এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • আম্রিগা - একটি নির্মোহ ব

    pi
    অন্যান্য | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২ | ২৭৩৯৭ বার পঠিত | রেটিং ৪ (২ জন)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • siki | 122.*.*.* | ২৬ মার্চ ২০১২ ২১:২৫528893
  • অ্যাদ্দিনে বুঝলাম আমি আম্রিকার খুব কাছেই থাকি। রাজভাষা-রাজমা-রামনবমীর দেশে জিকে-র হালও কিন্তু ঐ প্রায় আম্রিগার মতই, যেমনটি পাই বলল। পলিটিকাল অ্যাওয়ারনেস? বাঙালিদের তুলনায় জাস্ট কিস্যু না। কিস্যু নাআ।

    শুধু যদি মাইনেটা এট্টু ডলারে পেতাম। শুনলাম নাকি একান্ন টাকা ছাড়িয়ে গেছে।
  • pi | 72.*.*.* | ২৬ মার্চ ২০১২ ২১:২৮528894
  • রাজভাষা-রাজমা-রামনবমীর দেশ টা খাসা হয়েছে :)
  • aka | 168.*.*.* | ২৬ মার্চ ২০১২ ২১:২৯528895
  • মাইরি একান্ন হয়েছে। আহা সিকির মুখে রাজমা-চাওল। যাই কিছু টাকা ভেজে আসি।
  • Ghoranim | 72.*.*.* | ২৬ মার্চ ২০১২ ২১:৫৭528896
  • ৫১ কেন কদিন আগে ৫৩ ছিলো, আর তখন আমার মত BPL লোকেরও নিজেকে হেবি বড়লোক মনে হোতো :P
  • siki | 122.*.*.* | ২৬ মার্চ ২০১২ ২২:০৩528897
  • এরা মন দিয়ে পড়া করে না। :(

    এই বিশেষণটা লা-জবাব দিল্লি বইতেই ছিল। "দিল্লিওয়ালা কী করে চিনবেন' অধ্যায়ে।
  • aka | 75.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ০৫:৫১528898
  • এদেশের স্কুল ব্যবস্থা ভালো না ওদেশের এই কথাটা অত্যন্ত সুপারফিশিয়াল। নিতান্তই কোন গভীরতা নেই। একটা স্কুল সিস্টেম বলতে কি বোঝায়? একটা সিস্টেম অনেক কিছু নিয়ে তৈরি। তাই দুম করে ভালো বা মন্দ বলতে গেলে বা তুলনা করতে গেলে একটু আলাদা আলাদা ভাবে দেখা ভালো। নইলে অন্ধের হস্তী দর্শনের মতন হবে।

    ১। ইনফ্রাস্ট্রাকচার - যেমন ক্লাসরুম, স্টুডেন্ট- টীচার রেশিও, হেলদি বাথরুম, খেলার জায়গা ইত্যাদি নিয়ে নিশ্চয়ই কোন সঙ্গশয় নেই। ভারতে শহরে অত্যন্ত পশ স্কুলগুলোই এখানকার অ্যাভারেজ স্কুল গুলোর সাথে মনে হয় না কমপিট করতে পারবে। বাকি সরকারী স্কুল যেখানে একটা ক্লাসরুম, একজন টীচার,মাথায় ছাদ নেই তাদের না হয় বাদই দিলাম। কি কারণে আমেরিকার স্কুল সিস্টেমের ইনফ্রাস্ট্রাকচার ভালো সে এই আলোচনায় বাদ দিলাম। যদিও সেটা খুব প্রবলভাবে আলোচনায় আসে তবুও অন্য কোথাও অন্য কোনোখানে।

