.*.* | ১৮ মার্চ ২০১২ ০৫:৪৩534818
  • ইয়ে, যেটা বিশ্বাস করি না সেটা অন্যে বিশ্বাস করে বলে করতে হবে, এটা একটু চাপের। কেমন ইমোশনাল অতিয়াচার টাইপ হয়ে যায়।

    আমি আমার বিয়েটা পাতি রেজিস্ট্রি করেছিলাম। নো রিচুয়াল। তাতে আমার মাআ হেবি বাওয়াল দিয়েছিল অবশ্য, কিন্তু মেনে নিয়েছিল আল্টিমেটলি।

    বাবা-মা কে বলেছি শ্রাদ্ধ করব না। তাতে খুশী না, কিন্তু কি আর করা যাবে!

    একটা সলিউশন হতে আরে। বাবা মা যদি গাঁটপনা করেন, যে না আমাদের শ্রাদ্ধ করতেই হবে, তাহলে বলে দিন করব। পরে মারা যাওয়ার পর তো আপনার হাতে, করবেন কি করবেন না। আর আত্মায় যদি বিশ্বাস না করেন, তাহলে নিশ্চিন্ত থাকুন, আপনি কাউকে ঠকাচ্ছেন না।
  • tatin | 117.*.*.* | ১৮ মার্চ ২০১২ ১১:২১534819
  • are alive, you don't have to deal with being dead, but when you are dead you don't have to deal with it either, because you aren't there to deal with it." In Epicurus' own words, "Death means nothing to us...when we exist, death is not yet present, and when death is present, then we do not exist,"[5] for there is no afterlife after we die.
  • PT | 203.*.*.* | ১৮ মার্চ ২০১২ ১২:৩১534820
  • kd: কোন এক্সকিউস দেওয়ার চেষ্টা করিনি - কোন প্রয়োজনও ছিলনা। দেশজ system-টা rigid নয় এবং লোকাচার অনুসারে পরিবার থেকে পরিবার, গ্রাম থেকে গ্রামে বদলে যেতে থাকে সেটা বোঝানোর চেষ্টা করছিলাম। আর গোত্র বদলানো মেয়েদের ৪ দিনে কাজ শেষ করাটাও system-এর flexibility-কেই প্রমাণ করে। আরও একটা কথা - পৃথিবীতে অনেক দেশ আছে যেখানে ভারতীয়দের যাতায়াত খুব সীমিত - বিশেষত: ৮০-র দশকের শুরুতে তো বটেই। আমার অশৌচ বস্ত্রের সমস্যা ছিল না - ছিল ন্যাড়া মাথার - সে যাই হোক অপ্রাসঙ্গিক এখানে।

    সাধারণভাবে যাঁরা এখানে লেখেন তাঁদের সামাজিক অবস্থান যা তাতে তাঁরা সমাজের রক্তচক্ষুকে অস্বীকার করে যেমন খুশী জীবন যাপন করতেই পারেন। আমার রাঁধুনী দিদি, পরিবার শুদ্ধু কট্টর সিপিএম সমর্থক এবং কর্মী - স্বামী মারা যাওয়ার পরে মোটেই সমাজকে অস্বীকার করতে পারেনি - সম্ভব নয় বলে।