    ২। গতিশীলতা - একটা বিষয় নিশ্চিন্ত থাকুন, প্রতিটা কাউন্টির স্কুল সিস্টেমের যে অফিস আছে সেখানে যারা কাজ করছে তারা তাদের কাজের বিষয় যথেষ্ট সিরিয়াস এবঙ্গ সর্বক্ষণ কাজ করে চলেছে কি করলে ভালো হয়। যেমন ধরুন একজন স্টুডেন্টের একটা নির্দিষ্ট সময়ে রিডিঙ্গ লেভেল কেমন হওয়া উচিত সেটা নিয়ে সারা ইউএসএ জুড়ে স্টাডি করে ঠিক করা হয়েছে কয়েকটি মাপকাঠি সেই অনুযায়ী কোন ছাত্রে রিডিঙ্গ লেভেল কি এবঙ্গ কি করলে তার রিডিঙ্গ লেভেল ভালো হবে সেই নিয়ে গাইডলাইন। এই সিস্টেম ভুল বা ঠিক যাই হোক বাপ মা হিসেবে একটু নিশ্চিন্ত করে। এক, যারা কাজ করছে তাদের ওপর ভরসা বেশি আগের ইন্সট্যান্ট গুলো থেকে পাওয়া এভিডেন্স থেকে, দুই, আমি নিজের কথা দ্ব্যর্থহীন ভাবে জানাতে পারি এবঙ্গ তা শোনার কেউ একজন আছে।

    অন্যদিকে ভারতীয় অ্যাভারেজ স্কুল সিস্টেম পিতৃমাতৃহীন অনাথ। এই আজ ঠিক হল ইঙ্গরিজি পড়াব, কাল ঠিক হল না তুলে দে, আজ ঠিক হল ৫+ এ স্কুলে ভর্তি, কাল ঠিক হল ৬+, আজ সুকান্ত সিলেবাসে তো কাল জয় গোস্বামী। কি জন্য, কেন কি হচ্ছে কতিপয় লোক ছাড়া কেউ জানেও না, বোঝেও না। সাধারণ চোখে অধিকাঙ্গশ সময়েই হয় আবেগে থরোথরো কিছু সিদ্ধান্ত নয়ত উন্মাদনা নয়ত সম্পূর্ণ পলিটিকালই মোটিভেটেড সিদ্ধান্ত।

    এতটা লিখে মনে হল ক্যাটাগরাইজেশন টা বোধহয় ঠিক হয় নি। ফিরে গিএয় ঠিক করাই যায় কিন্তু কিই বা দরকার।
  • aka | 75.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ০৬:২০528899
  • ৩। কি করিতে হইবে - একজন টীচার তার জব ডেফিনিশন পুন্‌খানুপুন্‌খ জানে এবঙ্গ প্রতি দিন সেটা যথাযথ ভাবে পালন করে। প্রায় প্রতিদিন টীচার ইমেল করে জানাতে থাকেন ছাত্রর। কি করিতে হইবে, বাপ-মার কি করিতে হইবে। এছাড়াও প্রতি ৯ হপ্তা পরে টীচারের সাথে একান্ত মিটিঙ্গে ছাত্রর ইন্ডিভিজুয়াল প্রোগ্রেস রিপোর্ট - প্রোগ্রেস রিপোর্টে কি কি আলোচনা হয় সে কথা পরে বলছি।

    আমার মনে পড়ে যায় আমার ছাত্র দশার কথা। কে কবে কি করবে কেউ জানে না। টীচারের যা ইচ্ছে তাই হবে। এতে আর যাই হোক সিস্টেম যে খুব সুচিন্তিত নয় সেকথা কনক্লুড করাই যায়।

    আর একটু ওপরের দিকে ভারতে টীচারেরা যে ক্লাসে পড়ানোর থেকেও কোচিঙ্গ ক্লাসে পড়াতে ভালোবাসে সেটা নিশ্চয়ই নতুন করে বলার দরকার নেই, সবাই জানে। এখানে কাজটি ঠিক না করলে আমার ফিডব্যাকেই কাজ হবে।

    ৪। ইভ্যালুয়েশন - অত্যন্ত গুর্ত্বপূর্ণ ক্রাইটেরিয়া যদি দুটো সিস্টেমের তুলনা করেন। তাহলে এডুকেশন সম্পর্কে ওভারঅল চিন্তাভাবনাটা বোঝা যায়। আমার পুত্রের স্কুলে সাবজেক্ট প্রতি ইভালুয়েশন রয়েছে। কিন্তু সেটাও ঠিক ফ্ল্যাট অনে্‌ক ২ বা ইতিহাসে ৩ এমন নয়। দুটো উদাহরণ দিই ম্যাথের ক্ষেত্রে

    ক) determine equivalent names for numbers
    খ) measurement- estimates and measure

    এরকম অনে্‌ক গুলো ক্রাইটেরিয়া প্রতিটায় ১ অথবা ২ অথবা ৩। অন্য কারুর সাথে তুলনা নয় শুধু নিজের সাথেই নিনের তুলনা। আগের থেকে এগোলে না যেখানে ছিলে সেখানেই রইলে না পিছোলে।

    এরকমই ডিটেল ক্রাইটেরিয়া ল্যাঙ্গোয়েজের জন্য, আর্টসের জন্য,, এমনকি অর্গনাইজেশন স্কিল, বা কমপ্যাশনেট বিভেভিয়ার ইত্যাদির জন্যই।

    একজনকে ৩৬০ ডিগ্রি থেকে দেখার চেষ্টা কোনোরকম কম্পিটিশন ইমপোজ না করে।
  • aka | 75.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ০৬:৪১528900
  • এরপরে যা পড়ে থাকে তাহল পেডাগগি এবঙ্গ সিলেবাস। তাই নিয়ে বলার খুব কিছু নেই। অনেকটাই ব্যক্তিগত চয়েজ। কারুর যদি মনে হয় মাথায় গজাল মেরে মেরে মুখস্ত করালে সেটাই ভালো। তো সেটা ডিসপ্রুফ করতে পারব না। যায়ও না বোধহয় সেই চাপ নাই নেওয়া ভালো।

    তবে সিস্টেম যদি পছন্দ না হয় তাহলে সেটা চেন্‌জ করার সব থেকে বড় চান্স এখানেই। ভারতে নেতা বা বিলিয়নিয়ার না হলে কেউ কারুর কথা শোনে না।

    পেডাগগি নিয়ে আর একটা কথা বলে নিই, উত্তাল কেলিয়ে পড়ানো পোষাবে না। কারুর পোষাতেই পারে, সেই নিয়ে বলার কিছু নেই।

    আমি ব্যক্তিগত ভাবে এই পেডাগগি, এই সিলেবাস পছন্দ করি। একটা ওভারঅল ৩৬০ ডিগ্রি অ্যাপ্রোচ। পারফেক্ট? হয়ত নয় কিন্তু পূর্ণ আস্থা আছে যে কেউ একটা সেটা নিয়ে চিন্তা করে চলেছে। যেমন মিডল স্কুলে বুলিইঙ্গ, ড্রাগ ইত্যাদি সমস্যা আছে কিন্তু কেউ না কেউ সেটা নিয়ে নিরন্তর ভেবেও চলেছে।

    তারপর ধরা যাক কারুর কোনো ডিসএবিলিটি রয়েছে সেও যাতে প্রপার এডুকেশন পায়, ডিসক্রিমিনেটেড না হয়, তারজন্য প্রপার থেরাপি ইত্যাদি যা অ্যাভেইলেবল তা নিয়ে কথা বলার কোন মানেই হয় না।

    অবশ্যই এই কথাগুলো আম্রিগার অ্যাভারেজ স্কুলের সাথে ভারতের অ্যাভারেজ স্কুলের কথা মাথায় রেখে বলা। লুরুর মতন শহরে বা ইভেন কলকাতায় দু একটি স্কুল হয়ত অন্যরকম। সে সম্বন্ধে এতই কম জানি যে মন্তব্য করা উচিত নয়।
  • aka | 75.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ০৭:২৩528901
  • নির্মোহ ব দিন যতখুশী দিন কিন্তু নির্মোহ ব দিতে গেলে কিছুটা জানতে হয়। দু চারটি স্যম্পেল দেখে বা নিজের পছন্দ অপছন্দ দিয়ে অন্যের পছন্দ অপছন্দ মাপতে গেলে, বা একটি বিশেষ সিস্টেম সম্বন্ধে বিন্দুমাত্র না জেনে নির্মোহ ব দিতে গেলে আসলে তা নির্মোহ ব এর মোড়কে অন্য কিছু হয়।
  • bb | 117.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ০৮:৫৯528903
  • ধ্রুপদি আমেরিকানরা আবার নেমে পড়েছেন, এঁনারা এত কমপ্লেক্সে কেন ভোগেন। আমেরিকার স্কুল ব্যবস্থা ভাল হলেও অনেক খামতি আছে। আর সাধারণ আমেরিকানের তুলনায় মধ্যবিত্ত শিক্ষিত ভারতীয়ের জানার পরিসীমা বেশি। এটা প্রমাণিত, এর জন্য নোবেল প্রাইজ আনতে হয় না। আর যেখানে ওবামা নোবেল পান সেখানে সব সময় যে ঠিকঠাক ব্যাপার হয় না তাও জানা কথা। তবু ঐ "বাবু যত বল পারিষদ বলে শতগুণ' আরকি
  • aka | 75.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ০৯:২৪528904
  • এগুলো এতই প্রেডিক্টেবল। আমি একটা পোস্ট করলে সে শচীন টেণ্ডুলকর কিম্বা আম্রিগা যাই হোক না কেন অন্য কে কি পোস্ট করবে চোখ বুজে বলে দিতে পারি। :))))