    আর মৃত মানুষের ইচ্ছে-অনিচ্ছের কোন সম্মান করার প্রয়োজন না থাকার প্রসঙ্গে মনে পড়ে গেল যে বিবেকানন্দ কোন এক রাজাকে তাঁর পুর্বপুরুষের ছবিতে থুতু ফেলতে বলেছিলেন.....
  • ranjan roy | 14.*.*.* | ১৮ মার্চ ২০১২ ১৩:০৬534821
  • পিটি,
    মূল কথাটা তাই। কে তাঁর পারিপার্শ্বিক চাপ কে কতটা ইগনোর করতে পারেন, অর্থাৎ সেই ডিগ্রি অফ কম্ফর্ট।
    অবশ্যই আপনার কথা ঠিক যে আপনার বাড়ির কাজের মহিলা সিপিএম অ্যাকটিভিস্ট হয়েও লোকে-কি-বলবে( সমাজ কি বলবে) সিনড্রোমকে এড়াতে পারেন নি, সত্যিই খুব কঠিন।
    কিন্তু একটা কথা। মানুষ নানা কারণে কোন রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করে। ওই খেটে খাওয়া মহিলাটি সিপিএমকে সমর্থন করেন এই জন্যে যে বাম সরকার বা সিপিএমকে উনি খেটে খাওয়া মানুষের দল মনে করেন। তার মানে উনি একেবারে মার্ক্সীয় দর্শন মেনে নাস্তিক হবেন তাতো নয়। উনি নিশ্চয় সারাবছর যত ধার্মিক আচরণ পূজোপার্বণ সবই করেন। তাহলে শ্রাদ্ধ না করার প্রশ্নই ওঠে না।
    আর কমরেড সুভাষ চক্কোত্তি মশাই তো পূজো দিয়ে বলেইছিলেন যে উনি আগে ব্রাহ্মণ, পরে বাঙালী তার পরে কমিউনিস্ট। এই ভাবেই আমরা আমাদের রাজনৈতিক অবস্থান নির্ধারণ করে থাকি। বহু আগে ষাটের দশকে বামপন্থী সাহিত্যিক সৌরি ঘটক নন্দন পত্রিকায় লিখেছিলেন যে ড্রইং রুমে ফয়েরবাখ আর শোবার ঘরে গীতা-- এ করলে হবে না।
    শেষমেষ ওই দাঁড়াল, কে কোথায় কম্ফর্টেবল।
    আর বিবেকানন্দের উদাহরণটা? বাবাকে শ্রদ্ধা করি কিন্তু ওনার সব কথা মেনে চলি কি? ছবিতে থুতু ফেলা হল বাবাকে অশ্রদ্ধার উদাহরণ। কথা না মানলে অশ্রদ্ধা করবো কেন? দুটৈ একস্ট্রিম।
    সিদ্ধার্থ মার ইচ্ছের বিরুদ্ধে নিজের পছন্দমত বিয়ে করেছেন। তার জন্যে ওনাকে মার ছবিতে থুতু ফেলে " পলিটিক্যালি কারেক্ট' হতে হবে কেন?
    মাকে শ্রদ্ধা করি বলে তাঁর সব কথা মানবো এমন নয়।
    আবার মার কোন কোন কথা মানিনি বলে তাঁকে অশ্রদ্ধা করি তাও নয়।
  • PT | 203.*.*.* | ১৮ মার্চ ২০১২ ১৩:০৯534822
  • ঘোর নাস্তিক দূগ্গাপুজোয় বৌ-ছেলেমেয়েকে নতুন জামা কাপড় কিনে দেয় না? সেটা তো বছরের শুরুতে কিনে দিলেই হয়!!
  • ranjan roy | 14.*.*.* | ১৮ মার্চ ২০১২ ১৩:১৭534823
  • পিটি,
    আমি গত তিরিশ বছর ধরে তাই করেছি, যখন দরকার তখন কিনেছি।পূজোর বাজার করিনি। কিন্তু কেউ ঘোর নাস্তিক হয়েও দূর্গাপূজোর বাজার করতেই পারেন। কারণ, তাঁর কাছে দূর্গাপূজোর আধ্যাত্মিক মূল্য শূন্য, তাই কোন শুচিবাই নেই। উনি অঞ্জলি দেবেন না। কিন্তু দূর্গাপূজোর একটি সামাজিক উৎসবের দিক আছে, সেখানে বৌ-বাচ্চারা অন্যদের মত সেজেগুজে নতুন জামাকাপড় পরে ঠাকুর দেখতে বেড়াতে গেলে আপত্তি কোথায়? নইলে কিন্তু আপনি পরোক্ষে পূজোর বিশেষ শক্তি স্বীকার করে নিচ্ছেন!:)))
    কট্টর নাস্তিক নিজে উপোস করবেন না, অঞ্জলি দেবেন না। কিন্তু বৌ-বাচ্চার ওপর নিজের বিশ্বাস চাপিয়ে দেবেন না।
  • Siddhartha | 131.*.*.* | ১৮ মার্চ ২০১২ ১৩:১৮534824
  • কি চাপ! থুতু ফেলে প্রগতিশীলতা দেখাতে হবে কেন?

    কমিরা-ই তো দেখছি গতানুগতিক চিন্তাধারার ধারক-বাহক হয়ে উঠলেন!