    মধ্যবিত্ত বামপন্থী বাঙ্গালীরা নিজেদের এবঙ্গ ধ্রুপদী আম্রিগান দের নিয়ে এতই অবসেসড যে তাদের চোখে পড়ে না নলেজের পরিসীমা ছাড়াও এডুকেশন সিস্টেম অনেক বড় ব্যপার আর তাতে অনেক বেশি সঙ্গখ্যক ছাত্র ইনভলভড।

    বিটিডব্লু, আমার জানাশোনা সেল্ফ প্রোক্লেমড বামপন্থী, উচ্চশিক্ষিতরা ডেমোক্রেট আর রিপাবলিকানদের পার্থক্য বোঝে না। রিপাবলিকানদের অনেকটা বিজেপি ঠাওড়ায়। কি বলবেন বলুন। এদের বোধহয় ধ্রুপদী ভারতীয়রা দেখেন নি।

    আর ধ্রুঅপদী আম্রিগান দের দেখলেই ধ্রুপদী ভারতীয়দের এমন অবস্থা দেখি তাতে কমপ্লেক্সটা কার কিসের জন্য গুলিয়ে যায় তো।
  • lcm | 69.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১০:৪২528905
  • আকা অনেকটা লিখেছে। না লিখলে কি করে এগোবে আলুচানা। দেখো আকা, সারা পিথিবী শুদ্ধু লোক মুখিয়ে আছে ইউএসএ-তে পড়তে যাবার জন্যে - সব ব্যাটা গদ্ধোব, মুখ্যু হতে চায়। চিনে গুলো তো মহা মুখ্যু, শুধু আম্রিগা আম্রিগা। আর শুধু চিন কেন, ইস্ট ইউরোপ, লাটিন আমেরিকা...

    যাই হোক, বিবি সাধারন আমেরিকান বলতে কাদের বলছে জানি না, ইউএসএ-তে ৩০% পপুলেশন কলেজ গ্যাজুয়েট (১০% মাস্টার ডিগ্রী, ৩% পিএইচডি)। বাকী ৭০% কে ভারতের কলেজের গ্যাজুয়েটের তুলনায় মুখ্যু বলো যদি - তা তো হওয়া উচিত।

    দুখে, পয়েন্টটা ধরেছে। নম্বর পেতে হবে। গ্রামার চাই। মানে বই বা প্রাইভেট টিউটরের নোট থেকে থেকে ভাব সম্প্রসারণ মাগ্গা মারো আর সমাস/প্রত্যয় ঠিক করে অবজেক্টিভ কোশ্চেনে মার্কস তুলে নাও।

    তাতিনের একমাত্র ভাষার পয়েন্টটা বুঝলাম না। যারা একটা ভাষা শেখে তাদের অত ডিটেইলে না জানলেও চলে, আর যারা দুটো বা তিনটে ভাষা শেখে তাদের গ্রামার গুলে খেতে হবে কেন!

    আর মেমোরাইজেশন ব্যাপারটা মোটেই ফাল্‌তু নয়। ইন ফ্যাক্ট, এখানেও মনে রাখতে হয় বইকি, একটু রাখতেই হয়। কিন্তু যতটুকু দরকার। যেমন, কবিতা মুখস্থ করতে হয় না। করলে ক্ষতি নেই, কিন্তু যদি ভালো লাগে, অপশন্যাল।
    দেখো লালন কে দার্শনিক বলা যায়। দর্শন, লিবারল আর্ট্‌স -- এগুলোতে ইউএস ...

    নোবেল প্রাইজের রেফারেন্সটা আমি দিয়েছি তার একটা কারণ আছে। নোবেল লিস্টে আমেরিকান আধিপত্য অনস্বীকার্য। ইকনমিক্স নোবেল বা শান্তি নোবেল (ওবামা) বলছি না, অ্যাপ্লায়েড সায়েন্সে। ঠিক আছে, নোবেল বাদ দিলেও, মেডিক্যাল, ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, বায়ো সায়েন্স -- ইত্যাদি সাবজেক্টে গত ৫০ বছরে যুগান্তকারী কাজের লিস্ট ধরে বসো, একই গপ্পো।
    এখন কথা হল, যে দেশের স্কুল সিস্টেম জঘন্য সেখান থেকে বেরিয়ে এত লোক এত ঘ্যামা কাজ করে কি করে, শুধু অ্যাকাডেমিক রিসার্চে নয়, ইন্ডাস্ট্রি তেও, স্টার্ট আপ থেকে আইবিএম। এ কথাটাই এস এবং রিমি বলতে চেয়েছে।

    এখন এই স্কুল এডুকেশন নিয়ে যে ইস্যু হয়েছে সেটা লোকজন চাকরি পাচ্ছে না বলে, ১৭ মিলিয়ন গ্যাজুয়েট যে কাজ করে এখন (রেস্টুরেন্ট, জ্যানিটর, ক্যুরিয়র সার্ভিস এসেট্রা) তাতে গ্যাজুয়েশন লাগে না। আরো বেশী গ্র্যাজুয়েট বেরোলে তত বেশী চাকরি না হলে কিন্তু মুশকিল হবে। আশির দশকের শেষের দিকে মস্কো তে নিউক্লিয়ার ফিজিক্স গ্র্যাড ট্যাক্সি চালিয়েছে। চাকরির সুরাহা না হলে মুশকিল। আর আগেই লিখেছি পন্ডিত লোকের অভাব বলে সব চাকরি অন্য চলে যাচ্ছে তা নয়, কম রেট আর অভাবনীয় কম্যুনিকেশন টেকনলজি এর মূল কারণ।

    স্কুলে আরো আরো অংক শিখে হবে টা কি, যদি সেটা কাজে লাগাবার সুযোগ না আসে। তার চেয়ে যতটুকু না জানলে নয়, তাই ভালো। পরে দেখা যাবে। শেখার তো কোনো বয়েস নেই।
  • amritalal | 121.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১০:৪৫528906
  • আগামী পনেরোটা পোস্টের মধ্যে আম্রিকার এই কৃতিত্বের মধ্যে ভারতীয় অবদান কত তার পরিসংখ্যান আসবে - যেমন মা:স: তে কত পার্সেন্ট ভারতীয় ইত্যাদি।
  • lcm | 69.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১১:০০528907
  • অমৃতলাল,
    এটা আমিও ভাবছিলাম। পোনেরো অবধি অলেক্ষা করতে হবে না :) ভাটাবার জন্য প্রচুর সময় হাতে।
    আন্ডারগ্র্যাড (বারো ক্লাসের পর যে কলেজ) এ ফরেন স্টুডেন্ট-এর পার্সেন্ট অনেক কম। ২% এর মতন বোধহয়।
    গ্র্যাজুয়েট (মাস্টার্স/পিএইচডি) তে অ্যাবাউট ১৬% ফরেন স্টুডেন্ট। কিছু কিছু সাবজেক্টের মাস্টার্স-এ (ইঞ্জিনিয়ারিং) ভারতীয় আর চিনেদের উপস্থিতি প্রায় ৮০%। এর কারণ, পিএইচডি করার ইচ্ছে না থাকলে ৪ বছর আন্ডারগ্র্যাড-এর পর এখানকার স্টুডেন্টরা কেউ খুব একটা ২ বছরের মাস্টার্স-এ এনরোল করে না। ৪ বছরে এত পয়সা খচ্চা করেম তারপরে আয়ের ধান্ধা।

    যাই হোক, কোন দেশ থেকে বেশী ফরেন স্টুডেন্ট আসে তার একটা ম্যাপ এখানে আছে,
    http://www.iie.org/en/Research-and-Publications/Open-Doors/Data/International-Students