    যাজ্ঞে, ডিসক্লেমার: ছবিতে থুতু ফেলতে বল্লে সেটা করে দেওয়া যাবে। ছবিটা ছবি-ই, একটা নিÖপ্রাণ বস্তু, তার বেশি কিছু না।
  • Siddhartha | 131.*.*.* | ১৮ মার্চ ২০১২ ১৩:২০534825
  • ঠিক যেমন লাল পতাকা একটা কাপড় মাত্র, তার বেশি কিছু না।

    ইমপোজড ইমোশনগুলো ছাড়িয়ে ছাড়িয়ে শুধু কঙ্কালটাকে বাইরে বার করে আনলে সত্যিটাকে ধরা যেতে পারে হয়ত
  • dukhe | 117.*.*.* | ১৮ মার্চ ২০১২ ১৩:৩০534826
  • বাবা মা যদি বলে দেন মৃত্যুর পর দেহদান করব, বলে দিন হ্যাঁ। মারা যাওয়ার পর আপনার হাতে। কাটিয়ে দিতেই পারেন। আত্মায় বিশ্বাস না করলে ঠকানোর প্রশ্ন নেই।
    রাইট ?
  • Siddhartha | 131.*.*.* | ১৮ মার্চ ২০১২ ১৩:৩৩534828
  • একদম। নীতিগতভাবে ঠিক।

    তবে আমার বাবা মায়ের দেহদান করার ইচ্ছে নেই। করলে ভাল হত। মাঝে মাঝে গিয়ে একটু দেখে আসতে পারতাম। মন খারাপ লাগলে।
  • PT | 203.*.*.* | ১৮ মার্চ ২০১২ ১৩:৩৮534829
  • RR
    আমার মনের কথাটাই বললেন। সমস্ত পারলৌকিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেও সম্পুর্ণ অবিশ্বাসী থাকা যায়। মন্ত্রোচ্চারণ করলেই কি পরোলোকে বিশ্বাস করা হয় নাকি? পারলৌকিক কাজের এই সামাজিক দিকটিই আমি বোঝানোর চেষ্টা করছি। কেউ মানে না কিন্তু তার মা যদি মানে আর সেই মা যদি মৃত স্বামীর ""আত্মার স্বর্গবাসের" জন্য একমাত্র পুত্রসন্তান কে পারলৌকিক কাজ করতে অনুরোধ করে তবে সেই অনুরোধ রক্ষা কি পারিবারিক/ সামাজিক কাজ বলে গণ্য হতে পারেনা?
  • Siddhartha | 131.*.*.* | ১৮ মার্চ ২০১২ ১৩:৩৯534830
  • আর আইডিয়ালি বাবা মায়ের দেহদান করা উচিত কি এই ভেবে যে বাবা মায়ের ইচ্ছে ছিল, না কি এই ভেবে যে এতে সমাজের একটা লাভ হচ্ছে?

    যদি প্রথমটা হয়, তাহলে চাপ হ্যাজ। আমার কোনো সামাজিক কমিটমেন্ট থাকল না, মৃত ব্যাক্তির ইচ্ছে পুরণের জন্য কাজটা করলাম।

    দ্বিতীয়টা হলে একদম আইডিয়াল। দু:খের ব্যাপার, সেটা কম-ই হয়। বরং উল্টোতাই দেখা যায়। বাবা দেহদানের অংঈকার করে গেলেও ছেলেপুলে দিতে চায় না।

    সেক্ষেত্রে তাকে সমালচনা কোন লাইনে করবেন, বাবার ইচ্ছে রাখেনি না কি কোনো সামাজিক সচেতনতা তৈরী হয়নি?

    চয়েস আপনা আপনা
  • dukhe | 117.*.*.* | ১৮ মার্চ ২০১২ ১৩:৪৩534831
  • সমাজের লাভ তো শ্রাদ্ধেও হয়। কত লোকের পেশাটেশা। যেভাবে দেখবেন।
  • Siddhartha | 131.*.*.* | ১৮ মার্চ ২০১২ ১৩:৪৬534832
  • এটা নিয়ে তো কাউকে জোর করার কিছু নেই। যার পোষাবে করবে, যার পোষাবে না করবে না।

    শ্রাদ্ধ করলেই প্রগতিশীলতার সতীত্বে নিউমোনিয়া লেগে গেল-প্রগতিশীলতা অত ঠুনকো না।

    আমি করিনি আমার পোষায় না বলে.।অযে কোনো ধর্ম দেখেই ঝাঁ* জ্বলে। তার সাথে প্রগতি প্রতিক্রিয়ার কোনো রিলেশন নাই।
  • Siddhartha | 131.*.*.* | ১৮ মার্চ ২০১২ ১৩:৫৬534833
  • মুশকিলটা হয় যখন নিজে বিশ্বাস করছি না কিন্তু সমাজের চাপে করতে হচ্ছে, বা মায়ের অনুরোধ। এগুলো একটু ইমোশনাল অতিয়াচার হয়ে যায়।

    আর সামাজিকতা অতি ডেঞ্জার টার্ম। খতরনাক। এর দোহাই দিয়ে অনেক ভুলভাল কাজে নিজের কন্স্যয়েন্সকে দাবিয়ে রাখা যায়।