    ভারত/চিন একদম ওপরে,
    তারপরেই কানাডা, জাপান, সৌদি।
  • tatin | 122.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১১:০৮528908
  • গ্রামার শেখার কারণ-

    আমি আমার মাতৃভাষা সহজাত শ্রবণে শিখব, এরপর গ্রামার জেনে সেই শেখাগুলো থেকে ভাশার সিন্ট্যাক্স আর সিম্যান্টিক্স বুঝে নিতে পারলে, ভিন্ন একটি ভাষর সিণ্ট্যাক্টিকাল রুল গুলো ধোরে সেইটাও শিখে নেয়া সম্ভব।

    আগে বাংলা পরে ইংরিজি স্কুল শিক্ষার প্রেসক্রিপশনে এই আইডিয়াটা ছিল। বাংলা ব্যাকরণটা ঠিক করে না শেখানোয় দাঁড়ালোনা
  • pi | 72.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১১:১৬528909
  • যারা মাস্টার্স করে এম এস, পিএইচডি বা আরো উচ্চতর গবেষণার জন্য আসছে, তারা কোন স্কুল সিস্টেমের প্রোডাক্ট ? আম্রিগান সিস্টেমের প্রোডাক্টদের সাথে তুলনা করে তাদের তো ভালো বই খারাপ লাগেনি ! শুধু ভারতের কথা বলছি না।

    যারা স্কুল সিস্টেমের ঠিক করে অ্যাভেল করতে পারছে, তারা আম্রিগানদের থেকে কত পিছিয়ে ( যদি পিছিয়ে থাকে), সেটা যত না সমস্য, অনেক বেশি সমস্যা, দেশের্বেশিরভাগ মানুষ সেই সিস্টেমকে ঠিক করে অ্যাভেল ই করতে পারেনা।
    যে সিস্টেমটা আছে, তারই তো অর্ধেক সুবিধা নিতে পারেনা।
    এত্ত শিক্ষক অপ্রতুলতা, শিক্ষকদের ট্রেনিং নেই ঠিকঠাক। আর প্রচুর ছেলেপুলে নানা কারণে পড়াশুনা করতেই পারছেনা।

    দেশের পশ স্কুল কি শহুরে সরকারি শুলগুলো আম্রিগার স্কুল থেকে কত পিছিয়ে, সেটা আলোচ্য বিষয় হলে অবশ্য আলাদা কথা।

    আম্রিগার একটা জিনিস খুব ভালো লাগে। 'টিচ ফর আমেরিকা'। এরকম সিস্টেম দেশে কার্জস্কেলে চালু করলে তো পারে।
  • amritalal | 121.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১১:২৭528910
  • এছাড়া আরো তথ্য আসবে যেগুলো প্রমাণ করবে যে এই সমস্ত বৈজ্ঞানিক চিন্তাভাবনা (যেগুলো দিয়ে নোবেল টোবেল হয় আর কী) বহু যুগ আগে ভারতীয় ঋষিরা ভেবে গেছেন। বেদে সব লেখা আছে।
  • lcm | 69.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১১:৩৩528911
  • হা, হা, অমৃতলাল।