    মানে, আপনি যদি বিশ্বাস করেন যে মৃত ব্যাক্তির ইচ্ছের প্রতি সম্মান জানানো উচিত, বা আত্মা আছে, তাহলে একশবার করুন।

    কিন্তু বিশ্বাস না করে, সমাজের চাপে পড়ে করলে তো মুশকিল। লোহার বাসরঘরে একবার ফুটো পেয়ে গেছে, এরপর আয়নাকোন্ডা ঢুকে গিয়ে নাগিন দেখাতে থাকবে
  • ranjan roy | 14.*.*.* | ১৮ মার্চ ২০১২ ১৪:০২534834
  • অনেকটাই সিদ্ধার্থের সঙ্গে। যদি নিজে বিশ্বাস না করেন কিন্তু সমাজ বদলায়নি বলে---, তাহলে কোনদিনই বদলাবে না। কাউকে তো নিজের বিশ্বাসমত চলতে হবে।
    আল্টিমেটলি সেই কে কার কি কম্ফোর্ট জোন!
  • dukhe | 117.*.*.* | ১৮ মার্চ ২০১২ ১৪:৪৮534835
  • কোনদিন নিয়ে ভাববেন কেন ? নিজের জীবদ্দশার বাইরে ভাবার তো কথা নয়।
  • Du | 117.*.*.* | ১৮ মার্চ ২০১২ ১৫:১৭534836
  • উল্টোটাও হয়েছে। বর্তমানের নামকরা বাঙালী অর্থনীতির প্রো: বাবা মা দুজনেই বাম বিশ্বাস রাখতেন না মৃত্যুপরবর্তী ধার্মিক ক্রিয়াকলাপে। বাবা মারা গেলে মা শুধু স্মৃতিসভা করেন, কিন্তু ছেলে পুরোনোপন্থী, পুরোদ্‌স্‌তুর নিয়ম মেনে শ্রাদ্ধ করলেন।
  • dd | 122.*.*.* | ১৮ মার্চ ২০১২ ১৫:৩৬534837
  • ছোটোবেলায় (মিড ফট্টী পর্যন্ত্য)খুব রেগে যেতাম।

    ১% ধর্ম মানে না, পুরুত মানে না। কলার তুলে হাঁটে, বলে বেশ করেছি। কল্লোল যেমন, আমিও। কোনোরকম রিচুয়াল মানি নি। বিয়ে পিতৃ শ্রাদ্ধ, গৃহপ্রবেশ। হ্যান ত্যান। এক পুরোহিত বিবর্জিত পাঁজীহীন জীবন।

    আরেক, অমনই ক্ষুদ্র সংখ্যক মানুষ রয়েছেন যারা বলেন "এই সবে আমি বিশ্বাস রাখি। এটা আমার কর্ত্তব্য, আমি নিষ্ঠা ভরে পালন করি।" এরাও বুক ফুলিয়ে হাঁটেন।

    আরেক এক বিশাল সংখ্যক মানুষ এইসব পালন করেন কিন্তু নানান গোঁজামিল কারন দেখান। যেনো নিতান্তো অনিচ্ছায় করছেন। এইসবে রেগে যেতাম, আর্লি ও লেট যৈবনে। এখন রাগি না।

    এসবেরও দরকার আছে, সকলেরই। আমরা কম বেশী সবাই নানান রিচুয়াল করি। সংস্কার মানি। খালি সবাই কিন্তু এসব গুলোকে যুক্তিবাদের দোহাই দেই না। বাচ্ছার জন্মদিনে কেক কাটি - কোনো যুক্তি নেই। শুধু ভালো লাগে বলে করি। বেশ করি।

    বয়স হলে কেমন সব নদীই সাগরে মিশে যায়।
  • PT | 203.*.*.* | ১৮ মার্চ ২০১২ ১৬:০২534839
  • কিন্তু রিচুয়াল তো মেনেই চলেছে মানুষ। প্রতি বছর সন্তানের জন্মদিন করার দরকার কি - তাও সাহেবদের মত কেক কেটে আর হ্যাপি বাড্ডে গেয়ে। কিংবা বিবাহবার্ষিকী? নিতান্ত ব্যক্তিগত একটা ব্যাপারে গুচ্ছের মানুষ ডেকে বা পার্টি দিয়ে সেলিব্রেট করা -সেই বা কেমন ধারা? আর এদানিংএর ভ্যালেন্টাইন্স ডে? একরাশ লোকের মাঝখানে গিয়ে আদিখ্যেতা করার-ই বা কি মানে? নাকি এগুলো সাহেবরা করে বলে রিচুয়াল মনে হয়না!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে মতামত দিন