    পাই, ইউএস এ পপুলেশনের ৭৫% হাই স্কুল কপ্লিট করছে। লিটারেসি ৯৯%।
  • riddhi | 108.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১১:৫১528914
  • আকা এটা কি লিখেছেন? আবেগে থরথরো তো আপনি মনে হচ্ছে। কোন সিস্টেম ভাল না খারাপ তার খুব গোদা মাপকাঠি হল কি কি স্কিল সেট তৈরি করছে-
    আচ্ছা এটা মানেন তো অংকে আম্রু সিস্টেম টোটাল ফেল? অন্তত ভারতের থেকে অনেক পিছিয়ে হাই স্কুল লেভেলে। ওবামাও এটা বারবার স্বীকার করে। এটার ধুয়েই তো আমরা করে খাচ্ছি!
    তো এই যে এত প্রেপারেশান আট ঘাট বিবেচনা পেরেন্ট টিচার মিটিং এয়াআত কান্ড তবু এই একটা খুব জরুরী জায়্‌গায় এই অবস্থা কেন? মানে মৌলিক কোন সমস্যা আছেই সিস্টেমে। এটা স্বীকার না করা, আর আমাদের সিস্টেমে শুধুই নেগেটিভ পয়েন্ট দেখা, মানে কি বলব। আমাদের এখানে পুরো অস্তিত্ব যাবতীয় ফুটানি তো আমাদের সিস্টেমের জন্য। না তো কিসের জন্য ভিসা দিয়েছে, মুখ দেখে? না আমরা সবাই জিনিয়াস, গ্যসের আলোর বিদ্যাসাগর, বা রামানুজন সব আমাদের কাছে ফেল, একটা বালের সিস্টেম কে অতিক্রম করে চলে এসেছি। একদল লোক অন্য দেশ থেকে এসে হাই-টেক জব কেড়ে নিচ্চে, ওদিকে সেই দেশের সিস্তেমে কোন ভাল পয়েন্ট নেই-- সেখান থেকে এই সিদ্ধান্তই টানা যায়।
  • ppn | 202.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১১:৫২528915
  • আরে এই সোডা জলের কলামটা নিয়মিত পড়তাম। শ্রীমান দুখেই কি সোডা অথবা জল?
  • lcm | 69.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১১:৫৬528916
  • রিদ্ধি,
    আমেরিকা থেকে কাজ ভারতে যায় তার কারণ ভারতীয়রা অ্যালজেব্রা বা ক্যালকুলাসে পন্ডিত বলে নয়।
  • Ben Arfa | 121.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১১:৫৮528917
  • ঠিক। এই আরেকটা মিথ লোকের মাথায় গজাল মেরে ঢোকানো হচ্ছে।
  • riddhi | 108.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১২:০০528918
  • এল সি এমে এর কম রেটের ফান্ডা টা বুঝলাম না। ইন্ডিয়া থেকে আসা গ্রাড স্টুডেন্ত এখানে এসে ভাল চাকরী বাগাচ্ছে,
    এখানে কম রেট ব্যাপার টা আসছে কি করে?
  • ppn | 202.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১২:০১528920
  • ঋদ্ধি, ওইটা আমাদের জন্য বলা হয়েছে। আইটি আর আইটিইএস কাজ আউটসোর্সড হয়ে যাবার কথা।
  • riddhi | 108.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১২:০১528919
  • উহু আমি আউটসোর্সিঙ্গের কথা বলছি ই না এখানে।
  • ppn | 202.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১২:০৫528921
  • আউটসোর্সড হয়ে যাবার দুটো কারণ:

    ১। কম রেট
    ২। উপযুক্ত রিসোর্সের অভাব

    ব্যপারটা শুরু হয়েছিল (১) দিয়ে এখন যতদিন যাচ্ছে (২) নং জাঁকিয়ে বসছে।
  • tatin | 122.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১২:০৮528923
  • সামান্য কম্পিউটেশন বা অ্যানালিটিকাল কাজ থাকলে আম্রু প্রফরা ভারতীয় প্রেফার করেন, মানে ভারতের আন্ডারগ্‌র্‌যাড প্রেফার কারে, জানেন না?

    আমার পয়েন্ট অবশ্য সেটা না- একটু পরে এসে লিখছি।
  • lcm | 69.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১২:০৮528922
  • রিদ্ধি,
    ইউএস-এ তে যেসব ভারতীয় এমএস করতে আসে, ২০০৮ এর পর থেকে তাদের একটা বড় অংশ দু চারদিন এদিক ওদিক করে ফেরৎ যাচ্ছে, এবং দেশে চমৎকার চাকরি কচ্ছে। কিছু জনগণ এইচ-ওয়ান-বি স্পনসরশিপ থাকলেও দেশে চলে যাচ্ছে, কারণ এখানে চাকরির সিন ভালো না। বেসিক্যালি যা আছে ক¾ট্রাক্ট জব, পার্মানেন্ট এইচ-ওয়ান-বি জব প্রায় নিল।
    একটা ইন্ডিয়ান (ইউএস থেকে বেরোয়) পাবলিকেশনে এই নিয়ে স্ট্যাট বেরিয়েছিল।
  • dukhe | 202.*.*.* | ২৭ মার্চ ২০১২ ১২:০৯528925
  • সোডাজলের হালহদিশ প্রকাশে গুরুদেবের নিষেধ আছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে মতামত দিন